রাজধানীতে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সাঁড়াশি অভিযানে গতকাল সোমবার ১৭৩ জনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

ডিএমপির মুখপাত্র উপকমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, তালিকাভুক্ত চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী মিলে যে ১৭৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে তালিকাভুক্ত চাঁদাবাজ রয়েছেন ৩৫ জন। তালিকার বাইরে ৪৮ জনকে চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সন্ত্রাসী, ছিনতাইকারী ও ডাকাতির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৬৪ জনকে। এ ছাড়া ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মাদকসংশ্লিষ্টতার অভিযোগে।

ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী ১ মে থেকে গতকাল ৪ মে পর্যন্ত চার দিনে বিশেষ অভিযানে ৪৭৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত রোববার ডিএমপি কমিশনার মো. সরওয়ার সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ১ মে থেকে রাজধানীতে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের তালিকা ধরে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে ডিএমপি।

ডিএমপি কমিশনার আরও জানান, দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের অংশ হিসেবে ডিএমপি চাঁদাবাজ, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি ও অনলাইন জুয়া চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে। অপরাধীদের মূলোৎপাটন করে নগরবাসীকে স্বস্তি দেওয়া ও মহানগরীকে আরও নিরাপদ করতে এ অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) চলচ্চিত্র নির্মাণে সৃজনশীল তরুণ প্রজন্মকে উৎসাহিত করতে ‘বানাই: এআই ফিল্মমেকিং কমপিটিশন’ শীর্ষক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) পরিচালিত গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ প্রকল্পের গবেষণা শাখা ব্রেনল্যাব।

‘লোকালাইজিং ভিজ্যুয়াল মডেলস’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হলে এআই দিয়ে তৈরি দুই থেকে পাঁচ মিনিটের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র জমা দিতে হবে। আজ মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিসিসির গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ প্রকল্প।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, ভাষা, প্রকৃতি ও সমসাময়িক বাস্তবতাকে আরও প্রাসঙ্গিক ও বাস্তবসম্মতভাবে তুলে ধরতে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ স্থান বিজয়ীদের যথাক্রমে ৫০ হাজার টাকা, ২৫ হাজার টাকা, ১৫ হাজার টাকা ও ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। শুধু তা–ই নয়, সেরা চলচ্চিত্রগুলোর প্রিমিয়ার প্রদর্শনী ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শন করা হবে।

ইতিমধ্যে প্রতিযোগিতার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যা ৩১ মে পর্যন্ত চলবে। আগ্রহীদের অবশ্যই নিজেদের তৈরি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে গল্প, ভিজ্যুয়াল, শব্দ বা সম্পাদনার মতো সৃজনশীল কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করতে হবে। একই সঙ্গে চলচ্চিত্র তৈরিতে এআই ব্যবহারের তথ্য সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করতে হবে। এই ঠিকানায় প্রবেশ করে প্রতিযোগিতার জন্য নিবন্ধন করা যাবে।

এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিনির্ভর সৃজনশীল শিল্পচর্চার প্রসার ঘটবে এবং নতুন প্রজন্মের নির্মাতারা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাংলাদেশকেন্দ্রিক গল্প বলার সুযোগ পাবেন বলে জানিয়েছে প্রতিযোগিতার আয়োজক কর্তৃপক্ষ।

অতিবৃষ্টিপাতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সহায়তা তুলে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে জেলার খরচার হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের হাতে সহায়তা তুলে দিয়ে তিন মাসব্যাপী সহায়তা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

এর আগে, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সুনামগঞ্জ সার্কিট হাউসে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ ও গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা দুর্নীতিমুক্ত ও নির্ভুলভাবে করে সরকার তাদের পাশে দাঁড়াবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী হাওরের এই অবস্থায় প্রথম দিন থেকেই ব্যতিব্যস্ত ছিলেন। তিনি আমাদের পাঠিয়েছেন, আমরা যেন প্রকৃত চিত্র প্রধানমন্ত্রীকে জানাতে পারি।

ত্রাণমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, কৃষক বাঁচলে, দেশ বাঁচবে। এজন্য হাওরে আর ঠিকাদার পোষা, আর এদিক-ওদিক করার প্রকল্প হবে না। হাওরকে নিরাপদ উৎপাদনের ক্ষেত্র হিসেবে তৈরি করা হবে।

অনুষ্ঠানে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা যাতে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত থাকে, সেই লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলকে কাজ করতে হবে। আগামী দিনগুলোতে যাতে এমন দুর্যোগ না হয়, সেই লক্ষ্যে কাজ করবে সরকার।

বিভাগীয় কমিশনার আপ্তাবুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সুনামগঞ্জের চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক সমর কুমার পালের সঞ্চালনায় এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়) রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন, সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নুরুল, সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল, বিএনপি নেতা আকবর আলী ও অ্যাডভোকেট শেরেনুর আলী বক্তব্য দেন।

পরে দুপুর সোয়া ২টার দিকে অতিথিরা উপজেলার খরচার হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের হাত সহায়তা তুলে দেন।

 

বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যচুক্তিটি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। বলা হচ্ছে এতে বাংলাদেশের ওপরই বেশি শর্ত আরোপ হয়েছে। এ নিয়ে আলোচনাকে স্বাগত জানালেও সমালোচনা করার আগে অন্য দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একই ধরনের চুক্তিগুলো দেখে নেওয়ার পরামর্শ দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তাঁর এমন পরামর্শ আসে।

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি (এআরটি) সই করে বাংলাদেশ। বর্তমান বিএনপি সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান তখন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে এই চুক্তির আলোচনায় ভূমিকা রেখেছিলেন।

এই চুক্তিতে বাংলাদশের স্বার্থ রক্ষা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য পালনীয় মাত্র ছয়টি শর্তের বিপরীতে বাংলাদেশের জন্য ১৩১টি শর্ত রয়েছে।

এ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ ১৩১টাতে “শ্যাল” বলেছে না? আমরা তো একা এই চুক্তি করিনি, বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলো করেছে। ইন্দোনেশিয়া ২৩১টাতে এই রকম “শ্যাল” বলেছে। সুতরাং বাংলাদেশের চুক্তিটি যখন পাঠ করবেন, তখন ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, অন্যান্য যারা চুক্তি করেছে, তাদেরটা পাশে নিয়ে পাঠ করলে পরে আপনি জিনিসটা ভালো করে বুঝবেন।’

চুক্তি নিয়ে আলোচনাকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা নিয়ে আলোচনা হওয়া খুব ভালো এবং মুক্ত আলোচনা হওয়াই উচিত, যেকোনো চুক্তিরই...আমি বলব, আপনারা সবাই মিলে সেটি দেখেন। তূলনামূলক দেখেন, আমরা কী পেয়েছি, কী পাইনি।’

চুক্তি নিয়ে করা আরেক প্রশ্নের জবাবে খলিলুর রহমান বলেন, ‘এই আলোচনাটা ওইভাবে হওয়া উচিত, কারণ যুক্তরাষ্ট্র সব দেশকে বলেছে যে, তোমাদেরকে রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ, যেমন আমাদের ৩৯% বা ৩৭%। অন্যান্য সব দেশকে দিয়েছে, নেগোশিয়েট করেছে, কেউ ২০ পেয়েছে, ভিয়েতনাম। আমরা ১৯ পেয়েছি। এখন কে কী, সবারই কিন্তু এই অ্যাগ্রিমেন্টগুলো পাবলিক স্পেসে পাওয়া যাচ্ছে।

‘আপনারা বাংলাদেশের অ্যাগ্রিমেন্ট অন্যান্য দেশের অ্যাগ্রিমেন্টের সঙ্গে তুলনা করে পড়েন, তাহলে বুঝবেন আমরা কী রেট পেয়েছি; পলিসিতে আমরা কী কী বিষয়ে তাদের সঙ্গে চুক্তি করেছি, অন্যরাও কী চুক্তি করেছে, অন্যদের ‘পারচেজ কমিটমেন্ট’ কত, আমাদের ‘পারচেজ কমিটমেন্ট’ কত, সব মিলিয়ে দেখেন।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান মঙ্গলবার বিকেলে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে যান। যাওয়ার আগে দুপুরে চীন সফরের উদ্দেশ্য, ভারতের সঙ্গে ঝুলে থাকা তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি নিয়েও সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘চীন আমাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক বন্ধু দেশ, যার সঙ্গে আমাদের ‘স্ট্রাটেজিক কোঅপারেটিভ পার্টনারশিপ’ পর্যায়ে আমাদের সম্পর্ক। এবং আমাদের নতুন সরকারের তরফ থেকে এটা হচ্ছে চীনে প্রথম সফর। তাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং এই সফরে আমরা আমাদের দুই দেশের সম্পর্ককে আরও দ্রুত এবং আরও গভীর এবং ব্যাপ্ত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।’

তিস্তা নিয়ে ভারতের জন্য ‘বসে থাকব না’

চীন সফরে তিস্তা প্রকল্প নিয়ে কোনো আলোচনা হবে কি না, এ প্রশ্নের জবাবে খলিলুর রহমান বলেন, ‘অবশ্যই আলোচনা হবে। এটা আমাদের ওই অঞ্চলের মানুষের মরণ-বাঁচনের বিষয়। তারা ডাক দিয়েছে “জাগো বাহে”। সেই ডাকে যদি আমরা সাড়া না দিই, তাহলে আমরা পড়ে আছি কেন? এটা আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার, সেই অঞ্চলের সমস্যা সুরাহা করার এবং এটা আমাদের সরকারের অঙ্গীকার। এই অঙ্গীকার আমরা পূরণ করব এবং চীন সফরে এই বিষয়টা আমরা নিশ্চয়ই আলোচনা করব।’

ভারতের সঙ্গে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি ঝুলে আছে প্রায় দেড় দশক ধরে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তির কারণে চুক্তিটি করা যাচ্ছে না বলে ভারতের কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়ে আসছে। এবারের বিধানসভার নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয় হয়েছে।

এতে তিস্তা চুক্তির সুরাহা হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দেখুন, পশ্চিমবঙ্গে এখনো সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি এবং তারা কী ভাবছে, কী করবে, সেটা তারা যদি না জানায়, তাদের মাইন্ড রিড করার কাজ আমার না। তবে প্রত্যাশা থাকবে, যাতে করে এই চুক্তিটা যেটা হয়েছিল তখন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সেটা আমরা কনসিডার করতে পারি কি না। কিন্তু সে জন্য তো বসে থাকা চলবে না, আমাদের কাজ আমাদের করতে হবে।’

চীনের প্রকল্প এবং ভারতের সঙ্গে পানিবণ্টন চুক্তি দুটি ভিন্ন বিষয়কে এক করে দেখা প্রসঙ্গে খলিলুর রহমান বলেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা যেটা হচ্ছে, তিস্তাপারের মানুষের একটা বড় ধরনের ‘ইকোলজিক্যাল’ বিপর্যয়ের মধ্যে তারা আছে, এটা তাদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার বিষয়। আমরা যেভাবে পারি, যে কয়টা উপায় আছে, সবগুলো উপায় আমরা অনুসন্ধান করব। যেটা সর্বোত্তম, সেটাই আমরা দেব। এখানে সবচেয়ে বড় বিচার্য বিষয় হচ্ছে, আমাদের মানুষের ইন্টারেস্ট, বাংলাদেশ ফার্স্ট।’

আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা এবং পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাংলাদেশ বিদ্বেষী বিভিন্ন বক্তব্য তুলে ধরে সাংবাদিকেরা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, এখন আসামের পর পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপি ক্ষমতায় আসায় বাংলাদেশে ‘পুশ–ইন’ বাড়বে বলে মনে করেন কি না?

জবাবে খলিলুর রহমান বলেন, ‘যখন আসামের মুখ্যমন্ত্রী এ কথাটি বলেছিলেন, স্বীকার করেছিলেন তিনি কিছু কাজ করেছেন, আপনারা দেখেছেন আমরা সেটাকে কড়া প্রতিবাদ দিয়েছি। সে বিষয়ে আমাদের যা যা ব্যবস্থা আমরা নেব।’

ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ১৬টি বিভাগে এই চার ক্যাটাগরির পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। বিজ্ঞপ্তিতে পদসংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। আবেদনের শেষ তারিখ ১০ মে।

চাকরির বিবরণ

১. পদের নাম: অধ্যাপক

বিভাগ: কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা মাস্টার্স বা সমমানের ডিগ্রিতে ন্যূনতম সিজিপিএ ৪.০০–এর মধ্যে ৩.০০ থাকতে হবে।

কমপক্ষে ১১ বছরের শিক্ষকতা অথবা ১৪ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। উভয় ক্ষেত্রেই এর মধ্যে কমপক্ষে আট বছর বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সহকারী অধ্যাপক বা তার ঊর্ধ্বতন পদে সক্রিয় শিক্ষকতা এবং অন্তত তিন বছর সহযোগী অধ্যাপক পদে কর্মরত থাকার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

২. পদের নাম: সহযোগী অধ্যাপক

বিভাগ: ১. কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং

২. সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: প্রার্থীকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা মাস্টার্স বা সমমানের ডিগ্রিতে ন্যূনতম সিজিপিএ ৪.০০–এর মধ্যে ৩.০০ থাকতে হবে।

কমপক্ষে সাত বছরের শিক্ষকতা অথবা ৯ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। উভয় ক্ষেত্রেই এর মধ্যে কমপক্ষে পাঁচ বছর বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সহকারী অধ্যাপক বা তার ঊর্ধ্বতন পদে সক্রিয় শিক্ষকতা এবং অন্তত তিন বছর সহযোগী অধ্যাপক পদে কর্মরত থাকার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

৩. পদের নাম: সহকারী অধ্যাপক

বিভাগ: ১. সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং

২. কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং

৩. ইংরেজি

৪. ফার্মেসি

৫. আইন ও মানবাধিকার

৬. বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন

৭. বেসিক সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যানিটিজ (রসায়ন)

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। ব্যাচেলর ও মাস্টার্স উভয় ডিগ্রিতে ৪.০০ স্কেলে ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.০০ বা সমমান থাকতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকলে তা অতিরিক্ত যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে।

৩. পদের নাম: প্রভাষক

বিভাগ: ১. আইন ও মানবাধিকার

২. ফার্মেসি

৩. কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং

৪. বেসিক সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যানিটিজ (ইতিহাস)

৫. বেসিক সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যানিটিজ (গণিত)

৬. বেসিক সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যানিটিজ (সমাজবিজ্ঞান)

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: প্রার্থীকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যাচেলর ও মাস্টার্স ডিগ্রিতে ৪.০০ স্কেলে ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.৫০ থাকতে হবে।

আবেদনের নিয়ম

ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফরম ডাউনলোড করে পূরণ করতে হবে। পূরণ করা আবেদন ফরম পিডিএফ ফরম্যাটে This email address is being protected from spambots. You need JavaScript enabled to view it. ঠিকানায় ই–মেইল করতে হবে।

বিষয় হিসেবে লিখতে হবে: ‘Application for [Position Name]’

আবেদনের শেষ তারিখ

১০ মে ২০২৬

এখন থেকে ইলেকট্রিক এবং হাইব্রিড গাড়ি কিনতে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবেন গ্রাহকেরা। অন্যদিকে ব্যক্তিগত গাড়ি কেনার ঋণসীমাও বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা ব্যক্তিগত ঋণ পাবেন। আজ বাংলাদেশ ব্যাংক এক নির্দেশনায় পরিবেশবান্ধব গাড়ি কেনায় এবং ব্যক্তিগত ঋণ হিসেবে ব্যাংকগুলো কত টাকা দিতে পারবে, সেই নতুন সীমা ঠিক করেছে।

পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী বৈশিষ্ট্যের কারণে দেশে ইলেকট্রিক ও হাইব্রিড যানবাহনের চাহিদা ও ব্যবহার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সম্প্রতি জ্বালানিসংকটের প্রেক্ষাপটে ইলেকট্রিক ও হাইব্রিড গাড়ির চাহিদা বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া গাড়ির বাজারমূল্য বিবেচনায় এবং গ্রাহকদের ইলেকট্রিক ও হাইব্রিড যানবাহন কেনায় উৎসাহিত করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গাড়ির ঋণ ৮০ লাখ টাকা

বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড গাড়ি ছাড়া অন্য গাড়ির ক্ষেত্রে ঋণসীমা সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকা। এটি হিসাব বিমাসহ করা হয়েছে। ইলেকট্রিক ও হাইব্রিড যানবাহন কেনার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো একজন গ্রাহককে ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত ‘অটো লোন’ দিতে পারবে। কোনো ব্যক্তির ওপর নির্ভরশীল সদস্যদের অটো ঋণ দিলে তা ওই ব্যক্তির মোট ঋণের অংশ হিসেবে গণ্য হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক আরও বলছে, ‘অটো লোন’ দেওয়ার ক্ষেত্রে অর্থায়ন সুবিধা সর্বোচ্চ ৬০: ৪০ ঋণ-ইকুইটি অনুপাতে প্রদান করতে হবে। তবে হাইব্রিড বা ইলেকট্রিক গাড়ি কেনার জন্য অর্থায়ন সুবিধা সর্বোচ্চ ৮০: ২০ ঋণ-ইকুইটি অনুপাতে দেওয়া যাবে। অর্থাৎ এক কোটি টাকার গাড়ির ক্ষেত্রের ব্যাংক গ্রাহককে ৬০ লাখ টাকা ঋণ দিতে পারবে। গ্রাহককে বাকি ৪০ লাখ টাকা দিতে হবে। তবে একই দামের হাইব্রিড বা ইলেকট্রিক গাড়ির ক্ষেত্রে ব্যাংক ৮০ লাখ টাকা দিতে পারবে, গ্রাহককে দিতে হবে ২০ লাখ টাকা।

সিটি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক অরুপ হায়দার বলেন, মুদ্রাস্ফীতি ও গাড়ির দামের বিবেচনায় ঋণ বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছিল। পরিবেশবান্ধব বিবেচনায় ইলেকট্রিক গাড়ির ক্ষেত্রে এই সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ফলে পরিবেশবান্ধব গাড়ির ঋণ বাড়বে। পরিবেশে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বাড়ল ব্যক্তিগত ঋণের সীমাও

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কয়েক বছরে বাংলাদেশে ভোক্তা পণ্যের বাজার দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্রমবর্ধমান মাথাপিছু আয়ের পাশাপাশি দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ভোক্তার খরচ করার সামর্থ্য বাড়িয়েছে। বিদ্যমান বাজারমূল্য এবং ভোক্তাপণ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদাকে বিবেচনায় নিয়ে ভোক্তাঋণেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলো ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে। তবে ব্যাংকের জমা থাকা টাকার বিপরীতে দেওয়া ঋণ এই সীমার বাইরে থাকবে। আগে ব্যাংকগুলো ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারত।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলোকে এমনভাবে ভোক্তা অর্থায়ন (কনজ্যুমার ফাইন্যান্স) করতে হবে, যাতে কোনোভাবেই তা মোট ঋণের প্রবৃদ্ধির হার ব্যাংকের মোট ঋণের প্রবৃদ্ধির হারকে অতিক্রম না করে।

খুলনা নগরে রাজু হাওলাদার (৩৮) নামের গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে আবার গুলি করার অভিযোগ উঠেছে।

আহত রাজু হাওলাদার লবণচরা থানার শিপইয়ার্ড এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জেলায় হত্যা, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা আছে। লবণচরা থানায় তাঁর বিরুদ্ধে চারটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সোমবার নগরের লবণচরা থানার কোবা মসজিদ-সংলগ্ন এলাকায় পেটে গুলিবিদ্ধ হন রাজু। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে কখন ও কীভাবে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

রাজুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গতকাল দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সময় অ্যাম্বুলেন্সটি রূপসা উপজেলার কুদির বটতলা এলাকায় পৌঁছালে সেটিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে।

কাটাখালী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাফর আহম্মেদ বলেন, ‘লবণচরা থানার একটি পার্টি চিকিৎসার জন্য অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় যাওয়ার পথে কুদির বটতলা এলাকায় কারা যেন অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে বলে শুনেছি। পরে তারা আমাদের কাছে বিষয়টি জানিয়ে বাড়তি নিরাপত্তা চায়। আমরা পুলিশি নিরাপত্তা দিয়ে তাদের আমাদের থানা এলাকা পার করে দিই।’ তিনি আরও বলেন, ওই ঘটনায় কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। গুলি অ্যাম্বুলেন্সে লেগেছিল কি না, তাঁরা খতিয়ে দেখেননি। রাতের বেলা তারা শুধু সহায়তা চেয়েছিল, পুলিশ সেটাই করেছে।

লবণচরা থানার ওসি সৈয়দ মোশারেফ হোসেন বলেন, রাজুর ওপর গুলির ঘটনা কখন ও কোথায় ঘটেছে—এখনো স্পষ্ট নয়। রাতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁকে পাওয়া যায়। তাঁর পেটে গুলির চিহ্ন ছিল। তাঁর বিরুদ্ধে থানায় চারটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় পাঠানো হয়। ঘটনার নেপথ্যের কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে কাজ করছে পুলিশ। অ্যাম্বুলেন্সে গুলির ঘটনার বিষয়ে তেমন কিছু বলতে পারেননি তিনি।

চলতি বছরের শেষ দিকে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। আর স্থানীয় সরকারের সব নির্বাচন শেষ হতে নির্বাচন শুরুর পর ১০ মাস থেকে এক বছর লাগবে বলে মনে করেন তিনি।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ড জানাতে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান এ কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, নির্বাচন শুরু হবে এ বছরের শেষের দিকে। কিছু প্রস্তুতির প্রয়োজন আছে। সেটাও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে আগে জানানো হয়েছে।

উপজেলা পরিষদ বাতিল করে দেওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত বর্তমান সরকার নেয়নি বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।

সংসদ সদস্যদের বসার জন্য উপজেলা পরিষদে কক্ষ করার সিদ্ধান্তে পরিষদের ক্ষমতা খর্ব হয়েছে—ব্যাপারটি তেমন নয় বলে মনে করেন জাহের উর রহমান।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রচার) মো. শাহ আলম।

২০১৩ সালে হেফাজতের আন্দোলনে সারা দেশে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত করার তথ্য জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।  তিনি বলেন, শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সরকারের ঊধ্বর্তনদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। এই মামলায় প্রধান আসামি হবেন শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (৫ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর। তিনি জানান, শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সরকারের ঊধ্বর্তনদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। এছাড়া, সরকারের হেফাজতে ইসলামকে নিধনের উদ্দেশ্য ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ ঘটনায় ৯০ শতাংশ তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে৷ আগামী ৭ জুনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে প্রসিকিউশন। মামলায় ৩০ জনের বেশি আসামি করা হতে পারে বলেও জানান আমিনুল ইসলাম। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ ও ৬ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশের ওপর তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চালানো অভিযানকে কেন্দ্র করে যে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে, তা শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড হিসেবে পরিচিত। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) তদন্ত সংস্থা এই হত্যাকাণ্ডকে একটি অত্যন্ত পরিকল্পিত হিসেবে উল্লেখ করেছে। তদন্ত সংস্থার তথ্যমতে, তদন্তের কাজ প্রায় ৯০ শতাংশ শেষ হয়েছে এবং শুধু ঢাকাতেই অন্তত ৩২ জনকে হত্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

সরকার সামরিক বাহিনীকে আরও জনমুখী করতে দায়বদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, দেশের স্বার্থে ভবিষ্যতে সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে সামরিক বাহিনী।

মঙ্গলবার (৫ মে) জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের তৃতীয় দিনের অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও জানান, পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ একটি শক্তিশালী সামরিক বাহিনী গড়ে তুলতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জেলা প্রশাসকদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

ড. শামছুল ইসলাম বলেন, বিগত নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে জেলা প্রশাসকরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। দেশের স্বার্থে ভবিষ্যতেও সিভিল প্রশাসন ও সামরিক বাহিনীর মধ্যে নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে ডিসিদের।

গত ৩ মে চার দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মাঠ প্রশাসনে সরকারের মুখপাত্র হিসেবে এবারের সম্মেলনকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, ৬ মে শেষ হওয়া এ সম্মেলনে আট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক অংশ নিচ্ছেন।

ডিসিদের কাছ থেকে পাওয়া এক হাজার ৭২৯টি প্রস্তাবের মধ্যে ৪৯৮টি প্রস্তাব সম্মেলনে উপস্থাপন করা হচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, আইনশৃঙ্খলা, অবকাঠামো উন্নয়ন, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও ই-গভর্ন্যান্স এবারের সম্মেলনের প্রধান আলোচ্য বিষয়। এ ছাড়া রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের সঙ্গে ডিসিদের মতবিনিময় ও কার্য-অধিবেশন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

 

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিদায়ী শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের মন্ত্রিসভার অনেক তারকা প্রার্থী হেরেছেন। তৃণমূল প্রধান ও বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও হেরেছেন। তিনি হেরেছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুর আসনে মুখোমুখি হয়েছিলেন। শুভেন্দু ১৫ হাজারের বেশি ভোটে জিতছেন। ভবানীপুর ছাড়া নন্দীগ্রাম আসনেও জিতেছেন বিজেপির এ নেতা।

মমতার পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও তারকা প্রার্থী ও মন্ত্রী পরাজিত হয়েছেন। আনন্দবাজার অনলাইনের তথ্যমতে তৃণমূলের কয়েকজন তারকা প্রার্থী বিজেপির কোন প্রার্থীর কাছে কত ভোটে হেরেছেন, তা তুলে ধরা হলো।

সুজিত বসু: বিধাননগর আসন থেকে নির্বাচন করা তৃণমূলের সুজিত বসুর দিকে নজর ছিল সবার। তৃণমূলের এ ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থী ৩৭ হাজারের বেশি ভোটে হেরেছেন। মমতার বিদায়ী মন্ত্রিসভার সদস্য সুজিতের হার হয়েছে বিজেপির শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের কাছে।

চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য: রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে এ বারও দমদম উত্তর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছিল তৃণমূল। তিনি বিজেপির সৌরভ সিকদারের কাছে ২৬ হাজারের বেশি ভোটে হেরেছেন। ২০১১ সালেই দমদম উত্তরের বিধায়ক হয়েছিলেন চন্দ্রিমা। ২০১৬ সালে ওই কেন্দ্রে সিপিএম প্রার্থী তন্ময় ভট্টাচার্যের কাছে তিনি পরাজিত হয়েছিলেন। তবে ২০১৭ সালের উপনির্বাচনে কাঁথি দক্ষিণ থেকে জিতেছিলেন তিনি। পরে ২০২১ সালের ভোটে আবার দমদম উত্তরে লড়েন এবং জেতেন।

সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়: তৃণমূলের তারকা প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির সজল ঘোষের কাছে হেরেছেন ১৬ হাজার ৯৫৬ ভোটে। ২০২৪ সালে উপনির্বাচনে জিতে বরাহনগরের বিধায়ক হয়েছিলেন অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজ চক্রবর্তী: ব্যারাকপুর থেকে হেরে গেছেন তৃণমূলের আরেক তারকা প্রার্থী রাজ চক্রবর্তী। এ চলচ্চিত্র পরিচালক দ্বিতীয়বারের মতো ব্যারাকপুরের ভোটের মাঠে নেমেছিলেন। কিন্তু ১৫ হাজারের বেশি ভোটে তিনি বিজেপির কৌস্তুভ বাগচীর কাছে হেরে যান।

দেবাশিস কুমার: রাসবিহারী আসন থেকে তৃণমূলের প্রার্থী দেবাশিস কুমার বিজেপির ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থী স্বপন দাশগুপ্তের কাছে প্রায় ২১ হাজার ভোটে হেরে গেছেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ওই আসন থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে জিতেছিলেন তিনি। রাসবিহারী কেন্দ্র মানেই অভিজাত, শিক্ষিত মধ্যবিত্ত বাঙালির বসতি।

অরূপ বিশ্বাস: তৃণমূলের ‘হেভিওয়েট’ নেতা অরূপ বিশ্বাস দাঁড়িয়েছিলেন টালিগঞ্জ আসন থেকে। বিজেপির পাপিয়া দে অধিকারীর কাছে তিনি ৬ হাজারের বেশি ভোটে হেরে গেছেন।

শশী পাঁজা: তৃণমূলের হয়ে এ বারও শ্যামপুকুর আসন থেকে দাঁড়িয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। তাঁর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ছিলেন বিজেপির পূর্ণিমা চক্রবর্তী। ১৪ হাজার ৬৩৩ ভোটে শশীকে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন পূর্ণিমা। শশী পাঁজা সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রয়াত অজিত পাঁজার পুত্রবধূ।

রত্না চট্টোপাধ্যায়: বেহালা পশ্চিম আসন থেকে এবার তৃণমূলের হয়ে নির্বাচন করেছিলেন রত্না চট্টোপাধ্যায়। ২৪ হাজার ৬৯৯ ভোটে তিনি বিজেপির ইন্দ্রনীল খাঁ’র কাছে হেরেছেন। এর আগে ২০২১ সালে ওই আসন থেকে তৃণমূলের টিকিটে বিধায়ক হয়েছিলেন রত্না।

অতীন ঘোষ: কাশীপুর-বেলগাছিয়া আসন থেকে তৃণমূল বিধায়ক অতীন ঘোষকে এবারও প্রার্থী করেছিলেন। বিজেপির প্রার্থী রিতেশ তিওয়ারির কাছে তিনি ১ হাজার ৬৫১ ভোটে হেরেছেন।

শ্রেয়া পাণ্ডে: মানিকতলায় তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন প্রয়াত সাধন পাণ্ডের কন্যা শ্রেয়া পাণ্ডে। বিজেপির প্রবীণ নেতা তাপস রায়ের কাছে তিনি ১৫ হাজার ৬৪৪ ভোটে হেরেছেন। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মানিকতলার বিধায়ক সাধন পাণ্ডে মারা যান। পরে ওই আসনের উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে জয়ী হন তাঁর স্ত্রী সুপ্তি। এ বারের নির্বাচনে কন্যা শ্রেয়াকে প্রার্থী করে তৃণমূল।

ব্রাত্য বসু: দমদমেও তৃণমূলের নক্ষত্রপতন হয়েছে। এই আসনে তৃণমূলের তারকা প্রার্থী ব্রাত্য বসু বিজেপির অরিজিৎ বক্সীর কাছে ২৫ হাজার ২৭৩ ভোটে হেরে গেছেন। তবে ব্রাত্য বসু তুলনামূলক ভাবে সহজ জিতবেন বলে ধারণা করা হয়েছিল।

পরেশচন্দ্র অধিকারী: কোচবিহারের মেখলিগঞ্জে তৃণমূলের শক্তিশালী প্রার্থী পরেশচন্দ্র অধিকারী বিজেপির দধিরাম রায়ের কাছে ২৯ হাজার ৫৮৪ ভোটে হেরেছেন। পরেশচন্দ্রের জন্য এবারের লড়াই সহজ ছিল না। রাজ্যের স্কুলে শিক্ষক বা এসএসসি নিয়োগ মামলায় দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছিল তাঁর কন্যা অঙ্কিতা অধিকারীর। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে তাঁর চাকরিও গিয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, পরেশচন্দ্রের ভোটের ফলাফলে এ ঘটনা প্রভাব রেখেছে।

উদয়ন গুহ: দিনহাটা থেকে তৃণমূলের তিন বারের বিধায়ক উদয়ন গুহও হেরে গেছেন। কোচবিহারের দিনহাটায় বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়ের কাছে তিনি ১৭ হাজার ৪৪৭ ভোটে হেরে যান।

স্বপ্না বর্মণ: রাজগঞ্জে তৃণমূল টিকিট দিয়েছিল সোনাজয়ী সাবেক অ্যাথলেট স্বপ্না বর্মণকে। বিজেপির দীনেশ সরকারের কাছে তিনি ২১ হাজার ৪৭৭ ভোটে হেরেছেন। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে জলপাইগুড়ির এই আসনে জিতেছিল তৃণমূল। তখন তৃণমূলের টিকিটে জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন খগেশ্বর রায়। এ বার তাঁর জায়গায় এই আসনে স্বপ্নাকে দাঁড় করিয়েছিল তৃণমূল।

গৌতম দেব: শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব তৃণমূলের টিকিটে শিলিগুড়ি আসন থেকে বিধানসভা নির্বাচনে নেমেছিলেন। কিন্তু বিজেপির ‘ভরসার মুখ’ শঙ্কর ঘোষের কাছে তিনি ৭৩ হাজার ১৯২ ভোটে হেরে গেছেন। তবে গত বিধানসভা নির্বাচনেও ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি আসনে বিজেপির প্রার্থী শিখা চট্টোপাধ্যায়ের কাছে হেরে গিয়েছিলেন গৌতম।

অর্পিতা ঘোষ:  দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট আসন থেকে এবার তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছিলেন নাট্যকর্মী ও সাবেক সাংসদ অর্পিতা ঘোষ। বিজেপির বিদ্যুৎকুমার রায়ের কাছে তিনি ৪৭ হাজার ৫৭৬ ভোটে হেরেছেন।

পশ্চিমবঙ্গে এবার ২ দফায় বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দফায় ২৩ এপ্রিল ভোট হয় ১৫২ আসনে। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভোট হয় ১৪২টি আসনে।

গতকাল সোমবার সকাল থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। ভোট গণনার ফলাফলের যে ধারা, সন্ধ্যা পর্যন্ত যা বিচ্যুতিহীন, তাতে স্পষ্ট, প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসছে বিজেপি।

আজ রাত একটায় এই প্রতিবেদন লেখার সময় পশ্চিমবঙ্গের মোট ২৯৪ আসনের মধ্যে ২৯৩ (একটি আসনে ভোট গ্রহণ নতুন করে হবে) আসনের ফলাফলে বিজেপি ২০৬টিতে হয় জয়ী ঘোষিত, নয়তো এগিয়ে রয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের এমন আসনসংখ্যা ৮০-এর আশপাশে ঘোরাফেরা করছে।

পশ্চিমবঙ্গে ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায় তৃণমূল। ৩৪ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা বাম ফ্রন্টকে হারিয়ে ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসে মমতার দল তৃণমূল। এবার সেখানে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিজেপি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) বেইজিং সফরে যাচ্ছেন। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। 

গত ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচিত হয়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম চীন সফর এটি। চীনা রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি অব চায়নার (সিপিসি) পলিটিক্যাল ব্যুরোর পররাষ্ট্রবিষয়ক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র আমন্ত্রণে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান চীন সফরে যাচ্ছেন। তিনি ৫ মে থেকে ৭ মে পর্যন্ত চীন সফর করবেন।

বিএনপি সরকার গঠনের পর চীনে এটি দ্বিতীয় উচ্চপর্যায়ের সফর। এর আগে, ২০ এপ্রিল চীন সফরে যান বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এর কয়েক দিন আগে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) আমন্ত্রণে বিএনপির ১৯ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল দেশটির সফরে যান।