• Colors: Green Color

গোয়া থেকে

গোয়া থেকে

২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে আর্জেন্টিনা। কোচ লিওনেল স্কালোনির ঘোষিত দলে সবচেয়ে বেশি প্রতিনিধিত্ব করছে ইউরোপের শীর্ষ লিগে খেলা দলগুলো। স্কালোনি অভিজ্ঞতা ও সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় খেলার অভ্যাস—এ দুই বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েই দল সাজিয়েছেন; যেখানে সবচেয়ে বেশি খেলোয়াড় জায়গা স্প্যানিশ ক্লাব আতলেতিকো মাদ্রিদ থেকে।

এই ক্লাব থেকে সব মিলিয়ে দলে আছেন সর্বোচ্চ ছয়জন খেলোয়াড়। আতলেতিকো থেকে জায়গা পাওয়া সেই খেলোয়াড়েরা হলেন হুয়ান মুসো, নাহুয়েল মলিনা, হুলিয়ান আলভারেজ, নিকো গনসালেস, থিয়াগো আলমাদা ও জুলিয়ানো সিমিওনে।

এই ক্লাব থেকে লিওনেল মেসি ও রদ্রিগো দি পল বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পেয়েছেন। এ ছাড়া শীর্ষ তারকাদের মধ্যে ইংল্যান্ডের লিভারপুল থেকে অ্যালেক্সিস ম্যাক আলিস্টার, চেলসি থেকে জায়গা পেয়েছেন এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যাস্টন ভিলা থেকে এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, ইতালির ইন্টার মিলান থেকে লাওতারো মার্তিনেজ এবং এএস রোমা থেকে লিয়ান্দ্রো পারেদেস স্কোয়াডে সুযোগ পেয়েছেন।
আলভারেজের আতলেতিকো মাদ্রিদ থেকে ৬ জন খেলোয়াড় সুযোগ পেয়েছেন
আলভারেজের আতলেতিকো মাদ্রিদ থেকে ৬ জন খেলোয়াড় সুযোগ পেয়েছেন এক্স

লিগভিত্তিক খেলোয়াড় বণ্টনের ক্ষেত্রে শীর্ষে আছে স্পেনের লা লিগা, যেখানে মোট সাতজন খেলোয়াড় আছেন। এই সাতজনের মধ্যে ছয়জনই আবার আতলেতিকোর। স্প্যানিশ ক্লাব থেকে সুযোগ পাওয়ার অন্যজন হলেন রিয়াল বেতিসের জিওভানি লো সেলসো।

দ্বিতীয় স্থানে আছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ। যেখানে আর্জেন্টিনার পাঁচজন খেলোয়াড় খেলছেন। তাঁরা হলেন অ্যাস্টন ভিলার মার্তিনেজ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, টটেনহামের ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিভারপুলের অ্যালেক্সিস ম্যাক আলিস্টার এবং চেলসির এনজো ফার্নান্দেজ।

তৃতীয় স্থানে রয়েছে ফ্রান্সের লিগ ‘আঁ’, যেখান থেকে পাঁচজন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড় বিশ্বকাপ মিশনে যাবেন—মার্সেইয়ের রুলি, বালের্দি, মেদিনা, স্ট্রাসবুর্গের ভ্যালেন্তিন বার্কো ও লিওঁর নিকোলাস তাগলিয়াফিকো।

তিনটি লিগে রয়েছে সমান দুটি করে প্রতিনিধিত্ব। আর্জেন্টিনা প্রফেশনাল ফুটবল লিগ, সিরি আ এবং মেজর লিগ সকার—এই তিন লিগ থেকেই এসেছে দুজন করে খেলোয়াড়। আর্জেন্টিনা লিগ থেকে ডাক পেয়েছেন বোকা জুনিয়র্সের পারেদেস এবং রিভার প্লেটের গনসালো মন্তিয়েল।

ইতালির সিরি ‘আ’ থেকে আছেন ইন্টার মিলানের লাওতারো মার্তিনেজ এবং কোমোর নিকো পাজ, আর যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার থেকে প্রতিনিধিত্ব করছেন ইন্টার মায়ামির লিওনেল মেসি এবং রদ্রিগো দি পল। এ ছাড়া পর্তুগিজ লিগ থেকে একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে আছেন বেনফিকার নিকোলাস ওতামেন্দি এবং ব্রাজিলিয়ান লিগ থেকে আছেন পালমেইরাসে খেলা হোসে ম্যানুয়েল লোপেজ।

বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনার অধিনায়ক হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপেও খেলবেন লিওনেল মেসি। বৃহস্পতিবার রাতে ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। সেই দলেই জায়গা পেয়েছেন ৩৮ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।

২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে হারিয়ে আর্জেন্টিনাকে তৃতীয় শিরোপা এনে দিয়েছিলেন মেসি। এবার খেলতে নামলে এটি হবে তাঁর ষষ্ঠ বিশ্বকাপ। এর মধ্য দিয়ে পুরুষ ফুটবলে বিশ্বকাপের ছয়টি আসরে খেলা একমাত্র ফুটবলারদের তালিকায় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পাশে নাম লেখাবেন তিনি।

বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডও এখন মেসির দখলে। এখন পর্যন্ত তিনি খেলেছেন ২৬টি ম্যাচ। ২০২২ বিশ্বকাপে সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার জেতা এমিলিয়ানো মার্তিনেজও আছেন দলে। ইংলিশ ক্লাব ফুটবলে খেলা লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও এনসো ফার্নান্দেজও জায়গা পেয়েছেন স্কোয়াডে। দলে আছেন এই সময়ের আলোচিত তরুণ নিকো পাজও।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় বসবে এবারের বিশ্বকাপ। ‘জে’ গ্রুপে থাকা আর্জেন্টিনা নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলবে ১৭ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে, কানসাস সিটিতে। এরপর ডালাসে ২২ জুন অস্ট্রিয়া ও ২৮ জুন জর্ডানের মুখোমুখি হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

কদিন আগে ইন্টার মায়ামির হয়ে এমএলএস ম্যাচে বদলি হয়ে মাঠ ছাড়েন মেসি। সে সময় তাঁর চোটে পড়ার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। পরে ক্লাব জানায়, মেসি চোটে পড়েননি। তিনি বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে পেশিতে ক্লান্তি অনুভব করছিলেন। আর্জেন্টিনার জার্সিতে এখন পর্যন্ত ১৯৮ ম্যাচ খেলেছেন মেসি। বিশ্বকাপের আগে হন্ডুরাস ও আইসল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচে খেললে ২০০ ম্যাচের মাইলফলকও ছুঁয়ে ফেলবেন তিনি।

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ দল:

গোলরক্ষক: হুয়ান মুসো (আতলেতিকো মাদ্রিদ), গেরোনিমো রুই (মার্সেই), এমিলিয়ানো মার্তিনেজ (অ্যাস্টন ভিলা)।

ডিফেন্ডার: লেওনার্দো বালের্দি (মার্সেই), নিকোলাস তাগলিয়াফিকো (লিঁও), গনসালো মন্তিয়েল (রিভার প্লেট), লিসান্দ্রো মার্তিনেজ (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), ক্রিস্তিয়ান রোমেরো (টটেনহাম), নিকোলাস ওতামেন্দি (বেনফিকা), ফাকুন্দো মেদিনা (মার্সেই), নাহুয়েল মলিনা (আতলেতিকো মাদ্রিদ)।

মিডফিল্ডার: লিয়ান্দ্রো পারেদেস (রিভার প্লেট), রদ্রিগো দি পল (ইন্টার মায়ামি), ভালেন্তিন বার্কো (স্ট্রাসবুর্গ), জিওভানি লো সেলসো (রিয়াল বেতিস), এজেকিয়েল পালাসিওস (বায়ার লেভারকুসেন), আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার (লিভারপুল), এনজো ফার্নান্দেজ (চেলসি)।

ফরোয়ার্ড: হুলিয়ান আলভারেজ (আতলেতিকো মাদ্রিদ), লিওনেল মেসি (ইন্টার মায়ামি), নিকোলাস গনসালেস (আতলেতিকো মাদ্রিদ), তিয়াগো আলমাদা (আতলেতিকো মাদ্রিদ), জুলিয়ানো সিমিওনে (আতলেতিকো মাদ্রিদ), নিকো পাজ (কোমো), হোসে ম্যানুয়েল লোপেস (পালমেইরাস), লাওতারো মার্তিনেজ (ইন্টার মিলান)।

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এ নিজেদের প্রথম ম্যাচেই দুর্দান্ত ও দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) নেপালের কাঠমান্ডুর ঐতিহাসিক দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় এই ম্যাচ। গ্রুপ পর্বের এই ম্যাচে মালদ্বীপকে ৪-২ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল।  

এই দাপুটে জয়ের ফলে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করার পাশাপাশি টানা তৃতীয়বার দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা জেতার  অভিযানে দারুণ এক শুভ সূচনা করল বাংলাদেশ।

ম্যাচের শুরু থেকেই ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের মেয়েরা প্রতিপক্ষের ওপর চড়াও হয়ে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। শক্তিশালী আক্রমণভাগের তোপে ম্যাচের প্রথমার্ধেই ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সাবিনা-প্রীতিরা। চমৎকার পাসিং ও মাঝমাঠের নিখুঁত নিয়ন্ত্রণে ম্যাচের পুরোটা সময় মালদ্বীপের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখে বাংলাদেশের ফরোয়ার্ডরা।

তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে বাংলাদেশের রক্ষণভাগের কিছুটা ভুলের সুযোগ নিয়ে মালদ্বীপ ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ায় এবং আকস্মিক স্কোরলাইন ২-২ সমতায় নিয়ে আসে। অবশ্য সমতায় ফেরার সেই আনন্দ মালদ্বীপের জন্য বেশি দীর্ঘ হতে দেয়নি বাংলাদেশ। কৌশলের দ্রুত পরিবর্তন এনে মাঠের নিয়ন্ত্রণ আবারও নিজেদের হাতে তুলে নেয় লাল-সবুজের মেয়েরা। ম্যাচের শেষভাগে সুরভী আক্তার প্রীতির দুর্দান্ত ফিনিশিং এবং উমেলার আকর্ষণীয় স্ট্রাইকে আরও দুটি গোল করে বড় ব্যবধান নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ৪-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচেই পূর্ণ ৩ পয়েন্ট পাওয়ার সুবাদে টুর্নামেন্টের শেষ চারের টিকিট নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। উল্লেখ্য, গত দুই আসরের (২০২২ এবং ২০২৪) চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য এবার টানা তৃতীয় শিরোপার হ্যাটট্রিক ঘরে তোলা।

 

২৯ বলে ১২ ছক্কায় ৯৭ রান। স্ট্রাইকরেট ৩৩৪.৪৮। কাল নিউ চণ্ডীগড়ে আইপিএলের এলিমিনেটর ম্যাচে এমন ইনিংস খেলেছেন ১৫ বছর বয়সী সূর্যবংশী। এমন ইনিংস খেলার পথে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন এই কিশোর। সঙ্গে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে ৪৭ রানের জয়ে তাঁর দল রাজস্থান রয়্যালসও পৌঁছে গেছে কোয়ালিফায়ারে।
৬৫

এবারের আইপিএলে মোট ৬৫টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন সূর্যবংশী। টি–টুয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে কোনো টুর্নামেন্টে এটিই কোনো ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড। ২০১২ আইপিএলে ৫৯টি ছক্কা মেরে আগের রেকর্ডটি গড়েছিলেন ক্রিস গেইল।

২৬৬

গেইল ৫৯টি ছক্কা মারতে খেলেছিলেন ৪৫৬ বল। আর সূর্যবংশী গেইলের রেকর্ড ভেঙে ৬৫টি ছক্কা মারলেন মাত্র ২৬৬ বলে!

২৪২.৮৫ স্ট্রাইক রেট

চলতি মৌসুমে ১৫ ইনিংসে সূর্যবংশীর মোট রান ৬৮০। টি–টুয়েন্টি ইতিহাসের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে এক টুর্নামেন্টে ২০০–এর বেশি স্ট্রাইক রেটে (২৪২.৮৫) ৬০০ রান করেছেন সূর্যবংশী। ২০২২ সালের টি–টুয়েন্টি ব্লাস্টে ১৯২.২৮ স্ট্রাইক রেটে ৬২৩ রান করে এত দিন এই তালিকার শীর্ষে ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার রাইলি রুশো।

কাল ১২ টি ছক্কা মেরেছেন সূর্যবংশী
কাল ১২ টি ছক্কা মেরেছেন সূর্যবংশী, এএফপি
৩৩৪.৪৮ স্ট্রাইক রেট

এলিমিনেটরে সূর্যবংশী ৯৭ রানের ইনিংস খেলেছেন ৩৩৪.৪৮ স্ট্রাইক রেটে। আইপিএলের ইতিহাসে ৯০ বা তার বেশি রানের ইনিংসে এটিই সর্বোচ্চ স্ট্রাইক রেটের রেকর্ড।

১৬ বল

কাল মাত্র ১৬ বলে ফিফটি করেন সূর্যবংশী। আইপিএলের প্লে-অফ বা নকআউট পর্বের ইতিহাসে এটি যৌথভাবে দ্রুততম ফিফটি। ২০১৪ সালে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিপক্ষে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে চেন্নাই সুপার কিংসের সুরেশ রায়নাও ১৬ বলে ফিফটি করেছিলেন।

১২ ছক্কা

এলিমিনেটরে মাত্র ২৯ বলের ইনিংসে ১২টি ছক্কা মারেন সূর্যবংশী। আইপিএলের এক ইনিংসে কোনো ভারতীয় ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড এটি। এর আগেও তিনি একবার ১২টি ছক্কা মেরেছিলেন, সেটিও এসেছিল এই হায়দরাবাদের বিপক্ষেই।

তবে আইপিএলের প্লে-অফ বা নকআউট ম্যাচে এটিই এখন সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড। ২০২৩ সালে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের বিপক্ষে শুবমান গিল ১০টি ছক্কা মেরে এত দিন শীর্ষে ছিলেন।

২৪ বল

ইনিংসের প্রথম ১০টি ছক্কা মারতে সূর্যবংশী খেলেছেন মাত্র ২৪ বল। আইপিএলে এত কম বলে ১০টি ছক্কা আর কেউ মারতে পারেননি। ২০১৩ সালে পুনে ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে অপরাজিত ১৭৫ রানের সেই বিখ্যাত ইনিংসে প্রথম ১০টি ছক্কা মারতে গেইল খেলেছিলেন ২৭ বল।

৮ ছক্কা

কাল ১২টি ছক্কার মধ্যে ৮টিই সূর্যবংশী মেরেছেন প্রথম পাওয়ারপ্লেতে। আইপিএলের ইতিহাসে পাওয়ারপ্লেতে এটিই সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড। এর আগে পাঁচজন ব্যাটসম্যান পাওয়ারপ্লেতে ৭টি করে ছক্কা মেরেছিলেন, যার মধ্যে চলতি মৌসুমে জয়পুরে সূর্যবংশীর নিজেরও একটি ইনিংস ছিল।

পাওয়ারপ্লের প্রথম ৬ ওভারেই সূর্যবংশী রান তুলেছেন ৪৯০
পাওয়ারপ্লের প্রথম ৬ ওভারেই সূর্যবংশী রান তুলেছেন ৪৯০এএফপি
৪৯০

এই মৌসুমে শুধু পাওয়ারপ্লের প্রথম ৬ ওভারেই সূর্যবংশী রান তুলেছেন ৪৯০। ২০১৬ সালের আইপিএলে পাওয়ারপ্লেতে ডেভিড ওয়ার্নারের করা ৪৬৭ রানের রেকর্ড ভেঙেছেন এই কিশোর।

৩০০+

আইপিএলের ৩০০–এর বেশি স্ট্রাইকরেটে সূর্যবংশী পঞ্চাশোর্ধ রানের ইনিংস খেলেছেন ৩ বার, যা আইপিএল ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব