• শেষ মুহূর্তের গোলে স্পোর্তিংকে হারাল আর্সেনাল

    স্পোর্তিং লিসবন ০ : ১ আর্সেনাল

    চ্যাম্পিয়নস লিগে আজকের রাতটি যেন প্রতিপক্ষের মাঠে জয়ের রাত। বায়ার্ন মিউনিখ যেমন রিয়াল মাদ্রিদের মাঠে জিতেছে, তেমনি স্পোর্তিং লিসবনের মাঠে দারুণ এক জয় পেয়েছে আর্সেনাল। কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে পর্তুগিজ প্রতিপক্ষের বিপক্ষে পাওয়া ১-০ গোলের এ জয়ে সেমিফাইনালের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল আর্সেনাল। আর্সেনালের জয়ে একমাত্র গোলটি করেছেন কাই হাভার্টজ।

    স্পোর্তিং লিসবনের মাঠে প্রথমার্ধে বল দখলে এগিয়ে ছিল আর্সেনালই। কিন্তু সুযোগ তৈরিতে আর্সেনালকে ভালোভাবেই টেক্কা দিচ্ছিল লিসবন। প্রতিপক্ষের মাঠে ফিরতি লেগ বলেই হয়তো একটু বেশিই সতর্ক ছিল মিকেল আরতেতার দল। গোল করার চেয়ে ভুল না করাতেই যেন বেশি মনোযোগ ছিল তাদের।

    ফলে প্রথমার্ধে ৭০ শতাংশ বলের দখল রেখেও প্রতিপক্ষকে খুব বেশি পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি ‘গানার’রা। অন্যদিকে ঘরের মাঠে প্রথমার্ধে কেবল একটি সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে লিসবন। কিন্তু সেটি গোল আদায়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না।

    বিরতির পরও আর্সেনালের লক্ষ্য ছিল নিজেদের রক্ষণ সুরক্ষিত রাখার দিকে। তবে গোলের জন্য তারা যে চেষ্টা করছিল না, তা–ও নয়। বল দখলে কিছু ছাড় দিয়ে আক্রমণের ধার বাড়ানোর চেষ্টা করে তারা।

    সেমিফাইনালের পথে এগিয়ে গেল আর্সেনাল
    সেমিফাইনালের পথে এগিয়ে গেল আর্সেনাল, এক্স/আর্সেনাল

    যদিও গোলের জন্য আর্সেনালকে অপেক্ষা করতে হয় একেবারে ম্যাচের শেষ পর্যন্ত। ম্যাচের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির অ্যাসিস্টে গোল করে আর্সেনালকে এগিয়ে দেন বদলি নামা হাভার্টজ।

    জার্মান তারকার গোলের আগে আর্সেনালকে ম্যাচে টিকিয়ে রেখেছিলেন গোলরক্ষক ডেভিড রায়া। ম্যাচের অন্তত তিনটি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়েছেন তিনি।

    ১৫ এপ্রিল রাতে আসের্নালের মাঠ এমিরেটসে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে মুখোমুখি হবে আর্সেনাল ও স্পোর্তিং লিসবন।

  • শেষ সময়ে যেনতেন শিক্ষা আইনের চেষ্টা

    • প্রাথমিক শিক্ষা পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সীমিত রেখে সব শিশুর জন্য বাধ্যতামূলক হবে।

    • আইন কার্যকর হওয়ার তিন বা পাঁচ বছরের মধ্যে কোচিং সেন্টার, সহায়ক পুস্তক, প্রাইভেট টিউশন স্থায়ীভাবে বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া নেবে।

    ঢাকা
  • শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে রিয়ালকে হারিয়ে সেমিতে বায়ার্ন মিউনিখ

    লা লিগায় নিজেদের হারিয়ে খুঁজলেও চ্যাম্পিয়নস লিগে দুর্দান্ত ছন্দে ছিল রিয়াল মাদ্রিদ। তবে নকআউট পর্বে একের পর এক বিশ্বসেরা ক্লাবগুলোর বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে তাদের। ম্যানসিটির মতো দলকে হারাতে পারলেও বায়ার্ন মিউনিখের কাছে পরাস্ত হয়েছে লস ব্লাঙ্কোসরা।

    যার মূল কারণ গোলকিপার, থিবো কর্তোয়ার ইনজুরি পড়ায় লুনিন দলকে সেরা দিতে পারেননি। বায়ার্নের মাঠে বার বার কামব্যাক করলেও হতাশ করেছে লুনিন। তাই শেষ পর্যন্ত ঘরের মাঠে রিয়ালকে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট পেয়েছে জার্মান ক্লাবটি।

    বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় কোয়ার্টার-ফাইনালের ফিরতি লেগে ৪-৩ গোলে জিতেছে তারা। প্রথম দেখায় ২-১ ব্যবধানে জয়ী বায়ার্ন দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৪ অগ্রগামিতায় এগিয়ে গেল।

    এদিনের ম্যাচের শুরুর মিনিট থেকে গোল করে রিয়াল। প্রতিপক্ষের ভুলের সুযোগে যার শুরুটা করেন আর্দা গিলের। ম্যাচের ঘড়িতে সময় তখন ৩৫ সেকেন্ড! চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রেকর্ড চ্যাম্পিয়নদের হয়ে সবচেয়ে দ্রুততম গোলের নতুন রেকর্ড গড়লেন তুর্কি মিডফিল্ডার। পরে আরেকটি দারুণ গোল করেন তিনি। 
    ওই ধাক্কা সামলে নিতে অবশ্য একদমই দেরি করেনি বায়ার্ন। পাঁচ মিনিট পরই ম্যাচে সমতা টেনে, দুই লেগ মিলিয়ে আবার এগিয়ে যায় তারা। জসুয়া কিমিখের কর্নারে একেবারে গোলমুখে হেডে গোলটি করেন পাভলোভিচ। আয়ত্ত্বের মধ্যে হলেও, উড়ে আসা বলের গতি বুঝতে পারেননি রিয়াল গোলরক্ষক আন্দ্রি লুনিন।

    দুর্দান্ত গোলে দলকে আবার ম্যাচে এগিয়ে নেন গিলের। ডি-বক্সের বাইরে ব্রাহিম দিয়াস ফাউলের শিকার হলে ফ্রি কিক পায় রেয়াল এবং অসাধারণ বাঁকানো শটে রক্ষণ দেয়ালের ওপর দিয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন ‘তুরস্কের মেসি।’ নয়ার ঝাঁপিয়ে বলে হাত ছোঁয়ালেও আটকাতে পারেননি।

    ৩৭তম মিনিটে লুনিন আরেকটি দারুণ সেভ করলেও, পরের মিনিটে ফের গোল হজম করে রিয়াল। উপামেকানোর পাস ডি-বক্সে ফাঁকায় পেয়ে কোনাকুনি শটে মৌসুমে গোলের হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন কেইন।

    তিন মিনিট পর ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দারুণ শট গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেও, বাধা পায় ক্রসবারে। অবশ্য পরের মিনিটেই দলকে আবার এগিয়ে নেন এমবাপে। ব্রাজিলিয়ান তারকার পাস ডি-বক্সে পেয়ে প্লেসিং শটে দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৪ সমতা টানেন ফরাসি ফরোয়ার্ড।

    দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণাত্মক শুরু করে বায়ার্ন। প্রথম আট মিনিটের প্রায় পুরোটাই খেলা হয় রেয়ালের অর্ধে। এরপর পাল্টা আক্রমণে ম্যাচে প্রথম কর্নার পায় সফরকারীরা। ওই কর্নারের পর, সতীর্থের ক্রস ডি-বক্সে পেয়ে ভলি করেন এমবাপে, দারুণ ক্ষীপ্রতায় সেটা আটকে দেন নয়ার।

    একটু পর রক্ষণের দুর্বলতায় বিপদে পড়তে যাচ্ছিল রেয়াল। ডি-বক্সে ফাঁকায় বল পেয়ে যান লুইস দিয়াস, তবে শট নিতে একটা মুহূর্ত দেরি করেন তিনি, পেছন থেকে বল কেড়ে নেন ট্রেন্ট অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ড।

    ৬৮তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে শট নেন ওলিসে, কোনোমতে এক হাত দিয়ে বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে বাইরে পাঠান লুনিন। একটু পর পাল্টা আক্রমণে এমবাপের পাস ছয় গজ বক্সের বাইরে পেলেও, সুবর্ণ সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেননি ভিনিসিউস।

    নির্ধারিত সময়ের চার মিনিট বাকি থাকতে ১০ জনের দলে পরিণত হয় রেয়াল। ৬৮তম মিনিটে ব্রাহিম দিয়াসের বদলি নামার ১০ মিনিটের মাথায় প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন কামাভিঙ্গা। আর আট মিনিট পর কেইনকে অহেতুক ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন ফরাসি মিডফিল্ডার।

    এরপরই রিয়ালের সব প্রতিরোধ ভেঙে পড়ে। ৮৯তম মিনিটে দিয়াসের জোরাল শটে বল একজনের পা ছুঁয়ে একটু দিক পাল্টে জালে জড়ায়, দুই লেগ মিলিয়ে এগিয়ে যায় বায়ার্ন।

    আর চার মিনিট যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে ওলিসের গোলে রেকর্ড ১৫ বারের ইউরোপ চ্যাম্পিয়নদের সব আশা শেষ হয়ে যায়। একটু পরই বাজে শেষের বাঁশি। উল্লাসে ফেটে পড়ে বায়ার্ন শিবির। আর হতাশায় নুইয়ে পড়ে রিয়াল মাদ্রিদ।

    ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে শিরোপাধারী পিএসজির মুখোমুখি হবে জার্মান চ্যাম্পিয়নরা।

     

  • শ্রীলঙ্কার কাছে হারল বাংলাদেশের মেয়েরা

    তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে হেরে সমতায় নেমে এসেছে বাংলাদেশ নারী দল। রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শ্রীলঙ্কার কাছে ৪ উইকেটে পরাজিত হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। ফলে সিরিজ এখন ১-১ সমতায়। আগামী শনিবার অনুষ্ঠিত হবে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ম্যাচ।

    ১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় শ্রীলঙ্কা। ওপেনার হাসিনি পেরেরা ৫ রান করে বিদায় নেন। ইমেশা দুলানি করেন ৮ রান। তবে ওপেনার ও অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দলকে এগিয়ে নেন। ৩৯ বলে ৮টি চারে ৪০ রান করেন তিনি।

    ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় চতুর্থ উইকেটে হারশিথা সামারাবিক্রমা ও হানসিমা করুনারত্নের ৭৭ রানের জুটিতে। করুনারত্নে ৪০ ও সামারাবিক্রমা ৫০ রান করে আউট হলেও জয়ের ভিত গড়ে দেন তারা। কৌশানি ৪ রান করে ফেরেন। পরে কাভিশা ও নীলাক্ষী দলকে জয় এনে দিয়ে মাঠ ছাড়েন।

    বাংলাদেশের হয়ে নাহিদা আক্তার সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নেন। এছাড়া সুলতানা খাতুন ও রিতু মনি একটি করে উইকেট শিকার করেন।

    এর আগে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। কিন্তু শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে দল। মাত্র ৪ রানে জুয়াইরিয়া ফেরদৌস (২) ও শারমিন আক্তার (০) আউট হয়ে যান।

    একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করেন অধিনায়ক জ্যোতি। ১০১ বলে ৪টি চারে ৫৮ রান করে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন তিনি। শারমিন সুলতানা ২৫, স্বর্ণা আক্তার ১৬, রিতু মনি ১৭, নাহিদা আক্তার ২০ ও রাবেয়া খান ১৫ রান করে কিছুটা অবদান রাখেন। এছাড়া সোবহানা মোস্তারি ৫, মারুফা আক্তার ১ ও সুলতানা খাতুন ১ রান করেন।

    শেষ পর্যন্ত ১৬৫ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার পক্ষে অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন। এছাড়া আরও তিন বোলার দুটি করে উইকেট শিকার করেন।

     

  • শ্রীলঙ্কা–নিউজিল্যান্ড: ৬১ রানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেল শ্রীলঙ্কা

    বড় ব্যবধানে হারল শ্রীলঙ্কা

    নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৬১ রানে হারল শ্রীলঙ্কা। ঘরের মাঠে দলটি একেবারেই মুখ থুবড়ে পড়েছে। নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ১৬৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে তারা গুটিয়ে গেছে ১০৭ রানে। এই হারে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছে শ্রীলঙ্কা।

    বড় ব্যবধানে হারের ম্যাচেও একটা সময় এগিয়েই ছিল শ্রীলঙ্কা। ৮৪ রানেই নিউজিল্যান্ডের ৬ উইকেট তুলে নিয়েছিল তারা। তবে সেখান থেকে দলকে টেনে তুলেছেন দুই অলরাউন্ডার ম্যাকনকি ও স্যান্টনার। ৪৭ বলে ৮৪ রানের জুটি গড়েছেন এই দুজন।

    ৪ উইকেট নিয়েছেন রবীন্দ্র
    ৪ উইকেট নিয়েছেন রবীন্দ্র, এএফপি

    ইনিংসের শেষ বলে আউট হওয়ার আগে স্যান্টনার করেছেন ২৬ বলে ৪৭ রান। ২৩ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত ছিলেন ম্যাকনকি।

    রান তাড়ায় প্রথম বলেই উইকেট হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা। এরপর থেকে ম্যাচের কোনো পর্যায়েই ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দলটি। বল হাতে নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন রাচিন রবীন্দ্র।

    এই জয়ে নিউজিল্যান্ডের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়নি। তাদের পরের ম্যাচ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। ইংল্যান্ড প্রথম দল হিসেবে গতকাল সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর

    নিউজিল্যান্ড: ২০ ওভারে ১৬৮/৭ (স্যান্টনার ৪৭, রবীন্দ্র ৩২; তিকশানা ৩/৩০, চামিরা ৩/৩৮) শ্রীলঙ্কা: ২০ ওভারে ১০৭/৮ (কামিন্দু ৩১, ভেল্লালাগে ২৯; রবীন্দ্র ৪/২৭, ফিলিপস ১/২১) ফল: নিউজিল্যান্ড ৬১ রানে জয়ী ম্যাচসেরা: রাচিন রবীন্দ্র
  • সংকট উত্তরণে ট্যাক্স ও বিনিয়োগ বাড়াতে হবে: অর্থমন্ত্রী

    দেশের অর্থনৈতিক সংকট উত্তরণে ট্যাক্স (কর) ও দেশি–বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে ট্যাক্স বাড়াতে হবে। পাশাপাশি দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। সামনে এগুলোই অগ্রাধিকার পাবে। এ ছাড়া বাজেটে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

    আজ শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গায় প্রস্তাবিত সরকারি হাসপাতালের জন্য নির্ধারিত জমি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

    বিনিয়োগ ছাড়া কর্মসংস্থান সম্ভব নয় উল্লেখ করে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিএনপির নির্বাচনী কর্মসূচির মধ্যে কর্মসংস্থান একটি বড় কর্মসূচি। সে কারণেই সরকার দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগে জোর দিচ্ছে। আগামী বাজেটেও কর্মসংস্থান সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে। এটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    চট্টগ্রাম–১১ (বন্দর ও পতেঙ্গা) আসনের সংসদ সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, পতেঙ্গা অঞ্চলে কোনো বড় হাসপাতাল না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি হাসপাতালের দাবি রয়েছে। সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে একটি বড় জেনারেল হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে বিশেষায়িত সেবাও থাকবে। পাশাপাশি একটি নার্সিং ইনস্টিটিউট ও টেকনোলজিস্টদের জন্য আলাদা ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

    এদিন বিকেলে অর্থমন্ত্রী বানৌজা উল্কার আবাদ অঞ্চল–২–এর পশ্চিম পাশে মেরিন ড্রাইভ–সংলগ্ন মুসলিমাবাদ এলাকায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অধিগ্রহণকৃত জমি পরিদর্শন করেন। পরে পতেঙ্গায় সরকারি হাসপাতাল নির্মাণের লক্ষ্যে নৌবাহিনীর অধিগ্রহণ করা ১৪ দশমিক ২১ একর জমি সরেজমিন ঘুরে দেখেন।

  • সংঘাতের আগে হরমুজ ছেড়ে আসা ১৫টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে

    চট্টগ্রাম

  • সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী অভিনেত্রী চমক

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য হতে সংরক্ষিত নারী আসনে বেবী নাজনীন, কনকচাঁপা, দিলরুবা খান, রিজিয়া পারভীন, দিঠি আনোয়ার, রিনা খানসহ সংস্কৃতি অঙ্গনের বেশ কয়েকজন তারকার মনোনয়ন সংগ্রহের কথা শোনা গেছে। তাঁরা এরই মধ্যে সাক্ষাৎকার গ্রহণ পর্বেও অংশ নিয়েছেন। সেই তালিকায় যুক্ত হলো ছোট পর্দার অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকের নাম। কুষ্টিয়া থেকে সংরক্ষিত আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন নিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি ক্ষমতাসীন দল বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন—গণমাধ্যমে এমনটাই জানিয়েছেন চমক।

    রুকাইয়া জাহান চমক
    রুকাইয়া জাহান চমক, ছবি : চমকের ফেসবুক
     

    সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার শুরু করেছে বিএনপি। গতকাল শুক্রবার বিকেলে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেন দলটির মনোনয়ন বোর্ডের সদস্যরা। সাক্ষাৎকার শেষে চমক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমি দেশের জন্য কাজ করতে চাই, বিশেষ করে নারীদের জন্য। সে জন্য একটা প্ল্যাটফর্ম দরকার ছিল। আমার মনে হয়েছে, বিএনপির সঙ্গে যুক্ত হলে আমার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে। কথা বলে ইতিবাচক মনে হয়েছে। আমি শতভাগ আশাবাদী। দলীয় সিদ্ধান্ত ইতিবাচকভাবে নেব।

    রুকাইয়া জাহান চমক
    রুকাইয়া জাহান চমকফেসবুক থেকে

    এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চমক লিখেছেন, ‘নতুন জার্নি শুরু করলাম। আলহামদুলিল্লাহ। শীঘ্রই বিস্তারিত জানাব। পাশে থেকো, দোয়ায় রেখো।’
    রুকাইয়া জাহান চমকের জন্ম বরিশালে, তবে বেড়ে ওঠা ও পড়াশোনা ঢাকায়। ২০১৭ সালে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় রানারআপ হয়ে বিনোদন অঙ্গনে পথচলা শুরু চমকের।

    ২০২০ সালে ছোট পর্দায় অভিনয় শুরু করেন তিনি। তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটক ও সিরিজ হলো ‘হায়দার’, ‘হাউস নং ৯৬’, ‘মহানগর’, ‘সাদা প্রাইভেট’, ‘অসমাপ্ত’ ও ‘ভাইরাল হাজব্যান্ড’।

  • সরকার জ্বালানি তেলে প্রতিদিন ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

    জনগণের দুর্ভোগ কমাতে সরকার প্রতিদিন জ্বালানি তেলে ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম (অমিত)। আজ শুক্রবার দুপুর ১২টায় যশোরে দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

    জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের কষ্ট লাঘবে সরকার কাজ করছে। বহির্বিশ্বের অস্থিরতার মধ্যেও জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করেনি। জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে বিদ্যুৎ, গণপরিবহন ও খাদ্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়। চতুর্দিক থেকে চাপ থাকা সত্ত্বেও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কোনো পরিকল্পনা করেনি সরকার। জনগণের দুর্ভোগ কোনো কারণে যাতে না বাড়ে, সেটি নিশ্চিত করতে প্রতিদিন সরকার ১৬৭ কোটি টাকা জ্বালানি তেলে ভর্তুকি দিচ্ছে।’

    আগামী এপ্রিল মাস পর্যন্ত জনগণের জ্বালানি তেলের চাহিদা নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে দাবি করে অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, ‘জ্বালানি তেল নিয়ে অনেকের মধ্যে উদ্বেগ–উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। এখন পর্যন্ত পৃথিবীর ৮০টা দেশ জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি করলেও বাংলাদেশ সরকার জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির পরিকল্পনা করেনি। সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক রেখেছে। কিন্তু আমাদের চাহিদা অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে।’

    প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশে প্রতিদিন গড়ে ডিজেলের চাহিদা ছিল ১২ হাজার টন। পেট্রল–অকটেনের চাহিদা ছিল ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টন। ঈদের আগে প্রতিদিন ২৪ হাজার থেকে ২৫ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে। বতর্মান সরকার আগামী এপ্রিল পর্যন্ত জনগণের জ্বালানির চাহিদা নিশ্চিত করতে সক্ষম। আগামী দিনগুলোতেও যাতে সরকার ৯০ দিনের জ্বালানি মজুত নিশ্চিত করতে পারে, সেটির কাজও শুরু হয়েছে।

    জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করে সমাজসেবা অধিদপ্তর। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ১৫৩ জন দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তির হাতে এককালীন আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন প্রধান অতিথি অনিন্দ্য ইসলাম। এ সময় তিনি জানান, রাষ্ট্রের সব নাগরিকের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কল্যাণে ১৯৯১ সালে সরকার গঠনের পর সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর ভাতা কর্মসূচি চালু করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। পরে বিভিন্ন সরকার উপকারভোগী ও ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে। আওয়ামী লীগের ১৫ বছরে প্রকৃত উপকারভোগীরা বঞ্চিত হয়েছেন।

    বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে যশোর-৩ আসন থেকে জয় পাওয়া অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনের আগে মানুষের দোরগোড়ায় গিয়েছি। বঞ্চিত মানুষের আকুতি শুনেছি। আমরা চাই, যাঁদের ভাতা প্রাপ্তির হক আছে, তাঁরাই যেন পান। উপকারভোগী বাছাইয়ে যেন রাজনৈতিক কিংবা ধর্মীয় পরিচয় প্রাধান্য না পায়। সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ শুরু করেছে। ফ্যামিলি কার্ডের কাজ শুরু হয়েছে। ধর্মগুরুদের সম্মানী চালু হয়েছে। পয়লা বৈশাখে কৃষক কার্ড চালু হবে। রাষ্ট্রের পাশাপাশি জনগণ প্রতিবেশী ও আত্মীয়ের হক আদায় করলে সমাজে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সংখ্যা কমে আসবে।’

    যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সমাজসেবা অধিদপ্তর যশোরের উপপরিচালক হারুন অর রশিদ। উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন (খোকন), পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুজন সরকার, প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদ হাসান (টুকুন) প্রমুখ।

  • সরবরাহ ধরে রাখতে দ্বিগুণ দামে এলএনজি আমদানি

    দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি থেকে এলএনজি সরবরাহ বন্ধ। কেনা হচ্ছে খোলাবাজার থেকে। বাড়ছে ডলারের চাহিদা। কমছে না লোডশেডিং।

    ঢাকা

  • সাফ অ-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ পাকিস্তানকে বিদায় করে বাংলাদেশকে নিয়ে সেমিফাইনালে ভারত

    পাকিস্তান আজ পয়েন্ট হারালেই এক ম্যাচ হাতে রেখে সাফ ফুটবল অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে পৌঁছে যেত বাংলাদেশ। পাকিস্তান আজ হেরেই গেছে। মালদ্বীপের মালেতে পাকিস্তানকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ভারতের যুবারা। ভারতের এই জয়ে ‘বি’ গ্রুপ থেকে একসঙ্গে সেমিফাইনালের টিকিট পেয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত। বিদায় নিয়েছে পাকিস্তান।

    ‘বি’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে ২-০ গোলে হেরেছিল পাকিস্তান। সেই ম্যাচে বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেকেই জোড়া গোল করেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ফরোয়ার্ড রোনান সুলিভান। দুই ম্যাচ খেলে শূন্য হাতে বিদায় নিল পাকিস্তানিরা। বাংলাদেশ ও ভারত, এক ম্যাচ খেলে দুই দলেরই পয়েন্ট ৩। কারা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে উঠবে সেটি নির্ধারিত হবে আগামী শনিবারের বাংলাদেশ–ভারত ম্যাচে।

    পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে ভারতও
    পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে ভারতও, সাফ
     

    সাত দলের টুর্নামেন্টে দুই গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুটি করে মোট চার দল যাবে সেমিফাইনালে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ, ভারত ছাড়াও ‘এ’ গ্রুপ থেকে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে নেপাল। ৩ এপ্রিল এই টুর্নামেন্টের ফাইনাল।

  • সাফ অ–১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ সর্বোচ্চ গোলদাতা ও টুর্নামেন্ট সেরার জোড়া পুরস্কারে উজ্জ্বল আলপি

    সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে মুকুট ধরে রাখা হলো না বাংলাদেশের। নেপালের পোখারায় আজ ফাইনালে ভারতের কাছে ৪-০ গোলে হেরে রানার্সআপ হয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে লাল-সবুজের মেয়েদের। দলগতভাবে দিনটি আক্ষেপের হলেও ব্যক্তিগত অর্জনে টুর্নামেন্ট রাঙিয়েছেন বাংলাদেশের আলপি আক্তার। চার দেশের এই টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলদাতার পাশাপাশি সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও জিতেছেন পঞ্চগড়ের এই উদীয়মান ফরোয়ার্ড।

    ফাইনালে আজ গোল পাননি আলপি। কিন্তু লিগ পর্বে ছিলেন দুর্দান্ত। ওই পর্বে বাংলাদেশের করা ১৮ গোলের মধ্যে একাই করেছেন ৭ গোল। ভুটান ও নেপালের বিপক্ষে করেছেন হ্যাটট্রিক। নেপালের বিপক্ষে তাঁর হ্যাটট্রিকই বাংলাদেশকে ফাইনালে তুলেছিল। টুর্নামেন্টে তাঁর ‘গোল্ডেন বুট’ জয়টা একরকম নিশ্চিতই ছিল।

    সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে এগিয়ে থাকলেও টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার পাওয়াটা আলপির জন্য ছিল বিশেষ চমক। বাফুফের নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার তাঁর হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন। মাঠে চমৎকার বল নিয়ন্ত্রণ আর আক্রমণে নেতৃত্ব দেওয়ার দক্ষতায় আলপি মুগ্ধ করেছেন বিচারকদের। শিরোপা হারানোর বিষাদে তাঁর মুখটা কিছুটা গুমড়ো হয়ে থাকলেও দেশের জন্য এই ‘ডাবল’ অর্জন মোটেও কম গৌরবের নয়। মঞ্চে তাঁকে অভিনন্দন জানান সাফ সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন।

    টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতাও আলপি
    টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতাও আলপি, বাফুফে

    আলপির এই কীর্তি মনে করিয়ে দিচ্ছে ২০২৪ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ আসরকে। সেবার বাংলাদেশের সাগরিকা ৪ গোল করে একই সঙ্গে সর্বোচ্চ গোলদাতা ও সেরা খেলোয়াড় হয়েছিলেন। আলপি যেন সেই গৌরব আবার ফিরিয়ে আনলেন।

    আলপির এই ধারালো পারফরম্যান্স অবশ্য হঠাৎ করে আসা কিছু নয়। সর্বশেষ নারী লিগে সিরাজ স্মৃতি সংসদের হয়ে ১১ গোল করেছিলেন তিনি। বর্তমানে ঘরোয়া লিগেও আছেন দুর্দান্ত ফর্মে। রাজশাহী স্টারসের জার্সিতে ৮ ম্যাচে ৩ হ্যাটট্রিকসহ ২৫ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে তিনি সবার আগে।

    টুর্নামেন্টে সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার পেয়েছেন ভারতের মুন্নি। এ ছাড়া ফেয়ার প্লে ট্রফিও গেছে ভারতের ঘরে।

  • সাফ ফুটবলজয়ী দুই বোন বললেন, ‘এখন আর কেউ খোঁজ নেয় না’

    খাগড়াছড়ির দরিদ্র পরিবার থেকে ফুটবলে এসেছিলেন দুই যমজ বোন আনাই মগিনি ও আনুচিং মগিনি। সংসারে দুই বেলা খাবার জোগাড় হতো না। কিন্তু অদম্য দুই বোন থেমে থাকেননি। ২০১৬ সালে বয়সভিত্তিক ফুটবলে যোগ দেন তাঁরা। ২০২১ সালে সাফ অনূর্ধ্ব ১৯ চ্যাম্পিয়নশিপে খেলেছেন দুই বোনই। একমাত্র জয়সূচক গোল করেন আনাই মগিনি। অভিমান নিয়ে জাতীয় দল ছেড়েছেন দুই বোনই। আর আনাই মগিনি ফুটবলই ছেড়ে দিয়েছেন পুরোপুরি। ১০ হাজার টাকা বেতনে জেলা পরিষদের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে চাকরি করছেন তিনি। বোন আনুচিং একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়লেও খরচ চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন।

    খাগড়াছড়ি

  • সাফজয়ী সুলিভানদের ছাদখোলা বাসে হাতিরঝিলে সংবর্ধনা দেবে বাফুফে

    মালদ্বীপে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ধরে রেখে আবারও দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এই সাফল্য উদ্‌যাপনের পাশাপাশি বিজয়ীদের বরণ করে নেবে বাফুফে। আজ সন্ধ্যায় চ্যাম্পিয়ন দলকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হাতিরঝিলে এনে সংবর্ধনা দেওয়া হবে।

    বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দলকে একটি বিশেষ ছাদখোলা বাসে করে শহরে নিয়ে আসা হবে। দেশের ফুটবলে সাম্প্রতিক সময়ে অন্যতম এই অর্জনকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে ভাগ করে নিতেই এমন আয়োজন করা হয়েছে।

    শোভাযাত্রাটি বিমানবন্দর থেকে শুরু হয়ে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে হাতিরঝিলের অ্যাম্ফিথিয়েটারে গিয়ে শেষ হবে।

    বাফুফে জানিয়েছে, আজ রাত ৭টা ৩০ মিনিটে হাতিরঝিলের অ্যাম্ফিথিয়েটারে চ্যাম্পিয়ন দলকে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা দেওয়া হবে। সেখানে বাফুফে কর্মকর্তাসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থেকে খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের অভিনন্দন জানাবেন।
    দেশের ফুটবলে সাফল্য উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবে সমর্থক ও সাধারণ জনগণকে শোভাযাত্রা নিয়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে বাফুফে।

    বাংলাদেশে ছাদখোলা বাসে ফুটবলারদের বরণ করে নেওয়া এখন জনপ্রিয় প্রথায় পরিণত হয়েছে। এর আগে গত বছরের জুলাইয়ে মিয়ানমার থেকে এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বের টিকিট কেটে ফেরার পর নারী ফুটবল দলকে একইভাবে ভোররাতে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছিল।

    গত জানুয়ারিতে থাইল্যান্ড থেকে সাফ নারী ফুটসালের শিরোপা জিতে ফেরার পর সাবিনা-কৃষ্ণাদেরও বিমানবন্দর থেকে ছাদখোলা বাসে করে হাতিরঝিলে নিয়ে এসে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

  • সাফজয়ীদের সংবর্ধনায় কোচ কক্সের ডাক, ‘২০৩৪ বিশ্বকাপের স্বপ্ন দেখুক বাংলাদেশ’

    সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে ট্রফি ধরে রাখা বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দলকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছাদখোলা বাসে শোভাযাত্রার মাধ্যমে খেলোয়াড়দের নিয়ে আসা হয় রাজধানীর হাতিরঝিলে। বিমানবন্দর থেকে শুরু হওয়া এই শোভাযাত্রা হাতিরঝিলের অ্যাম্ফিথিয়েটারে এসে শেষ হয়।

    বিলম্বিত বরণ

    পূর্বঘোষণা অনুযায়ী অনুষ্ঠানটি সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও, চ্যাম্পিয়ন দলটি সেখানে পৌঁছায় রাত পৌনে ১০টায়। খেলোয়াড়েরা অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে বাফুফে সদস্যরা তাঁদের ফুল দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। চোটের কারণে ক্র্যাচে ভর দিয়ে মঞ্চে আসেন এক খেলোয়াড়, এরপর আসেন সাফের সেরা গোলকিপার ইসমাইল হোসেন মাহিন। একে একে সব খেলোয়াড়কে মঞ্চে ডেকে নেওয়া হয়। ডেকলান সুলিভানের নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে দর্শকদের উল্লাস কয়েক গুণ বেড়ে যায়। সবার শেষে মঞ্চে আসেন রোনান সুলিভান। উপস্থাপক ট্রফির কথা জিজ্ঞেস করতেই সেটি এনে মঞ্চের সামনে রাখা হয়। এ সময় ‘বাংলাদেশ বাংলাদেশ’ স্লোগান ওঠে।

    সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও স্মৃতিচারণা

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক, যিনি বর্তমানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। আমিনুল খেলোয়াড়দের সঙ্গে করমর্দন করেন এবং তাঁদের অভিনন্দন জানান। সাফের ফাইনালে গোলকিপার ইসমাইল হোসেন মাহিনের টাইব্রেকারে একটা শট সেভের কথা বলতে গিয়ে তিনি ফিরে যান ২০০৩ সালে। যখন ঢাকায় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে মালদ্বীপের বিপক্ষে টাইব্রেকারে তিনিও একটি শট আটকান।

    জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সময়ে খেলোয়াড়েরা
    জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সময়ে খেলোয়াড়েরা
     

    অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এরপর বিশাল পর্দায় বাংলাদেশের সাফ জয়ের রোমাঞ্চকর মুহূর্তগুলো প্রদর্শিত হয়। পরপর দুবার সাফ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জনের পর অধিনায়ক মিঠুকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল। স্পনসর প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা তাঁদের বক্তব্যে আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে এই দলই বাংলাদেশকে এশিয়ান কাপে নিয়ে যেতে সক্ষম হবে।

    ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ ইতিহাস গড়েছে, এই ছেলেরাও ইতিহাস গড়েছে। আমাদের এখন ২০৩৪ সৌদি আরবের বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন দেখতে হবে।

    মার্ক কক্স , কোচ, বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব–২০ ফুটবল দল

    কোচের লক্ষ্য ও বিশ্বকাপের স্বপ্ন

    আইরিশ কোচ মার্ক কক্স সালাম দিয়ে বক্তব্য শুরু করেন। তিনি বলেন, ‘আসসালামু আলাইকুম। আমার হৃদয়ে বাংলাদেশ। ছেলেরা চেষ্টা না করলে এই ট্রফি আসত না। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ ইতিহাস গড়েছে, এই ছেলেরাও ইতিহাস গড়েছে। আমাদের এখন ২০৩৪ সৌদি আরবের বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন দেখতে হবে।’ মালদ্বীপে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের প্রশংসা করে তিনি এই ট্রফি সমর্থকদের উৎসর্গ করেন।

    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কথা বলছেন কোচ মার্ক কক্স
    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কথা বলছেন কোচ মার্ক কক্সশামসুল হক

    আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণা

    শামসুল হুদা ফুটবল একাডেমির প্রধান ও বাফুফের সহসভাপতি নাসের শাহরিয়ার জাহেদিকে খেলোয়াড়েরা সম্মান জানান। বাফুফের ডেভেলপমেন্ট কমিটির প্রধান হিসেবে তিনি বলেন, ‘কোচ যেভাবে ২০৩৪ বিশ্বকাপের স্বপ্নের কথা বলেছেন, আমাদের সেভাবেই এগোতে হবে এবং পাইপলাইন তৈরির কাজ করতে হবে।’

    নাসের শাহরিয়ার জাহেদি রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালসের পক্ষ থেকে ২৩ জন খেলোয়াড়ের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা এবং দলের অন্য সদস্যদের ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা দেন, যা আজ রাতেই সবার হাতে পৌঁছানোর কথা। এ ছাড়া সমর্থকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা উত্তর সিটির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম  খান প্রত্যেক খেলোয়াড়কে ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। যদিও বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল আলাদা কোনো পুরস্কারের ঘোষণা দেননি। এর আগেও হাতিরঝিলে হওয়া মেয়েদের দুটি সংবর্ধনায় কোনো পুরস্কার ঘোষণা করেনি বাফুফে।

    সরকারের পক্ষ থেকে বার্তা

    যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন। তিনি বলেন, অর্জিত সাফল্য ধরে রাখা অত্যন্ত কঠিন। ৬ এপ্রিল সরকারের পক্ষ থেকে সাফজয়ী দলকে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কৃত করা হবে বলে প্রতিমন্ত্রী ঘোষণা দেন।

    জমজ ভাই ডেকলানের সঙ্গে রোনান সুলিভান (বাঁয়ে)
    জমজ ভাই ডেকলানের সঙ্গে রোনান সুলিভান (বাঁয়ে)শামসুল হক

    অনুষ্ঠানের পরিবেশ ও জনসমাগম

    এই সাফল্য উদ্‌যাপনে জনসাধারণের ব্যাপক অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ থাকলেও আমজনতার উপস্থিতি ছিল প্রত্যাশার তুলনায় কম; গ্যালারির তিন ভাগের এক ভাগও পূর্ণ হয়নি। তবে আয়োজন ছিল বেশ জাঁকজমকপূর্ণ। প্রবেশপথে ট্রফি জয়ের বড় বিলবোর্ড ও খেলোয়াড়দের ছবিসংবলিত বোর্ড ছিল। মঞ্চের পেছনে পর্দায় ছেলেদের সাফ জয়ের পাশাপাশি গত জানুয়ারিতে নারী ফুটসাল জয়ের ছবিও দেখানো হয়, যা অনেকের কাছে কিছুটা অসংলগ্ন মনে হয়েছে। মঞ্চের সামনে বড় অক্ষরে লেখা ছিল ‘CHAMPIONS’। অত্যাধুনিক সাউন্ড সিস্টেম এবং ৩৪টি চেয়ারে সজ্জিত আলোকোজ্জ্বল মঞ্চ থেকে ছড়িয়ে পড়া আলোর বিচ্ছুরণ পুরো পরিবেশকে বর্ণিল করে তুলেছিল।

    বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘চেষ্টা, দেশপ্রেম আর ঐক্য থাকলে কোনো শক্তিই বাংলাদেশকে পরাজিত করতে পারবে না। আমরা এখন বলতে পারি—উই আর দ্য চ্যাম্পিয়ন। তবে এটাই শেষ নয়, কোচ মার্ক কক্সের কথামতো ২০৩৬ (আসলে হবে ২০৩৪) সালে আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে।’

  • সাবিন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬: টিকার লড়াইয়ে বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর স্বীকৃতি

    ২০২৬ সালের সাবিন অ্যাওয়ার্ডসে তিন বিজ্ঞানীকে সম্মাননা জানানো হচ্ছে। তাঁদের মধ্যে আছেন বাংলাদেশের সেঁজুতি সাহা।

    টিকার মাধ্যমে বিশ্ব স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন এই বিজ্ঞানীরা। করোনা মহামারি মোকাবিলা থেকে শুরু করে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ—সব ক্ষেত্রে রয়েছে তাঁদের অসামান্য ভূমিকা।

    কোভিড-১৯ মহামারির গতিপথ বদলে দেওয়া ও বিশ্বজুড়ে নতুন ধরনের ওষুধের প্রাপ্যতা বৃদ্ধিতে নিরলস প্রচেষ্টার জন্য ‘অ্যালবার্ট বি. সাবিন গোল্ড মেডেল’ পাচ্ছেন অধ্যাপক উগুর শাহিন ও অধ্যাপক ওজলেম ত্যুরেজি।

    জিনতত্ত্বভিত্তিক বিশ্লেষণ ব্যবহার করে বিশ্বের সবচেয়ে বড় টাইফয়েড টিকা কর্মসূচির বাস্তবায়নে সহায়তা করেছেন সেঁজুতি সাহা। এটি লাখো শিশুকে সুরক্ষায় সহায়তা দিচ্ছে।

    বাংলাদেশের সেঁজুতি সাহা পাচ্ছেন ‘২০২৬ রাইজিং স্টার অ্যাওয়ার্ড’। জিনতত্ত্বভিত্তিক বিশ্লেষণ ব্যবহার করে বিশ্বের সবচেয়ে বড় টাইফয়েড টিকা কর্মসূচির বাস্তবায়নে সহায়তা করেছেন তিনি, যা লাখো শিশুকে সুরক্ষায় সহায়তা দিচ্ছে।

    আগামী ১২ মে ওয়াশিংটনের ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস ভবনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই তিন বিজ্ঞানীর কাছে পদক তুলে দেওয়া হবে।

    গত সোমবার সাবিন ভ্যাকসিন ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

    অ্যালবার্ট বি. সাবিন গোল্ড মেডেল ১৯৯৩ সাল থেকে এবং রাইজিং স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২০ সাল থেকে দেওয়া হচ্ছে। এবারের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানটি সরাসরি অনলাইনে সম্প্রচার করা হবে।

    উগুর শাহিন ও ওজলেম ত্যুরেজির অবদান

    ব্যবসায়িক ও জীবনসঙ্গী অধ্যাপক উগুর শাহিন এবং অধ্যাপক ওজলেম ত্যুরেজিকে তাঁদের যুগান্তকারী কোভিড-১৯ টিকা উদ্ভাবন এবং কয়েক দশকের উদ্ভাবনী প্রযুক্তির মাধ্যমে ওষুধের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার জন্য এই গোল্ড মেডেল দেওয়া হচ্ছে।

    কোভিড মহামারির শুরুতে এই দুই বিজ্ঞানী এমন একটি প্রযুক্তি ব্যবহার করেন, যা মূলত ক্যানসার চিকিৎসার জন্য তৈরি করা হচ্ছিল। রেকর্ড সময়ে তাঁরা নিজেদের প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য বদলে ফেলেন এবং একটি কার্যকর কোভিড-১৯ টিকা তৈরি করেন। এটি কোটি কোটি মানুষের জীবন রক্ষায় সহায়তা করেছে।

    বর্তমানে এই দুই বিজ্ঞানী ওই আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে যক্ষ্মা, এইচআইভি ও ম্যালেরিয়ার মতো রোগের বিরুদ্ধে আরও নতুন টিকা তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁদের এই নিষ্ঠা শুধু গবেষণাগারেই সীমাবদ্ধ নয়। আফ্রিকায় একটি টেকসই ও শক্তিশালী টিকা উৎপাদনের ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগেও নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাঁরা।

    এক যৌথ বিবৃতিতে উগুর শাহিন ও ওজলেম ত্যুরেজি বলেন, ‘২০২৬ সালের সাবিন গোল্ড মেডেল পেয়ে আমরা গভীরভাবে সম্মানিত। বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট সাবিনের বিশ্বাস—‘‘বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার তখনই সার্থক হয়, যখন তা মানুষের কাজে আসে’’, আমাদের দীর্ঘদিনের অনুপ্রেরণা। আমরা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি, আধুনিক ওষুধ তাঁদের কাছে পৌঁছানো উচিত, যাঁদের এটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।’

    বিবৃতিতে দুই বিজ্ঞানী আরও বলেন, ‘এ পুরস্কার একটি যৌথ প্রচেষ্টার স্বীকৃতি। সারা বিশ্বে আমাদের দল ও অংশীদারদের নিষ্ঠাকে সম্মান জানাচ্ছে এটি। তারা আমাদের সঙ্গে এ পথচলায় আছে এবং স্বাস্থ্যের উন্নয়নে অঙ্গীকার ভাগাভাগি করে নিচ্ছে।’

    সাবিনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যামি ফিনান বলেন, ‘অধ্যাপক শাহিন ও ত্যুরেজি মিলে টিকার ভবিষ্যৎ বদলে দিয়েছেন। তাঁরা দেখিয়েছেন, কীভাবে গবেষণাগারের নতুন আবিষ্কারকে সাহসের সঙ্গে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানো যায়। জীবন রক্ষাকারী টিকা দ্রুত তৈরি করা ও তা সবার কাছে সমানভাবে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তাঁদের যে লড়াই, সাবিন গোল্ড মেডেল তাঁদেরই সম্মান জানাচ্ছে।’

    সেঁজুতি সাহার সাফল্য

    বাংলাদেশি অণুজীববিজ্ঞানী সেঁজুতি সাহা
    বাংলাদেশি অণুজীববিজ্ঞানী সেঁজুতি সাহা

    এ বছর ‘রাইজিং স্টার অ্যাওয়ার্ড’ পাওয়া সেঁজুতি সাহা জাতীয় পর্যায়ের বড় টিকাদান উদ্যোগগুলোর জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বৈজ্ঞানিক তথ্য ও প্রমাণ তৈরি করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের ২০২৫ সালের টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) কর্মসূচি। এটি ইতিমধ্যে ৪ কোটির বেশি শিশুর কাছে পৌঁছেছে।

    চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের (সিএইচআরএফ) উপনির্বাহী পরিচালক হিসেবে সেঁজুতি সাহা দেশে একটি উন্নত জিনোম গবেষণাগার গড়ে তুলতে সহায়তা করেছেন। এ গবেষণাগারে হাজার হাজার রোগ-জীবাণুর জিনোম সিকোয়েন্স করা হয়েছে, যা দ্রুত রোগ শনাক্ত করতে এবং ক্লেবসিয়েলা ও আরএসভির মতো রোগের টিকা তৈরিতে সাহায্য করছে।

    সেঁজুতি সাহার কাজের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, দেশে বৈজ্ঞানিক নেতৃত্ব গড়ে তোলা ও নতুন প্রজন্মের গবেষকদের দিকনির্দেশনা দেওয়া।

    পুরস্কার প্রাপ্তি নিয়ে সেঁজুতি সাহা বলেন, ‘এ পুরস্কার আমার কাছে অত্যন্ত অর্থবহ। এটি বাংলাদেশে একটি অসাধারণ কমিউনিটির বহু বছরের পরিশ্রমের প্রতিফলন। এটি প্রমাণ করে, মানুষ যখন একসঙ্গে সমস্যা সমাধানের প্রতিজ্ঞা করে, তখন যেকোনো জায়গাতেই উন্নত মানের বিজ্ঞানচর্চা সম্ভব হয়।’

    সাবিনের অ্যামি ফিনান বলেন, সেঁজুতি সাহা নতুন প্রজন্মের বৈজ্ঞানিক নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল উদাহরণ। তিনি বোঝেন যে তাঁর কাজ শুধু গবেষণাগার বা গবেষণাপত্র প্রকাশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় তিনি শক্তিশালী টিকানীতি তৈরিতে কাজ করছেন।

  • সাবেক অধিনায়কদের হাতে ‘ক্যাপ্টেনস্ কার্ড’ তুলে দিলেন তামিম, কী আছে তাতে

    ছবির ফ্রেমটা বাঁধাই করে রাখার মতোই। একসঙ্গে জাতীয় দলের এত অধিনায়ক কি এর আগে দেখা গেছে কোথাও? উত্তরটা খুঁজে পাওয়া কঠিনই হবে বোধ হয়। আজ এমনই একটা উপলক্ষ এসেছিল বিসিবির এক আয়োজনের কারণে।

    সোনারগাঁ হোটেলে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়কদের হাতে ‘ক্যাপ্টেনস্ কার্ড’ তুলে দিয়েছেন বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। আজীবন মেয়াদের এই কার্ড দিয়ে এখন বিসিবির যেকোনো ধরনের ইভেন্টেই ঢুকতে পারবেন তারা। সাবেক অধিনায়কদের জন্য স্বাস্থ্য বিমারও ব্যবস্থা করবে বিসিবি।

    এই কার্ডের মাহাত্ম্য ব্যাখ্যা করে তামিম বলেছেন, ‘আমি নিশ্চিত এখানে যাঁরা যাঁরা আছেন অধিনায়ক, সবার মধ্যেই একটা ইনসিকিউরিটি কাজ করত যে যদি আমি মাঠে যাই, যদি আমাকে না চেনে, যদি আমাকে থামায়, ইজ্জত–সম্মান থাকবে কি না। এটা আমারও হয়েছে কোনো না কোনো সময়।’

    এই দ্বিধাটুকু কাটাতেই এবার অধিনায়কদের জন্য ক্যাপ্টেনস কার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তামিম। তিনি নিজেও সাবেক অধিনায়ক হিসেবে কার্ড নিয়েছেন আরেক সাবেক অধিনায়ক শফিকুল হক হীরার হাত থেকে।

    এই কার্ড দিয়ে এখন থেকে জাতীয় দলের বর্তমান ক্রিকেটারদের মতোই বিসিবির মেডিকেল বিভাগের চিকিৎসা পাবেন সাবেক অধিনায়করা। প্রয়োজনে বিদেশে চিকিৎসার জন্যও সাহায্য করবে বিসিবি।

    আকরাম খানের ক্যাপ্টেনস কার্ড
    আকরাম খানের ক্যাপ্টেনস কার্ড
     

    ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচের অধিনায়ক শামীম কবির মারা গেছেন। এর বাইরে এখন পর্যন্ত পুরুষ দলে তিন সংস্করণ মিলিয়ে অধিনায়কত্ব করেছেন ২৬ জন। নারী ক্রিকেটে সবমিলিয়ে অধিনায়কত্ব করেছেন ৬ জন, তাদের মধ্যে শুধু রুমানা আহমেদই উপস্থিত ছিলেন আজ।বাংলাদেশ নারী দলে তিনি ছাড়াও অধিনায়ক ছিলেন তাজকিয়া আক্তার, সালমা খাতুন, জাহানারা আলম, নিগার সুলতানা ও ফাহিমা খাতুন।

    পুরুষ ক্রিকেটারদের মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের সাবেক তিন সংসদ সদস্য নাঈমুর রহমান, সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মুর্তজা ছিলেন না আজকের অনুষ্ঠানে। গত ৭ এপ্রিল আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বোর্ড ভেঙে দিয়ে তামিমের নেতৃত্বে অ্যাডহক কমিটি হয়েছে। আগের বোর্ডে থাকা তিন অধিনায়ক আমিনুল, ফারুক আহমেদ ও খালেদ মাসুদও আসেননি আজ।

    ছেলেদের দলের বাকি ২০ অধিনায়ক রকিবুল হাসান, শফিকুল হক হীরা, গাজী আশরাফ হোসেন, মিনহাজুল আবেদীন, আকরাম খান, খালেদ মাহমুদ, হাবিবুল বাশার, রাজিন সালেহ, শাহরিয়ার নাফীস, মোহাম্মদ আশরাফুল, মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল, মাহমুদউল্লাহ, মুমিনুল হক, লিটন দাস, নুরুল হাসান, মোসাদ্দেক হোসেন, নাজমুল হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ ও জাকের আলী ক্যাপ্টেনস কার্ড নিয়েছেন।

    তিন অধিনায়ক শফিকুল হক হীরা, রকিবুল হক ও হাবিবুল বাশার
    তিন অধিনায়ক শফিকুল হক হীরা, রকিবুল হক ও হাবিবুল বাশার
     

    তবে সাবেক অধিনায়কদের সবাইকেই এই অনুষ্ঠানে আসার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বলে জানিয়েছেন তামিম। সবাইকে অবশ্য নয়, সাবেক সভাপতি আমিনুলকে আমন্ত্রণ জানাতে গিয়েও পারেননি, ‘আমি বুলবুল ভাইকে কল করেছি, ওনাকে মেসেজ পাঠিয়েছি, তারপর বুঝতে পারলাম আমিও ব্লকড্।’

    তবে যাঁরা এখনও কার্ড নেননি, তাঁরা চাইলে যেকোনো সময় এসেই তা নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন তামিম, ‘যখনই আপনারা পারেন, যখনই আপনারা দেশে আসবেন, প্লিজ কার্ডটা গ্রহণ করবেন। এটা সবসময় আপনাদের জন্য বিসিবিতে থাকবে। বাংলাদেশ ক্রিকেটে আপনাদের অবদান অনেক। আমি রাজনীতি বা বিসিবিতে সম্প্রতি যা হয়েছে, তা নিয়ে বলতে চাই না। আমরা সবাই ক্রিকেটার এবং একে–অন্যকে সম্মান করি।’

  • সারা দেশের ৮টি ক্রিকেট হাবে ১৩৭ উইকেট তৈরি করবে বিসিবি

    ঘোষণাটা আগেই দিয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম। এবার বিস্তারিতভাবে তা জানালেন গ্রাউন্ডস বিভাগের প্রধান খালেদ মাসুদ। আজ মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানিয়েছেন, সারা দেশে মোট ১১টি ক্রিকেট হাব করছে বিসিবি।

    এর মধ্যে প্রথম ধাপে চালু হওয়া ৮টি হাবে মোট ১৩৭টি উইকেট তৈরি করার পরিকল্পনা আজ তুলে ধরেছেন খালেদ মাসুদ। হাবগুলো হলো খুলনা, বরিশাল, ফতুল্লা, কক্সবাজার, বগুড়া, রাজশাহী বিকেএসপি ও পূর্বাচল।

    উইকেটগুলো স্থানীয় কিউরেটররাই তৈরি করবেন জানিয়ে খালেদ মাসুদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘কিউরেটরদের সঙ্গে এ নিয়ে আলাপ করেছি। সবাইকে শেয়ার করেছি (কীভাবে করতে চাই)। আমরা শুধু বিসিবি থেকে তাঁদের সাপোর্ট দেব—হয়তো মাটি দিলাম বা এমন। বাকি কাজটা স্থানীয় কিউরেটররাই করবেন। সব দায়িত্ব তাঁদের কাছে থাকবে।’

    বিসিবির পরিকল্পনা অনুযায়ী খুলনায় ১৫টি, বরিশালে ২৩টি, কক্সবাজারে ৮টি, বগুড়ায় ১০টি, রাজশাহীতে ১২টি, ফতুল্লায় ১৩টি, বিকেএসপির ৩ ও ৪ নম্বর মাঠে ১৯টি, পূর্বাচলে ১৩টি উইকেট হবে। অনুশীলন, মূল ম্যাচ ও আউটার মাঠে এ উইকেটগুলো আগামী মে–জুন মাসের মধ্যেই তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন খালেদ মাসুদ।

    এ উইকেটগুলো তৈরি হলে খেলার আরও ভালো পরিবেশ, খেলার মান বৃদ্ধি, ম্যাচ আয়োজনের সক্ষমতা ও খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি বাড়বে বলে মনে করে বিসিবি। প্রাথমিকভাবে চালু হওয়া হাবগুলোতে রোলার, ঘাস কাটার মেশিন, পিচ কাভার, উইকেটের জন্য মাটি ও কংক্রিটের উইকেট দেবে বিসিবি। এগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী স্থানীয় ক্রিকেট একাডেমি, স্কুল–কলেজ–বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠ, উপজেলা ও জেলার মাঠগুলোকে বিসিবির পক্ষ থেকে সাময়িকভাবে দেওয়া হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে খালেদ মাসুদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার ও বিসিবি পরিচালক আবদুর রাজ্জাক। খালেদ মাসুদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে আগামী মৌসুমে জেলাভিত্তিক লিগগুলো আয়োজন সহজ হবে বলে মনে করেন তিনিও। আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘ক্রিকেটীয় দিক থেকে দেখলে এটা একটা বিশাল উদ্যোগ। এটাতে আমরা সফল হতে পারলে প্রথম ধাপটা সফলভাবে সম্পন্ন হবে। যদি আমরা জুনের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারি, পরের মৌসুম থেকে হয়তো (ঢাকার বাইরের) লিগগুলো খুব ভালোভাবে শুরু করা যাবে।’

  • সারাদেশে পরীক্ষা সুন্দর হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

    সারাদেশে অনুষ্ঠিত এসএসসি ও সমমানের প্রথম পরীক্ষা সুন্দর হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর আন্তজার্তিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। প্রশ্ন আউটের কোনো সম্ভাবনা নেই এবং হয়নি। এবং এই ধরনের কোনো আলোচনাও নেই। আমি সর্বপ্রথমেই ধন্যবাদ জানাবো সাংবাদিকদের, আপনারা সবাই সহযোগিতা করেছেন। এই পরীক্ষা সুস্থ স্বাভাবিক হোক। এজন্য আপনারা পূর্ব থেকেই বিভিন্নভাবে যে পদক্ষেপগুলো নিয়েছি এগুলো আপনারা বারবার টেলিভিশনে নিউজপেপারে প্রচারিত করেছেন বিধায়। সারা জাতি জেনেছে যে পরীক্ষা এবার সুন্দর হবে এবং নকলমুক্ত হবে, প্রশ্নপত্র ফাঁস হবে না।

    তিনি বলেন, আনন্দ উদ্দীপনা নিয়ে আমাদের এই জেনজিরা পরীক্ষা দিচ্ছে এটি সত্যিই অভাবনীয় এবং তাদের যে আনন্দ উৎফুল্লতা আমি যাওয়ার পরে এতে সত্যিই সমাদৃত হয়েছি। আপনারা আগামী পরীক্ষাগুলোকে এভাবেই সহযোগিতা করবেন। পরের পরীক্ষাগুলো আমি যতটা সম্ভব মনিটরিং করব এবং আমার টিম মনিটরিং করবে এবং আপনারাও করবেন। এর মাঝে যদি কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার সংবাদ আপনার পেয়ে থাকেন তাহলে আমাকে জানাবেন।

    তিনি আরও বলেন, একটি বাচ্চা যদি ট্রাফিকে দেরি হয়ে যায়, কীভাবে তাকে সান্ত্বনা দিয়ে তার অস্থিরতা কমিয়ে তাকে কীভাবে নিয়ে যাবে এটা প্রত্যেকটা অভিভাবকের এবং টিচারদের এই ধরনের ট্রেনিং রয়েছে। আমার মনে হয় এটা অ্যাড্রেস করবে সবাই। ডিএমপির কমিশনার গতকাল আমাকে বিশেষভাবে রিকোয়েস্ট করেছিলেন যে পরীক্ষা কেন্দ্রগুলো যেন সকাল আটটা থেকে খোলা থাকে। যারা আগে আসতে চায়, দূর দূরান্ত থেকে সেই ব্যবস্থা আমরা রেখেছি। তবুও যারা খানিকটা দেরি হয়েছে তাদের নিয়ে নিশ্চয়ই আমি আশা করব তারা যেন বিভ্রান্ত না হয় ভয় না পায়। তাদেরকে সহযোগিতা করাটাই হচ্ছে আমাদের প্রথম কাজ।

     

  • সিঙ্গাপুরের সঙ্গে হেরে বাছাইপর্ব শেষ বাংলাদেশের

    সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলে হেরে এএফসি এশিয়া কাপের বাছাইপর্ব থেকে বিদায় নিল বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সিঙ্গাপুর জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে স্বাগতিকদের বিপক্ষে লড়াই করেও শেষ রক্ষা হয়নি লাল-সবুজদের।

    ম্যাচের চিত্র:

    খেলার ৩১ মিনিটে সিঙ্গাপুরের হরিশ স্টুয়ার্ট গোল করে স্বাগতিকদের এগিয়ে নেন। গোল হজম করার পর বাংলাদেশ ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায়। দ্বিতীয়ার্ধে রক্ষণভাগ দারুণভাবে নিজেদের গোলবার আগলে রাখলেও, প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠাতে ব্যর্থ হন হামজা-জামালরা। ফলে ১-০ ব্যবধানে হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় হাভিয়ের কাবরেরার শিষ্যদের।

    এবারের বাছাইপর্বে ছয়টি ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ মাত্র একটিতে জয় পেয়েছে। বাকি পাঁচ ম্যাচের মধ্যে দুটিতে ড্র এবং তিনটিতে হার জুটেছে কপালে। সব মিলিয়ে ৫ পয়েন্ট নিয়ে ‘সি’ গ্রুপের টেবিলের তিন নম্বরে থেকে মিশন শেষ করল বাংলাদেশ। অন্যদিকে, ১৪ পয়েন্ট নিয়ে আগেই মূল পর্ব নিশ্চিত করেছে সিঙ্গাপুর। এই গ্রুপ থেকে বাংলাদেশ ছাড়াও হংকং ও ভারত মূল পর্বে উঠতে ব্যর্থ হয়েছে।

    অন্যান্য ম্যাচের খবর:

    গ্রুপের অন্য একটি ম্যাচে আজ ভারত ও হংকং মুখোমুখি হতে যাচ্ছে।

    সাফ অঞ্চলের আরেক দল শ্রীলঙ্কা দারুণভাবে তাদের মিশন শেষ করেছে। আজ তারা চায়নিজ তাইপেকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে। ৬ ম্যাচ থেকে লঙ্কানদের ঝুলিতে জমা হয়েছে ৩টি জয়।

     

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব