• Colors: Green Color

সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনামের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য আজ ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। স্কোয়াডে নেই কোনো নতুন মুখ। দলে ফিরেছেন বিশ্বনাথ ঘোষ, ফাহমিদুল ইসলাম, আরমান ফয়সাল ও মিরাজুল ইসলাম।

‎সর্বশেষ ২০২৪ সালে ৫ সেপ্টেম্বর ভুটানের বিপক্ষে দেশের জার্সিতে খেলেছিলেন বিশ্বনাথ। চোটের সঙ্গে লড়াই শেষে প্রায় দেড় বছর পর জাতীয় দলে ফিরলেন বসুন্ধরা কিংসে খেলা এই ডিফেন্ডার।

‎ফাহমিদুল, আরমান ও মিরাজুল সর্বশেষ গত নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে স্কোয়াডে ছিলেন না। মিরাজুলের অভিষেক হয় ২০২৪ সালে ভুটানের বিপক্ষে। সেটাই দেশের হয়ে তাঁর সর্বশেষ ম্যাচ। আরমান সর্বশেষ খেলেছেন গত বছর এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে হংকংয়ের বিপক্ষে। একই ম্যাচে ছিলেন ফাহমিদুলও। কার্ডের নিষেধাজ্ঞায় ভারতের সঙ্গে ঘরের মাঠে খেলা হয়নি তাঁর।

‎‎বাংলাদেশ স্কোয়াড: গোলকিপার: মিতুল মারমা, সুজন হোসেন, মেহেদী হাসান। ‎‎ডিফেন্ডার: তারিক কাজী, রহমত মিয়া, শাকিল আহাদ, আবদুল্লাহ ওমর, জায়ান আহমেদ, বিশ্বনাথ ঘোষ, সাদ উদ্দিন ‎মিডফিল্ডার: কাজেম শাহ, শেখ মোরছালিন, জামাল ভূঁইয়া, সোহেল রানা, মোহাম্মদ হৃদয়, শমিত সোম, হামজা চৌধুরী ‎ফরোয়ার্ড: আরমান ফয়সাল, সুমন রেজা, শাহরিয়ার ইমন, ফয়সাল আহমেদ, ফাহামিদুল ইসলাম, মিরাজুল ইসলাম।

৩১ মার্চ এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। তার আগে ২৬ মার্চ ভিয়েতনামের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে হাভিয়ের কাবরেরার দল। আজ রাতেই জামালদের ভিয়েতনামের বিমান ধরার কথা।

‎‎‎এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলার সুযোগ আগেই শেষ হয়ে গেছে বাংলাদেশের। বাছাইপর্বে এখন পর্যন্ত পাঁচ ম্যাচে একটি জয় বাংলাদেশের, সেটি গত নভেম্বর ঘরের মাঠে ভারতের বিপক্ষে। অন্য চার ম্যাচে দুই জয়, দুই ড্র। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের পয়েন্ট ৫।

বার্সেলোনা ৭-২ নিউক্যাসল ইউনাইটেড

ম্যাচে তখন ৬১ মিনিট। নিউক্যাসলের পোস্টে গোলকিপার অ্যারন রামসডেলের চোখেমুখে হতাশা। ছয়টি গোল হজম করেছেন, একবারের জন্যও দেয়াল হতে পারেননি। রামসডেলের আসলে একটিবারের জন্যও কিছুই করার ছিল না। বার্সেলোনা সেই ফাঁক রাখেনি।

৭২ মিনিটের পর রামসডেলের হতাশা অ্যান্থনি এলাঙ্গাদের চোখেমুখেও স্পষ্ট হলো। আরেকটি গোল করেছে বার্সা। ক্যাম্প ন্যুর গ্যালারিতে স্বাগতিক সমর্থকেরা কণ্ঠে গানের সুর। সেটা কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার কি না বোঝা গেল না, তবে তাতে কোনো সন্দেহও ছিল না। মানে বার্সার কোয়ার্টার ফাইনাল ততক্ষণে নিশ্চিত।

অথচ পাঁচ গোলের প্রথমার্ধ শেষেও অনিশ্চয়তার দোলাচলে ছিল দুই দল। বার্সা এগিয়ে ছিল ৩-২ গোলে, তবু প্রথমার্ধে তাঁদের এক ইঞ্চি ছাড় দেয়নি নিউক্যাসল। বিরতির পর এডি হাউয়ের দলের কী হলো কে জানে, হজম করে বসল আরও চার গোল!

জোড়া গোল করেন বার্সা স্ট্রাইকার রবার্ট লেভানডফস্কি
জোড়া গোল করেন বার্সা স্ট্রাইকার রবার্ট লেভানডফস্কিউয়েফা

ঘরের মাঠ সেন্ট জেমস পার্কে প্রথম লেগ ১-১ গোলে ড্রয়ের পর ক্যাম্প ন্যুর ফিরতি লেগে নিউক্যাসলের হারটা তাই প্রথমে দারুণ লড়েও শেষে অসহায় আত্মসমর্পণের মতো। শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়ার আগে ফিরতি লেগে ইংলিশ ক্লাবটির হারের ব্যবধান ৭-২। দুই লেগ মিলিয়ে ৮-৩ গোলের জয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল বার্সা।

ইংলিশ ক্লাব আর্সেনাল দারুণ দাপট দেখিয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। শেষ ষোলোর ফিরতি লেগে তারা ২-০ গোলে বায়ার লেভারকুসেনেকে হারিয়েছে। দুই লেগ মিলিয়ে ৩-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে মিকেল আর্তেতার দল।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতে এমিরেটস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা যায় আর্সেনালকে। যদিও বল দখলে ৫৯ শতাংশ সময় এগিয়ে ছিল লেভারকুসেন, তবে কার্যকর আক্রমণে স্পষ্ট আধিপত্য ছিল স্বাগতিকদের। ২০টি শটের মধ্যে ১৩টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয় তারা, যেখানে লেভারকুসেনের ১০ শটের মধ্যে মাত্র দুটি ছিল অন টার্গেটে।

ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে ডেডলক ভাঙে আর্সেনাল। লিয়েন্দ্রো ট্রোসার্ডের বাড়ানো পাস থেকে দুর্দান্ত শটে গোল করেন এবরেশি এজে। এটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তার প্রথম গোল। গ্রীষ্মকালীন দলবদলে যোগ দেওয়ার পর চলতি মৌসুমে এটি তার নবম গোল।

দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রাইস। ৬৩তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তার শক্তিশালী শট পোস্ট ঘেঁষে জালে জড়ায়। এরপর গোল শোধে মরিয়া হয়ে ওঠে লেভারকুসেন, কিন্তু আর্সেনালের দৃঢ় রক্ষণ ভেদ করতে ব্যর্থ হয় তারা।

ফলে ২-০ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে এবং অ্যাগ্রিগেটে ৩-১ গোলের জয় নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে আর্সেনাল।

 

শেষ ওভারে পাকিস্তানের দরকার ছিল ১৪ রান। বাংলাদেশের বোলার ছিলেন রিশাদ হোসেন।

নিজের প্রথম ৬ ওভারে ৫৪ রান দেওয়া এই স্পিনার শেষ ওভারে করলেন সেরা বোলিংটা। কোনো বাউন্ডারি তো হজম করেনইনি, দিয়েছেন মাত্র ২ রান। এমনকি শেষ বলে স্টাম্পড আউট করেছেন শাহিন আফ্রিদিকেও, যিনি আগের ওভারেই মোস্তাফিজকে দুটি ছক্কা মেরেছেন।

শেষের এমন দুর্দান্ত সমাপ্তিতে পাকিস্তানকে ২৭৯ রানে অলআউট করে বাংলাদেশ ম্যাচ জিতেছে ১১ রানে। সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ৮ উইকেটের জয় থাকায় বাংলাদেশ তিন ম্যাচের সিরিজটা জিতেছে ২–১ ব্যবধানে।

বাংলাদেশের জয়ের আনন্দ
বাংলাদেশের জয়ের আনন্দ
 

বাংলাদেশের আজকের জয়ের নায়ক দুজন। ব্যাট হাতে তানজিদ হাসান, বল হাতে তাসকিন আহমেদ। তানজিদের প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরিতে চড়ে বাংলাদেশ ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৯০ রানের পুঁজি গড়ে।

এরপর বল হাতে পাওয়ারপ্লেতেই পাকিস্তানকে বড় ধাক্কা দেন তাসকিন। নিজের প্রথম দুই ওভারে তুলে নেন দুই উইকেট। ইনিংসের প্রথম তিন ওভারে তিন উইকেট হারানো পাকিস্তান সালমান আগার ব্যাটে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলে। ৪৮তম ওভারে এই সালমানকে ফিরিয়েই (১০৬ রান) বাংলাদেশের জয়ের পথ পরিষ্কার করেন তাসকিন। এর আগে ফাহিম আশরাফকে ফিরিয়ে ভাঙেন একটি বড় জুটিও। সব মিলিয়ে ৪ ওভারে ৪৯ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন এই পেসার। তবে ম্যাচসেরার স্বীকৃতি উঠেছে স্কোরবোর্ডে ভালো পুঁজি এনে দিতে মূল ভূমিকা রাখা তানজিদই।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ২৯০/৫ (তানজিদ ১০৭, হৃদয় ৪৮*, লিটন ৪১, সাইফ ৩৬, নাজমুল ২৭; রউফ ৩/৫২)।
পাকিস্তান: ৫০ ওভারে ২৭৯ (সালমান ১০৬, মাসুদ ৩৮, আফ্রিদি ৩৭, সামাদ ৩৪; তাসকিন ৪/৪৯, মোস্তাফিজ ৩/৫৪, নাহিদ ২/৬২)।
ফল: বাংলাদেশ ১১ রানে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: তানজিদ হাসান।
সিরিজ: তিন ম্যাচ সিরিজে বাংলাদেশ ২–১ ব্যবধানে জয়ী।
ম্যান অব দ্য সিরিজ: তানজিদ হাসান ও নাহিদ রানা।
 
 

আনুষ্ঠানিকভাবে টুর্নামেন্ট শুরুর তারিখ ঘোষণা হলেও আপাতত হচ্ছে না নারী বিপিএলের প্রথম আসর। তিন দল নিয়ে ৪ এপ্রিল থেকে টুর্নামেন্টটি শুরু হওয়ার কথা ছিল। এখন তা আগামী জুলাইয়ে নারী টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের পর আয়োজন করার কথা বলছে বিসিবি।

নারী বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য ইফতেখার রহমান বলেন, ‘ ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো আমাদেরকে জানিয়েছে, প্যাড-হেলমেটসহ অন্য সরঞ্জাম আনার জন্য তাদের হাতে যথেষ্ট সময় নেই। সব মিলিয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি নারী বিপিএল পিছিয়ে দেওয়ার।’

তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজির স্বত্ব বিক্রির জন্য দুই দফায় আবেদনের সময় বাড়ায় বিসিবি। ৮ মার্চ পর্যন্ত সময় বাড়ালেও দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত করতে পারে বিসিবি। ছেলেদের বিপিএলের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের স্বত্বাধিকার নাবিল গ্রুপ ও চট্টগ্রামের কন্টিনেন্টাল গ্রুপ দল নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে। তবে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের আগ্রহ থাকলেও অন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিটি চূড়ান্ত করতে পারেনি বিসিবি।

পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছিল, বগুড়া-চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে এ বছরের ১০ থেকে ২১ জুলাই হবে তিন দলের নারী বিপিএল। বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় সম্ভাব্য ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক ও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে বিসিবি এই টুর্নামেন্ট পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নতুন সূচিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের পাওয়া সহজ হবে বলেও মনে করে বিসিবি। তারা জানিয়েছে, বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে আগামী ১০ জুলাই শুরু হবে নারী বিপিএল। চট্টগ্রাম হয়ে আগামী ২১ জুলাই ঢাকায় হবে নারী বিপিএলের ফাইনাল।

সাইফ হাসানের আউটটা ভুলে যান। ১১৪ রান তাড়া করে জেতার ম্যাচে একটা উইকেট হারানো বিচলিত হওয়ার মতো কিছু নয়। আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান আর তিনে নামা নাজমুল হোসেন মিলে কী করলেন দেখলেন তো! ৫০ ওভারের ক্রিকেটকেই যেন বানিয়ে ফেললেন টি–টোয়েন্টি!

জয় যখন দৃষ্টিসীমায়, তখন এমন সাহসী হয়ে ওঠার জন্য বাড়তি কোনো প্রেরণা লাগে না। তবে ইফতারের আগে খেলা শেষ করতেই জয়ের সময়টাকে কমিয়ে আনতে তাড়িত হলেন কি না বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা, সেই খোঁজ নেওয়া যেতে পারে।

শেষ পর্যন্ত সেটাই হয়েছে। তানজিদ–নাজমুলের চার–ছক্কাগুলো ইফতার বিরতির আগেই শেষ করে দিয়েছে খেলা। পাকিস্তানের ৩০.৪ ওভারে করা মাত্র ১১৪ রান বাংলাদেশ টপকে গেছে ১৫.১ ওভারেই। পাকিস্তানের বিপক্ষে এত বেশি ওভার হাতে রেখে জয় এটাই প্রথম বাংলাদেশের। ৮ উইকেটের জয়ও উইকেটের ব্যবধানে সর্বোচ্চ, তবে পাকিস্তানকে বাংলাদেশ ৮ উইকেটে হারিয়েছে আগেও।

 

১০ ওভার একসঙ্গে থেকে দ্বিতীয় উইকেটে ৮২ রানের জুটি হয়েছে তানজিদ–নাজমুলের। ৫ বাউন্ডারিতে ৩৩ বলে ২৭ রান করে নাজমুল আউট হয়ে গেলেও পাঁচ ছক্কা আর সাত বাউন্ডারিতে তানজিদ অপরাজিত ছিলেন ৪২ বলে ৬৭ রান করে। দলের ১০৯ রানে নাজমুল আউট হয়ে গেলে শেষাংশে তানজিদকে সঙ্গ দেন লিটন দাস। দুজন মিলে ঠিক ইফতারের মুহুর্তে জয় নিশ্চিত করে শেষ করে দেন খেলা। যদিও জয়সূচক রানটা এসেছে মোহাম্মদ ওয়াসিমের ওয়াইড বল থেকে।

 পাঁচ ছক্কা আর সাত বাউন্ডারিতে তানজিদ (বাঁ থেকে দ্বিতীয়) অপরাজিত ছিলেন ৪২ বলে ৬৭ রান করে।
পাঁচ ছক্কা আর সাত বাউন্ডারিতে তানজিদ (বাঁ থেকে দ্বিতীয়) অপরাজিত ছিলেন ৪২ বলে ৬৭ রান করে।
 

খেলার শেষটা দিয়ে লেখার শুরু হলো বটে, তবে আসলে খেলার শুরুটাই দিয়েছিল দ্রুত ম্যাচ শেষের বার্তা। শুরু বলতে অবশ্য পাকিস্তান ইনিংসের প্রথম ৯ ওভার নয়। ওই পর্যন্ত কোনো উইকেট হারায়নি শাহীন আফ্রিদির দল, করেছিল ৩৫ রান। নতুন বলে বাংলাদেশের দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান পারেননি পাকিস্তানের ওপেনিং জুটিতে ভাঙন ধরাতে।
কিন্তু দশম ওভারে বোলিংয়ে এসে ইনিংসের ১৮তম ওভার পর্যন্ত আরেক পেসার নাহিদ রানা যে আগুনের গোলা ছুঁড়ে গেলেন মিরপুরের উইকেটে, সেটাই যথেষ্ট হলো পাকিস্তানকে কাঁপিয়ে দিতে।

নিজের প্রথম পাঁচ ওভারের প্রত্যেক ওভারেই একটি করে উইকেট নিয়ে নাহিদ নিয়েছেন ৫ উইকেট। শেষ দুই ওভারে উইকেট পাননি, যদিও সপ্তম ওভারে পেতে পারতেন ফাহিম আশরাফের উইকেটও। তাঁর এলবিডব্লুর আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার, অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজও নেননি রিভিউ। কিন্তু টিভি রিপ্লেতে পরে গেছে, রিভিউ নিলে নাহিদের নামের পাশে যোগ হতে পারত আরও একটি উইকেট।

 

টসে জিতে বোলিং নিয়ে মিরাজ বলেছিলেন, বোলিংই তাঁর মূল শক্তি। প্রথম ১০ ওভারের মধ্যে কিছু উইকেট ফেলে দিতে পারলে ভালো হয়। বোঝাই যাচ্ছে, অধিনায়ক নিজেও তখন কল্পনা করেননি আসলে কী হতে যাচ্ছে।

প্রথম ১০ ওভারে পাকিস্তানের উইকেট পড়েনি একটিও। তবে এরপরই শুরু ওই ‘নাহিদ শো’র। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে মিরাজ বল দেন নাহিদের হাতে। ওভারের শেষ বলে পয়েন্টে ক্যাচ দিয়ে সাহিবজাদা ফারহানের আউটে প্রথম উইকেট পায় বাংলাদেশ। ইনিংসের ১২তম ওভারে নাহিদের দ্বিতীয় শিকার শামিল হোসেন। অভিষিক্ত শামিল অবশ্য আগের ওভারেই জীবন পেয়েছিলেন। নাহিদের শর্ট লেংথের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ তিনি।

আরেক ওপেনার মাজ সাদাকাত থিতু হওয়ার চেষ্টা করছিলেন অন্যপ্রান্তে। নাহিদ সুযোগ দেননি তাঁকেও। ১৪তম ওভারে শর্ট বলে মাজ সাদাকাত পুল করতে গিয়ে ক্যাচ দেন সাইফ হাসানের হাতে।

৩ উইকেট নিয়েছেন মিরাজ
৩ উইকেট নিয়েছেন মিরাজ
 

৫৫ রানে ৩ উইকেট নেই, বাংলাদেশের হাতে চলে আসে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ। নাহিদ তাঁর পরের দুই ওভারেও মোহাম্মদ রিজওয়ান আর সালমান আগাকে ফিরিয়ে পাকিস্তানকে ছিটকে দেন ম্যাচ থেকেই। পাকিস্তানের ইনিংস শেষ হওয়াটা হয়ে দাঁড়ায় তখন কেবলই সময়ের ব্যাপার।

নাহিদের ছায়ায় ঢাকা পড়ে গেলেও অধিনায়ক মিরাজও ৩ উইকেট নিয়েছেন ১০ ওভারে ২৯ রান দিয়ে। অন্য দুটি উইকেট দুই পেসার তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমানের।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব