২০২৬ বিশ্বকাপে খেলছে ৪৮ দল। প্রতি দল স্কোয়াডে ২৬ জন খেলোয়াড় রাখার সুযোগ আছে। দেখুন কোন দলের স্কোয়াডে কারা আছেন।

গ্রুপ ‘এ’: দক্ষিণ কোরিয়া

 
গোলরক্ষক ১–কিম সুং–গিউ, ১২–সং বাম–কুন, ২১–জো হিউয়ান–উ। ডিফেন্ডার ২–লি হান–বম, ৪–কিম মিন–জে, ৫–কিম তে–হিউয়ান, ১৩–লি তে–সুক, ১৪–চো উই–জে, ১৫–কিম মুন–হোয়ান, ১৬–পার্ক জিন–সোয়াব, ২২–সুল ইয়াং–উ, ২৩–জেন্স কাস্ট্রপ। মিডফিল্ডার ৩–লি জি–হিউক, ৬–হোয়াং ইন–বম, ৮–পেইক সুং–হো, ১০–লি জে–সুং, ১১–হোয়াং হি–চ্যান, ১৭–বে জুন–হো, ১৯–লি কাং–ইন, ২০–ইয়াং হিউন–জুন, ২৪–কিম জিন–গিউ, ২৫–ইওম জি–সুং, ২৬–লি ডং–গিউয়াং। ফরোয়ার্ড ৭–সন হিয়ুং–মিন, ৯–চো গুয়ে–সুং, ১৮–ওহ হিউয়ান–গিউ।

গ্রুপ ‘এ’: মেক্সিকো

 
গোলরক্ষক ১–রাউল রানহেল, ১২–কার্লোস আসেভেদো, ১৩–গিয়ের্মো ওচোয়া। ডিফেন্ডার ২–হোর্হে সানচেজ, ৩–সেজার মন্তেস, ৪–এদসন আলভারেজ, ৫–হোহান ভাসকেজ, ১৫–ইসরায়েল রেইয়েস, ২০–মাতেও চাভেজ, ২৩–হেসুস গায়ার্দো। মিডফিল্ডার ৬–এরিক লিরা, ৭–লুইস রোমো, ৮–আলভারো ফিদালগো, ১৭–ওরবেলিন পিনেদা, ১৮–ওবেদ ভারগাস, ১৯–গিলবার্তো মোরা, ২৪–লুইস চাভেজ, ২৬–ব্রায়ান গুতিয়েরেজ। ফরোয়ার্ড ৯–রাউল হিমিনেজ, ১০–আলেক্সিস ভেগা, ১১–সান্তিয়াগো হিমিনেজ, ১৪–আরমান্দো গঞ্জালেজ, ১৬–হুলিয়ান কিনিয়োনেস, ২১–সেজার উয়ের্তা, ২২–গিয়ের্মো মার্তিনেজ, ২৫–রবার্তো আলভারাদো।

গ্রুপ ‘এ’: দক্ষিণ আফ্রিকা

 
গোলরক্ষক ১–রনওয়েন উইলিয়ামস, ১৬–সিফো চেইন, ২২–রিকার্ডো গস। ডিফেন্ডার ২–থাবাং মাতুলুদি, ৩–খুলুমানি এনদামানে, ৬–অব্রে মদিবা, ১৪–এমবেকেজেলি এমবোকাজি, ১৮–সামুকেলে কাবিনি, ১৯–এনকোসিনাথি সিবিসি, ২০–খুলিসো মুদাউ, ২১–ইমে ওকন, ২৪–ওলওয়েথু মাখানায়া, ২৬–ব্র্যাডলি ক্রস। মিডফিল্ডার ৪–তেবোহো মোকোয়েনা, ৫–থালেন্তে এমবাথা, ১১–থেম্বা জেওয়ানে, ১৩–স্ফেফেলো সিথোলে, ২৩–জেইডেন অ্যাডামস। ফরোয়ার্ড ৭–ওসউইন অ্যাপোলিস, ৮–শেপাং মোরেমি, ৯–লাইল ফস্টার, ১০–রেলেবোহিলে মোফোকেং, ১২–থাপেলো মাসেকো, ১৫–ইকরাম রেইনার্স, ১৭–এভিডেন্স মাকগোপা, ২৫–কামোগেলো সেবেলেবেলে ।

গ্রুপ ‘এ’: চেক প্রজাতন্ত্র

 
গোলরক্ষক ১–মাতেই কোভার্শ, ১৬–ইনদ্রিখ স্তানেক, ২৩–লুকাশ হর্নিচেক। ডিফেন্ডার ২–দাভিদ জিমা, ৩–তমাশ হোলেশ, ৪–রবিন হ্রানাচ, ৫–ভ্লাদিমির সোফাল, ৬–স্তেপান খালোপেক, ৭–লাদিস্লাভ ক্রেইচি, ১৪–দাভিদ ইয়ুরাসেক, ২০–ইয়ারোস্লাভ জেলেনি, ২১–দাভিদ দুদেরা। মিডফিল্ডার ৮–ভ্লাদিমির দারিদা, ১২–লুকাশ চের্ভ, ১৭–লুকাশ প্রোভোদ, ১৮–মিখাল সাদিলেক, ২২–তমাশ সুচেক, ২৪–আলেকসান্দ্র সোইকা, ২৫–হুগো সোখুরেক। ফরোয়ার্ড ৯–আদাম হ্লোজেক, ১০–পাত্রিক শিক, ১১–ইয়ান কুখতা, ১৩–মইমির খিতিল, ১৫–পাভেল শুলৎস, ১৯–তমাশ খোরি, ২৬–দেনিস ভিশিনস্কি।

গ্রুপ ‘বি’: কানাডা

 
গোলরক্ষক ১–ডেন সেন্ট ক্লেয়ার, ১৬–ম্যাক্সিম ক্রেপো, ১৮–ওয়েন গুডম্যান। ডিফেন্ডার ২–অ্যালিস্টার জনস্টন, ৩–আলফি জোন্স, ৪–লুক ডি ফুগেরোলেস, ৫–জোয়েল ওয়াটারম্যান, ১৩–ডেরেক কর্নেলিউস, ১৫–ময়জে বোমবিতো, ১৯–আলফন্সো ডেভিস, ২২–রিচি লারিয়া, ২৩–নিকো সিগুর। মিডফিল্ডার ৬–ম্যাথু শোয়ানিয়ের, ৭–স্টিভেন ইউস্টাকিও, ৮–ইসমায়েল কোনে, ১১–লিয়াম মিলার, ১৪–জ্যাকব শাফেলবুর্গ, ২১–জোনাথন ওসোরিও, ২৫–নাথান সালিবা, ২৬–মার্সেলো ফ্লোরেস। ফরোয়ার্ড ৯–কাইল লারিন, ১০–জোনাথন ডেভিড, ১২–তানি ওলুওয়াসেয়ি, ১৭–তেজন বুকানান, ২০–আলী আহমেদ, ২৪–প্রমিজ ডেভিড।

গ্রুপ ‘বি’: বসনিয়া

 
গোলকিপার ১–নিকোলা ভাসিল, ১২–ম্লাদেন ইয়ুরকাস, ২২– মার্তিন জ্লোমিসলিচ ডিফেন্ডার ২– নিহাদ মুয়াকিচ, ৩– দেনিস হাজিকাদুনিচ, ৪–তারিক মুহারেমোভিচ, ৫–সিয়াদ কোলাসিনাচ, ৭–আমর দেদিচ, ১৮–নিকোলা কাতিচ, ২১–স্তেপান রাদেলিচ, ২৪–নিদাল চেলিক। মিডফিল্ডার ৬– বেনইয়ামিন তাহিরোভিচ, ৮– আরমিন গিগোভিচ, ১৩–ইভান বাসিচ, ১৪–ইভান সুনিচ, ১৫–আমর মেমিচ, ১৬–আমির হাজিয়ামেতোভিচ, ১৭–জেনিম বুরনিচ, ২৬–এরমিন মাহমিচ। ফরোয়ার্ড ৯–সামেদ বাজদার, ১০–এরমেদিন দেমিরোভিচ, ১১–এদিন জেকো, ১৯–কেরিম আলাইবেগোভিচ, ২০–এসমির বাইরাকতারেভিচ, ২৩–হারিস তাবাকোভিচ, ২৫–ইয়োভো লুকিচ।

গ্রুপ ‘বি’: কাতার

freelance
গোলরক্ষক ১–মাহমুদ আবুনাদা, ২১–সালাহ জাকারিয়া, ২২–মেশাল বারশাম। ডিফেন্ডার ২–পেদ্রো মিগুয়েল, ৩–লুকাস মেন্দেস, ৪–ইসা লায়ে, ৫–জসিম গাবের, ১৩–আয়ুব আল–উয়ি, ১৪–হোমাম আহমেদ, ১৬–বুয়ালেম খুখি, ১৮–সুলতান আল–ব্রেক, ২৫–আল–হাশমি আল–হুসেইন। মিডফিল্ডার ৬–আবদুলআজিজ হাতেম, ১২–করিম বুদিয়াফ, ১৭–আহমেদ আল–গানেহি, ২০–আহমেদ ফাতি, ২৩–আসিম মাদিবো। ফরোয়ার্ড ৭–আহমেদ আলাএলদিন, ৮–এদমিলসন জুনিয়র, ৯–মোহাম্মদ মুন্তারি, ১০–হাসান আল–হেইদোস, ১১–আকরাম আফিফ, ১৫–ইউসুফ আবদুরিসাগ, ১৯–আলমোয়েজ আলী, ২৪–তাহসিন জামশিদ, ২৬–মোহাম্মদ মানাই।

গ্রুপ ‘বি’: সুইজারল্যান্ড

 
গোলরক্ষক ১–গ্রেগর কোবেল, ১২–ইভন এমভোগো, ২১–মারভিন কেলার। ডিফেন্ডার ২–মিরো মুহাইম, ৩–সিলভান ভিডমার, ৪–নিকো এলভেদি, ৫–মানুয়েল আকাঞ্জি, ১৩–রিকার্দো রদ্রিগেজ, ১৮–ইরাই জোমের্ত, ২৪–অরেলে আমেন্দা, ২৫–লুকা হাকেজ। মিডফিল্ডার ৬–দেনিস জাকারিয়া, ৮–রেমো ফ্রয়েলার, ৯–ইয়োহান মানজাম্বি, ১০–গ্রানিত জাকা, ১৪–আরদন ইয়াশারি, ১৫–জিব্রিল সো, ২০–মিশেল আইবিশের, ২২–ফাবিয়ান রিডার। ফরোয়ার্ড ৭–ব্রিল এমবোলো, ১১–ড্যান এনদোয়ে, ১৬–ক্রিস্টিয়ান ফাসনাখট, ১৭–রুবেন ভারগাস, ২৩–নোয়াহ ওকাফোর, ২৩–জেকি আমদুনি, ২৬–সেড্রিক ইটান।

গ্রুপ ‘সি’: ব্রাজিল

 
গোলকিপার ১–আলিসন, ১২–ওয়েভারতন, ২৩– এদেরসন। ডিফেন্ডার ২–এদেরসন সিলভা, ৩–গ্যাব্রিয়েল মাগালাইস, ৪– মার্কিনিওস, ৬– অ্যালেক্স সান্দ্রো, ১৩–দানিলো, ১৪– ব্রেমার, ১৫–লিও পেরেইরা, ১৬–দগলাস সান্তোস, ২৪– রজার ইবানিয়েজ। মিডফিল্ডার ৫–কাসেমিরো, ৮–ব্রুনো গিমারাইস, ১৭– ফাবিনিও, ১৮–দানিলো সান্তোস, ২০–লুকাস পাকেতা। ফরোয়ার্ড ৭–ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, ৯– মাতেউস কুনিয়া, ১০–নেইমার, ১১– রাফিনিয়া, ১৯– এনদ্রিক, ২১– লুইস এনরিকে, ২২–গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি, ২৫– ইগর থিয়াগো, ২৬–রায়ান।

গ্রুপ ‘সি’: মরক্কো

 
গোলরক্ষক ১–ইয়াসিন বুনু, ১২–মুনির মোহাম্মেদি, ২২–আহমেদ রেদা তাগনাউতি। ডিফেন্ডার ২–আশরাফ হাকিমি, ৩–নুসাইর মাজরাউয়ি, ৫–নায়েফে আগুয়ের্দ, ১৩–জাকারিয়া এল উয়াহদি, ১৪–ইসা দিওপ, ১৮–শাদি রিয়াদ, ১৯–ইউসেফ বেলাম্মারি, ২৫–রেদুয়ান হালহাল, ২৬–আনাস সালাহ–এদ্দিন। মিডফিল্ডার ৪–সোফিয়ান আমরাবাত, ৬–আইয়ুব বুয়াদ্দি, ৭–শেমসদিন তালবি, ৮–আজ্জেদিন উনাহি, ১১–ইসমায়েল সাইবারি, ১৫–সামির এল মুরাবেত, ১৬–গেসিম ইয়াসিন, ২৩–বিলাল এল খান্নুস, ২৪–নিল এল আয়নাউয়ি। ফরোয়ার্ড ৯–সুফিয়ান রাহিমি, ১০–ব্রাহিম দিয়াজ, ১৭–আবদে এজ্জালজুলি, ২০–আইয়ুব এল কাবি, ২১–আইয়ুব আমাইমুনি।

গ্রুপ ‘সি’: হাইতি

 
গোলরক্ষক ১–জনি প্লাসিড, ১২–আলেক্সান্দ্রে পিয়ের, ২৩–জোসুয়ে দুভেগার। ডিফেন্ডার ২–কারলেন্স আরকুস, ৩–কিতো তারমন্সি, ৪–রিকার্দো আদে, ৫–হানেস দেলক্রোয়া, ১৩–ডিউক লাক্রো, ২২–জাঁ–কেভিন দুভার্ন, ২৪–উইলগেন্স পোগান। মিডফিল্ডার ৬–কার্ল সাইন্তে, ১০–জাঁ–রিকনে বেলগার্দ, ১৪–লেভের্তন পিয়ের, ১৭–দানলি জাঁ জ্যাক, ২৫–দমিনিক সিমন, ২৬–উদেনস্কি পিয়ের। ফরোয়ার্ড ৭–ডেরিত এতিয়েন জুনিয়র, ৯–দুকেন্স নাজন, ১১–লুইসিয়ুস দিদসন, ১৫–রুবেন প্রভিডেন্স, ১৬–লেনি জোসেফ, ১৮–উইলসন ইসিদর, ১৯–ইয়াসিন ফরতুনে, ২০–ফ্রানৎসদি পিরো, ২১–জোসুয়ে কাসিমির।

গ্রুপ ‘সি’: স্কটল্যান্ড

 
গোলরক্ষক ১–অ্যাঙ্গাস গান, ১২–লিয়াম কেলি, ২১–ক্রেইগ গর্ডন। ডিফেন্ডার ২–অ্যারন হিকি, ৩–অ্যান্ডি রবার্টসন, ৫–গ্র্যান্ট হ্যানলি, ৬–কিয়েরান টিয়ের্নি, ১৩–জ্যাক হেন্ড্রি, ১৫–জন সুটার, ১৬–ডমিনিক হাইয়াম, ২২–নাথান প্যাটারসন, ২৪–অ্যান্টনি রালস্টন, ২৬–স্কট ম্যাকেনা। মিডফিল্ডার ৪–স্কট ম্যাকটমিনে, ৭–জন ম্যাকটমিনে, ৮–টাইলার ফ্লেচার, ১১–রায়ান ক্রিস্টি, ১৭–বেন গ্যানন–ডোক, ১৯–লুইস ফার্গুসন, ২৩–কেনি ম্যাকলিন, ২৫–ফিন্ডলে কার্টিস। ফরোয়ার্ড ৯–লিন্ডন ডাইকস, ১০–চে অ্যাডামস, ১৪–রস স্টুয়ার্ট, ১৮–জর্জ হার্স্ট, ২০–লরেন্স শ্যাঙ্কল্যান্ড।

গ্রুপ ‘ডি’: যুক্তরাষ্ট্র

 
গোলরক্ষক ১–ম্যাট টার্নার, ২৪–ম্যাট ফ্রিজ, ২৫–ক্রিস ব্র্যাডি। ডিফেন্ডার ২–সের্হেনিও দেস্ত, ৩–ক্রিম রিচার্ডস, ৫–অ্যান্টনি রবিনসন, ৬–অস্টন ট্রাস্টি, ১২–মাইল রবিনসন, ১৩–টিম রিম, ১৬–অ্যালেক্স ফ্রিম্যান, ১৮–ম্যাক্স আর্ফস্টেন, ২২–মার্ক ম্যাকেঞ্জি, ২৩–জো স্ক্যালি। মিডফিল্ডার ৪–টাইলার অ্যাডামস, ৭–জোভান্নি রেইনা, ৮–ওয়েস্টন ম্যাকেনি, ১৪–সেবাস্তিয়ান বারহল্টার, ১৫–ক্রিস্টিয়ান রোল্ডান, ১৭–মালিক টিলম্যান। ফরোয়ার্ড ৯–রিকার্ডো পেপি, ১০–ক্রিস্টিয়ান পুলিসিক, ১১–ব্রেন্ডেন অ্যারনসন, ১৯–হাজি রাইট, ২০–ফোলারিন বালোগান, ২১–টিমথি উইয়াহ, ২৬–আলেহান্দ্রো জেনদেহাস।

গ্রুপ ‘ডি’: প্যারাগুয়ে

 
গোলরক্ষক ১–গাতিতো্ ফার্নান্দেজ, ১২–অরলান্দো হিল, ২২–গাস্তন ওলিভিয়েরা। ডিফেন্ডার ২–গুস্তাভো ভেলাজকেজ, ৩–ওমর আলদেরেতে, ৪–হুয়ান হোসে কাসেরেস, ৫–ফাবিয়ঢান বালবুয়েনা, ৬–জুনিয়র আলোনসো, ১৩–হোসে কানালে, ১৫–গুস্তাভো গোমেজ, ২৬–আলেসান্দ্রো মাইদানা। মিডফিল্ডার ৭–রামোন সোসা, ৮–দিয়েগো গোমেজ, ১০–মিগুয়েল আলমিরন, ১১–মরিসিও, ১৪–আন্দ্রেস কুবাস, ১৬–দামিয়ান বোবাদিয়া, ১৭–কাকু, ২০–ব্রাইয়ান ওহেদা, ২৩–মাতিয়াস গালারজা, ২৪–গুস্তাভো কাবায়েরো। ফরোয়ার্ড ৯–আন্তনিও সানাব্রিয়া, ১৮–আলেক্স আর্সে, ১৯–হুলিও এনসিসো, ২১–গ্যাব্রিয়েল আভালোস, ২৫–ইসিদ্রো পিত্তা।

গ্রুপ ‘ডি’: অস্ট্রেলিয়া

 
গোলরক্ষক ১–ম্যাথু রায়ান, ২–পল ইজো, ১৮–প্যাট্রিক বিচ। ডিফেন্ডার ২–মিলোস দেগেনেক, ৩–আলেসান্দ্রো চিরকাতি, ৪–জ্যাকব ইতালিয়ানো, ৫–জর্ডান বস, ৬–জ্যাসন গেরিয়া, ১৫–কাই ট্রুইন, ১৬–আজিজ বেহিচ, ১৯–হ্যারি সুটার, ২১–ক্যামেরন বার্জেস, ২৫–লুকাস হেরিংটন। মিডফিল্ডার ৮–কনর মেটকাফ, ১৩–এইডেন ওনিল, ১৪–ক্যামেরন ডেভলিন, ২২–জ্যাকসন আরভিন, ২৪–পল ওকন–ইংস্টলার। ফরোয়ার্ড ৭–ম্যাথু লেকি, ৯–মোহাম্মদ তুরে, ১০–আইদিন রুস্তিচ, ১১–আওয়ার মাবিল, ১৭–নেস্তরি ইরানকুন্ডা, ২০–ক্রিস্টিয়ান ভলপাতো, ২৩–নিশান ভেলুপিল্লাই, ২৬–টেটে ইয়েংগি।

গ্রুপ ‘ডি’: তুরস্ক

 
গোলরক্ষক ১–মের্ত গুনক, ১২–আলতাই বায়িনদির, ২৩–উয়ারজান চাকির। ডিফেন্ডার ২–জেকি চেলিক, ৩–মেরিহ দেমিরাল, ৪–চাগলার সোয়ুঞ্জু, ১৩–এরেন এলমাল, ১৪–আবদুলকেরিম বারদাক, ১৫–ওজান কাবাক, ১৮–মের্ত মুলদুর, ২০–ফেরদি কাদোলু, ২৫–সামেত আকাইদিন। মিডফিল্ডার ৫–সালিজ উজান, ৬–ওরকুন কোকচু, ১০–হাকান চালহানোলু, ১৬–ইসমাইল ইয়ুকসেক, ২২–কান আইহান। ফরোয়ার্ড ৭–কেরেম আতুরকোলু, ৮–আরদা গুলের, ৯–দেনিজ গুল, ১১–কেনান ইলদিজ, ১৭–ইরফান জান কাহভেজি, ১৯–ইউনুস আকগুন, ২১–বারিশ আলপের ইলমাজ, ২৪–উজ আইদিন, ২৬–জান উজুন।

গ্রুপ ‘ই’: জার্মানি

 
গোলকিপার ১–মানুয়েল নয়্যার, ১২–অলিভার বাউমান, ২১–আলেকজান্ডার ন্যুবেল। ডিফেন্ডার ২–অ্যান্টোনিও রুডিগার, ৩– ভালডেমার আন্টন, ৪–জোনাথন টাহ, ১৫–নিকো শ্লটারবেক, ১৮–নাথানিয়েল ব্রাউন, ২২–ডেভিড রাউম, ২৪–মালিক থিয়াও । মিডফিল্ডার ৫–ফেলিক্স এনমেচা, ৬–ইয়োশুয়া কিমিখ, ৮–লিয়ন গোরেৎসকা, ৯–জেমি লেভেলিং, ১০–জামাল মুসিয়ালা, ১৩– পাসকাল গ্রস, ১৬–অ্যাঞ্জেলো স্টিলার, ১৭–ফ্লোরিয়ান ভির্টৎস, ১৯–লিরয় সানে, ২০–নাদিম আমিরি, ২৩–ফেলিক্স এনমেচা, ২৫–আসান উয়েদ্রাওগো। ফরোয়ার্ড ৭– কাই হাভার্টজ, ১১– নিকোলাস ভোল্টেমাড, ১৪– মাক্সিমিলিয়ান বায়ার, ২৬–ডেনিজ উনদাভ।

গ্রুপ ‘ই’: কুরাসাও

 
গোলরক্ষক ১–এলয় রম, ২৫–টিরিক বোদাক, ২৬–ট্রেভর ডর্নবুস্ক। ডিফেন্ডার ২–শুরান্ডি সাম্বো, ৩–ইয়ুরিয়েন গারি, ৪–রোশন ফন এইমা, ৫–শেরেল ফ্লোরানুস, ১৮–আরমান্দো ওবিসপো, ২০–ইয়োশুয়া ব্রেনেত, ২৩–রিখেডলি বাজুর, ২৪–ডেভেরন ফনভিলা। মিডফিল্ডার ৬–গডফ্রিড রুমেরাতু, ৭–জুনিনিও বাকুনা, ৮–লিভানো কোমেনেন্সিয়া, ১০–লিয়ানদ্রো বাকুনা, ১৫–আরিয়ানি মার্তা, ২১–তাহিথ চং, ২২–কেভিন ফেলিদা। ফরোয়ার্ড ৯–ইয়ুর্গেন লোকাদিয়া, ১১–ইয়েরেমি আন্তোনিসে, ১২–সনচে হানসেন, ১৩–তিরেসা নসলিন, ১৪–কেনি গরে, ১৬–ইয়ার্ল মারগারিতা, ১৭–ব্রান্ডলি কুয়াস, ১৯–হেরভানে কাস্তানের।

গ্রুপ ‘ই’: আইভরিকোস্ট

 
গোলকিপার ১– ইয়াহিয়া ফোপানা, ১৬–মোহাম্মদ কোনে, ২৩–আলবান লাফোঁ। ডিফেন্ডার ২–উসমান দিওমান্দে, ৩–গিসলাইন কোনান, ৫–উইলফ্রিড সিঙ্গো, ৭–ওডিলন কোসুনু, ১৩–ক্রিস্টোফার ওপেরি, ১৭–গুলা দুয়ে, ২০–ইমানুয়েল আগবাদু, ২১–ইভান এনদিকা। মিডফিল্ডার ৪–জাঁ মিশেল সেরি, ৬–সেকো ফোপানা, ৮–ফ্রাঙ্ক কেসি, ১৮–ইব্রাহিম সাঙ্গারে, ২৫–পারফে গিয়াগন, ২৬–ক্রিস্ট ইনাও উলাই । ফরোয়ার্ড ৯–আঞ্জ-ইওয়ান বনি, ১০– সাইমন আদিংনা, ১১–ইয়ান দিওমান্দে, ১২–এলি ওয়াহি, ১৪–উমর দিয়াকিতে, ১৫–আমাদ দিয়ালো, ১৯–নিকোলাস পেপে, ২২–ইভান গেসান্দ, ২৪–বাজুমানা তুরে।

গ্রুপ ‘ই’: ইকুয়েডর

 
গোলরক্ষক ১–এরনান গালিন্দেজ, ১২–মোইজেস রামিরেজ, ২২–গঞ্জালো ভায়ে। ডিফেন্ডার ২–ফেলিক্স তোরেস, ৩–পিয়েরো হিনকাপিয়ে, ৪–জোয়েল ওরদোনিয়েজ, ৬–উইলিয়ান পাচো, ৭–পেরভিস এস্তুপিনিয়ান, ১৭–আনহেলো প্রেসিয়াদো, ২৫–জ্যাকসন পোরোসো, ২৬–ইয়াইমার মেদিনা। মিডফিল্ডার ৫–জর্দি আলসিভার, ৮–আন্তনি ভ্যালেন্সিয়া, ১০–কেনদ্রি পায়েজ, ১৪–অ্যালান মিন্দা, ১৫–পেদ্রো ভিতে, ১৮–দেনিল কাস্তিয়ো, ২১–অ্যালান ফ্রাঙ্কো, ২৩–মোইজেস কাইসেদো। ফরোয়ার্ড ৯–জন ইয়েবোয়া, ১১–কেভিন রদ্রিগেজ, ১৩–এনার ভ্যালেন্সিয়া, ১৬–জর্দি কাইসেদো, ১৯–গঞ্জালো প্লাতা, ২০–নিলসন আনহুলো, ২৪–জেরেমি আরেভালো।

গ্রুপ ‘এফ’: নেদারল্যান্ডস

 
গোলরক্ষক ১–বার্ট ভারব্রুগেন, ১৩–রবিন রুফস, ২৩–মার্ক ফ্লেকেন। ডিফেন্ডার ২–লুটশারেল খিরত্রোইদা, ৪– ভার্জিল ফন ডাইক, ৫–নাথান আকে, ৬– ইয়ান পল ফন হেকা, ১২– ম্যাটস ভিফার, ১৫– মিকি ফন ডে ভেন, ২২–ডেনজেল ডামফ্রিস, ২৫– ইয়োরেল হাটো। মিডফিল্ডার ৩– মার্টেন ডি রুন, ৭–জাস্টিন ক্লাইভার্ট, ৮–রায়ান গ্রাভেনবার্চ, ১৪–তিজানি রেইন্ডার্স, ১৬– গুস টিল, ২০- তেউন কুপমাইনার্স, ২১–ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং, ২৬–কুইন্টেন টিম্বার্স। ফরোয়ার্ড ৯– ভাউট ভেগহোর্স্ট, ১০– মেম্ফিস ডিপাই, ১১– কোডি গাকপো, ১৭– নোয়া ল্যাং, ১৮– ডনিয়েল মালেন, ১৯– ব্রায়ান ব্রোবি, ২৪– ক্রিসেনসিও সামারভিল।

গ্রুপ ‘এফ’: জাপান

 
গোলকিপার ১–জিওন সুজুকি, ১২–কেইসুকে ওসাকো, ২৩–তোমোকি হায়াকাওয়া। ডিফেন্ডার ২– ইউকিনারি সুগাওয়ারা, ৩– শোগো তানিগুচি, ৪–কো ইতাকুরা, ৫–ইউতো নাগাতোমো, ১৬– সুয়োশি ওয়াতানাবে, ২০– আয়ুমু সেকো, ২১–হিরোকি ইতো, ২২–তাকেহিরো তোমিয়াসু, ২৫–জুন্নোসুকে সুজুকি। মিডফিল্ডার শুতো মাচিনো, ৭– আও তানাকা, ৮– তাকেফুসা কুবো, ১০–রিতসু দোয়ান, ১৩– কেইতো নাকামুরা, ১৪–জুনিয়া ইতো, ১৫–দাইচি কামাদা, ২৪– কাইশু সানো। ফরোয়ার্ড ৯– কেইসুকে গোতো, ১১– দাইজেন মায়েদা, ১৭– ইউইতো সুজুকি, ১৮– আয়াসে উয়েদা, ১৯–কোকি ওগাওয়া, ২৬– কেন্টো শিওগাই।

গ্রুপ ‘এফ’: সুইডেন

 
গোলকিপার ১–ইয়াকব ভিডেল জেটারস্ট্রম, ১২–ভিক্টর ইয়োহানসন, ২৩–ক্রিস্টোফার নর্ডফেল্ট। ডিফেন্ডার ২– গুস্তাফ ল্যাগারবিয়েলকে, ৩– ভিক্টর লিন্ডেলফ, ৪– ইসাক হিয়েন, ৫– গ্যাব্রিয়েল গুডমুন্ডসন, ৬–হারাম ইয়োহানসন, ৮–ড্যানিয়েল সভেনসন, ১৪–হিয়ালমার একডাল, ১৫– কার্ল স্টারফেল্ট, ২০– এরিক স্মিথ, ৫৭–এলিয়ট স্ট্রাউড । মিডফিল্ডার ৭– লুকাস বার্গভাল, ১০– বেঞ্জামিন নাইগ্রেন, ১৩– কেন সেমা, ১৬– ইয়েস্পার কার্লস্ট্রম, ১৮– ইয়াসিন আয়ারি, ১৯–মাটিয়াস সভানবার্গ, ২১– আলেকজান্ডার বার্নহার্ডসন, ২২–বেসফোর্ট জেনেলি। ফরোয়ার্ড ৯– আলেকসান্দার ইসাক, ১১–অ্যান্থনি এলাঙ্গা, ১৭–ভিক্টর ইয়োকেরেস, ২৫–গুস্তাফ নিলসন, ২৬–তাহা আলী।

গ্রুপ ‘এফ’: তিউনিসিয়া

 
গোলকিপার ১– আবদেলমুহিব শামাখ, ১৬–আয়মেন দাহমেন, ২২–সাবরি বেন হেসেন। ডিফেন্ডার ২–আলি আবদি, ৩– মন্তাসার তালবি, ৪–ওমর রেকিক, ৫–আদেম আরুস, ৬–ডিলান ব্রন, ১২–মোরতাদা বেন উয়ানেস, ২০–ইয়ান ভ্যালেরি, ২১–মোহাম্মদ আমিনে বেন হামিদা, ২৩–মুতাজ নেফাতি, ২৪–রায়েদ শিখাউয়ি। মিডফিল্ডার ১০–হানিবাল মেজব্রি, ১১–ইসমায়েল গারবি, ১৩–রানি খেদিরা, ১৫–হাজ মাহমুদ, ১৭–ইলিয়াস স্খিরি, ২৫–আনিস বেন স্লিমানে, ২৬–সেবাস্তিয়ান তুনেকতি। ফরোয়ার্ড ৭–ইলিয়াস আশুরি, ৮–ইলিয়াস সাদ, ৯–হাজেম মাস্তুরি, ১৪–খলিল আইয়ারি, ১৮–রায়ান এলুমি, ১৯–ফিরাস শাউয়াত।

গ্রুপ ‘জি’: বেলজিয়াম

 
গোলরক্ষক ১–থিবো কোর্তোয়া, ১২–সেনে লামেন্স, ১৩–মাইক পেন্ডার্স। ডিফেন্ডার ২–জেনো দেবাস্ত ৩–আর্থার থিয়েটা, ৪–ব্রান্ডন মাশেল, ৫–ম্যাক্সিম ডি ক্রুইপার, ১৫–টমাস মুনিয়ে, ১৬–কনি ডি উইন্টার, ১৮–জোয়াকিন সেইস, ২১–টিমোথি কাস্তানিয়ে, ২৫–নাথান এনগয়। মিডফিল্ডার ৬–অ্যাক্সেল উইটসেল, ৭–কেভিন ডি ব্রুইনা, ৮–ইউরি টিলেমান্স, ১৯–দিয়েগো মোরেইরা, ২০–হান্স ফানাকান, ২২–অ্যালেক্সিস স্যালেম্যাকার্স, ২৩–নিকোলাস রাসকিন, ২৪–আমাদু ওনানা। ফরোয়ার্ড ৯–রোমেলু লুকাকু, ১০–লিয়ান্দ্রো ত্রোসার, ১১–জেরেমি ডোকু, ১৪–দোদি লুকেবাকিও, ১৭–চার্লস ডি কেটেলারা, ২৬–মাটিয়াস ফার্নান্দেজ–পারদো।

গ্রুপ ‘জি’: মিসর

 
গোলকিপার ১–মোহামেদ এল শেনাওয়ি, ১৬–এল মাহদি সোলিমান, ২৩–মোস্তফা শোবের, ২৬– মোহামেদ আলা। ডিফেন্ডার ২– ইয়াসের ইব্রাহিম, ৩–মোহাম্মদ হানি, ৪– হোসাম আবদেল মাগিদ, ৫– রামি রাবিয়া, ৬–মোহাম্মদ আবদেলমোনেম, ১৩–আহমেদ ফাতুহ, ১৫–করিম হাফেজ ২৪–তারেক আলা। মিডফিল্ডার ৮–ইমান আশুর, ১১–মোস্তাফা জিকো, ১৪–হামদি ফাতি, ১৭–মোহানাদ লাশিন, ১৮–নাবিল ইমাদ, ১৯–মারওয়ান আত্তিয়া, ২১–মাহমুদ সাবের। ফরোয়ার্ড ৭–ত্রেজেগে, ৯–হামজা আবদেলকরি, মোহাম্মদ সালাহ, ১২–হাইসেম হাসান, ২০–ইব্রাহিম আদেল, ২২–ওমর মারমুশ, ২৫–জিজো।

গ্রুপ ‘জি’: ইরান

 
গোলরক্ষক ১–আলীরেজা বেইরানভান্দ, ১২–পায়াম নিয়াজমান্দ, ২২–হোসেইন হোসেইনি। ডিফেন্ডার ২–সালেহ হারদানি, ৩–ইহসান হাইসাফি, ৪–শোজায়ে খলিলজাদেহ, ৫–মিলাদ মোহাম্মদী, ১৩–হোসেইন কানানিজাদেগান, ১৭–আরিয়া ইউসেফি, ১৯–আলী নেমাতি, ২৩–রামিন রেজাইয়ান, ২৫–দানিয়াল এইরি। মিডফিল্ডার ৬–সৈয়দ এজাতোলাহি, ৭–আলীরেজা জাহানবখশ, ৮–মোহাম্মদ মোহেবি, ১৪–সামন গোদ্দোস, ১৫–রুজবেহ চেশমি, ১৬–মাহদি তোরাবি, ২১–মোহাম্মদ গোরবানি, ২৬–আমিরমোহাম্মদ রাজ্জাগিনিয়া। ফরোয়ার্ড ৯–মেহদি তারেমি, ১০–মেহদি গায়েদি, ১১–আলী আলীপুর, ১৮–আমিরহোসেইন হোসেইনজাদেহ, ২০–শাহরিয়ার মোগহানলু, ২৪–দেনিস দরগাহি।

গ্রুপ ‘জি’: নিউজিল্যান্ড

 
গোলরক্ষক ১–ম্যাক্স ক্রোকোম্ব, ২–অ্যালেক্স পলসেন, ৩–মাইকেল উড। ডিফেন্ডার ২–টিম পেইন, ৩–ফ্রান্সিস ডি ভ্রিস, ৪–টাইলার বিন্ডন, ৫–মাইকেল বক্সাল, ১৩–লিবেরাতো ক্যাকাচি, ১৫–নান্দো পিইনাকের, ১৬–ফিন সারম্যান, ২৪–ক্যালান এলিয়ট, ২৬–টমি স্মিথ। মিডফিল্ডার ৬–জো বেল, ৮–ম্যাথু গারবেট, ৮–মার্কো স্তামেনিচ, ১০–সারপ্রীত সিং, ১১– এলিজা জাস্ট, ১৪–অ্যালেক্স রুফার, ১৯–বেন ওল্ড, ২০– ক্যালাম ম্যাকাওয়াট, ২৩–রায়ান টমাস, ২৫–ল্যাচলান বেইলিস। ফরোয়ার্ড ৯–ক্রিস উড, ১৭–কস্তা বারবারুসেস, ১৮–বেন ওয়েন, ২১– জেসি র‍্যান্ডাল।

গ্রুপ ‘এইচ’: স্পেন

 
গোলরক্ষক ১–দাভিদ রায়া, ১৩–হোয়ান গার্সিয়া, ২৩–উনাই সিমন। ডিফেন্ডার ২– মার্ক পুবিল, ৩–আলেক্স গ্রিমালদো, ৪–এরিক গার্সিয়া, ৫– মার্কোস ইয়োরেন্তে, ১২–পেদ্রো পোরো, ১৪–এমেরিক লাপোর্ত ,২২–পাউ কুবারসি, ২৪–মার্ক কুকুরেয়া। মিডফিল্ডার ৬–মিকেল মেরিনো, ৮– ফাবিয়ান রুইজ, ৯–গাভি, ১৫– আলেক্স বায়েনা, ১৬–রদ্রি, ১৮–মার্তিন জুবিমেন্দি, ২০– পেদ্রি। ফরোয়ার্ড ৭–ফেরান তোরেস, ১০– দানি ওলমো, ১১– ইয়েরেমি পিনো, ১৭–নিকো উইলিয়ামস, ১৯–লামিনে ইয়ামাল, ২১– মিকেল ওয়াইরসাবাল, ২৫–ভিক্টর মুনিয়োজ, ২৬–বোর্হা ইগলেসিয়াস।

গ্রুপ ‘এইচ’: কেপ ভার্দে

 
গোলকিপার ১–ভোজিনিয়া, ১২–মার্সিও রোসা, ২৩–সিজে দস সান্তোস। ডিফেন্ডার ২–স্তপিরা, ৩–দিনেই বোর্হেস, ৪–পিকো লোপেজ, ৫–লোগান কস্তা, ১৩–সিডনি লোপেজ কাবরাল, ২২–স্টিভেন মরেইরা, ২৪–ওয়াগনার পিনা, ২৫–কেলভিন পিরেস। মিডফিল্ডার ৬–কেভিন পিনা, ৭–জোভানে কাবরাল, ৮–জোয়াও পাওলো, ১০–জামিরো মন্তেইরো, ১১–গ্যারি রদ্রিগেজ, ১৪–দেরয় দুয়ার্তে, ১৫–লারোস দুয়ার্তে, ১৬–ইয়ানিক সেমেদো, ১৭–উইলি সেমেদো, ১৮–তেলমো আরকাঞ্জো, ২৬–হেলিও ভারেলা। ফরোয়ার্ড ৯–গিলসন বেনচিমল, ১৯–দাইলন লিভ্রামেন্তো, ২০–রায়ান মেন্দেস, ২১–নুনো দা কস্তা।

গ্রুপ ‘এইচ’: সৌদি আরব

 
গোলরক্ষক ১–নাওয়াফ আল–আকিদি, ২১–মোহাম্মদ আল–ওয়াইস, ২২–আহমেদ আল–কাসার। ডিফেন্ডার ২–আলী মাজরাশি, ৩–আলী লাজামি, ৪–আবদুলেলাহ আল–আমরি, ৫–হাসান আল–তাম্বাকতি, ১২–সৌদ আবদুলহামিদ, ১৩–নাওয়াফ বুশাল, ১৪–হাসান কাদেশ, ২৪–মোতেব আল–হারবি, ২৫–জাহেদ থাকরি, ২৬–মোহাম্মদ আবু আল–শামাত। মিডফিল্ডার ৬–নাসের আল–দাওয়াসারি, ৭–মুসাব আল–জুয়াইর, ১৫–আবদুল্লাহ আল–খাইবারি, ১৮–আলা আল–হেজি, ২৩–মোহাম্মদ কান্নো। ফরোয়ার্ড ৮–আয়মান ইয়াহিয়া, ৯–ফিরাস আল–বুরাইকান, ১০–সালেম আল–দাওয়াসারি, ১১–সালেহ আল–শেহরি, ১৭–খালিদ আল–গান্নাম, ১৯–আবদুল্লাহ আল–হামদান, ২০–সুলতান মানদাশ।

গ্রুপ ‘এইচ’: উরুগুয়ে

 
গোলরক্ষক ১–সের্হিও রোচেত, ১২–সান্তিয়াগো মেলে, ২৩–ফার্নান্দো মুসলেরা। ডিফেন্ডার ২– হোসে মারিয়া হিমিনেজ, ৩–সেবাস্তিয়ান কাসেরেস, ৪–রোনালদ আরাউহো, ১৩– গিয়ের্মো ভারেলা, ১৬–মাতিয়াস ওলিভিয়েরা, ১৭–মাতিয়াস ভিনা, ২২–হোয়াকিন পেকেরেজ, ২৪– সান্তিয়াগো বুয়েনো । মিডফিল্ডার ৫–মানুয়েল উগার্তে, ৬–রদ্রিগো বেনতাঙ্কুর, ৭–নিকোলাস দে লা ক্রুজ, ৮–ফেদেরিকো ভালভার্দে, ১০– জর্জিয়ান দে আরাসকায়েতা, ১৪–আগুস্তিন কানোবিও, ১৫–এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, ২০–মাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো, ২৫–হুয়ান মানিয়েল সানাব্রিয়া, ২৬–রদ্রিগো সালাজার। ফরোয়ার্ড ৯–রদ্রিগো আগুইরে, ১১– ফাকুন্দো পেয়েস্ত্রি, ১৮–ব্রায়ান রদ্রিগেজ, ১৯–দারউইন নুনিয়েজ, ২১–ফেদেরিকো ভিনাস।

গ্রুপ ‘আই’: ফ্রান্স

 
গোলকিপার ১–ব্রিস সাম্বা, ১৬–মাইক মাইনিয়ঁ, ২৩–রবিন রিসার। ডিফেন্ডার ২–মালো গুস্তো, ৩–লুকাস দিনিয়ে, ৪–দায়োত উপামেকানো, ৫–জুলস কুন্দে, ১৫– ইব্রাহিমা কোনাতে, ১৭– উইলিয়াম সালিবা, ১৯– থিও হার্নান্দেজ, ২১–লুকাস হার্নান্দেজ, ২৬– ম্যাক্সাঁস লাক্রোয়া মিডফিল্ডার ৬– মানু কোনো, ৮– অরেলিয়াঁ চুয়ামেনি, ১৩–এনগোলো কান্তে, ১৪–আদ্রিয়াঁ রাবিও, ১৮–ওয়ারেন জেইর-এমেরি, ২৪–রায়ান শেরকি, ২৫– ম্যাগনেস আকালিউশ। ফরোয়ার্ড ৭– উসমান দেম্বেলে, ৯–মার্কোস থুরাম, ১০– কিলিয়ান এমবাপ্পে, ১১– মাইকেল ওলিসে, ১২–ব্র্যাডলি বারকোলা, ২০–দেজিরে দুয়ে, ২২–জ্যঁ-ফিলিপ মাতেতা।

গ্রুপ ‘আই’: সেনেগাল

 
গোলরক্ষক ১–ইয়েহভান দিউফ, ১৬–এদুয়ার্দ মেন্দি, ২৩–মোরি দিয়াও। ডিফেন্ডার ২–মামাদু সার, ৩–কালিদু কুলিবালি, ৪–আবদুলায়ে সেক, ১৪–ইসমাইল ইয়াকবস, ১৯–মুসা নিয়াখাতে, ২৪–আঁতোয়ান মেন্দি, ২৫–এল হাজি মালিক দিউফ। মিডফিল্ডার ৫–ইদ্রিসা গেয়ে, ৬–পাথে সিস, ৮–লামিনে কামারা, ১৭–পাপে মাতার সার, ২১–হাবিব দিয়ারা, ২২–বারা সাপোকো এনদিয়ায়ে, ২৬–পাপে গেয়ে। ফরোয়ার্ড ৭–আসানে দিয়াও, ৯–বাম্বা দিয়েং, ১০–সাদিও মানে, ১১–নিকোলাস জ্যাকসন, ১২–শেরিফ এনদিয়ায়ে, ১৩–ইলিমান এনদিয়ায়ে, ১৮–ইসমাইলা সার, ২০–ইব্রাহিম এমবায়ে।

গ্রুপ ‘আই’: ইরাক

 
গোলরক্ষক ১–ফাহাদ তালিব, ১২–জালাল হাসান, ২২–আহমেদ বাসিল। ডিফেন্ডার ২–রেবিন সুলাকা, ৩–হুসেইন আলী, ৪–জাইদ তাহসিন, ৫–আকাম হাশিম, ৬–মানাফ ইউনিস, ১৫–আহমেদ মাকনজি, ২৩–মেরশাস দোসকি, ২৫–মুস্তাফা সাদুন, ২৬–ফ্রান্স পুতরোস। মিডফিল্ডার ৭–ইউসেফ আমিন, ৮–ইব্রাহিম বায়েশ, ১৪–জিদান ইকবাল, ১৬–আমির আল–আনমারি, ১৯–কেভিন ইয়াকোব, ২০–আইমার শের, ২৪–জাইদ ইসমাইল। ফরোয়ার্ড ৯–আলী আল–হামাদি, ১০–মোহানাদ আলী, ১১–আহমেদ কাসেম, ১৩–আলী ইউসিফ, ১৭–আলী জসিম, ১৮–আইমেন হুসেইন, ২১–মার্কো ফারজি।

গ্রুপ ‘আই’: নরওয়ে

 
গোলকিপার ১–ওরইয়ান নিলান্ড, ১২–সান্ডার টাংভিক, ১৩– এগিল সেলভিক ডিফেন্ডার ৩– ক্রিস্টোফার আয়ের, ৪– লিও স্কিরি অস্টিগার্ড, ৫– ডেভিড মোলার উলফ, ১৫– ফ্রেডরিক বিয়ারকোন, ১৬– মার্কুস হোমগ্রেন পেদারসেন, ১৭– টোরবিয়র্ন হেগেম, , ২৪– সন্ড্রে লাঙ্গাস, ২৫–হেনরিক ফালখেনার,। মিডফিল্ডার ২– মর্টেন থর্সবি, ৬– প্যাট্রিক বার্গ, ৮– সান্ডার বার্গ, ১০–মার্টিন ওডেগার্ড, ১৪–ফ্রেডরিক অউরসনেস, ১৮–ক্রিস্টিয়ান থর্সটভেট, ১৯–থেলো আসগার্ড, ২১– আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ, ২২ অস্কার বব, ২৩–ইয়েন্স পেটার হেগ। ফরোয়ার্ড ৭– আলেক্সান্দার সরলথ, ৯–আর্লিং হলান্ড, ১১–ইয়র্গেন স্ট্রান্ড লারসেন, ২০– আন্তোনিও নুসা, ২৬–জুলিয়ান রিয়ারসন।

গ্রুপ ‘জে’: আর্জেন্টিনা

 
গোলরক্ষক ১–হুয়ান মুসো, ১২–হেরেনিমো রুলি, ২৩–এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ডিফেন্ডার ২–মার্কোস সেনেসি, ৩–নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, ৪–গঞ্জালো মন্তিয়েল, ৬– লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, ১৩–ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, ১৯–নিকোলাস ওতামেন্দি, ২৫–ফাকুন্দো মেদিনা, ২৬–নাহুয়েল মলিনা। মিডফিল্ডার ৫–লিয়ান্দ্রো পারেদেস, ৭–রদ্রিগো দি পল, ৮–ভালেন্তিন বার্কো, ১১–জিওভানি লো সেলসো, ১৪–এজেকিয়েল পালাসিওস, ১৫–নিকো গঞ্জালেজ, ২০–আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার, ২৪–এনজো ফার্নান্দেজ। ফরোয়ার্ড ৯–হুলিয়ান আলভারেজ, ১০–লিওনেল মেসি, ১৬–থিয়াগো আলমাদা, ১৭–জুলিয়ানো সিমিওনে, ১৮–নিকো পাজ, ২১–হোসে মানুয়েল লোপেজ, ২২–লাওতারো মার্তিনেজ।

গ্রুপ ‘জে’: আলজেরিয়া

 
গোলরক্ষক ১–মেলভিন মাস্তিল, ১৬–উসামা বেনবোত, ২৩–লুকা জিদান। ডিফেন্ডার ২–আইসা মান্দি, ৩–আশরাফ আবাদা, ৪, মোহাম্মদ আমিনে তুগাই, ৫–জিনেদিন বেলাইদ, ১৩–জাউয়েন হাজাম, ১৫–রায়ান আইত–নুরি, ১৭–রফিক বেলগালি, ২১–রামি বেনসেবাইনি, ২৬–সামির শেরগুই। মিডফিল্ডার ৬–রমিজ জেরুকি, ৮–হুসেম আউয়ার, ১০–ফারেস শাইবি, ১৪–হিশাম বুদাউয়ি, ১৯–নাবিল বেনতালেব, ২২–ইব্রাহিম মাজা, ২৪–ইয়াসিন তিতরাউয়ি। ফরোয়ার্ড ৭–রিয়াদ মাহরেজ, ৯–আমিনে গুইরি, ১১–আনিস হাজ মুসা, ১২–নাদির বেনবুয়ালি, ১৮–মোহাম্মদ আমুরা, ২০–আতিল বুলবিনা, ২৫–ফারেস গেজেমিস।

গ্রুপ ‘জে’: অস্ট্রিয়া

 
গোলরক্ষক ১–আলেকজান্ডার শ্লাজার, ১২–ফ্লোরিয়ান ভিগেলা, ১৩–প্যাট্রিক পেন্টৎস। ডিফেন্ডার ২–ডেভিড আফেনগ্রুবার, ৩–কেভিন ডানসো, ৫–স্টেফান পশ, ৮–ডেভিড আলাবা, ১৫–ফিলিপ লিনহার্ট, ১৬–ফিলিপ এমভেনা, ২৩–মার্কো ফ্রিডল, ২৫–মিখায়েল সভোবোডা। মিডফিল্ডার ৪–সাভের শ্লাগার, ৬–নিকোলাস সাইভাল্ড, ৯–মার্সেল সাবিটসার, ১০–ফ্লোরিয়ান গ্রিলিটৎশ, ১৭–কার্নি চুকুয়েমেকা, ১৮–রোমানো স্মিড, ১৯–ক্রিস্টফ বাউমগার্টনার, ২০–কনরাড লামের, ২২–আলেকজান্ডার প্রাস, ২৪–পল ভানার, ২৬–আলেসান্দ্রো শাপ্ফ। ফরোয়ার্ড ৭–মার্কো আরনাউতোভিচ, ১১–মিখায়েল গ্রেগরিটশ, ১৪–সাসা কালাইজিচ, ২১–প্যাট্রিক ভিমার।

গ্রুপ ‘জে’: জর্ডান

 
গোলরক্ষক ১–ইয়াজিদ আবদুলাইলা, ১২–নুর বানি আত্তিয়া, ২২–আবদাল্লাহ আল–ফাখুরি। ডিফেন্ডার ৩–আবদাল্লাহ নাসিব, ৪–হুসাম আবু দাহাব, ৫–ইয়াজান আল–আরব, ১৬–মোহাম্মদ আবুয়ালনাদি, ১৭–সেলিম ওবাইদ, ১৮–মোহাম্মদ তাহা, ১৯–সাঈদ আল–রোসান, ২৩–ইহসান হাদ্দাদ, ২৬–আনাস বাদাউয়ি। মিডফিল্ডার ২–মোহাম্মদ আবু হাশিশ, ৬–আমের জামুস, ৮–নুর আল–রাওয়াবদেহ, ১৪–রাজায়েই আয়েদ, ১৫–ইব্রাহিম সা’দে, ২০–মোহাম্মদ আবু তাহা, ২১–নিজার আল–রাশদান, ২৫–মোহাম্মদ আল–দাউদ। ফরোয়ার্ড ৭–মোহাম্মদ আবু জারাইক, ৯–আলী ওলওয়ান, ১০–মুসা আর–তামারি, ১১–ওদে আল–ফখুরি, ১৩–মাহমুদ আল–মারদি, ২৪–আলী আজাইজে।

গ্রুপ ‘কে’: পর্তুগাল

 
গোলকিপার দিয়োগো কস্তা, ১২–জোসে সা, ২২–রুই সিলভা ডিফেন্ডার ২–নেলসন সেমেদো, ৩– রুবেন দিয়াস, ৪– তমাস আরাউজো, ৫– দিয়োগো দালোত, ১৩– রেনাতো ভেইগা, ১৪– গনসালো ইনাসিও, ২০–জোয়াও কানসেলো, ২৫– নুনো মেন্দেস। মিডফিল্ডার ৬– মাতেউস নুনেস, ৮–ব্রুনো ফার্নান্দেজ, ১০–বের্নার্দো সিলভা, ১৫–জোয়াও নেভেস, ২১–রুবেন নেভেস, ২৩–ভিতিনিয়া, ২৪–সামুয়েল কস্তা। ফরোয়ার্ড ৭–ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, ৯–গনসালো রামোস ১১– জোয়াও ফেলিক্স, ১৬–ফ্রান্সিসকো ত্রিনকাও, ১৭–রাফায়েল লিয়াও, ১৮–পেদ্রো নেতো, ১৯–গনসালো গেদেস, ২৬–ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও।

গ্রুপ ‘কে’:  ডিআর কঙ্গো

 
গোলকিপার ১–লিওনেল এমপাসি, ১৬–টিমোথি ফায়ুলু, ২১–ম্যাথু ইপোলো । ডিফেন্ডার ২–অ্যারন ওয়ান-বিসাকা, ৩–স্টিভ কাপুয়াদি, ৪– অ্যাক্সেল তুয়ানজেবে, ৫–ডিলান বাতুবিন, ২২–শানসেল এমবেম্বা, ২৪–গেডিওন কালুলু, ২৬–আর্থার মাসুয়াকু। মিডফিল্ডার ৬–এনগালায়েল মুকাউ, ৭– নাথানিয়েল এমবুকু, ৮–স্যামুয়েল মুতুসামি, ১০– থিও বনগোন্দা, ১৪–নোয়াহ সাদিকি, ১৫–অ্যারন শিবোলা, ১৮–চার্লাস পিকেল, ২৫–এডো কায়েম্বে। ফরোয়ার্ড ৯–ব্রায়ান সিপেঙ্গা, ১১–গায়েল কাকুতা, ১৩–মেশাক এলিয়া, ১৭–সেড্রিক বাকাম্বু, ১৯–ফিস্তন মায়েলে, ২০–ইওয়ান উইসা, ২৩–ইমন বানজা।

গ্রুপ ‘কে’: উজবেকিস্তান

 
গোলরক্ষক ১–উতকির ইউসুপভ, ১২–আবদুভোহিদ, ১৬–বোতিরালি এরগাশেভ। ডিফেন্ডার ২–আবদুকদির খুসানভ, ৩–খোজিয়াকবর আলিজনভ, ৪–ফারুখ সাইফিয়েভ, ৫–রুস্তম আশুরমাতভ, ১৩–শেরজদ নাসরুল্লায়েভ, ১৫–উমর ইশমুরোদভ, ১৮–আবদুল্লাহ আবদুল্লা আবদুলায়েভ, ২৪–বেখরুজ কারিমভ, ২৫–আভাজবেক উলমাসালিয়েভ, ২৬–জাখোঙ্গীর উরোজোভ। মিডফিল্ডার ৬–আকমল মোহগোভয়, ৭–ওতাবেক শুকনরোভ, ৮–জামশিদ ইসকান্দেরভ, ৯–ওদিজন হামরোবেকোভ, ১০–জালোলিদ্দিন মাশারিপভ, ১১–ওস্তন উরুনভ, ১৭–দোস্তোনবেক খামদামভ, ১৯–আজিজন গানিয়েভ, ২২–আব্বোসবেগ ফাইজুল্লায়েভ, ২৩–শেরজদ ইসানভ। ফরোয়ার্ড ১৪–এল্দর শোমুরোদভ, ২০–আজিজবেক আমোনোভ, ২১–ইগর সের্গিভ।

গ্রুপ ‘কে’: কলম্বিয়া

 
গোলরক্ষক ১–দাভিদ অসপিনা, ১২–কামিলো ভার্গাস, ২৪–আলভারো মন্তেরো ডিফেন্ডার ২–দানিয়েল মুনিওজ, ৩–জন লুকুমি, ৪–সান্তিয়াগো আরিয়াস, ১৩–ইয়েরি মিনা, ১৪–গুস্তাভো পুয়ের্তা, ১৭–জোহান মোহিকা, ১৮–উইলের দিত্তা, ২২–দেভার মাচাদো, ২৩–দাভিনসন সানচেজ। মিডফিল্ডার ৫–কেভিন কাস্তানিও, ৬–রিচার্ড রিওস, ৮–হোর্হে কারাসকাল, ১০–হামেস রদ্রিগেজ, ১১–জন আরিয়াস, ১৫–হুয়ান পোর্তিয়া, ১৬–জেফারসন লেরমা, ২০–হুয়ান কিন্তেরো। আক্রমণভাগ ৭–লুইস দিয়াজ, ৯–জন কর্দোবা, ১৯–কুচো হার্নান্দেজ, ২১–হামিন্তন কাম্পাজ, ২৫–লুইস সুয়ারেজ, ২৬–আন্দ্রেস গোমেজ।

গ্রুপ ‘এল’: ইংল্যান্ড

 
গোলরক্ষক ১–জর্ডান পিকফোর্ড, ১৩–ডিন হেন্ডারসন, ২৩–জেমস ট্রাফোর্ড। ডিফেন্ডার ২–এজরি কনসা, ৩–নিকো ও’রাইলি, ৫–জন স্টোনস, ৬–মার্ক গেহি, ৮–এলিয়ট অ্যান্ডারসন, ১২–টিনো লিভ্রামেন্টো, ১৫–ড্যান বার্ন, ২৪–রিস জেমস, ২৫–জেড স্পেনস, ২৬–জ্যারেল কোয়ানসা। মিডফিল্ডার ৪–ডেকলান রাইস, ১০–জুড বেলিংহাম, ১৪–জর্ডান হেন্ডারসন, ১৬–কোবি মাইনু, ১৭–মরগান রজার্স, ২১–এবেরেচি এজা। ফরোয়ার্ড ৭–বুকায়ো সাকা, ৯–হ্যারি কেইন, ১১–মার্কাস রাশফোর্ড, ১৮–অ্যান্থনি গর্ডন, ১৯–ওলি ওয়াটকিনস, ২০–ননি মাদুয়েকে, ২২–ইভান টনি।

গ্রুপ ‘এল’: ক্রোয়েশিয়া

 
গোলকিপার ১–দমিনিক লিভাকোভিচ, ১২–ইভোর পান্দুর, ২৩–দমিনিক কোতারস্কি। ডিফেন্ডার ২–ইয়োসিপ স্তানিসিচ, ৩–মারিন পংরাচিচ, ৪–ইওস্কো গাভার্দিওল, ৫–দুয়ে চালেতা-সার, ৬–ইয়োসিপ শুতালো, ১৮–ক্রিস্তিয়ান ইয়াকিচ, ২২–লুকা ভুসকোভিচ, ২৫–মার্তিন এরলিচ। মিডফিল্ডার ৭–নিকোলা মোরো, ৮–মাতেও কোভাচিচ, ১০–লুকা মদরিচ, ১৩–নিকোলা ভ্লাসিচ, ১৫–মারিও পাসালিচ, ১৬–মার্তিন বাতুরিনা, ১৭–পেতার সুচিচ, ১৯–টনি ফ্রুক, ২১–লুকা সুচিচ। ফরোয়ার্ড ৯–আন্দ্রে ক্রামারিচ, ১১–আন্তে বুদিমির, ১৪– ইভান পেরিসিচ, ২০–ইগর মাতানোভিচ, ২৪–মার্কো পাসালিচ, ২৬–পেতার মুসা।

গ্রুপ ‘এল’: ঘানা

 
গোলরক্ষক ১–আতি–জিগি লরেন্স, ১২–জোসেফ আনাং, ১৬–বেঞ্জামিন আসারে। ডিফেন্ডার ২–আলিদু সেইদু, ৪–জোনাস আজেতে, ৬–আবদুল মুনিম, ১৪–গিডিওন মেনসা, ১৭–আবদুল রহমান বাবা, ১৮–জেরোম ওপোকু, ২১–কোজো পেপরা ওপোং, ২৩–ডেরিক লুকাসেন, ২৬–মারভিন সেনায়া। মিডফিল্ডার ৩–ক্যালেব ইরেনকি, ৫–টমাস পার্টি, ৮–কোয়াসি সিবো, ১১–আন্তোয়ান সেমেনিও, ১৫–এলিশা ওউসু, ২০–অগাস্টিন বোকায়ে। ফরোয়ার্ড ৭–আবদুল ফাতাউ, ৯–জর্ডান আইয়ু, ১০–ব্র্যান্ডন টমাস–আসান্তে, ১৩–ক্রিস্টোফার বোনসু বা, ১৯–ইনিয়াকি উইলিয়ামস, ২২–কামালদীন সুলেমানা, ২৪–আর্নেস্ট নুয়ামা, ২৫–প্রিন্স কোয়াবেনা আডু।

গ্রুপ ‘এল’: পানামা

 
গোলরক্ষক ১–লুইস মেহিয়া, ১২–সেজার সামুদিও, ২২–অরলান্দো মসকেরা। ডিফেন্ডার ২–সেজার ব্ল্যাকম্যান, ৩–হোসে কর্দোবা, ৪–ফিদেল এস্কোবার,৫–এদগার্দো ফারিনা, ১৩–জিওভানি রামোস, ১৪–কার্লোস হার্ভি, ১৫–এরিক ডেভিস, ১৬–আন্দ্রেস আনদ্রাদে, ২৩–আমির মুরিও, ২৫–রদেরিক মিলার, ২৬–হোর্হে গুতিয়েরেজ। মিডফিল্ডার ৬–ক্রিস্তিয়ান মার্তিনেজ, ৭–হোসে লুইস রদ্রিগেজ, ৮–আদালবের্তো কারাসকিয়া, ১০–ইসমায়েল দিয়াজ, ১১–ইয়োল বার্সেনাস, ১৯–আলবার্তো কিন্তেরো, ২০–আনিবাল গদয়, ২১–সেজার ইয়ানিস। ফরোয়ার্ড ৯–তমাস রদ্রিগেজ, ১৭–হোসে ফাহার্দো, ১৮–সেসিলিও ওয়াটম্যান, ২৪–আজারিয়াস লন্দনিও।

অবশেষে শেষ হলো মোহামেডানের অপেক্ষা। লিগের শেষদিনে নানা নাটকীয়তা আর সমীকরণ মিলিয়ে লিস্ট ‘এ’ মর্যাদা পাওয়ার পর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হলো মোহামেডান।

লিগের শেষদিনে তাদের সামনে সমীকরণটা একটু জটিলই ছিল। আবাহনীর বিপক্ষে মোহামেডানের শুধু জিতলেই হতো না, শেষ ম্যাচে হারতে হতো প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবে। বিকেএসপির পাশাপাশি মাঠে দুটি ঘটনাই ঘটেছে আজ।

২০০৯–১০ মৌসুমে সর্বশেষ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তারা।

পর্দা উঠেছে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের। মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে কাল রাতে হয়ে গেল জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। জমকালো এই আয়োজনের ১০টি ছবি দেখুন এখানে।
 
‘প্রাসাদের নগরী’ মেক্সিকো সিটির আজতেকা স্টেডিয়ামে হয়ে গেল জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান
‘প্রাসাদের নগরী’ মেক্সিকো সিটির আজতেকা স্টেডিয়ামে হয়ে গেল জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানরয়টার্স
স্টেডিয়ামের মাঝে বেশ বড় সোনালি ট্রফি। চারপাশে সোনালি পোশাকের পারফরমার। আজতেক সভ্যতার সোনালি সময় ফুটেছে তাঁদের পোশাক ও নাচের ঢঙে
স্টেডিয়ামের মাঝে বেশ বড় সোনালি ট্রফি। চারপাশে সোনালি পোশাকের পারফরমার। আজতেক সভ্যতার সোনালি সময় ফুটেছে তাঁদের পোশাক ও নাচের ঢঙেরয়টার্স
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করেন কলম্বিয়ান গায়ক ও প্রযোজক জে বলভিন
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করেন কলম্বিয়ান গায়ক ও প্রযোজক জে বলভিন, রয়টার্স
ইতালীয় গায়ক আন্দ্রেয়া বোচেলি এবং দক্ষিণ কোরিয়ান-আমেরিকান গায়ক এজে পারফর্ম করে মুগ্ধ করেন সবাইকে
ইতালীয় গায়ক আন্দ্রেয়া বোচেলি এবং দক্ষিণ কোরিয়ান-আমেরিকান গায়ক এজে পারফর্ম করে মুগ্ধ করেন সবাইকে, এএফপি
স্টেডিয়ামের বাইরেও উৎসবের কমতি ছিল না
স্টেডিয়ামের বাইরেও উৎসবের কমতি ছিল না, এএফপি
 
কলম্বিয়ান কিংবদন্তি শাকিরার সঙ্গে নাইজেরিয়ান গায়ক বার্না বয়
কলম্বিয়ান কিংবদন্তি শাকিরার সঙ্গে নাইজেরিয়ান গায়ক বার্না বয়, রয়টার্স
 
সানগ্লাস চোখে পারফরমারদের নিয়ে ‘দাই দাই’ গানের সুর ধরেন শাকিরা
সানগ্লাস চোখে পারফরমারদের নিয়ে ‘দাই দাই’ গানের সুর ধরেন শাকিরা, রয়টার্স
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিচিত্র সাজে
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিচিত্র সাজে, এএফপি
পুরো অনুষ্ঠানে ফুটে উঠেছে মেক্সিকোর ঐতিহ্য
পুরো অনুষ্ঠানে ফুটে উঠেছে মেক্সিকোর ঐতিহ্য, রয়টার্স
 
শাকিরা যখন পারফরমার ...
শাকিরা যখন পারফরমার ...এএফপি

গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর ‘এ’ গ্রুপের দক্ষিণ কোরিয়া-চেক প্রজাতন্ত্রের ম্যাচ বিরতির পর যেন হয়ে উঠল রণক্ষেত্র। একের পর এক আক্রমণ, পাল্টা-আক্রমণের ম্যাচে হচ্ছিল না শুধু কাঙ্ক্ষিত সেই গোল।

শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়াই জিতল। ৫৯ মিনিটে ১–০ গোলে পিছিয়ে গিয়েছিল তারা। তবে ৬৭তম মিনিটে হোয়াং ইন–বম ও ৮০তম মিনিটে ওহ হিউয়ান–গিউের গোলে ২–১ চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।

জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু দক্ষিণ কোরিয়ার
জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু দক্ষিণ কোরিয়ার, এএফপি

এবার এগিয়েও গেল দক্ষিণ কোরিয়া

প্রথমে গোল হজম করা দক্ষিণ কোরিয়া টানা দ্বিতীয় গোল করে ম্যাচে এগিয়ে গেছে। ৮০তম মিনিটে দ্বিতীয় গোলটি করেছেন ওহ হিউয়ান–গিউ।

২০২৮ সালে চালু হতে যাওয়া নতুন শিক্ষাক্রমে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় যেকোনো একটি ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে সরকার। সেই ভাষা শিখে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়া শিক্ষার্থীদেরকে দেওয়া হবে ১০ লাখ টাকা ঋণ সুবিধা।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তব্যে এই ঋণ সুবিধার প্রস্তাব রাখেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, জাতীয় শিক্ষাক্রমে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা; যেমন-জাপানিজ, কোরিয়ান, মান্দারিন, আরবি, ফ্রেঞ্চ, জার্মান ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সরকার তৃতীয় ভাষাজ্ঞানসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বিভিন্ন দেশে উচ্চশিক্ষায় গমনেচ্ছুদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা করবে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল ইউনিফর্ম, জুতা ও স্কুলব্যাগ সরবরাহ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং বিশেষায়িত সহায়ক প্রযুক্তি ও শিক্ষাসামগ্রী দেওয়া হবে।

বক্তব্যে মিড ডে মিলের আওতা বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে এবং সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণে মিড-ডে মিল কর্মসূচি চালু ও পর্যায়ক্রমে সারাদেশে সম্প্রসারণ এবং ছাত্রী ও শিক্ষিকাদের স্যানিটেশন ও হাইজিনকে প্রাধান্য দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে।

প্রযুক্তিশিক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিতকল্পে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন, বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে।

প্রসঙ্গত, ১৯৭২ সালে ৭৮৬ কোটি টাকার বাজেট দিয়ে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ। পাঁচ দশকের বেশি সময়ের এই যাত্রায় দেশের অর্থনীতির পরিধি যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে উন্নয়ন কর্মসূচি ও রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের আকারও।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেট এটি। বিশাল নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রতিগুলো পূরণে দেশের ইতিহাসে এবার সবচেয়ে বড় বাজেট তৈরি করেছে সরকার। টাকার অঙ্কে প্রস্তাবিত এ বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। 

বিরাট এ বাজেটে মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। বাকি অর্থ সংগ্রহ করা হবে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা থেকে। বাজেট ঘাটতি দাঁড়াতে পারে ২ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

বাজেটের এই বিশাল ঘাটতি পূরণে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক-দুই উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে সরকার।

প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার অর্থ সংগ্রহ করা হবে।

নতুন এ বাজেটের মাধ্যমে সরকারের লক্ষ্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনা, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং বাংলাদেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির’ পথে এগিয়ে নেওয়া।

 

কথায় আছে, ‘সকাল দেখেই বোঝা যায়, দিনটা কেমন যাবে।’ তো, এবার বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচেই দেখা গেল ৩ লাল কার্ড। টুর্নামেন্ট শেষে লাল কার্ডের ‘বোঝা’ কতটা ভারী হবে কে জানে!

উত্তর সময়ের হাতে। তবে আজতেকা স্টেডিয়ামে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ম্যাচ শেষেই এই প্রশ্ন উঠে গেছে। তার কারণ, চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপে ৩২ দলের মোট ৬৪ ম্যাচে লাল কার্ড দেখা গিয়েছিল মাত্র ৪টি। তার চার বছর আগে একই সংস্করণের ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপেও লাল কার্ড ছিল ৪টি। এবার ৪৮ দলের বিশ্বকাপে ম্যাচসংখ্যা ১০৪টি। বিশ্বকাপে এক আসরে সর্বোচ্চ লাল কার্ডের রেকর্ডটি ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি তাই উঁকি দিচ্ছে এখনই।

সেটা না হয় দিক, এরই মধ্যে কিন্তু ভেঙে গেছে বিশ্বকাপের ইতিহাসে উদ্বোধনী ম্যাচে সর্বোচ্চ লাল কার্ডের রেকর্ড। ১৯৯০ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে চমকে দেওয়া ‘আফ্রিকার অদম্য সিংহ’ ক্যামেরুনের দখলে এত দিন ছিল রেকর্ডটি। সে ম্যাচে লাল কার্ড দেখেন ক্যামেরুনের আন্দ্রে কানা-বিয়িক ও বেনজামিন ম্যাসিং।

আজতেকায় এবারের বিশ্বকাপে উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মেক্সিকোর ২-০ গোলে জয়ের ম্যাচে পেছনে পড়ল ৩৬ বছর আগের সেই রেকর্ড। মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকার ‘যৌথ প্রযোজনা’য় লাল কার্ড দেখা গেল ৩টি। দক্ষিণ আফ্রিকার দুই মিডফিল্ডার স্ফেফেলো সিথোলে ও থেম্বা জেওয়ানে লাল কার্ড দেখেন। মেক্সিকোর সেজার মন্তেস এরপর লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন।

মেক্সিকোর মন্তেসকে লাল কার্ড দেখাচ্ছেন রেফারি
মেক্সিকোর মন্তেসকে লাল কার্ড দেখাচ্ছেন রেফারি
 

তবে জেওয়ানের লাল কার্ডটা মেনে নিতে পারেননি দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ হুগো ব্রুস। মেক্সিকোর রক্ষণভাগে আক্রমণে উঠে স্বাগতিক ডিফেন্ডার রবার্তো আলভারাদোকে ছাড়াতে গিয়ে হাত ব্যবহার করেন জেওয়ানে। ভিএআর দেখে রেফারি উইলটন সাম্পাইও লাল কার্ড দেখান জেওয়ানকে। ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের ব্রুস বলেন, ‘দ্বিতীয়টি (লাল কার্ড) নিয়ে আমরা কথা বলতে পারি। মেক্সিকান খেলোয়াড়ই আমার খেলোয়াড়কে বাধা দিয়েছিল। রেফারি তার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন এবং আমাদের সেটা মেনে নিতে হবে। কিন্তু আমার মনে হয় না (লাল কার্ড ছিল)। ওটা লাল কার্ড নাও দেওয়া যেত।’

বিশ্বকাপে এক ম্যাচে ন্যূনতম তিন বার তার বেশি লাল কার্ড দেখা গেছে সাতবার। এর মধ্যে প্রথম দুটি ঘটনাই কোয়ার্টার ফাইনালে—১৯৩৮ বিশ্বকাপে ‘ব্যাটল অব বোর্দো’খ্যাত ব্রাজিল ও সাবেক চেকোশ্লোভাকিয়ার ম্যাচে ৩ লাল কার্ড দেখা যায়। ১৬ বছর পর ১৯৫৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিল-হাঙ্গেরি ‘ব্যাটল অব বার্ন’ ম্যাচেও দেখা যায় ৩টি লাল কার্ড। একই ঘটনা ফিরে আসে ৪২ বছর পর ১৯৯৮ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে দক্ষিণ আফ্রিকা-ডেনমার্ক ম্যাচে।
দক্ষিণ আফ্রিকার আরেক মিডফিল্ডার সিথোলেও লাল কার্ড দেখেন
দক্ষিণ আফ্রিকার আরেক মিডফিল্ডার সিথোলেও লাল কার্ড দেখেন, এএফপি
 

আট বছর পর সবকিছু ছাপিয়ে যায় ২০০৬ বিশ্বকাপ। সেবার গ্রুপ পর্বে ইতালি-যুক্তরাষ্ট্র ও ক্রোয়েশিয়া-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে ৩টি করে লাল কার্ড দেখা গেছে। এরপর শেষ ষোলোয় ‘ব্যাটল অব নুরেমবার্গ’খ্যাত নেদারল্যান্ডস-পর্তুগাল ম্যাচটি সব ছাপিয়ে যায়। ৪টি লাল কার্ড দেখান রেফারি—বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক ম্যাচে এটাই সর্বোচ্চ লাল কার্ড। শুধু তাই নয়, ২০০৬ বিশ্বকাপ আসলে লাল কার্ডেরই বিশ্বকাপ। মোট ২৮টি লাল কার্ড দেখা গিয়েছিল—যেটা বিশ্বকাপে এক আসরে সর্বোচ্চ লাল কার্ডের রেকর্ড।

এই ম্যাচে লাল কার্ডের আলোচনায় ‘ব্যাটল অব নুরেমবার্গ’ ফিরে আসবেই। কারণ সেই ম্যাচের পর দক্ষিণ আফ্রিকা ও মেক্সিকোর মধ্যকার ম্যাচে একাধিক লাল কার্ড দেখা গেল। সেই ম্যাচের পর দক্ষিণ আফ্রিকাই এবার প্রথম দল হিসেবে দুটি লাল কার্ড দেখল। ‘ব্যাটল অব নুরেমবার্গে’ পর্তুগাল ও নেদারল্যান্ডসের দুজন করে খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখেন।

লাল কার্ড প্রসঙ্গে এবারের বিশ্বকাপে উদ্বোধনী ম্যাচটি রেকর্ড বইয়ে আরও একটি পাতায় জায়গা করে নিয়েছে। তিনটি লাল কার্ডই সরাসরি দেখান ব্রাজিলিয়ান রেফারি সাম্পাইও। কেউ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েননি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এর আগে এক ম্যাচে তিনটি সরাসরি লাল কার্ড দেখা গেছে ৭২ বছর আগের সেই ‘ব্যাটল অব বার্ন’ ম্যাচে।

তবে সেবারের সেই ১৯৫৪ বিশ্বকাপে কার্ডের প্রচলন ছিল না। লাল কার্ড ও হলুদ কার্ডের প্রচলন শুরু হয় ’৭০ বিশ্বকাপ থেকে। ‘ব্যাটল অব বার্ন’ ম্যাচে ব্রাজিলের নিল্টন সান্টোস, হাঙ্গেরির ইয়োসেফ বোজিক ও হামবার্তো তোজ্জিকে সরাসরি মাঠ থেকে বহিষ্কার করেছিলেন রেফারি। সে হিসেবে বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম এক ম্যাচে তিনজন খেলোয়াড় সরাসরি লাল কার্ড দেখলেন, সেটাও উদ্বোধনী ম্যাচে!

স্টেডিয়ামের মাঝে বেশ বড় সোনালি ট্রফি। চারপাশে সোনালি পোশাকের পারফরমার। আজতেক সভ্যতার সোনালি সময় ফুটেছে তাঁদের পোশাক ও নাচের ঢঙে। লিলা ডাউনস দাঁড়িয়ে তাঁর মাঝে। সুরেলা কণ্ঠে মেক্সিকান সংগীতশিল্পী স্বাগত জানালেন বিশ্বকে, ‘বিশ্ববাসী, মেক্সিকোয় স্বাগত!’

ব্যস, ঢাকে কাঠি পড়ল ২০২৬ বিশ্বকাপের। রঙিন রঙের আবির ছড়িয়ে পড়ল আজতেকা স্টেডিয়ামের চারপাশে। ওটা ফুটবলের ‘ক্যাথেড্রাল’—তিনটি বিশ্বকাপের উদ্ধোধন হওয়া ইতিহাসের প্রথম এবং একমাত্র স্টেডিয়াম। গতকাল রাতে সেই আজতেকাতেই বিশ্বকাপের ‘প্রথম’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববাসীকে স্বাগত জানাল মেক্সিকো।

প্রথম বলার কারণ, সহ–আয়োজক দুই দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাতেও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে। তবে আজতেকার ইতিহাস এবং ঐতিহ্য বিচারে বিশ্বকাপের আসল উদ্ধোধন হয়ে গেল আসলে সেখানেই। মেক্সিকোর কিংবদন্তি রক ব্যান্ড ‘মানা’ মঞ্চে ‘ওই মি আমোর’ (হে, আমার ভালোবাসা) গানের সুর তুলতেই গ্যালারিতে জন্ম হলো ‘মেক্সিকান ওয়েভ’। হাত ছড়িয়ে দর্শকদের তোলা সেই ঢেউ ছুঁয়েছে পর্দার দর্শকের হৃদয়ও।

আজতেক সভ্যতার সংস্কৃতি তুলে ধরা হয় উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে। বিশ্বকাপের বিশাল এক ট্রফিও ছিল মাঠে
আজতেক সভ্যতার সংস্কৃতি তুলে ধরা হয় উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে। বিশ্বকাপের বিশাল এক ট্রফিও ছিল মাঠেএএফপি

ভেনেজুয়েলার গায়ক ড্যানি ওশান পারফর্ম করার পর মেক্সিকান মিউজিক্যাল গ্রুপ লস অ্যাঞ্জেলস আজুলসের সঙ্গে ফোক ব্যালে পারফরম্যান্স ছিল নজরকাড়া। এরপর এলেন কলম্বিয়ান গায়ক জে বলভিন। কিন্তু মজাটা যেন তখনো সেভাবে ঠিক জমছিল না। কারণ, বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ‘রানি’ তখনো মঞ্চে আসেননি।

শাকিরা! হলুদ, বেগুনি ও সাদা পোশাকে যখন মঞ্চে উঠলেন, তখন যেন শুরু হলো বিশ্বকাপের আসল ঢেউ। সানগ্লাস চোখে পারফরমারদের নিয়ে ‘দাই দাই’ গানের সুর ধরেন শাকিরা। নাইজেরিয়ান গায়ক বার্না বয়ও ভালো সঙ্গ দেন কলম্বিয়ান কিংবদন্তিকে। কিন্তু সব চোখ আসলে কলম্বিয়ান কিংবদন্তির ওপরই ছিল। শাকিরা ছাড়া বিশ্বকাপ আবার জমে নাকি! ২০১০ বিশ্বকাপে ‘ওয়াকা ওয়াকা’ গান দিয়েই তো চিরস্মরণীয় হয়ে গেছেন।

পাখির চোখে ওপর থেকে বিশ্বকাপের উদ্ধোধনী অনুষ্ঠান। আজতেকা স্টেডিয়ামে
পাখির চোখে ওপর থেকে বিশ্বকাপের উদ্ধোধনী অনুষ্ঠান। আজতেকা স্টেডিয়ামেএএফপি

জমে না বলেই শাকিরার কণ্ঠে সুর খেলা করতে দর্শক উন্মাতাল হয়েছে সবচেয়ে বেশি। আজতেকার বাইরেও তখন বেশ চড়া হয়েছে উৎসবের সুর। নাচে-গানে মেতেছিলেন ফুটবলপ্রেমীরা, তার মধ্যে বেশির ভাগই মেক্সিকান। উদ্বোধনী এই অনুষ্ঠানের পরই যেহেতু তাঁদের ম্যাচ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে—তাই স্বাগতিক হিসেবে যেন পুরো প্রস্তুতি নেওয়া ছিল। যেখানে চোখ যায় সেখানেই মেক্সিকান সমর্থক, ফুটবলপাগল মেক্সিকানদের ভিড়ে ‘বাফানা বাফানা’ সমর্থকদের খুঁজে পাওয়াই দায়!

বর্ণিল পোশাকে পারফর্ম করেন পারফরমাররা
বর্ণিল পোশাকে পারফর্ম করেন পারফরমাররাএএফপি

অলিম্পিক অনুষ্ঠানের মতো বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সবগুলো দেশের পতাকা নিয়ে প্রতিনিধিরা ছিলেন মাঠে। প্রতিটি দেশের নামও ঘোষণা করেন স্পিকারের ঘোষক। ৪৮টি দেশ নিয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপের ‘প্রথম’ উদ্বোধনী এই অনুষ্ঠানে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ট্রফিটি তুলে ধরার সঙ্গে গর্জনে ফেটে পড়ে ৮০ হাজার আসনের গ্যালারি।

বিশ্বকাপের উৎসব যে ততক্ষণে জমে গেছে, সেটা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন এক ফুটবলপ্রেমী, ‘পার্টি এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে। অসাধারণ লাগছে।’ স্টেডিয়ামে যখন এমন উৎসবের সুর, তখন মেক্সিকো সিটিতে বিশ্বকাপের ফ্যান জোনে ঢুকতে রীতিমতো লড়াই করতে হয়েছে ফুটবলপ্রেমীদের। ধাক্কাধাক্কিতে ধৈর্য হারিয়ে কেউ কেউ বোতলও ছুড়ে মারেন। নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে লেগে যায় দর্শকদেরও।

গান ও সুরের মূর্চ্ছনায় মেতেছিলেন দর্শক
গান ও সুরের মূর্চ্ছনায় মেতেছিলেন দর্শক, এএফপি
 

ব্যবস্থাপনা নিয়ে এক দর্শকের অভিযোগ, ‘অবিশ্বাস্য উন্মাদনা। ব্যবস্থাপনা আরও ভালো হতে পারত।’ তবে ফ্যান জোন আগেই দর্শকে টইটম্বুর হয়ে পড়ায় স্থানীয় প্রশাসন আগেই দর্শকদের অন্য কোথাও যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল। কিন্তু সব জায়গাতেই প্রচুর ভিড় জমেছিল দর্শকের।

আজতেকাকেও সাজানো হয়েছিল নতুন করে। লাল রঙে স্টেডিয়ামের চারপাশটা রাঙানো হয়। বিভিন্ন রঙের আবির ও আলোকসজ্জা, বাদ্যি-বাজনায় ভরপুর হয়ে উঠেছিল উদ্বোধনের উৎসব। মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকা দল মাঠে ঢোকার পরও গ্যালারিতে বসে গান শুনেছেন দর্শক।

বিশ্বকাপের উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানের একটি মুহূর্ত। আজতেকা স্টেডিয়ামে
বিশ্বকাপের উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানের একটি মুহূর্ত। আজতেকা স্টেডিয়ামে, এএফপি
 

খেলা শুরুর মিনিট বিশেক আগে গ্যালারিতে ‘মেক্সিকান ওয়েভ’–এর ঢেউ ফিরিয়ে আনেন তাঁরা। ’৮৬ বিশ্বকাপে এই আজতেকা স্টেডিয়ামেই জন্ম হয়েছিল দর্শকদের এমন উদ্‌যাপনের। তার ১৬ বছর আগে ’৭০ বিশ্বকাপও আয়োজিত হয়েছিল আজতেকায়।

রাইলি মেরেডিথকে ছক্কা মারলেন মেহেদী হাসান মিরাজ—বাংলাদেশ ৫ উইকেটে ম্যাচটা জিতল তখনই, নিশ্চিত হলো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সিরিজ জেতাও। অনেকেই স্বস্তিও তাতে পেলেন, মিরাজ তাহলে সুস্থই আছেন!

ম্যাচ জেতানো ওই ছক্কার আগের ওভারেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন মেহেদী হাসান। নাথান এলিসের বল হেলমেটে লাগার পর মাঠেই শুয়ে পড়েন তিনি। তাঁকে বমি করতেও দেখা যায় তখন। মাঠে আনা হয় স্ট্রেচার, তৈরি করা হয় অ্যাম্বুলেন্স।

তবে কিছুক্ষণ পরই তিনি সুস্থ হয়ে উঠে দাঁড়ান। বাকি সময়টা ব্যাটিং করে দলকে ম্যাচও জেতান। তবে ম্যাচশেষেই তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় দলের ফিজিও বায়েজীদুল ইসলাম।

বিসিবির পাঠানো ভিডিও বার্তায় তিনি বলেছেন, ‘আজকের ম্যাচে মিরাজের একটা কনকাশনের মতো হয়েছিল। আমরা সেখানে অ্যাসেস করার পর সে খেলা চালিয়ে যায়। ম্যাচের পর আমরা ওকে এভারকেয়ার হাসপাতালে পাঠিয়েছি পর্যবেক্ষণ ও স্ক্যানগুলো করার জন্য। ও এখন ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে থাকবে।’

ছক্কা মেরে ম্যাচ জিতিয়েছেন মিরাজ
ছক্কা মেরে ম্যাচ জিতিয়েছেন মিরাজ
 

ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে এসে তাসকিন অবশ্য জানিয়েছিলেন, তাঁকে ভালোই দেখেছেন। মিরাজকে নিয়ে দুশ্চিন্তা করার মতো তেমন কিছু নেই বলেও বিশ্বাস ছিল তাঁর।

তিনি বলেন, ‘মাথায় লাগার পরও চিন্তা করেছে ও যদি ওই সময়ে এসে পড়ত, নতুন একটা ব্যাটসম্যান গিয়ে আরও চাপে ভুল করতে পারত; কিন্তু হৃদয় আর মিরাজ শেষের দিকে ভালো ফিনিশ করছে।’

এমন দিন কি আর প্রতিদিন আসে! অস্ট্রেলিয়া কোনো রান তোলার আগেই বাংলাদেশ তুলে নিয়েছে ৩ উইকেট। মিরপুরে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের যেভাবে বিব্রত করেছে বাংলাদেশ,  সে সব দেখে নেওয়া যাক এক ঝলকে—
 

ওয়ানডেতে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার শূন্য রানে তিন উইকেট হারাল অস্ট্রেলিয়া।

ওয়ানডেতে কোনো রান তোলার আগেই প্রথম তিন উইকেট হারানো মাত্র চতুর্থ দল অস্ট্রেলিয়া। আগের তিনটি দলের মধ্যে সর্বশেষ দলটি ছিল বাংলাদেশ; ২০০৩ সালের বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচের প্রথম তিন বলেই এমন দশা হয়েছিল খালেদ মাসুদের দলের, হ্যাটট্রিক করেছিলেন চামিন্ডা ভাস।

ওয়ানডেতে তৃতীয়বার অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনারই শূন্য রানে ফিরেছেন। প্রথমটি ২০০৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে, পরেরটি ২০২২ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে।

এখন পর্যন্ত ৩ উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজ
এখন পর্যন্ত ৩ উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজ
 

ওয়ানডেতে উদ্বোধনী জুটিতে কোনো রান যোগ না করেই টানা চার ইনিংসে উইকেট হারাল অস্ট্রেলিয়া। এর আগে এই ক্লাবে ছিল শুধু পাপুয়া নিউগিনি।

আজও শূন্য রানে ফিরেছেন অস্ট্রেলিয়ার ওপেনার ম্যাথু শর্ট। এ নিয়ে সর্বশেষ ৩ ওয়ানডেতেই শূন্য রানে ফিরেছেন তিনি।

ট্রফি একটি, আয়োজকও একটি দেশ, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও ছিল একটিই।

সেই ধারায় ছেদ পড়ল ২০০২ আসরে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সেবারই প্রথম আয়োজক দুটি দেশ—জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া; কিন্তু উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ধারা পাল্টাল না। শুধু সিউলেই আয়োজিত হলো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান; কিন্তু এবার শুধু আয়োজকের সংখ্যাই বাড়েনি, ভেঙে ফেলা হয়েছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ধারাও।

বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো আয়োজক তিন দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। তিনটি দেশেই হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। মেক্সিকোয় মেক্সিকো সিটি, কানাডায় টরন্টো ও যুক্তরাষ্ট্রে লস অ্যাঞ্জেলস। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ত্রি–আলোর ছটায় আলোকিত হবে পৃথিবী, কিন্তু একই সময়ে নয়।

‘প্রাসাদের নগরী’ মেক্সিকো সিটির আজতেকা স্টেডিয়ামে আজ বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে স্বাগতিকেরা। ২০১০ বিশ্বকাপের মতো এ ম্যাচের ৯০ মিনিট আগে শুরু হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এবারও বিশ্বকাপে প্রথম উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায়।

কানাডায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে আগামীকাল রাতে। টরন্টোর টরন্টো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত একটায় স্বাগতিক হয়ে কানাডা মুখোমুখি হবে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার। এই ম্যাচ দিয়েই কানাডায় পর্দা উঠবে বিশ্বকাপের এবং তার আগে বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখতে আগামীকাল রাত কাবার করে ভোর পর্যন্ত জেগে থাকতে হবে কিংবা ভোরে উঠতে হবে। শনিবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাতটায় লস অ্যাঞ্জেলস স্টেডিয়ামে প্যারাগুয়ের মুখোমুখি হবে স্বাগতিকেরা। তার আগে ভোর সাড়ে পাঁচটায় সেখানে শুরু হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

বিশ্বকাপের জন্য সংস্কার করা হয়েছে মেক্সিকোর আজতেকা স্টেডিয়াম
বিশ্বকাপের জন্য সংস্কার করা হয়েছে মেক্সিকোর আজতেকা স্টেডিয়াম, এএফপি
 

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান নিয়ে দুই দশক আগেও তেমন সাড়া ছিল না। ২০১০ বিশ্বকাপে শাকিরা ‘ওয়াকা ওয়াকা’ গেয়ে অমরত্ব আদায় করে নেওয়ার পর থেকেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান নিয়ে আলাদা আগ্রহ তৈরি হয়। যদিও ’৯৪ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রে প্রয়াত কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ডায়ানা রসের পেনাল্টি কিক বেশ সাড়া ফেলেছিল; কিন্তু কলম্বিয়ান সুরের পাখি শাকিরা ১৬ বছর আগের আসরে উদ্বোধনীতে যে মাদকতা উপহার দিয়েছিলেন, সেই মোহ আজও অনেকের ভাঙেনি।

সেসব মোহগ্রস্ত ফুটবলপ্রেমীর জন্য সুখবর—শাকিরা এবারও আছেন। সে প্রসঙ্গে পরে আসা যাবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আলাদা তিনটি শহরে হলেও ভাবনাটা এক ও অভিন্ন। আয়োজক তিনটি দেশের সংস্কৃতি তুলে ধরাই লক্ষ্য। মেক্সিকো সিটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যেমন আদিবাসী শিল্পী, লোকজ পরিবেশনা এবং ঐতিহ্যবাহী কাগজের শিল্প ‘পাপেল পিকাডো’র মাধ্যমে মেক্সিকোর সংস্কৃতিকে ফুটিয়ে তোলা হবে। সেখানে এবার বিশ্বকাপে অফিশিয়াল গান ‘ডাই ডাই’ (লেটস গো) গাইবেন শাকিরা, সঙ্গে থাকবেন নাইজেরিয়ান গায়ক বার্না বয়।

পাশাপাশি এবার বিশ্বকাপে অফিশিয়াল অ্যালবামে থাকা শিল্পীদের এই অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার কথা রয়েছে। তাঁদের মধ্যে আছেন আলেহান্দ্রো ফার্নান্দেজ, বেলিন্ডা, ড্যানি ওশান, জে বালভিন, লিলা ডাউনস, লস অ্যাঞ্জেলেস আজুলস এবং মানা। দক্ষিণ আফ্রিকান গায়ক ও গীতিকার টাইলাও মেক্সিকো সিটির অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। সে জন্য প্রস্তুতিও সেরে ফেলেছে মেক্সিকো সিটি। বিশ্বকাপ শুরুর দিনে ছুটি দেওয়ার পাশাপাশি স্কুল বন্ধ ঘোষণা এবং সরকারি কর্মীদের বাসা থেকে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন মেক্সিকোর প্রধানমন্ত্রী ক্লদিয়া শেনবাউম।

নোরা ফাতেহি। ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
নোরা ফাতেহি। ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

মেক্সিকো সিটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের স্থায়িত্ব হতে পারে ১৬ থেকে ১৭ মিনিট। টরন্টো ও লস অ্যাঞ্জেলেসে সেটি ১৩ মিনিট স্থায়ী হতে পারে। টরন্টো স্টেডিয়ামে একটি ক্ষণগণনা দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হবে। কানাডার বিভিন্ন গৌরবময় মুহূর্ত তাতে ফুটিয়ে তোলা হবে। পারফর্ম করবেন সংগীতশিল্পী অ্যালানিস মরিসেট, আলেসিয়া ক্যারা, এলিয়ানা, মাইকেল বুবলে, নোরা ফাতেহি, সঞ্জয় (বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত), ভেজেড্রিম এবং উইলিয়াম প্রিন্সের মতো শিল্পীরা।

লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামের অনুষ্ঠানে থাকবে বড় পরিসরের ভিজ্যুয়াল ও আকর্ষণীয় গল্পগাথা। সেই সঙ্গে মঞ্চ মাতাবেন কেটি পেরি, ফিউচার, অ্যানিত্তা, লিসা, রেমা এবং টাইলার মতো বিশ্বখ্যাত শিল্পীরা।

এবারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানগুলো প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছেন মার্কো বালিচ। অলিম্পিকের বেশ কয়েকটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পেছনের কারিগর তিনি। প্রতিটি অনুষ্ঠানের আবহ ও চরিত্র ভিন্ন হলেও তিনটি আয়োজনই একটি মূল ভাবনায় একীভূত—ভেদাভেদ ভুলে মানুষকে এক সুতায় গাঁথায় ফুটবলের যে অনন্য ক্ষমতা, সেটিই তিনটি শহরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূল থিম।

ফিফার দেওয়া নাম মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়াম, ফুটবল ইতিহাসে পরিচিত আজতেকা স্টেডিয়াম নামে। আজ বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে এ মাঠেই। তার আগে মেহেদী হাসান কান পেতে শুনেছেন আজতেকা স্টেডিয়ামের আনমনে বলে যাওয়া কিছু কথা, যেখানে আছে একটা হতাশাও—

মহাবিশ্বে প্রতিটি বস্তুর নাকি নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আছে। আমার লক্ষ্যটা এত দিনে আমি বুঝে গেছি। সেই গল্প আর একটি ইচ্ছার কথা আজ বলতে এসেছি তোমাদের কাছে।

মানুষ আমাকে বানিয়েছে নিজের লক্ষ্যপূরণের জন্য, সেটা করতে করতে আমি যেন এখন অক্ষয়, অমর, অজর! ঝড়ে, ভূমিকম্পে ধসে পড়তে পারি, কিন্তু আমার নাম-পরিচয় বিনে ফুটবলের ইতিহাস অসম্পূর্ণ। আমি এস্তাদিও বানোর্তে।

কোঁচকানো ভ্রু দেখে বেশ হাসি পাচ্ছে। এই নামে কাউকে মনে পড়ছে না? আমারও না, বুঝলে। আমার আদি নাম-পরিচয় বললে তো চিনেই ফেলবে, তাই নতুন নামটা বলে একটু মজা করলাম।

বিশ্বকাপের জন্য আমাকে সাজানোর খরচ তুলতে, তোমরা আমার জন্মগত নাম-পরিচয় বেচে নতুন এই নামটা রেখেছ। তবে বিশ্বকাপে আবার অন্য নিয়ম; আমাকে এই নতুন নামে ডাকা যাবে না। ফিফার কড়া নির্দেশ—বলতে হবে, মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়াম।

তবে আমার নাম বদলানোয় লোকের কিছুমাত্র অসুবিধা হয়নি। পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় ডাকে জন্মগত নামেই। আজতেকা! লোকে বলে, আমার সবুজ বুকে যে সবচেয়ে সুন্দর ছবিটি আঁকতে পারে, অমরত্ব তাঁর অবধারিত।

আর আমি শুধু জানি, কালে কালে বিভিন্ন গল্পে-ঘটনায় আমি হয়ে উঠেছি এক রহস্যঘেরা ‘মিথ’ কিংবা সামান্য একটা স্টেডিয়াম নামের ‘কলোসাস অব সান্তা উরসুলা’। কালোমতো সেই ব্রাজিলিয়ান যেখানে দাঁড়িয়ে বলেছিল, ‘আজতেকার কিছু একটা ব্যাপার আছে। খুব বিশেষ কিছু; ভেতরে পা রাখলে বোঝা যায়। অন্য কোথাও এমন লাগে না।’

ফুটবল–ইতিহাসে তর্ক সাপেক্ষে সেরা এবং প্রায় একই রকম দুটি ছবি কিন্তু আমারই বুকে তোলা।

এক. সতীর্থের কাঁধে হাস্যোজ্জ্বল খালি গায়ের সেই কালো ব্রাজিলিয়ান। দুই. রোবের্তো চেজাস নামের এক সমর্থকের কাঁধে সাদা চামড়ার আর্জেন্টাইন, হাতে বিশ্বকাপ। ছবির মানুষ দুটি তোমাদের বড় আবেগের জায়গা, আপনার চেয়েও আপন মানুষ। তবু বলি, প্রথম ছবিটি পেলের। পরেরটি ডিয়েগো ম্যারাডোনার।

ম্যারাডোনার সেই অমর গোল
ম্যারাডোনার সেই অমর গোল, ফিফা
 

সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়ের তর্কটা চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ছিল তাঁদের মধ্যে। এটা যদি অমরত্ব হয়, তবে তাঁদের সেই বর প্রাপ্তির পুণ্যভূমি ছিলাম আমি—এস্তাদিও আজতেকা। বড়াই নয়, এ আমার বড় গর্বের, বড় তৃপ্তির কথা। ’৭০ বিশ্বকাপের ব্রাজিলে আমার জন্মের লক্ষ্যপূরণ, ’৮৬–এর ম্যারাডোনায় পূর্ণতা।

একটি গল্প বলি, তৃতীয় শতকে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে বর্তমান সান্তা উরসুলার বিশাল জায়গাজুড়ে পাথুরে লাভাভূমি তৈরি হয়েছিল। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৭ হাজার ২০০ ফুট ওপরে ওটাই আমার আর্বিভাবের জায়গা।

১৯৬১ সালে আমাকে বানানো এত সহজ ছিল না। এক বছর সময় নিয়ে ৬৪ হাজার বর্গমিটার জায়গা থেকে শুধু ১৮ কোটি কেজি পাথরই সরাতে হয় ৮০০ শ্রমিক, ৩৫ প্রকৌশলী ও ১০ স্থাপত্যবিদের সহায়তায়। জায়গাটা কয়োকান অঞ্চল, মেক্সিকানদের পূর্বপুরুষ আজতেক সভ্যতার প্রত্নতত্ত্বও পাওয়া গিয়েছিল আমাকে তৈরির সময়।

সেই ইতিহাসের ওপর দাঁড়িয়ে ’৭০ বিশ্বকাপ যখন শুরু হলো, তখনো আমি ইতিহাসের অংশ। ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার বাইরে প্রথম বিশ্বকাপ। আর মাঠে জন্ম হলো বিশ্বকাপের ইতিহাসে সেরা সব গল্পের। শতাব্দীর সেরা ম্যাচ, সব রাউন্ডেই জর্জিনিওর গোল, কার্লোস আলবার্তোর অনিন্দ্যসুন্দর গোল…। সব ছাপিয়ে গিয়েছিল ‘বিউটিফুল টিম’ ব্রাজিল, পেলে তার শীর্ষবিন্দু।

আমার বুকেই ‘দ্য বিউটিফুল গেম’ খেলে তৃতীয় বিশ্বকাপ জিতে পেলের অমরত্ব প্রাপ্তি। ফাইনালে খেলা ইতালিয়ান ফরোয়ার্ড অ্যাঞ্জেলো ডোমেনগিনির ভাষায়, ‘আ থিং অব বিউটি।’ সঙ্গে অমর কবি জন কিটসের বাকিটা জুড়ে দিলেই ফুটে ওঠে ’৭০ বিশ্বকাপের রূপ, ‘আ জয় ফরএভার।’

তবু আজ এত বছর পর মনে হয়, আমি আসলে মানুষের প্রয়োজনে ভাগ্যের আর্শীবাদপুষ্ট হয়ে ইতিহাস-ঐতিহ্য-মিথের ভারে ন্যুব্জ এক ‘থিয়েটার অব ইমর্টালিটি’।

’৮৬ বিশ্বকাপ আয়োজনে কলম্বিয়ার অপারগতা প্রকাশের পর ফিফাকে ফিরতে হয় আমার কোলে। ম্যারাডোনা কোয়ার্টার ফাইনালে ১১ সেকেন্ডের এমন এক দৌড় দিল, পেছনে ইংল্যান্ডের নয়জন, সামনে ‘শতাব্দীর সেরা গোল।’

৪ মিনিট পর আরও একটি, এবার ‘হ্যান্ড অব গড’—যেন অনিন্দ্যসুন্দর আর নিষিদ্ধ ‘গন্ধম’ পাশাপাশি! যেমনটা মেক্সিকান ওয়েভের বৈশ্বিক পরিচিতি, নেগ্রেতোর সিজর্স কিকের গোলে ফুটবল ইতিহাসে ‘কানে তালা লেগে যাওয়া মুহূর্ত’—সবই সেবার অমরত্ব পেয়েছে এই বুকে। কিন্তু ম্যারাডোনার মতো কেউ আদায় করে নিতে পারেনি।

’৭০ পূর্ণ বিকশিত পেলের প্রাপ্য ছিল। জর্জিনিও, তোস্তাও, রিভেলিনো, গারসনদের সেই ব্রাজিল ছিল তারকাখচিত। ’৮৬–এর আর্জেন্টিনা তেমন ছিল না। সাদামাটা একটি দল নিয়ে মানুষের সামর্থ্যের সীমা ছাড়িয়ে ম্যারাডোনা সেবার হয়ে উঠেছিলেন ‘এল পিবে’ (সোনার ছেলে)।

সবার আকর্ষণের কেন্দ্রে ম্যারাডোনা
সবার আকর্ষণের কেন্দ্রে ম্যারাডোনা, ফিফা
 

২৯ জুন ১৯৮৬। ম্যারাডোনার অমরত্ব আদায়ের সেই ম্যাচই আমার বুকে শেষ বিশ্বকাপ ম্যাচ। এবার আবারও ডাক পড়েছে নতুন কোনো গল্প, রূপকথার জন্ম দিতে। কিন্তু আমার মনে বেজায় দুঃখ। আমার ইচ্ছাটা হয়তো পূরণ হবে না!
বড় সাধ ছিল, লিওনেল মেসির অমরত্ব পূর্ণতা পাক আমার বুকে।

হেসো না। ভাবছ, সেটা তো ২০২২ সালেই নিশ্চিত হয়েছে, নতুন করে দেওয়ার কী আছে! আচ্ছা, কাতারে কয়টি স্টেডিয়াম ছিল যেটা ইতিহাস-ঐতিহ্যে আমার সমান? বড়াই নয়, এটা বাস্তবতা। অমরত্বের নীলপদ্মটি হয়তো তাঁর আছে, কিন্তু সেটার যোগ্য মঞ্চ কি ছিল? এবারও কি আছে? কেউ ভাবেনি, আর্জেন্টিনার একটি ম্যাচ আমার বুকে রাখলে কী এমন হতো! পেলে, ম্যারাডোনা তারপর মেসি ধাঁধাটা মিলে যেত কী!

অবশ্য মানুষ ভাববে কেন, আমি তো তাদের কেউ না, আমি যে স্রেফ এক নিশ্চল ও জড় স্টেডিয়াম!

মেহেদী হাসান

২০ জুন ঢাকায় বালক ও বালিকা বিভাগের ফুটবলের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। 

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা সদরের দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খুদে ফুটবলারদের জন্য এবারের যাত্রা যেন স্বপ্নপূরণের গল্প। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের বাধা পেরিয়ে তারা জায়গা করে নিয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় প্রাথমিক বিদ্যালয়ভিত্তিক ফুটবল প্রতিযোগিতার ফাইনালে।

২০ জুন ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের (বালক ও বালিকা) ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিনই নির্ধারিত হবে দেশের সেরা দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল দল। ফাইনাল খেলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

শুধু ত্রিশালের ছেলেদের ওই দলই নয়, দেশের বালক ও বালিকা—দুই বিভাগে ফাইনালে ওঠা চারটি বিদ্যালয়ের সব কটিই ঢাকার বাইরের।

দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ৩৭৬ জন এবং শিক্ষক ১১ জন। বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল কাইয়ুম বলেন, আগে তাঁদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে খেলেছে। এবার ফাইনালে খেলবে, এটা তাঁদের জন্য আনন্দের ও গর্বের।

শুধু ত্রিশালের ছেলেদের ওই দলই নয়, দেশের বালক ও বালিকা—দুই বিভাগে ফাইনালে ওঠা চারটি বিদ্যালয়ের সব কটিই ঢাকার বাইরের।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ৭ জুন অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে বালিকা বিভাগের এক ম্যাচে ঢাকার ধামরাইয়ের নিকলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। অন্য সেমিফাইনালে কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার খিরাইকান্দি ইমাম উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয় পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার জোরগাছা ইউনাইটেড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। 

ফলে বালিকা বিভাগের শিরোপা নির্ধারণী লড়াই হবে আচারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও জোরগাছা ইউনাইটেড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে। 

অন্যদিকে বালক বিভাগের একটি সেমিফাইনালে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার লংলাখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে ত্রিশালের দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। অন্য সেমিফাইনালে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার গণেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পরাজিত করে ফাইনাল নিশ্চিত করে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

অর্থাৎ বালক বিভাগের ফাইনালে মুখোমুখি হবে দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দাড়িয়াল মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। 

৪ জুন জাতীয় পর্যায়ের খেলা শুরু হয়, যেখানে দেশের আট বিভাগের চ্যাম্পিয়ন আটটি বালক ও আটটি বালিকা দল অংশ নেয়। 

২২ লাখের বেশি শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলাকে  উৎসাহিত করতে প্রাথমিকে দীর্ঘদিন ধরে ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হচ্ছে। অংশগ্রহণকারী ও ম্যাচের সংখ্যার দিক থেকে এটি দেশের শিক্ষার সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আয়োজন।

এই টুর্নামেন্টের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সাফ নারী চ্যাম্পিয়ানশিপের কথা উল্লেখ করে বলেন, এই ফুটবল দলের বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়েরও পথচলা হয়েছিল এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে। তাই বিজয়ী খেলোয়াড়েরা পরবর্তী স্তরে যেন ঝরে না পড়ে, সেই ব্যবস্থাও রাখতে হবে।

এ বছরের ৬ এপ্রিল ইউনিয়ন ও পৌরসভা পর্যায়ে টুর্নামেন্ট শুরু হয়। দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেয়। বালক বিভাগে ৬৫ হাজার ৩৪২টি দলের ১১ লাখ ১০ হাজার ৮১৪ জন এবং বালিকা বিভাগে ৬৫ হাজার ৩২১টি দলের ১১ লাখ ৩ হাজার ২৯১ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। অর্থাৎ দুই বিভাগ মিলিয়ে অংশ নেয় ২২ লাখের বেশি শিশু।

ইউনিয়ন বা পৌরসভা পর্যায় থেকে শুরু হয়ে উপজেলা বা থানা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শেষে গত ২৩ মে বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন নির্ধারিত হয়। এরপর ৪ জুন জাতীয় পর্যায়ের খেলা শুরু হয়, যেখানে দেশের আট বিভাগের চ্যাম্পিয়ন আটটি বালক ও আটটি বালিকা দল অংশ নেয়। 

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বছর বালক ও বালিকা দল মিলিয়ে মোট ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৭৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিটি খেলা এক ঘণ্টার, মাঝে ১০ মিনিট বিরতি। প্রতিটি দলে ১৭ জন খেলোয়াড় থাকে।

এক লাখের বেশি ম্যাচ

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ৬৫ হাজার ৫৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় এক কোটি। এর মধ্যে ছাত্রী সাড়ে ৫২ লাখের বেশি এবং ছাত্র প্রায় ৪৭ লাখ।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বছর বালক ও বালিকা দল মিলিয়ে মোট ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৭৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিটি খেলা এক ঘণ্টার, মাঝে ১০ মিনিট বিরতি। প্রতিটি দলে ১৭ জন খেলোয়াড় থাকে।

ইতিমধ্যে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী খেলাও অনুষ্ঠিত হয়েছে। বালিকা বিভাগে তৃতীয় হয়েছে কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার খিরাইকান্দি ইমাম উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বালক বিভাগে তৃতীয় হয়েছে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার গণেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

চ্যাম্পিয়ন দলের প্রত্যেক খেলোয়াড় পাবে ১৫ হাজার টাকা, রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়েরা ১০ হাজার টাকা করে এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দলের খেলোয়াড়েরা পাবে সাড়ে ৭ হাজার টাকা করে।

বিজয়ীরা যা পাবে

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চ্যাম্পিয়ন দল পাবে তিন লাখ টাকা ও গোল্ডেন কাপ (রেপ্লিকা)। রানার্সআপ দল পাবে দুই লাখ টাকা ও সিলভার কাপ। তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল পাবে এক লাখ টাকা ও ব্রোঞ্জ কাপ।

এ ছাড়া সেরা খেলোয়াড় ও সর্বোচ্চ গোলদাতাদের জন্য বিশেষ পুরস্কার থাকবে। খেলোয়াড়দের জন্যও রয়েছে নগদ প্রণোদনা। চ্যাম্পিয়ন দলের প্রত্যেক খেলোয়াড় পাবে ১৫ হাজার টাকা, রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়েরা ১০ হাজার টাকা করে এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দলের খেলোয়াড়েরা পাবে সাড়ে ৭ হাজার টাকা করে।

আমরা এমনভাবে শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে চাই, যেখানে আগামীর তরুণ প্রজন্ম যেন সুদক্ষ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে, নৈতিক শিক্ষায় সমৃদ্ধ হবে এবং বাস্তব জীবনে আত্মকর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠা কিংবা অন্য চাকরির জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও যোগ্যতা অর্জন করবে।প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী তাঁরা সনদভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমকে গুরুত্বারোপ করছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এমনভাবে শিক্ষাব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে চাই, যেখানে আগামীর তরুণ প্রজন্ম যেন সুদক্ষ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে, নৈতিক শিক্ষায় সমৃদ্ধ হবে এবং বাস্তব জীবনে আত্মকর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠা কিংবা অন্য চাকরির জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও যোগ্যতা অর্জন করবে।’ 

উপদেষ্টা বলেন, প্রধানমন্ত্রী আরও চান, শিক্ষার্থীরা ছোটবেলা থেকেই দেশপ্রেম, প্রয়োজনীয় দক্ষতা, টিমওয়ার্ক, শৃঙ্খলা শিখে বড় হোক। এ লক্ষ্যে সারা বছরই শিক্ষা, সংস্কৃতি, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে তৃণমূল থেকে শুরু করে দেশব্যাপী খেলাধুলা, সাংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।