• Colors: Green Color

আপনি যখন ‘জোড়াতালির’ একটা লিগ খেলে এশিয়ান কাপের মঞ্চে যাবেন, তখন এমন অসহায় আত্মসমর্পণটা স্বাভাবিক! যেখানে প্রতিপক্ষ চীন–উত্তর কোরিয়া, তাদের সামনে দাঁড়ানোর আগে অন্তত উচ্চ র‍্যাঙ্কিংয়ের দলগুলোর বিপক্ষে একাধিক ম্যাচ খেলার প্রয়োজন ছিল। এ প্রয়োজনীয়তার কথা বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের কোচ পিটার বাটলারও বোঝাতে পারেননি দেশের ফুটবল ফেডারেশনকে (বাফুফে)। তাই উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে ৫–০ গোলের হারটা শুধু হার নয়, বাংলাদেশের জন্য একটা শিক্ষাও।

চীন ও উত্তর কোরিয়া—দুই দলের বিপক্ষে দুরকম বাংলাদেশকে দেখা গেল। গ্রুপ পর্বে প্রথম ম্যাচে চীনের দ্রুতলয়ের প্রতি–আক্রমণ, দূরপাল্লার পাস আর ক্রসের পসরা থামিয়ে বাংলাদেশও আক্রমণ করেছে। কিন্তু আজকের চিত্র একেবারে ভিন্ন।

বাংলাদেশের আক্রমণভাগকে নিষ্ক্রিয় করে উত্তর কোরিয়া দেখিয়েছে কীভাবে রক্ষণ তছনছ করতে হয়। গোল পাঁচটা না হয়ে আট–নয়টা বা দশটা হলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকত না। ম্যাচে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ধরন অন্তত সেই কথাই বলছে।

রক্ষণ সামলাতেই হিমশিম খেয়েছে বাংলাদেশ
রক্ষণ সামলাতেই হিমশিম খেয়েছে বাংলাদেশ, এএফপি
 

পুরো ম্যাচে বাংলাদেশের গোলমুখে ৩১টি শট নিয়েছে উত্তর কোরিয়া, যার ১১টি ছিল পোস্টে। বাংলাদেশ প্রতিপক্ষের গোলে একটি শটও নিতে পারেনি। গোলকিপার মিলি আক্তার একটা ধন্যবাদ পেতেই পারেন। পাঁচটি বল তাঁর আশপাশ দিয়ে জাল ছুঁয়েছে ঠিকই, কিন্তু আরও পাঁচ–ছয়টি গোলে শট কিন্তু দারুণ দৃঢ়তায় আটকেছেন তিনি।
শুধু মিলির দৃঢ়তাই নয়, বাংলাদেশের রক্ষণভাগ নিয়েও সন্তুষ্টির জায়গা আছে।

সব মিলিয়ে প্রথমার্ধে উত্তর কোরিয়ার আক্রমণের ক্ষিপ্রতা এতটাই তীব্র ছিল বাংলাদেশের পাঁচ ডিফেন্ডারের সঙ্গে দুই মিডফিল্ডার মারিয়া মান্দা, মনিকা চাকমাও প্রতিপক্ষের আক্রমণ নষ্টের কাজে মন দেন। দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা গুছিয়ে খেলার চেষ্টা করেলেও আক্রমণভাগে বরাবরের মতো ব্যর্থই বাংলাদেশ। বিপরীতে উত্তর কোরিয়া অ্যাটাকিং থার্ডে ক্রমাগত ক্রস বাড়িয়ে, লং শটে তৈরি করা সুযোগগুলোকে গোলে পরিণত করেছে।

উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য শিক্ষা হয়ে থাকল
উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য শিক্ষা হয়ে থাকল, এএফপি
 

বাংলাদেশ নিজেদের পায়ে খুব একটা বল রাখতে পারেনি, পারেনি আক্রমণ করতেও। এই ‘না পারাটা’ যেমন তাদের ভীষণ পীড়া দেবে, তেমনি উত্তর কোরিয়ার শক্তি–সামর্থ্য দেখার পর এই হার থেকে ইতিবাচক বিষয়গুলোও তুলে নেবে।

উত্তর কোরিয়া র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ (র‍্যাঙ্কিংয়ে ১১২তম) থেকে ১০৩ ধাপ এগিয়ে, চারবার বিশ্বকাপে খেলেছে তারা, দশবার এশিয়ান কাপে খেলে তিনবার হয়েছে চ্যাম্পিয়ন। গত দশ ম্যাচে হেরেছে মোটে একটি। এমন একটা দলের বিপক্ষে ৫–০ গোলের হার স্রেফ হারই নয়, বরং বাংলাদেশের এই দলটাকে কীভাবে আরও সামনে এগিয়ে নেওয়া যায়, তা নতুন করে ভাবার উপলক্ষও।

তরুণ গোলকিপার মিলি আক্তার অনেকটাই মার্কিন কিংবদন্তি গায়ক এলভিস প্রিসলির মতো! সিডনিতে নারী এশিয়ান কাপের আবহে বাংলাদেশ কোচ পিটার বাটলার এমন মন্তব্যই করেছেন। গোলপোস্টের নিচে মিলির স্টাইলে এতটাই মুগ্ধ বাটলার যে যুক্তরাষ্ট্রের ‘কিং অব রক অ্যান্ড রোল’–এর সঙ্গে মিলির তুলনা টানলেন তিনি।

নারী এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে অভিষেকে প্রথম ম্যাচে চমক দিয়েছে বাংলাদেশ, আর তার নেপথ্যে রয়েছেন কোচ পিটার বাটলার। প্রথম ম্যাচে নয়বারের এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন চীনের বিপক্ষে ২–০ গোলে হারের ম্যাচে গোলপোস্টের নিচে বাটলার নামিয়ে দিয়েছিলেন তরুণ গোলকিপার মিলি আক্তারকে।

কোরিয়া ম্যাচ সামনে রেখে আজ সকালে ম্যাচের ভেন্যু সিডনি ওয়েস্টার্ন স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন বাটলার। সেখানেই মিলিকে চীনের বিপক্ষে ম্যাচে কেমন দেখলেন—এমন প্রশ্ন করা হয় তাঁকে। উত্তরে মিলির প্রশংসায় বাটলার বলেন, ‘গোলকিপার মিলি অনেকটা এলভিস প্রিসলির মতো, তার দারুণ একটা স্টাইল আছে। এই টুর্নামেন্টে তার চুলের স্টাইলই সেরা। আজ সকালেও আমরা এটা নিয়ে কথা বলছিলাম। সে অনেক দিন ধরেই সুযোগের অপেক্ষায় ছিল এবং সে যে আগে খেলেনি, তার একমাত্র কারণ হলো আমাদের কোনো ম্যাচ ছিল না।’
তরুণ মিলি আক্তার চীনের বিপক্ষে দারুণ সব সেইভ করেছেন
তরুণ মিলি আক্তার চীনের বিপক্ষে দারুণ সব সেইভ করেছেনবাফুফে

বাটলার মনে করেন, বাংলাদেশে সাহসী গোলকিপার আছে, কিন্তু পরিচর্চার অভাবে তাঁরা আলোয় আসতে পারেন না, তাই তাঁদের সুযোগ করে দেওয়াটাই জরুরি।

সংবাদ সম্মেলনে বাটলার যোগ করেন, ‘চীন ম্যাচের আগে ৯০ থেকে ১০০ দিন আমাদের কোনো প্রস্তুতি ম্যাচ ছিল না, যা দুর্ভাগ্যজনক। আমাকে এই সিদ্ধান্তের কোনো কৈফিয়ত দিতে হবে না (মিলিকে একাদশে নেওয়া)। আমার মনে হয় বাংলাদেশের ফুটবলে গোলকিপিংয়ে বড় সমস্যা আছে, যা নিয়ে কাজ করা দরকার। এটা করা আমার কাজ নয়; আমি যা করতে পারি, তা হলো নতুনদের খুঁজে বের করা এবং মিলির মতো তরুণ খেলোয়াড়দের সুযোগ দেওয়ার মতো সাহসী হওয়া।’

এলভিস প্রিসলি
এলভিস প্রিসলিএক্স

মিলির সামর্থ্যের ওপর পূর্ণ বিশ্বাস রেখে বাটলার আরও বলেন, ‘সে এই সুযোগ পাওয়ার যোগ্য ছিল, কারণ তার উচ্চতা আছে (৫ ফুট ৬ ইঞ্চি), হাত ভালো এবং দারুণ একটা চরিত্র। সবচেয়ে বড় কথা, সে একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশ থেকে এসেছে; কারণ, সে একজন সৈনিক এবং অনেকেই এই বিষয়টি জানে না।’

সিডনির মাঠে কালকের ম্যাচে উত্তর কোরিয়ার শক্তিশালী আক্রমণভাগের সামনে এই ‘এলভিস প্রিসলি’র গ্লাভসজোড়া কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

সিডনি থেকে

সিডনি থেকে

এক দল টুর্নামেন্ট ইতিহাসের সবচেয়ে সফল দল, নয়বারের চ্যাম্পিয়ন। অপর দল টুর্নামেন্টটিতে খেলতেই এসেছে এই প্রথম। র‍্যাংঙ্কিংও দেখাচ্ছে বড় পার্থক্য—১৭ আর ১১২। এমন অসম শক্তির দুই দল চীন ও বাংলাদেশ আগামীকাল ওয়েস্টার্ন সিডনি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে এএফসি নারী এশিয়ান কাপের মঞ্চে।

বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা (সিডনির সময় সন্ধ্যা ৭টা) শুরু হতে যাওয়া এই ম্যাচ সামনে রেখে আজ সকালে সিডনির ওয়েস্টার্ন সিডনি স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন চীনের প্রধান কোচ আন্তে মিলিচিক ও অধিনায়ক উ হাইয়ান।

বাংলাদেশ দল র‍্যাংঙ্কিংয়ে অনেক পিছিয়ে থাকলেও তাদের হালকাভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে মনে করেন চীনের কোচ আন্তে মিলিচিক। বাংলাদেশ কোনো অঘটন ঘটাতে পারে কি না—প্রথম আলো প্রতিবেদকের এমন প্রশ্নে মিলিচিক বলেন, ‘আধুনিক ফুটবলে যেকোনো দল যেকোনো দিনে কঠিন সময় উপহার দিতে পারে। বাংলাদেশ এখানে কোনো চাপ ছাড়াই খেলবে। তাদের কিছু ভালো খেলোয়াড় আছে। আমরা তাদের মোটেও খাটো করে দেখছি না। গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের নারী ফুটবলে বিনিয়োগ এবং তাদের খেলার মান অনেক বেড়েছে।’

নিজের প্রাথমিক বক্তব্যে বাংলাদেশ দলের লড়াকু মনোভাবের প্রশংসা করে কোচ বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি তরুণ এবং পরিশ্রমী দল, তারা প্রথমবারের মতো বড় কোনো টুর্নামেন্টে খেলতে এসেছে। তারা কোনো চাপ ছাড়াই সাবলীল ফুটবল খেলে। আমরা আগামীকাল একটি কঠিন ম্যাচের প্রত্যাশা করছি, তবে আমাদের মূল লক্ষ্য আমাদের নিজস্ব প্রস্তুতি এবং পরিকল্পনা মাঠে বাস্তবায়ন করা।’

চীনের কোচ আন্তে মিলিচিক ও অধিনায়ক উ হাইয়ান
চীনের কোচ আন্তে মিলিচিক ও অধিনায়ক উ হাইয়ান

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলা হওয়ায় বর্তমান চীনা কোচের জন্য এটি অনেকটা ঘরে ফেরার মতো। ক্রোয়েশীয় অভিবাসী পরিবারের সন্তান মিলিচিক সিডনির ইনার ওয়েস্ট এলাকার উপশহর স্ট্র্যাথফিল্ডে বেড়ে উঠেছেন। নিজের চেনা আঙিনায় চীনের শিরোপা ধরে রাখার চাপ নিয়ে তিনি বাস্তববাদী, ‘চীনা জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করলে সব সময়ই প্রত্যাশার চাপ থাকে। তবে আমরা অনেক দূরের চিন্তা না করে প্রতিটি ম্যাচ ধরে এগোতে চাই। গত চার বছর আগের টুর্নামেন্টের চেয়ে এবারের টুর্নামেন্ট ভিন্ন। আমাদের নিজেদের প্রত্যাশা অনেক বেশি এবং আমরা আমাদের সমর্থকদের গর্বিত করতে চাই।’

চীনা ফুটবলে অস্ট্রেলিয়ান কোচের প্রভাব নিয়ে তিনি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় আমাদের প্রস্তুতি খুব ভালো হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান কোচরা টেকনিক্যাল দিক থেকে ভিন্ন কিছু এবং ভালো কাঠামো উপহার দিতে পারেন। অস্ট্রেলিয়ান কোচ হিসেবে এই দলের নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ এবং আমি এই আস্থার প্রতিদান দিতে চাই।’

চীনের রক্ষণের অতন্দ্র প্রহরী ও ১২৪ ম্যাচের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন অধিনায়ক উ হাইয়ান গত টুর্নামেন্টটি চোটের কারণে খেলতে পারেননি। এবার বাহুবন্ধনী হাতে মাঠে নামার আগে তিনি বেশ রোমাঞ্চিত। বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে ৩৩ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডার বলেন, ‘এই টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পেরে আমি খুব খুশি। আমরা এরই মধ্যে ভালো প্রস্তুতি নিয়েছি। আগামীকাল আমাদের প্রথম ম্যাচ এবং কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও আমি বিশ্বাস করি আমরা ইতিবাচক পারফরম্যান্স দেখাতে পারব।’

বাংলাদেশকে সমীহ করলেও নিজেদের শক্তিতেই বেশি বিশ্বাসী উ হাইয়ান। স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘বাংলাদেশ র‍্যাংঙ্কিংয়ে নিচে থাকলেও আমরা কালকের ম্যাচের আগে অন্য কিছু নিয়ে ভাবছি না। ধাপে ধাপে এগোতে চাই। চোটের কারণে আমি গত টুর্নামেন্ট মিস করেছিলাম, তাই এবার অধিনায়ক হিসেবে নিজের সেরাটা দিতে আমি উন্মুখ হয়ে আছি।’

মাঠে চীনকে নেতৃত্ব দেবেন ৩৩ বছর বয়সী ডিফেন্ডার উ হাইয়ান
মাঠে চীনকে নেতৃত্ব দেবেন ৩৩ বছর বয়সী ডিফেন্ডার উ হাইয়ান
 

বাংলাদেশ যে বাছাইপর্বে মিয়ানমারের মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়ে এখানে এসেছে, সেটিও নজরে আছে চীনা কোচের। বাংলাদেশের আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে তাঁর মন্তব্য, ‘আমরা প্রতিটি প্রতিপক্ষকে সম্মান করি এবং বিশ্লেষণ করি। বাংলাদেশ দল খুব তরুণ এবং আক্রমণাত্মক। তারা মিয়ানমারকে তাদের মাঠে হারিয়ে এখানে আসার যোগ্যতা অর্জন করেছে।’

চীনের ২৬ জনের স্কোয়াডে থাকা বেশ কিছু খেলোয়াড়ের অস্ট্রেলিয়ান লিগে খেলার অভিজ্ঞতা আছে, যা আগামীকাল তাঁদের কন্ডিশনের বাড়তি সুবিধা দেবে বলে কোচ মনে করেন। এদিকে মাঠের লড়াইয়ে লাল-সবুজের মেয়েরা কতটা প্রতিরোধ গড়তে পারেন, তা দেখতে মুখিয়ে আছে সিডনিপ্রবাসী বাংলাদেশিরাও। কালকের ম্যাচে চীন তাদের দশম মুকুটের পথে প্রথম ধাপ পার করতে চাইলেও, বাংলাদেশ চাইবে এশিয়ার সেরাদের বিপক্ষে নিজেদের চেনাতে।

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর লামের্দে একটি স্পোর্টস হলে রকেট হামলায় অন্তত ২০ জন ভলিবল খেলোয়াড় নিহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এসএনএন টেলিভিশন। খবরটি প্রকাশ করেছে মডার্ন ডট এজেড।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের ফার্স প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় মোট চারটি রকেট আঘাত হানে। এর মধ্যে লামের্দ শহরের একটি স্পোর্টস হল সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হামলার সময় সেখানে ভলিবল খেলোয়াড়দের অনুশীলন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলছিল বলে জানা গেছে। 

এই ঘটনায় প্রায় ১০০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

হামলার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে কোনো পক্ষ দায় স্বীকার করেনি। তবে সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ঘটনাটি নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। এ বিষয়ে ইসরায়েলও আনুষ্ঠানিক কোনো দায় স্বীকার করেনি।

ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। হামলার উৎস ও প্রকৃত দায়ীদের শনাক্ত করতে নিরাপত্তা বাহিনী কাজ করছে।

 

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব