বলিউডের অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী আলিয়া ভাটের ৩৩তম জন্মদিন আজ। তারকা পরিবারে জন্ম নিলেও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। আলিয়া মনে করেন, তাঁর সাফল্যের পেছনে রয়েছে বাবা-মায়ের দীর্ঘ সংগ্রামের গল্প।
সম্প্রতি এল ইউকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আলিয়া ভাট নিজের পরিবার ও বেড়ে ওঠা নিয়ে কথা বলেন। সেখানে তিনি তাঁর মা সোনি রাজদানের অভিনয়জীবনের শুরুর দিকের কঠিন সময়ের কথা স্মরণ করেন। আলিয়ার কথায়, সোনি রাজদান একেবারে অচেনা একজন মানুষ হিসেবে অভিনয়ের জগতে পা রেখেছিলেন। চলচ্চিত্রে তাঁর কোনো পরিচিতি ছিল না, এমনকি হিন্দি ভাষাতেও তিনি খুব স্বচ্ছন্দ ছিলেন না।

তবু অভিনয়ের স্বপ্ন নিয়ে তিনি থিয়েটার থেকে শুরু করে চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের স্টুডিও—সব জায়গায় ঘুরে ঘুরে অডিশন দিয়েছেন। ভাষাগত সীমাবদ্ধতা ও সুযোগের অভাব থাকা সত্ত্বেও তিনি হাল ছাড়েননি। যদিও মূলধারার নায়িকা হিসেবে খুব বেশি সুযোগ পাননি, তবু অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা আর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের জায়গা তৈরি করেছেন।

আলিয়া তাঁর বাবা খ্যাতিমান পরিচালক মহেশ ভাটের জীবন নিয়েও কথা বলেন। তিনি জানান, মহেশ ভাটের জীবনেও একসময় বড় ধরনের সংকট এসেছিল। সেই সময় তাঁর বেশ কয়েকটি সিনেমা পরপর বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়। আর্থিক দিক থেকেও তিনি তখন সংকটের মধ্যে ছিলেন। পাশাপাশি তখন তিনি মদ্যপানে আসক্ত ছিলেন।

আলিয়া ভাট। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
আলিয়া ভাট। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

আলিয়া ভাট। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে পরে মহেশ ভাট মদ্যপান ছেড়ে দেন এবং ধীরে ধীরে আবার কাজে মন দেন। তবে দীর্ঘ সময় ধরে তাঁর জীবন ও ক্যারিয়ার নানা ওঠানামার মধ্য দিয়ে গেছে। আলিয়ার মতে, তাঁর মা–বাবা অনেক সংগ্রাম করে এমন একটি জায়গায় পৌঁছেছেন, যার সুফল তিনি আজ পাচ্ছেন।

এ কারণেই নিজের অবস্থান সম্পর্কে তিনি সচেতন বলে জানান আলিয়া। তিনি বলেন, যদি কোনো দিন তাঁর অভিনয়জীবন ভালো না চলে বা তিনি আর চলচ্চিত্রে কাজ না পান, তবু তিনি কখনো অভিযোগ করবেন না। কারণ, তিনি জানেন, অনেক মানুষের সেই সুযোগটুকুও থাকে না।

আলিয়া ভাট। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
আলিয়া ভাট। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

২০১২ সালে করণ জোহর পরিচালিত ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় আলিয়ার। এরপর ‘হাইওয়ে’, ‘রাজি’, ‘গাল্লি বয়’, ‘উড়তা পাঞ্জাব’, ‘গাঙ্গুবাই কাঠিয়াবাড়ি’সহ একাধিক আলোচিত ছবিতে অভিনয় করে তিনি নিজেকে বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। অভিনয়ের জন্য একাধিকবার ফিল্মফেয়ার পুরস্কারও পেয়েছেন।

ব্যক্তিজীবনে ২০২২ সালে অভিনেতা রণবীর কাপুরকে বিয়ে করেন আলিয়া ভাট। একই বছর তাঁদের কন্যাসন্তান রাহা কাপুরের জন্ম হয়। অভিনয়ের পাশাপাশি এখন পরিবার ও কাজ—দুটিই সমানভাবে সামলাচ্ছেন তিনি।

২০২৫ সালের জুলাইয়ে রুবেল আনুশের ‘রূপ’ নাটক দিয়ে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন ইন্দ্রাণী নিশি। এরপর সাত মাসের ক্যারিয়ারে সাতটির মতো নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। তিনটি মুক্তি পেয়েছে, মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে চারটি।

[caption id="attachment_269342" align="alignnone" width="836"] ইন্দ্রাণী নিশি[/caption]

রোমান্টিক নাটকে অভিনয় করে পরিচিতি পেলেও ঈদে নিশিকে রাজনৈতিক গল্পের একটি নাটকে দেখা যাবে। প্রতিবাদ নামে নাটকটি নির্মাণ করেছেন নির্মাতা জারসন বম। নাটকে তাঁকে রাজনীতি–সচেতন এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর চরিত্রে দেখা যাবে।

‘রূপ’ নাটক দিয়ে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন ইন্দ্রাণী নিশি
‘রূপ’ নাটক দিয়ে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন ইন্দ্রাণী নিশিশিল্পীর সৌজন্যে

তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছেন প্রান্তর দস্তিদার। প্রতিবাদ ছাড়াও রহিম সুমনের এলোমেলো বাতাস ও পাভেল ইসলামের হারিয়ে পাওয়া নাটকে কাজ করেছেন নিশি। মুক্তির অপেক্ষায় থাকা এলোমেলো বাতাস–এ নিশির বিপরীতে আছেন প্রথম নাটকের সহশিল্পী সাদ সালমি নাওভী। আজ এনটিভিতে প্রচারিত হতে যাওয়া হারিয়ে পাওয়াতে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছেন প্রান্তর দস্তিদার।

ইন্দ্রাণী নিশি
ইন্দ্রাণী নিশিশিল্পীর সৌজন্যে

নাম চূড়ান্ত না হওয়া আরেকটি নাটকের শুটিংও শেষ করেছেন নিশি। এতে শরাফ আহমেদ জীবনসহ অনেকে অভিনয় করেছেন।

সাত নাটকের মধ্যে নাওভী ও প্রান্তর দস্তিদারের সঙ্গে জুটি গড়েছেন নিশি। ‘ওদের সঙ্গেই বেশি কাজ হয়েছে। দুজনে দারুণ মানুষ পরিচালকরাও আমাদের নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে,’ বলেন নিশি।

ইন্দ্রাণী নিশি
ইন্দ্রাণী নিশিশিল্পীর সৌজন্যে
মডেলিং থেকে অভিনয়ে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগে পড়াশোনা করেছেন নিশি। ২০১৯ সালে স্নাতকে তৃতীয় বর্ষে পড়ার সময় বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেলিং দিয়ে অভিষেক। বিজ্ঞাপনচিত্রটি নির্মাণ করেন আশফাকুজ্জামান বিপুল।

জীবনের প্রথম শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানিয়ে নিশি বলেন, ‘সেবারই প্রথম এফডিসিতে গিয়েছিলাম।’ পরে বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনচিত্রে তাঁকে দেখা গেছে। ২০২০ সালে আরটিভির রিয়েলিটি শো ‘ক্যাম্পাস স্টার’–এ চ্যাম্পিয়ন হন নিশি। এরপর আরটিভিতে ‘তারকালাপ’ দিয়ে উপস্থাপনায় অভিষেক।

২০২০ সালে আরটিভির রিয়েলিটি শো ‘ক্যাম্পাস স্টার’–এ চ্যাম্পিয়ন হন নিশি
২০২০ সালে আরটিভির রিয়েলিটি শো ‘ক্যাম্পাস স্টার’–এ চ্যাম্পিয়ন হন নিশি, শিল্পীর সৌজন্যে

বছর দুয়েক পর মাছরাঙা টেলিভিশনে উপস্থাপনা শুরু করেন। ‘বিনোদন সারাদিন’ ও ‘রূপকথা’ নামে দুটি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন।  ‘বিনোদন সারাদিন’–এ অতিথি হয়ে এসেছিলেন নির্মাতা রুবেল আনুশ। সেই পরিচয়ের সূত্রেই পরে রুবেল আনুশের রূপ নাটক দিয়ে অভিনয়ে অভিষেক।

প্রথমবার অভিনয়ের অভিজ্ঞতা জানিয়ে ইন্দ্রাণী নিশি বলেন, ‘পর্দায় অভিনয় পুরোটাই আলাদা। খুব নার্ভাস ছিলাম; কীভাবে কী করব, বুঝতে পারছিলাম না। শেষ পর্যন্ত কাজটা করেছি।’

 ইন্দ্রাণী নিশি
ইন্দ্রাণী নিশিশিল্পীর সৌজন্যে
 

রূপ নাটকটি পুরো পরিবার নিয়ে দেখেছেন। সেই অভিজ্ঞতা জানিয়ে নিশি বলেন, ‘এক্সপ্রেশন (অভিব্যক্তি) ঠিকমতো হলো কি না, দর্শক কীভাবে নিচ্ছেন—সবকিছু মিলিয়ে বেশ নার্ভাস ছিলাম। আমার শেখার ঘাটতি ছিল। তবে ভালো সাড়া পেয়েছি। এখনো শিখছি। ভালো ভালো কাজ করতে চাই।’

নিশির জন্ম নড়াইলে
নিশির জন্ম নড়াইলেশিল্পীর সৌজন্যে

আগে থেকেই নিশির অভিনয়ে আসার স্বপ্ন, সে কারণেই থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগে ভর্তি হন। থিয়েটারও করেছেন। সিনেমা নিয়েও আগ্রহী নিশি, ‘বেশ কিছু কাজের জন্য অডিশন দিয়েছি। স্বাধীন চলচ্চিত্র ও কমার্শিয়াল সিনেমা নিয়ে আগ্রহী।’

নিশির জন্ম নড়াইলে হলেও বাবার চাকরি সূত্রে রংপুর ও যশোরে বেড়ে ওঠা।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভুটান সীমান্তবর্তী একটি ছোট্ট গ্রাম টোটোপাড়া। সেখানে বসবাস ভারতের অন্যতম প্রাচীন, ক্ষুদ্র ও বিপন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠী টোটো সম্প্রদায়ের। বহুদিন ধরেই তাদের নিজস্ব ভাষা থাকলেও ছিল না কোনো লিখিত বর্ণমালা। ফলে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে ছিল ভাষাটি। অদ্ভুত হলেও সত্য—এই ভাষার জন্য বর্ণমালা তৈরির প্রেরণা এসেছে বাংলাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লার গাওয়া একটি গান থেকে। প্রায় চার দশক আগে গাওয়া তাঁর ‘তুমি আমি লিখি প্রাণের বর্ণমালা’ গানটির একটি লাইনই নাকি বদলে দেয় এক আদিবাসী মানুষের ভাবনা। সেই খবর জানার পর নিজের অনুভূতির কথাও জানিয়েছেন দেশবরেণ্যে এই শিল্পী।

সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা
সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা

পশ্চিমবঙ্গের আলিপুরদুয়ার জেলার টোটোপাড়া গ্রামে বসবাসকারী টোটো সম্প্রদায়ের ভাষা দীর্ঘদিন ধরে শুধু কথ্য রূপেই প্রচলিত ছিল। লিখিত কোনো লিপি না থাকায় ভাষাটি ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে কয়েক বছর আগে টোটো ভাষার জন্য একটি স্বতন্ত্র বর্ণমালা তৈরি করে আলোচনায় আসেন ধনীরাম টোটো।

ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় ধনীরাম টোটোর এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করে। তবে খুব কম মানুষই জানেন, এই উদ্যোগের পেছনে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে একটি গান। ধনীরাম টোটো এক সাক্ষাৎকারে জানান, একদিন রেডিওতে তিনি শুনছিলেন রুনা লায়লার গাওয়া গান—‘তুমি আমি লিখি প্রাণের বর্ণমালা’। গানের এই লাইন তাঁর মনে গভীরভাবে দাগ কাটে। তখনই তাঁর মনে প্রশ্ন জাগে—যদি অন্য ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা থাকতে পারে, তবে টোটো ভাষার কেন থাকবে না?

ঢাকার পাঁচতারা হোটেলে প্রথম আলোর ক্যামেরায় উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা
 উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা
 

সেই ভাবনা থেকেই শুরু হয় তাঁর দীর্ঘ গবেষণা ও প্রচেষ্টা। পরে তিনি টোটো ভাষার জন্য একটি স্বতন্ত্র লিপি তৈরি করেন, যা এখন ‘টোটো-হরফ’ বা ‘তোত্বিকো আল্লাবেত’ নামে পরিচিত। টোটো ভাষা সংরক্ষণের আরেকটি উদ্যোগ নিয়েছিলেন ভক্ত টোটো। তিনি বাংলা বর্ণমালা ব্যবহার করে এই লুপ্তপ্রায় ভাষাকে নথিভুক্ত করার চেষ্টা শুরু করেন।

স্থানীয়ভাবে টোটো ভাষার শব্দ সংগ্রহ, গল্প লেখা ও প্রাথমিক শিক্ষায় ভাষাটি ব্যবহারের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। তবে চ্যালেঞ্জ এখনো কম নয়। আলিপুরদুয়ার জেলার তোর্সা নদীর তীরে বসবাসকারী এই ছোট্ট জনগোষ্ঠীর সামনে ভাষা টিকিয়ে রাখার লড়াই এখনো চলছে। আধুনিক শিক্ষা, বহিরাগত সংস্কৃতির প্রভাব ও সীমিত জনসংখ্যার কারণে ভাষাটি সংরক্ষণ করা কঠিন হয়ে উঠেছে। তবু নিজেদের ভাষা ও সংস্কৃতি বাঁচিয়ে রাখতে নতুন প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে টোটো সম্প্রদায়।
রুনা লায়লা
রুনা লায়লা
 

দেড় মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্রে মেয়ে ও নাতি–নাতনির সঙ্গে সময় কাটিয়ে ৫ মার্চ দেশে ফিরেছেন রুনা লায়লা। তাঁকে যখন এ ঘটনা জানানো হয় এবং এ নিয়ে বিবিসি বাংলার একটি প্রতিবেদনের ইউটিউব লিংক পাঠানো হয়, তখন তিনি জানান—বিষয়টি তিনি দেখেছেন এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের কয়েকজনও তাঁকে সেই প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন। আলাপচারিতায় তিনি বলেন, একটি গান শুধু বিনোদন নয়, অনেক সময় তা মানুষের মনে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

রুনা লায়লার ভাষায়, ‘একটা গান যখন মানুষের মনের ভেতরে ঢোকে, তখন তা নানাভাবে প্রভাব ফেলে। সংগীত দিয়ে অসুস্থ মানুষকেও সুস্থ করে তোলা যায়—এ কথাও তো বলা হয়। প্রত্যেকটা গানই কিন্তু একধরনের বার্তা দেয়।’ কথা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘এই গানের বার্তা যে একটি বিপন্ন জনগোষ্ঠীর কাছেও পৌঁছেছে এবং তাদের উদ্বুদ্ধ করেছে—এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। এতে আবারও মনে হলো, ভালো গানের শক্তি কত বড়।’

 রুনা লায়লা
রুনা লায়লা
 

গানটির পেছনের গল্প বলতে গিয়ে রুনা লায়লা ফিরে গেলেন সত্তরের দশকের শেষ দিকে। জানালেন, ‘তুমি আমি লিখি প্রাণের বর্ণমালা’ গানের কথা লিখেছিলেন কবি শামসুর রাহমান, আর সুর করেছিলেন খন্দকার নূরুল আলম। বাংলাদেশ বেতারের ট্রান্সক্রিপশন সার্ভিসের জন্য শাহবাগের বেতার ভবনে গিয়ে গানটি রেকর্ড করেছিলেন তিনি। পরে বাংলাদেশ টেলিভিশনেও এটি পরিবেশন করেছিলেন।

গানটি গাওয়ার প্রস্তাব পাওয়ার স্মৃতি মনে করে রুনা লায়লা বলেন, ‘একদিন খন্দকার নূরুল আলম ভাই বাসায় ফোন করে বললেন—একটা দেশাত্মবোধক গান করতে চান এবং আমি যেন গাই। আমি বলেছিলাম, অবশ্যই গাইব। কেন গাইব না? এরপর বেতারে গিয়ে গানটি রেকর্ড করা হয়।’
নানান সময়ে রুনা লায়লা
নানান সময়ে রুনা লায়লা
 

চার দশকের বেশি পুরোনো একটি গান যে একটি বিলুপ্তপ্রায় আদিবাসী ভাষাকে নতুন করে ভাবতে অনুপ্রাণিত করবে—এ কথা কখনো ভাবেননি রুনা লায়লা। তিনি বলেন, ‘৪৫ বছর আগের একটি গান শুনে তারা নিজেদের ভাষার জন্য বর্ণমালা তৈরি করেছে—এটা সত্যিই অদ্ভূত। আমার গাওয়া গান, সুর আর কথাগুলো একটি বিপন্ন আদিবাসী জাতির জীবনে নতুন ভাবনা তৈরি করেছে—এটা অবশ্যই আনন্দের বিষয়।’

বলিউডের নতুন মুখ আয়েশা খান সম্প্রতি নিজের জীবনের এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, অতীতে ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয়েছিলেন এবং এখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত ধর্ষণের হুমকি পান।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এসব অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এই অভিনেত্রী। তিনি বলেন, অনলাইনে তাঁকে প্রায় প্রতিদিনই যৌন হয়রানির মুখে পড়তে হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিদিন হুমকি
রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস ১৭’–এ অংশ নেওয়ার পর আলোচনায় আসেন আয়েশা খান। পরে ‘ধুরন্ধর’ ছবির ‘শরারত’ গানে উপস্থিত হয়ে নতুন করে জনপ্রিয়তা পান তিনি। কিন্তু এই জনপ্রিয়তার সঙ্গেই এসেছে নানা নেতিবাচক অভিজ্ঞতা। এক সাক্ষাৎকারে আয়েশা বলেন, সামাজিক মাধ্যমে তাঁর পোশাক বা ছবিকে কেন্দ্র করে অনেকেই অশালীন মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘ইনস্টাগ্রামে আমাকে প্রায় প্রতিদিনই শরীর নিয়ে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করা হয়। আমি যদি সাধারণ একটি টপ পরি, তাতেও সমস্যা। স্কার্ট পরলেও সমস্যা। এমনকি কোনো ছবি পোস্ট করার আগেও ভাবতে হয়—কেউ সেটাকে কীভাবে ব্যবহার করবে।’
এই পরিস্থিতিকে আয়েশা খান খুবই দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, একজন নারীর নিজের পছন্দমতো পোশাক পরা বা ছবি পোস্ট করার স্বাধীনতা থাকা উচিত।

 আয়েশা খান। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
আয়েশা খান। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

ধর্ষণের হুমকি পেয়েছেন বহুবার
সাক্ষাৎকারে আয়েশা আরও জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে বহুবার ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছে। তাঁর ভাষায়, ‘প্রতিদিনই এমন বার্তা পাই। চাইলে এখনই ফোন খুলে দেখাতে পারি।’ তিনি বলেন, এ ধরনের মন্তব্য তাঁকে আতঙ্কিত করে। কারণ, এগুলো কোনো কল্পিত চরিত্র নয়, বাস্তব মানুষের কাছ থেকেই আসে।
অতীতের ভয়ংকর স্মৃতি
আয়েশা খান জানান, তাঁর জীবনে একবার ধর্ষণচেষ্টার ঘটনাও ঘটেছিল। সেই ঘটনার কথা বলতে গিয়ে তিনি খুবই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, সেই অভিজ্ঞতা তাঁর জীবনে গভীর মানসিক ক্ষত তৈরি করেছে। কখনো কখনো কোনো মন্তব্য বা ঘটনা সেই স্মৃতিকে আবার মনে করিয়ে দেয়।

 আয়েশা খান। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
আয়েশা খান। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

শুটিং সেটেও হয়রানির অভিজ্ঞতা
শুধু অনলাইনে নয়, বাস্তব জীবনেও একবার হয়রানির মুখে পড়েছিলেন এই অভিনেত্রী। এক চলচ্চিত্রের শুটিং চলাকালে একজন স্পটবয়ের কাছ থেকে অশোভন আচরণের শিকার হন তিনি। আয়েশা জানান, একদিন হঠাৎ ইনস্টাগ্রামে একটি বার্তা দেখতে পান। অনেক দিন ধরেই ওই ব্যক্তি তাঁকে বার্তা পাঠাচ্ছিলেন। পরে বুঝতে পারেন, সেটি শুটিং সেটেরই এক স্পটবয়।

ঘটনাটি জানার পর আয়েশা তাঁর বাবাকে বিষয়টি জানান এবং প্রযোজনা দলের কাছেও অভিযোগ করেন। পরে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

নতুন প্রজন্মের অভিনেত্রী হিসেবে সংগ্রাম
বলিউডে নতুন হলেও ইতিমধ্যে বেশ পরিচিতি পেয়েছেন আয়েশা খান। কিন্তু এই অভিজ্ঞতাগুলো দেখিয়ে দেয়, খ্যাতির সঙ্গে সঙ্গে অনেক সময় কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখিও হতে হয় অভিনেত্রীদের। আয়েশা বলেন, একজন নারী হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বাস্তব জীবনে যে ধরনের মন্তব্য বা হুমকির মুখে পড়তে হয়, তা অনেক সময় ভীতিকর হয়ে ওঠে। তবু তিনি আশা করেন, ভবিষ্যতে এই পরিস্থিতি বদলাবে এবং নারীরা আরও নিরাপদ পরিবেশে কাজ করতে পারবেন।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস অবলম্বনে

ভারতীয় ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারপুত্র অর্জুন টেন্ডুলকার বিয়ে করলেন তাঁর দীর্ঘদিনের প্রেমিকা সানিয়া চন্দককে। আজ ৫ মার্চ ভারতের মুম্বাইয়ে আয়োজিত হয় তাঁদের জমকালো বিবাহোত্তর সংবর্ধনা। ক্রিকেট ও বলিউড জগতের তারকাদের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজন হয়ে ওঠে তারকাখচিত।

[caption id="attachment_268904" align="alignnone" width="698"] ভারতীয় ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারপুত্র অর্জুন টেন্ডুলকার বিয়ে করলেন তাঁর দীর্ঘদিনের প্রেমিকা সানিয়া চন্দককে, ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে[/caption]

অতিথিদের অভ্যর্থনা জানানোর পর নবদম্পতি একসঙ্গে বাইরে এসে আলোকচিত্রীদের সামনে পোজ দেন। হাত ধরে দাঁড়িয়ে থাকা অর্জুন ও সানিয়ার সেই মুহূর্তের ছবি দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

লাল পোশাকে নজরকাড়া নবদম্পতি

লাল পোশাকে নজর কেড়েছেন অর্জুন ও সানিয়া
লাল পোশাকে নজর কেড়েছেন অর্জুন ও সানিয়া, ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
 

অর্জুন ও সানিয়া বেছে নিয়েছেন ঐতিহ্যবাহী লাল রং। অর্জুন পরেছিলেন লাল রঙের ভারী কারুকাজ করা জ্যাকেট, সঙ্গে লাল কুর্তা ও আইভরি প্যান্ট।

অন্যদিকে পেশায় প্রাণিচিকিৎসক সানিয়া চন্দক পরেছিলেন লাল ও গোলাপি রঙের শাড়ি–গাউন। ভিন্ন রঙের ব্লাউজের কারণে পোশাকে আধুনিকতার ছোঁয়া এসেছে। সঙ্গে ছিল পান্না ও হীরার নেকলেস, মিলিয়ে পরেছিলেন কানের দুল ও মাথার অলংকার।

পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ছবি

ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠানে শচীন টেন্ডুলকার পরেছিলেন কারুকাজ করা আইভরি রঙের ইন্দো–ওয়েস্টার্ন পোশাক
ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠানে শচীন টেন্ডুলকার পরেছিলেন কারুকাজ করা আইভরি রঙের ইন্দো–ওয়েস্টার্ন পোশাক, ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
 

পরে নবদম্পতির সঙ্গে যোগ দেন পরিবারের সদস্যরা। ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠানে শচীন টেন্ডুলকার পরেছিলেন কারুকাজ করা আইভরি রঙের ইন্দো–ওয়েস্টার্ন পোশাক। অর্জুনের মা অঞ্জলি টেন্ডুলকার এসেছিলেন গাঢ় গোলাপি ডিজাইনার শাড়িতে, সঙ্গে ছিল হীরা ও পান্নার গয়না।

টেন্ডুলকার পরিবারের আরেক সদস্য, অর্জুনের বোন সারা টেন্ডুলকারও নজর কাড়েন তাঁর সাদামাটা কিন্তু আকর্ষণীয় সাজে। তিনিও পরেছিলেন গোলাপি শাড়ি।

আজ ৫ মার্চ ভারতের মুম্বাইয়ে আয়োজিত হয় অর্জুন–সানিয়ার জমকালো বিবাহোত্তর সংবর্ধনা
আজ ৫ মার্চ ভারতের মুম্বাইয়ে আয়োজিত হয় অর্জুন–সানিয়ার জমকালো বিবাহোত্তর সংবর্ধনাছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

তারকাখচিত আয়োজন

শাহরুখ খান ও তাঁর পরিবার, ডানে আমির খান
শাহরুখ খান ও তাঁর পরিবার, ডানে আমির খান, ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
 

বিয়ের সংবর্ধনায় উপস্থিত ছিলেন বলিউড ও ক্রিকেটের বহু পরিচিত মুখ। তাঁদের মধ্যে ছিলেন শাহরুখ খান, গৌরী খান ও তাঁদের মেয়ে সুহানা খান। এসেছিলেন আমির খান, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন, অভিষেক বচ্চন ও অমিতাভ বচ্চন।

অনুষ্ঠানে এসেছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি, অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনসহ আরও অনেকে
অনুষ্ঠানে এসেছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি, অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনসহ আরও অনেকে, ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

ক্রিকেট জগৎ থেকেও উপস্থিত ছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি, হরভজন সিং ও রাহুল দ্রাবিড়সহ অনেকে।

সূত্র: পিংকভিলা

লন্ডন ফ্যাশন জগতের আইকনিক মুখ এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী অ্যানাবেল স্কোফিল্ড আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করার পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর।

অ্যানাবেল স্কোফিল্ড ফ্যাশন জগত থেকে অভিনয়ে প্রবেশ করেন। তিনি প্রথম পরিচিতি পান জনপ্রিয় মার্কিন ধারাবাহিক ‘ডালাস প্রাইমটাইম’ এর মাধ্যমে। সেখানে কিংবদন্তি অভিনেতা ল্যারি হ্যাগম্যানের বিপরীতে লরেল এলিস চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের নজর কাড়েন। এই চরিত্রই তাকে এনে দিয়েছিল তারকাখ্যাতি।

১৯৬৩ সালে যুক্তরাজ্যের ওয়েলসের ল্যানেলিতে জন্মগ্রহণ করেন অ্যানাবেল। চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির আশপাশে বেড়ে ওঠা এই অভিনেত্রী ১৯৯০-এর দশকে হিট সিনেমা ‘রোমান্সিং দ্য স্টোন’, ‘জেরি ম্যাগুয়ার’ ও ‘অ্যাজ গুড অ্যাজ নাইট গেটস’এ অভিনয় করেছেন।

১৯৮০ দশকে লন্ডনের ফ্যাশন অঙ্গনে অ্যানাবেল ছিলেন অত্যন্ত পরিচিত ও আকর্ষণীয় মুখ। টিভি বিজ্ঞাপনে তার স্মরণীয় উপস্থিতি তাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে আলোচিত করে তোলে।

চলচ্চিত্রে তিনি ‘সোলার ক্রাইসিস’, ‘ড্রাগনার্ড’ ও ‘আই অফ দ্য উইডো’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন। পরবর্তীতে ‘দ্য ব্রাদার্স গ্রিম’, ‘ডুম’ ও ‘সিটি অফ এম্বার’-এর প্রযোজনা ভূমিকায় ক্যামেরার পেছনে কাজ করেছেন।

 

ইরান ইস্যুতে মধ্যপ্রাচ্যের চরম উত্তেজনার মধ্যে অনাকাঙ্ক্ষিত এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী এশা গুপ্তা। আবুধাবি বিমানবন্দরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থেকে অবশেষে নিরাপদে দেশে ফিরেছেন তিনি। আর দেশে ফিরেই তার এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন ভক্তদের।

সোমবার (৩ মার্চ) এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক দীর্ঘ পোস্ট শেয়ার করেন অভিনেত্রী। সেখানে সেই স্মৃতির কথা শেয়ার করেন ঈশা।

তিনি জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি আবুধাবি বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন নির্ধারিত সময়েই। কিন্তু দুপুরের পর হঠাৎ করেই বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে বিভ্রান্তি আর উৎকণ্ঠা। কেউ স্পষ্ট করে কিছুই জানাতে পারছিল না ঠিক কী ঘটেছে। পরে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জেরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে আকাশপথে।

তিনি বলেন, সেই সময়টা ছিল ভয় আর অনিশ্চয়তায় ভরা। যাত্রীরা একে অপরকে সান্ত্বনা দিচ্ছিলেন, অচেনা মানুষও হয়ে উঠেছিলেন ভরসার জায়গা। সবাই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছিলেন। বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের খাবারের জন্য নগদ অর্থ দেওয়া হয়। যাদের ফ্লাইট বাতিল হয়, তাদের আবুধাবির বিভিন্ন হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করা হয় স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশে।

হোটেল কর্মীদের প্রশংসা করে এশা লেখেন, ভয় ও চাপের মধ্যেও তারা অসাধারণ ধৈর্য ও পেশাদারিত্ব দেখিয়েছেন।

অবশেষে ২ মার্চ দিল্লিগামী প্রথম বাণিজ্যিক ফ্লাইটে ওঠার সুযোগ পান এশা। নিজেকে ভাগ্যবান উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা জানান সবার প্রতি।

শেষ পোস্টে অভিনেত্রী প্রকাশ করেন নিরাপদে ঘরে ফিরতে পারার অনুভূতি। এই কঠিন অভিজ্ঞতা তাকে মনে করিয়ে দিয়েছে দুর্যোগের সময় মানুষই মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি।

 

যেসব তারকার নতুন সিনেমা নিয়ে দর্শকের আগ্রহ বেশি থাকে, নেট-দুনিয়ায় যাঁদের নিয়ে বেশি আলোচনা হয়, তাঁরাই মূলত ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজ বা আইএমডিবি জনপ্রিয় তারকার তালিকায় শীর্ষ থাকেন। কখনো থাকে ভিন্ন ঘটনা। বছরের প্রায়ই এই জনপ্রিয়তার তালিকা তৈরি করে আইএমডিবি। এ তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন অভিনেত্রী হিদার ম্যাককম্ব। পাঁচ তারকা কেন আলোচনায় দেখে নিতে পারেন ছবিতে—
হঠাৎ করেই আলোচনায় শীর্ষে জায়গা পেয়েছেন অভিনেত্রী হিদার ম্যাককম্ব। তাঁকে সবচেয়ে বেশি খোঁজা হচ্ছে। মূলত ১৫ বছর আগে বিচ্ছেদ হওয়া স্বামীর মৃত্যু ঘিরেই নতুন করে তিনি আলোচনায় এসেছেন। তাঁর স্বামী অভিনেতা জেমস ভ্যান ডার বিক ১১ ফেব্রুয়ারি মারা যান।
হঠাৎ করেই আলোচনায় শীর্ষে জায়গা পেয়েছেন অভিনেত্রী হিদার ম্যাককম্ব। তাঁকে সবচেয়ে বেশি খোঁজা হচ্ছে। মূলত ১৫ বছর আগে বিচ্ছেদ হওয়া স্বামীর মৃত্যু ঘিরেই নতুন করে তিনি আলোচনায় এসেছেন। তাঁর স্বামী অভিনেতা জেমস ভ্যান ডার বিক ১১ ফেব্রুয়ারি মারা যান।ছবি: আইএমডিবি
 অভিনেতা রন লেস্টার মারা যান ২০১৬ সালে। তিনিও অভিনেতা জেমস ভ্যান ডার বিকের মৃত্যু ঘিরেই আলোচনায় এসেছিলেন। তাঁরা একসঙ্গে ‘ভার্সিটি ব্লুজ’ সিনেমায় অভিনয় করেন। তাঁরা ছিলেন ভালো জুটি।
অভিনেতা রন লেস্টার মারা যান ২০১৬ সালে। তিনিও অভিনেতা জেমস ভ্যান ডার বিকের মৃত্যু ঘিরেই আলোচনায় এসেছিলেন। তাঁরা একসঙ্গে ‘ভার্সিটি ব্লুজ’ সিনেমায় অভিনয় করেন। তাঁরা ছিলেন ভালো জুটি।ছবি: আইএমডিবি
 প্রয়াত সেই অভিনেতা জেমস ভ্যান ডার বিক শীর্ষ ৩ নম্বরে রয়েছে। এই ৪৮ বছর বয়সে হঠাৎ করেই ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে তাঁকে দর্শকেরা খুঁজতে আইএমডিবিতে ঢুঁ মারছেন। তিনি ‘ভার্সিটি ব্লুজ’ সিনেমায় অভিনয় করে প্রথম তারকা খ্যাতি পান।
প্রয়াত সেই অভিনেতা জেমস ভ্যান ডার বিক শীর্ষ ৩ নম্বরে রয়েছে। এই ৪৮ বছর বয়সে হঠাৎ করেই ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে তাঁকে দর্শকেরা খুঁজতে আইএমডিবিতে ঢুঁ মারছেন। তিনি ‘ভার্সিটি ব্লুজ’ সিনেমায় অভিনয় করে প্রথম তারকা খ্যাতি পান।ছবি: আইএমডিবি
 এ মাসের ৫ ফেব্রুয়ারি নেটফ্লিক্স মুক্তি পেয়েছে ‘দ্য লিংকন ল ইয়ার’। এই সিরিজে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করে আলোচনায় এসেছেন অভিনেত্রী কনট্যান্স জিমার। তিনি আলোচনায় ৪ নম্বরে রয়েছেন।
এ মাসের ৫ ফেব্রুয়ারি নেটফ্লিক্স মুক্তি পেয়েছে ‘দ্য লিংকন ল ইয়ার’। এই সিরিজে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করে আলোচনায় এসেছেন অভিনেত্রী কনট্যান্স জিমার। তিনি আলোচনায় ৪ নম্বরে রয়েছেন।ছবি: আইএমডিবি
 
ভালোবাসা দিবসের আগের দিন বিশ্বজুড়ে মুক্তি পেয়েছে সিনেমা ‘ওয়াদারিং হাইটস’। এই সিনেমা দিয়েই আলোচনায় রয়েছেন অভিনেতা জ্যাকব এলর্ডি। ফ্রাঙ্কেনস্টাইন সিনেমার পর এবারও তিনি রোমান্টিক গল্প দিয়ে ফিরলেন।
ভালোবাসা দিবসের আগের দিন বিশ্বজুড়ে মুক্তি পেয়েছে সিনেমা ‘ওয়াদারিং হাইটস’। এই সিনেমা দিয়েই আলোচনায় রয়েছেন অভিনেতা জ্যাকব এলর্ডি। ফ্রাঙ্কেনস্টাইন সিনেমার পর এবারও তিনি রোমান্টিক গল্প দিয়ে ফিরলেন।ছবি: আইএমডিবি

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়তেই দুবাইয়ে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা নিহত হওয়ার পর পাল্টা আঘাত হানছে ইরান—এমন প্রেক্ষাপটে গতকাল রোববারও দুবাইজুড়ে নতুন করে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। এই পরিস্থিতিকে ‘ভয়াবহ’ বলে বর্ণনা করেছেন ভারতের জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেত্রী এরিকা ফার্নান্দেজ। তিনি জানান, তিনি বর্তমানে দুবাইয়েই আছেন এবং নিরাপদে রয়েছেন, তবে পরিস্থিতি সহজ নয়।

ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার জেরে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ আবুধাবি ও কুয়েতের বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচলে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। বহু ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় যাত্রী ও কয়েকজন ভারতীয় তারকা সেখানে আটকে পড়েছেন। এর আগে অভিনেত্রী সোনাল চৌহান, অভিনেতা বিঞ্চু মাঞ্চু ও অভিনেত্রী এশা গুপ্তর দুবাইয়ে আটকে পড়ার খবর প্রকাশ্যে আসে।

অভিনেত্রী এরিকা ফার্নান্দেজ। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
অভিনেত্রী এরিকা ফার্নান্দেজ। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

তিন বছর আগে দুবাইয়ে বসবাস শুরু করা এরিকা জানান, স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত ও কার্যকরভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, ‘আমি এখনো দুবাইয়ে আছি এবং নিরাপদে আছি। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকার যেভাবে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে, তা আশ্বস্ত করার মতো।’ তবে মানসিক চাপের কথা লুকাননি এই অভিনেত্রী। তাঁর ভাষায়, ‘পরিস্থিতি সহজ নয়। আকাশে যে শব্দ শোনা যাচ্ছে, সেগুলো একেবারেই খুব ধাক্কা দেয়। আশপাশের মানুষ, বন্ধু ও পরিবার—সবাই নিজের চোখে এই পরিস্থিতি দেখছে। এটা মানসিকভাবে কঠিন। কোনোভাবে ঢেকে বলার সুযোগ নেই—পরিস্থিতি ভয়ংকর।’

এরিকা আরও যোগ করেন, ‘আমরা শান্ত থাকার চেষ্টা করছি, নিরাপদে আছি এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মেনে চলছি। এই মুহূর্তে এটাই আমাদের সেরা পথ। যেখানে যাঁরা আছেন, সবার জন্যই আমার শুভকামনা। আমরা এক মুহূর্ত করে এগোচ্ছি।’

অভিনেত্রী এরিকা ফার্নান্দেজ। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
অভিনেত্রী এরিকা ফার্নান্দেজ। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

দুবাই সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের তুলনামূলক নিরাপদ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। কিন্তু সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে সেখানকার বাসিন্দা ও প্রবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়েছে শহরজুড়ে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও আপাতত স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন এরিকা ফার্নান্দেজ।

ইন্ডিয়াডটকম অবলম্বনে

অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় শোবিজ অঙ্গনে তৈরি হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন দেশের তারকা ও কলাকুশলীরা। আত্মহত্যার ঘটনায় এবার ‘আয়নাবাজি’ অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য ঘিরে নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। অনেকেই তাঁর স্ট্যাটাসের সঙ্গে একমত প্রকাশ করেছেন।

সম্প্রতি আত্মহত্যা করেছেন অভিনেতা আলভীর স্ত্রী
সম্প্রতি আত্মহত্যা করেছেন অভিনেতা আলভীর স্ত্রী

স্ট্যাটাসে নাবিলা লিখেছেন, তিনি আত্মহত্যাকে একটি ‘চরম স্বার্থপর কাজ’ হিসেবে দেখেন। তাঁর ভাষায়, ‘দুঃখিত, আমি আত্মহত্যাকে খুবই স্বার্থপর একটি কাজ বলে মনে করি। নিজের কষ্ট যদি বাবা-মা ও সন্তানের কষ্টের চেয়ে বড় হয়ে যায় এবং সন্তানকে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিয়ে নিজের কষ্ট থেকে মুক্তি নেওয়াই মুখ্য হয়, তাহলে তা নিঃসন্দেহে স্বার্থপরতা।’

এই ঘটনার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায়িত্ববোধের জায়গাটি সামনে এনেছেন এই অভিনয়শিল্পী। তিনি লিখেছেন, ‘নায়কোচিত আচরণ শুধু পর্দায় দেখালেই যথেষ্ট নয়; বাস্তব জীবনে পরিস্থিতি ও নিজের কাজের দায়ও নিতে হয়।’

আলভী ও ইকরা দম্পতির সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নাবিলা। কারণ, একটি শিশু মা ছাড়া বেড়ে ওঠা কঠিন। নাবিলা লিখেছেন, ‘বাচ্চাটার ভবিষ্যৎ যাতে সুস্থ আর নিরাপদ হয় এই দোয়া করি, আল্লাহ তার বাবা মাকে এই কষ্ট সহ্য করার শক্তি দিক।’

[caption id="attachment_268642" align="alignnone" width="526"]
অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলা। ছবি: ফেসবুক[/caption]

একই সঙ্গে তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, প্রত্যেক মানুষের জীবন যেকোনো কিছুর চেয়ে অনেক বড়। প্রেম বা সম্পর্কের চেয়ে অনেক বড়। জীবন কখনো রূপকথা নয়, এটি কঠিন, তিক্ত ও নির্মম।

নাবিলা লিখেছেন, ‘জীবনের একটি বিশেষ সৌন্দর্য আছে। আর যদি আপনার সন্তান থাকে, তাহলে জীবনের চেয়ে বড় আর কোনো আনন্দ কি চাইবেন? আপনার সন্তানের জন্য বেঁচে থাকুন, তার জন্য লড়ুন এবং তাকে একজন চমৎকার মানুষ হিসেবে বড় হতে দেখুন। জীবন যতই তিক্ত ও নির্মম হোক, হাল ছেড়ে দেওয়া কাজের কথা না। মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকা, সব কষ্টের মধ্যেও অনেক বেশি তৃপ্তিদায়ক।’

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি উদয়পুরে স্বপ্নের বিয়ে সেরেছেন বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রাশমিকা মন্দানা। বিয়ের সন্ধ্যাতেই প্রকাশ্যে এসেছে তাঁদের চারহাত এক হওয়ার ছবি, যা দেখে শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছেন তাঁদের দর্শক-অনুরাগীরা। প্রায় আট বছরের সম্পর্কের মধুরেণ সমাপয়েৎ হয়েছে উদয়পুরে। তবে গতকাল রাতে প্রকাশ্যে এসেছে বিয়ের আরও কিছু অদেখা ছবি, যা অন্তর্জালে ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিতে ছবিতে জেনে নেওয়া যাক দুই তারকা সম্পর্কে কিছু তথ্য—

খাঁটি দক্ষিণি নিয়ম মেনে বিয়ে সেরেছেন তারকা যুগল। তেলেগু ও কোডাভা নিয়মে বিয়ে সারেন তাঁরা। ছবি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই আলোচনার শীর্ষে তাঁদের দুজনের সাজপোশাক। এককথায় রাজবেশে বিয়ে সেরেছেন বিজয়। প্রথা মেনে সঙ্গে অসি নিয়ে বিয়ের মণ্ডপে এসেছিলেন অভিনেতা। ইনস্টাগ্রাম থেকে
খাঁটি দক্ষিণি নিয়ম মেনে বিয়ে সেরেছেন তারকা যুগল। তেলেগু ও কোডাভা নিয়মে বিয়ে সারেন তাঁরা। ছবি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই আলোচনার শীর্ষে তাঁদের দুজনের সাজপোশাক। এককথায় রাজবেশে বিয়ে সেরেছেন বিজয়। প্রথা মেনে সঙ্গে অসি নিয়ে বিয়ের মণ্ডপে এসেছিলেন অভিনেতা। ইনস্টাগ্রাম থেকে
তারকা জুটির বিয়ের মেনু থেকে ভেন্যু সবখানেই ছিল আদ্যোপান্ত দক্ষিণ ভারতীয় ছোঁয়া। তাঁদের বিয়ের মণ্ডপ সেজেছিল তামিলনাড়ু সংস্কৃতির ধাঁচে। ইনস্টাগ্রাম থেকে
তারকা জুটির বিয়ের মেনু থেকে ভেন্যু সবখানেই ছিল আদ্যোপান্ত দক্ষিণ ভারতীয় ছোঁয়া। তাঁদের বিয়ের মণ্ডপ সেজেছিল তামিলনাড়ু সংস্কৃতির ধাঁচে। ইনস্টাগ্রাম থেকে
কলকাতার মেয়ে অনামিকা খান্নার ডিজাইন করা পোশাকে সেজেছিলেন রাশমিকা ও বিজয়। পুরোনো রীতি মেনে পালকি চড়ে লাজে রাঙা বউ হয়ে বিয়ের মণ্ডপে আসেন রাশমিকা। ইনস্টাগ্রাম থেকে
কলকাতার মেয়ে অনামিকা খান্নার ডিজাইন করা পোশাকে সেজেছিলেন রাশমিকা ও বিজয়। পুরোনো রীতি মেনে পালকি চড়ে লাজে রাঙা বউ হয়ে বিয়ের মণ্ডপে আসেন রাশমিকা। ইনস্টাগ্রাম থেকে
বিয়েতে ভারী গয়না থেকে শাড়ি, হেয়ারস্টাইলে নজর কেড়েছেন রাশমিকা। এমনকি বিয়ের মণ্ডপের অন্দরসজ্জায় একই সঙ্গে জায়গা পেয়েছে পিতলের নানা মূর্তি। সঙ্গে নজর কেড়েছে লাল বস্ত্রে সংক্ষেপে উল্লিখিত জুটির নামের আদ্যাক্ষর। ইনস্টাগ্রাম থেকে
বিয়েতে ভারী গয়না থেকে শাড়ি, হেয়ারস্টাইলে নজর কেড়েছেন রাশমিকা। এমনকি বিয়ের মণ্ডপের অন্দরসজ্জায় একই সঙ্গে জায়গা পেয়েছে পিতলের নানা মূর্তি। সঙ্গে নজর কেড়েছে লাল বস্ত্রে সংক্ষেপে উল্লিখিত জুটির নামের আদ্যাক্ষর। ইনস্টাগ্রাম থেকে
আতিশয্য নয়, বরং শিকড় আঁকড়েই বিয়ের সমগ্র নিয়ম পালন করেছেন বিজয় ও রাশমিকা। তাঁদের বিয়ের দিনের অদেখা ছবিতে ফুটে উঠেছে তাঁদের বিয়ের ভেন্যুর ঐতিহ্যপূর্ণ সাজসজ্জা। ইনস্টাগ্রাম থেকে
আতিশয্য নয়, বরং শিকড় আঁকড়েই বিয়ের সমগ্র নিয়ম পালন করেছেন বিজয় ও রাশমিকা। তাঁদের বিয়ের দিনের অদেখা ছবিতে ফুটে উঠেছে তাঁদের বিয়ের ভেন্যুর ঐতিহ্যপূর্ণ সাজসজ্জা। ইনস্টাগ্রাম থেকে
ঠিক যেমনভাবে চেয়েছিলেন সেভাবেই সেজেছিল বিজয়-রাশমিকা ছাঁদনাতলা। তাঁদের পছন্দের কথা মাথায় রেখে সাজানো হয়েছিল উদয়পুরের বিবাহবাসর। ইনস্টাগ্রাম থেকে
ঠিক যেমনভাবে চেয়েছিলেন সেভাবেই সেজেছিল বিজয়-রাশমিকা ছাঁদনাতলা। তাঁদের পছন্দের কথা মাথায় রেখে সাজানো হয়েছিল উদয়পুরের বিবাহবাসর। ইনস্টাগ্রাম থেকে
তবে উদয়পুরের পাঁচতারা হোটেলের নিজস্ব সৌন্দর্য অক্ষুণ্ণ রেখেই সাজানো হয়েছিল ছাঁদনাতলা। বিজয়ের পছন্দ অনুযায়ী টেরাকোটার একাধিক জিনিস দিয়ে সাজানো হয়েছিল বিয়ের ভেন্যুর আনাচকানাচ। যেখানে জায়গা করে নিয়েছিল অ্যাস্থেটিক লুকের ডমরু, ঘুঙুরের মতো নানা সামগ্রী। ইনস্টাগ্রাম থেকে
তবে উদয়পুরের পাঁচতারা হোটেলের নিজস্ব সৌন্দর্য অক্ষুণ্ণ রেখেই সাজানো হয়েছিল ছাঁদনাতলা। বিজয়ের পছন্দ অনুযায়ী টেরাকোটার একাধিক জিনিস দিয়ে সাজানো হয়েছিল বিয়ের ভেন্যুর আনাচকানাচ। যেখানে জায়গা করে নিয়েছিল অ্যাস্থেটিক লুকের ডমরু, ঘুঙুরের মতো নানা সামগ্রী। ইনস্টাগ্রাম থেকে
 এমনকি দক্ষিণ ভারতীয় বিয়েতে পাত্র-পাত্রীর মাঝে একটি বিশেষ ধরনের কাপড় ধরা হয়, যা ‘আদ্দুত্তেরা’ নামে পরিচিত। বিরোশ-এর বিয়েতে সেই বিশেষ কাপড়েও বিশেষ কারুকার্যের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল বিভিন্ন মন্ত্র। ইনস্টাগ্রাম থেকে
এমনকি দক্ষিণ ভারতীয় বিয়েতে পাত্র-পাত্রীর মাঝে একটি বিশেষ ধরনের কাপড় ধরা হয়, যা ‘আদ্দুত্তেরা’ নামে পরিচিত। বিরোশ-এর বিয়েতে সেই বিশেষ কাপড়েও বিশেষ কারুকার্যের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল বিভিন্ন মন্ত্র। ইনস্টাগ্রাম থেকে
অনাড়ম্বরভাবে, নিজেদের সংস্কৃতির যথাযথ মর্যাদা রেখেই বিয়ের সব পরিকল্পনা করেছিলেন বিজয় ও রাশমিকা। মেনু থেকে ভেন্যু সবখানেই তাই নিজেদের শিকড়কে বরাবর আঁকড়ে ছিলেন তাঁরা, যা তাঁদের বিয়েকে রূপকথার গল্পে পরিণত করেছে। ইনস্টাগ্রাম থেকে
অনাড়ম্বরভাবে, নিজেদের সংস্কৃতির যথাযথ মর্যাদা রেখেই বিয়ের সব পরিকল্পনা করেছিলেন বিজয় ও রাশমিকা। মেনু থেকে ভেন্যু সবখানেই তাই নিজেদের শিকড়কে বরাবর আঁকড়ে ছিলেন তাঁরা, যা তাঁদের বিয়েকে রূপকথার গল্পে পরিণত করেছে। ইনস্টাগ্রাম থেকে
‘গীতা গোবিন্দাম’ সিনেমা দিয়ে জুটি হিসেবে যাত্রা শুরু করেন দুই তারকা, বিয়ের মাধ্যমে রাশমিকা ও বিজয়ের আট বছরের সম্পর্ক পূর্ণতা পেল। ইনস্টাগ্রাম থেকে
‘গীতা গোবিন্দাম’ সিনেমা দিয়ে জুটি হিসেবে যাত্রা শুরু করেন দুই তারকা, বিয়ের মাধ্যমে রাশমিকা ও বিজয়ের আট বছরের সম্পর্ক পূর্ণতা পেল। ইনস্টাগ্রাম থেকে

দাম্পত্য কলহ ও পরকীয়ার জেরে আত্মহত্যা করা অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইভনাথ খান ইকরাকে ময়মনসিংহের ভালুকার রানদিয়া গ্রামে নানাবাড়িতে দাফন করা হয়েছে।

রোববার (১ মার্চ) বাদ মাগরিব জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়। এ সময় স্বজনদের কান্নায় থমথমে হয়ে ওঠে পরিবেশ।

দাফনের আগে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গে ইকরার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। দুপুর ২টায় ময়নাতদন্ত শেষ হলে মরদেহ নিয়ে ঢাকার বাসা থেকে ভালুকার উদ্দেশে রওনা হন স্বজনরা।

দাফনের সময় উপস্থিত হতে পারেনি ইকরার স্বামী ও অভিনেতা আলভী। বর্তমানে একটি নাটকের শুটিংয়ে নেপালে অবস্থান করছেন তিনি। স্ত্রীর করুণ মৃত্যুর পরও কেন তিনি দেশে পৌঁছাতে পারেননি, তা নিয়ে নেটদুনিয়ায় শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। তবে অভিনেতা জানিয়েছেন, ঢাকার ফ্লাইটের টিকিট না পাওয়ার কারণেই দ্রুত রওনা হতে পারেননি তিনি।

এদিকে স্ত্রীর আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে অভিনেতা জাহের আলভীকে প্রধান আসামি করে মামলা হয়েছে। একই মামলায় অভিনেত্রী তিথি ও অভিনেতার মাকেও আসামি করা হয়েছে। রাজধানীর পল্লবী থানায় ইকরার মামা শেখ তানভীর আহমেদ বাদী হয়ে মামলাটি করেন।অভিযোগে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগীকে বিভিন্নভাবে মানসিক চাপ ও নির্যাতনের মাধ্যমে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। মামলার বিষয়টি সময় সংবাদকে নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম আলমগীর জাহান।

২০১০ সালে ভালোবেসে ঘর বেঁধেছিলেন আলভী-ইকরা। তাদের ঘরে রয়েছে এক পুত্রসন্তান। তবে দীর্ঘ ১৫ বছরের দাম্পত্যে স্বামীর পরকীয়া ও মানসিক নির্যাতনে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন ইকরা। সামাজিক মাধ্যমে ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে ইকরার ব্যক্তিগত চ্যাট নেটদুনিয়ায় ফাঁস হওয়ার পর বিষয়টি ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে দেশজুড়ে।