• Colors: Yellow Color

ঢাকা

আজ বাংলাদেশ সময় ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ক্রিপ্টো অ্যারিয়ানে বসেছিল ৬৮তম গ্র্যামি পুরস্কারের আসর। বিশ্বসংগীতের সবচেয়ে বড় আসর গ্র্যামিতে এবার সর্বোচ্চ ৯টি মনোনয়ন পেয়েছেন র‍্যাপার কেনড্রিক লামার। সাতটি মনোনয়ন নিয়ে তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে লেডি গাগা। শেষ পর্যন্ত পুরস্কারে বাজিমাত করলেন কারা?

কেনড্রিক লামারের দাপট
বছরের সেরা গান ও শিল্পীদের পুরস্কৃত করতে এ বছর রেকর্ডিং অ্যাকাডেমি মোট ৯৫টি বিভাগে পুরস্কার দিচ্ছে। এর মধ্যে বিকেলে (বাংলাদেশ সময় ভোরে) অনুষ্ঠিত প্রাক্‌-সম্প্রচার পর্বেই ৮৬টি বিভাগে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। মূল টেলিভিশন সম্প্রচারে রাখা হয়েছে বাকি ৯টি বড় ও পারফরম্যান্সনির্ভর বিভাগ।

পুরস্কার হাতে কেনড্রিক লামার। এএফপি
পুরস্কার হাতে কেনড্রিক লামার। এএফপি

গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসে নতুন ইতিহাস লিখলেন মার্কিন র‍্যাপ তারকা কেনড্রিক লামার। এবারের গ্র্যামির আসরে পাঁচটি পুরস্কার জিতে তিনি ভেঙে দিয়েছেন র‍্যাপারদের মধ্যে সর্বাধিক গ্র্যামি জয়ের রেকর্ড। এত দিন এই রেকর্ড ছিল র‍্যাপার জে-জি’র দখলে। জে-জি’র মোট গ্র্যামি ছিল ২৫টি, আর কেনড্রিক লামার তা ছাড়িয়ে এখন পৌঁছালেন ২৭টিতে।

ব্রিটিশ গায়িকা লোলা ইয়াং সেরা পপ সলো পারফরম্যান্স বিভাগে ‘মেসি’ গানের জন্য জয় পেয়েছেন, হারিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকজন বড় প্রতিদ্বন্দ্বীকে। গুরুত্বপূর্ণ ‘সং অব দ্য ইয়ার পুরস্কার’ পেয়েছেন বিলি আইলিশ।

মঞ্চে সাবরিনা কার্পেন্টার। এএফপি
মঞ্চে সাবরিনা কার্পেন্টার। এএফপি

পুরস্কার ছাড়াও গ্র্যামিতে ছিল পারফরম্যান্স। গানে গানে মঞ্চ মাতান রোজে, ব্রুনো মার্স, লেডি গাগা, জাস্টিন বিবার, টেইলর, দ্য ক্রিয়েটর ও রেজিনা কিং। গ্র্যামির সঞ্চালনায় এবার শেষবারের মতো ফিরেছেন ট্রেভর নোয়া। টানা ষষ্ঠবারের মতো অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছেন তিনি।

একনজরে গুরুত্বপূর্ণ শাখায় গ্র্যামি পুরস্কার
রেকর্ড অব দ্য ইয়ার: ‘লুথার’, কেনড্রিক লামার ও সিজা
অ্যালবাম অব দ্য ইয়ার: ‘ডেবি তিয়ার মাস ফোতোস’, ব্যাড বানি
সং অব দ্য ইয়ার : ‘ওয়াইল্ডফ্লাওয়ার’, বিলি আইলিশ
বেস্ট নিউ আর্টিস্ট: ওলিভিয়া ডিন
বেস্ট পপ সলো পারফরম্যান্স: ‘মেসি’, লোলা ইয়ং
বেস্ট পপ ডুয়ো অথবা গ্রুপ পারফরম্যান্স: ‘ডাই উইথ আ স্মাইল’, লেডি গাগা ও ব্রুনো মার্স
বেস্ট পপ ভোকাল অ্যালবাম: ‘মেহ্যাম’, লেডি গাগা
রেস্ট র‍্যাপ অ্যালবাম: ‘জিএনএক্স’, কেনড্রিক লামার

ভ্যারাইটি অবলম্বনে

ঢাকা

অভিনেত্রী সিডনি সুইনি রাজনীতি নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন। ‘হোয়াইট লোটাস’ ও ‘দ্য হাউসমেইড’ তারকা জানিয়েছেন, রাজনৈতিক বিষয়ে প্রকাশ্যে মত দেওয়ার কোনো পরিকল্পনাই তাঁর নেই—এ নিয়ে যত চাপই থাকুক না কেন।
কসমোপলিটন সাময়িকীতে প্রচ্ছদ হয়েছেন সিডনি। সেখানেই দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিডনি সুইনি বলেন, ‘আমি শিল্পের মানুষ। আমি রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে এখানে আসিনি। এটা এমন কোনো ক্ষেত্র নয়, যেখানে আমি কখনো নিজেকে কল্পনাও করেছি। আমি যে মানুষটি হয়েছি, তার কারণও এটা নয়।’

২৮ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী জানান, তাঁর পুরো মনোযোগ তাঁর কাজের ওপরই। তিনি বলেন,‘আমি অভিনেতা হয়েছি কারণ আমি গল্প বলতে ভালোবাসি।’ নিজের মূল্যবোধের কথাও তুলে ধরে যোগ করেন, ‘আমি কোনো ধরনের ঘৃণায় বিশ্বাস করি না। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের সবাইকে একে অপরকে ভালোবাসতে হবে, সম্মান ও বোঝাপড়ার জায়গা তৈরি করতে হবে।’

সিডনি স্বীকার করেন, রাজনীতিতে জড়াতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণেই উল্টো তিনি আরও বেশি সমালোচনার মুখে পড়ছেন। তাঁর ভাষায়, ‘আমি সব সময় শিল্প তৈরি করতেই এখানে এসেছি, তাই এটা এমন কোনো আলোচনা নয়, যেখানে আমি সামনে থাকতে চাই। আর মনে হয়, সেই কারণেই মানুষ বিষয়টা আরও বাড়িয়ে তোলে এবং আমাকে তাদের নিজেদের “অস্ত্র” হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। কিন্তু অন্য কেউ আমার ওপর কিছু আরোপ করছে—সেটা আমার নিয়ন্ত্রণে নেই।’

‘দ্য হাউসমেইড’ সিনেমার প্রিমিয়ারে সিডনি সুইনি। এএফপি
‘দ্য হাউসমেইড’ সিনেমার প্রিমিয়ারে সিডনি সুইনি। এএফপি

মনে করা হচ্ছে, গত বছরের আমেরিকান ঈগল ব্র্যান্ডের একটি বিজ্ঞাপন প্রচারণা ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর আর কাজের বাইরে কথা বলতে চাচ্ছেন না তিনি। কসমোপলিটনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিডনি আরও বলেন, অন্যের বিশ্বাস বা মতামত তাঁর ওপর চাপিয়ে দেওয়া মোটেও স্বস্তিদায়ক নয়। ‘মানুষ যখন বলে দেয় আপনি কী বিশ্বাস করেন বা কী ভাবেন—বিশেষ করে যখন সেটা আপনার সঙ্গে মেলে না—তখন সেটা খুবই অস্বস্তিকর। এটা আমার জন্য অদ্ভুত এক অভিজ্ঞতা। কারণ, এটা আমি নই। এর কোনোটাই আমি নই,’ বলেন তিনি।

এর আগে গত ডিসেম্বরে পিপল সাময়িকীতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি যে বিষয়টিকে ‘অপ্রত্যাশিত’ বলেছিলেন, সেই বিতর্ক তাঁকে সোশ্যাল মিডিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে। তিনি বলেন, ‘আমি অনলাইনে থাকি, সব দেখি। কিন্তু ধীরে ধীরে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিচ্ছি। বিষয়টা এমন পর্যায়ে গেছে, যেখানে সবকিছু হজম করা আমার জন্য আর স্বাস্থ্যকর নয়।’

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের অফিসিয়াল পেজ থেকে পোস্ট করেছেন নগরবাউল জেমস।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) পোস্টে তিনি লিখেছেন, 'বাংলাদেশের নির্বাচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।'

নগরবাউল জেমস আরও লিখেছেন, 'মহান আল্লাহ তায়ালা যেন খালেদা জিয়াকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকামে অধিষ্ঠিত করেন—আমিন।' 

এছাড়াও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন জেমস।

সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে চিত্রনায়িকা পপিকে তার নিজ বাড়িতে যেতে দেয়া হচ্ছে না। এমনকি তাকে হত্যার হুমকি পর্যন্ত দেয়া হয়েছে। হত্যার এই হুমকি দিয়েছেন তার চাচাতো বোনের স্বামী তারেক আহমেদ চৌধুরী । 

গত ১৯ নভেম্বর পপির বড় চাচা কবির হোসেন মারা গেলেও তিনি হুমকির কারণে তাকে দেখতে যেতে পারেননি তিনি। 

পপির অভিযোগ, চাচা কবির হোসেনের কাছ থেকে ২০০৭ সালে জমি ক্রয় করেন তিনি। সেই জমি দখলে রেখেছেন তার চাচাতো বোন মুক্তা ও তার স্বামী তারেক আহমেদ চৌধুরী নিজের সম্পত্তি বুঝে চাইলে তাকে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখান তারেক। এমনকি খুলনার মাটিতে গেলেও তিনি বেঁচে ফিরতে পারবেন না বলে তাকে হুমকি দেয়া হয় তাকে। 

পপি বলেন, আমার চাচা যখন বাইরের লোকদের কাছে জমি বিক্রয় করছিলেন তখন আমি আমাদের পরিবারের সম্মানের কথা ভেবে আমি নিজেই আমার সঞ্চয়ের টাকা দিয়ে সম্পত্তি ক্রয় করি। আমার চাচা ২০০৭ সালেই জমি রেজিট্রি করে দিয়েছেন। কিন্তু এর কয়েবছর পর যখন আমি আমার জায়গা বুঝে নিতে যাই তখনই আমাকে হুমকি দেয়া হতো।

জানা যায়,  শুধু পপিকে নয়, তার আরেক চাচা বাবর হোসেনকেও নানা সময়ে হুমকি দিয়েছেন তারেক। এ বিষয়ে সম্প্রতি খুলনায় সংবাদ সম্মেলনও করেন তিনি। 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে কয়েক দফা খুলনার জমিদার বাড়িতে গেলেও দেখা করেননি অভিযুক্ত তারেক। এমনকি মোবাইল ফোনে ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে তার স্ত্রী মুক্তা ফোন রিসিভি করে এ বিষয়ে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব