• ২৫ মিলিয়ন ঘণ্টা ভিউ! কী আছে সাড়াজাগানো এই সিরিজে

    বার্লিনের গুপ্তচর জগৎকে পটভূমি করে তৈরি নতুন থ্রিলার সিরিজ ‘আনফ্যামিলিয়ার’ মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই নন–ইংরেজি কনটেন্টের তালিকায় বিশ্বব্যাপী শীর্ষ স্থানে উঠে এসেছিল। ৫ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাওয়া সিরিজটি দেখা যাচ্ছে নেটফ্লিক্সে। মুক্তির পর এ পর্যন্ত ২৫ মিলিয়ন ঘণ্টার বেশি ভিউ হয়েছে সিরিজটির। আন্তর্জাতিক দর্শকের আগ্রহ প্রমাণ করে দিয়েছে—ইউরোপীয় পটভূমির গোয়েন্দা গল্পও আজ বৈশ্বিক বিনোদনের কেন্দ্রে জায়গা করে নিতে পারে।

    সিরিজের কেন্দ্রে রয়েছেন সাবেক শীর্ষ দুই গোয়েন্দা কর্মকর্তা—মেরেট ও সিমন। মেরেট চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুসান উলফ আর সিমনের ভূমিকায় ফেলিক্স কারমার। একসময় তাঁরা ছিলেন জার্মান গোয়েন্দা সংস্থার দক্ষ অপারেটিভ; এখন বার্লিনে একটি গোপন ‘সেফ হাউস’ পরিচালনা করেন। কিন্তু অতীতের এক অন্ধকার হুমকি হঠাৎ ফিরে এলে তাঁদের শান্ত জীবন ভেঙে পড়ে। চুক্তিভিত্তিক খুনি, রুশ এজেন্ট ও নিজেদের সাবেক নিয়োগকর্তা জার্মান ফেডারেল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (বিএনডি)—সবাইকে মোকাবিলা করতে হয় তাঁদের। আর সেই লড়াই শুধু দায়িত্বের নয়, নিজেদের পরিবার ও জীবনের সুরক্ষারও।

    ‘আনফ্যামিলিয়ার’ আসলে প্রযোজনা সংস্থা গোমোঁ জার্মানির নেটফ্লিক্সের সঙ্গে দ্বিতীয় বড় প্রকল্প, রোমান সাম্রাজ্যকে ঘিরে নির্মিত ‘বারবারিয়ানস’–এর পর। সেই সিরিজের পরিকল্পিত তৃতীয় মৌসুমের জন্য কাজ শুরু করেছিলেন নির্মাতা পল কোটস। কিন্তু সেটি বাতিল হলে তিনি নতুন এক গুপ্তচর গল্পের ধারণা দেন, যা থেকে জন্ম নেয় ‘আনফ্যামিলিয়ার’।

    কোটসের ভাষায়, এই সিরিজের ভেতরে তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ছাপ রয়েছে। তিনি নিজেও পঞ্চাশোর্ধ্ব, তাই মেরেট ও সিমনের বয়সও জীবনের বাস্তবতা তাঁকে টেনেছে। সাধারণত গুপ্তচর কাহিনিতে তরুণ, শক্তিশালী, প্রায় অতিমানবীয় চরিত্র দেখা যায়। কিন্তু এখানে দুই মধ্যবয়সী মানুষের শারীরিক সীমাবদ্ধতা, বয়সজনিত ক্লান্তি ও মানসিক টানাপোড়েন গল্পকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। বেরাইসও মনে করেন, বয়সকে গল্পের অংশ করে তোলার মধ্যেই রয়েছে মৌলিকতা ও বাস্তবতা।

    ‘আনফ্যামিলিয়ার’–এর দৃশ্য। আইএমডিবি
    ‘আনফ্যামিলিয়ার’–এর দৃশ্য। আইএমডিবি

    সিরিজ নির্মাণে বাস্তবতার ছোঁয়া আনতে সরাসরি সহযোগিতা চাওয়া হয়েছিল জার্মান গোয়েন্দা সংস্থা বিএনডির কাছ থেকে। প্রযোজকেরা গল্পের খসড়া তাঁদের সঙ্গে ভাগ করেন, যাতে উপস্থাপনা বিশ্বাসযোগ্য হয়। অভিনয়শিল্পীরাও সংস্থার প্রতিনিধিদের কাছে প্রশ্ন করার সুযোগ পান। এমনকি বার্লিনে বিএনডির সদর দপ্তরের বাইরে শুটিংয়ের অনুমতিও মিলেছিল, তবে কড়া নিরাপত্তা বিধিনিষেধ মেনে। সপ্তাহান্তে শুটিং করতে হয়েছে, যাতে সংস্থার কর্মীদের স্বাভাবিক যাতায়াত চিত্রায়িত না হয়।

    গোমোঁর জন্য ‘আনফ্যামিলিয়ার’ ছিল এক উচ্চাভিলাষী আন্তর্জাতিক প্রকল্প। তাদের আগের সফল সিরিজগুলোর মতো ‘নার্কোস’ বা ‘লুপিন’—এখানেও নির্মাতারা একটি স্বতন্ত্র জগৎ তৈরি করতে চেয়েছেন। বার্লিনের ইতিহাস, শীতল যুদ্ধের স্মৃতি, আধুনিক ইউরোপীয় রাজনীতির উত্তাপ—সব মিলিয়ে এক বাস্তব অথচ উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যেখানে গল্প স্বাভাবিকভাবেই বিস্তার লাভ করেছে।

    কোটস জানান, শুরুতে তিনি অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন তারিক সালেহ পরিচালিত অ্যাকশন থ্রিলার ‘দ্য কন্ডাক্টর’ থেকে। বিশেষ করে একটি দৃশ্যে আহত নায়ককে একটি ফোন নম্বর দেওয়া হয়, সেই রহস্যময় সেফ হাউসের ধারণাই তাঁকে ভাবায়। সেখানে সংক্ষিপ্ত উপস্থিতি ছিল এডি মারসনের। সেই চরিত্রটির অদেখা জীবন, অজানা অতীত—এসব প্রশ্ন থেকেই সিরিজটির জন্ম।

    সিরিজটির নির্মাণভঙ্গি ধীর ও সংযত। প্রথম পর্বেই সব রহস্য উন্মোচন না করে দর্শককে ধাপে ধাপে তথ্য দেন। চমকপ্রদ টুইস্টের বদলে তাঁরা বেছে নিয়েছেন ‘স্লো–বার্ন’ পদ্ধতি—চাপ জমতে থাকে, উত্তেজনা বাড়ে এবং দর্শক অনিবার্য পরিণতির অপেক্ষায় থাকেন। এই ধৈর্যশীল গতি সবার কাছে সমান আকর্ষণীয় না–ও হতে পারে, কিন্তু অনেকেই এই সংযমকেই সিরিজটির শক্তি হিসেবে দেখছেন।

    ‘আনফ্যামিলিয়ার’–এর দৃশ্য। আইএমডিবি
    ‘আনফ্যামিলিয়ার’–এর দৃশ্য। আইএমডিবি

    নেটফ্লিক্স সাম্প্রতিক বছরগুলোয় স্পাই থ্রিলারকে বৈশ্বিক আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসতে দক্ষতা দেখিয়েছে। ‘আনফ্যামিলিয়ার’ সেই ধারাতেই নতুন সংযোজন। অল্প পর্বসংখ্যা সিরিজটিকে সহজে টানা দেখার সুযোগ করে দিয়েছে। জার্মান গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতায় বাস্তবধর্মী উপস্থাপন সিরিজটিকে বিশ্বাসযোগ্যতা দিয়েছে, যা অনেক কল্পনাপ্রবণ স্পাই ড্রামার ভিড়ে আলাদাভাবে চোখে পড়ে।

    তবে বিতর্কের জায়গাটিও স্পষ্ট। অনেক দর্শকের কাছে এটি পরিচিত ফর্মুলার পুনরাবৃত্তি—অবসরপ্রাপ্ত গুপ্তচর, অতীতের ব্যর্থ মিশন, ভুয়া পরিচয়ে গড়া পরিবার। নতুনত্বের সন্ধানীরা হয়তো এটিকে ‘রিমিক্স’ বলবেন। কিন্তু চরিত্রকেন্দ্রিক উত্তেজনা, আবেগের ধীরে জমাট বাধা স্তর ও মধ্যবয়সী জীবনের বাস্তব সংকট—এই উপাদানগুলোই সিরিজটিকে অন্যদের কাছে আলাদা করে তুলেছে। মুক্তির পর প্রথম সপ্তাহেই বৈশ্বিক সাফল্য প্রমাণ করে দিয়েছে, দর্শক এখন এমন গুপ্তচর কাহিনি দেখতে চায়, যেখানে আছে মানবিক দুর্বলতা, বয়সের বাস্তবতা ও রাজনৈতিক জটিলতার সমন্বয়।

    ‘আনফ্যামিলিয়ার’–এর পোস্টিার। আইএমডিবি
    ‘আনফ্যামিলিয়ার’–এর পোস্টিার। আইএমডিবি

    এটি শুধু অ্যাকশন নয়; বরং মধ্যবয়সী দুই মানুষের টিকে থাকার গল্প; অতীতের ছায়া থেকে বর্তমানকে বাঁচানোর লড়াই। আর বার্লিন গুপ্তচর ইতিহাসের চিরন্তন শহর—এই লড়াইয়ের জন্য যেন আদর্শ মঞ্চ।

  • ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে জাহাজ

    চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে আসা হংকংয়ের পতাকাবাহী জাহাজ কিউচি। এপ্রিল মাসে আসা এটি অকটেনের তৃতীয় চালান।

    বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বন্দরের বহির্নোঙরে ভেড়ে জাহাজটি। বহস্পতিবার দুপুর থেকেই জাহাজটি থেকে তেল খালাস কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। 

    এর আগে ৮ এপ্রিল ২৬ হাজার টন নিয়ে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ ও ১৭ এপ্রিল ২৭ হাজার টন অকটেন নিয়ে ‘এমটি নেভি সিয়েলো’ জাহাজ বন্দরে এসেছিল। দৈনিক ১২০০ টন চাহিদা হিসেবে এই এক মাসে আসা ৭৯ হাজার টন অকটেন দিয়ে চলা যাবে দুই মাসেরও বেশি সময়।

    প্রাইড শিপিং লাইনের স্বত্বাধিকারী নজরুল ইসলাম জানান, বহির্নোঙরে অকটেন ও ডিজেল নিয়ে অবস্থান করছে আরও পাঁচটি জাহাজ। এছাড়া বুধবার তিনটি জাহাজ বার্থিং করে তেল খালাস শুরু করেছে।

    তিনি বলেন, বন্দরে ডলফিন জেটি মাত্র তিনটি। তাই চাইলেও সবগুলো জাহাজকে একসঙ্গে বার্থিং দেওয়া সম্ভব নয়। এদিকে আবহাওয়া খারাপ থাকায় কার্গো খালাসে একটু বেগ পেতে হচ্ছে।

     

  • ৩ গোলে এগিয়ে গিয়েও অবিশ্বাস্য হার মেসিদের

    নিজেদের মাঠ ন্যু স্টেডিয়ামে আবারও হারল ইন্টার মায়ামি। তবে এবারের হার লিওনেল মেসিদের জন্য বেশ যন্ত্রণাদায়কই। আজ মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) অরল্যান্ডো সিটির বিপক্ষে শুরু থেকে দাপট দেখিয়ে ৩৩ মিনিটের মধ্যেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল মায়ামি।

    কিন্তু আক্রমণভাগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভালো খেলতে পারেনি দলটির রক্ষণভাগে। দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক গোল হজম করে শেষ পর্যন্ত মায়ামি হেরেছে ৪-৩ গোলে। এর মধ্যে অরল্যান্ডো সিটির জয়সূচক গোলটি হয়েছে ম্যাচের ৯৩তম মিনিটে।

    ন্যু স্টেডিয়ামের ম্যাচটিতে মায়ামি এগিয়ে যায় তৃতীয় মিনিটে। তেলাস্কো সেগোভিয়ার বাড়ানো ক্রস থেকে হেডে গোল করেন ইয়ান ফ্রে। ২৫ মিনিটের সময় লুইস সুয়ারেজ এবং মেসির বল দেওয়া-নেওয়ায় আক্রমণ থেকে গোলদাতার খাতায় নাম লেখান সেগোভিয়া। এর কিছুক্ষণ পর ৩৩ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শটে ব্যবধান ৩-০ করেন মেসি। আর্জেন্টাইন মহাতারকার ক্যারিয়ারে ৯০৬ নম্বর গোল এটি। ইন্টার মায়ামির হয়ে ৮৬তম।

    ম্যাচে একটি গোল করেছেন মেসি
    ম্যাচে একটি গোল করেছেন মেসিএএফপি
     

    অরল্যান্ডো সিটি তিন গোল হজমের পর দৃশ্যপটে আসেন আরেক আর্জেন্টাইন মার্টিন ওজেদা। ২৭ বছর বয়সী এই উইঙ্গার প্রথমার্ধের বিরতির আগে একটি গোল শোধ করেন। দ্বিতীয়ার্ধে নামার পর মায়ামি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এ সময় অরল্যান্ডে মায়ামি রক্ষণের দুর্বলতার সুযোগ চাপ বাড়িয়ে একের পর এক সুযোগ তৈরি করে। ৬৮ মিনিটে দ্বিতীয় গোলটিও পেয়ে যান ওজেদা।

    ৭৯তম মিনিটে অরল্যান্ডে পেয়ে যায় পেনাল্টিও। যা কাজে লাগিয়ে ম্যাচে ৩-৩ সমতা এবং নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন ওজেদা।

    ম্যাচের এই জায়গা থেকে মায়ামি হারে যোগ করা সময়ের গোল হজমে। গোলের আশায় মায়ামির সবাই ওপরের দিকে থাকায় সুযোগ কাজে লাগিয়ে কোনো প্রতিরোধ ছাড়াই গোল করেন অরল্যান্ডোর তাইরেস স্পাইসার। মায়ামির জন্য উৎসবে শুরু হওয়া ম্যাচে শেষপ্রান্তে হয়ে পড়ে বিষাদের।

    ম্যাচের পর হ্যাটট্রিক করা ওজেদা নিজের আর্জেন্টাইন পরিচয় তুলে ধরেন ক্যামেরার সামনে
    ম্যাচের পর হ্যাটট্রিক করা ওজেদা নিজের আর্জেন্টাইন পরিচয় তুলে ধরেন ক্যামেরার সামনে, এএফপি
     

    এ নিয়ে ন্যু স্টেডিয়াম উদ্বোধনের পর থেকে টানা চার ম্যাচ জয়হীন থাকল মায়ামি। এমএলএস পয়েন্ট তালিকায় ১১ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে মেসিরা এখন তিন নম্বরে। এক ম্যাচ কম খেলে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে নিউ ইংল্যান্ড। ১০ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে নাশভিল।

  • ৩০ হাজার কোটি রুপির সম্পত্তির কী হবে, কারিশমার সন্তানদের আবেদনে আদালতের রায়

    বলিউড অভিনেত্রী কারিশমা কাপুরের সাবেক স্বামী সঞ্জয় কাপুরের মৃত্যুর পর তাঁর প্রায় ৩০ হাজার কোটি রুপির সম্পত্তি নিয়ে টানাপোড়েন চলছে। তাঁর এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির অধিকারী কে হবেন, তা নিয়ে শুরু হয় বিবাদ। দাবিদারদের মধ্যে রয়েছেন সঞ্জয়ের বর্তমান স্ত্রী প্রিয়া কাপুর, মা রানি কাপুর ও দ্বিতীয় স্ত্রী কারিশমা কাপুরের দুই সন্তান সামারা ও কিয়ান। যদিও সঞ্জয়ের বর্তমান স্ত্রী প্রিয়া সম্পত্তির অধিকার অন্য কাউকে দিতে নারাজ। তিনি যেমন মামলা করেছেন, তেমনই প্রিয়ার বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন কারিশমার দুই সন্তানও। এর পরিপ্রেক্ষিতে বড় রায় দিলেন আদালত।

    আগেই কারিশমার দুই সন্তান দাবি করেছেন, প্রিয়া তাঁদের বাবার সম্পত্তি জাল করেছেন। জালিয়াতি করে বানানো নতুন উইলে সম্পত্তি নিয়ে স্পষ্ট তথ্য দেননি। সঞ্জয়ের জমি, বাড়ি ও তাঁর সংস্থা ছাড়াও ছিল দামি দামি ঘোড়া। ছিল বহুমূল্যের সব ঘড়ি, যেগুলোর বাজারমূল্য কয়েক লাখ, কয়েকটি আবার কোটির ঘরে। সম্পত্তিসংক্রান্ত নথিতে এ ধরনের জিনিসের কোনো উল্লেখ করেননি প্রিয়া। যখন উইলটি বানানো হয় সে সময় একবারও কারিশমার দুই সন্তানকে দেখানোর প্রয়োজন পর্যন্ত মনে করেননি তিনি।

    কারিশমা কাপুর ও সঞ্জয় কাপুর। কোলাজ
    কারিশমা কাপুর ও সঞ্জয় কাপুর। কোলাজ

    কিয়ান ও সামারার এই অভিযোগের ভিত্তিতে রায় দিলেন দিল্লির উচ্চ আদালত। গতকাল দেওয়া রায়ে জানানো হয়, সঞ্জয়ের বিদেশের সমস্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ রাখা হবে। ওই অ্যাকাউন্টগুলো থেকে কোনো রকমের আর্থিক লেনদেন করতে পারবেন না প্রিয়া।

    এই রায় কারিশমার দুই সন্তানকে যে স্বস্তি দিয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। এই রায় প্রকাশের পর বোন কারিনা কাপুর খান ইঙ্গিতপূর্ণ একটি পোস্ট দিয়ে লেখেন, ‘আশার আলো, বিচার আমরা পাবই। সত্য প্রকাশ্যে আসবে।’

    আদালত আরও নির্দেশ দেন, সঞ্জয় কাপুরের সম্পত্তি অবশ্যই সংরক্ষণ করা প্রয়োজন এবং এগুলো কোনোভাবেই হস্তান্তর কিংবা নষ্ট করা যাবে না। একই সঙ্গে প্রিয়া সচদেব কাপুর যাতে ওই সম্পত্তিগুলো কোনোভাবেই বিক্রি না করতে পারেন, তাতে আদালত একটি অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশও জারি করেছেন।

    এনডিটিভি অবলম্বনে

  • ৩২ ম্যাচেই ৪৩১ ছক্কা, রেকর্ড তাহলে ভেঙেই যাচ্ছে

    ক্রিকেট দিনে দিনে ছক্কার খেলায় পরিণত হচ্ছে বললে হয়তো ভুল হবে না। পাওয়ারপ্লে থেকে ডেথ ওভার—সব সময়ই ছক্কা মারার চেষ্টা থাকে ব্যাটসম্যানদের।

    স্বাভাবিকভাবেই ছক্কার সংখ্যায় একটা টুর্নামেন্ট আরেকটাকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। না, ছক্কার সংখ্যায় এবারের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ গত টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপকে ছাড়ায়নি। তবে ২০২৪ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে গড়া ছক্কার রেকর্ড ভেঙে এবারের বিশ্বকাপ নতুন রেকর্ড গড়বে, সেটা অনেকটাই নিশ্চিত।

    ২০২৪ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ৫২ ম্যাচে ছক্কা দেখা গিয়েছিল ৫১৭টি, যা এক টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ। এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ম্যাচ হয়েছে ৩২টি। এরই মধ্যে ছক্কা হয়েছে ৪৩১টি। ফাইনালসহ এখনো ম্যাচ বাকি ২৩টি। রেকর্ড কি ভাঙবে? তেমনটাই তো হওয়ার কথা।

    কারণ, গত টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচপ্রতি প্রায় ১০টি করে ছক্কা মেরেছে—৯.৯৪। এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ছক্কা হয়েছে ম্যাচপ্রতি অনেক বেশি— ১৩.৪৭ । সেই হিসাবে বাকি ম্যাচগুলোতে রেকর্ড ভেঙে যাওয়ারই কথা।

    ২০২৪ বিশ্বকাপের চেয়ে এবারের ব্যাটসম্যানরাও বেশি হাত খুলে খেলেছেন। গত টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ব্যাটসম্যানদের সমন্বিত স্ট্রাইকরেট ছিল ১০৯.৯৬, এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৬.৪২। এটিই টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের এক আসরে ব্যাটসম্যানদের সমন্বিত স্ট্রাইকরেটের হিসাবে সর্বোচ্চ।

    ২০২৪ বিশ্বকাপের চেয়ে এবারের ব্যাটসম্যানরাও বেশি হাত খুলে খেলেছেন
    ২০২৪ বিশ্বকাপের চেয়ে এবারের ব্যাটসম্যানরাও বেশি হাত খুলে খেলেছেন, এএফপি
     

    এবারের বিশ্বকাপ ও এর আগের বিশ্বকাপ ছাড়া এক আসরে ৪০০ ছক্কা হয়েছে মাত্র একবার। সেটি ২০২১ বিশ্বকাপে। সবচেয়ে কম ছক্কা হয়েছে ২০০৯ ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে। সেবার মাত্র ১৬৬টি ছক্কা হয়েছে, ম্যাচও হয়েছিল মাত্র ২৭টি।

    অবশ্য চারটি বিশ্বকাপেই ২৭টি করে ম্যাচ হয়েছে। ২৭টি করে ম্যাচ হয়েছে এমন বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ছক্কা হয়েছিল ২০১০ সালে, ২৭৮টি।

  • ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে দেশে এল আরেক জাহাজ

    মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে জ্বালানি তেল নিয়ে দেশে এল আরও একটি জাহাজ। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ‘এমটি শান গাং ফা জিয়ান’ নামের জাহাজটি ৩৪ হাজার টন ডিজেল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। তেল সরবরাহ করেছে ইউনিপ্যাক সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড।

    জ্বালানি তেল আমদানি ও সরবরাহের কাজটি করে সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। সংস্থাটির তথ্যমতে, এপ্রিলে ডিজেলের চাহিদা প্রায় চার লাখ টন। এ মাসে আরও সোয়া তিন লাখ টন ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা আছে। এ মাসে এখন পর্যন্ত দুটি জাহাজ এসেছে। এর আগের জাহাজটি আসে গতকাল শুক্রবার বেলা ২টায়। ২৭ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ওই জাহাজটিও আসে সিঙ্গাপুর থেকে। ওই তেলও সরবরাহ করেছে ইউনিপ্যাক।

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। এতে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের জ্বালানি আমদানিতে প্রভাব পড়ে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বেশ কয়েকটি জাহাজ দেশে পৌঁছাতে না পারায় সরবরাহে চাপ তৈরি হয়। এই পরিস্থিতিতে বিপিসি বিকল্প উৎস থেকেও জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগ নেয় সরকার।

    জানতে চাইলে বিপিসির মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ মোরশেদ হোসাইন বলেন, সর্বশেষ জাহাজটি এসে পৌঁছেছে। এখন নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে খালাস কার্যক্রম শুরু হবে।

  • ৫ থেকে ৭ বছর কারাদণ্ড হতে পারে নাসির-তামিমার

    আদালতে দোষ প্রমাণিত হলে ৫ থেকে ৭ বছর কারাদণ্ড হতে পারে ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রী তামিমার।

    আইনিভাবে বিচ্ছেদের আগেই নতুন করে বিয়ে করার অভিযোগ অস্বীকার করে আদালতে সাফাই সাক্ষ্য দিয়েছেন ক্রিকেটার নাসির হোসেনের স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মি।

    সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে নিজেদের নিরপরাধ দাবি করে ন্যায়বিচার চান তিনি।

    মামলায় নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এর আগে ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

    ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর উত্তরার একটি রেস্তোরাঁয় নাসির ও তামিমার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। তামিমা তার আগের স্বামীকে তালাক না দিয়ে নাসিরকে বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় তামিমা ও নাসিরের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি মামলা করেন তামিমার আগের স্বামী রাকিব হাসান।

    এ মামলায় দোষ প্রমাণিত হলে ৫ থেকে ৭ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রী।

     

  • ৫৪ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভাঙার পথে বায়ার্ন

    বুন্দেসলিগায় বায়ার্ন মিউনিখ মানেই যেন গোল–উৎসব! কয়েক বছর ধরে প্রতি মৌসুমেই তারা প্রতিপক্ষকে গোলের বন্যায় ভাসাচ্ছে। আগের তিন মৌসুমেই লিগে ৯০–এর বেশি গোল করেছে দলটি। এবার ২৭ ম্যাচ খেলেই নতুন রেকর্ড গড়ার পথে বাভারিয়ানরা।

    ১৯৭১–৭২ মৌসুমে লিগে ১০১ গোল করেছিল বায়ার্ন, যা এখনো এক মৌসুমে লিগে কোনো দলের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। ৫৪ বছর পর নিজেদের সেই রেকর্ডই এবার ভাঙার পথে দলটি। লিগে এখনো সাত ম্যাচ বাকি বায়ার্নের। এরই মধ্যে বায়ার্ন গোল করেছে ৯৭টি। বাকি সাত ম্যাচে অন্তত পাঁচ গোল করলেই ১৯৭১–৭২ মৌসুমে করা সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটি ভেঙে যাবে।

    বায়ার্ন এবার তাদের ক্লাব ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভাঙার পথে
    বায়ার্ন এবার তাদের ক্লাব ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভাঙার পথে, এএফপি
     

    হয়তো এত দিন অপেক্ষাও করতে হবে না বায়ার্ন সমর্থকদের। তার আগেই মাইলফলকটা ছুঁয়ে ফেলবে জার্মান ক্লাবটি। আগামী শনিবার লিগে নিজেদের ২৮তম ম্যাচে ফ্রাইবুর্গের মুখোমুখি হবে বায়ার্ন। হয়তো সেই ম্যাচেই বায়ার্নের গোলের সংখ্যা ১০১ পেরিয়ে যাবে। গত বছরের নভেম্বরে ফ্রাইবার্গের বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচেই ৬ গোল দিয়েছিল জার্মান জায়ান্টরা।

    শুধু এক মৌসুমে সবচেয়ে বেশি গোল করাই নয়, আরও দুই রেকর্ড ভাঙার সুযোগ বায়ার্নের সামনে। ঘরের মাঠে এবং প্রতিপক্ষের মাঠে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোল করার রেকর্ডও নতুন করে লিখতে পারে বায়ার্ন। এ মৌসুমে ২৭ ম্যাচ খেলা বায়ার্ন ঘরের মাঠেই গোল করেছে ৫৬টি, প্রতিপক্ষের মাঠে ৪১টি। এখন পর্যন্ত ঘরের মাঠে এক মৌসুমে বায়ার্নের সর্বোচ্চ গোল ৬৯; ১৯৭১–৭২ মৌসুমে করেছিল তারা। অ্যাওয়তে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোল ৪৭, যা ২০১৯–২০ মৌসুমে করেছিল বায়ার্ন।

    চলতি মৌসুমে বায়ার্নের এই ৯০ পেরোনো গোলে সবচেয়ে বেশি অবদান হ্যারি কেইনের। লিগে ২৬ ম্যাচ খেলে ৩১ গোল করেছেন এই ইংলিশ স্ট্রাইকার।

  • ৭০টি দেশে সাড়া ফেলেছে! কী আছে এই তুর্কি সিরিয়ালে

    তুর্কি ধারাবাহিক ‘ভেনডেটা’ এখন বিশ্বের ৭০টির বেশি দেশে সম্প্রচার করা হচ্ছে; এর জনপ্রিয়তা ক্রমেই বাড়ছে। মূলত একটি পারিবারিক রক্তক্ষয়ী শত্রুতার প্রেক্ষাপটে দুই তরুণ, দিলান ও বারানের প্রেম এবং সংগ্রামের গল্প বলছে এই ধারাবাহিক। এই সিরিজটি নির্মাণ করেছে রেইনস পিকচার্স ও ইউনিক ফিল্ম। ধারাবাহিকটি তুরস্কে সম্প্রচারিত হচ্ছে কানাল ৭-এ।

    রক্তক্ষয়ী শত্রুতা থেকে প্রেম

    ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে রয়েছেন দিলান ও বারান, যাঁদের চরিত্রে অভিনয় করছেন ইয়াগমুর ইউকসেল ও বারিশ বাকতাস। দুই পরিবার দীর্ঘদিন ধরে একে অপরের সঙ্গে শত্রুতা করে আসছে। শান্তি স্থাপনের জন্য তাঁদের বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়।

    শুরুর দিকে সম্পর্ক ছিল ‘অস্বীকৃত’, একে অপরকে পছন্দ করতেও তারা দ্বিধা করত। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা বোঝে যে তাদের মধ্যে জেগে ওঠা টুকরা টুকরা আকর্ষণ একদিকে প্রেমের সূচনা করতে পারে, অন্যদিকে পুরো জীবন ধ্বংসের দিকে নিয়ে যেতে পারে। দর্শকেরা প্রতিটি দৃশ্যে দেখেছে, কীভাবে ছোট ছোট নীরব অনুভূতি, চুপচাপ একে অপরের দিকে টান এবং মানসিক টানাপোড়েন ধীরে ধীরে গভীর সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যায়।

    আন্তর্জাতিক সাফল্য: ৭০টির বেশি দেশে দর্শকপ্রিয়তা
    ‘ভেনডেটা’ শুধু তুরস্কেই নয়, আন্তর্জাতিকভাবেও সফলতা অর্জন করেছে। জর্জিয়া, রোমানিয়া, পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, ইউক্রেন, কাজাখস্তান এবং সাব-সাহারান আফ্রিকায় এটি প্রচুর দর্শক টানছে। বিশেষত জর্জিয়ায় এটি প্রাইম টাইমে শীর্ষস্থানীয় ধারাবাহিক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

    ‘ভেনডেটা’র দৃশ্য। আইএমডিবি
    ‘ভেনডেটা’র দৃশ্য। আইএমডিবি

    বিপণন সংস্থা গ্লোবাল এজেন্সির প্রধান ইজেট পিন্টো বলেন, ‘আমরা সিরিজটি আন্তর্জাতিকভাবে বিপণন শুরুর পর থেকেই এটি আলোচিত হয়েছে। যেকোনো দেশে সম্প্রচার শুরু হলেই এটি শীর্ষস্থান দখল করে নেয়। দর্শকের সঙ্গে সংযোগ এত গভীর যে তারা চরিত্র এবং গল্পের সঙ্গে আবদ্ধ হয়ে যায়।’

    প্রধান চরিত্র ও তারকা শক্তি
    মূল অভিনেতারা প্রথমে নতুন মুখ হলেও, তাঁদের অভিনয়, আবেগপ্রবণতা এবং চরিত্রের গভীরতার কারণে তাঁরা আন্তর্জাতিকভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। ইজেট পিন্টো আরও জানান, তাঁদের অনুগামী সংখ্যা এক মিলিয়নেরও বেশি, যা ধারাবাহিকের দর্শকপ্রিয়তা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয়তা প্রতিনিয়ত বাড়ছে।
    দিলান চরিত্রটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তাঁকে একজন শক্তিশালী নারী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যিনি শুধু প্রেমে নয়, বরং পরিবার, ন্যায় এবং নিজের পরিচয় রক্ষায়ও দৃঢ়।

    নারী সৃজনশীল দলের অবদান
    ‘ভেনডেটা’র সৃজনশীল দলের একটি বড় অংশ, বিশেষ করে চিত্রনাট্যকারেরা নারী। তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি গল্প বলার ধরনে নতুনত্ব এনেছে। একদিকে যেখানে প্রেম, প্রতিশোধ এবং নৈতিক দ্বন্দ্বের কাহিনি দর্শকদের মোহিত করছে, অন্যদিকে নারী চরিত্রের স্বতন্ত্রতা গল্পে ভারসাম্য বজায় রাখছে।

    ‘ভেনডেটা’র দৃশ্য। আইএমডিবি
    ‘ভেনডেটা’র দৃশ্য। আইএমডিবি

    বন্ধুত্ব ও আন্তর্জাতিক ভক্তশ্রেণি
    ধারাবাহিকের গল্প কেবল প্রেমের নয়, বন্ধুত্ব, পারিবারিক সম্পর্ক এবং সামাজিক বন্ধনের ওপরও দৃষ্টি রাখে। দর্শকেরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধারাবাহিকের প্রতিটি মুহূর্ত ভাগ করে নিচ্ছেন, মিম তৈরি করছেন। বিশ্বজুড়ে এটি নিয়ে অন্তর্জালে আলোচনা চলছে। ফলে ‘ভেনডেটা’ শুধু সিরিজ হিসেবে নয়, একটি আন্তর্জাতিক ভক্তশ্রেণিও তৈরি করেছে।

    দর্শকের সঙ্গে সংযোগ
    ‘ভেনডেটা’র জনপ্রিয়তার আরেকটি কারণ এটির বাস্তবধর্মী উপস্থাপনা। গল্পের টানাপোড়েন, চরিত্রের বিকাশ এবং সামাজিক দৃষ্টিকোণ দর্শকের কাছে গভীরভাবে প্রভাব ফেলছে। এতে করে প্রতিটি দৃশ্যই শুধু বিনোদন নয়, বরং দর্শকের ভাবনার ক্ষেত্রকে প্রসারিত করছে।

    ভ্যারাইটি অবলম্বনে

  • ৮ মাসে বিদেশি ঋণ শোধ প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার

    বিদেশি ঋণ ছাড় ও পরিশোধ এখন প্রায় সমান। চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) যত বিদেশি ঋণ এসেছে, এর প্রায় সমান পরিমাণ ঋণের সুদ ও আসল শোধ করতে হয়েছে।

    আজ সোমবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) জুলাই-ফেব্রুয়ারি মাসের বিদেশি ঋণ পরিস্থিতির হালনাগাদ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে দেখা গেছে, এই সময়ে বিদেশি ঋণ ও অনুদান এসেছে ৩০৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার। বিপরীতে একই সময়ে বাংলাদেশকে বিভিন্ন ঋণ দাতা সংস্থা ও দেশকে প্রায় ২৯০ কোটি ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে।

    গত কয়েক বছর ধরে বিদেশি ঋণ পরিশোধে চাপ বেড়েছে। গত অর্থবছরে চার বিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছে।

    গতকাল রোববার প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, বর্তমান সরকার আগের মতো দেশি–বিদেশি ঋণের বোঝা বাড়াবে না।

    ইআরডির প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) বিদেশি ঋণের আসল সাড়ে ১৯৫ কোটি ডলার ও সুদ ৯৫ কোটি ডলার শোধ করেছে সরকার। অন্যদিকে ২৭৯ কোটি ডলার ঋণ হিসেবে এবং ২৬ কোটি ডলার অনুদান হিসেবে পাওয়া গেছে।

    ইআরডি সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের ৮ মাসে সব মিলিয়ে বাংলাদেশ ২৪৩ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে ২৩৫ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গিয়েছিল।

    কারা কত দিল

    গত আট মাসে সবচেয়ে বেশি ঋণ ছাড় করেছে রাশিয়া। দেশটি দিয়েছে ৭৫ কোটি ৫১ লাখ ডলার। এরপর আছে বিশ্বব্যাংক। এই সংস্থা দিয়েছে ৬৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার। আর এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) দিয়েছে ৫৬ কোটি ৬১ লাখ ডলার। চীন ও ভারত ছাড় করেছে যথাক্রমে ২৫ কোটি ডলার ও ২৫ কোটি ৭৭ লাখ ডলার। জাপান দিয়েছে প্রায় ১৯ কোটি ডলার।

  • ৯ গোলের থ্রিলারে বায়ার্নকে হারালো পিএসজি

    ৯ গোলের রেকর্ডগড়া রোমাঞ্চকর এক থ্রিলারে সেমিফাইনালের প্রথম লেগে বায়ার্ন মিউনিখকে ৫-৪ গোলে হারিয়েছে পিএসজি। জোড়া গোল করেছেন উসমান দেম্বেলে ও কাভারাতসখেলিয়া।

    চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সবশেষ ৫ দেখায় বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে জয়ের দেখাই পায়নি পিএসজি। ঘরের মাঠে তাই এবার চ্যালেঞ্জটা ছিল আরও কঠিন। প্যারিসে সেই লড়াইয়ে রক্ষণভাগের দেয়াল চূর্ণ করে গোলবন্যায় ভেসেছে, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে যা আগে কখনোই দেখা যায়নি।

    ম্যাচের ১৭ মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি থেকে বায়ার্নকে লিড এনে দেন হ্যারি কেইন। ৭ মিনিটের ব্যবধানে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা। দিজিরে দুয়ের পাস থেকে প্রতিপক্ষের জালে বল জড়ান কাভারাৎসখেলিয়া। ৩১ মিনিটে কর্নার কিক থেকে চমৎকার হেডে দলকে এগিয়ে নেন জোয়াও নেভেস। অবশ্য প্রথমার্ধেই সেই গোল শোধ দেয় বায়ার্ন। ৪১ মিনিটে ওলিসের গোলে সমতায় ফেরে বাভারিয়ানরা। তবে যোগকরা সময়ের ৫ মিনিটে আলফানসো ডেভিসের হ্যান্ড বলে পেনাল্টি পায় পিএসজি। ওসমান দেম্বেলের স্পট কিকে ৩-২ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ফরাসি জায়ান্টরা। 

    রোমাঞ্চ ছড়ানো প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধে দুই মিনিটের ব্যবধানে প্রতিপক্ষের জালে আরও দুবার বল জড়ায় পিএসজি। ৫৬ মিনিটে আশরাফ হাকিমির অ্যাসিস্ট থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন কাভারাৎসখেলিয়া। ৫৮ মিনিটে দুয়ের পাস থেকে জোড়া গোল পূর্ণ করেন দেম্বেলে। তাতে ৫-২ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় পিএসজি। 

    তবে ম্যাচে ফিরতে সময় লাগেনি বাভারিয়ানদের। ৬৫ মিনিটে জসুয়া কিমিখের ফ্রিকিকে দায়োত উপামেকানোর হেডে স্কোরলাইন হয় ৫-৩। তিন মিনিটের ব্যবধানে লুইস ডিয়াজের জোরালো শটে ব্যবধান আরও কমায় বায়ার্ন।

    এরপর বাকিটা সময় আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ চললেও গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। তাতে হাড্ডাহাড্ডি এক লড়াইয়ে প্যারিসে ৫-৪ গোলের জয়ে প্রথম লেগে বায়ার্নকে হারালো পিএসজি।

    ফিরতি লেগে আগামী ৬ মে মিউনিখে ফরাসি জায়ান্টদের আতিথ্য দেবে বায়ার্ন মিউনিখ।

     

  • ৯৯ রানে অপরাজিত আশিক, নড়বড়ে ৯০–এ কাটা সাইফ, বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের হার

    জয়ে শুরু মোহামেডানের

    বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে সিটি ক্লাবের বিপক্ষে জিততে বেশ কষ্ট করতে হয়েছে এবারের আসরের ফেবারিট মোহামেডানকে। শেষ ৪৮ বলে তাদের ৬১ রান দরকার ছিল। তাওহিদ হৃদয় ও ইয়াসির আলী জিতিয়েছেন দলকে। ৩৫ বলে ৩৪ রান করে অধিনায়ক হৃদয় আউট হলেও ২৩ বলে ৩৬ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন ইয়াসির।

    ৩৭ ওভারের ম্যাচে ১৯৫ রান তাড়া করার ভিতটা মোহামেডানকে গড়ে দেন ওপেনার এনামুল হক, ৮৮ বলে তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৮০ রান। এর আগে সাদিকুর রহমানের ৬৩ বলে ৫৬ রানে ভর করে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৯৪ রানের সংগ্রহ পেয়েছিল সিটি ক্লাব। মোহামেডানের অফ স্পিনার নাঈম আহমেদ নেন ৪ উইকেট।

    প্রাইম ব্যাংকের জয়

    ৪ উইকেট নিয়েছেন প্রাইম ব্যাংকের আলিস আল ইসলাম
    ৪ উইকেট নিয়েছেন প্রাইম ব্যাংকের আলিস আল ইসলাম, বিসিবি

    বিকেএসপির ৪ নম্বর মাঠে দুই ব্যাংকের লড়াইয়ে জিতেছে এবারের আসরে শক্তিশালী দল গড়া প্রাইম ব্যাংক। বিকেএসপিতে ৩০ ওভারের ম্যাচেও ৫ বল আগেই ১৫৩ রানে অলআউট হয়ে যায় অগ্রণী ব্যাংক, সর্বোচ্চ ৩২ রান আসে অধিনায়ক ইমরুল কায়েসের ব্যাট থেকে। প্রাইম ব্যাংকের আলিস আল ইসলাম পান ৪ উইকেট।

    এই রান তাড়া করতে নেমেও অবশ্য ৬ উইকেট হারিয়েছে প্রাইম ব্যাংক। তাদের ৭ বল হাতে রেখেই জয় এনে দিয়েছেন শামীম হোসেন (৩০ বলে অপরাজিত ২৪)। ৩২ বলে ৪৪ রান আসে ওপেনার তানজিদ হাসানের ব্যাট থেকেও।

    ৯৯-এ অপরাজিত আশিকুর

    পূর্বাচলের ক্রিকেটার্স একাডেমিতে ওপেনিংয়ে নেমে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের ইনিংসটা প্রায় একাই টানছিলেন আশিকুর রহমান। ৩৪ ওভারে নেমে আসা ম্যাচের শেষ ওভারটা যখন শুরু হয়, তখন ৯৭ রানে অপরাজিত আশিকুর। প্রথম বলে তিনি স্ট্রাইক দেন মেহেদী হাসানকে।

    টানা তিন বল বাউন্ডারি মারার পর শেষ বলে আবার আশিকুরকে স্ট্রাইক দেন মেহেদী। অন্তত ২ রান নিলে সেঞ্চুরিটা পূর্ণ হতো আশিকুরের, কিন্তু তিনি নিতে পারেন ১ রান। ৮৪ বলে ১১ চার ও ৩ ছক্কায় ৯৯ রানেই অপরাজিত থাকতে হয় তাঁকে।

    ৯৯ রানে অপরাজিত ছিলেন আশিকুর রহমান শিবলি
    ৯৯ রানে অপরাজিত ছিলেন আশিকুর রহমান শিবলিবিসিবি

    ১৬ বলে ৪৯ রানের ঝড় তোলেন মেহেদীও, ৫১ বলে ৬০ রান আসে ইরফান শুক্কুরের ব্যাটে—সব মিলিয়ে ৩ উইকেটে ২৮৩ রান করে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। রান তাড়ায় ভালোই পাল্লা দেয় রূপগঞ্জ টাইগার্সও। ৪৬ বলে ৭৮ রানের ইনিংসে লড়াইয়ের ভিত তাদের দেন এবারই অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলা কালাম সিদ্দিকী। শেষদিকে ২৭ বলে ৫২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে চেষ্টা করেন মুক্তারও। কিন্তু ৭ উইকেটে ২৬১ রানের বেশি তুলতে পারেনি রূপগঞ্জ টাইগার্স, ম্যাচ হারে ২২ রানে।

    লেপার্ডের শিকার চ্যাম্পিয়ন আবাহনী

    ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনী প্রথম ম্যাচেই ৫ উইকেটে হেরে গেছে নবাগত ঢাকা লেপার্ডের কাছে। বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে আগে ব্যাট করতে নেমে আবাহনীর টপ অর্ডারের কেউ তেমন ভালো করতে পারেননি, শেষদিকে ২৯ বলে ৫৫ রান করে তবু লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন সাব্বির রহমান।

    কিন্তু ওই রান যথেষ্ট হয়নি আবাহনীর জয়ের জন্য। জাকির হাসানের ৬৬ বলে ৭৪ আর অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুনের ৪০ বলে ৩৭ রানের ইনিংসে ভর করে ৫ বল আগেই জয় পায় লেপার্ড।

    সাইফের ব্যাটে বসুন্ধরার জয়

    পুরো ৫০ ওভার খেলা হয়েছে পূবেরগাঁও ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (পিকেএসপি)। এই মাঠে গুলশান ক্রিকেট ক্লাবকে ২৬ রানে হারিয়েছে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স (আগের ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব)। আগে ব্যাট করা বসুন্ধরাকে ভালো শুরু এনে দেন সাইফ হাসান। দ্বিতীয় উইকেটে ফজলে মাহমুদের সঙ্গে ১৩৩ রানের জুটি গড়েন তিনি।

    ৯৬ রানে রানআউট হয়েছেন সাইফ হাসান
    ৯৬ রানে রানআউট হয়েছেন সাইফ হাসান, বিসিবি
     

    সাইফকে অবশ্য সেঞ্চুরি থেকে ৪ রান আগেই বিদায় নিতে হয়েছে রানআউটে কাটা পড়ে। তাতে তাঁর দায়ই বেশি। ২ রান নিতে গিয়ে দ্বিতীয় রানটা তিনি নিতে যান হেলেদুলে, তিনি ভেবেছিলেন থ্রোটা যাবে নন–স্ট্রাইক প্রান্তে। কিন্তু গুলশানের বিশাল চৌধুরীর থ্রোতে দ্রুতই স্টাম্প ভেঙে দেন উইকেটরক্ষক ফারজান আহমেদ আলিফ। ৩টি করে চার ও ছক্কার ইনিংসে ১২৬ বলে ৯৬ রান করেন সাইফ।

    তাঁর আউটের দুই বল আগেই একটি বিতর্কিত ঘটনা ঘটে এই ম্যাচে। গুলশানের তানভীরে ওভারে তুলে মারতে গেলে নুরুলের ক্যাচ নেন রাফিউজ্জামান রাফি। নুরুলের দাবি ছিল, ক্যাচটি ধরার সময় তাঁর পা বাউন্ডারি লাইনের বাইরে ছিল, রিপ্লেতে দেখেও তেমনই মনে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য ৪১ বলে ৪৩ রান করে আউট হতে হয় তাঁকেও।

    ২৮১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে গুলশানের টপ অর্ডার ব্যর্থ পুরোপুরি। ৬৯ বলে ৫ চার ও ৪ ছক্কায় ৭৩ রান করে যা একটু প্রতিরোধ গড়েন জোবায়ের হোসেন। ৩ উইকেট করে পান বসুন্ধরার রুয়েল মিয়া ও নাহিদুল ইসলাম।

    ব্রাদার্স অলআউট ৮২ রানে

    দিনের সবচেয়ে কম রানের ম্যাচ হয়েছে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স আর ব্রাদার্স ইউনিয়নের ম্যাচে। ইউল্যাব মাঠে ৩৬ ওভারের ম্যাচে ২৯.৪ ওভার খেলে ৮২ রানে অলআউট হয়ে যায় ব্রাদার্স। তাদের তিনজন ব্যাটসম্যানই হন রান আউট, গাজী গ্রুপের স্পিনার মোহাম্মদ রুবেল ও লিয়ন ইসলাম নেন ৩ উইকেট করে। পরে নাঈম আহমেদের ৪৯ বলে ৪৮ রানে ভর করে ৯ উইকেটে ১৪.৩ ওভারে সহজ জয় পায় গাজী গ্রুপ।

  • ‎সিঙ্গাপুর-ভিয়েতনাম ম্যাচের দলে হামজা–শমিত, ফিরলেন বিশ্বনাথ

    সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনামের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য আজ ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। স্কোয়াডে নেই কোনো নতুন মুখ। দলে ফিরেছেন বিশ্বনাথ ঘোষ, ফাহমিদুল ইসলাম, আরমান ফয়সাল ও মিরাজুল ইসলাম।

    ‎সর্বশেষ ২০২৪ সালে ৫ সেপ্টেম্বর ভুটানের বিপক্ষে দেশের জার্সিতে খেলেছিলেন বিশ্বনাথ। চোটের সঙ্গে লড়াই শেষে প্রায় দেড় বছর পর জাতীয় দলে ফিরলেন বসুন্ধরা কিংসে খেলা এই ডিফেন্ডার।

    ‎ফাহমিদুল, আরমান ও মিরাজুল সর্বশেষ গত নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে স্কোয়াডে ছিলেন না। মিরাজুলের অভিষেক হয় ২০২৪ সালে ভুটানের বিপক্ষে। সেটাই দেশের হয়ে তাঁর সর্বশেষ ম্যাচ। আরমান সর্বশেষ খেলেছেন গত বছর এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে হংকংয়ের বিপক্ষে। একই ম্যাচে ছিলেন ফাহমিদুলও। কার্ডের নিষেধাজ্ঞায় ভারতের সঙ্গে ঘরের মাঠে খেলা হয়নি তাঁর।

    ‎‎বাংলাদেশ স্কোয়াড: গোলকিপার: মিতুল মারমা, সুজন হোসেন, মেহেদী হাসান। ‎‎ডিফেন্ডার: তারিক কাজী, রহমত মিয়া, শাকিল আহাদ, আবদুল্লাহ ওমর, জায়ান আহমেদ, বিশ্বনাথ ঘোষ, সাদ উদ্দিন ‎মিডফিল্ডার: কাজেম শাহ, শেখ মোরছালিন, জামাল ভূঁইয়া, সোহেল রানা, মোহাম্মদ হৃদয়, শমিত সোম, হামজা চৌধুরী ‎ফরোয়ার্ড: আরমান ফয়সাল, সুমন রেজা, শাহরিয়ার ইমন, ফয়সাল আহমেদ, ফাহামিদুল ইসলাম, মিরাজুল ইসলাম।

    ৩১ মার্চ এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। তার আগে ২৬ মার্চ ভিয়েতনামের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে হাভিয়ের কাবরেরার দল। আজ রাতেই জামালদের ভিয়েতনামের বিমান ধরার কথা।

    ‎‎‎এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলার সুযোগ আগেই শেষ হয়ে গেছে বাংলাদেশের। বাছাইপর্বে এখন পর্যন্ত পাঁচ ম্যাচে একটি জয় বাংলাদেশের, সেটি গত নভেম্বর ঘরের মাঠে ভারতের বিপক্ষে। অন্য চার ম্যাচে দুই জয়, দুই ড্র। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের পয়েন্ট ৫।

  • ‘অশালীন’ ও ‘যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ’ গান নিয়ে বিতর্ক, নোরা ফাতেহিকে সময় বেঁধে দিল কমিশন

    দক্ষিণ ভারতীয় বড় বাজেটের অ্যাকশন ছবি ‘কেডি: দ্য ডেভিল’–এর নতুন গান ‘সরকে চুনর তেরি সরকে’ প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। গানটিতে পারফর্ম করেছেন অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত ও নোরা ফাতেহি। তবে মুক্তির পরই অনেক দর্শক গানটির ভাষা ও উপস্থাপনাকে ‘অশালীন’ ও ‘যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ’ বলে সমালোচনা করছেন। গানের সঙ্গে নাচকেও ‘অশালীন’ বলে নিষিদ্ধের দাবি তুলেছিলেন অনেকে। এরপর গানটি ইউটিউব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। গানটির অশালীন কথা এবং কুরুচিকর দৃশ্যায়নের অভিযোগে এবার নড়েচড়ে বসেছে ভারতের জাতীয় নারী কমিশন। গত সোমবার এক শুনানিতে কমিশনের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সৃজনশীলতার দোহাই দিয়ে নারীর সম্মান ক্ষুণ্ণ করা মোটেই বরদাশত করা হবে না।

    গানটি নিয়ে অভিযোগ ওঠার পর ভারতের জাতীয় নারী কমিশন স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা করে। সোমবারের শুনানিতে ছবির পরিচালক প্রেম, গীতিকার রাকিব আলম এবং প্রযোজনা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকলেও অনুপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। নোরার পক্ষ থেকে তাঁর আইনজীবী উপস্থিত হলেও কমিশন তা গ্রহণযোগ্য মনে করেনি। অভিনেত্রীকে সশরীর হাজির হওয়ার জন্য ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে কমিশন। অন্যদিকে অভিনেতা সঞ্জয় দত্তকেও ৮ এপ্রিল কমিশনের সামনে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ‘সারকে চুনার’ গানের দৃশ্যে সঞ্জয় দত্ত ও নোরা ফতেহি। এক্স থেকে
    ‘সারকে চুনার’ গানের দৃশ্যে সঞ্জয় দত্ত ও নোরা ফতেহি। এক্স থেকে

    শুনানি চলাকালীন জাতীয় নারী কমিশনের চেয়ারপারসন অত্যন্ত অসন্তোষের সঙ্গে বলেন, ‘সৃজনশীলতার নামে নারীর মর্যাদার সঙ্গে আপস একেবারেই করা যায় না।’ যদিও ছবির নির্মাতারা দাবি করেছিলেন যে তাঁরা গানের কথার গভীর অর্থ বুঝতে পারেননি, কিন্তু কমিশন সেই যুক্তি খারিজ করে দিয়েছে।

    শেষমেশ নির্মাতারা তাঁদের ভুলের জন্য লিখিত ক্ষমা চেয়েছেন এবং স্বীকার করেছেন যে গানটি সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। আগামী তিন মাস তাঁরা নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন কাজ করবেন এবং সেই রিপোর্ট কমিশনে জমা দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

    হিন্দুস্তান টাইমস অবলম্বনে

  • ‘অস্বস্তিতে ছিলাম’, চুম্বন দৃশ্য নিয়ে কাজল

    বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাজল প্রায় তিন দশকের ক্যারিয়ারে নিজের একটি অলিখিত নিয়ম মেনে চলেছেন—পর্দায় চুম্বন দৃশ্যে অভিনয় করবেন না। কিন্তু সময়ের সঙ্গে গল্পের চাহিদা বদলায়, চরিত্রের গভীরতাও বাড়ে। সেই জায়গা থেকেই শেষ পর্যন্ত নিজের দীর্ঘদিনের ‘নো কিসিং পলিসি’ ভেঙেছেন তিনি, ওয়েব সিরিজ ‘দ্য ট্রায়াল: পেয়ার, কানুন, ধোঁকা’–এর জন্য।

    সম্প্রতি এক পডকাস্টে কাজল নিজেই এই সিদ্ধান্তের পেছনের গল্প খুলে বলেছেন। তাঁর ভাষায়, বিষয়টি মোটেই সহজ ছিল না। বরং শুটিংয়ের আগপর্যন্ত ভেতরে–ভেতরে অস্বস্তি কাজ করছিল। তিনি বলেন, ‘আমি খুব অস্বস্তি বোধ করছিলাম। যতক্ষণ না সেটে দাঁড়াচ্ছি, ততক্ষণ বুঝতেই পারছিলাম না, আমি সত্যিই এই দৃশ্যটা করব কি না।’

    কাজল জানান, স্ক্রিপ্টে দৃশ্যটির গুরুত্ব তিনি বুঝেছিলেন শুরু থেকেই। কিন্তু ক্যামেরা অন হওয়ার পর নিজেকে সেই জায়গায় নেওয়া—সেটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এমনও মুহূর্ত এসেছিল, যখন মনে হয়েছিল, মাঝপথেই হয়তো থেমে যাবেন। তবু শেষ পর্যন্ত পেশাদার অভিনেত্রী হিসেবে চরিত্রের প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিয়েছেন তিনি।
    ওটিটি প্ল্যাটফর্মে তাঁর অভিষেক সিরিজ ‘দ্য ট্রায়াল: পেয়ার, কানুন, ধোঁকা’–তে কাজল অভিনয় করেছেন নয়নিকা সেনগুপ্ত চরিত্রে—একজন গৃহবধূ, যে স্বামীর কেলেঙ্কারির পর নতুন করে আইনজীবী হিসেবে নিজের জীবন শুরু করে। ব্যক্তিগত বিপর্যয়, সামাজিক চাপ এবং পেশাগত লড়াই—সব মিলিয়ে চরিত্রটি বহুমাত্রিক।

    ‘ট্রায়াল’–এর কাজল। আইএমডিবি
    ‘ট্রায়াল’–এর কাজল। আইএমডিবি

    সিরিজটি মূলত মার্কিন টিভি শো ‘দ্য গুড ওয়াইফ’–এর ভারতীয় রূপান্তর। এর ফলে গল্পের কাঠামো এবং আবেগের গভীরতায় আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার চাপও ছিল নির্মাতাদের ওপর। কাজলের মতে, তাঁর চরিত্রের মানসিক যাত্রা ও আবেগের টানাপোড়েন বোঝাতে ওই চুম্বন দৃশ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

    সহ-অভিনেতা যীশু সেনগুপ্তর সঙ্গে সেই দৃশ্যে অভিনয় করেন কাজল। সিরিজে যীশু অভিনয় করেছেন রাজীব সেনগুপ্ত চরিত্রে, যে নয়নিকার স্বামী। এই দৃশ্য মুক্তির পর থেকেই দর্শক ও ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করে—বিশেষ করে কাজলের দীর্ঘদিনের অবস্থান বিবেচনায়।

    ‘ট্রায়াল’–এর কাজল। আইএমডিবি
    ‘ট্রায়াল’–এর কাজল। আইএমডিবি
     

    পডকাস্টে কাজল আরও বলেন, ‘এটা কোনো ব্যক্তিগত নীতি ভাঙার বিষয় ছিল না। বরং চরিত্রের জন্য যা প্রয়োজন, সেটাই করেছি। যদি এই দৃশ্য বাদ দিতাম, তাহলে চরিত্রের একটা গুরুত্বপূর্ণ দিকই হারিয়ে যেত।’

    কাজল স্পষ্ট করে দেন, সিদ্ধান্তটি আবেগ বা হঠকারিতা থেকে নয়, বরং সম্পূর্ণ পেশাদার বিবেচনায় নেওয়া। তাঁর মতে, একজন অভিনেতার কাজই হলো চরিত্রকে পূর্ণতা দেওয়া—সে জন্য কখনো কখনো নিজের স্বাচ্ছন্দ্যের সীমাও অতিক্রম করতে হয়।

    তবে ভবিষ্যতে এমন দৃশ্যে অভিনয় করবেন কি না—সে বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি কাজল। বরং ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রতিটি সিদ্ধান্তই নির্ভর করবে গল্প, চরিত্র ও পরিস্থিতির ওপর।

    তিন দশকের ক্যারিয়ারে ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’, ‘কুচকুচ হোতা হ্যায়’, কিংবা ‘কাভি খুশি কাভি গাম’–এর মতো সুপারহিট প্রেমের ছবিতে অভিনয় করেও কাজল তাঁর এই নীতি অটুট রেখেছিলেন। তাই ‘দ্য ট্রায়াল’–এ সেই নিয়ম ভাঙার সিদ্ধান্ত স্বাভাবিকভাবেই ভক্তদের কাছে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।

    সব মিলিয়ে কাজলের এই অভিজ্ঞতা আবারও সামনে এনেছে—অভিনয়জগতে ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও পেশাদার দায়বদ্ধতার মধ্যে সূক্ষ্ম ভারসাম্য কীভাবে কাজ করে। আর সেই ভারসাম্য রক্ষা করেই একজন অভিনেতা নিজের সীমা ভেঙে নতুন জায়গায় পৌঁছান।

  • ‘আমি জলছবিতে আঁকবো তোমার ইতঃস্তত’

    লেমন-গ্রিন শেডের শাড়িতে ফুলেল নকশা, কপালে ছোট্ট টিপে ভিন্ন সাজে দেখা দিলেন অভিনেত্রী সুনেরাহ্ বিনতে কামাল। ইনস্টাগ্রাম থেকে নেওয়া ছবিতে থাকল আরও তথ্য।

    [caption id="attachment_272584" align="alignnone" width="712"] ছবি পোস্ট করে লগ্নজিতা চক্রবর্তীর গান থেকে ধার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমি জলছবিতে আঁকবো তোমার ইতঃস্তত’শিল্পীর ফেসবুক থেকে[/caption][caption id="attachment_272585" align="alignnone" width="720"] ৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ছবিতে ১১ হাজারের বেশি রিঅ্যাক্ট পড়েছে। সাড়ে পাঁচ শতাধিক মন্তব্য জমা পড়েছেশিল্পীর ফেসবুক থেকে[/caption][caption id="attachment_272586" align="alignnone" width="722"] রাজু আহমেদ নামে এক ভক্ত লিখেছেন, ‘“আমাদের গল্প” নাটক দেখার পর থেকে আমি তোমার উপর ক্রাশ খেয়েছি।’ সোহরাব পলাশ নামে আরেক ভক্ত লিখেছেন, ‘সুনেরাহ্ আমার একজন পছন্দের অভিনেত্রী।’শিল্পীর ফেসবুক থেকে[/caption][caption id="attachment_272582" align="alignnone" width="722"] গতকাল আরেক ছবি পোস্ট করেছেন সুনেরাহ্শিল্পীর ফেসবুক থেকে[/caption][caption id="attachment_272583" align="alignnone" width="722"] পোস্টে ৬ হাজারের বেশি রিঅ্যাক্ট পড়েছে, সাড়ে তিন শ মন্তব্য এসেছেশিল্পীর ফেসবুক থেকে[/caption]

  • ‘আমি প্রিন্সের সঙ্গে একাধিকবার ডেট করেছি’

    অভিনয় ক্যারিয়ার কিংবা ব্যক্তিজীবন—তিনি বরাবরই আলোচনায় যেমন ছিলেন, তেমনি তাঁকে ঘিরে নিয়মিত সমালোচনা তৈরি হয়েছে। সেই অভিনেত্রী জুলিয়া স্টিলসের আজ জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে তাঁকে নিয়ে জেনে নিতে পারেন জানা-অজানা কথাগুলো।
    মাত্র ১১ বছর বয়সে থিয়েটারে অভিনয়ের মাধ্যমে তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হয়। তবে সিনেমায় অভিনয় নিয়ে তাঁর তেমন আগ্রহ ছিল না।
    মাত্র ১১ বছর বয়সে থিয়েটারে অভিনয়ের মাধ্যমে তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হয়। তবে সিনেমায় অভিনয় নিয়ে তাঁর তেমন আগ্রহ ছিল না।ছবি: ইনস্টাগ্রাম
    তাঁর চারপাশেই ছিলেন সিনেমার মানুষ। তাঁদের আগ্রহে জুলিয়া সিনেমার ছোট ছোট চরিত্র দিয়েই অভিনয়ে জায়গা করেন নেন। ‘টেন থিংস আই হেট অ্যাবাউট ইউ’ চলচ্চিত্র তাঁকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা দেয়। আর পেছনে তাকাতে হয়নি।
    তাঁর চারপাশেই ছিলেন সিনেমার মানুষ। তাঁদের আগ্রহে জুলিয়া সিনেমার ছোট ছোট চরিত্র দিয়েই অভিনয়ে জায়গা করেন নেন। ‘টেন থিংস আই হেট অ্যাবাউট ইউ’ চলচ্চিত্র তাঁকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা দেয়। আর পেছনে তাকাতে হয়নি।ছবি: ইনস্টাগ্রাম
    দীর্ঘ প্রায় তিন দশকের ক্যারিয়ারে ব্যতিক্রম সব চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এক সাক্ষাৎকারে মজা করে বলেছিলেন, ‘আমি প্রিন্সের সঙ্গে একাধিকবার ডেট করেছি।’ মূলত ‘হ্যামলেট’ ও ‘দ্য প্রিন্স অ্যান্ড মি’ সিনেমায় ডেনমার্কের প্রিন্সের সঙ্গে প্রেম করেন।
    দীর্ঘ প্রায় তিন দশকের ক্যারিয়ারে ব্যতিক্রম সব চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এক সাক্ষাৎকারে মজা করে বলেছিলেন, ‘আমি প্রিন্সের সঙ্গে একাধিকবার ডেট করেছি।’ মূলত ‘হ্যামলেট’ ও ‘দ্য প্রিন্স অ্যান্ড মি’ সিনেমায় ডেনমার্কের প্রিন্সের সঙ্গে প্রেম করেন।ছবি: ইনস্টাগ্রাম
    বিভিন্ন সময় তিনি পছন্দের চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু ২০০৫ সালে তাঁকে ছাড়তে হয় ‘ফ্যান্টাস্টিক ফোর’। সিনেমাটি তাঁর ক্যারিয়ারের মোড় আরও ঘুরিয়ে দিতে পারত। সিনেমাটি ছাড়ায় আফসোস এখনো রয়ে গেছে।
    বিভিন্ন সময় তিনি পছন্দের চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু ২০০৫ সালে তাঁকে ছাড়তে হয় ‘ফ্যান্টাস্টিক ফোর’। সিনেমাটি তাঁর ক্যারিয়ারের মোড় আরও ঘুরিয়ে দিতে পারত। সিনেমাটি ছাড়ায় আফসোস এখনো রয়ে গেছে।ছবি: ইনস্টাগ্রাম
    প্রেম, বিয়ে নিয়ে তিনি অনেক আলোচিত। ক্যারিয়ারে একাধিকবার সুন্দরী ও যৌন আবেদনময়ীর তালিকায় জায়গা পেয়েছেন।
    প্রেম, বিয়ে নিয়ে তিনি অনেক আলোচিত। ক্যারিয়ারে একাধিকবার সুন্দরী ও যৌন আবেদনময়ীর তালিকায় জায়গা পেয়েছেন।ছবি: ইনস্টাগ্রাম
    এমি, গোল্ডেন গ্লোবে মনোনয়ন পাওয়া এই অভিনেত্রী ব্যক্তিজীবনে মনে করেন, ‘যত সময় দর্শকদের ক্রাশ থাকা যায়, তত সময়ই তারকাদের নিয়ে আলোচনা হয়। আমি সব সময় চেয়েছি, অভিনেত্রী হিসেবে দর্শক আমাকে মনে রাখুক।’
    এমি, গোল্ডেন গ্লোবে মনোনয়ন পাওয়া এই অভিনেত্রী ব্যক্তিজীবনে মনে করেন, ‘যত সময় দর্শকদের ক্রাশ থাকা যায়, তত সময়ই তারকাদের নিয়ে আলোচনা হয়। আমি সব সময় চেয়েছি, অভিনেত্রী হিসেবে দর্শক আমাকে মনে রাখুক।’ছবি: ইনস্টাগ্রাম
  • ‘এই অঞ্চলে অনেক দিন রিশাদের মতো বোলার দেখা যায়নি’

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে এখন সবচেয়ে আলোচিত নামগুলোর একটি রিশাদ হোসেন। তাঁর প্রশংসা শোনা যায় নিয়মিতই। আর রিশাদের প্রশংসা করা মানুষটি যদি লেগ স্পিনার হন, তাহলে তো কথাই নেই। নিউজিল্যান্ডের লেগ স্পিনার ইশ সোধিও ব্যতিক্রম নন।

    নিউজিল্যান্ডের হয়ে সোধি খেলছেন তিন সংস্করণেই। এক যুগের বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা সোধিও উচ্ছ্বসিত রিশাদকে নিয়ে। বাংলাদেশের এই লেগ স্পিনারের ৬ ফুট ২ ইঞ্চি উচ্চতাও যার একটা কারণ। টি–টুয়েন্টি সিরিজ শুরুর আগে আজ চট্টগ্রামে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে সোধির বলা কথাগুলো শুনুন তাঁর মুখেই, ‘অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে বিগ ব্যাশে এত চমৎকার বোলিং করাটাই প্রমাণ করে যে সে কতটা বহুমুখী প্রতিভার লেগ স্পিনার।’

    সোধি এরপর ব্যাখ্যা করেন, ‘সাধারণত এশিয়ান লেগ স্পিনারদের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে তারা (উচ্চতার কারণে) নিচু থেকে (ফ্লাইট কম) বল ছাড়ে আর ফ্ল্যাট বোলিং করে। কিন্তু সে বেশ প্রথাগত ধারার বোলার; সে বলের ওপর জোর দিয়ে বাউন্স আদায় করে নিতে পারে। সত্যি বলতে, এই অঞ্চলের ক্রিকেটে অনেক দিন ধরে এ ধরনের বোলার দেখা যায়নি।’

    ২০২৩ সালে অভিষিক্ত রিশাদ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম বছরেই আলো ছড়ান। বিগ ব্যাশে গিয়েও স্পিনারদের মধ্যে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ১৫ উইকেট নেন। তবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শুধু ওয়ানডে ও টি–টুয়েন্টিই খেলছেন রিশাদ।

    স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদের সঙ্গে রিশাদ হোসেন
    স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদের সঙ্গে রিশাদ হোসেন
     

    প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে খেললেও এখনো টেস্টে রিশাদকে দেখা যায়নি। তাঁর সঙ্গে ইনস্টাগ্রামে আগে থেকেই যোগাযোগ আছে সোধির, দুজনের কথা হয়েছে বাংলাদেশ–নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজেও। রিশাদকে টেস্টে দেখার আগ্রহটা আজ জানিয়ে রাখলেন সোধি, ‘আমার মনে হয়, ওর সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ পড়ে আছে এবং আশা করি, সে টেস্ট ক্রিকেটেও জায়গা করে নিতে পারবে। সত্যি বলতে, টেস্ট ক্রিকেটে আবারও লেগ স্পিন দেখাটা হবে দারুণ ব্যাপার, যা আজকাল বেশ বিরল, তা–ই না? তবে ওর মধ্যে নিশ্চিতভাবেই সেই দক্ষতা আছে।’

    এত সব প্রশংসার ভিড়েও রিশাদ আছেন উন্নতির খোঁজে। কয়েক দিন ধরে তাঁর সঙ্গে কাজ করতে দেখা যাচ্ছে স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদকে। সোধির পর সংবাদ সম্মেলনে এসে মুশতাক জানিয়েছেন সেটির কারণও।

    পাকিস্তানের সাবেক এ লেগ স্পিনার বলেন, ‘আমরা আলাদা বৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করছি, ক্রিজটাকে কীভাবে আরও ব্যবহার করা যায়, গুগলি নিয়েও। গুগলিতে আরও কিছুটা উন্নতি দরকার তাঁর। ডানহাতি ব্যাটসম্যানকে কোন দিক থেকে বল করবে, স্টাম্পের কাছাকাছি কীভাবে আসা যায়, দূরে যাওয়া, এসব আরকি।’

    সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ
    সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ
     

    ওয়ানডে সিরিজে প্রথম দুই ম্যাচে খেললেও শেষ ম্যাচে একাদশে ছিলেন না রিশাদ। মুশতাকের দাবি, রিশাদ দল থেকে বাদ পড়েননি, এটা তাঁর উন্নতির একটা প্রক্রিয়া। মুশতাকের ভাষায়, ‘আমরা স্পিনারদের দিক থেকে আরও শক্তিশালী হওয়ার চেষ্টা করেছি শুধু। যদি কিছু হয়…যেন অন্য স্পিনাররা এর আগেই গেম টাইমটা পায়।’

    আগামী সোমবার বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ টি–টুয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ২৯ এপ্রিল চট্টগ্রামেই দ্বিতীয় ম্যাচ এবং ২ মে ঢাকায় হবে তৃতীয় ম্যাচ। এর আগে ওয়ানডে সিরিজ ২–১ ব্যবধানে জিতেছে বাংলাদেশ।

  • ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নিয়ে মুখ খুললেন মৌসুমী, ক্ষোভ ওমর সানীর

    বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী মৌসুমী অভিনীত ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমাটি নিয়ে মুক্তির আগেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর তাঁর পরিচালিত কাজটি ১৫ মে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা বলার পর আপত্তি জানিয়েছেন মৌসুমী ও তাঁর স্বামী চিত্রনায়ক ওমর সানী।

    আজ রোববার সন্ধ্যায় প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ওমর সানী বলেন, ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ মূলত কোনো সিনেমা নয়, এটি একটি নাটক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে শুটিং করা হয়েছিল। তাঁর ভাষ্য, দর্শক যেভাবে মৌসুমীকে দেখে অভ্যস্ত, কাজটি সেই প্রত্যাশার সঙ্গে যায় না। তাই তিনি ছবিটির মুক্তি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।

    মৌসুমী ও ওমর সানি
    মৌসুমী ও ওমর সানিসংগৃহীত

    একই ভিডিওতে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন মৌসুমী। তিনি জানান, নির্মাতার অনুরোধে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে একটি এক ঘণ্টার নাটকে কাজ করতে রাজি হন এবং কয়েক দফায় শুটিংও করেন। পরে নির্মাতা তাঁকে জানান, ফুটেজ বেশি হওয়ায় এটি টেলিছবি হিসেবে মুক্তি দেওয়া হবে এবং সে অনুযায়ী পারিশ্রমিক নিয়েও আলোচনা হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তিনি জানতে পারেন, কাজটি সিনেমা হিসেবে মুক্তি পাচ্ছে এবং সেন্সর সনদও পেয়েছে—যা তাঁর কাছে বিস্ময়কর। মৌসুমীর অভিযোগ, তাঁর অজান্তেই কাজটিকে অন্যভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং তাঁকে ‘কাটপিসের মতো ব্যবহার’ করা হয়েছে, যা তিনি অনৈতিক বলে মনে করছেন।

    সিনেমার একটি দৃশ্যে সহশিল্পীর সঙ্গে মৌসুমী। ছবি: ফেসবুক থেকে
    সিনেমার একটি দৃশ্যে সহশিল্পীর সঙ্গে মৌসুমী। ছবি: ফেসবুক থেকে

    এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মৌসুমী চলচ্চিত্র–সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠন—পরিচালক সমিতি, প্রযোজক সমিতি ও শিল্পী সমিতির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অন্যদিকে ওমর সানী জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোতে চিঠি পাঠিয়েছেন।

    মৌসুমী
    মৌসুমী
     

    ওমর সানী ও মৌসুমীর অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর প্রথম আলোকে বলেন, ‘এই ভিডিওটি বানাতে মৌসুমী আপাকে বাধ্য করা হয়েছে। এই প্রকল্পে তাঁকে সিনেমার সম্মানী দিয়েই যুক্ত করেছিলাম।’

    তবে এর আগে প্রথম আলোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ‘কনট্রাক্ট ম্যারেজ’ নিয়ে মৌসুমী বলেছিলেন, ‘হাসান জাহাঙ্গীরের কোনো সিনেমার শুটিং করিনি। তাঁর সঙ্গে দুটি নাটকের কাজ হয়েছে।’

    সবকিছু মিলিয়ে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমাটি নির্ধারিত তারিখে মুক্তি পাবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে ১৫ মে পর্যন্ত। উল্লেখ্য, মৌসুমীকে সর্বশেষ বড় পর্দায় দেখা গেছে ‘সোনার চর’ সিনেমায়।

  • ‘কাদা-ছোড়াছুড়িতে জড়াবেন না’, ভক্তদের উদ্দেশে অপু বিশ্বাস

    ভক্তদের উদ্দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। সেখানে ভক্তদের ভালোবাসার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অহেতুক তর্কবিতর্ক ও কাদা–ছোড়াছুড়ি থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

    অপু বিশ্বাস
    অপু বিশ্বাস

    আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এক ফেসবুক পোস্টে অপু বিশ্বাস লিখেছেন, ‘আজ এই দীর্ঘ পথচলায় আপনারা যেভাবে আমার ছায়া হয়ে পাশে আছেন, তার জন্য আমি চিরঋণী। আপনারা আমাকে শুধু একজন শিল্পী হিসেবে নয়, আপনাদের পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে ভালোবেসেছেন। আর এই ভালোবাসার পেছনের প্রধান কারণ হলো আমার কাজ। আপনারা আমাকে কাজ দিয়ে চিনেছেন, কাজের মাধ্যমেই আমি আপনাদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছি।’

    ভক্তদের প্রশংসা করে অপু বলেন, ‘আমি গর্বিত এই ভেবে যে আমার ভক্তরা শুধু সংখ্যায় নয়, বরং তাঁরা তাঁদের শিক্ষা, রুচি এবং মার্জিত আচরণের জন্য অনন্য। আপনারা যে কতটা ধৈর্যশীল এবং সুশিক্ষিত পরিবারের প্রতিনিধি, তা বারবার প্রমাণ করেছেন। আমি মনে করি, অপুর ভক্ত হওয়া মানেই আভিজাত্য আর শিষ্টাচারের এক অনন্য মেলবন্ধন।’
    এ সময় ভক্তদের উদ্দেশে বিশেষ অনুরোধ জানিয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘তাই আপনাদের প্রতি আমার বিশেষ অনুরোধ—আপনারা কারও সঙ্গে কোনো ধরনের অহেতুক তর্কে বা কাদা–ছোড়াছুড়িতে জড়াবেন না।’

    অপু বিশ্বাস
    অপু বিশ্বাস

    মনে রাখবেন, যাঁরা নিজেদের কাজ বা অর্জন দিয়ে আলোচনায় থাকতে পারেন না, তাঁরাই অন্যের পরিবার নিয়ে চর্চা করেন বা আজেবাজে পোস্ট করে গুরুত্ব পাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু আপনাদের ব্যক্তিত্ব এতই ঊর্ধ্বে যে কারও নীচু মানের মন্তব্যের উত্তর দিয়ে আপনাদের সেই মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার প্রয়োজন নেই। যাঁরা সস্তায় জিততে চান, তাঁরা কখনোই আপনাদের এই মার্জিত আভিজাত্যের নাগাল পাবেন না।

    ​নিজের পরিবারের প্রশংসা করে অপু লিখেছেন, ‘আমার পরিবার আমার অহংকার। যখন প্রয়োজন হয়েছে, আমি নিজেই আমার পরিবারকে আপনাদের সামনে এনেছি। এখন আর নতুন করে কোনো পোস্ট বা কথার মাধ্যমে আমার পরিবারকে নিয়ে কারও কাছে কিছু প্রমাণ করার নেই। আমাদের পরিচয় আমাদের কাজ, আমাদের বংশমর্যাদা এবং আমাদের শিক্ষা।

    অপু বিশ্বাস
    অপু বিশ্বাসছবি : অপু বিশ্বাসের সৌজন্যে

    ​পোস্টে অপু আরও লিখেছেন, ‘আপনারা যেভাবে আমাকে ছায়ার মতো আগলে রেখেছেন, ঠিক সেভাবেই আপনাদের ভালোবাসার সেই ছোট্ট আব্রাহাম খান জয়কে আপনাদের স্নেহ আর মমতায় আগলে রাখবেন। তাকে সুন্দরভাবে সবার কাছে উপস্থাপন করাই হোক আপনাদের লক্ষ্য।’

    সবশেষে অপু লিখেছেন, ‘​আমরা কোনো বিতর্ক বা হট্টগোলে নেই; আমরা আছি ভালোবাসা আর কাজের গৌরবে। আপনারা শান্ত ও হাসিখুশি থাকুন। কারণ, আপনাদের এই মার্জিত রূপটিই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।’

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব