• Colors: Yellow Color

বিয়ে করলেন অভিনেত্রী নীলাঞ্জনা নীলা। আজ ঈদের দিন দুপুরে নিজের ফেসবুকে বিয়ের কথা জানান তিনি। বরের সঙ্গে বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে আমি ও কাউসার মাহমুদ গত ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছি।’

বিয়ের আসলে কাউসার মাহমুদ ও নীলাঞ্জনা নীলা। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
বিয়ের আসলে কাউসার মাহমুদ ও নীলাঞ্জনা নীলা। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

পোস্টে নীলাঞ্জনা নীলা আরও লিখেছেন, ‘দীর্ঘদিনের পরিচয় ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার পর দুই পরিবারের সম্মতিতে আমরা আমাদের জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছি। অনুষ্ঠানটি ঘনিষ্ঠ পারিবারিক পরিবেশে সীমিত আয়োজনে সম্পন্ন হয়েছে। আমরা আমাদের এই নতুন পথচলার জন্য সকলের দোয়া, ভালোবাসা ও শুভকামনা কামনা করছি, যেন আগামী জীবন পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও শান্তিতে পরিপূর্ণ হয়।’

বিয়ের আসলে কাউসার মাহমুদ ও নীলাঞ্জনা নীলা। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
বিয়ের আসলে কাউসার মাহমুদ ও নীলাঞ্জনা নীলা। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

লাক্স তারকা নীলাঞ্জনা নীলার চলচ্চিত্রে অভিষেক ‘গহীন বালুচর’ দিয়ে। ছবিটি পরিচালনা করেন বদরুল আনাম সৌদ। সাত বছর পর ২০২৪ সালে একই নির্মাতার ‘শ্যামা কাব্য’ দিয়ে আবার প্রেক্ষাগৃহে ফেরেন তিনি।

মহাসমারোহে শুরু হয়েছে ল্যাকমে ফ্যাশন উইক ২০২৬। মুম্বাইয়ের জিও ওয়ার্ল্ড কনভেনশন সেন্টারে ১৯ মার্চ শুরু হওয়া চার দিনের এই আয়োজন চলবে ২২ মার্চ পর্যন্ত। প্রতিবছরের মতো এবারও দেশের নানা প্রান্তের নামী-অনামী ডিজাইনাররা তাঁদের নতুন ভাবনা, নকশা ও বৈচিত্র্যময় ফ্যাশন-ভাষা নিয়ে হাজির হয়েছেন এ আসরে। আন্তর্জাতিক নানা সংস্কৃতির ছাপ থাকলেও আয়োজনজুড়ে উজ্জ্বলভাবে উঠে এসেছে ভারতীয় ঐতিহ্য ও নান্দনিকতাও।

উদ্বোধনী দিনের অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন দক্ষিণি অভিনেতা সিদ্ধার্থ। ডিজাইনার বিবেক করুণাকরণের শোস্টপার হয়ে তিনি র‌্যাম্পে ওঠেন বাদামি সিল্ক কোট ও মাটির রঙের ড্রেপড ধুতি প্যান্টে। তাঁর উপস্থিতিতে ছিল একাধারে দৃঢ়তা ও প্রশান্তির ছাপ, যা শোর সূচনাতেই আলাদা মাত্রা যোগ করে।

উদ্বোধনী দিনের অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন দক্ষিণি অভিনেতা সিদ্ধার্থ। ল্যাকমের ফেসবুক থেকে
উদ্বোধনী দিনের অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন দক্ষিণি অভিনেতা সিদ্ধার্থ। ল্যাকমের ফেসবুক থেকে

বিবেক করুণাকরণের ‘দ্য থাঙ্গাম’ শীর্ষক সংগ্রহে দক্ষিণ ভারতের সোনার সঙ্গে গভীর কিন্তু সংযত সম্পর্ককে আধুনিক আনুষ্ঠানিক পুরুষ পোশাকের ভাষায় প্রকাশ করা হয়েছে। এই সংগ্রহে ব্যবহৃত হয়েছে কাঁচা সিল্ক, তসর, কাঞ্জিভরম ও সিল্ক অর্গানজা। রঙের প্যালেটে ছিল সোনালি, এক্রু আর মাটির আভা।
গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে সিদ্ধার্থ বলেন, ‘উনি যা-ই ডিজাইন করেন, আমার মনে হয়, সেটা আমি রাজপ্রাসাদেও পরতে পারি, আবার বাড়িতেও।’

প্রথম দিনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য আয়োজন ছিল ‘দ্য বয়’স ক্লাব’, যেখানে সুশান্ত অ্যাবরলের ‘কান্ট্রিমেড’, ধ্রুব বৈশ এবং সাহিল আনেজার নকশা উপস্থাপিত হয়।
‘কান্ট্রিমেড’ সংগ্রহটি অনুপ্রাণিত স্মৃতিস্তম্ভের স্থাপত্য থেকে। এতে ফিকে জলপাই, পোড়া বাদামি, অক্সিডাইজড ব্রোঞ্জ, সাদা ও কালোর ব্যবহার দেখা গেছে। নকশায় ছিল মাড-রেজিস্ট প্রিন্টিং, কোল্ড পিগমেন্ট ডাইং, ব্রোঞ্জ প্যাটিনা, কাঁথা ও কাঁচা প্রান্তের অ্যাপ্লিকের ব্যবহার।

ধ্রুব বৈশ তাঁর সংগ্রহে সমকালীন পুরুষ পোশাকে নীরব নগরজীবনের প্রতিফলন তুলে ধরতে চেয়েছেন। তাঁর নকশায় লিনেন, সুতি, ডেনিম ও প্রিন্টেড সিল্ক ব্যবহারের মধ্য দিয়ে তৈরি হয়েছে সংযত কিন্তু আধুনিক এক ভাষা।
অন্যদিকে সাহিল আনেজার ‘স্ট্রাটা’ সংগ্রহ অনুপ্রাণিত পরিবর্তনশীল প্রাকৃতিক ভূখণ্ড এবং গলিত পাথরের তরলতা থেকে। বিভিন্ন টেক্সচার ও স্তরবিন্যাসের মাধ্যমে তিনি পোশাকে তৈরি করেছেন আলোছায়ার নাটকীয় বৈপরীত্য।

প্রথম দিনের শেষভাগে অনামিকা খান্না তাঁর একে ওকে কালেকশন নিয়ে হাজির হন এক ভিন্ন স্বাদের উপস্থাপনায়। এটি তাঁর আগের যেকোনো শোর তুলনায় আলাদা বলেই মনে হয়েছে। অনামিকার সম্ভারে ছিল ঢোলা ধুতি প্যান্ট, অসমমিত রাফল টপ, রিল্যাক্সড কো-অর্ড সেট ও ফ্লোর-লেন্থ গাউন। সবকিছুই এমনভাবে নির্মিত, যাতে তা একই সঙ্গে অনুষ্ঠান ও দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য মানানসই হয়।
নিজের ভাবনা প্রসঙ্গে অনামিকা বলেন, ‘মূল ভাবনাটা ছিল অসম্পূর্ণতা। সবকিছু নিখুঁত না হলেও সেটাকে মেনে নেওয়ার মধ্যেই সৌন্দর্য আছে।’

প্রথম দিনের শোয়ে দর্শকসারিতেও ছিল তারকাদের উপস্থিতি। আরমান মালিক, আশনা শ্রফ, নেহা ধুপিয়া, অঙ্গদ বেদি, জনিতা গান্ধী ও বনি কাপুরকে দেখা গেছে বিভিন্ন আয়োজনে।

অনামিকা খান্নার ওকে কালেকশন নিয়ে হাজির হন এক ভিন্ন স্বাদের উপস্থাপনায় এক মডেল। ল্যাকমের ইনস্টাগ্রাম থেকে
অনামিকা খান্নার ওকে কালেকশন নিয়ে হাজির হন এক ভিন্ন স্বাদের উপস্থাপনায় এক মডেল। ল্যাকমের ইনস্টাগ্রাম থেকে

দ্বিতীয় দিনের শুরু হয় একঝাঁক নবীন প্রতিভাবান ডিজাইনারের বৈচিত্র্যময় সম্ভার দিয়ে। এনআইএফ গ্লোবাল ‘জেন নেক্সট’ আয়োজনের মাধ্যমে ফ্যাশন–দুনিয়ায় অভিষেক হয়েছে তরুণ ডিজাইনারদের। তাঁদের সৃষ্টিতে ভারতীয় সংস্কৃতির পাশাপাশি উঠে এসেছে জাপান, কোরিয়া ও প্যারিসের নান্দনিক ছোঁয়া। তবে বহির্বিশ্বের এই রেফারেন্সের ভিড়েও ভারতীয় উপাদান ও শিকড়ের উপস্থিতি ছিল স্পষ্ট।
এদিন এক নবীন ডিজাইনারের পোশাক পরে র‌্যাম্প আলোকিত করেন অভিনেত্রী রাধিকা মাদান।

ফ্যাশন ডিজাইন কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার (এফডিসিআই) সহযোগিতায় আয়োজিত ল্যাকমে ফ্যাশন উইক ২০২৬-এ আগামী কয়েক দিনজুড়ে আরও নানা চমক নিয়ে হাজির হবেন প্রতিষ্ঠিত ও উদীয়মান ডিজাইনাররা।

ল্যাকমে ফ্যাশন উইকে রাধিকা মদন। এএফপি
ল্যাকমে ফ্যাশন উইকে রাধিকা মদন। এএফপি

শৈশব থেকে ছিল লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশনের দুনিয়ার প্রতি প্রবল আকর্ষণ। এক দশকের বেশি সময় ধরে অভিনয়জগতের সঙ্গে যুক্ত তিনি। তবে মাত্র ২১ বছর বয়সেই জান্নাত জুবের রহমানি যে পরিমাণ সম্পত্তি গড়ে তুলেছেন, সেটা প্রায় অবিশ্বাস্য। ইন্ডিয়া টুডে অবলম্বনে ছবিতে ছবিতে জেনে নেওয়া যাক অভিনেত্রী সম্পর্কে কিছু তথ্য।

 ছোট পর্দার নায়িকাদের মধ্যে জান্নাতের জনপ্রিয়তা ব্যাপক। হিনা খান, নিয়া শর্মা কিংবা শ্বেতা তিওয়ারি, রুপালি গাঙ্গুলিদের মতো তাঁকে নিয়েও দর্শকমহলে কৌতূহলের অন্ত নেই। মাত্র পাঁচ বছর বয়স থেকে অভিনয়ের জন্য অডিশন দিতে শুরু করেন জান্নাত। সাত বছর বয়সে ‘চাঁদ কে পার চলো’ সিরিয়ালে ছোট চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
ছোট পর্দার নায়িকাদের মধ্যে জান্নাতের জনপ্রিয়তা ব্যাপক। হিনা খান, নিয়া শর্মা কিংবা শ্বেতা তিওয়ারি, রুপালি গাঙ্গুলিদের মতো তাঁকে নিয়েও দর্শকমহলে কৌতূহলের অন্ত নেই। মাত্র পাঁচ বছর বয়স থেকে অভিনয়ের জন্য অডিশন দিতে শুরু করেন জান্নাত। সাত বছর বয়সে ‘চাঁদ কে পার চলো’ সিরিয়ালে ছোট চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
এরপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি জান্নাতকে। ‘কাশি: অব না রহে’, ‘মাট্টি কি বন্নো’, ‘সিয়াসত’, ‘মহাকুম্ভ’, ‘মেরি আওয়াজ হি পহেচান’ থেকে ‘ফুলওয়া’, ‘ভারত কা বীর পুত্র: মহারানা প্রতাপ’–এর মতো একাধিক সিরিয়ালে নজর কাড়েন তিনি। রিয়ালিটি শোর মঞ্চেও বহুবার অতিথি শিল্পী হিসেবে দেখা গেছে তাঁকে। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
এরপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি জান্নাতকে। ‘কাশি: অব না রহে’, ‘মাট্টি কি বন্নো’, ‘সিয়াসত’, ‘মহাকুম্ভ’, ‘মেরি আওয়াজ হি পহেচান’ থেকে ‘ফুলওয়া’, ‘ভারত কা বীর পুত্র: মহারানা প্রতাপ’–এর মতো একাধিক সিরিয়ালে নজর কাড়েন তিনি। রিয়ালিটি শোর মঞ্চেও বহুবার অতিথি শিল্পী হিসেবে দেখা গেছে তাঁকে। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
২০২৭ সালে নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল শুরু করেছিলেন জান্নাত। ধারাবাহিকের পাশাপাশি একাধিক মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন। এমনকি শ্রদ্ধা কাপুর, রানী মুখার্জিদের মতো তারকাদের সঙ্গেও সিনেমায় অভিনয় করেছেন। এবার সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় সম্পত্তির পরিমাণে রীতিমতো চমকে দিলেন তিনি! অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
২০২৭ সালে নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল শুরু করেছিলেন জান্নাত। ধারাবাহিকের পাশাপাশি একাধিক মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন। এমনকি শ্রদ্ধা কাপুর, রানী মুখার্জিদের মতো তারকাদের সঙ্গেও সিনেমায় অভিনয় করেছেন। এবার সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় সম্পত্তির পরিমাণে রীতিমতো চমকে দিলেন তিনি! অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
জানা গেছে, মাত্র একুশেই ৩০০ কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিক তিনি। কিন্তু কীভাবে এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির মালিক হলেন অভিনেত্রী? অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
জানা গেছে, মাত্র একুশেই ৩০০ কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিক তিনি। কিন্তু কীভাবে এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির মালিক হলেন অভিনেত্রী? অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
সিনেমা-সিরিয়ালে অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রচার, বিজ্ঞাপনী দূত, ইনস্টাগ্রামে স্পনসর কন্টেন্ট তৈরির মতো একাধিক আয়ের উৎস রয়েছে জান্নাতের। তা ছাড়া মিউজিক ভিডিও, ইউটিউব থেকে আয় তো রয়েছেই। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
সিনেমা-সিরিয়ালে অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রচার, বিজ্ঞাপনী দূত, ইনস্টাগ্রামে স্পনসর কন্টেন্ট তৈরির মতো একাধিক আয়ের উৎস রয়েছে জান্নাতের। তা ছাড়া মিউজিক ভিডিও, ইউটিউব থেকে আয় তো রয়েছেই। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
 সিরিয়ালে প্রতি পর্বের জন্য ১০ থেকে ২০ লাখ রুপি পারিশ্রমিক নেন জান্নাত। ‘খতরোঁ কে খিলাড়ি ১২’–এর প্রতি পর্বের জন্য জান্নাত ১৮ লাখ রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন। নায়িকার সংগ্রহে বিলাসবহুল গাড়িও রয়েছে। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
সিরিয়ালে প্রতি পর্বের জন্য ১০ থেকে ২০ লাখ রুপি পারিশ্রমিক নেন জান্নাত। ‘খতরোঁ কে খিলাড়ি ১২’–এর প্রতি পর্বের জন্য জান্নাত ১৮ লাখ রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন। নায়িকার সংগ্রহে বিলাসবহুল গাড়িও রয়েছে। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
 ইনস্টাগ্রামে সর্বাধিক অনুসারী থাকা ভারতীয় টেলি তারকাদের তালিকায় জান্নাত অন্যতম। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
ইনস্টাগ্রামে সর্বাধিক অনুসারী থাকা ভারতীয় টেলি তারকাদের তালিকায় জান্নাত অন্যতম। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

‘কেডি: দ্য ডেভিল’ সিনেমার নতুন গান ‘সরকে চুনর তেরি সরকে’ প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। গানটিতে পারফর্ম করেছেন অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত ও নোরা ফাতেহি। তবে মুক্তির পরই অনেক দর্শক গানটির ভাষা ও উপস্থাপনাকে ‘অশালীন’ ও ‘যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ’ বলে সমালোচনা করছেন। বিতর্কের পরেই গানটি ইউটিউব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। এবার গানটি নিয়ে মুখ খুললেন নোরা ফাতেহি।

নোরা জানান, গানটির কথা ও উপস্থাপনা সম্পর্কে তাঁকে আগেভাগে সঠিকভাবে জানানো হয়নি। তাঁর দাবি, তাঁকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
সবচেয়ে বড় অভিযোগটি এসেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে। নোরার দাবি, গানটির কিছু অংশে এআই ব্যবহার করা হয়েছে, যা তাঁর অনুমতি ছাড়া করা হয়েছে বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে আগে থেকেই নির্মাতাদের সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও গানটি সেভাবেই প্রকাশ করা হয়।

গানের দৃশ্যে সঞ্জয় দত্ত ও নোরা। কোলাজ
গানের দৃশ্যে সঞ্জয় দত্ত ও নোরা। কোলাজ

গানটি নিয়ে শুধু সামাজিক মাধ্যমেই নয়, বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনেও গড়ায়। আপত্তির জেরে গানটি ইউটিউব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং ভারতের সংসদেও বিষয়টি ওঠে। এর আগে ভারতের জাতীয় মানবাধিকার সংস্থার পক্ষ থেকেও নির্মাতাদের বিরুদ্ধে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।

নোরা জানান, এই প্রজেক্টে যুক্ত হওয়ার পেছনে বড় কারণ ছিল সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ। তবে শেষ পর্যন্ত গানটি যেভাবে উপস্থাপিত হয়েছে, তা নিয়ে তিনি হতাশ।

এ ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে—একজন শিল্পীকে কতটা স্বচ্ছভাবে কাজের বিবরণ জানানো হয়? এবং এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে শিল্পীর সম্মতি কতটা গুরুত্ব পাচ্ছে? তবে নোরার অভিযোগ নিয়ে নির্মাতাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস অবলম্বনে

শাড়ি, বোল্ড স্টেটমেন্ট ব্লাউজ আর মিনিমাল গয়নার কম্বিনেশনে মৌনী রায়ের নতুন ফেস্টিভ লুক নজর কাড়ছে। উৎসবের সাজে অনুপ্রেরণার এক নিখুঁত উদাহরণ এই লুক।

মৌনী রায় নামটির সঙ্গে ফ্যাশনজগতের কমবেশি সবাই পরিচিত। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের এই বাঙালি মেয়ের দাপট এখন বলিউড জুড়েও। অভিনয়ে তাঁর যতটা নামডাক, তার চেয়েও বেশি নজর কাড়েন ফ্যাশন সেন্সে। নিত্যনতুন ডিজাইনের পোশাকে তাঁর উপস্থিতি সোশ্যাল মিডিয়ায় বরাবরই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

এথনিক হোক বা ওয়েস্টার্ন—দুই ধরনের পোশাকেই তিনি সমান স্বচ্ছন্দ ও আকর্ষণীয়। তবে বাঙালি বলেই হয়তো শাড়ির লুকে মৌনী যেন হয়ে ওঠেন অপ্সরীর মতো সুন্দর।

 
 

সম্প্রতি তেমনই এক লুকে ধরা দিয়েছেন তিনি। হালকা পেস্তা-সবুজ টোনের একটি শিয়ার শাড়িতে দেখা গেছে অভিনেত্রীকে, যার জমিনজুড়ে রয়েছে সূক্ষ্ম সিকুইন ডিটেইলিং।

 

শাড়িটির নরম, স্বচ্ছ টেক্সচার লুকে এনেছে এক ধরনের স্বপ্নিল আবহ। ঝিলমিল করা সোনালি বর্ডারটি মিনিমাল হলেও পুরো লুকে যোগ করেছে রাজকীয় ছোঁয়া।

এই লুকের অন্যতম আকর্ষণ তাঁর ব্লাউজ। ব্যাকলেস ডিজাইনে তৈরি এই ব্লাউজে রয়েছে স্টাইলিশ আবেদন। উজ্জ্বল ফুশিয়া গোলাপি রঙের ডিপ-নেক ব্লাউজটি ভারী গোল্ড সিকুইন ও সূক্ষ্ম এমবেলিশমেন্টে অলংকৃত, যা শাড়ির সফট টোনের সঙ্গে তৈরি করেছে দারুণ কনট্রাস্ট।

 

শাড়ির সঙ্গে মিনিমাল কিন্তু নজরকাড়া গয়না পরেছেন তিনি। ট্র্যাডিশনাল গোল্ড ঝুমকা এবং হাতে পরা আংটি ছাড়া অতিরিক্ত কিছু নেই সাজে । মেকআপে ফুটে উঠেছে সফট গ্ল্যাম আমেজ । স্মোকি আই লুকের সঙ্গে পিচি-ন্যুড লিপকালার আর কপালে সাদা পাথরের টিপে সেজেছেন।

 
 

কোমর ছুঁয়ে থাকা চুলগুলো  হালকা ওয়েভে স্টাইলে ছেড়ে রাখা। সব মিলিয়ে, শাড়ি, বোল্ড স্টেটমেন্ট ব্লাউজ এবং মিনিমাল গয়নার সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে এক নিখুঁত ফেস্টিভ লুক—যা সহজেই অনুপ্রেরণা হতে পারে যেকোনো উৎসবের সাজে।

ছবি: ইন্সটাগ্রাম

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা শামস সুমন মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। হাসপাতাল থেকে শামস সুমনের মৃত্যুর খবরটি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছে অভিনেতা সুজাত শিমুল। শামস সুমন রেডিও ভূমির স্টেশন প্রধান এবং চ্যানেল আই এর অনুষ্ঠান বিভাগের পরিচালক ছিলেন।

হাসপাতাল থেকে অভিনেতা সুজাত শিমুল জানান, আজ বিকেল পাঁচটা পর এই অভিনেতা হঠাৎই অসুস্থতাবোধ করেন। তিনি পরে অসুস্থতার কথা জানান আরেক অভিনেতা শাহাদৎ হোসেনকে। শাহাদৎ দ্রত তাঁকে ঢাকার গ্রিন রোড এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই তিনি মারা যান।

নাটকের দৃশ্যে শামস সুমন
নাটকের দৃশ্যে শামস সুমন, ফেসবুক থেকে
 

সুজাত শিমুল বলেন, ‘আমরা চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, মূলত কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে শামস সুমনের মৃত্যু হয়েছে।’

অভিনেতা শামস সুমন
অভিনেতা শামস সুমন, ফাইল ছবি
 

শামস সুমন অভিনীত চলচ্চিত্রগুলো হলো ‘মন জানে না মনের ঠিকানা’, (২০১৬) ‘কক্সবাজারে কাকাতুয়া’, ‘চোখের দেখা’, ‘প্রিয়া তুমি সুখী হও’, ‘আয়না কাহিনি’, ‘বিদ্রোহী পদ্মা’, ‘জয়যাত্রা’, ‘নমুনা’, ‘হ্যালো অমিত’।

২০০৮ সালে ‘স্বপ্নপূরণ’ চলচ্চিত্রে পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছিলেন।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব