ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তেহরানে যে ভবনে থাকেন, সেটির চত্বরের একাংশ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আজ শনিবার সকালে তেহরানের ওপর থেকে নেওয়া স্যাটেলাইট চিত্রে ওই চত্বরে বেশ ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন দেখা গেছে।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তেহরানের ওই ভবনে বসবাস এবং সেটিকে কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করেন। আজ তেহরান ছাড়াও ইরানের ২০টি প্রদেশে একযোগে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। দুই দেশের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ইরানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলীয় হরমোজগান প্রদেশের মিনাবে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮৫ জনে দাঁড়িয়েছে বলে দেশটির আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে।
তেহরানে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কম্পাউন্ডে হামলায় ক্ষয়ক্ষতি ধরা পড়া স্যাটেলাইট চিত্রটি সংগ্রহ করেছে এয়ারবাস। তাতে খামেনির বাসভবনের চত্বর থেকে কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হামলার শিকার হয়েছেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা–কল্পনা চলছে। এর মধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি যত দূর জানেন তাতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা জীবিত আছেন।
বিবিসি