• Colors: Purple Color

নতুন ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে শুল্ক-কর অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। আজ রোববার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ন্যূনতম ১৭ আসনের সম্পূর্ণ নতুন ইলেকট্রিক বাস শিক্ষার্থী পরিবহন ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে আমদানিতে কিছু শর্তসাপেক্ষে মূল্য সংযোজন কর ১৫ শতাংশ বহাল রেখে কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক (যদি থাকে), আগাম কর ও অগ্রিম আয়কর অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই সুবিধা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত অব্যাহত রেখে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। একই সঙ্গে ৫ টন বা তার বেশি ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ট্রাকের ক্ষেত্রেও এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানকেন্দ্রিক হত্যা মামলায় দিনের পর দিন জামিন না দেওয়ার সমালোচনা করেছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন। নতুন বাংলাদেশ পেতে এবং অবিচার বন্ধ করতে জুলাই অভ্যুত্থান হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ‘এখন এমন অবস্থা যে একজন বিচারপতি বা বিচারকের ১০ বার চিন্তা করতে হয় যে তিনি আসলে কাউকে জামিন দেবেন কি না।’

আজ রোববার বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশে (আইডিইবি) এনসিপির সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটি আয়োজিত দিনব্যাপী জাতীয় কনভেনশনের তৃতীয় পর্বের আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেছেন সারা হোসেন। ‘জ্বালানি, অর্থনীতি, সংস্কার ও গণভোটবিষয়ক জাতীয় কনভেনশন’ শীর্ষক কনভেনশনে তৃতীয় পর্বের বিষয় ছিল ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার: বর্তমান ঝুঁকি ও করণীয়’।

মানবাধিকার কি শুধু আমার মতাদর্শ, দল, গোষ্ঠী, লিঙ্গ ও ধর্মের যাঁরা তাঁদের জন্য নাকি সবার জন্য—কনভেনশনে উপস্থিত এনসিপির নেতা–কর্মীসহ দর্শকদের উদ্দেশে এই প্রশ্ন করেন সারা হোসেন। যাঁরা আমার মতাদর্শ ধারণ করেন না, তাঁদের মানবাধিকারকে আমরা শ্রদ্ধা করব কি না, সেই প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, মানবাধিকার হচ্ছে সর্বজনীন, অবিচ্ছেদ্য, অবিভাজনীয়। মানবাধিকার শুধু বাক্‌স্বাধীনতা নয়, জীবনের অধিকার, গুম ও নির্যাতন থেকে মুক্ত হওয়ার অধিকার, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকারও স্বীকৃত। প্রতিটি অধিকার সবার জন্য একইভাবে প্রযোজ্য হওয়ার কথা। সেখানে আমার রাজনৈতিক মতাদর্শ কোনো ইস্যু হতে পারে না। কিন্তু বাস্তবে আমরা কী দেখেছি?

সারা হোসেনের আগে সাবেক গুম কমিশনের সদস্য নাবিলা ইদ্রিস আওয়ামী লীগ শাসনামলে গুমের শিকার ব্যক্তিদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার বর্ণনা দেন। সেই বর্ণনার কথা তুলে ধরে সারা হোসেন বলেন, তখন আটক ব্যক্তিদের অনেক দিন পর আদালতের সামনে আনা হতো। শেষ পর্যন্ত তাঁরা জামিন পেতেন। তবে সেখান থেকে তাঁদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের যাত্রার শুরু হতো, তার শেষ ছিল না। কিন্তু বর্তমান সময়ে আমরা কী পরিস্থিতি দেখছি? জামিনই তো শুরু হয় না, জামিনই তো পাওয়া যায় না। কারও কারও ক্ষেত্রে, যাঁরা আপনাদের থেকে ভিন্ন মতাদর্শের, তাঁদের তো জামিন হয় না। এর সঙ্গে কি আপনারা একমত হবেন?

‘চার্জশিট তো হয়ে যাবে, তদন্ত তো শেষ হয়ে যাবে, যখন তদন্ত শেষ হলে তো প্রমাণ পাওয়া যাবে, এ জন্য তাঁকে ছেড়ে দেওয়া যাবে না’—জুলাই অভ্যুত্থানসংক্রান্ত বিভিন্ন মামলায় জামিন না দেওয়ার যুক্তি হিসেবে আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা এ কথা বলছেন বলে উল্লেখ করেন সারা হোসেন। তিনি বলেন, এগুলো বাংলাদেশের জনগণের নামে করা হচ্ছে। কারণ, রাষ্ট্রপক্ষের উকিল আমাদের উচ্চতর আদালতে দাঁড়িয়ে এই কথাগুলো বলছেন। তাঁরা বলছেন, জুলাইয়ের শহীদদের হত্যার বিচারের জন্য তাঁরা এভাবে তদন্তপ্রক্রিয়া বা বিচার চালাবেন। এটা কি আমাদের মাথা উঁচু করে?

নতুন বাংলাদেশ পেতে এবং অবিচার যাতে না হয়, সে জন্য জুলাই অভ্যুত্থান হয়েছিল বলে উল্লেখ করে সারা হোসেন বলেন, ‘এখন এমন অবস্থা যে একজন বিচারপতি বা বিচারকের ১০ বার চিন্তা করতে হয় যে তিনি আসলে কাউকে জামিন দেবেন কি না। যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সাক্ষ্য–প্রমাণ আজ অবধি দেখানো যায়নি...। জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার সঠিকভাবে হোক, সেটা আমরা চাই। কিন্তু দেখছি যে তদন্তকাজ শেষ হচ্ছে না, কোনো সাক্ষ্য-প্রমাণ সামনে আসছে না। এটা কি সেই জুলাই শহীদদের সঙ্গে প্রহসন নয়? তাঁদের কথা বলে অনেকজনকে আটকে রাখা হচ্ছে, অনেকটা মনে হচ্ছে রাজনৈতিক স্বার্থে।’

সুপ্রিম কোর্ট বার কাউন্সিলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনোভাবে যুক্ত কেউ নির্বাচন করতে পারছেন না। এ প্রসঙ্গে সর্বোচ্চ আদালতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন বলেন, ‘তাঁরা নিয়মিত আদালতে আসেন, প্র্যাকটিস করেন। তাঁদের কারও বিরুদ্ধে হত্যা তো দূরের কথা, কোনো অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ নেই। তাঁদের সবচেয়ে বড় অন্যায় হতে পারে, সে সময় হয়তো কেউ আওয়ামী লীগের সমর্থক বা সদস্য ছিলেন। এখন তাঁরা তো আওয়ামী লীগ হয়ে নির্বাচনে দাঁড়াচ্ছেন না, দাঁড়াচ্ছেন আইনজীবী হিসেবে। তাঁরা দাঁড়াতে পারছেন না। তাঁদের বাক্‌স্বাধীনতা কি রুদ্ধ করা হচ্ছে না?’

এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া এই পর্বের আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন। এনসিপির সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল আমিনের সঞ্চালনায় এই পর্বে অন্যদের মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম, সাংবাদিক আশরাফ কায়সার, জাইমা ইসলাম, এনসিপির যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি তারিকুল ইসলাম এবং ফ্যাক্ট চেকার ও মানবাধিকারকর্মী মিনহাজ আমান বক্তব্য দেন।

চট্টগ্রাম নগরে ‘গোপন’ বৈঠকের সময় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ১৪ নেতা–কর্মীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। আজ রোববার রাত সাড়ে নয়টার দিকে নগরের হালিশহর নয়াবাজার বিশ্ব রোড এলাকার একটি রেস্টুরেন্টের চতুর্থ তলা থেকে তাঁদের আটক করা হয়।

নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) হাবিবুর রহমান রাতে বলেন, ‘শেখ হাসিনা ঐক্য পরিষদ’ নামে নতুন একটি প্ল্যাটফর্ম গঠনের কথা জানিয়েছেন আটক ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা–কর্মীরা। ওই প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রম নিয়ে তাঁরা গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন। খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে ১৪ জনকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের আটকের জন্য অভিযান চলছে। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পুলিশ সূত্র জানায়, সম্প্রতি নগরে ছাত্রলীগের ব্যানারে বিভিন্ন এলাকায় মিছিল ও কার্যক্রম বেড়ে যায়। গত ২৫ এপ্রিল কোতোয়ালি থানার পলোগ্রাউন্ড, পাঁচলাইশ থানার ওআর নিজাম রোড এবং কর্ণফুলী মার্কেট এলাকায় তিনটি পৃথক মিছিল হয়। এর আগে অনন্যা আবাসিক ও আউটার রিং রোড এলাকায় নির্জন স্থানে মিছিলের ঘটনাও ঘটে। পরে এসব মিছিলের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে। তারই অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গণতান্ত্রিক সমাজ গঠনে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা আরও কার্যকর করতে সরকার ও সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সংলাপ জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর। একই সঙ্গে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলোকে দ্বিচারিতা পরিহারেরও তাগিদও দিয়েছেন তিনি।

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সম্পাদক পরিষদ ও নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন নূরুল কবীর। আজ রোববার বিকেলে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এ আলোচনা সভা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। প্রতিবছর ৩ মে পালিত হয় ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ডে বা বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যৎ গঠন: মানবাধিকার, উন্নয়ন ও নিরাপত্তার জন্য সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রসার।’

নূরুল কবীর বলেন, বিশ্বব্যাপী সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে তা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যম গণতান্ত্রিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে—বিষয়টি সমাজে আরও সুস্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।

সভায় উপস্থিত তথ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে নূরুল কবীর বলেন, অতীতে দেখা গেছে, ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলগুলো ‘দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা’র কথা বললেও বিরোধী দলে গেলে ভিন্ন অবস্থান নেয়। রাজনৈতিক দলগুলোকে এই প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বানও জানান তিনি।

সম্পাদক পরিষদের এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার দীর্ঘ আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় জনগণের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নূরুল কবীর বলেন, নতুন করে কমিশন বা আইন প্রণয়নের আশ্বাসের বদলে অতীতের বিভিন্ন কমিশনের সুপারিশগুলো পর্যালোচনা করে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংলাপে বসার আগে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গবেষণাভিত্তিক প্রস্তুতি থাকার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন নোয়াব সভাপতি ও মানবজমিন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, সাবেক গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ, প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, কালের কণ্ঠ সম্পাদক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন, ঢাকা ট্রিবিউন সম্পাদক রিয়াজ আহমেদ, সমকাল সম্পাদক শাহেদ মুহাম্মদ আলী ও সংবাদের নির্বাহী সম্পাদক শাহরিয়ার করিম। সম্পাদক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও বণিক বার্তা সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ আলোচনা সভায় সঞ্চালনা করেন।

দুবাই ও সৌদি আরবে ২০৮ জন প্রবাসীকে জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে গ্রেফতার ও সাজা দিয়ে দেশে পাঠানোয় তাদের প্রত্যেককে ২৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ কেন দেওয়া হবে না—এই বিষয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
 
সোমবার (৪ মে) বিচারপতি ফাতেমা নজীবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ রিট শুনানি শেষে এ রুল জারি করেন।
 
রিটকারী আইনজীবী বলেন, জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়ায় তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হস্তক্ষেপে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। পরে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এতে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। সোমবার (৪ মে) পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক এগিয়ে নিতে ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানান।

হাইকমিশনার আরও বলেন, উভয় দেশের জাতীয় উন্নয়ন অগ্রাধিকার, পারস্পরিক স্বার্থ ও পারস্পরিক লাভের ভিত্তিতে জনগণকেন্দ্রিক সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের সঙ্গে ভারত সরকার ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী।

অপরদিকে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে প্রণয় ভার্মার অবদানের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান এবং তার নতুন দায়িত্বের জন্য শুভকামনা জানান।

এছাড়া সাক্ষাতে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের চলমান বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা করা হয় এবং নতুন সক্ষমতা ও আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাওয়া হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব