• Colors: Green Color

বিশ্বকাপ মানে শুধু মাঠের ৯০ মিনিটের লড়াই নয়, গ্যালারির আবেগ, রং আর উৎসবও। ব্রাজিল ও হাইতির ম্যাচ ঘিরে ফিলাডেলফিয়ার স্টেডিয়াম এলাকায় দেখা গেল সেই চিরচেনা বিশ্বকাপ-উন্মাদনা। হলুদ-সবুজ জার্সি, মুখে-শরীরে রং, অভিনব সাজপোশাক আর প্রিয় দলের পক্ষে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠেন সমর্থকেরা। ব্রাজিলের ভক্তদের উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি নিজেদের দলকে সমর্থন জানাতে হাজির হন হাইতির সমর্থকেরাও। মাঠে খেলা শুরুর আগেই সমর্থকদের আবেগ, প্রত্যাশা আর উৎসবের রঙে জমে ওঠে ফিলাডেলফিয়া। এসব নিয়েই এই ছবির গল্প।

ব্রাজিলের রঙে সাজানো মোজা ও জুতা পরে ম্যাচ শুরুর অপেক্ষায় এক সমর্থক। ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ১৯ জুন ২০২৬
ব্রাজিলের রঙে সাজানো মোজা ও জুতা পরে ম্যাচ শুরুর অপেক্ষায় এক সমর্থক। ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ১৯ জুন ২০২৬ছবি: এএফপি
ব্রাজিল–হাইতি ম্যাচ দেখতে স্টেডিয়ামে আসছেন ব্রাজিলের সমর্থকেরা। ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ১৯ জুন ২০২৬
ব্রাজিল–হাইতি ম্যাচ দেখতে স্টেডিয়ামে আসছেন ব্রাজিলের সমর্থকেরা। ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ১৯ জুন ২০২৬, ছবি: এএফপি
 
ম্যাচের আগে স্টেডিয়ামে পৌঁছাচ্ছেন ব্রাজিলের খেলোয়াড় লিওনার্দো নানেত্তি। ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ১৯ জুন ২০২৬
ম্যাচের আগে স্টেডিয়ামে পৌঁছাচ্ছেন ব্রাজিলের খেলোয়াড় লিওনার্দো নানেত্তি। ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ১৯ জুন ২০২৬ছবি: রয়টার্স
স্টেডিয়ামে ঢোকার আগে স্মৃতি ধরে রাখতে সেলফি তুলছেন দুই ব্রাজিল সমর্থক। ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ১৯ জুন ২০২৬
স্টেডিয়ামে ঢোকার আগে স্মৃতি ধরে রাখতে সেলফি তুলছেন দুই ব্রাজিল সমর্থক। ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ১৯ জুন ২০২৬ছবি: এএফপি
ম্যাচ শুরুর আগে গ্যালারিতে ব্রাজিলের সমর্থকেরা। ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ১৯ জুন ২০২৬
ম্যাচ শুরুর আগে গ্যালারিতে ব্রাজিলের সমর্থকেরা। ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ১৯ জুন ২০২৬ছবি: রয়টার্স
প্রিয় দলের সমর্থনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন ব্রাজিলের সমর্থকেরা। ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ১৯ জুন ২০২৬
প্রিয় দলের সমর্থনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন ব্রাজিলের সমর্থকেরা। ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ১৯ জুন ২০২৬ছবি: এএফপি
স্ট্যাচু অব লিবার্টির আদলে সাজপোশাক পরে নজর কাড়েন এই ব্রাজিল সমর্থক। ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ১৯ জুন ২০২৬
স্ট্যাচু অব লিবার্টির আদলে সাজপোশাক পরে নজর কাড়েন এই ব্রাজিল সমর্থক। ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ১৯ জুন ২০২৬ছবি: এএফপি
হাইতির পক্ষে সমর্থন জানাচ্ছেন এই সমর্থক। ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ১৯ জুন ২০২৬
হাইতির পক্ষে সমর্থন জানাচ্ছেন এই সমর্থক। ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ১৯ জুন ২০২৬ছবি: এএফপি
প্রিয় দল ব্রাজিলের সমর্থনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন এক নারী সমর্থক। ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে ব্রাজিল–হাইতি ম্যাচ শুরুর আগে তোলা ছবি। ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ১৯ জুন ২০২৬
প্রিয় দল ব্রাজিলের সমর্থনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন এক নারী সমর্থক। ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে ব্রাজিল–হাইতি ম্যাচ শুরুর আগে তোলা ছবি। ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ১৯ জুন ২০২৬ছবি: এএফপি
ব্রাজিলের সঙ্গে ম্যাচ শুরুর আগে গ্যালারিতে হাইতির সমর্থকদের উচ্ছ্বাস। ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ১৯ জুন ২০২৬
ব্রাজিলের সঙ্গে ম্যাচ শুরুর আগে গ্যালারিতে হাইতির সমর্থকদের উচ্ছ্বাস। ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ১৯ জুন ২০২৬ছবি: এএফপি
প্রিয় দলের সমর্থনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন হাইতির এই সমর্থকে। ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ১৯ জুন ২০২৬।
প্রিয় দলের সমর্থনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন হাইতির এই সমর্থকে। ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ১৯ জুন ২০২৬।ছবি: এএফপি

হাইতিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে জয়ে ফিরেছে ব্রাজিল। এই জয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষেও উঠে গেছে দলটি। ম্যাচ শেষে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় ব্রাজিল ‘ভালো খেলেছে’ বলে মন্তব্য করেছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ড্র করার পর দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্সে উন্নতি হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

ফিলাডেলফিয়ায় হাইতির বিপক্ষে ম্যাচের পর আনচেলত্তি মিক্সড জোনে বলেন, ‘প্রথমার্ধে আমরা ভালো খেলেছি। আমাদের খেলার মান বেড়েছে, তীব্রতা বেড়েছে। আর আক্রমণেও আমরা আগের ম্যাচের চেয়ে আরও বেশি নির্ভুল ছিলাম। যাই হোক, আজ আমরা উন্নতি করেছি। পরের ম্যাচে আমাদের আরও উন্নতি করতে হবে।’

[caption id="attachment_276789" align="alignnone" width="852"] ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি, এএফপি[/caption]

ব্রাজিলের হয়ে জোড়া গোল করেছেন মাতেউস কুনিয়া। অন্য গোলটি ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের। তবে তিনটি গোলই এসেছে প্রথমার্ধে। দ্বিতীয়ার্ধে আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও সে সব কাজে লাগানো যায়নি।

তবে মোটের ওপর দলের আক্রমণভাগের পারফরম্যান্স নিয়েই সন্তুষ্টিই প্রকাশ করেছেন ব্রাজিল কোচ, ‘আমার মনে হয়, আক্রমণভাগে আমাদের সমন্বয় ভালো ছিল। ওরা ঠিকঠাকই খেলেছে। আমাদের সামনে সব সময় (হাইতির) পাঁচজন খেলোয়াড় ছিল। আমার মনে হয়, আমরা ভালো খেলেছি।’

ব্রাজিল গ্রুপ পর্বে শেষ ম্যাচটি খেলবে ২৫ জুন স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে।

প্যারাগুয়ে ১ : ০ তুরস্ক (ফুল টাইম)

ম্যাচের অর্ধেকের বেশি সময় একজন কম নিয়ে খেলেও তুরস্ককে ১–০ গোলে হারিয়েছে প্যারাগুয়ে। এই জয়ে নকআউটে ওঠার সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখল লাতিন আমেরিকার দলটি।

বিপরীতে, টানা দুই ম্যাচ হেরেছে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে তুরস্কের। প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ২–০ গোলে হেরেছিল তারা।

আজ সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া স্টেডিয়ামে ম্যাচের ৬৫ সেকেন্ডেই প্যারাগুয়ে এগিয়ে যায় মাতিয়াস গালারজার গোলে। এরপর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে আলমিরন লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লেও দলটি তুরস্ককে সমতা আনতে দেয়নি।

প্রথমার্ধে প্যারাগুয়ে ১–০ গোলে এগিয়ে

প্যারাগুয়ে–তুরস্ক ম্যাচে প্রথমার্ধের শেষ দিকে দুই দলই খেলেছে গতিময় ফুটবল। আক্রমণে, প্রতি–আক্রমণে সুযোগ তৈরির চেষ্টা করেছে দুই দলই। এর মধ্যেই মের্ত মুলদুরকে মুখ ঢেকে কিছু একটা বলে লাল কার্ড দেখেছেন প্যারাগুয়ের মিগুয়েল আলমিরন। ফিফার নতুন নিয়মে এটিই প্রথম লাল কার্ড।

এর আগে কিক অফ বাঁশির মাত্র ৬৫ সেকেন্ডেই গোল করে প্যারাগুয়েকে এগিয়ে দেন মাতিয়াস গালারজা। প্রথম ৪৫ মিনিটের খেলা শেষেও দলটি সেই ব্যবধানেই এগিয়ে। যদিও এই মুহূর্তে দলটি ১০ জনের।

আলমিরনের লাল কার্ড

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ১০ জনের দল হয়ে পড়ল প্যারাগুয়ে। লাল কার্ড দেখেছেন মিডফিল্ডার মিগুয়েল আলমিরন। মুখ ঢেকে মের্ত মুলদুরকে কিছু একটা বলেছেন তিনি। ফিফার নতুন নিয়ম অনুযায়ী রেফারি তা ভিএআরে চেক করেন। এরপর দেখান লাল কার্ড।

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ড্র করেছিল ব্রাজিল। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতিকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে দুর্দান্ত কামব্যাক করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। 

শনিবার (২০ জুন) বাংলাদেশ সময় সকালে হাইতিকে ৩-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে সেলেসাওরা। এদিন শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েই জোড়া গোল করেছেন কুনহা। অন্য একটি গোল করেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

এদিন ম্যাচের ১২ মিনিটের মাথায় জালে বল পাঠিয়েছিল ব্রাজিল। কিন্তু রাফিনিয়ার সেই গোল অফসাইডের কারণে বাতিল করেন রেফারি। ২২ মিনিটে আবারও সুযোগ পেয়েছিল ব্রাজিল। 

ডান দিক থেকে থ্রু পাস পেয়ে হাইতির গোলরক্ষককে একা পেয়েও অবিশ্বাস্যভাবে মিস করেন রাফিনিয়া। চিপ করলেও ফাঁকা জালে বল পাঠাতে পারেননি বার্সেলোনার এই ফরোয়ার্ড।

পরের মিনিটেই অবশ্য গোলের দেখা পায় ব্রাজিল। থিয়াগোর জায়গায় দলে ঢোকা মাতেউস কুনহা লিড এনে দেন। ডান প্রান্ত থেকে শট নিয়েছিলেন ভিনিসিয়ুস। হাইতির গোলকিপার জন প্লেসিড শট ঠেকিয়ে দিলেও জটলার মধ্যে বল পেয়ে জালে পাঠান কুনহা। 

৩৬ মিনিটে আবারও কুনহা গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ব্রাজিল। দারুণ এক মুভে আক্রমণের শুরুটা করেন ভিনিসিয়ুস। দৌড়ে বল নিয়ে এগিয়ে বাঁয়ে কুনিয়াকে ডিফেন্সচেরা পাস বাড়ান ভিনি। 

সেখান থেকে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই ফরোয়ার্ড। দ্বিতীয় গোলের পরই ধাক্কা খায় ব্রাজিল। চোটের কারণে মাঠের বাইরে চলে যান রাফিনিয়া। বার্সেলোনা ফরোয়ার্ডের বদলি হিসেবে নামেন রায়ান।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে গোল করেন ভিনিসিয়ুস। হাইতির গোলরক্ষক জন প্লাসিডকে একা পেয়ে তার দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে পাঠান রিয়াল মাদ্রিদের এই উইঙ্গার। এতে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ব্রাজিল।

দ্বিতীয়ার্ধে নিজের বেঞ্চ পরীক্ষা করেন আনচেলত্তি। মূল একাদশের খেলোয়াড়দের মাঠে নামান তিনি। কিছু আক্রমণ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি ব্রাজিল। তবে মাঠে নেমে বল জালে জড়িয়েছিলেন এন্দ্রিক। কিন্তু অফসাইডে বাদ হয় সেই গোল। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সেলেসাওরা।

 

১৯৭ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিল বাংলাদেশ। ৩ ওভারেই ৪২ রান তুলে ফেলেছিলেন দুই ওপেনার। কিন্তু তখনো লম্বা পথ বাকি। ওই পথ পাড়ি দিতে গিয়ে বাংলাদেশ অনেকটা সময় ম্যাচেও ছিল। কিন্তু শেষটা হয়েছে ৭ রানের হারে, যে হারে এক ম্যাচ বাকি থাকতে অস্ট্রেলিয়ার কাছে তিন ম্যাচের টি–টুয়েন্টি সিরিজও হেরে গেছে বাংলাদেশ দল।

চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে আজ শেষ ৩ বলে ১৮ রানের সমীকরণ দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশের সামনে। চোটে পড়া লিটন দাসের অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয় প্রথম বলেই ছক্কা মেরে আশা দেখান। কিন্তু পরের বলে চার মেরে ইনিংসের শেষ বলে তিনি ক্যাচ দেন বাউন্ডারি লাইনের কাছে।

ঢাকায় ওয়ানডে সিরিজ হারলেও টি–টুয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচই জিতে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে অস্ট্রেলিয়া। আগামী পরশু সিরিজের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল।

ব্যাটিংয়ের মতো বল হাতেও আজ বাংলাদেশ শুরুটা ভালো করেছিল। শরীফুল ইসলামের বদলে নাহিদ রানা আর মেহেদী হাসানের জায়গায় সুযোগ পান নাসুম আহমেদ। দুজনেই ইনিংসের ৪ ওভার পেরোনোর আগে উইকেটও পেয়েছেন।

১১ বলে ৬ রান করা জশ ইংলিসকে এলবিডব্লু করেন নাসুম, ফর্মে থাকা কুপার কনোলি ৪ বলে ১ রান করে আউট হন নাহিদের বলে ক্যাচ দিয়ে। পাওয়ার–প্লের মধ্যেই আরও একটা উইকেটও পেয়ে যায় বাংলাদেশ। সাইফ হাসানের দুর্দান্ত এক ক্যাচে মোস্তাফিজুর রহমানের বলে আউট হন মিচেল মার্শ।

৬ ওভার শেষে ৩ উইকেটে অস্ট্রেলিয়ার রান ছিল ৪৩। ওখান থেকেই তাদের হাল ধরেন ম্যাট রেনশ ও টিম ডেভিড। চতুর্থ উইকেটে দুজনের জুটিতে ৫০ বলে আসে ৯৭ রান। ২৬ বলে ৪৫ রান করে ডেভিড আউট হলেও শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন রেনশ। ৪ চার ও ৫ ছক্কায় তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে ৫২ বলে ৮৯ রান।

ম্যাচটা জেতাতে পারেননি হৃদয়
ম্যাচটা জেতাতে পারেননি হৃদয়
 

বড় রান তাড়া করতে নেমে তানজিদ ঝোড়ো শুরু করে ভিতটা তৈরি করে দিয়েছিলেন ঠিকঠাক। কিন্তু ইনিংস বেশি লম্বা করতে পারেননি। ৪ চার ও ১ ছক্কায় ১৫ বলে ৩০ রান করে আউট হয়ে যান রেনশর বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ তুলে দিয়ে।

তিনে নামা সৌম্য ৯ বলে ১৫ রান করে আউট হন। তবে তখনো দলকে পথ হারাতে দেননি সাইফ হাসান ও পারভেজ। শুরুটা একটু ধীর হলেও পরে তা কিছুটা পুষিয়ে দিয়েছিলেন সাইফ।

এই দুজনের জুটিতে ৩৬ বলে আসে ৫৩ রান। কিন্তু অ্যারন হার্ডির বলে পারভেজ ২২ বলে ৩৬ ও সাইফ ৩৩ বলে ৪২ রান করে আউট হয়ে যান। এরপর বাকি পথটা আর পাড়ি দিতে পারেনি বাংলাদেশ।

শামীম হোসেন ৮ বলে ৭ রান করে আউট হয়ে যাওয়ার পর হৃদয়ের সঙ্গী হন আগের ম্যাচেই অভিষেক হওয়া আব্দুল গাফফার। কিন্তু তারা রানের গতির সঙ্গে ঠিকঠাক পাল্লা দিতে পারেননি।

গাফফার শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকেছেন ১১ বলে ১৩ রান করে। শেষ দিকে কয়েকটি বাউন্ডারি মেরে স্ট্রাইক রেট ভালো করলেও হৃদয়ের রান এক পর্যায়ে ছিল ১৬ বলে ১৭। সেখান থেকে বাংলাদেশকে ম্যাচ জেতানোর কঠিন কাজটা করতে পারেননি গাফফার ও সাকলাইন।

১৯৭ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিল বাংলাদেশ। ৩ ওভারেই ৪২ রান তুলে ফেলেছিলেন দুই ওপেনার। কিন্তু তখনো লম্বা পথ বাকি। ওই পথ পাড়ি দিতে গিয়ে বাংলাদেশ অনেকটা সময় ম্যাচেও ছিল। কিন্তু শেষটা হয়েছে ৭ রানের হারে, যে হারে এক ম্যাচ বাকি থাকতে অস্ট্রেলিয়ার কাছে তিন ম্যাচের টি–টুয়েন্টি সিরিজও হেরে গেছে বাংলাদেশ দল।

চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে আজ শেষ ৩ বলে ১৮ রানের সমীকরণ দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশের সামনে। চোটে পড়া লিটন দাসের অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয় প্রথম বলেই ছক্কা মেরে আশা দেখান। কিন্তু পরের বলে চার মেরে ইনিংসের শেষ বলে তিনি ক্যাচ দেন বাউন্ডারি লাইনের কাছে।

ঢাকায় ওয়ানডে সিরিজ হারলেও টি–টুয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচই জিতে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে অস্ট্রেলিয়া। আগামী পরশু সিরিজের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল।

ব্যাটিংয়ের মতো বল হাতেও আজ বাংলাদেশ শুরুটা ভালো করেছিল। শরীফুল ইসলামের বদলে নাহিদ রানা আর মেহেদী হাসানের জায়গায় সুযোগ পান নাসুম আহমেদ। দুজনেই ইনিংসের ৪ ওভার পেরোনোর আগে উইকেটও পেয়েছেন।

১১ বলে ৬ রান করা জশ ইংলিসকে এলবিডব্লু করেন নাসুম, ফর্মে থাকা কুপার কনোলি ৪ বলে ১ রান করে আউট হন নাহিদের বলে ক্যাচ দিয়ে। পাওয়ার–প্লের মধ্যেই আরও একটা উইকেটও পেয়ে যায় বাংলাদেশ। সাইফ হাসানের দুর্দান্ত এক ক্যাচে মোস্তাফিজুর রহমানের বলে আউট হন মিচেল মার্শ।

৬ ওভার শেষে ৩ উইকেটে অস্ট্রেলিয়ার রান ছিল ৪৩। ওখান থেকেই তাদের হাল ধরেন ম্যাট রেনশ ও টিম ডেভিড। চতুর্থ উইকেটে দুজনের জুটিতে ৫০ বলে আসে ৯৭ রান। ২৬ বলে ৪৫ রান করে ডেভিড আউট হলেও শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন রেনশ। ৪ চার ও ৫ ছক্কায় তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে ৫২ বলে ৮৯ রান।

ম্যাচটা জেতাতে পারেননি হৃদয়
ম্যাচটা জেতাতে পারেননি হৃদয়
 

বড় রান তাড়া করতে নেমে তানজিদ ঝোড়ো শুরু করে ভিতটা তৈরি করে দিয়েছিলেন ঠিকঠাক। কিন্তু ইনিংস বেশি লম্বা করতে পারেননি। ৪ চার ও ১ ছক্কায় ১৫ বলে ৩০ রান করে আউট হয়ে যান রেনশর বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ তুলে দিয়ে।

তিনে নামা সৌম্য ৯ বলে ১৫ রান করে আউট হন। তবে তখনো দলকে পথ হারাতে দেননি সাইফ হাসান ও পারভেজ। শুরুটা একটু ধীর হলেও পরে তা কিছুটা পুষিয়ে দিয়েছিলেন সাইফ।

এই দুজনের জুটিতে ৩৬ বলে আসে ৫৩ রান। কিন্তু অ্যারন হার্ডির বলে পারভেজ ২২ বলে ৩৬ ও সাইফ ৩৩ বলে ৪২ রান করে আউট হয়ে যান। এরপর বাকি পথটা আর পাড়ি দিতে পারেনি বাংলাদেশ।

শামীম হোসেন ৮ বলে ৭ রান করে আউট হয়ে যাওয়ার পর হৃদয়ের সঙ্গী হন আগের ম্যাচেই অভিষেক হওয়া আব্দুল গাফফার। কিন্তু তারা রানের গতির সঙ্গে ঠিকঠাক পাল্লা দিতে পারেননি।

গাফফার শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকেছেন ১১ বলে ১৩ রান করে। শেষ দিকে কয়েকটি বাউন্ডারি মেরে স্ট্রাইক রেট ভালো করলেও হৃদয়ের রান এক পর্যায়ে ছিল ১৬ বলে ১৭। সেখান থেকে বাংলাদেশকে ম্যাচ জেতানোর কঠিন কাজটা করতে পারেননি গাফফার ও সাকলাইন।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব