• বিশ্বকাপের ম্যাচে ‘হাইড্রেশন ব্রেক’ আসলে কাদের জন্য

    ম্যাচের সময় তখন ২৩ মিনিট, হুট করেই রেফারির লম্বা বাঁশি। ম্যাচ থামিয়ে দুই দলই বাধ্য ছেলের মতো হাঁটা ধরল নিজ নিজ ডাগআউটে।

    বিশ্বকাপের প্রথম কয়েক ম্যাচে এই দৃশ্য একেবারেই স্বাভাবিক হয়ে ধরা দিয়েছে। দুই অর্ধে দুবার ম্যাচ থামিয়ে দেওয়া হয় পানি খাওয়ার বিরতি। ফিফার আনুষ্ঠানিক ভাষায়, ‘হাইড্রেশন ব্রেক’।

    মেক্সিকো-যুক্তরাস্ট্র-কানাডা বিশ্বকাপে অতিরিক্ত গরমে যাতে কোনো খেলোয়াড় অসুস্থ না হয়ে পড়েন, তাই দুই অর্ধের মাঝখানে ছোট্ট একটা বিরতি নিয়ে হাজির হয়েছে ফিফা।

    আপাতদৃষ্টিতে হাইড্রেশন ব্রেকের বুদ্ধিটা বেশ জুতসই। কেনই–বা হবে না? বেশির ভাগ ইউরোপিয়ান দলই সাধারণত ম্যাচ খেলে ১০ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যে।

    পুরো বছর খেলা চললেও গ্রীষ্মকালটা হয়ে থাকে খেলোয়াড়দের জন্য অফুরন্ত এক ছুটির সময়। ইউরোপের উষ্ণ দিনগুলোতে তাই ফুটবলারদের আরাম-আয়েশেই সময় কাটে।

    কিন্তু বিশ্বকাপ তো ভিন্ন এক গল্প। পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে যেমন তাপমাত্রা এক নয়, তেমনি প্রত্যেক খেলোয়াড়ের শারীরিক সক্ষমতাও এক নয়। গ্রীষ্মের কড়া রোদে খেলোয়াড়দের সক্ষমতাও কমে আসে অনেকখানি।

    যুক্তরাষ্ট্রে নরওয়ের প্রথম অনুশীলনের দিনই দেখা মিলেছে সেই দৃশ্যের। মাঠে ঠিকমতো অনুশীলনের আগেই হাঁপিয়ে উঠেছিলেন আর্লিং হলান্ড, মার্টিন ওডেগার্ডরা।

    হাইড্রেশন ব্রেক হাজির হয়েছিল সেই সমস্যার সমাধান হিসেবে। প্রতি অর্ধে দুই দলকে দেওয়া হবে তিন মিনিটের একটা ছোট্ট বিরতি। আর সেই বিরতিতে সবাই যেমন পানি পান করে একটু জিরিয়ে নিতে পারবে, তেমনি খেলাটা নতুন করে প্রাণও ফিরে পাবে।

    ফুটবল মাঠে এমন ‘কুলিং ব্রেক’ বা ‘ড্রিংকস ব্রেক’ নতুন কিছু নয়। ২০১৪ বিশ্বকাপেও দেখা গিয়েছে সেই নিয়ম। কিন্তু সেটা দেওয়া হতো ব্রাজিলের অতিরিক্ত গরম সামলাতে, শুধু দিনের বেলার খেলাগুলোতে। কাতারেও দিনের খেলায় দেখা গিয়েছে কুলিং ব্রেক।

    কিন্তু এই বিশ্বকাপে ‘হাইড্রেশন ব্রেক’ একেবারে বাধ্যতামূলক। বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচেই দুই অর্ধ মিলিয়ে থাকবে ৩ মিনিট করে বাধ্যতামূলক ৬ মিনিটের বিরতি। সেটা দিনে হোক কিংবা রাতে। মাঠ শীতাতপনিয়ন্ত্রিত হোক কিংবা না হোক, বিরতি থাকবেই।

    এই বিশ্বকাপে ‘হাইড্রেশন ব্রেক’ একেবারে বাধ্যতামূলক
    এই বিশ্বকাপে ‘হাইড্রেশন ব্রেক’ একেবারে বাধ্যতামূলক, এএফপি
     

    তবে সে বিরতিতে সবচেয়ে বেশি লাভবান ফুটবলাররা নন, বরং বিজ্ঞাপনদাতারাই হচ্ছে। কারণ, ম্যাচে রেফারির বাঁশি বাজতে দেরি, টিভি সম্প্রচার চলে যায় বিজ্ঞাপনে।
    ফুটবল ম্যাচ এমনিতেই বিজ্ঞাপনহীন এক খেলা।

    ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বিজ্ঞাপন দেখানোর সুযোগ একেবারে আসে মাত্র একবার। দুই অর্ধের মাঝখানে খুব একটা সময়ও পাওয়া যায় না, কারণ বিশ্লেষকদের চুলচেরা বিশ্লেষণের অপেক্ষায়ও থাকেন দর্শকেরা।

    এই সময়টা নিয়েই অনেকটা সময় ধরে আপত্তি তুলেছিল আমেরিকান ব্রডকাস্টাররা। যেকোনোভাবেই হোক না কেন, ফুটবলকে একধরনের ‘আমেরিকানাইজেশন’-এর মধ্যে দিয়ে নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা ছিল অনেকের। আর সেটাই যেন পূর্ণতা পেয়েছে প্রতি অর্ধে ৩ মিনিটের ‘ছোট্ট’ হাইড্রেশন ব্রেকে।

    মার্কিন মুকুলের খেলাগুলোতে বিরতি থাকে অনেক। ৮০ মিনিটের রাগবি ম্যাচ শেষ হয় না সাড়ে তিন ঘণ্টাতেও। বাস্কেটবল, বেসবলেও থাকে বিরতির ছড়াছড়ি। পুরো ম্যাচজুড়ে ব্রডকাস্টাররা চান দর্শকদের সঙ্গে থাকার। কারণ যত বেশি বিরতি, তত বেশি বাড়ে দর্শকদের বিজ্ঞাপন দেখানোর সুযোগ।

    বিরতিতে সবচেয়ে বেশি লাভবান ফুটবলাররা নন, বরং বিজ্ঞাপনদাতারাই
    বিরতিতে সবচেয়ে বেশি লাভবান ফুটবলাররা নন, বরং বিজ্ঞাপনদাতারাই, এএফপি
     

    এক সুপার বোল ফাইনালে ৩০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপন বিক্রি হয়েছে প্রায় ১০ কোটি টাকায়। সেই পদ্ধতি যদি ফুটবলেও কোনোভাবে প্রবেশ করানো যায়, তাহলে তো অর্থের ছড়াছড়ি। কারণ, আমেরিকান খেলার তুলনায় ফুটবলের দর্শক অনেক গুণ বেশি।

    বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচকে যদি চার ভাগে ভাগ করা হয়, ১০৪ ম্যাচে ২০৮টি ব্রেক এমনিতেই চলে আসে। গুঞ্জন আছে, এই বিরতির বিজ্ঞাপনের দাম ফাইনাল আসতে আসতে পৌঁছে যাবে কোটির ঘরে। সে জন্যই হয়তো ম্যাচে ছোট্ট করে বিরতি প্রবেশ করানো।

    বিজ্ঞাপনদাতাদের চোখে যখন টাকার খেলা, তখন ফুটবল ভক্তদের মনে বিরক্তির শেষ নেই। কারণ, তিন মিনিটের বিরতি বদলে দেয় খেলার রেশ। ব্রাজিল-মরক্কো খেলাতেই যেমন। যেই না মরক্কো এক গোল দিয়ে ম্যাচের মোমেন্টাম হাতে পেয়েছে, অমনি একটা বিরতি বদলে দিল ম্যাচের চিত্র।

    ব্রাজিলের দিশাহারা ডিফেন্স যেন পেল গুছিয়ে নেওয়ার সময়। জার্মানি-কুরাসাও ম্যাচেও একই ঘটনা, বিশ্বকাপে প্রথমবার আসা সবচেয়ে ছোট্ট দেশটা প্রথম গোলের উদ্‌যাপন ঠিকঠাক করতেও পারেনি, টিভিতে দেখা দর্শকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞাপন। মিনিট দশেকের জন্য যেই না জার্মানির টুটি চেপে ধরেছিল কুরাসাও, সেটাও শেষ হয়ে গিয়েছিল হাইড্রেশন ব্রেকে।

    কাতারেও দিনের খেলায় দেখা গিয়েছে কুলিং ব্রেক
    কাতারেও দিনের খেলায় দেখা গিয়েছে কুলিং ব্রেক, বিবিসি
     

    মজার ব্যাপার হলো, বিরতির দৈর্ঘ্য কিন্তু ঘড়িতে মাপা নয়, বরং বিরতি মাপা হয় টিভি ব্রডকাস্টারদের সৌজন্যে। যুক্তরাষ্ট্র-প্যারাগুয়ে ম্যাচেই দেখা মিলেছে সেই দৃশ্যে। হাতে আইপ্যাড নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন ফক্স স্পোর্টসের কেউ একজন, সঙ্গে চতুর্থ রেফারি। মাঠে রেফারি আর খেলোয়াড়েরা তৈরি থাকলেও ম্যাচ শুরু হয়নি, কারণ টিভিতে তখনো বিজ্ঞাপনের বিরতি!

    জার্মানি-কুরাসাও ম্যাচেও জার্মানি মাঠে ফিরেছিল দেড় মিনিটের মাথায়। তাদের চিন্তা তখন ম্যাচে ফেরার। অথচ রেফারি সাফ জানিয়ে দিলেন ৩ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের বিরতি শেষ না হলে, ম্যাচ শুরু করার এখতিয়ার নেই তাঁর। হলোই তাই, তিন মিনিট শেষ করে টিভিতে শুরু হলো ম্যাচ। ততক্ষণে কুরাসাও হারিয়ে ফেলেছে পুরোনো ধার। জার্মানি ফিরে এসেছে খেলায়।

    জার্মান কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপের ব্যাখাটাই বোধ হয় সবচেয়ে মানানসই। ‘খেলোয়াড়দের ভালো থাকার কথা বলে বিজ্ঞাপনদাতাদের জন্য দরজা খুলে দেওয়া হয়েছে। মাঝখান থেকে ফুটবল বন্দী হয়েছে এসি রুমে বসে থাকা কোট-টাই পরা এক্সিকিউটিভদের কাছে।’

    যুক্তরাষ্ট্রের কোচ মাউরিসিও পচেত্তিনোর কাছেও এই বিরতি কোনো কাজের বলে মনে হচ্ছে না, ‘যখন তাপমাত্রা অনেক বেশি থাকে, তখন এমন বিরতি মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু প্রতি ম্যাচেই তো এমন বিরতির প্রয়োজন নেই।’

    নেদারল্যান্ডসের অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইক বলেছেন, ‘টেলিভিশনে যাঁরা খেলা দেখছেন, সেই নিরপেক্ষ দর্শকদের জন্যও এটা সুখকর কিছু নয়। আমার মতে, প্রতিটি ম্যাচের আবহাওয়া আলাদাভাবে বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।’

    কোচ–খেলোয়াড়েরা তো বটেই, খোদ দর্শকদের কাছেও নেই বিরতির মূল্য। তাই তো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে ফিফাকে ধুয়ে ফেলার প্রতিযোগিতা। প্রতি ম্যাচেই বিরতি আসে আর দুই দফায় চলে ফিফার নিয়মের দফারফা।

    ব্রডকাস্টাররাও তাই বেছে নিচ্ছেন অন্য উপায়। অনেক ইউরোপিয়ান ব্রডকাস্টাররা দেখাচ্ছে না কোনো বিজ্ঞাপন, ক্যামেরা থাকছে মাঠেই। খেলোয়াড়দের সঙ্গে, খেলার সঙ্গে। কারণ, ফুটবল মাঠে মুখ্য দিন শেষে ফুটবলই, ক্যামেরার চোখে ফুটবলারের কারিকুরির মূল্য দর্শকসারিতে হাজারও সেলিব্রিটির মুখ দেখিয়েও পূরণ করা সম্ভব না।

    সম্ভব নয় কোটি টাকার বিজ্ঞাপন বিক্রি করেও। সে কারণেই হয়তো ফিফার দর্শক বাড়ানোর ফন্দি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে সত্যিকারের দর্শক।

  • বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণার আগে কেমন হলো আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের প্রস্তুতি

    ঢাকা

  • বিশ্বকাপের ৪৮ দল: জেনে নিন সব খেলোয়াড়ের নাম ও জার্সি নম্বর

    ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলছে ৪৮ দল। প্রতি দল স্কোয়াডে ২৬ জন খেলোয়াড় রাখার সুযোগ আছে। দেখুন কোন দলের স্কোয়াডে কারা আছেন।

    গ্রুপ ‘এ’: দক্ষিণ কোরিয়া

     
    গোলরক্ষক ১–কিম সুং–গিউ, ১২–সং বাম–কুন, ২১–জো হিউয়ান–উ। ডিফেন্ডার ২–লি হান–বম, ৪–কিম মিন–জে, ৫–কিম তে–হিউয়ান, ১৩–লি তে–সুক, ১৪–চো উই–জে, ১৫–কিম মুন–হোয়ান, ১৬–পার্ক জিন–সোয়াব, ২২–সুল ইয়াং–উ, ২৩–জেন্স কাস্ট্রপ। মিডফিল্ডার ৩–লি জি–হিউক, ৬–হোয়াং ইন–বম, ৮–পেইক সুং–হো, ১০–লি জে–সুং, ১১–হোয়াং হি–চ্যান, ১৭–বে জুন–হো, ১৯–লি কাং–ইন, ২০–ইয়াং হিউন–জুন, ২৪–কিম জিন–গিউ, ২৫–ইওম জি–সুং, ২৬–লি ডং–গিউয়াং। ফরোয়ার্ড ৭–সন হিয়ুং–মিন, ৯–চো গুয়ে–সুং, ১৮–ওহ হিউয়ান–গিউ।

    গ্রুপ ‘এ’: মেক্সিকো

     
    গোলরক্ষক ১–রাউল রানহেল, ১২–কার্লোস আসেভেদো, ১৩–গিয়ের্মো ওচোয়া। ডিফেন্ডার ২–হোর্হে সানচেজ, ৩–সেজার মন্তেস, ৪–এদসন আলভারেজ, ৫–হোহান ভাসকেজ, ১৫–ইসরায়েল রেইয়েস, ২০–মাতেও চাভেজ, ২৩–হেসুস গায়ার্দো। মিডফিল্ডার ৬–এরিক লিরা, ৭–লুইস রোমো, ৮–আলভারো ফিদালগো, ১৭–ওরবেলিন পিনেদা, ১৮–ওবেদ ভারগাস, ১৯–গিলবার্তো মোরা, ২৪–লুইস চাভেজ, ২৬–ব্রায়ান গুতিয়েরেজ। ফরোয়ার্ড ৯–রাউল হিমিনেজ, ১০–আলেক্সিস ভেগা, ১১–সান্তিয়াগো হিমিনেজ, ১৪–আরমান্দো গঞ্জালেজ, ১৬–হুলিয়ান কিনিয়োনেস, ২১–সেজার উয়ের্তা, ২২–গিয়ের্মো মার্তিনেজ, ২৫–রবার্তো আলভারাদো।

    গ্রুপ ‘এ’: দক্ষিণ আফ্রিকা

     
    গোলরক্ষক ১–রনওয়েন উইলিয়ামস, ১৬–সিফো চেইন, ২২–রিকার্ডো গস। ডিফেন্ডার ২–থাবাং মাতুলুদি, ৩–খুলুমানি এনদামানে, ৬–অব্রে মদিবা, ১৪–এমবেকেজেলি এমবোকাজি, ১৮–সামুকেলে কাবিনি, ১৯–এনকোসিনাথি সিবিসি, ২০–খুলিসো মুদাউ, ২১–ইমে ওকন, ২৪–ওলওয়েথু মাখানায়া, ২৬–ব্র্যাডলি ক্রস। মিডফিল্ডার ৪–তেবোহো মোকোয়েনা, ৫–থালেন্তে এমবাথা, ১১–থেম্বা জেওয়ানে, ১৩–স্ফেফেলো সিথোলে, ২৩–জেইডেন অ্যাডামস। ফরোয়ার্ড ৭–ওসউইন অ্যাপোলিস, ৮–শেপাং মোরেমি, ৯–লাইল ফস্টার, ১০–রেলেবোহিলে মোফোকেং, ১২–থাপেলো মাসেকো, ১৫–ইকরাম রেইনার্স, ১৭–এভিডেন্স মাকগোপা, ২৫–কামোগেলো সেবেলেবেলে ।

    গ্রুপ ‘এ’: চেক প্রজাতন্ত্র

     
    গোলরক্ষক ১–মাতেই কোভার্শ, ১৬–ইনদ্রিখ স্তানেক, ২৩–লুকাশ হর্নিচেক। ডিফেন্ডার ২–দাভিদ জিমা, ৩–তমাশ হোলেশ, ৪–রবিন হ্রানাচ, ৫–ভ্লাদিমির সোফাল, ৬–স্তেপান খালোপেক, ৭–লাদিস্লাভ ক্রেইচি, ১৪–দাভিদ ইয়ুরাসেক, ২০–ইয়ারোস্লাভ জেলেনি, ২১–দাভিদ দুদেরা। মিডফিল্ডার ৮–ভ্লাদিমির দারিদা, ১২–লুকাশ চের্ভ, ১৭–লুকাশ প্রোভোদ, ১৮–মিখাল সাদিলেক, ২২–তমাশ সুচেক, ২৪–আলেকসান্দ্র সোইকা, ২৫–হুগো সোখুরেক। ফরোয়ার্ড ৯–আদাম হ্লোজেক, ১০–পাত্রিক শিক, ১১–ইয়ান কুখতা, ১৩–মইমির খিতিল, ১৫–পাভেল শুলৎস, ১৯–তমাশ খোরি, ২৬–দেনিস ভিশিনস্কি।

    গ্রুপ ‘বি’: কানাডা

     
    গোলরক্ষক ১–ডেন সেন্ট ক্লেয়ার, ১৬–ম্যাক্সিম ক্রেপো, ১৮–ওয়েন গুডম্যান। ডিফেন্ডার ২–অ্যালিস্টার জনস্টন, ৩–আলফি জোন্স, ৪–লুক ডি ফুগেরোলেস, ৫–জোয়েল ওয়াটারম্যান, ১৩–ডেরেক কর্নেলিউস, ১৫–ময়জে বোমবিতো, ১৯–আলফন্সো ডেভিস, ২২–রিচি লারিয়া, ২৩–নিকো সিগুর। মিডফিল্ডার ৬–ম্যাথু শোয়ানিয়ের, ৭–স্টিভেন ইউস্টাকিও, ৮–ইসমায়েল কোনে, ১১–লিয়াম মিলার, ১৪–জ্যাকব শাফেলবুর্গ, ২১–জোনাথন ওসোরিও, ২৫–নাথান সালিবা, ২৬–মার্সেলো ফ্লোরেস। ফরোয়ার্ড ৯–কাইল লারিন, ১০–জোনাথন ডেভিড, ১২–তানি ওলুওয়াসেয়ি, ১৭–তেজন বুকানান, ২০–আলী আহমেদ, ২৪–প্রমিজ ডেভিড।

    গ্রুপ ‘বি’: বসনিয়া

     
    গোলকিপার ১–নিকোলা ভাসিল, ১২–ম্লাদেন ইয়ুরকাস, ২২– মার্তিন জ্লোমিসলিচ ডিফেন্ডার ২– নিহাদ মুয়াকিচ, ৩– দেনিস হাজিকাদুনিচ, ৪–তারিক মুহারেমোভিচ, ৫–সিয়াদ কোলাসিনাচ, ৭–আমর দেদিচ, ১৮–নিকোলা কাতিচ, ২১–স্তেপান রাদেলিচ, ২৪–নিদাল চেলিক। মিডফিল্ডার ৬– বেনইয়ামিন তাহিরোভিচ, ৮– আরমিন গিগোভিচ, ১৩–ইভান বাসিচ, ১৪–ইভান সুনিচ, ১৫–আমর মেমিচ, ১৬–আমির হাজিয়ামেতোভিচ, ১৭–জেনিম বুরনিচ, ২৬–এরমিন মাহমিচ। ফরোয়ার্ড ৯–সামেদ বাজদার, ১০–এরমেদিন দেমিরোভিচ, ১১–এদিন জেকো, ১৯–কেরিম আলাইবেগোভিচ, ২০–এসমির বাইরাকতারেভিচ, ২৩–হারিস তাবাকোভিচ, ২৫–ইয়োভো লুকিচ।

    গ্রুপ ‘বি’: কাতার

    freelance
    গোলরক্ষক ১–মাহমুদ আবুনাদা, ২১–সালাহ জাকারিয়া, ২২–মেশাল বারশাম। ডিফেন্ডার ২–পেদ্রো মিগুয়েল, ৩–লুকাস মেন্দেস, ৪–ইসা লায়ে, ৫–জসিম গাবের, ১৩–আয়ুব আল–উয়ি, ১৪–হোমাম আহমেদ, ১৬–বুয়ালেম খুখি, ১৮–সুলতান আল–ব্রেক, ২৫–আল–হাশমি আল–হুসেইন। মিডফিল্ডার ৬–আবদুলআজিজ হাতেম, ১২–করিম বুদিয়াফ, ১৭–আহমেদ আল–গানেহি, ২০–আহমেদ ফাতি, ২৩–আসিম মাদিবো। ফরোয়ার্ড ৭–আহমেদ আলাএলদিন, ৮–এদমিলসন জুনিয়র, ৯–মোহাম্মদ মুন্তারি, ১০–হাসান আল–হেইদোস, ১১–আকরাম আফিফ, ১৫–ইউসুফ আবদুরিসাগ, ১৯–আলমোয়েজ আলী, ২৪–তাহসিন জামশিদ, ২৬–মোহাম্মদ মানাই।

    গ্রুপ ‘বি’: সুইজারল্যান্ড

     
    গোলরক্ষক ১–গ্রেগর কোবেল, ১২–ইভন এমভোগো, ২১–মারভিন কেলার। ডিফেন্ডার ২–মিরো মুহাইম, ৩–সিলভান ভিডমার, ৪–নিকো এলভেদি, ৫–মানুয়েল আকাঞ্জি, ১৩–রিকার্দো রদ্রিগেজ, ১৮–ইরাই জোমের্ত, ২৪–অরেলে আমেন্দা, ২৫–লুকা হাকেজ। মিডফিল্ডার ৬–দেনিস জাকারিয়া, ৮–রেমো ফ্রয়েলার, ৯–ইয়োহান মানজাম্বি, ১০–গ্রানিত জাকা, ১৪–আরদন ইয়াশারি, ১৫–জিব্রিল সো, ২০–মিশেল আইবিশের, ২২–ফাবিয়ান রিডার। ফরোয়ার্ড ৭–ব্রিল এমবোলো, ১১–ড্যান এনদোয়ে, ১৬–ক্রিস্টিয়ান ফাসনাখট, ১৭–রুবেন ভারগাস, ২৩–নোয়াহ ওকাফোর, ২৩–জেকি আমদুনি, ২৬–সেড্রিক ইটান।

    গ্রুপ ‘সি’: ব্রাজিল

     
    গোলকিপার ১–আলিসন, ১২–ওয়েভারতন, ২৩– এদেরসন। ডিফেন্ডার ২–এদেরসন সিলভা, ৩–গ্যাব্রিয়েল মাগালাইস, ৪– মার্কিনিওস, ৬– অ্যালেক্স সান্দ্রো, ১৩–দানিলো, ১৪– ব্রেমার, ১৫–লিও পেরেইরা, ১৬–দগলাস সান্তোস, ২৪– রজার ইবানিয়েজ। মিডফিল্ডার ৫–কাসেমিরো, ৮–ব্রুনো গিমারাইস, ১৭– ফাবিনিও, ১৮–দানিলো সান্তোস, ২০–লুকাস পাকেতা। ফরোয়ার্ড ৭–ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, ৯– মাতেউস কুনিয়া, ১০–নেইমার, ১১– রাফিনিয়া, ১৯– এনদ্রিক, ২১– লুইস এনরিকে, ২২–গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি, ২৫– ইগর থিয়াগো, ২৬–রায়ান।

    গ্রুপ ‘সি’: মরক্কো

     
    গোলরক্ষক ১–ইয়াসিন বুনু, ১২–মুনির মোহাম্মেদি, ২২–আহমেদ রেদা তাগনাউতি। ডিফেন্ডার ২–আশরাফ হাকিমি, ৩–নুসাইর মাজরাউয়ি, ৫–নায়েফে আগুয়ের্দ, ১৩–জাকারিয়া এল উয়াহদি, ১৪–ইসা দিওপ, ১৮–শাদি রিয়াদ, ১৯–ইউসেফ বেলাম্মারি, ২৫–রেদুয়ান হালহাল, ২৬–আনাস সালাহ–এদ্দিন। মিডফিল্ডার ৪–সোফিয়ান আমরাবাত, ৬–আইয়ুব বুয়াদ্দি, ৭–শেমসদিন তালবি, ৮–আজ্জেদিন উনাহি, ১১–ইসমায়েল সাইবারি, ১৫–সামির এল মুরাবেত, ১৬–গেসিম ইয়াসিন, ২৩–বিলাল এল খান্নুস, ২৪–নিল এল আয়নাউয়ি। ফরোয়ার্ড ৯–সুফিয়ান রাহিমি, ১০–ব্রাহিম দিয়াজ, ১৭–আবদে এজ্জালজুলি, ২০–আইয়ুব এল কাবি, ২১–আইয়ুব আমাইমুনি।

    গ্রুপ ‘সি’: হাইতি

     
    গোলরক্ষক ১–জনি প্লাসিড, ১২–আলেক্সান্দ্রে পিয়ের, ২৩–জোসুয়ে দুভেগার। ডিফেন্ডার ২–কারলেন্স আরকুস, ৩–কিতো তারমন্সি, ৪–রিকার্দো আদে, ৫–হানেস দেলক্রোয়া, ১৩–ডিউক লাক্রো, ২২–জাঁ–কেভিন দুভার্ন, ২৪–উইলগেন্স পোগান। মিডফিল্ডার ৬–কার্ল সাইন্তে, ১০–জাঁ–রিকনে বেলগার্দ, ১৪–লেভের্তন পিয়ের, ১৭–দানলি জাঁ জ্যাক, ২৫–দমিনিক সিমন, ২৬–উদেনস্কি পিয়ের। ফরোয়ার্ড ৭–ডেরিত এতিয়েন জুনিয়র, ৯–দুকেন্স নাজন, ১১–লুইসিয়ুস দিদসন, ১৫–রুবেন প্রভিডেন্স, ১৬–লেনি জোসেফ, ১৮–উইলসন ইসিদর, ১৯–ইয়াসিন ফরতুনে, ২০–ফ্রানৎসদি পিরো, ২১–জোসুয়ে কাসিমির।

    গ্রুপ ‘সি’: স্কটল্যান্ড

     
    গোলরক্ষক ১–অ্যাঙ্গাস গান, ১২–লিয়াম কেলি, ২১–ক্রেইগ গর্ডন। ডিফেন্ডার ২–অ্যারন হিকি, ৩–অ্যান্ডি রবার্টসন, ৫–গ্র্যান্ট হ্যানলি, ৬–কিয়েরান টিয়ের্নি, ১৩–জ্যাক হেন্ড্রি, ১৫–জন সুটার, ১৬–ডমিনিক হাইয়াম, ২২–নাথান প্যাটারসন, ২৪–অ্যান্টনি রালস্টন, ২৬–স্কট ম্যাকেনা। মিডফিল্ডার ৪–স্কট ম্যাকটমিনে, ৭–জন ম্যাকটমিনে, ৮–টাইলার ফ্লেচার, ১১–রায়ান ক্রিস্টি, ১৭–বেন গ্যানন–ডোক, ১৯–লুইস ফার্গুসন, ২৩–কেনি ম্যাকলিন, ২৫–ফিন্ডলে কার্টিস। ফরোয়ার্ড ৯–লিন্ডন ডাইকস, ১০–চে অ্যাডামস, ১৪–রস স্টুয়ার্ট, ১৮–জর্জ হার্স্ট, ২০–লরেন্স শ্যাঙ্কল্যান্ড।

    গ্রুপ ‘ডি’: যুক্তরাষ্ট্র

     
    গোলরক্ষক ১–ম্যাট টার্নার, ২৪–ম্যাট ফ্রিজ, ২৫–ক্রিস ব্র্যাডি। ডিফেন্ডার ২–সের্হেনিও দেস্ত, ৩–ক্রিম রিচার্ডস, ৫–অ্যান্টনি রবিনসন, ৬–অস্টন ট্রাস্টি, ১২–মাইল রবিনসন, ১৩–টিম রিম, ১৬–অ্যালেক্স ফ্রিম্যান, ১৮–ম্যাক্স আর্ফস্টেন, ২২–মার্ক ম্যাকেঞ্জি, ২৩–জো স্ক্যালি। মিডফিল্ডার ৪–টাইলার অ্যাডামস, ৭–জোভান্নি রেইনা, ৮–ওয়েস্টন ম্যাকেনি, ১৪–সেবাস্তিয়ান বারহল্টার, ১৫–ক্রিস্টিয়ান রোল্ডান, ১৭–মালিক টিলম্যান। ফরোয়ার্ড ৯–রিকার্ডো পেপি, ১০–ক্রিস্টিয়ান পুলিসিক, ১১–ব্রেন্ডেন অ্যারনসন, ১৯–হাজি রাইট, ২০–ফোলারিন বালোগান, ২১–টিমথি উইয়াহ, ২৬–আলেহান্দ্রো জেনদেহাস।

    গ্রুপ ‘ডি’: প্যারাগুয়ে

     
    গোলরক্ষক ১–গাতিতো্ ফার্নান্দেজ, ১২–অরলান্দো হিল, ২২–গাস্তন ওলিভিয়েরা। ডিফেন্ডার ২–গুস্তাভো ভেলাজকেজ, ৩–ওমর আলদেরেতে, ৪–হুয়ান হোসে কাসেরেস, ৫–ফাবিয়ঢান বালবুয়েনা, ৬–জুনিয়র আলোনসো, ১৩–হোসে কানালে, ১৫–গুস্তাভো গোমেজ, ২৬–আলেসান্দ্রো মাইদানা। মিডফিল্ডার ৭–রামোন সোসা, ৮–দিয়েগো গোমেজ, ১০–মিগুয়েল আলমিরন, ১১–মরিসিও, ১৪–আন্দ্রেস কুবাস, ১৬–দামিয়ান বোবাদিয়া, ১৭–কাকু, ২০–ব্রাইয়ান ওহেদা, ২৩–মাতিয়াস গালারজা, ২৪–গুস্তাভো কাবায়েরো। ফরোয়ার্ড ৯–আন্তনিও সানাব্রিয়া, ১৮–আলেক্স আর্সে, ১৯–হুলিও এনসিসো, ২১–গ্যাব্রিয়েল আভালোস, ২৫–ইসিদ্রো পিত্তা।

    গ্রুপ ‘ডি’: অস্ট্রেলিয়া

     
    গোলরক্ষক ১–ম্যাথু রায়ান, ২–পল ইজো, ১৮–প্যাট্রিক বিচ। ডিফেন্ডার ২–মিলোস দেগেনেক, ৩–আলেসান্দ্রো চিরকাতি, ৪–জ্যাকব ইতালিয়ানো, ৫–জর্ডান বস, ৬–জ্যাসন গেরিয়া, ১৫–কাই ট্রুইন, ১৬–আজিজ বেহিচ, ১৯–হ্যারি সুটার, ২১–ক্যামেরন বার্জেস, ২৫–লুকাস হেরিংটন। মিডফিল্ডার ৮–কনর মেটকাফ, ১৩–এইডেন ওনিল, ১৪–ক্যামেরন ডেভলিন, ২২–জ্যাকসন আরভিন, ২৪–পল ওকন–ইংস্টলার। ফরোয়ার্ড ৭–ম্যাথু লেকি, ৯–মোহাম্মদ তুরে, ১০–আইদিন রুস্তিচ, ১১–আওয়ার মাবিল, ১৭–নেস্তরি ইরানকুন্ডা, ২০–ক্রিস্টিয়ান ভলপাতো, ২৩–নিশান ভেলুপিল্লাই, ২৬–টেটে ইয়েংগি।

    গ্রুপ ‘ডি’: তুরস্ক

     
    গোলরক্ষক ১–মের্ত গুনক, ১২–আলতাই বায়িনদির, ২৩–উয়ারজান চাকির। ডিফেন্ডার ২–জেকি চেলিক, ৩–মেরিহ দেমিরাল, ৪–চাগলার সোয়ুঞ্জু, ১৩–এরেন এলমাল, ১৪–আবদুলকেরিম বারদাক, ১৫–ওজান কাবাক, ১৮–মের্ত মুলদুর, ২০–ফেরদি কাদোলু, ২৫–সামেত আকাইদিন। মিডফিল্ডার ৫–সালিজ উজান, ৬–ওরকুন কোকচু, ১০–হাকান চালহানোলু, ১৬–ইসমাইল ইয়ুকসেক, ২২–কান আইহান। ফরোয়ার্ড ৭–কেরেম আতুরকোলু, ৮–আরদা গুলের, ৯–দেনিজ গুল, ১১–কেনান ইলদিজ, ১৭–ইরফান জান কাহভেজি, ১৯–ইউনুস আকগুন, ২১–বারিশ আলপের ইলমাজ, ২৪–উজ আইদিন, ২৬–জান উজুন।

    গ্রুপ ‘ই’: জার্মানি

     
    গোলকিপার ১–মানুয়েল নয়্যার, ১২–অলিভার বাউমান, ২১–আলেকজান্ডার ন্যুবেল। ডিফেন্ডার ২–অ্যান্টোনিও রুডিগার, ৩– ভালডেমার আন্টন, ৪–জোনাথন টাহ, ১৫–নিকো শ্লটারবেক, ১৮–নাথানিয়েল ব্রাউন, ২২–ডেভিড রাউম, ২৪–মালিক থিয়াও । মিডফিল্ডার ৫–ফেলিক্স এনমেচা, ৬–ইয়োশুয়া কিমিখ, ৮–লিয়ন গোরেৎসকা, ৯–জেমি লেভেলিং, ১০–জামাল মুসিয়ালা, ১৩– পাসকাল গ্রস, ১৬–অ্যাঞ্জেলো স্টিলার, ১৭–ফ্লোরিয়ান ভির্টৎস, ১৯–লিরয় সানে, ২০–নাদিম আমিরি, ২৩–ফেলিক্স এনমেচা, ২৫–আসান উয়েদ্রাওগো। ফরোয়ার্ড ৭– কাই হাভার্টজ, ১১– নিকোলাস ভোল্টেমাড, ১৪– মাক্সিমিলিয়ান বায়ার, ২৬–ডেনিজ উনদাভ।

    গ্রুপ ‘ই’: কুরাসাও

     
    গোলরক্ষক ১–এলয় রম, ২৫–টিরিক বোদাক, ২৬–ট্রেভর ডর্নবুস্ক। ডিফেন্ডার ২–শুরান্ডি সাম্বো, ৩–ইয়ুরিয়েন গারি, ৪–রোশন ফন এইমা, ৫–শেরেল ফ্লোরানুস, ১৮–আরমান্দো ওবিসপো, ২০–ইয়োশুয়া ব্রেনেত, ২৩–রিখেডলি বাজুর, ২৪–ডেভেরন ফনভিলা। মিডফিল্ডার ৬–গডফ্রিড রুমেরাতু, ৭–জুনিনিও বাকুনা, ৮–লিভানো কোমেনেন্সিয়া, ১০–লিয়ানদ্রো বাকুনা, ১৫–আরিয়ানি মার্তা, ২১–তাহিথ চং, ২২–কেভিন ফেলিদা। ফরোয়ার্ড ৯–ইয়ুর্গেন লোকাদিয়া, ১১–ইয়েরেমি আন্তোনিসে, ১২–সনচে হানসেন, ১৩–তিরেসা নসলিন, ১৪–কেনি গরে, ১৬–ইয়ার্ল মারগারিতা, ১৭–ব্রান্ডলি কুয়াস, ১৯–হেরভানে কাস্তানের।

    গ্রুপ ‘ই’: আইভরিকোস্ট

     
    গোলকিপার ১– ইয়াহিয়া ফোপানা, ১৬–মোহাম্মদ কোনে, ২৩–আলবান লাফোঁ। ডিফেন্ডার ২–উসমান দিওমান্দে, ৩–গিসলাইন কোনান, ৫–উইলফ্রিড সিঙ্গো, ৭–ওডিলন কোসুনু, ১৩–ক্রিস্টোফার ওপেরি, ১৭–গুলা দুয়ে, ২০–ইমানুয়েল আগবাদু, ২১–ইভান এনদিকা। মিডফিল্ডার ৪–জাঁ মিশেল সেরি, ৬–সেকো ফোপানা, ৮–ফ্রাঙ্ক কেসি, ১৮–ইব্রাহিম সাঙ্গারে, ২৫–পারফে গিয়াগন, ২৬–ক্রিস্ট ইনাও উলাই । ফরোয়ার্ড ৯–আঞ্জ-ইওয়ান বনি, ১০– সাইমন আদিংনা, ১১–ইয়ান দিওমান্দে, ১২–এলি ওয়াহি, ১৪–উমর দিয়াকিতে, ১৫–আমাদ দিয়ালো, ১৯–নিকোলাস পেপে, ২২–ইভান গেসান্দ, ২৪–বাজুমানা তুরে।

    গ্রুপ ‘ই’: ইকুয়েডর

     
    গোলরক্ষক ১–এরনান গালিন্দেজ, ১২–মোইজেস রামিরেজ, ২২–গঞ্জালো ভায়ে। ডিফেন্ডার ২–ফেলিক্স তোরেস, ৩–পিয়েরো হিনকাপিয়ে, ৪–জোয়েল ওরদোনিয়েজ, ৬–উইলিয়ান পাচো, ৭–পেরভিস এস্তুপিনিয়ান, ১৭–আনহেলো প্রেসিয়াদো, ২৫–জ্যাকসন পোরোসো, ২৬–ইয়াইমার মেদিনা। মিডফিল্ডার ৫–জর্দি আলসিভার, ৮–আন্তনি ভ্যালেন্সিয়া, ১০–কেনদ্রি পায়েজ, ১৪–অ্যালান মিন্দা, ১৫–পেদ্রো ভিতে, ১৮–দেনিল কাস্তিয়ো, ২১–অ্যালান ফ্রাঙ্কো, ২৩–মোইজেস কাইসেদো। ফরোয়ার্ড ৯–জন ইয়েবোয়া, ১১–কেভিন রদ্রিগেজ, ১৩–এনার ভ্যালেন্সিয়া, ১৬–জর্দি কাইসেদো, ১৯–গঞ্জালো প্লাতা, ২০–নিলসন আনহুলো, ২৪–জেরেমি আরেভালো।

    গ্রুপ ‘এফ’: নেদারল্যান্ডস

     
    গোলরক্ষক ১–বার্ট ভারব্রুগেন, ১৩–রবিন রুফস, ২৩–মার্ক ফ্লেকেন। ডিফেন্ডার ২–লুটশারেল খিরত্রোইদা, ৪– ভার্জিল ফন ডাইক, ৫–নাথান আকে, ৬– ইয়ান পল ফন হেকা, ১২– ম্যাটস ভিফার, ১৫– মিকি ফন ডে ভেন, ২২–ডেনজেল ডামফ্রিস, ২৫– ইয়োরেল হাটো। মিডফিল্ডার ৩– মার্টেন ডি রুন, ৭–জাস্টিন ক্লাইভার্ট, ৮–রায়ান গ্রাভেনবার্চ, ১৪–তিজানি রেইন্ডার্স, ১৬– গুস টিল, ২০- তেউন কুপমাইনার্স, ২১–ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং, ২৬–কুইন্টেন টিম্বার্স। ফরোয়ার্ড ৯– ভাউট ভেগহোর্স্ট, ১০– মেম্ফিস ডিপাই, ১১– কোডি গাকপো, ১৭– নোয়া ল্যাং, ১৮– ডনিয়েল মালেন, ১৯– ব্রায়ান ব্রোবি, ২৪– ক্রিসেনসিও সামারভিল।

    গ্রুপ ‘এফ’: জাপান

     
    গোলকিপার ১–জিওন সুজুকি, ১২–কেইসুকে ওসাকো, ২৩–তোমোকি হায়াকাওয়া। ডিফেন্ডার ২– ইউকিনারি সুগাওয়ারা, ৩– শোগো তানিগুচি, ৪–কো ইতাকুরা, ৫–ইউতো নাগাতোমো, ১৬– সুয়োশি ওয়াতানাবে, ২০– আয়ুমু সেকো, ২১–হিরোকি ইতো, ২২–তাকেহিরো তোমিয়াসু, ২৫–জুন্নোসুকে সুজুকি। মিডফিল্ডার শুতো মাচিনো, ৭– আও তানাকা, ৮– তাকেফুসা কুবো, ১০–রিতসু দোয়ান, ১৩– কেইতো নাকামুরা, ১৪–জুনিয়া ইতো, ১৫–দাইচি কামাদা, ২৪– কাইশু সানো। ফরোয়ার্ড ৯– কেইসুকে গোতো, ১১– দাইজেন মায়েদা, ১৭– ইউইতো সুজুকি, ১৮– আয়াসে উয়েদা, ১৯–কোকি ওগাওয়া, ২৬– কেন্টো শিওগাই।

    গ্রুপ ‘এফ’: সুইডেন

     
    গোলকিপার ১–ইয়াকব ভিডেল জেটারস্ট্রম, ১২–ভিক্টর ইয়োহানসন, ২৩–ক্রিস্টোফার নর্ডফেল্ট। ডিফেন্ডার ২– গুস্তাফ ল্যাগারবিয়েলকে, ৩– ভিক্টর লিন্ডেলফ, ৪– ইসাক হিয়েন, ৫– গ্যাব্রিয়েল গুডমুন্ডসন, ৬–হারাম ইয়োহানসন, ৮–ড্যানিয়েল সভেনসন, ১৪–হিয়ালমার একডাল, ১৫– কার্ল স্টারফেল্ট, ২০– এরিক স্মিথ, ৫৭–এলিয়ট স্ট্রাউড । মিডফিল্ডার ৭– লুকাস বার্গভাল, ১০– বেঞ্জামিন নাইগ্রেন, ১৩– কেন সেমা, ১৬– ইয়েস্পার কার্লস্ট্রম, ১৮– ইয়াসিন আয়ারি, ১৯–মাটিয়াস সভানবার্গ, ২১– আলেকজান্ডার বার্নহার্ডসন, ২২–বেসফোর্ট জেনেলি। ফরোয়ার্ড ৯– আলেকসান্দার ইসাক, ১১–অ্যান্থনি এলাঙ্গা, ১৭–ভিক্টর ইয়োকেরেস, ২৫–গুস্তাফ নিলসন, ২৬–তাহা আলী।

    গ্রুপ ‘এফ’: তিউনিসিয়া

     
    গোলকিপার ১– আবদেলমুহিব শামাখ, ১৬–আয়মেন দাহমেন, ২২–সাবরি বেন হেসেন। ডিফেন্ডার ২–আলি আবদি, ৩– মন্তাসার তালবি, ৪–ওমর রেকিক, ৫–আদেম আরুস, ৬–ডিলান ব্রন, ১২–মোরতাদা বেন উয়ানেস, ২০–ইয়ান ভ্যালেরি, ২১–মোহাম্মদ আমিনে বেন হামিদা, ২৩–মুতাজ নেফাতি, ২৪–রায়েদ শিখাউয়ি। মিডফিল্ডার ১০–হানিবাল মেজব্রি, ১১–ইসমায়েল গারবি, ১৩–রানি খেদিরা, ১৫–হাজ মাহমুদ, ১৭–ইলিয়াস স্খিরি, ২৫–আনিস বেন স্লিমানে, ২৬–সেবাস্তিয়ান তুনেকতি। ফরোয়ার্ড ৭–ইলিয়াস আশুরি, ৮–ইলিয়াস সাদ, ৯–হাজেম মাস্তুরি, ১৪–খলিল আইয়ারি, ১৮–রায়ান এলুমি, ১৯–ফিরাস শাউয়াত।

    গ্রুপ ‘জি’: বেলজিয়াম

     
    গোলরক্ষক ১–থিবো কোর্তোয়া, ১২–সেনে লামেন্স, ১৩–মাইক পেন্ডার্স। ডিফেন্ডার ২–জেনো দেবাস্ত ৩–আর্থার থিয়েটা, ৪–ব্রান্ডন মাশেল, ৫–ম্যাক্সিম ডি ক্রুইপার, ১৫–টমাস মুনিয়ে, ১৬–কনি ডি উইন্টার, ১৮–জোয়াকিন সেইস, ২১–টিমোথি কাস্তানিয়ে, ২৫–নাথান এনগয়। মিডফিল্ডার ৬–অ্যাক্সেল উইটসেল, ৭–কেভিন ডি ব্রুইনা, ৮–ইউরি টিলেমান্স, ১৯–দিয়েগো মোরেইরা, ২০–হান্স ফানাকান, ২২–অ্যালেক্সিস স্যালেম্যাকার্স, ২৩–নিকোলাস রাসকিন, ২৪–আমাদু ওনানা। ফরোয়ার্ড ৯–রোমেলু লুকাকু, ১০–লিয়ান্দ্রো ত্রোসার, ১১–জেরেমি ডোকু, ১৪–দোদি লুকেবাকিও, ১৭–চার্লস ডি কেটেলারা, ২৬–মাটিয়াস ফার্নান্দেজ–পারদো।

    গ্রুপ ‘জি’: মিসর

     
    গোলকিপার ১–মোহামেদ এল শেনাওয়ি, ১৬–এল মাহদি সোলিমান, ২৩–মোস্তফা শোবের, ২৬– মোহামেদ আলা। ডিফেন্ডার ২– ইয়াসের ইব্রাহিম, ৩–মোহাম্মদ হানি, ৪– হোসাম আবদেল মাগিদ, ৫– রামি রাবিয়া, ৬–মোহাম্মদ আবদেলমোনেম, ১৩–আহমেদ ফাতুহ, ১৫–করিম হাফেজ ২৪–তারেক আলা। মিডফিল্ডার ৮–ইমান আশুর, ১১–মোস্তাফা জিকো, ১৪–হামদি ফাতি, ১৭–মোহানাদ লাশিন, ১৮–নাবিল ইমাদ, ১৯–মারওয়ান আত্তিয়া, ২১–মাহমুদ সাবের। ফরোয়ার্ড ৭–ত্রেজেগে, ৯–হামজা আবদেলকরি, মোহাম্মদ সালাহ, ১২–হাইসেম হাসান, ২০–ইব্রাহিম আদেল, ২২–ওমর মারমুশ, ২৫–জিজো।

    গ্রুপ ‘জি’: ইরান

     
    গোলরক্ষক ১–আলীরেজা বেইরানভান্দ, ১২–পায়াম নিয়াজমান্দ, ২২–হোসেইন হোসেইনি। ডিফেন্ডার ২–সালেহ হারদানি, ৩–ইহসান হাইসাফি, ৪–শোজায়ে খলিলজাদেহ, ৫–মিলাদ মোহাম্মদী, ১৩–হোসেইন কানানিজাদেগান, ১৭–আরিয়া ইউসেফি, ১৯–আলী নেমাতি, ২৩–রামিন রেজাইয়ান, ২৫–দানিয়াল এইরি। মিডফিল্ডার ৬–সৈয়দ এজাতোলাহি, ৭–আলীরেজা জাহানবখশ, ৮–মোহাম্মদ মোহেবি, ১৪–সামন গোদ্দোস, ১৫–রুজবেহ চেশমি, ১৬–মাহদি তোরাবি, ২১–মোহাম্মদ গোরবানি, ২৬–আমিরমোহাম্মদ রাজ্জাগিনিয়া। ফরোয়ার্ড ৯–মেহদি তারেমি, ১০–মেহদি গায়েদি, ১১–আলী আলীপুর, ১৮–আমিরহোসেইন হোসেইনজাদেহ, ২০–শাহরিয়ার মোগহানলু, ২৪–দেনিস দরগাহি।

    গ্রুপ ‘জি’: নিউজিল্যান্ড

     
    গোলরক্ষক ১–ম্যাক্স ক্রোকোম্ব, ২–অ্যালেক্স পলসেন, ৩–মাইকেল উড। ডিফেন্ডার ২–টিম পেইন, ৩–ফ্রান্সিস ডি ভ্রিস, ৪–টাইলার বিন্ডন, ৫–মাইকেল বক্সাল, ১৩–লিবেরাতো ক্যাকাচি, ১৫–নান্দো পিইনাকের, ১৬–ফিন সারম্যান, ২৪–ক্যালান এলিয়ট, ২৬–টমি স্মিথ। মিডফিল্ডার ৬–জো বেল, ৮–ম্যাথু গারবেট, ৮–মার্কো স্তামেনিচ, ১০–সারপ্রীত সিং, ১১– এলিজা জাস্ট, ১৪–অ্যালেক্স রুফার, ১৯–বেন ওল্ড, ২০– ক্যালাম ম্যাকাওয়াট, ২৩–রায়ান টমাস, ২৫–ল্যাচলান বেইলিস। ফরোয়ার্ড ৯–ক্রিস উড, ১৭–কস্তা বারবারুসেস, ১৮–বেন ওয়েন, ২১– জেসি র‍্যান্ডাল।

    গ্রুপ ‘এইচ’: স্পেন

     
    গোলরক্ষক ১–দাভিদ রায়া, ১৩–হোয়ান গার্সিয়া, ২৩–উনাই সিমন। ডিফেন্ডার ২– মার্ক পুবিল, ৩–আলেক্স গ্রিমালদো, ৪–এরিক গার্সিয়া, ৫– মার্কোস ইয়োরেন্তে, ১২–পেদ্রো পোরো, ১৪–এমেরিক লাপোর্ত ,২২–পাউ কুবারসি, ২৪–মার্ক কুকুরেয়া। মিডফিল্ডার ৬–মিকেল মেরিনো, ৮– ফাবিয়ান রুইজ, ৯–গাভি, ১৫– আলেক্স বায়েনা, ১৬–রদ্রি, ১৮–মার্তিন জুবিমেন্দি, ২০– পেদ্রি। ফরোয়ার্ড ৭–ফেরান তোরেস, ১০– দানি ওলমো, ১১– ইয়েরেমি পিনো, ১৭–নিকো উইলিয়ামস, ১৯–লামিনে ইয়ামাল, ২১– মিকেল ওয়াইরসাবাল, ২৫–ভিক্টর মুনিয়োজ, ২৬–বোর্হা ইগলেসিয়াস।

    গ্রুপ ‘এইচ’: কেপ ভার্দে

     
    গোলকিপার ১–ভোজিনিয়া, ১২–মার্সিও রোসা, ২৩–সিজে দস সান্তোস। ডিফেন্ডার ২–স্তপিরা, ৩–দিনেই বোর্হেস, ৪–পিকো লোপেজ, ৫–লোগান কস্তা, ১৩–সিডনি লোপেজ কাবরাল, ২২–স্টিভেন মরেইরা, ২৪–ওয়াগনার পিনা, ২৫–কেলভিন পিরেস। মিডফিল্ডার ৬–কেভিন পিনা, ৭–জোভানে কাবরাল, ৮–জোয়াও পাওলো, ১০–জামিরো মন্তেইরো, ১১–গ্যারি রদ্রিগেজ, ১৪–দেরয় দুয়ার্তে, ১৫–লারোস দুয়ার্তে, ১৬–ইয়ানিক সেমেদো, ১৭–উইলি সেমেদো, ১৮–তেলমো আরকাঞ্জো, ২৬–হেলিও ভারেলা। ফরোয়ার্ড ৯–গিলসন বেনচিমল, ১৯–দাইলন লিভ্রামেন্তো, ২০–রায়ান মেন্দেস, ২১–নুনো দা কস্তা।

    গ্রুপ ‘এইচ’: সৌদি আরব

     
    গোলরক্ষক ১–নাওয়াফ আল–আকিদি, ২১–মোহাম্মদ আল–ওয়াইস, ২২–আহমেদ আল–কাসার। ডিফেন্ডার ২–আলী মাজরাশি, ৩–আলী লাজামি, ৪–আবদুলেলাহ আল–আমরি, ৫–হাসান আল–তাম্বাকতি, ১২–সৌদ আবদুলহামিদ, ১৩–নাওয়াফ বুশাল, ১৪–হাসান কাদেশ, ২৪–মোতেব আল–হারবি, ২৫–জাহেদ থাকরি, ২৬–মোহাম্মদ আবু আল–শামাত। মিডফিল্ডার ৬–নাসের আল–দাওয়াসারি, ৭–মুসাব আল–জুয়াইর, ১৫–আবদুল্লাহ আল–খাইবারি, ১৮–আলা আল–হেজি, ২৩–মোহাম্মদ কান্নো। ফরোয়ার্ড ৮–আয়মান ইয়াহিয়া, ৯–ফিরাস আল–বুরাইকান, ১০–সালেম আল–দাওয়াসারি, ১১–সালেহ আল–শেহরি, ১৭–খালিদ আল–গান্নাম, ১৯–আবদুল্লাহ আল–হামদান, ২০–সুলতান মানদাশ।

    গ্রুপ ‘এইচ’: উরুগুয়ে

     
    গোলরক্ষক ১–সের্হিও রোচেত, ১২–সান্তিয়াগো মেলে, ২৩–ফার্নান্দো মুসলেরা। ডিফেন্ডার ২– হোসে মারিয়া হিমিনেজ, ৩–সেবাস্তিয়ান কাসেরেস, ৪–রোনালদ আরাউহো, ১৩– গিয়ের্মো ভারেলা, ১৬–মাতিয়াস ওলিভিয়েরা, ১৭–মাতিয়াস ভিনা, ২২–হোয়াকিন পেকেরেজ, ২৪– সান্তিয়াগো বুয়েনো । মিডফিল্ডার ৫–মানুয়েল উগার্তে, ৬–রদ্রিগো বেনতাঙ্কুর, ৭–নিকোলাস দে লা ক্রুজ, ৮–ফেদেরিকো ভালভার্দে, ১০– জর্জিয়ান দে আরাসকায়েতা, ১৪–আগুস্তিন কানোবিও, ১৫–এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, ২০–মাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো, ২৫–হুয়ান মানিয়েল সানাব্রিয়া, ২৬–রদ্রিগো সালাজার। ফরোয়ার্ড ৯–রদ্রিগো আগুইরে, ১১– ফাকুন্দো পেয়েস্ত্রি, ১৮–ব্রায়ান রদ্রিগেজ, ১৯–দারউইন নুনিয়েজ, ২১–ফেদেরিকো ভিনাস।

    গ্রুপ ‘আই’: ফ্রান্স

     
    গোলকিপার ১–ব্রিস সাম্বা, ১৬–মাইক মাইনিয়ঁ, ২৩–রবিন রিসার। ডিফেন্ডার ২–মালো গুস্তো, ৩–লুকাস দিনিয়ে, ৪–দায়োত উপামেকানো, ৫–জুলস কুন্দে, ১৫– ইব্রাহিমা কোনাতে, ১৭– উইলিয়াম সালিবা, ১৯– থিও হার্নান্দেজ, ২১–লুকাস হার্নান্দেজ, ২৬– ম্যাক্সাঁস লাক্রোয়া মিডফিল্ডার ৬– মানু কোনো, ৮– অরেলিয়াঁ চুয়ামেনি, ১৩–এনগোলো কান্তে, ১৪–আদ্রিয়াঁ রাবিও, ১৮–ওয়ারেন জেইর-এমেরি, ২৪–রায়ান শেরকি, ২৫– ম্যাগনেস আকালিউশ। ফরোয়ার্ড ৭– উসমান দেম্বেলে, ৯–মার্কোস থুরাম, ১০– কিলিয়ান এমবাপ্পে, ১১– মাইকেল ওলিসে, ১২–ব্র্যাডলি বারকোলা, ২০–দেজিরে দুয়ে, ২২–জ্যঁ-ফিলিপ মাতেতা।

    গ্রুপ ‘আই’: সেনেগাল

     
    গোলরক্ষক ১–ইয়েহভান দিউফ, ১৬–এদুয়ার্দ মেন্দি, ২৩–মোরি দিয়াও। ডিফেন্ডার ২–মামাদু সার, ৩–কালিদু কুলিবালি, ৪–আবদুলায়ে সেক, ১৪–ইসমাইল ইয়াকবস, ১৯–মুসা নিয়াখাতে, ২৪–আঁতোয়ান মেন্দি, ২৫–এল হাজি মালিক দিউফ। মিডফিল্ডার ৫–ইদ্রিসা গেয়ে, ৬–পাথে সিস, ৮–লামিনে কামারা, ১৭–পাপে মাতার সার, ২১–হাবিব দিয়ারা, ২২–বারা সাপোকো এনদিয়ায়ে, ২৬–পাপে গেয়ে। ফরোয়ার্ড ৭–আসানে দিয়াও, ৯–বাম্বা দিয়েং, ১০–সাদিও মানে, ১১–নিকোলাস জ্যাকসন, ১২–শেরিফ এনদিয়ায়ে, ১৩–ইলিমান এনদিয়ায়ে, ১৮–ইসমাইলা সার, ২০–ইব্রাহিম এমবায়ে।

    গ্রুপ ‘আই’: ইরাক

     
    গোলরক্ষক ১–ফাহাদ তালিব, ১২–জালাল হাসান, ২২–আহমেদ বাসিল। ডিফেন্ডার ২–রেবিন সুলাকা, ৩–হুসেইন আলী, ৪–জাইদ তাহসিন, ৫–আকাম হাশিম, ৬–মানাফ ইউনিস, ১৫–আহমেদ মাকনজি, ২৩–মেরশাস দোসকি, ২৫–মুস্তাফা সাদুন, ২৬–ফ্রান্স পুতরোস। মিডফিল্ডার ৭–ইউসেফ আমিন, ৮–ইব্রাহিম বায়েশ, ১৪–জিদান ইকবাল, ১৬–আমির আল–আনমারি, ১৯–কেভিন ইয়াকোব, ২০–আইমার শের, ২৪–জাইদ ইসমাইল। ফরোয়ার্ড ৯–আলী আল–হামাদি, ১০–মোহানাদ আলী, ১১–আহমেদ কাসেম, ১৩–আলী ইউসিফ, ১৭–আলী জসিম, ১৮–আইমেন হুসেইন, ২১–মার্কো ফারজি।

    গ্রুপ ‘আই’: নরওয়ে

     
    গোলকিপার ১–ওরইয়ান নিলান্ড, ১২–সান্ডার টাংভিক, ১৩– এগিল সেলভিক ডিফেন্ডার ৩– ক্রিস্টোফার আয়ের, ৪– লিও স্কিরি অস্টিগার্ড, ৫– ডেভিড মোলার উলফ, ১৫– ফ্রেডরিক বিয়ারকোন, ১৬– মার্কুস হোমগ্রেন পেদারসেন, ১৭– টোরবিয়র্ন হেগেম, , ২৪– সন্ড্রে লাঙ্গাস, ২৫–হেনরিক ফালখেনার,। মিডফিল্ডার ২– মর্টেন থর্সবি, ৬– প্যাট্রিক বার্গ, ৮– সান্ডার বার্গ, ১০–মার্টিন ওডেগার্ড, ১৪–ফ্রেডরিক অউরসনেস, ১৮–ক্রিস্টিয়ান থর্সটভেট, ১৯–থেলো আসগার্ড, ২১– আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ, ২২ অস্কার বব, ২৩–ইয়েন্স পেটার হেগ। ফরোয়ার্ড ৭– আলেক্সান্দার সরলথ, ৯–আর্লিং হলান্ড, ১১–ইয়র্গেন স্ট্রান্ড লারসেন, ২০– আন্তোনিও নুসা, ২৬–জুলিয়ান রিয়ারসন।

    গ্রুপ ‘জে’: আর্জেন্টিনা

     
    গোলরক্ষক ১–হুয়ান মুসো, ১২–হেরেনিমো রুলি, ২৩–এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ডিফেন্ডার ২–মার্কোস সেনেসি, ৩–নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, ৪–গঞ্জালো মন্তিয়েল, ৬– লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, ১৩–ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, ১৯–নিকোলাস ওতামেন্দি, ২৫–ফাকুন্দো মেদিনা, ২৬–নাহুয়েল মলিনা। মিডফিল্ডার ৫–লিয়ান্দ্রো পারেদেস, ৭–রদ্রিগো দি পল, ৮–ভালেন্তিন বার্কো, ১১–জিওভানি লো সেলসো, ১৪–এজেকিয়েল পালাসিওস, ১৫–নিকো গঞ্জালেজ, ২০–আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার, ২৪–এনজো ফার্নান্দেজ। ফরোয়ার্ড ৯–হুলিয়ান আলভারেজ, ১০–লিওনেল মেসি, ১৬–থিয়াগো আলমাদা, ১৭–জুলিয়ানো সিমিওনে, ১৮–নিকো পাজ, ২১–হোসে মানুয়েল লোপেজ, ২২–লাওতারো মার্তিনেজ।

    গ্রুপ ‘জে’: আলজেরিয়া

     
    গোলরক্ষক ১–মেলভিন মাস্তিল, ১৬–উসামা বেনবোত, ২৩–লুকা জিদান। ডিফেন্ডার ২–আইসা মান্দি, ৩–আশরাফ আবাদা, ৪, মোহাম্মদ আমিনে তুগাই, ৫–জিনেদিন বেলাইদ, ১৩–জাউয়েন হাজাম, ১৫–রায়ান আইত–নুরি, ১৭–রফিক বেলগালি, ২১–রামি বেনসেবাইনি, ২৬–সামির শেরগুই। মিডফিল্ডার ৬–রমিজ জেরুকি, ৮–হুসেম আউয়ার, ১০–ফারেস শাইবি, ১৪–হিশাম বুদাউয়ি, ১৯–নাবিল বেনতালেব, ২২–ইব্রাহিম মাজা, ২৪–ইয়াসিন তিতরাউয়ি। ফরোয়ার্ড ৭–রিয়াদ মাহরেজ, ৯–আমিনে গুইরি, ১১–আনিস হাজ মুসা, ১২–নাদির বেনবুয়ালি, ১৮–মোহাম্মদ আমুরা, ২০–আতিল বুলবিনা, ২৫–ফারেস গেজেমিস।

    গ্রুপ ‘জে’: অস্ট্রিয়া

     
    গোলরক্ষক ১–আলেকজান্ডার শ্লাজার, ১২–ফ্লোরিয়ান ভিগেলা, ১৩–প্যাট্রিক পেন্টৎস। ডিফেন্ডার ২–ডেভিড আফেনগ্রুবার, ৩–কেভিন ডানসো, ৫–স্টেফান পশ, ৮–ডেভিড আলাবা, ১৫–ফিলিপ লিনহার্ট, ১৬–ফিলিপ এমভেনা, ২৩–মার্কো ফ্রিডল, ২৫–মিখায়েল সভোবোডা। মিডফিল্ডার ৪–সাভের শ্লাগার, ৬–নিকোলাস সাইভাল্ড, ৯–মার্সেল সাবিটসার, ১০–ফ্লোরিয়ান গ্রিলিটৎশ, ১৭–কার্নি চুকুয়েমেকা, ১৮–রোমানো স্মিড, ১৯–ক্রিস্টফ বাউমগার্টনার, ২০–কনরাড লামের, ২২–আলেকজান্ডার প্রাস, ২৪–পল ভানার, ২৬–আলেসান্দ্রো শাপ্ফ। ফরোয়ার্ড ৭–মার্কো আরনাউতোভিচ, ১১–মিখায়েল গ্রেগরিটশ, ১৪–সাসা কালাইজিচ, ২১–প্যাট্রিক ভিমার।

    গ্রুপ ‘জে’: জর্ডান

     
    গোলরক্ষক ১–ইয়াজিদ আবদুলাইলা, ১২–নুর বানি আত্তিয়া, ২২–আবদাল্লাহ আল–ফাখুরি। ডিফেন্ডার ৩–আবদাল্লাহ নাসিব, ৪–হুসাম আবু দাহাব, ৫–ইয়াজান আল–আরব, ১৬–মোহাম্মদ আবুয়ালনাদি, ১৭–সেলিম ওবাইদ, ১৮–মোহাম্মদ তাহা, ১৯–সাঈদ আল–রোসান, ২৩–ইহসান হাদ্দাদ, ২৬–আনাস বাদাউয়ি। মিডফিল্ডার ২–মোহাম্মদ আবু হাশিশ, ৬–আমের জামুস, ৮–নুর আল–রাওয়াবদেহ, ১৪–রাজায়েই আয়েদ, ১৫–ইব্রাহিম সা’দে, ২০–মোহাম্মদ আবু তাহা, ২১–নিজার আল–রাশদান, ২৫–মোহাম্মদ আল–দাউদ। ফরোয়ার্ড ৭–মোহাম্মদ আবু জারাইক, ৯–আলী ওলওয়ান, ১০–মুসা আর–তামারি, ১১–ওদে আল–ফখুরি, ১৩–মাহমুদ আল–মারদি, ২৪–আলী আজাইজে।

    গ্রুপ ‘কে’: পর্তুগাল

     
    গোলকিপার দিয়োগো কস্তা, ১২–জোসে সা, ২২–রুই সিলভা ডিফেন্ডার ২–নেলসন সেমেদো, ৩– রুবেন দিয়াস, ৪– তমাস আরাউজো, ৫– দিয়োগো দালোত, ১৩– রেনাতো ভেইগা, ১৪– গনসালো ইনাসিও, ২০–জোয়াও কানসেলো, ২৫– নুনো মেন্দেস। মিডফিল্ডার ৬– মাতেউস নুনেস, ৮–ব্রুনো ফার্নান্দেজ, ১০–বের্নার্দো সিলভা, ১৫–জোয়াও নেভেস, ২১–রুবেন নেভেস, ২৩–ভিতিনিয়া, ২৪–সামুয়েল কস্তা। ফরোয়ার্ড ৭–ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, ৯–গনসালো রামোস ১১– জোয়াও ফেলিক্স, ১৬–ফ্রান্সিসকো ত্রিনকাও, ১৭–রাফায়েল লিয়াও, ১৮–পেদ্রো নেতো, ১৯–গনসালো গেদেস, ২৬–ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও।

    গ্রুপ ‘কে’:  ডিআর কঙ্গো

     
    গোলকিপার ১–লিওনেল এমপাসি, ১৬–টিমোথি ফায়ুলু, ২১–ম্যাথু ইপোলো । ডিফেন্ডার ২–অ্যারন ওয়ান-বিসাকা, ৩–স্টিভ কাপুয়াদি, ৪– অ্যাক্সেল তুয়ানজেবে, ৫–ডিলান বাতুবিন, ২২–শানসেল এমবেম্বা, ২৪–গেডিওন কালুলু, ২৬–আর্থার মাসুয়াকু। মিডফিল্ডার ৬–এনগালায়েল মুকাউ, ৭– নাথানিয়েল এমবুকু, ৮–স্যামুয়েল মুতুসামি, ১০– থিও বনগোন্দা, ১৪–নোয়াহ সাদিকি, ১৫–অ্যারন শিবোলা, ১৮–চার্লাস পিকেল, ২৫–এডো কায়েম্বে। ফরোয়ার্ড ৯–ব্রায়ান সিপেঙ্গা, ১১–গায়েল কাকুতা, ১৩–মেশাক এলিয়া, ১৭–সেড্রিক বাকাম্বু, ১৯–ফিস্তন মায়েলে, ২০–ইওয়ান উইসা, ২৩–ইমন বানজা।

    গ্রুপ ‘কে’: উজবেকিস্তান

     
    গোলরক্ষক ১–উতকির ইউসুপভ, ১২–আবদুভোহিদ, ১৬–বোতিরালি এরগাশেভ। ডিফেন্ডার ২–আবদুকদির খুসানভ, ৩–খোজিয়াকবর আলিজনভ, ৪–ফারুখ সাইফিয়েভ, ৫–রুস্তম আশুরমাতভ, ১৩–শেরজদ নাসরুল্লায়েভ, ১৫–উমর ইশমুরোদভ, ১৮–আবদুল্লাহ আবদুল্লা আবদুলায়েভ, ২৪–বেখরুজ কারিমভ, ২৫–আভাজবেক উলমাসালিয়েভ, ২৬–জাখোঙ্গীর উরোজোভ। মিডফিল্ডার ৬–আকমল মোহগোভয়, ৭–ওতাবেক শুকনরোভ, ৮–জামশিদ ইসকান্দেরভ, ৯–ওদিজন হামরোবেকোভ, ১০–জালোলিদ্দিন মাশারিপভ, ১১–ওস্তন উরুনভ, ১৭–দোস্তোনবেক খামদামভ, ১৯–আজিজন গানিয়েভ, ২২–আব্বোসবেগ ফাইজুল্লায়েভ, ২৩–শেরজদ ইসানভ। ফরোয়ার্ড ১৪–এল্দর শোমুরোদভ, ২০–আজিজবেক আমোনোভ, ২১–ইগর সের্গিভ।

    গ্রুপ ‘কে’: কলম্বিয়া

     
    গোলরক্ষক ১–দাভিদ অসপিনা, ১২–কামিলো ভার্গাস, ২৪–আলভারো মন্তেরো ডিফেন্ডার ২–দানিয়েল মুনিওজ, ৩–জন লুকুমি, ৪–সান্তিয়াগো আরিয়াস, ১৩–ইয়েরি মিনা, ১৪–গুস্তাভো পুয়ের্তা, ১৭–জোহান মোহিকা, ১৮–উইলের দিত্তা, ২২–দেভার মাচাদো, ২৩–দাভিনসন সানচেজ। মিডফিল্ডার ৫–কেভিন কাস্তানিও, ৬–রিচার্ড রিওস, ৮–হোর্হে কারাসকাল, ১০–হামেস রদ্রিগেজ, ১১–জন আরিয়াস, ১৫–হুয়ান পোর্তিয়া, ১৬–জেফারসন লেরমা, ২০–হুয়ান কিন্তেরো। আক্রমণভাগ ৭–লুইস দিয়াজ, ৯–জন কর্দোবা, ১৯–কুচো হার্নান্দেজ, ২১–হামিন্তন কাম্পাজ, ২৫–লুইস সুয়ারেজ, ২৬–আন্দ্রেস গোমেজ।

    গ্রুপ ‘এল’: ইংল্যান্ড

     
    গোলরক্ষক ১–জর্ডান পিকফোর্ড, ১৩–ডিন হেন্ডারসন, ২৩–জেমস ট্রাফোর্ড। ডিফেন্ডার ২–এজরি কনসা, ৩–নিকো ও’রাইলি, ৫–জন স্টোনস, ৬–মার্ক গেহি, ৮–এলিয়ট অ্যান্ডারসন, ১২–টিনো লিভ্রামেন্টো, ১৫–ড্যান বার্ন, ২৪–রিস জেমস, ২৫–জেড স্পেনস, ২৬–জ্যারেল কোয়ানসা। মিডফিল্ডার ৪–ডেকলান রাইস, ১০–জুড বেলিংহাম, ১৪–জর্ডান হেন্ডারসন, ১৬–কোবি মাইনু, ১৭–মরগান রজার্স, ২১–এবেরেচি এজা। ফরোয়ার্ড ৭–বুকায়ো সাকা, ৯–হ্যারি কেইন, ১১–মার্কাস রাশফোর্ড, ১৮–অ্যান্থনি গর্ডন, ১৯–ওলি ওয়াটকিনস, ২০–ননি মাদুয়েকে, ২২–ইভান টনি।

    গ্রুপ ‘এল’: ক্রোয়েশিয়া

     
    গোলকিপার ১–দমিনিক লিভাকোভিচ, ১২–ইভোর পান্দুর, ২৩–দমিনিক কোতারস্কি। ডিফেন্ডার ২–ইয়োসিপ স্তানিসিচ, ৩–মারিন পংরাচিচ, ৪–ইওস্কো গাভার্দিওল, ৫–দুয়ে চালেতা-সার, ৬–ইয়োসিপ শুতালো, ১৮–ক্রিস্তিয়ান ইয়াকিচ, ২২–লুকা ভুসকোভিচ, ২৫–মার্তিন এরলিচ। মিডফিল্ডার ৭–নিকোলা মোরো, ৮–মাতেও কোভাচিচ, ১০–লুকা মদরিচ, ১৩–নিকোলা ভ্লাসিচ, ১৫–মারিও পাসালিচ, ১৬–মার্তিন বাতুরিনা, ১৭–পেতার সুচিচ, ১৯–টনি ফ্রুক, ২১–লুকা সুচিচ। ফরোয়ার্ড ৯–আন্দ্রে ক্রামারিচ, ১১–আন্তে বুদিমির, ১৪– ইভান পেরিসিচ, ২০–ইগর মাতানোভিচ, ২৪–মার্কো পাসালিচ, ২৬–পেতার মুসা।

    গ্রুপ ‘এল’: ঘানা

     
    গোলরক্ষক ১–আতি–জিগি লরেন্স, ১২–জোসেফ আনাং, ১৬–বেঞ্জামিন আসারে। ডিফেন্ডার ২–আলিদু সেইদু, ৪–জোনাস আজেতে, ৬–আবদুল মুনিম, ১৪–গিডিওন মেনসা, ১৭–আবদুল রহমান বাবা, ১৮–জেরোম ওপোকু, ২১–কোজো পেপরা ওপোং, ২৩–ডেরিক লুকাসেন, ২৬–মারভিন সেনায়া। মিডফিল্ডার ৩–ক্যালেব ইরেনকি, ৫–টমাস পার্টি, ৮–কোয়াসি সিবো, ১১–আন্তোয়ান সেমেনিও, ১৫–এলিশা ওউসু, ২০–অগাস্টিন বোকায়ে। ফরোয়ার্ড ৭–আবদুল ফাতাউ, ৯–জর্ডান আইয়ু, ১০–ব্র্যান্ডন টমাস–আসান্তে, ১৩–ক্রিস্টোফার বোনসু বা, ১৯–ইনিয়াকি উইলিয়ামস, ২২–কামালদীন সুলেমানা, ২৪–আর্নেস্ট নুয়ামা, ২৫–প্রিন্স কোয়াবেনা আডু।

    গ্রুপ ‘এল’: পানামা

     
    গোলরক্ষক ১–লুইস মেহিয়া, ১২–সেজার সামুদিও, ২২–অরলান্দো মসকেরা। ডিফেন্ডার ২–সেজার ব্ল্যাকম্যান, ৩–হোসে কর্দোবা, ৪–ফিদেল এস্কোবার,৫–এদগার্দো ফারিনা, ১৩–জিওভানি রামোস, ১৪–কার্লোস হার্ভি, ১৫–এরিক ডেভিস, ১৬–আন্দ্রেস আনদ্রাদে, ২৩–আমির মুরিও, ২৫–রদেরিক মিলার, ২৬–হোর্হে গুতিয়েরেজ। মিডফিল্ডার ৬–ক্রিস্তিয়ান মার্তিনেজ, ৭–হোসে লুইস রদ্রিগেজ, ৮–আদালবের্তো কারাসকিয়া, ১০–ইসমায়েল দিয়াজ, ১১–ইয়োল বার্সেনাস, ১৯–আলবার্তো কিন্তেরো, ২০–আনিবাল গদয়, ২১–সেজার ইয়ানিস। ফরোয়ার্ড ৯–তমাস রদ্রিগেজ, ১৭–হোসে ফাহার্দো, ১৮–সেসিলিও ওয়াটম্যান, ২৪–আজারিয়াস লন্দনিও।
  • বিশ্ববাজারে আবার বেড়েছে তেলের দাম, ইরানের জাহাজ আটকের জের

    আজ সোমবার সকালে এশিয়ার বাজারে তেলের দাম বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের পতাকাবাহী একটি কার্গো জাহাজ আটক ও জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তাঁর এ ঘোষণার পর তেলের দাম বেড়েছে।

    এর আগে গত শনিবার ইরান ঘোষণা দেয়, তারা আবারও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে। পাশাপাশি তারা সতর্কবার্তা দেয়, কোনো জাহাজ প্রণালির দিকে এগোলে হামলা করা হবে।

    এ পরিস্থিতিতে আজ সকালে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৯৪ দশমিক ৬৬ ডলার। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ৫ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৮৮ দশমিক ৫৫ ডলারে ওঠে।

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর থেকে জ্বালানির বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। জবাবে তেহরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল একরকম বন্ধ করে দেয়। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবাহিত হয়।

    তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, আপাতত এ আলোচনায় অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা তেহরানের নেই। যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানি কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট অবস্থান জানায়নি।

    আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান এমএসটি মার্কির বিশ্লেষক সল কেভোনিক বিবিসিকে বলেন, মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার কারণে নয়, বরং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি বার্তার প্রতিক্রিয়াতেই তেলের বাজারে বেশি প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আলোচনার অংশ হিসেবেই হরমুজ প্রণালিতে এ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

    গতকাল রোববারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ ছিল। তার আগের দিন ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের কারণে এ সিদ্ধান্ত; যুক্তরাষ্ট্রের এই নৌ অবরোধ যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করছে। ইরান বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র নৌ অবরোধ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত প্রণালি বন্ধই থাকবে।

    বিশেষ করে এশিয়ার দেশগুলো সবচেয়ে চাপে পড়েছে। এ অঞ্চলের প্রায় ৯০ শতাংশ জ্বালানি হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ হয়।

    সরবরাহ সাশ্রয়ে বিভিন্ন দেশে সরকারি কর্মীদের বাসা থেকে কাজের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কর্মসপ্তাহ কমানো হয়েছে, জাতীয় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় আগেভাগে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ডসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশ নাগরিকদের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ব্যবহার কমানোর আহ্বান জানিয়েছে। এমনকি চীনেও নানা ধরনের কাটছাঁট করা হচ্ছে, যদিও চীনের মজুত প্রায় তিন মাসের আমদানি চাহিদা মেটাতে সক্ষম বলে ধারণা করা হয়। জ্বালানির দাম ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির পর চীন সরকার মূল্যবৃদ্ধির রাশ টানার চেষ্টা করছে।

    এদিকে জেট জ্বালানির দাম বাড়ায় এশিয়া অঞ্চলে সেবা দেওয়া বিমান সংস্থাগুলো নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।

    গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধান ফাতিহ বিরোল সতর্ক করে বলেন, ইউরোপে হয়তো ছয় সপ্তাহের জেট জ্বালানি মজুত রয়েছে। বার্তা সংস্থা এপিকে তিনি বলেন, সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হলে শিগগিরই ফ্লাইট বা উড়ান বাতিল হতে পারে।

    এদিকে যুক্তরাজ্যে টানা কয়েক দফা বৃদ্ধির পর গত সপ্তাহের শেষে পেট্রল ও ডিজেলের দাম কিছুটা কমেছে।

    বিবিসি

  • বিশ্ববাজারে কমে গেল তেলের দাম

    ইরানের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলার সময়সীমা পিছিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই বিশ্ববাজারে কমে গেছে জ্বালানি তেলের দাম।

    শুক্রবার (২৭ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

    কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এদিন গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) রাত আড়াইটায় দেখা যায়, আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে। প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড এখন বিক্রি হচ্ছে ৯৩ দশমিক ০৭ ডলারে। অন্যদিকে, ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ১ দশমিক ৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ব্যারেল প্রতি ১০৬ দশমিক ১২ ডলার।

    এর আগে, বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) তেলের দাম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। শুক্রবার দাম কিছুটা কমলেও তা আগের দিনের সেই বড় উল্লম্ফনকে পুরোপুরি কমিয়ে আনতে পারেনি। ইরান যুদ্ধ ধারণার চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে- এমন ক্রমবর্ধমান উদ্বেগের মধ্যেই শুক্রবার (২৭ মার্চ) তেলের বাজারে এ পরিস্থিতি দেখা গেছে।

    ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। আর এ সময়ে ডব্লিউটিআই তেলের দাম বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ।

    এদিকে যুদ্ধের মধ্যেই প্রতিদিন গড়ে ১৩ কোটি ৯০ লাখ (১৩৯ মিলিয়ন) ডলার আয় করছে ইরান। এই বিপুল অর্থের প্রায় পুরোটাই আসছে তেল রপ্তানি থেকে।

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’তে অবরোধ জারি করেছে ইরানের অভিজাত বাহিনী আইআরজিসি। বিশ্বের মোট তেল ও তরল গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচলের প্রায় ২০ শতাংশ এই রুটটি ব্যবহার করে। বর্তমানে এই রুটের নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে থাকায় সংকটের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করছে তারা।

    হরমুজ প্রণালিকে বলা হয় ‘জ্বালানির বৈশ্বিক দরজা’। অবরোধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য তেল রপ্তানিকারক দেশগুলো বিকল্প পথ খুঁজতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে এবং তেলের উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে। কিন্তু ইরানের ফ্ল্যাগশিপ জ্বালানি তেল ‘ইরানিয়ান লাইট’ এই রুট দিয়ে অবাধে বহির্বিশ্বে যাচ্ছে।

    বাজার পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, বর্তমানে ইরান থেকে প্রতিদিন গড়ে ১০ লাখ ৬০ হাজার ব্যারেল তেল রপ্তানি হচ্ছে বিভিন্ন দেশে।

     

  • বিশ্ববাজারে টানা দুই দিন কমল জ্বালানি তেলের দাম

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু হতে পারে—এমন প্রত্যাশায় বুধবার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো তেলের দাম কমেছে। ধারণা করা হচ্ছে, আলোচনায় অগ্রগতি হলে হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা তেল বাজারে ফিরতে পারে।

    আজ বুধবার সকালে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৫২ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৫৫ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৪ দশমিক ২৭ ডলারে নেমেছে। আগের দিন এই তেলের দাম কমেছিল ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১ দশমিক শূন্য ৪ ডলার বা ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে ৯০ দশমিক ২৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে; আগের দিন যা ৭ দশমিক ৯ শতাংশ কমেছিল। খবর রয়টার্সের

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার জানান, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে আলোচনা আগামী দুই দিনের মধ্যে পুনরায় পাকিস্তানে শুরু হতে পারে। গত সপ্তাহান্তে আলোচনা ভেঙে পড়ার পর ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করে। তবে নতুন করে আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বাজারে আশাবাদ দেখা দিয়েছে—এতে সংঘাতের অবসান ঘটতে পারে এবং অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানির সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে।

    যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালি বন্ধ রয়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে এশিয়া ও ইউরোপে তেল ও পরিশোধিত পণ্য পরিবহনের প্রধান জলপথ এটি।

    দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল এখনো অনিশ্চিত। সূত্রগুলো জানিয়েছে, যুদ্ধের আগে যেখানে প্রতিদিন প্রায় ১৩০টি জাহাজ চলাচল করত, এখন তা অনেকটাই কমে গেছে।

    মঙ্গলবার এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের একটি ডেস্ট্রয়ার ইরান থেকে দুটি তেলবাহী ট্যাংকার বের হতে বাধা দিয়েছে।

    পরামর্শক প্রতিষ্ঠান শর্ক গ্রুপ এক নোটে বলেছে, কূটনৈতিক তৎপরতা আবার শুরু হওয়ার সম্ভাবনা এবং যাতায়াতের ওপর সাময়িক বিধিনিষেধ শিথিল হতে পারে—এমন ইঙ্গিত মিললেও বাস্তব পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত।

    তাদের মতে, বাজারে এখন স্থিতিশীলতা ফিরবে, এমন সম্ভাবনার চেয়ে সরবরাহ ব্যাহত হবে, এমন আশঙ্কাই বেশি।

    অন্যদিকে মার্কিন প্রশাসনের দুই কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, সমুদ্রপথে ইরানি তেলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সাময়িক শিথিলের ৩০ দিনের যে মেয়াদ, তা এ সপ্তাহে শেষ হচ্ছে, এই শিথিলতার মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। একইভাবে রাশিয়ার তেলের ওপর অনুরূপ শিথিলতাও গত সপ্তাহান্তে নীরবে শেষ হয়েছে। ফলে বাজারে অতিরিক্ত সরবরাহের সুযোগ আরও সীমিত হতে পারে।

    এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসন (ইআইএ) সাপ্তাহিক মজুতের কী তথ্য প্রকাশ করে, তার দিকে বাজারের নজর থাকবে। রয়টার্সের জরিপ অনুযায়ী, গত সপ্তাহে দেশটির অপরিশোধিত তেলের মজুত সামান্য বেড়েছে, তবে ডিজেল ও পেট্রলের মজুত কমে যেতে পারে।

    আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের তথ্য সম্পর্কে অবগত সূত্রগুলো জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত টানা তৃতীয় সপ্তাহে বেড়েছে।

    এর আগে গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় অচলাবস্থা ও হরমুজ প্রণালি অবরোধের পরিকল্পনার খবরে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০২ দশমিক ১৬ ডলারে ওঠে। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ৮ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ১০৪ দশমিক ৮২ ডলারে ওঠে। খবর ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের

    বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের কারণে জ্বালানিসংকট আরও তীব্র হতে পারে।

  • বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবার ১১৫ ডলার ছাড়াল

    যুক্তরাষ্ট্র ইরানে স্থল আক্রমণ করতে পারে, তার বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিয়েছে তেহরান। এ খবরে আজ সোমবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত শুক্রবার বলেছেন, যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা চলবে।

    আজ সকালে এই প্রতিবেদন লেখার সময় বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ছিল ১১৬ ডলার ১০ সেন্ট। আজ ইতিমধ্যে দাম বেড়েছে ৩ দশমিক ১৪ শতাংশ। অন্যদিকে ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ২ দশমিক ৬৬শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১০২ ডলার ৩০ সেন্ট। খবর অয়েল প্রাইজ ডটকমের

    গতকাল রোববার ইরানের সংসদের স্পিকার বলেন, দেশটির বাহিনী মার্কিন সেনাদের জন্য ‘অপেক্ষা করছে’। এর আগে শুক্রবার ট্রাম্প জানান, আলোচনা চলছে এবং ইরানকে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য যে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল, তা বাড়ানো হয়েছে।

    এদিকে ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধে ইয়মেনের হুতি বিদ্রোহীরা জড়িয়ে পড়েছে। হুতিরা ইসরায়েলের ওপর হামলা চালিয়েছে। ফলে তেল পরিবহনে নতুন ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। হরমুজ প্রণালির পাশাপাশি লোহিত সাগরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। লোহিত সাগরের সঙ্গে বৈশ্বিক নৌপথের সংযোগপথ বাব আল-মানদেব প্রণালিতে হুতিদের প্রভাব আছে। তারা চাইলে এই পথ বন্ধ করে দিতে পারে। খবর সিএনএনের

    এদিকে যুদ্ধ থামাতে পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিসর ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা উদ্যোগী হয়েছেন। গতকাল তাঁদের বৈঠক ‘খুবই ফলপ্রসূ’ হয়েছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। তিনি বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনায় সহায়তা করবে পাকিস্তান।

    হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিশ্বের মোট তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। তেল-গ্যাস স্থাপনায় হামলার কারণে গ্যাসের দামও বেড়েছে। এর প্রভাব পড়ছে ভোক্তাদের ওপর। গতকাল যুক্তরাষ্ট্রে গড়ে প্রতি গ্যালন গ্যাসের দাম দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৯৮ ডলার।

    এ পরিস্থিতিতে এশিয়ার ছোট দেশগুলো সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কেননা, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যে তেল পরিবহন হয়, তার গন্তব্য মূলত এশিয়া। তবে তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পুরো বৈশ্বিক অর্থনীতিতেই ছড়িয়ে পড়বে বলে সিএনএনকে জানিয়েছেন র‍্যাপিডান এনার্জির প্রেসিডেন্ট বব ম্যাকন্যালি। তিনি বলেন, এ পরিস্থিতিতে সবচেয়ে খারাপ যা হতে পারে তা হলো মন্দা; কেবল তেমন কিছু ঘটলেই তেলের দাম কমতে পারে।  

    ম্যাকনালির ভাষায়, ‘অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হলে তেলের চাহিদা কমে যায়। কথাটা কর্কশ শোনালেও তেলের দাম হ্রাসের ক্ষেত্রে তা কার্যকর উপায়।’

    বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, যুদ্ধ শেষ হলেও গ্যাসের দাম দ্রুত কমবে না। হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু হওয়া এবং আশপাশের অবকাঠামোর ক্ষতি মেরামতের ওপর বিষয়টি নির্ভর করবে। যেমন কাতারের রাস লাফান; এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্র এবং মার্চের মাঝামাঝি সময়ে ইরান এই গ্যাসক্ষেত্রে হামলা করে। এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে সরবরাহ কবে স্বাভাবিক হবে, দাম নির্ভর করবে তার ওপর।

    এদিকে আজ এশিয়ার শেয়ারবাজারে সূচক পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হয়েছে। জাপানের নিক্কি ২২৫ সূচক প্রায় ৪ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে; দক্ষিণ কোরিয়ার কোসপি সূচক কমেছে প্রায় ৪ শতাংশ। খবর বিবিসির

    গত ২৭ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলার আগের দিন ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৭২ ডলার। এরপর পরিস্থিতি দ্রুতই বদলে যায়। ১৮ মার্চ ব্রেন্টের দাম ১১৯ দশমিক ৫০ ডলারে  উঠে যায়—২০২২ সালের জুন মাসের পর সর্বোচ্চ। অর্থাৎ যুদ্ধ শুরুর পর তেলের দাম সর্বোচ্চ ৬৬ শতাংশ বেড়েছে।

  • বিশ্ববাজারে তেলের দাম এখন ১২০ ডলার, যুদ্ধ শুরুর পর সর্বোচ্চ

    ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ‘দীর্ঘমেয়াদি’ অবরোধ আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে—এমন খবরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম অনেকটা বেড়েছে। গতকাল বুধবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলার ছাড়িয়ে অল্প সময়ের জন্য ১২২ ডলারে ওঠে, ২০২২ সালের পর যা সর্বোচ্চ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে এই তেলের দাম ১২০ ডলার।

    গত মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে শেভরনের প্রধান নির্বাহী মাইক ওয়ার্থসহ জ্বালানি খাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন। মার্কিন ভোক্তাদের জীবনে এই যুদ্ধের প্রভাব কীভাবে কমানো যায়, সেটিই ছিল আলোচনার মূল বিষয়। বাজারের ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, এই বৈঠক কার্যত হরমুজ প্রণালির বন্ধ থাকা আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার।

    হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানান, বৈঠকে দেশীয় জ্বালানি উৎপাদন, ভেনেজুয়েলায় অগ্রগতি, তেলের আগাম বাজার, প্রাকৃতিক গ্যাস, জাহাজ চলাচলসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। প্রেসিডেন্টের নিয়মিত শিল্প-সংশ্লিষ্ট বৈঠকের অংশ হিসেবেই এই বৈঠক, এমনটাই বলা হচ্ছে।

    ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের খবরে বলা হয়, ইরান চাপে ফেলতে দেশটির বন্দরগুলোয় চলমান অবরোধ দীর্ঘায়িত করার প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প। জবাবে ইরান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বাধা দিয়ে যাবে তারা।

    যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই তেলের দাম ওঠানামা করছে। সংঘাতের কারণে কয়েক মাস ধরে হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল হয়ে আছে। বিশ্বের মোট তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সাধারণত এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করে। মাসের শুরুর দিকে তেহরান সতর্ক করে, প্রণালির কাছে এলে যেকোনো জাহাজে হামলা করা হতে পারে। এরপর যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দেয়, ইরানের বন্দরগামী বা সেখান থেকে আসা জাহাজ তারা আটকে দেবে বা ফিরিয়ে দেবে।

    বিবিসি ভেরিফাইয়ের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইরানের বন্দর থেকে ছেড়ে যাওয়া অন্তত চারটি জাহাজ মার্কিন অবরোধ অতিক্রম করেছে। সাম্প্রতিক ওঠানামা সত্ত্বেও সংঘাতের আগের তুলনায় তেলের দাম এখনো অনেক বেশি। ১৭ এপ্রিল ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর ব্রেন্টের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলারে নেমেছিল; ৮ এপ্রিল ইরানের ওপর হামলা সাময়িকভাবে স্থগিতের কথাও জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। তবে গত ১২ দিনে অবরোধ অব্যাহত থাকায় তেলের দাম আবার ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে।

    এদিকে ইরানের অর্থনীতি গভীর সংকটে পড়েছে—উচ্চ মূল্যস্ফীতি, মুদ্রার অবমূল্যায়ন ও তেল রপ্তানি থমকে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। দেশটির পরিসংখ্যান কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ৫৩ দশমিক ৭ শতাংশে উঠেছে। রিয়ালের মান নেমেছে রেকর্ড নিম্নপর্যায়ে। গত সপ্তাহে ইরান সরকার জানায়, যুদ্ধের কারণে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে প্রায় ২০ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছেন।

    গতকাল ট্রাম্প ইরানকে দ্রুত সমঝোতায় আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশটিকে ‘শিগগিরই বুদ্ধিমান সিদ্ধান্ত’ নিতে হবে। ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লেখেন, ইরান নিজেদের অবস্থান গুছিয়ে নিতে পারছে না। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, বোমা হামলা আবার শুরু করা বা সংঘাত থেকে সরে আসা—দুই পথেই ঝুঁকি বেশি হওয়ায় অবরোধ জারি রেখে ইরানের অর্থনীতি ও তেল রপ্তানিতে চাপ বাড়ানোর কৌশলই বেছে নিয়েছেন ট্রাম্প।

    ইরানের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, বিকল্প বাণিজ্যপথ ব্যবহার করে তাঁরা অবরোধ মোকাবিলা করতে পারবে। অন্যদিকে বিশ্বব্যাংক সতর্ক করেছে, ইরান-সংঘাতজনিত বড় ধরনের বিঘ্ন মে মাসে শেষ হলেও ২০২৬ সালে জ্বালানির দাম ২৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর যা হবে সর্বোচ্চ।

    গতকাল ইউরোপের শেয়ারবাজারে পতন দেখা গেছে। যুক্তরাজ্যের এফটিএসই ১০০ সূচক ১ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে; ফ্রান্সের এসএসি সূচক শূন্য দশমিক ৩৯ শতাংশ ও জার্মানির ডিএএক্স সূচক শূন্য দশমিক ২৭ শতাংশ কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক প্রায় অপরিবর্তিত ছিল। তবে এশিয়ার বাজারগুলোয় কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেখা গেছে।

    এক্সটিবির গবেষণা পরিচালক ক্যাথলিন ব্রুকস বলেন, ইরানের ওপর দীর্ঘ মেয়াদে অবরোধ থাকবে, আর্থিক বাজার এখন তেমন সম্ভাবনা আমলে নিচ্ছে।

    বিবিসি

  • বিশ্ববাজারে বেড়েছে তেলের দাম, ওয়ালস্ট্রিটে পতনের আভাস

    মধ্যপ্রাচ্যে সংকটের কারণে আজ সোমবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় তেলের দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কিছু বিশ্লেষক সতর্ক করেছেন, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়াতে পারে।

    এদিকে তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে আজ ওয়ালস্ট্রিটে সূচক পতনের আভাস পাওয়া গেছে। ওয়ালস্ট্রিটের ফিউচার সূচক কমে গেছে। ইউরোপেও একই পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ বিশেষ পরিস্থিতির কথা বলে শেয়ারবাজার বন্ধ করে দিয়েছে।

    বিষয়টি হলো, হরমুজ প্রণালির কাছে অন্তত তিনটি জাহাজে হামলার পর বৈশ্বিক তেলের বাজারে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান হামলার জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে। এর মধ্যে জাহাজে হামলার কারণে নতুন করে উদ্বেগ বেড়েছে।

    যুক্তরাজ্যের ইউকে মেরিন ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, দুটি জাহাজ অজ্ঞাতনামা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাহাজ দুটিতে আগুন ধরে যায়। তৃতীয় একটি জাহাজের খুব কাছাকাছি একটি অজ্ঞাতনামা ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরিত হয়েছে। তবে ওই জাহাজের নাবিকেরা নিরাপদে আছেন।

    একই এলাকায় চতুর্থ একটি ঘটনার কথাও ইউকেএমটিও জানিয়েছে, যেখান থেকে জাহাজের কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, তবে এর কারণ স্পষ্ট নয়। সংস্থাটি আরব উপসাগর ও ওমান উপসাগরজুড়ে ‘একাধিক নিরাপত্তাজনিত ঘটনার’ কথা উল্লেখ করে জাহাজগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছে।

    ইরান সতর্ক করে বলেছে, কোনো জাহাজ যেন হরমুজ প্রণালি অতিক্রম না করে। বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে প্রণালির প্রবেশমুখে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।

    জাহাজ-তথ্য বিশ্লেষণ প্ল্যাটফর্ম কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ১৫০টি ট্যাংকার হরমুজের বাইরে উপসাগরের উন্মুক্ত পানিতে নোঙর ফেলেছে। তবে ইরান ও চীনের কয়েকটি জাহাজ আজ প্রণালি অতিক্রম করেছে।

    কেপলারের বিশ্লেষক হোমায়ুন ফালাকশাহি বলেন, ইরানের হুমকির কারণে কার্যত প্রণালিটি বন্ধ হয়ে গেছে। এই পথে চলাচলের ঝুঁকি অনেক। সেই সঙ্গে বিমার ব্যয় হু হু করে বেড়ে যাওয়ায় জাহাজগুলো এই পথ এড়িয়ে চলছে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত নৌপথ সুরক্ষায় উদ্যোগ নেবে; সেটি কার্যকর হলে দামের ঊর্ধ্বগতি ঠেকানো যেতে পারে। কিন্তু দীর্ঘ সময় প্রণালি বন্ধ থাকলে তেলের দাম ‘অনেক’ বাড়তে পারে।

    এদিকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের পতাকাবাহী তিনটি ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। সেই জাহাজগুলোয় আগুন জ্বলছে। তবে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে মন্তব্য করেনি।

    জ্বালানি তেল
    জ্বালানি তেল, ফাইল ছবি: রয়টার্স

    উৎপাদন বাড়াচ্ছে ওপেক

    গতকাল রোববার তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জোট ওপেক ও সহযোগী দেশগুলো দৈনিক উৎপাদন ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। লক্ষ্য হলো—সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব কিছুটা হলেও সামাল দেওয়া। যদিও কিছু বিশেষজ্ঞের মতে, এতে বড় ধরনের স্বস্তি না–ও আসতে পারে।

    এমএসটি রিসার্চের জ্বালানি গবেষণা বিভাগের প্রধান সাউল কাভনিক বলেন, বাজারে এখনো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েনি। তাঁর মতে, এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই তেল পরিবহন ও উৎপাদন অবকাঠামোকে প্রধান লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালায়নি। ফলে পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হয় কি না, বাজার তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। চলাচল স্বাভাবিক হলে দাম আবার কমতে পারে।

    জাহাজ কোম্পানি কী বলছে

    বেসরকারি সামুদ্রিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ভ্যানগার্ড টেক জানিয়েছে, জিব্রাল্টার, পালাউ, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ ও লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজে হামলা হয়েছে; ইউকেএমটিও যেসব ঘটনার কথা বলেছে, সেগুলোর সঙ্গে এর মিল আছে।

    ডেনমার্কভিত্তিক কনটেইনার শিপিং গ্রুপ মেয়ার্সক গতকাল বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা বাব এল-মান্দেব প্রণালি ও সুয়েজ খাল দিয়ে জাহাজ চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করবে। এ ক্ষেত্রে যা হয়, অর্থাৎ উত্তমাশা অন্তরীপ ঘুরে বিকল্প পথে জাহাজ পাঠাবে তারা।

    এদিকে গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর গতকাল ইরান ও ইসরায়েল নতুন করে একে অপরের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। দুবাই (সংযুক্ত আরব আমিরাত), কাতারের রাজধানী দোহা, বাহরাইন ও কুয়েতে হামলার খবর পাওয়া গেছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, এই আঞ্চলিক অস্থিরতার কারণে জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থা আরও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে।

    মার্কিন ও ইউরোপীয় শেয়ারবাজারে সূচক পতনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে
    মার্কিন ও ইউরোপীয় শেয়ারবাজারে সূচক পতনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে, ফাইল ছবি: রয়টার্স

    শেয়ারসূচক পতনের আভাস

    এদিকে আজ পশ্চিমা পৃথিবীতে সপ্তাহের প্রথম দিনে শেয়ারবাজারের ফিউচার সূচকগুলোর পতন হয়েছে। ওয়ালস্ট্রিটের এসঅ্যান্ডপি ৫০০, নাসডাক কম্পোজিট, ডাও জোনস ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ ফিউচার—সব কটিই প্রায় ১ শতাংশ করে কমেছে। খবর সিএনএনের

    তবে তেল কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। এক্সন মবিল, শেভরনসহ আরও অনেক জ্বালানি কোম্পানির শেয়ারের আগাম দাম প্রায় ২ শতাংশ করে বেড়েছে। প্রতিরক্ষা খাতের শেয়ারও সামান্য ঊর্ধ্বমুখী ছিল।

    ইউরোপেও একই পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। ইউরোস্টক্স ৫০–সংযুক্ত ফিউচারস ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে। জার্মানির ড্যাক্স ফিউচারস নেমেছে ১ দশমিক ৩ শতাংশ। অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েত ‘বিশেষ পরিস্থিতির’ কথা উল্লেখ করে সাময়িকভাবে শেয়ারবাজারে লেনদেন স্থগিত করেছে।

    ফিউচার (ভবিষ্যৎ চুক্তি) হলো এমন ধরনের আর্থিক চুক্তি, যার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা আগাম নির্ধারিত দামে ভবিষ্যতের কোনো তারিখে শেয়ার, পণ্য বা সূচক কেনাবেচার অঙ্গীকার করেন। বাজার খোলার আগেই ফিউচার লেনদেন দেখে বিনিয়োগকারীরা দিনটি সম্পর্কে আগাম ধারণা পান।

  • বিশ্ববাজারে সোনার দাম আবার ৫ হাজার ডলার ছাড়াল

    শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী ছিল। স্পট মার্কেটে আউন্সপ্রতি সোনার দাম ২ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৪১ দশমিক ৮০ ডলার।

    এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (যুক্তরাষ্ট্রের সময় অনুযায়ী শুক্রবার) সোনার দাম আউন্সপ্রতি বেড়েছে ১১৪ দশমিক ৮৩ ডলার। গত এক মাসে সোনার দাম বেড়েছে ৩০৭ দশমিক ৫৯ ডলার।

    এপ্রিল মাসে সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে সোনার আগাম দাম প্রায় ২ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৫ হাজার ৪৬ দশমিক ৩০ ডলারে উঠেছে।

    তবে বৃহস্পতিবার বিশ্ববাজারের চিত্র ছিল ভিন্ন। মার্কিন শেয়ারবাজারে বড় পতনের পর বিক্রির চাপ বাড়ায় সোনার দর প্রায় ৩ শতাংশ কমে যায়। সোনার দাম আউন্সপ্রতি পাঁচ হাজার ডলারের নিচে নেমে আসে। ফলে সোনার দাম এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে চলে আসে। খবর ইকোনমিক টাইমস।

    এদিকে রুপাও অনেকটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। স্পট মার্কেটে রুপার দাম ৪ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ৭৮ দশমিক ৫৯ ডলারে পৌঁছায়। যদিও তার আগের দিন রুপার দরপতন হয় ১১ শতাংশ। এত বড় দরপতনের পর রুপার এই ঘুরে দাঁড়ানো উল্লেখযোগ্য। তার পরও দেখা যাচ্ছে, সপ্তাহ শেষে রুপার মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে ০ দশমিক ৭ শতাংশ।

    রুপার সঙ্গে প্লাটিনামের দামও শুক্রবার বেড়েছে। পশ্চিমা পৃথিবীর সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শুক্রবার প্লাটিনামের দাম ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি ২ হাজার ৩৩ দশমিক ৯৯ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ২ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৬৬১ দশমিক ৯৭ ডলারে দাঁড়ায়। তবে সাপ্তাহিক হিসাবে দেখা যাচ্ছে, গত সপ্তাহে উভয় ধাতুর দামই কমেছে।

    এদিকে গত জানুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গতি ফিরেছে। প্রতাশ্যার চেয়ে বেশি কর্মসংস্থান হয়েছে। এতে বেকারত্বের হার কমেছে। সেই সঙ্গে জানুয়ারি মাসে মূল্যস্ফীতির হারও কমেছে।

    বিশ্লেষকেরা বলছেন, শ্রমবাজার শক্তিশালী ও মূল্যস্ফীতি কমছে—উভয়ই ইতিবাচক। তবে নীতি সুদহার দ্রুত কমানো হলে চাহিদা বেড়ে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে। ফলে বিনিয়োগকারীরা নীতি সুদহার কমানোর আশা করলেও ফেড সম্ভবত আরও ধৈর্য ধরবে।

    তবে বাজারে ধারণা, চলতি বছর ২৫ ভিত্তি পয়েন্ট করে দুই দফায় সুদহার কমানো হতে পারে। প্রথমবার কমানো হবে জুন মাসে। সাধারণত সুদের হার কম থাকলে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে সোনার প্রতি মানুষের আকর্ষণ বেড়ে যায়।

    বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সোনার দাম আউন্সপ্রতি পাঁচ হাজার ডলার একধরনের ‘মানসিক সীমা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সীমা ভেঙে গেলে দামের দ্রুত উত্থান–পতন হয়, বিশেষ করে যখন অস্থিরতা বেশি থাকে। সম্প্রতি শেয়ারবাজারের পতনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে সোনার দাম কমেছে, তেমন কোনো সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রণোদনা তখন ছিল না।

    দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হচ্ছে, চলতি বছরে সোনার দাম ছয় হাজার ডলার স্পর্শ করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কোন দিকে যায়, মূল্যস্ফীতির গতি কেমন থাকে বা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে কতটা অনিশ্চয়তা থাকে—এসবের ওপর নির্ভর করছে সোনার দাম কতটা দ্রুত ছয় হাজার ডলার স্পর্শ করবে।

    বিশ্লেষকদের ভাষ্য, সোনা কেবল মুনাফাভিত্তিক সম্পদ নয়; অনেক দেশের জন্য এটি কৌশলগত রিজার্ভ। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো যদি ধারাবাহিকভাবে সোনা ক্রয় অব্যাহত রাখে, তাহলে সোনার দাম ছয় হাজার ডলার পেরিয়ে যেতেই পারে।

    এদিকে লন্ডন বুলিয়ন মার্কেট অ্যাসোসিয়েশনের (এলএমবিএ) বার্ষিক পূর্বাভাস জরিপে বিশ্লেষকেরা বলছেন, ২০২৬ সালে সোনার দাম সর্বোচ্চ ৭ হাজার ১৫০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।

  • বিশ্বব্যাংক-জাপান স্কলারশিপ, ২৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৪ প্রোগ্রামে পড়াশোনা

    বিশ্বব্যাংক-জাপান যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘জাপান/বিশ্বব্যাংক স্নাতকোত্তর বৃত্তি কর্মসূচি’র ২০২৬ সালের বৃত্তিতে আবেদন চলছে। এই কর্মসূচির আওতায় বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সের ৪৪টি প্রোগ্রামের জন্য শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।

    বৃত্তি সম্পর্কে তথ্য

    এই স্কলারশিপ মূলত উন্নয়ন-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের সহায়তা করে। অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, আফ্রিকা, ওশেনিয়া ও জাপানে অবস্থিত।

    পাঠ্যবিষয়ের মধ্যে রয়েছে—অর্থনৈতিক নীতি ব্যবস্থাপনা, করনীতি, অবকাঠামো ব্যবস্থাপনা এবং অন্যান্য উন্নয়নমূলক শাখা।

    বৃত্তির সুবিধা

    নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা পাবেন

    • সম্পূর্ণ টিউশন ফি

    • বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে মৌলিক স্বাস্থ্যবিমা।

    • -মাসিক ভাতা (দেশভেদে ভিন্ন)।

    • যাওয়া-আসার ইকোনমি শ্রেণির বিমানভাড়া।

    • প্রতি ভ্রমণে ৬০০ মার্কিন ডলার ভ্রমণভাতা।

    মূল্যায়নকারীরা পেশাগত অভিজ্ঞতা, পেশাগত সুপারিশপত্র, নিজ দেশের উন্নয়নে অঙ্গীকার ও শিক্ষাগত পটভূমি—চারটি মানদণ্ডে মূল্যায়ন করবেন
    মূল্যায়নকারীরা পেশাগত অভিজ্ঞতা, পেশাগত সুপারিশপত্র, নিজ দেশের উন্নয়নে অঙ্গীকার ও শিক্ষাগত পটভূমি—চারটি মানদণ্ডে মূল্যায়ন করবেনফাইল ছবি
     

    আবেদনের যোগ্যতা

    • বিশ্বব্যাংকের সদস্য উন্নয়নশীল দেশের নাগরিক হতে হবে।

    • কোনো উন্নত দেশের দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা যাবে না।

    • আবেদনের শেষ তারিখের অন্তত তিন বছর আগে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে।

    • গত ছয় বছরের মধ্যে অন্তত তিন বছর পূর্ণকালীন উন্নয়ন-সংশ্লিষ্ট চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

    • আবেদনকালে উন্নয়ন-সংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত থাকতে হবে।

    • আগে এই স্কলারশিপ প্রত্যাখ্যান বা অসম্পূর্ণ রাখা যাবে না।

    বৃত্তির আবেদন লিংক সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয়। কেবল যেসব শিক্ষার্থী নির্ধারিত প্রোগ্রামে ভর্তি হয়েছেন (অর্থায়ন ছাড়া) এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক যোগ্য হিসেবে শর্টলিস্ট হয়েছেন, তাঁদের কাছেই আবেদন লিংক পাঠানো হবে।

    বাছাই প্রক্রিয়া

    যোগ্য আবেদনগুলো দুজন মূল্যায়নকারী স্বাধীনভাবে ১ থেকে ১০ স্কেলে নম্বর দেবেন। মূল্যায়নের চারটি মানদণ্ড—

    ১. পেশাগত অভিজ্ঞতা (৩০ শতাংশ)।

    ২. পেশাগত সুপারিশপত্র (৩০ শতাংশ)।

    ৩. নিজ দেশের উন্নয়নে অঙ্গীকার (৩০ শতাংশ)।

    ৪. শিক্ষাগত পটভূমি (১০ শতাংশ)।

    জাপান/বিশ্বব্যাংক স্নাতকোত্তর বৃত্তি কর্মসূচিতে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সের ৪৪টি প্রোগ্রামের জন্য শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন
    জাপান/বিশ্বব্যাংক স্নাতকোত্তর বৃত্তি কর্মসূচিতে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সের ৪৪টি প্রোগ্রামের জন্য শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেনফাইল ছবি

    আবেদনের সময়সূচি

    বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আবেদন প্রক্রিয়া দুই ধাপে সম্পন্ন হয়।

    প্রথম ধাপ: ১৫ জানুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। এটি শেষ হয়েছে।

    দ্বিতীয় ধাপ: ৩০ মার্চ থেকে ২৯ মে ২০২৬।

  • বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার ইলন মাস্ক, স্পেসএক্সের আইপিওতে বেড়েছে সম্পদ

    বিশ্বের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে জনপ্রিয় সংস্কৃতির তেমন একটা সম্পর্ক দেখা যায় না। ইলন মাস্ক তাঁদের মধ্যে ব্যতিক্রম। উচ্চাভিলাষী এই উদ্যোক্তা শুধু ইন্টারনেট–সংস্কৃতির কেন্দ্রীয় চরিত্রই নন, বিপুল সম্পদের মালিক হিসেবেও তিনি আলোচনার শীর্ষে। তাঁর সম্পদ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তিনি এখন বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার বা লাখ কোটি ডলারের মালিক।

    বৈষম্য নিয়ে উদ্বেগ যখন বাড়ছে এবং অতি ধনীদের প্রতি জনমনে বিরূপ ধারণা তৈরি হচ্ছে, তখন বিপুল সম্পদের মালিক হয়েও ইলন মাস্ক জনপ্রিয়। ওয়ারেন বাফেটের মতো ব্যবসায়ীরা সহজ-সরল ব্যক্তিত্বের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে জনপ্রিয় ছিলেন। মাস্কের সে ধরনের ব্যক্তিত্ব না থাকলেও তাঁর জনপ্রিয়তা অটুট।

    ভক্তরা মনে করেন, খোলামেলা ও সংযমহীন কথা বলার প্রবণতাই মাস্কের প্রতি মানুষের আকর্ষণের মূল কারণ। তবে সমালোচকদের অভিযোগ, অতি ধনীদের মতো তিনিও ক্ষমতার ব্যবহার করেন। তাঁর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের করপোরেট সুশাসন নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, একই সঙ্গে রাজনীতিতে তাঁর ক্রমবর্ধমান পক্ষপাতমূলক হস্তক্ষেপও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

    তারপরও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহে ভাটা পড়েনি। মাস্কের ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের কেন্দ্রবিন্দু স্পেসএক্স-রকেট, স্যাটেলাইট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করা এই প্রতিষ্ঠান গতকাল প্রাথমিক শেয়ার বিক্রির (আইপিও) মাধ্যমে রেকর্ড ৭৫ বিলিয়ন বা ৭ হাজার ৫০০ কোটি ডলার সংগ্রহ করেছে।

    বৈদ্যুতিক গাড়ি কোম্পানি টেসলার পাশাপাশি স্পেসএক্সই তাঁর ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের মূল ভিত্তি। স্পেসএক্সের আইপিও বাজারে আসার আগে ফোর্বসের হিসাবে মাস্কের সম্পদের পরিমাণ ছিল ৭৮০ বিলিয়ন বা ৭৮ হাজার কোটি ডলার। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যালফাবেটের সহপ্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজের সম্পদের তুলনায় যা অনেক বেশি।

    ফোর্বস ওয়েলথের উপসম্পাদক ম্যাট ডুরোট বলেন, ‘দ্বিতীয় ধনী ব্যক্তির সম্পদ প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলারের আশপাশে। অর্থাৎ মাস্কের সম্ভাব্য সম্পদের এক-তৃতীয়াংশেরও কম। ওরাকলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি এলিসন ছাড়া আর কেউ কখনো ৪০০ বিলিয়ন ডলারের সম্পদের মালিক হননি।’

    বর্তমানে মাস্কের সম্পদের বড় অংশই স্পেসএক্সে। সেখানে তাঁর অংশীদারির বাজারমূল্য প্রায় ৮৬৬ বিলিয়ন বা ৮৬ হাজার ৬০০ কোটি ডলার। রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী, টেসলা ও অন্যান্য সম্পদ মিলিয়ে শুক্রবার শেয়ার লেনদেন শুরু হলে তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন বা ১ লাখ ১০ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে। এই হিসাবের মধ্যে অবশ্য ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে হস্তান্তরযোগ্য শেয়ারও অন্তর্ভুক্ত আছে।

    টেসলা ও স্পেসএক্সের মাধ্যমে মাস্ক বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পান। পরে ২০২২ সালে ৪৪ বিলিয়ন বা ৪ হাজার ৪০০ কোটি ডলারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটার (বর্তমান এক্স) কেনেন তিনি। এর মাধ্যমে তাঁর প্রভাব আরও বিস্তৃত হয়। এরপর তিনি ধাপে ধাপে রাজনীতি, অভিবাসন, সরকারি ব্যয় ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মতো বিষয়ে অন্যতম প্রভাবশালী কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠেন।

    রাজনীতিতে মাস্কের প্রবেশ, বিশেষ করে গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি’(ডিওজিই)-তে ভূমিকা পালন, ছিল তাঁর সবচেয়ে বিতর্কিত পদক্ষেপগুলোর একটি। কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। তিনি নিজেও ট্রাম্পের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। ফলে ২০২৫ সালে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাজারে টেসলার বিক্রি কমে যায়। এমনকি টেসলার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়। ভোক্তারা এই গাড়ি বয়কটও করে।

    ইলন প্রিমিয়াম

    ৫৪ বছর বয়সী ইলন মাস্ক দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর মা ছিলেন কানাডীয়, বাবা দক্ষিণ আফ্রিকান। যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৯৭ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।

    ২০০৮ সালে টেসলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মাস্ক বিশ্বাস করতেন, বৈদ্যুতিক গাড়ি শুধু পরিবেশবান্ধবই নয়, উচ্চ কর্মক্ষমতা ও সফটওয়্যারনির্ভর সুবিধাও দিতে পারে। তাঁর নেতৃত্বে টেসলা বৈশ্বিক গাড়িশিল্পে নতুন ধারা তৈরি করে। অনেক বিশ্লেষকের মতে, টেসলার সাফল্য ও ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি বাজারমূল্যের কারণে পুরোনো তেলচালিত গাড়ি কোম্পানিগুলোও বৈদ্যুতিক গাড়ির দিকে ঝুঁকে পড়ে।

    অনেক বিনিয়োগকারী মনে করছেন, মহাকাশ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রেও মাস্ক একই ধরনের সাফল্য দেখাতে পারবেন। তবে স্পেসএক্স এখনো মূলধননির্ভর প্রতিষ্ঠান, এর বাজারমূল্যের বড় অংশ নির্ভর করছে এমন সব প্রযুক্তির ওপর, যেগুলোর বাণিজ্যিক সফলতা পেতে আরও বহু বছর, এমনকি কয়েক দশকও লাগতে পারে।

    টেসলা ও স্পেসএক্স ছাড়াও মাস্ক আরও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের সহপ্রতিষ্ঠাতা। এর মধ্যে আছে ভূগর্ভস্থ টানেল নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান দ্য বোরিং কোম্পানি এবং মস্তিষ্কের চিপ প্রতিস্থাপন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা নিউরালিংক।

    টেসলার প্রধান নির্বাহী হিসেবে মাস্ক যেমন প্রশংসিত হয়েছেন, তেমনি বিতর্কিতও করেছেন। একসময় অনেক প্রতিষ্ঠিত গাড়ি কোম্পানি মনে করত, কোনো স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান লাভজনকভাবে ব্যাপক পরিসরে বৈদ্যুতিক গাড়ি উৎপাদন করতে পারবে না।

    জেনারেল মোটরসের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বব লুটজ বলেন, অটোমোটিভ প্রকৌশলে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্ভাবনী সক্ষমতার বিষয়ে সারা বিশ্বের যে মনোভাব, সেটা মাস্কের কল্যাণে আবার ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে।

    তবে একই সময়ে টেসলা নানা আইনি জটিলতা এবং শেয়ারহোল্ডারদের উদ্বেগের মুখোমুখিও হয়েছে। বিশেষ করে ২০১৮ সালে মাস্কের জন্য অনুমোদিত প্রায় ৫৬ বিলিয়ন বা ৫ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের পারিশ্রমিক ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়।

    মাস্কের প্রভাব এতটাই বিস্তৃত যে বাজার বিশ্লেষকেরা তাঁর ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ককে ‘মাস্কোনমি’ নামে অভিহিত করছেন। এই প্রভাব থেকেই ‘ইলন প্রিমিয়ামের’ ধারণা জন্ম নিয়েছে। অনেক বিনিয়োগকারীর বিশ্বাস, এই বাড়তি মূল্যায়ন মূলত প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সূচকের কারণে নয়; বরং মাস্কের দৃষ্টিভঙ্গি ও তাঁর সাফল্য অর্জনের সক্ষমতার ওপর আস্থার প্রতিফলন।

    আইপিওবিষয়ক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান রেনেসাঁ ক্যাপিটালের জ্যেষ্ঠ কৌশলবিদ ম্যাট কেনেডি বলেন, টেসলার মতোই স্পেসএক্স মূলত ইলন মাস্কের ওপর বাজি ধরার শামিল।

    ম্যাট আরও বলেন, ‘যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের বাজারমূল্য ১ দশমিক ৫ থেকে ২ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যায়, তাহলে প্রচলিত মূল্যায়ন পদ্ধতিগুলো কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ে। এটাকে বরং “ইলন মাস্ক প্রিমিয়াম” বলাই যথাযথ হয়।’

    ফিল্টারহীন ইলন

    মাস্কের ক্রমবর্ধমান প্রভাব করপোরেট শাসনব্যবস্থা, স্বার্থের সংঘাত ও তাঁর প্রতিষ্ঠানগুলোর ভাগ্য একজন ব্যক্তির সঙ্গে কতটা নিবিড়ভাবে জড়িয়ে পড়ছে, সেই প্রশ্ন আরও সামনে নিয়ে এসেছে।

    বছরের পর বছর ধরে নিয়ন্ত্রক সংস্থা, বিলিয়নিয়ার, শর্ট সেলার, সাংবাদিক, রয়টার্স ও বিভিন্ন গণমাধ্যমসহ অনেকের সঙ্গে মাস্কের প্রকাশ্য বিরোধ দেখা গেছে। এসব দ্বন্দ্বের বড় অংশই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্যে ঘটেছে।

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর জুটিও সেই ধারার অংশ ছিল। ট্রাম্পের পুনরায় নির্বাচিত হওয়ার পেছনে অর্থায়ন করার পর মাস্ক ট্রাম্প প্রশাসনের ডিওজিই উদ্যোগে জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ছিলেন প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ মিত্র।

    তবে নীতিনির্ধারণ ও সরকারি ব্যয় নিয়ে মতবিরোধের কারণে পরে তাঁদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে এবং তা প্রকাশ্য বিরোধে রূপ নেয়। যদিও পরে দুজনই তুলনামূলক সমঝোতার সুরে কথা বলেছেন, এই ঘটনার মধ্য দিয়ে বোঝা যায়, মাস্কের ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য ও রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার মধ্যকার সীমারেখা কতটা অস্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

    তবু অনেক বিনিয়োগকারীর কাছে মাস্কের অপ্রচলিত আচরণ নিয়ে উদ্বেগের চেয়ে তাঁর সাফল্যের ইতিহাস বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেননা বারবার দেখা গেছে, উচ্চাভিলাষী ধারণাকে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান কিছু প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়ার ক্ষমতা তাঁর আছে।

    সম্প্রতি মাস্কের সঙ্গে এক আলোচনায় জেপিমরগান চেজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেমি ডাইমন বলেন, ‘ইলন আমাদের সময়ের এডিসন।’

    একসময় দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ে মাস্কের প্রতিপক্ষ এই ব্যাংকার পরবর্তীকালে মাস্কের ভক্ত হয়ে ওঠেন। গত বছর সিএনবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডাইমন বলেন, তাঁদের মধ্যে বিরোধ মিটে গেছে। একই সঙ্গে তিনি মাস্ককে ‘আমাদের সময়ের আইনস্টাইন’ হিসেবে আখ্যা দেন।

    রয়টার্স

  • বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর নারী এই অভিনেত্রী

    হলিউডের ঝলমলে দুনিয়ায় সৌন্দর্য, সাফল্য আর আত্মবিশ্বাসের মেলবন্ধনে যে কয়েকজন তারকা আজও সমান উজ্জ্বল, তাঁদের অন্যতম অ্যান হ্যাথাওয়ে। ২০২৬ সালে পিপল ম্যাগাজিনের ‘ওয়ার্ল্ডস মোস্ট বিউটিফুল’ কভার স্টার হিসেবে নির্বাচিত হওয়া যেন তাঁর দীর্ঘ পথচলারই এক নতুন স্বীকৃতি। তবে এই দীপ্তির পেছনে রয়েছে নিজের সঙ্গে লড়াই, বদলে যাওয়ার সাহস এবং নিজের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির আমূল পরিবর্তনের গল্প।

    কভার শুটের সেটে তখন বাজছে ব্যাড বানি, বিলি আইলিশ, ম্যাডোনা—এই তিন তারকার মিশ্রণে তৈরি প্লে লিস্ট। বাতাসে উড়ছে তাঁর পোশাকের পালক, আলো-ছায়ার খেলায় তৈরি হচ্ছে এক অনায়াস সৌন্দর্য। কিন্তু এই স্বাচ্ছন্দ্য সব সময় ছিল না। একসময় নিজেকেই নিজের সবচেয়ে কঠোর সমালোচক মনে করতেন তিনি।
    হ্যাথাওয়ে বলেন, ক্যারিয়ারের শুরুতে তিনি বিশ্বাস করতেন, নিজেকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করলেই তিনি ভালো শিল্পী হতে পারবেন। কিন্তু চল্লিশে পা দেওয়ার পর যেন জীবনের গিয়ার বদলে যায়। তখন আর নিখুঁত হওয়ার চাপে নয়; বরং আনন্দ খুঁজে পাওয়ার দিকেই ঝুঁকেছেন তিনি। তাঁর ভাষায়, ‘অস্বস্তিকর জীবন আর নয়, আমি এখন শুধু মজার অংশটুকু উপভোগ করতে চাই।’

    এ উপলব্ধি আসলে হ্যাথাওয়ের দীর্ঘ ক্যারিয়ারেরই ফল। ২০০১ সালে ‘দ্য প্রিন্সেস ডায়েরিজ’-এর মাধ্যমে বড় পর্দায় যাত্রা শুরু। এরপর ‘ব্রোকব্যাক মাউন্টেন’, ‘বিকামিং জেইন’-এর মতো শিল্পধর্মী সিনেমা থেকে শুরু করে ‘এলিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড’ কিংবা ‘লা মিজারেবলস’—সব জায়গাতেই নিজের ছাপ রেখেছেন তিনি। ‘লা মিজারেবলস’-এর জন্য জিতেছেন অস্কারও।

    ২০২৬ সালটা হ্যাথাওয়ের জন্য বিশেষ ব্যস্ততার। এক বছরে মুক্তি পাচ্ছে তাঁর পাঁচটি সিনেমা, যার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ‘দ্য ডেভিল ওয়ারস প্রাডা ২’। প্রায় দুই দশক পর আবারও অ্যান্ডি স্যাকস চরিত্রে ফেরা, এ যেন নস্টালজিয়া আর নতুন অভিজ্ঞতার এক মিশেল। তাঁর সঙ্গে ফিরেছেন আগের সহশিল্পীরাও—মেরিল স্ট্রিপ, এমিলি ব্লান্ট ও স্ট্যানলি টুচি। হ্যাথাওয়ের ভাষায়, এই পুনর্মিলন ছিল ‘আনন্দে ভরা, সুন্দর একটি অভিজ্ঞতা’।

    [caption id="attachment_272132" align="alignnone" width="582"] অ্যান হ্যাথওয়ে। এএফপি[/caption]

    ব্যক্তিগত জীবনে হ্যাথাওয়ে কৃতিত্ব দেন তাঁর স্বামী অ্যাডাম শুলমানকে। ১৩ বছরের দাম্পত্য জীবন, দুই সন্তান—সব মিলিয়ে তিনি তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় ভরসা। হ্যাথাওয়ে স্বীকার করেন, এত সাফল্যের পরও জীবনে একটা ‘অবিরাম লড়াই’ থেকে যায়। কিন্তু সেই লড়াইটাকেই তিনি ভালোবাসেন।

    সৌন্দর্য সম্পর্কে হ্যাথাওয়ের দৃষ্টিভঙ্গিও আলাদা। তাঁর মতে, ‘সৌন্দর্যের ভেতরে কুৎসিততাও থাকতে পারে, যদি সেখানে সত্য থাকে।’ এ সংজ্ঞা যেন তাঁর নিজের জীবনকেই প্রতিফলিত করে, যেখানে অপূর্ণতা লুকিয়ে না রেখে বরং তাকে গ্রহণ করেই এগিয়ে গেছেন তিনি।

    [caption id="attachment_272131" align="alignnone" width="587"] ‘দ্য ডেভিল ওয়ারস প্রাডা ২’–এর প্রিমিয়ারের অ্যান হ্যাথওয়ে। এএফপি[/caption]

    শৈশব থেকেই অভিনয়ের প্রতি হ্যাথাওয়ের আগ্রহ। মাত্র তিন বছর বয়সে মঞ্চে মায়ের অভিনয় দেখে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তিনিও একদিন অভিনেত্রী হবেন। তবে পথটা সহজ ছিল না। কৈশোর থেকে ত্রিশের শেষ পর্যন্ত তিনি নিজেকে অস্বস্তিকর অবস্থার মধ্যেই দেখেছেন। এমনকি কথা বলতেও তাঁর অসুবিধা হতো।

    ক্যারিয়ারের শুরুতে সৌন্দর্য নিয়েও ছিল নানা বিভ্রান্তি। কীভাবে নিজের চুল বা লুক ঠিক করতে হবে, এই ‘ভাষা’ বুঝতেই হ্যাথাওয়ের এক দশক লেগে গেছে। এখন অবশ্য তিনি জানেন, নিজের পছন্দ বোঝাতে হলে কল্পনার চেয়ে ছবিই বেশি কার্যকর।

    ‘দ্য ডেভিল ওয়াররস প্রাডা’র অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে হ্যাথাওয়ে বলেন, সেটি ছিল তাঁর জীবনের অন্যতম মজার সময়। যদিও তখন তিনি চাপ আর উদ্বেগে ছিলেন, তবু সহশিল্পীদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাঁকে আজও আনন্দ দেয়। বিশেষ করে মেরিল স্ট্রিপের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা অপরিসীম, যিনি সব সময় নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করতে চান।

    [caption id="attachment_272130" align="alignnone" width="587"] অ্যান হ্যাথওয়ে। এএফপি[/caption]

    বয়স বাড়া নিয়েও হ্যাথাওয়ের দৃষ্টিভঙ্গি বদলেছে। চল্লিশের পর তিনি বুঝেছেন, জীবনের উত্থান-পতনকে একটু দূরত্ব থেকে দেখার ক্ষমতা তৈরি হয়। আগে যেখানে ছোট ঘটনাও বড় মনে হতো, এখন তিনি অনেক বেশি শান্ত ও স্থির।

    নিজের সৌন্দর্যচর্চা নিয়েও হ্যাথাওয়ের সহজ স্বীকারোক্তি আছে। ভালো কিছু খুঁজে নেওয়া—এটাকেই তিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। তাঁর মতে, ‘খারাপ পরিবেশ খুব নিষ্ঠুর। এটা ভেতরে নেতিবাচকতা তৈরি করে।’ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

    পিপল ডটকম অবলম্বনে

  • বিসিএল আকবর-প্রিতমের সেঞ্চুরির দিনে মুশফিকের ফিফটি

    আবু হায়দার সেঞ্চুরি পাননি, সেঞ্চুরি পাননি ১৪৭ রানের সপ্তম উইকেট জুটিতে তাঁর সঙ্গী আশিকুর রহমানও। বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) দ্বিতীয় দিনটা তবু সেঞ্চুরিশূন্য থাকেনি। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের একাডেমি মাঠে সেঞ্চুরি পেয়েছেন উত্তরাঞ্চলের প্রিতম কুমার ও আকবর আলী। দক্ষিণাঞ্চলের বিপক্ষে উত্তরের অধিনায়ক আকবর ১২১ রানের আউট হয়ে গেলেও ১৫১ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন উইকেটকিপার প্রিতম কুমার।

    গতকাল ম্যাচের প্রথম দিনে দক্ষিণকে ৩১৪ রানে অলআউট করে উত্তর। বিনা উইকেটে ১৬ রান তুলে প্রথম দিন শেষ করা উত্তর দ্বিতীয় দিনটা শেষে করেছে ৬ উইকেটে ৩৭৯ রান তুলে। দলটি এগিয়ে ৬৫ রানে।

    আজ দিনের তৃতীয় ওভারে উত্তরাঞ্চল ২৮ রানে হারায় প্রথম উইকেট। ৫৩ রান তুলতেই আরও ২ উইকেট হারানো দলকে উদ্ধার করে প্রিতম ও আকবরের ২৩৩ রানের চতুর্থ উইকেট জুটি। ১৫৮ বলে ১৫ চার ও ২ ছক্কায় ১২১ রান করা আকবরকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন সামীউন বাসির। বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি তৃতীয় সেঞ্চুরি।

    প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে পঞ্চম সেঞ্চুরির পর উত্তরাঞ্চলের প্রিতম কুমারের উদ্‌যাপনটা হলো দেখার মতো
    প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে পঞ্চম সেঞ্চুরির পর উত্তরাঞ্চলের প্রিতম কুমারের উদ্‌যাপনটা হলো দেখার মতো, বিসিবি
     

    চারে নামা প্রিতম পেয়েছেন এই সংস্করণে নিজের পঞ্চম সেঞ্চুরি। ১৮৪ বলে খেলা অপরাজিত ১৫১ রানের ইনিংসটি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ২৪ বছর বয়সী প্রিতমের সর্বোচ্চ ইনিংসও। তাঁর আগের সর্বোচ্চ ১৪৩, গত নভেম্বরে সর্বশেষ জাতীয় লিগে রাজশাহী বিভাগের হয়ে সিলেট বিভাগের বিপক্ষে। এ মৌসুমে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রিতমের এটি তৃতীয় সেঞ্চুরি।

    পাশের আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ৯০ রান নিয়ে দিন শুরু করা মধ্যাঞ্চলের আবু হায়দার ফেরেন আর কোনো রান যোগ না করেই। বাংলাদেশ টেস্ট দলের পেসার খালেদ আহমেদের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন হায়দার। ৭৫ রান নিয়ে দিন শুরু করা আশিকুর ফিরেছেন ৮৬ রানে। পেসার ইবাদত হোসেনের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন তিনিও। ৬ উইকেটে ২৭২ রান নিয়ে দিন শুরু করা মধ্যাঞ্চল অলআউট ৩০৭ রানে। ৫৪ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন ইবাদত।

    ফিফটি পেয়েছেন পূর্বাঞ্চলের অমিত হাসান ও মুশফিকুর রহিম
    ফিফটি পেয়েছেন পূর্বাঞ্চলের অমিত হাসান ও মুশফিকুর রহিম, বিসিবি
     

    প্রতিপক্ষ পূর্বাঞ্চল দিন শেষ করেছে ৩ উইকেটে ২৪৩ রান তুলে। উইকেটকিপার অমিত হাসান ৮৮ রানে ও জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ৫৯ রানে অপরাজিত আছেন। ফিফটি পেয়েছেন দলটির ওপেনার মাহমুদুল হাসানও, করেছেন ৬৪ রান।

  • বিসিবির অ্যাডহক কমিটিতে ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নবগঠিত অ্যাডহক কমিটিতে একমাত্র নারী সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ঘোষিত এই কমিটির প্রধান লক্ষ্য আগামী তিন মাসের মধ্যে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে বোর্ডের নতুন নেতৃত্ব গঠন করা।

    নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত বিসিবির কার্যক্রম পরিচালিত হবে এই আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে। অন্তর্বর্তীকালীন এই সময়ে বোর্ডের প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারণী দায়িত্ব পালন করবেন কমিটির সদস্যরা।

    ক্রীড়াঙ্গনে নারীর অংশগ্রহণ এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতার প্রশ্নে রাশনা ইমামের অন্তর্ভুক্তিকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি পেশাগত জীবনে দেশের সুপ্রিম কোর্টের একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এবং স্বনামধন্য ল’ ফার্ম ‘আখতার ইমাম অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস’-এর ম্যানেজিং পার্টনার।

    রাশনা ইমাম প্রখ্যাত আইনজীবী ব্যারিস্টার আখতার ইমামের কন্যা। তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন এবং ২০০২ সালে লন্ডন থেকে ব্যারিস্টারি সম্পন্ন করেন।

    আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও রয়েছে তার সমৃদ্ধ কর্মঅভিজ্ঞতা। তিনি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ল’ ফার্ম ‘বেকার অ্যান্ড ম্যাকেঞ্জি’র লন্ডন অফিসে কোম্পানি ও বাণিজ্যিক আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়া বিশ্বখ্যাত মিত্তাল গ্রুপ এবং শিন্ডলার ইলেকট্রিকের মতো প্রতিষ্ঠানের আইনি প্রতিনিধিত্ব করার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার।

    সামাজিক কর্মকাণ্ড ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট মামলায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৮ সালে তিনি বাংলাদেশ থেকে ‘এশিয়া ইয়াং লিডার’ হিসেবে মনোনীত হন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন বড় শিল্পগোষ্ঠী ও বহুজাতিক কোম্পানিকে নিয়মিত আইনি পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

    ব্যক্তিগত জীবনে রাশনা ইমাম এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ-এর স্ত্রী। বিসিবির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তার অন্তর্ভুক্তি দেশের নারী ক্রিকেটের উন্নয়ন, প্রশাসনিক জবাবদিহি এবং বোর্ডের কাঠামোগত স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে ক্রীড়াসংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।

     

  • বিসিবির আরও এক পরিচালকের পদত্যাগ

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) জমা পড়ল আর এক পরিচালকের পদত্যাগপত্র। আজ সভাপতি আমিনুল ইসলাম বরাবর পদত্যাগপত্র দিয়েছে ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মনোনীত এই পরিচালক বিসিবির লজিস্টিকস অ্যান্ড প্রটোকল কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন।

    পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার খবর নিশ্চিত করেছেন ইয়াসির। এ নিয়ে বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের তিনজন পদত্যাগ করলেন। এর আগে ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে নির্বাচিত হওয়া ইশতিয়াক সাদেক ও আমজাদ হোসেন ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। পদত্যাগপত্রে একই কারণের কথা উল্লেখ করেছেন ইয়াসিরও।

    গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, বিসিবির ২৫ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদে এনএসসি মনোনীত দুজন পরিচালক থাকেন। গত অক্টোবরে সর্বশেষ নির্বাচনের পর ইয়াসির ও রুবাবা দৌলাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল।

    ইয়াসির আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে মুঠোফোনে বলেন, ‘একদমই ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করেছি। এখানে এর চেয়ে বেশি কিছু নেই।’ তাঁকে মনোনয়ন দিয়েছে যে সংস্থা, সেই এনএসসি বিষয়টি জানে কি না, জিজ্ঞাসা করলে বলেন, ‘এখনো জানাইনি।’

    বিসিবিতে লজিস্টিকস কমিটির প্রধান হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতা জানতে চাইলে ইয়াসিরের জবাব, ‘ভালো। অনেক কিছু শিখেছি।’ এ সময় তিনি জানান, সুযোগ পেলে আবার বিসিবি পরিচালকের দায়িত্বে ফিরতে পারেন।

    গত বছরের অক্টোবরে বিসিবি পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে অস্বচ্ছতা ও অনিয়মের অভিযোগে গত ১১ মার্চ পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা রয়েছে তাদের। এর মধ্যেই সরে দাঁড়ালেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে মনোনীত পরিচালক ইয়াসির।

    বিসিবি অবশ্য আগের দুই পরিচালকের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়নি বলে জানিয়েছে।

  • বিসিবির এডহক কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ১১ সদস্যের এডহক কমিটির বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। আবেদনে এই কমিটিকে অবৈধ ঘোষণা করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়াসহ মোট সাতজন আইনজীবী এ রিটটি দাখিল করেন।

    এর আগে গত ৭ এপ্রিল তিন মাসের জন্য একটি অন্তর্বর্তীকালীন এডহক কমিটি গঠন করা হয়, যেখানে সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয় জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে।

    এই কমিটিতে আরও আছেন রাশনা ইমাম, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ, ইসরাফিল খসরু, মিনহাজুল আবেদীন, আতহার আলী খান, তানজিল চৌধুরি, সালমান ইস্পাহানি, রফিকুল ইসলাম বাবু এবং ফাহিম সিনহা।

    এদিকে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ জানিয়েছে, তাদের গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই এই এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটি সাময়িকভাবে বিসিবির সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলে জানানো হয়।

     

  • বিসিবির মিডিয়া কমিটির নতুন চেয়ারম্যান মোখছেদুল কামাল

    পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ছুটির আবহের মধ্যেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) এসেছে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পরিবর্তন। বোর্ডের মিডিয়া কমিটির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোখছেদুল কামাল বাবু।

    এর আগে, তিনি একই কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পাশাপাশি বর্তমানে বিসিবির ওয়েলফেয়ার কমিটির দায়িত্বেও রয়েছেন তিনি। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার মাধ্যমে বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ এই কমিটির নেতৃত্বে আসলেন তিনি।

    অন্যদিকে, গত বছরের অক্টোবর থেকে মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন আমজাদ হোসেন। রোববার সন্ধ্যায় তাকে সরিয়ে মোখছেদুল কামাল বাবুকে এই পদে বসানো হয়। তবে ঠিক কী কারণে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, আমজাদ হোসেনকে গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

    এদিকে, এতদিন গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির দায়িত্বে থাকা হাবিবুল বাশার সুমন নতুন করে বিসিবির প্রধান নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন। তার সঙ্গে সহকারী নির্বাচক হিসেবে যুক্ত হতে পারেন নাঈম ইসলাম।

    উল্লেখ্য, ঈদের আগে ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয় পায় বাংলাদেশ। সিরিজের শেষ ম্যাচের পর বিদায় নেন প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ লিপু, যদিও চলতি মাসের শেষ পর্যন্ত তার সঙ্গে বিসিবির চুক্তির মেয়াদ রয়েছে। একই সময়ে নতুন নির্বাচক নিয়োগের প্রক্রিয়াও এগিয়ে নিচ্ছে বোর্ড। 

     

  • বিসিবির সভাপতি হয়ে যে প্রতিশ্রুতি দিলেন তামিম

    ঢাকা

  • বিয়ে করলেন লুবাবা?—ফেসবুক পোস্টে ইঙ্গিত

    আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও  অভিনেত্রী,মডেল সিমরিন লুবাবার বিয়ে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে  আলোচনা চলছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে নিজের ফেসবুক পোস্টে একটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। দুইটি আত্মা, এক কিবলা। দুনিয়া এবং আখিরাতের জন্য। আল্লাহ আমাকে একজন দ্বীন শেখার সঙ্গী উপহার দিয়েছেন।’—এই পোস্ট থেকেই মূলত বিয়ের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। এটি লুবাবার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট।

    তবে লুবাবার বিয়ের বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তাঁর মা জাহিদা ইসলাম। পারিবারিক সূত্র থেকেও নির্দিষ্টভাবে বিয়ের তথ্য নিশ্চিত করা যায়নি।

    লুবাবার পোস্টে একটি ছবি থাকলেও সেখানে বর–কনের চেহারা স্পষ্ট নয়। পাত্রের পরিচয় নিয়েও তিনি কিছু জানাননি। ফলে কে তাঁর জীবনসঙ্গী—এ নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন মাধ্যমে পাত্রকে বিদেশপ্রবাসী বা আলেম বলে দাবি করা হলেও এসব তথ্যের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের দাবিকে ঘিরে চলছে নানা ধরনের তথ্য ও গুঞ্জন। কেউ বলছেন, আগেই নীরবে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে, আবার কেউ বলছেন, এটি কেবল ব্যক্তিগত জীবনের নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত। তবে এসব দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

    সিমরিন লুবাবা
    সিমরিন লুবাবা, ফেসবুক থেকে

    সিমরিন লুবাবা ছোটবেলা থেকেই মিডিয়ায় পরিচিত মুখ। প্রয়াত অভিনেতা আবদুল কাদেরের নাতনি হিসেবে খুব অল্প বয়সেই অভিনয়ে আসেন। শিশুশিল্পী হিসেবে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর নিয়মিত অভিনয় ও মডেলিংয়ে কাজ করেছেন।

    লুবাবা ও অভিনেতা আবদুল কাদের
    লুবাবা ও অভিনেতা আবদুল কাদের
     

    তবে গত বছরের শেষ দিকে হঠাৎ করেই বিনোদনজগৎ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। পরে  জানান, তিনি আর প্রকাশ্যে আসবেন না। তাঁর মা তখন বলেছিলেন, ধর্মীয় অনুশীলনের দিকেই ঝুঁকেছেন লুবাবা এবং জীবনধারায় পরিবর্তন আনতে চান।

    সেই পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় এবার তাঁর ব্যক্তিজীবন নিয়েও নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে বিয়ে হয়েছে—এমনটি নিশ্চিতভাবে বলার মতো কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব