• Colors: Green Color

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে রীতিমতো গোলবন্যার উৎসবে মাতলো জার্মানি। প্রতিপক্ষ কুরাসাওকে ৭-১ ব্যবধানে হারিয়ে আসর শুরু করল চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের হাভার্টেজ জোড়া গোলের পাশাপাশি আরও পাঁচ নাম তোলেন স্কোরবোর্ডে।

রোববার (১৪ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে ‘ই’ গ্রুপের ম্যাচে অভিষিক্ত কুরাসাওয়ের মোকাবিলা করে জার্মানরা।

ম্যাচের ৬ষ্ঠ মিনিটেই এনমেচার গোলে লিড পায় চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে সমতায় ফিরতে সময় নেয়নি কুসারাও। ১৪ মিনিট বাদে বক্সের ভেতর থেকে কুরাসাওয়ের রাইটব্যাক লিভানো কোমেনেনসিয়ার বাঁ পায়ের দুর্দান্ত এক শট ম্যানুয়েল নয়্যারকে ফাঁকি দিয়ে সরাসরি চলে যায় গোলপোস্টে।

ম্যাচের ৩৮তম মিনিটে কর্নার থেকে সহজ হেডে গোল করেন জার্মান ডিফেন্ডার নিকো শ্লটারবেক। প্রথমার্ধের বাকি সময়েও আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেলে জার্মানরা। যোগ করা সময়ের শেষ পর্যায়ে পেনাল্টিতে গোল করে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে নেন কাই হাভার্টজ। শেষ পর্যন্ত ৩-১ এ লিড নিয়ে বিরতিতে যায় কিমিখের দল।

বিরতির পর একের পর এক কঠিন আক্রমণে কুরাসাওয়ের রক্ষণভাগকে যেন তাসের ঘরের মতো ভেঙে ফেলে জার্মানরা। বিরতইর পত দ্বিতীয় মিনিটেই  জশুয়া কিমিখের পাস ধরে দারুণ ফিনিশিংয়ে গোল করেন মুসিয়ালা।

এরপর ম্যাচের ৬৮, ৭৮ ও ৮৮ ঠিক ১০ মিনিটের ব্যবধানে আরও তিনটি গোল করে জার্মানি। স্কোরবোর্ডে নাম তোলেন নাথানিয়েল ব্রাউন, ডেনিজ উনদাভ ও হাভার্টাজ।

উল্লেখ্য, ১২ বছর আগে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ব্রাজিলকে ৭-১ গোলে হারিয়েছিল জার্মানি। বেলোহরিজন্তের সেই স্মৃতি আরও একবার ফিরিয়ে আনলো ডিম্যানশাফটরা।

নেদারল্যান্ডসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ভালো শুরু করল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ইংল্যান্ডের এজবাস্টনে আজ ১ নম্বর গ্রুপের ম্যাচে টসে জিতে ব্যাটিং নিয়ে ৮ উইকেটে ১৩৯ রান করে ডাচরা। সেই লক্ষ ৫ বল হাতে রেখে পেরিয়ে যায় বাংলাদেশ নারী দল। জুয়াইরিয়া ফেরদৌসের ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৫০ রান। ৩৩ বলে ৭ চার ও ২ ছক্কায় এই রান করেছেন বাংলাদেশ ওপেনার।

দিলারা আক্তারের সঙ্গে জুয়াইরিয়ার ৬৭ রানের উদ্বোধনী জুটিই মূলত বাংলাদেশের জয়ের ভিত গড়ে দেয়। ৭.৫ ওভারেই এই রান করেছেন তাঁরা। জুটির ৫০ রানই এসেছে জুয়াইরিয়ার ব্যাট থেকে। অষ্টম ওভারের পঞ্চম বলে ক্যারোলিনা ডি ল্যাঙ্গার বলে পয়েন্টে ক্যাচ দিয়ে জুয়াইরিয়ার বিদায়ের ঠিক পরের বলেই আউট হয়ে যান অধিনায়ক নিগার সুলতানা।

২৩ বলে ২৬ রান করে ওপেনার দিলারা যখন ফিরলেন, বাংলাদেশের স্কোর ১০.২ ওভারে ৭৯/৩। পরের ওভারে সোবহানা মোস্তারিও (১০ বলে ৪) ফেরার পর স্কোরটা হয়ে যায় ৮৫/৪।

দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেওয়ার পর শারমিন আক্তার ও স্বর্ণা আক্তার
দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেওয়ার পর শারমিন আক্তার ও স্বর্ণা আক্তারএএফপি

এরপর স্বর্ণা আক্তারকে নিয়ে ৫৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান শারমিন আক্তার। শারমিন ৩২ বলে ৩৭ ও স্বর্ণা ১৭ বলে ১৮ রান করে অপরাজিত ছিলেন।

এর আগে ডাচ মেয়েদের ইনিংসে সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন অধিনায়ক বাবেটা ডি লিডি। বাংলাদেশের পেসার মারুফা আক্তার ৩১ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। বুধবার হেডিংলিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

নেদারল্যান্ডস: ২০ ওভারে ১৩৯/৮ (ডি লিডি ৫০, সিগার্স ১৬; মারুফ ২/৩১, রিতু ১/১৭, রাবেয়া ১/২৬, সানজিদা ১/২৯, ফারিহা ১/৩২)।
বাংলাদেশ: ১৯.১ ওভারে ১৪১/৪ (জুয়াইরিয়া ৫০, শারমিন ৩৭*, দিলারা ২৬, স্বর্ণা ১৮*; ডি ল্যাঙ্গা ২/২৭)।
ফল: বাংলাদেশ ৬ উইকেটে জয়ী।
প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ: জুয়াইরিয়া ফেরদৌস।

সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে এক উইকেটে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়িয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এর আগে, ব্যাট করে ২৭৫ রানের টার্গেট দেয় বাংলাদেশ। জবাবে, শেষ ওভারে এক উইকেট হাতে রেখেই ম্যাচ জেতে অজিরা।  

ইনিংসের প্রথম ওভারেই, বারলেটের বলে বোল্ড হয়ে মাত্র ২ রানে ফেরেন সৌম্য সরকার। 

দ্বিতীয় উইকেটে, ৫১ রানের পার্টনারশিপ গড়ে আউট হন ১৯ রান করা তানজিদ হাসান তামিম। অপরদিকে, অধিনায়ক শান্ত ফেরেন ২৪ রান করে। দু'জনই আউট হন ম্যাট রেনশো'র বলে। 

এরপর তাওহীদ হৃদয়কে নিয়ে ৯২ রানের জুটি গড়ে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে সাজঘরে ফেরেন লিটন; পরে আবারও ক্রিজে এসে তুলে নেন মিরপুরে তার প্রথম ফিফটি। 

অন্যদিকে, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে নিয়ে ৯৩ রানের জুটি গড়েন হৃদয়। পার্টনারশিপ ভাঙ্গে হৃদয় ৮৩ রান করে ডারউইশের বলে ফিরলে। নির্ধারিত ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৭৪ রানে থামে বাংলাদেশ। মোসাদ্দেক অপরাজিত থাকেন ৫১ বলে ৫৬ রান করে। 

জবাবে, ৭০ রানের মধ্যে তিন উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। অন্যপ্রান্তে অবিচল কুপার কনোলি লাবুশেন, গ্রীন, পিককে নিয়ে কিছু ছোট ছোট জুটি গড়ে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন।

ম্যাচের শেষদিকে, ৪ রানে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ জমিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। সেট ব্যাটার কনোলি ১৪৯ রানে আউট হলে ম্যাচ নেমে আসে শেষ উইকেটে। তবে, ম্যাচ জিততে পারেনি বাংলাদেশ। এই পরাজয়ের পরও ২-১'এ সিরিজ নিশ্চিত করে টাইগার'রা। 

অস্ট্রেলিয়া ২: ০ তুরস্ক

তুরস্ক পারল না। একের পর এক আক্রমণ করেও একবারও অস্ট্রেলিয়ার জালে বল জড়াতে পারেনি দলটি।

নিজেদের গোলপোস্টের সামনে নিখুঁত দেয়াল তুলে দাঁড়িয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। সেটারই ফল পেয়েছে দলটি। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে গোল করেছেন নেস্তরি ইরানকুন্ডা ও কনর মেটকাফ।

অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় গোল

আবার পাল্টা আক্রমণ, আবার গোল!

গোলপোস্ট থেকে প্রায় ২০ গজ দূরে বল পান কনর মেটকাফ। ম্যাচের ৭৫ মিনিটে সেখান থেকে দারুণ এক শটে বল জালে জড়ান তিনি।

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১–১ গোলে ড্র করেছে ব্রাজিল। ম্যাচে ব্রাজিলের শুরুটা বাজে হলেও ধীরে ধীরে খেলায় উন্নতি করেছে। তবে এখনো নিজেদের সেরা ছন্দের কাছাকাছিও নেই ‘সেলেসাও’রা। ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি স্বীকার করেছেন, প্রথমার্ধে দলের খেলা তাঁর পছন্দ হয়নি। তবে আনচেলত্তি মনে করিয়ে দিয়েছেন, বিশ্বকাপের ভাগ্য প্রথম ম্যাচেই নির্ধারিত হয় না।

ম্যাচ শেষে আনচেলত্তি বলেন, ‘প্রথমার্ধের খেলাটা আমাদের ভালোভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। দল ভালো খেলেনি, ভারসাম্যে কিছু সমস্যা ছিল। অপ্রয়োজনীয় ফাউল করেছি, অনেক বল হারিয়েছি। এই জায়গাগুলোয় আমাদের উন্নতি করতে হবে।’

দ্বিতীয়ার্ধে খেলায় উন্নতি হয়েছে বলে দাবি করেন আনচেলত্তি। তাঁর ভাষায়, ‘দ্বিতীয়ার্ধে ভালো খেলেছি, আত্মবিশ্বাস হারানো যাবে না। প্রথম ম্যাচের পর আমরা ভাবতে পারি না যে দলটি নিখুঁত। এই ফল আমরা মেনে নিচ্ছি, যা মোটেও খারাপ নয়। পরের ম্যাচে আমরা আরও লড়াই করব। বিশ্বকাপ তো প্রথম ম্যাচেই জেতা যায় না।’

প্রথমার্ধে খারাপ খেলার পেছনে স্নায়ুচাপকেও দায়ী করেন ব্রাজিলের এই ইতালিয়ান কোচ, ‘আমার মনে হয় প্রথমার্ধটা কঠিন ছিল। দল কিছুটা স্নায়ুচাপে ভুগেছে। দ্বিতীয়ার্ধে আমরা অনেক ভালো খেলেছি। ম্যাচটাও ছিল কঠিন। তবে আমি বিশ্বাস করি, পরের ম্যাচে দল আরও উন্নতি করবে।’

ভিনিসিয়ুসের গোলে হার এড়িয়েছে ব্রাজিল
ভিনিসিয়ুসের গোলে হার এড়িয়েছে ব্রাজিল, এএফপি
 

ম্যাচের কোন দিকটি ভালো লেগেছে জানতে চাইলে আনচেলত্তির উত্তর, ‘দল শেষ মিনিট পর্যন্ত লড়েছে। ইতিবাচক বিষয় হলো, আমাদের কোথায় উন্নতি করতে হবে, সেটা এখন পরিষ্কার। আরও ভারসাম্যপূর্ণ এবং আক্রমণভাগে আরও আগ্রাসী দল গড়ে তুলতে আমাদের কাজ চালিয়ে যেতে হবে।’

ভক্তদের সমালোচনা নিয়েও এ সময় কথা বলেন আনচেলত্তি, ‘আপনাকে অবশ্যই সমালোচনা মেনে নিতে হবে, যখন দল ভালো খেলতে পারে না। আমি ব্যক্তিগতভাবে কোনো খেলোয়াড়ের সমালোচনা করি না, সমালোচনা পুরো দলের। কারণ, প্রথমার্ধে দল ভালো খেলেনি।’

মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচে ব্রাজিলকে উদ্ধার করেছেন ভিনিসিয়ুস। তাঁর পারফরম্যান্স নিয়ে আনচেলত্তি বলেছেন, ‘ভিনি ভালো খেলেছে, সে বিপজ্জনক ছিল। তার যে মান ও সামর্থ্য, আমি বিশ্বাস করি সে দারুণ একটি বিশ্বকাপ কাটাবে।’

‘বি’ গ্রুপ থেকে ব্রাজিল হাইতির বিপক্ষে পরের ম্যাচ খেলবে আগামী শনিবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ছয়টায়।

১৯৯৮ সালের পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপে খেলছে স্কটল্যান্ড। আর ২৮ বছর পর ফেরার আসর জয় দিয়েই উড়ন্ত শুরু করেছে রাঙাল ইউরোপিয়ান দলটি। হাইতিকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে তারা। দলের হয়ে একমাত্র গোল দেন অধিনায়ক জন ম্যাকগিন। 

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল সমানতালে লড়াই করলেও একমাত্র গোলের দেখা পায় স্কটল্যান্ড। দেশের হয়ে অধিনায়ক ম্যাকগিনের এটি ২১তম গোল হলেও গুরুত্বের বিচারে অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গোল হজমের পর দারুণভাবে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে হাইতি। বিশেষ করে ডান প্রান্তে লুইসিয়াস ডিডসনের গতিময় আক্রমণ স্কটিশ রক্ষণকে বেশ কয়েকবার চাপে ফেলে। ৩৪ মিনিটে গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গানের ভুল থেকে প্রায় সমতা ফিরিয়ে ফেলেছিল হাইতি, তবে জ্যাক হেন্ড্রি বিপদমুক্ত করেন দলকে।

৪২ মিনিটে জ্যাঁ-রিকনার বেলগার্দে রক্ষণ ভেঙে শট নিলেও তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এর আগে উইলসন ইসিদরের হেডও পোস্টের বাইরে চলে যায়।

অন্যদিকে স্কটল্যান্ডও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করে। বেন গ্যানন-ডোক একাধিকবার ডিফেন্ডারদের কাটিয়ে এগোলেও শেষ পাসে সফল হতে পারেননি। চে অ্যাডামসও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছিলেন, যদিও অফসাইডের কারণে সেই আক্রমণটি শেষ পর্যন্ত ফলপ্রসূ হয়নি।

প্রথমার্ধের একমাত্র হলুদ কার্ডটি দেখেন হাইতির বেলগার্দে। লরেন্স শ্যাঙ্কল্যান্ডের ওপর দেরিতে করা স্লাইড ট্যাকলের জন্য তাকে সতর্ক করেন রেফারি।

বিরতির পর আক্রমণাত্মক মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামে হাইতি। খেলা শুরুর মাত্র ৩০ সেকেন্ডের মাথায় স্কটিশ ডিফেন্ডার অ্যারন হিকি হলুদ কার্ড দেখেন। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে স্কটল্যান্ড কয়েকটি আক্রমণ গড়ে তুললেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে হাইতির দিকে চলে যায়। একের পর এক আক্রমণে স্কটিশ রক্ষণকে ব্যস্ত রাখে তারা।

শেষ দিকে ম্যাচের নাটকীয়তা আরও বেড়ে যায়। ৮৪ মিনিটে বেলগার্দের ক্রস থেকে পিয়েরোর হেড অল্পের জন্য বাইরে চলে গেলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে স্কটল্যান্ড। ৮৬ মিনিটে স্কট ম্যাকটমিনে প্রায় গোলের সুযোগ তৈরি করলেও হাইতির ডিফেন্ডার হ্যানেস ডেলক্রোয়া গুরুত্বপূর্ণ ট্যাকলে বিপদ সামাল দেন।

শেষ পর্যন্ত জন ম্যাকগিনের প্রথমার্ধের একমাত্র গোলই পার্থক্য গড়ে দেয়। ১৯৯০ সালের ১৬ জুন সুইডেনকে হারানোর পর এই প্রথম বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে জয় পেল স্কটল্যান্ড। ১-০ গোলের এই জয়ে গ্রুপ ‘সি’-এর শীর্ষেও উঠে এসেছে স্টিভ ক্লার্কের দল।

 

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব