• Colors: Purple Color

কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ুমকে আটক করেছে পুলিশ। প্রতিবাদে নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা ঘেরাও করেছেন। একই কারণে শাসনগাছা বাস টার্মিনাল অবরোধ করেছেন বিভিন্ন পরিবহনের চালক ও শ্রমিকেরা। ওই টার্মিনাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।

আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লা শহরের শাসনগাছা এলাকার বাসা থেকে তাঁকে আটক করে কোতোয়ালি মডেল থানা ও জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা। রেজাউল কাইয়ুম কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।

পুলিশের পক্ষ থেকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হলেও ঠিক কী কারণে তাঁকে আটক করা হয়েছে, তা জানানো হয়নি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে রেজাউল কাইয়ুমকে আটক করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে কুমিল্লার অন্যতম বৃহৎ শাসনগাছা বাস টার্মিনালের চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রযেছে। রেজাউল কাইয়ুমের বাসাও শাসনগাছা বাস টার্মিনালের পাশে।

রেজাউল কাইয়ুমকে আটকের প্রতিবাদে শাসনগাছা বাস টার্মিনাল অবরোধ করেছেন বিভিন্ন পরিবহনের চালক ও শ্রমিকেরা। তাঁকে আটকের পর ওই টার্মিনাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।

আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা প্রাঙ্গণে দেখা গেছে, শতাধিক নেতা-কর্মীরা থানায় ঘেরাও করেছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকে পরিবহনশ্রমিক। এ সময় তাঁদের ‘রেজাউল ভাইয়ের কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’, ‘জেলের তালা ভাঙব, রেজাউল ভাইকে আনব’, ‘অ্যাকশন অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ স্লোগান দিতে দেখা গেছে। নেতা-কর্মীদের নিয়ন্ত্রণে থানার প্রধান ফটক আটকে দেওয়া হয়েছে। বাইরে পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ারকে বাইরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে। তবে উত্তেজিত নেতা-কর্মীদের কেউই পুলিশের কথা শুনছেন না। তাঁরা বিএনপি নেতাকে ছাড়িয়ে নিতে অটল অবস্থায় রয়েছেন। বেলা আড়াইটা পর্যন্ত নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের বিক্ষোভ অব্যাহত ছিল।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে ওসি তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ‘জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের নির্দেশে রেজাউল কাইয়ুমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় আনা হয়েছে। কী কারণে তাঁকে আটক করা হয়েছে, সেটি তাঁরা ভালো বলতে পারবেন। এখনো তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। কিছু লোকজন থানার সামনে অবস্থান নিয়েছেন। আমরা তাঁদের শান্ত করার চেষ্টা করছি।’

বিষয়টি জানতে জেলা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাইফুল মালিকও কোতোয়ালি থানার ভেতরে অবস্থান করছেন। জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা তাঁকে কিছু বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের করার জন্য আটক করেছি। এ বিষয়ের বিস্তারিত পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।’

গণমাধ্যমকে শক্তভাবে সরকারের বিরুদ্ধে যৌক্তিক সমালোচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, ‘আপনারা প্রত্যেকে খুব স্ট্রংলি সরকারের যেকোনো ধরনের সমালোচনা, যৌক্তিক সমালোচনা কন্টিনিউ করবেন।…এই দেশে একটা দুর্দান্ত ভাইব্রান্ট মিডিয়া আবার তৈরি হবে, এটা আমি দেখতে চাই।’

তথ্য উপদেষ্টা মনে করেন, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের গণমাধ্যমের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়ানো বোকামি। এ কারণে বর্তমান সরকার এমন কিছু করতে চায় না, যা গণমাধ্যমের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করবে।

আজ রোববার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় জাহেদ উর রহমান এ কথা জানান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া ফটোকার্ডের শিকার হয়েছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমি নাকি বলেছি, জনগণের কল্যাণের জন্যই বেশি বেশি লোডশেডিং দিচ্ছে সরকার। একটা ফটোকার্ড আমার বন্ধুরা পাঠিয়ে বলছে, আমার মাথা কি গেল?’ এই ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করার সময় তাঁকে ট্যাগ করে গালিও দেওয়া হয় বলে জানান জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, মূলধারার গণমাধ্যমে এ ধরনের ‘মিস ইনফরমেশন’ বা ‘ডিজইনফরমেশন’–সংবলিত ফটোকার্ড ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। এটা খুবই দুঃখজনক।

এর পাশাপাশি একটি মূলধারার গণমাধ্যম তথ্য উপদেষ্টার বক্তব্যকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে ‘ফেক নিউজ’ তৈরি করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘ফেক নিউজ’ করা অন্যায়। এর বিরুদ্ধে সরকার আইনি পথে ও ন্যায্যতার সঙ্গে ব্যবস্থা নেবে এবং গণমাধ্যমকেও এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে হবে।

গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সঙ্গে দ্রুত বৈঠক করে বাস্তবায়নযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তথ্য উপদেষ্টা। তিনি বলেন, দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য যেসব পদক্ষেপ আছে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে।

আলোচনায় ৫ আগস্টের পর আটক সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি জানান গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। এ বিষয়ে তথ্য উপদেষ্টা জানান, নোয়াবের (নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে এই বিষয় উঠে আসে এবং প্রধানমন্ত্রী নিজে এটিকে গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়েছেন।

সাইবার বুলিং

নারীর প্রতি সাইবার সহিংসতা পর্যবেক্ষণে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি বিশেষ সেল গঠনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান জাহেদ উর রহমান। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বয়ে এই সেল কাজ করবে বলে জানান তিনি।

উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘নারীদের প্রতি সাইবারের ক্ষেত্রে আমরা জেনুইন গ্রাউন্ডে খুবই টাফ হতে যাচ্ছি।’ রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তথ্য উপদেষ্টা। তিনি জানান, বিটিভির বার্ষিক বাজেট ৩২০ কোটি টাকার বেশি, অথচ প্রতিষ্ঠানটি আয় করে মাত্র ১৫ থেকে ১৬ কোটি টাকা। বেসরকারি গণমাধ্যমের বিকাশের এই সময়ে বিটিভি পুনর্মূল্যায়নের প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন তিনি। তিনি বলেন, সরকার বিটিভিকে এমনভাবে গড়ে তুলবে যেন তা জনগণের কল্যাণে আসে।

গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মারা যাওয়া সবাই শিশু বলে জানা গেছে।

রোববার (৩ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই তথ্য জানিয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, মারা যাওয়া ১০ জনের মধ্যে নিশ্চিত হামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। আর বাকি নয়জনের মৃত্যু হয়েছে হামজনিত উপসর্গে।

গত ১৫ মার্চ থেকে হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৫০ এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪৪ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগী: এক হাজার ১৬৬ জন; নিশ্চিত হাম রোগী: ৯৫ জন। মোট সন্দেহজনক রোগী: চল্লিশ হাজার ৪৯১ জন; মোট নিশ্চিত রোগী: পাঁচ হাজার ৩১৩ জন। হাসপাতাল থেকে ছাড়প্রাপ্ত পাওয়া রোগী: সাতাশ হাজার ৮১৬ জন।

প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর দিক থেকে ঢাকা বিভাগে তুলনামূলকভাবে বেশি মৃত্যু রেকর্ড হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে হাম সংক্রমণ এখনো সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসেনি। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে ঝুঁকি বেশি থাকায় দ্রুত শনাক্তকরণ, চিকিৎসা এবং টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত ৪৯ জন সদস্য শপথ নিয়েছেন। আজ রোববার রাত নয়টার দিকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে তাঁদের শপথ পড়ান।

সংসদ সচিবালয় জানায়, বিএনপি জোট থেকে ৩৬ জন, জামায়াতে ইসলামীর জোট থেকে ১২ জন এবং স্বতন্ত্র জোট থেকে ১ জন শপথ নেন। শপথ গ্রহণ শেষে নববির্বাচিত সংসদ-সদস্যরা রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের রুমে শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ পড়ান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন। আজ রোববার রাতে জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ পড়ান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন। আজ রোববার রাতে জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে, ছবি: সংসদ সচিবালয়ের সৌজন্যে
 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সংসদ সচিবালয়ের সচিব মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া শপথ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে সরকারের মন্ত্রীসহ অন্যান্য দলের নেতারা। আজ রোববার রাতে জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে সরকারের মন্ত্রীসহ অন্যান্য দলের নেতারা। আজ রোববার রাতে জাতীয় সংসদের শপথ কক্ষেছবি: সংসদ সচিবালয়ের সৌজন্যে

প্রসঙ্গত, সংরক্ষিত নারী আসন মোট ৫০টি। এর মধ্যে জামায়াত জোট ১৩টি নারী আসন পেয়েছে। কিন্তু তাদের একজন এখনো নির্বাচিত হননি। তাদের প্রার্থী মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাছাইয়ে বাতিল হয়। আর নির্ধারিত সময়ের পরে যাওয়ায় তাদের আরেক প্রার্থী নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন গ্রহণ করেননি রিটার্নিং কর্মকর্তা। পরে আদালতের নির্দেশে তার মনোনযনপত্র গ্রহণ করা হয় এবং বাছাইয়ে বৈধ হয়। তবে তাঁকে এখনো নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়নি।

অন্যদিকে মনিরা শারমিন ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিট করেছেন। সেটি এখনো নিষ্পত্তি হয়নি।

ঢাকা

ঢাকা মহানগরের ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ভিডিও ও স্থিরচিত্র ধারণ করে অটো জেনারেটেড (স্বয়ংক্রিয়) নোটিশ পাঠানো শুরু করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। নোটিশ পাওয়ার পর নির্ধারিত জরিমানা পরিশোধে হাজিরা না দিলে থাকছে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির কার্যক্রমও।

রোববার (৩ মে ) ভারপ্রাপ্ত ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

ডিএমপির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী,  ট্রাফিক বিভাগ এখন থেকে ভিডিও বা স্থিরচিত্র ধারণ করে 'ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন' সফটওয়্যারের মাধ্যমে মালিক বা চালকের ঠিকানায় অটো জেনারেটেড (স্বয়ংক্রিয়) নোটিশ রেজিস্ট্রিকৃত ডাকযোগে পাঠানো শুরু করেছে। মূলত রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং এবং সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। নোটিশ প্রাপ্তির পর নির্দিষ্ট জরিমানা ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে।

নোটিশ পাওয়ার পরেও যদি কোনো মালিক বা চালক সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে হাজির না হন, তবে তাদের বিরুদ্ধে স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের মাধ্যমে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির মতো কঠোর আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

ডিএমপি জানায়, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সিগন্যাল ও ক্রসিংগুলোতে উন্নত সিসি ক্যামেরার পাশাপাশি এআই প্রযুক্তির সফটওয়্যার স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে লাল বাতির সিগন্যাল অমান্য করা, স্টপ লাইন অতিক্রম, উল্টো পথে গাড়ি চালানো, যত্রতত্র যাত্রী উঠিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি এবং লেফট লেন ব্লক করার মতো অপরাধগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করে মামলা দেওয়া হচ্ছে। 

সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়, সিসি ক্যামেরা বা ভিডিও ফুটেজের মামলার জরিমানা পরিশোধের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান বা নগদ আর্থিক লেনদেন করা যাবে না। 

কোনো অসাধু চক্র এ ধরনের মামলার নাম করে অর্থ দাবি করলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানা বা ট্রাফিক বিভাগে যোগাযোগের অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি।

 

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব