• Colors: Green Color

৮৭ বল হাতে রেখে জিতল বাংলাদেশ

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৬ উইকেটে জিতে তিন ম্যাচের সিরিজে ১–১ ব্যবধানে সমতায় বাংলাদেশ।

আজ শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ওয়ানডে ৮৭ বল হাতে রেখে জিতল বাংলাদেশ। অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ২৫ বলে ৮ এবং তাওহিদ হৃদয় ৩১ বলে ৩০ রানে অপরাজিত ছিলেন। ষষ্ঠ উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ৩২ রানের জুটপি গড়ে জেতান দুজন।

নিউজিল্যান্ডের ১৯৮ রান তাড়ায় ৪ ওভারের মধ্যে ২১ রানে সাইফ হাসান ও সৌম্য সরকারকে হারায় বাংলাদেশ। তৃতীয় উইকেটে ১১০ রানের জুটি গড়েন তানজিদ হাসান ও নাজমুল হোসেন। ৭৬ রান করেন তানজিদ। নাজমুল ৫০ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন।

(অব্যবহৃত) বলের হিসাবে ওয়ানডেতে এটি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বড় জয়। ২০২৩ সালে নেপিয়ারে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০৯ বল হাতে রেখে জিতেছে বাংলাদেশ।

আজ বাংলাদেশের জয়ের ভিত ফিল্ডিংয়েই গড়ে দেন ফাস্ট বোলার নাহিদ রানা। ৩২ রানে ৫ উইকেট নেন তিনি।

আগামী বৃহষ্পতিবার চট্টগ্রামে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

নিউজিল্যান্ড: ৪৮.৪ ওভারে ১৯৮ (কেলি ৮৩, আব্বাস ১৯, স্মিথ ১৮ *; নাহিদ ৫/৩২, শরীফুল ২/৩২, সৌম্য ১/২৭, তাসকিন ১/৪৬)।

বাংলাদেশ: ৩৫.৩ ওভারে ৪/১৯৯ (তানজিদ ৭৬, নাজমুল ৫০*, হৃদয় ৩০, লেনক্স ২/৩৬, স্মিথ ১/৪৬)।

ফল: বাংলাদেশ ৬ উইকেটে জয়ী।

ম্যাচসেরা: নাহিদ রানা

সিরিজ: তিন ম্যাচের সিরিজে ১–১ ব্যবধানে সমতায় বাংলাদেশ।

নিউজিল্যান্ড: ৩৬.৩ ওভারে ১৪৫/৫

অবশেষে নিক কেলি থেকে মুক্তি মিলল বাংলাদেশের। শরীফুলকে তুলে মারতে গিয়ে মিডউইকেটে হৃদয়ের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। থামল কেলির ১০২ বলে ৮৩ রানের ইনিংস।

১৪৫ রানে পঞ্চম উইকেট হারাল নিউজিল্যান্ড। নতুন ব্যাটসম্যান জশ ক্লার্কসন, আগে থেকে আছেন ডিন ফক্সক্রফট।

সেঞ্চুরি বাবর আজম আগেও করেছেন। টি-টুয়েন্টিতে ক্রিস গেইলের পর সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরিই তাঁর। তবে ধীর ব্যাটিংয়ের জন্য সমালোচিত আর অফ ফর্মের কারণে জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া বাবর এবার টি-টুয়েন্টি সেঞ্চুরির নতুন এক কীর্তি গড়েছেন।

রোববার রাতে পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) পেশোয়ার জালমির হয়ে কোয়েটা গ্লাডিয়েটরসের বিপক্ষে ৫২ বলে ১০০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন বাবর। ১৯২ স্ট্রাইক রেটের ইনিংসটিতে মাত্র একটি বল ডট দিয়েছেন তিনি, যা ৫০ বা এর চেয়ে বেশি বলের ইনিংসে সবচেয়ে কম।

প্রথমে ব্যাট করতে নামা পেশোয়ারের হয়ে ওপেনিং করেন বাবর। প্রথম ওভারে নেন ১ বলে ১ রান। এরপর দ্বিতীয় ওভারে তিন বল খেলার সুযোগ পেয়ে নেন ৭ রান। এভাবে ধীরে ধীরে খোলস ছেড়ে ৩১ বলে ফিফটিতে পৌঁছান বাবর। এবারের আসরে একবার ৮৭, আরেকবার ৭১ রানে অপরাজিত থাকা বাবর এবার দ্রুতলয়ে ঢুকে যান নব্বইয়ের ঘরে।

তবে সেঞ্চুরিটা এসেছে একেবারে শেষ মুহূর্তে। ইনিংসের শেষ বলে তিনি দাঁড়িয়েছিলেন ৯৮ রানে। আলজারি জোসেফের বল লং অনে পাঠিয়ে ডাইভে দ্বিতীয় রান পূর্ণ করে তিন অঙ্ক স্পর্শ করেন। পিএসএলে এটি তাঁর তৃতীয় সেঞ্চুরি, টি-টুয়েন্টিতে ১২তম।

সেঞ্চুরির উচ্ছ্বাস বাবরের
সেঞ্চুরির উচ্ছ্বাস বাবরেরএক্স/পেশোয়ার জালমি

বাবরের ইনিংসটিতে ছিল ৪টি ছক্কা, ৬টি চার। পাশাপাশি তিন রান নেন একবার, দু রান করে ৯ বার। সিঙ্গেল থেকে আসে বাকি ৩১ রান। সব মিলিয়ে ৫২ বলের ৫১টিতেই তিনি রান নিয়েছেন। যে বলটি ডট দিয়েছেন, সেটি ১৪তম ওভারের শেষ বলে। আলজারি জোসেফের ঘণ্টায় ১৪৬.৭ কিলোমিটার গতির বলটি ছিল বাউন্সার, বাবর ছেড়ে দিয়েছিলেন।

বাবরের রেকর্ডগড়া সেঞ্চুরির ম্যাচটিতে পেশোয়ার ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ২৫৫ রান তোলে। এরপর কোয়েটাকে ১৩৭ রানে গুটিয়ে দিয়ে ১১৮ রানের বড় জয় তুলে বাবরের দল।

ম্যানচেস্টার সিটি ২ : ১ আর্সেনাল

দৃশ্যটা চোখে লেগে থাকার মতো।

গ্যাব্রিয়েলের মুঠো থেকে আর্লিং হলান্ডের ছিঁড়ে যাওয়া জার্সির টুকরোটা খসে পড়ল। প্রিমিয়ার লিগের ট্রফিটাও কি ঠিক এভাবেই আর্সেনালের হাত থেকে ফসকে গেল?

ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে লড়তে গিয়েছিল আর্সেনাল। যেটাকে বলা হচ্ছিল ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের এই মৌসুমের অলিখিত ফাইনাল। আর সেই ফাইনালে সিটি ২-১ গোলে হারিয়ে ভীষণ জমিয়ে দিল শিরোপা লড়াই। আপাতত ৩৩ ম্যাচ শেষে আর্সেনালের পয়েন্ট ৭০। অন্যদিকে ৩২ ম্যাচ খেলে সিটির পয়েন্ট ৬৭। কিন্তু সিটির হাতে একটা বাড়তি ম্যাচ মানে কার্যত দুই দল এখন সমান অবস্থানে। এই জয়ের পর মানসিকভাবে হয়তো সিটিই অনেকটা এগিয়ে।

ম্যাচশেষে যে ছবিটা ফুটবলপ্রেমীদের মনে গেঁথে থাকবে, তা হয়তো ওই এক টুকরো ছিঁড়ে যাওয়া কাপড়ের। মরিয়া হয়ে হলান্ডকে আটকাতে চেয়েছিলেন আর্সেনাল ডিফেন্ডার গ্যাব্রিয়েল। টানাটানিতে সিটির গোলমেশিনের গায়ের জার্সি ছিড়ে ওই কাপড়ের টুকরোটা চলে যায় তাঁর হাতে। হলান্ড অবশ্য কাজের কাজটা এর কয়েক মিনিট আগেই করে ফেলেছেন। ১-১ সমতায় থাকা ম্যাচে ৬৫ মিনিটে গোল করে সেই যে এগিয়ে দিয়েছেন সিটিকে, সেই ব্যবধান আর ঘুচাতে পারেনি আর্সেনাল।

আর্লিং হলান্ডের গোল উদযাপন।
আর্লিং হলান্ডের গোল উদযাপন।প্রিমিয়ার লিগ

তবে ম্যাচের হাইলাইট হতে পারত রায়ান শেরকির সেই অবিশ্বাস্য গোল। বাঁ পায়ে অসাধারণ ড্রিবলিং করে গ্যাব্রিয়েল ও ডেকলান রাইসকে কাটিয়ে উইলিয়াম সালিবার দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে ডান পায়ে নিচু শট। যা দেখে মনে পড়ে যাচ্ছিল লিওনেল মেসির কথা।

হাস্যকর ভুলে গোল খেয়ে হতাশ সিটির গোলরক্ষক দোন্নারুম্মা।
হাস্যকর ভুলে গোল খেয়ে হতাশ সিটির গোলরক্ষক দোন্নারুম্মা।প্রিমিয়ার লিগ

হাইলাইট হতে পারত জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার সেই শিশুসুলভ ভুল। যে ভুলের সুযোগ নিয়ে ১৮ মিনিটে গোল করে সমতা ফেরান আর্সেনাল কাই হাভার্টজ। শেরকির গোলের ঠিক ১০৭ সেকেন্ড পরই! ৪৪১ দিন পর লিগে গোল পেলেন হাভার্টজ। সর্বশেষ গোল করেছিলেন সিটির বিপক্ষেই। মন্দ কপাল তাঁর, গোলটা কাজে লাগল না শেষ পর্যন্ত।

এর আগে মেজাজ হারিয়ে হলান্ডকে ঢুঁস মারার ভঙ্গি করেছিলেন গ্যাব্রিয়েল। হলান্ড মাটিতে পড়ে গেলে হয়তো লাল কার্ডই দেখতে হতো আর্সেনাল ডিফেন্ডারকে। ধাক্কা মারেন হলান্ডও। তবে দুজনেই হলুদ কার্ড দেখে পার পেয়ে যান।

 

যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে হাভার্টজ যখন গোলের সুবর্ণ সুযোগ মিস করে মাথায় হাত দিলেন, ডাগআউটে হাঁটু গেড়ে বসে পড়লেন মিকেল আরতেতা। ওই ভঙ্গিটাই যেন বলে দিচ্ছিল—লড়াইটা বোধহয় শেষ!

আগামী বুধবার বার্নলির বিপক্ষে জিতলেই শীর্ষে উঠবে সিটি। পুরো মৌসুমে মাত্র ৬ দিন যারা শীর্ষে ছিল, সেই সিটির হাতেই কি তবে উঠতে যাচ্ছে লিগের ট্রফি? উত্তরটা জানার জন্য খুব বেশিদিন অপেক্ষা করতে হবে না।

বুন্দেসলিগা বড্ড একঘেয়ে!

বারবার যে বায়ার্ন মিউনিখই চ্যাম্পিয়ন হয়। এবারও যেমন হলো। আজ ঘরের মাঠে ভিএফবি স্টুটগার্টকে ৪-২ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ৩৫তম বারের মতো লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাভারিয়ান পরাশক্তিরা। সর্বশেষ ১৪ মৌসুমেই ১৩ বার বুন্দেসলিগা চ্যাম্পিয়নের নাম বায়ার্ন। ব্যতিক্রম শুধু ২০২৩-২৪ মৌসুমটা, সবাইকে চমকে দিয়ে সেই মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল জাবি আলোনসোর বায়ার লেভারকুসেন।

সমতা ফেরানো গোলের পর সতীর্থদের সঙ্গে রাফায়েল গেরেইরোর (বাঁয়ে) গোল উদ্‌যাপন
সমতা ফেরানো গোলের পর সতীর্থদের সঙ্গে রাফায়েল গেরেইরোর (বাঁয়ে) গোল উদ্‌যাপন, এএফপি
 

বায়ার্ন এবারের লিগটা জিতল চার ম্যাচ হাতে রেখেই। শনিবার নিকট প্রতিদ্বন্দ্বী বরুসিয়া ডর্টমুন্ড হেরে যায়। তাতে বায়ার্ন ও বুন্দেসলিগা শিরোপার দূরত্ব হয়ে যায় মাত্র ১ পয়েন্টের। আজ প্রথম সুযোগেই সেই দূরত্ব ঘুচিয়ে ফেলে চ্যাম্পিয়ন ভিনসেন্ট কোম্পানির দল। ৩০ ম্যাচে বায়ার্নের পয়েন্ট ৭৯, সমান ম্যাচে দুইয়ে থাকা ডর্টমুন্ডের পয়েন্ট ৬৪।

আজ শুরুটা অবশ্য ভালো ছিল না বায়ার্নের। পয়েন্ট তালিকার চারে থাকা স্টুটগার্ট ২১ মিনিটেই এগিয়ে যায় ক্রিস ফুয়েরিখের গোলে। গোলটা করে অবশ্য ভুলই করেছে স্টুটগার্ট। এরপর যে তাদের ছিঁড়েখুঁড়ে ফেলেছে বায়ার্ন। এক মৌসুমে বুন্দেসলিগায় সর্বোচ্চ গোল করার রেকর্ড গড়া দলটি ৩১ থেকে ৩৭ মিনিটের মধ্যেই ৩ গোল করে জয় প্রায় নিশ্চিত করে ফেলে। রাফায়েল গেরেইরো, নিকোলাস জ্যাকসন ও আলফোন্সো ডেভিস করেন গোল তিনটি।

আলিয়াঞ্জ অ্যারেনার লাল সমুদ্র
আলিয়াঞ্জ অ্যারেনার লাল সমুদ্র, এএফপি
 

৫২ মিনিটে হ্যারি কেইনের গোলে জয় পুরোপুরিই নিশ্চিত করে ফেলে বায়ার্ন। এরপর ৮৮ মিনিটে চেমা আন্দ্রেসের গোলে ব্যবধান কমায় স্টুটগার্ট।

চলতি মৌসুমে সব হারানো লিভারপুলের লক্ষ্য এখন চ্যাম্পিয়নস লিগে জায়গা পাওয়া। ফলে সামনে থাকা সব ম্যাচই এখন দলটির জন্য মহাগুরুত্বপূর্ণ। তেমন এক ম্যাচে আজ রোববার রাতে এভারটনের মুখোমুখি হয়েছিল আর্নে স্লটের দল। নানা দিক বিবেচনায় মার্সিসাইড ডার্বির এ ম্যাচটিতে চোখ ছিল অনেকের।

এভারটনের নতুন মাঠ হিল ডিকিনসন স্টেডিয়ামে এটি ছিল প্রথম ডার্বি ম্যাচ। যেটি আবার লিভারপুলের হয়ে মোহাম্মদ সালাহর শেষ ডার্বি ম্যাচও বটে। এমন ম্যাচে শেষ মুহূর্তের গোলে দুর্দান্ত এক জয় পেয়েছে লিভারপুল। এভারটনের বিপক্ষে লিভারপুলের জয় ২–১ গোলে। লিভারপুলকে প্রথমার্ধে এগিয়ে দেন সালাহ। পরে বেতোর গোলে সমতা ফেরায় এভারটন। সেই সেই সমতাতেই শেষ হওয়ার অপেক্ষায় ছিল ম্যাচ।

কিন্তু যোগ করা সময়ের দশম মিনিটে চমক উপহার দেন লিভারপুল অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইক। কর্নার থেকে বল পেয়ে হেডে গোল করে লিভারপুলকে এগিয়ে দেন তিনি। এই গোলই নিশ্চিত করে লিভারপুলের জয়। এই জয়ে ৩৩ ম্যাচে ৫৫ পয়েন্ট নিয়ে ৫ নম্বরে থাকল লিভারপুল। ১০ নম্বরে থাকা এভারটনের পয়েন্ট ৪৭। রাতের অন্য ম্যাচে স্যান্ডারল্যান্ডকে ৪–৩ গোলে হারিয়েছে চারে থাকা অ্যাস্টন ভিলা। যাদের পয়েন্ট ৩৩ ম্যাচে ৫৮।

এভারটনের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণ ও প্রতি–আক্রমণে জমে ওঠে লড়াই। গতিময় ফুটবলে দুই দলই প্রতিপক্ষের রক্ষণকে চাপে রাখে। তবে প্রথম দিকে এভারটনের চেয়ে লিভারপুলই চাপে ছিল বেশি। এভারটন একাধিকবার কাছাকাছি গিয়ে ব্যর্থ হয়।

সালাহর গোল উদ্‌যাপন
সালাহর গোল উদ্‌যাপনএএফপি

শেষ পর্যন্ত ২৭ মিনিটে হিল ডিকিনসন স্টেডিয়ামে মার্সিসাইড ডার্বির প্রথম গোলটি করেন ইলিমান এনদিয়ায়ের। তখন পর্যন্ত যোগ্যতম দল হিসেবেই গোলটি পেয়েছিল তারা। ডান দিক থেকে জ্যাক ও’ব্রেইনের ক্রসে বল পেয়ে সহজেই লক্ষ্যভেদ করেন এনদিয়ায়ে; কিন্তু ভিএআর যাচাইয়ের পর দেখা গেল, ও’ব্রায়েন অফসাইডে ছিলেন। ফলে গোলটি বাতিল করা হয়।

গোল বাতিল হওয়ার হতাশা থেকে বেরোনোর আগেই উল্টো গোল পিছিয়ে পড়ে এভারটন। ৩০ মিনিটে মার্সিসাইড ডার্বিতে নিজের শেষ ম্যাচেই গোল করে লিভারপুলকে এগিয়ে দেন সালাহ। মাঝমাঠে ভুল করে বল হারান এভারটনের ডিউইট ম্যাকনেইল। সেই সুযোগে কোডি গাকপো নিখুঁতভাবে বল বাড়ান সালাহর দিকে। পুরো ফাঁকা জায়গা পেয়ে ঠান্ডা মাথায় শট নেন সালাহ, আর বল জড়িয়ে যায় জালে। ভালো খেলেও পিছিয়ে পড়ে এভারটন। প্রথমার্ধের বাকি সময়ে চেষ্টা করেও আর সমতায় ফিরতে পারেনি এভারটন।

বিরতির পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালিয়ে যায় এভারটন। তবে ৫৪ মিনিটে সমতাসূচক গোলটি অনেকটা আকস্মিকভাবেই পেয়ে যায় তারা। হঠাৎ বাঁ দিকের চ্যানেলে একটি লং পাস আসলে সেটি ধরার জন্য দৌড়ে যান এনদিয়ায়ে ও ডিউসবারি–হল। ইব্রাহিমা কোনাতেকে পেছনে ফেলে বল পেয়ে যান হল। তিনি গোলমুখে দারুণভাবে বল বাড়ান। সেখানে অপেক্ষায় থাকা বেতো ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়ালে ম্যাচে ফিরে আসে এভারটন।

এরপর ম্যাচের শেষ পর্যন্ত দুই দলই চেষ্টা করেছে লিড নেওয়ার। এভারটন ব্যর্থ হলেও শেষ পর্যন্ত জয়ের হাসি হেসেছে লিভারপুল। শেষ মুহূর্তে ফন ডাইকের গোলই গড়ে দেয় পার্থক্য।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব