• ১১০ রান করেও বড় জয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ

    পুরো ২০ ওভার খেলে বাংলাদেশ নারী ‘এ’ দল করতে পেরেছিল ৮ উইকেটে ১১০ রান। যে কোনো ধরনের টি–টুয়েন্টি ক্রিকেটেই রানটা কম। জিতলেও কঠিন লড়াই হওয়ার কথা। কিন্তু পাকিস্তান নারী ‘এ’ দলের বিপক্ষে এই রান নিয়ে জিততে কোনো কষ্টই হয়নি বাংলাদেশের।

    ব্যাংককে পাকিস্তানকে মাত্র ৫৬ রানে অলআউট করে ৫৪ রানের বড় জয় পেয়েছে ফাহিমা খাতুনের দল। এই জয়ে এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ নারী ‘এ’ দল।

    অল্প রান তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল পাকিস্তান। প্রথম ৬ ওভারে ২১ রান তুলতে হারায় ২ উইকেট। পাওয়ার প্লের পর বোলিংয়ে এসে দলটিকে আরও চাপে ফেলেন অধিনায়ক ফাহিমা।

    নিজের প্রথম ২ ওভারে মাত্র ৪ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন ফাহিমা। এ সময় পাকিস্তান উইকেট হারায় রানআউটেও। মাত্র ৩০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে তখনই ম্যাচ থেকে একপ্রকার ছিটকে যায় পাকিস্তান। পরের ৫ উইকেটে ২৬ রানের বেশি করতে পারেনি তারা। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সানজিদা আক্তার ৩.৪ ওভারে ৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন।

    এর আগে ব্যাট হাতে বাংলাদেশের রান তিন অঙ্কে নিতে মূল ভূমিকা রাখেন অধিনায়ক ফাহিমা। ৩২ বলের ইনিংসে ৫ চারে ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। আর কোনো ব্যাটার ২০ রানও করতে পারেননি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০ বলে ১৫ রান করেন শারমিন সুলতানা। ৬ ব্যাটারকে সাজঘরে ফিরতে দেখা ফাহিমা একপ্রান্ত আগলে রেখে দলের রানের চাকা সচল রাখেন। সেই রানে শেষ পর্যন্ত জয়ও এসেছে। ব্যাট–বলের পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরা হয়েছেন ফাহিমা।

    রোববার ভারত ‘এ’ নারী দলের বিপক্ষে ফাইনালে নামবে বাংলাদেশ ‘এ’ দল।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর:
    বাংলাদেশ নারী ‘এ’ দল: ২০ ওভারে ১১০/৮ (ফাহিমা ৩২, শারমিন ১৫, শামীমা ১৩; হাফসা ২/২৫)।
    পাকিস্তান নারী ‘এ’ দল: ১৬.৪ ওভারে ৫৬/১০ (শাওয়াল ১৪, , হাফসা ১২; সানজিদা ৩/৬, ফাহিমা ২/৬)।
    ফল: বাংলাদেশ নারী ‘এ’ দল ৫৪ রানে জয়ী।

  • ১২ কেজি এলপিজির দাম একলাফে বাড়ল ৩৮৭ টাকা

    ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম এপ্রিলে প্রতি কেজিতে বেড়েছে ৩২ টাকা ৩০ পয়সা। এতে বাজারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম হয়েছে ১ হাজার ৭২৮ টাকা। গত মাসে দাম ছিল ১ হাজার ৩৪১ টাকা। তার মানে, ১২ কেজিতে দাম বেড়েছে ৩৮৭ টাকা।

    আজ বৃহস্পতিবার নতুন দাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন দাম আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে। এর আগে ফেব্রুয়ারির শুরুতে ১২ কেজি এলপিজির দাম নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৩৫৬ টাকা। এরপর এলপিজির আমদানি শুল্ক কমানোর পর ২৪ ফেব্রুয়ারি দাম সমন্বয় করে ১৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৪১ টাকা করা হয়।

    বিইআরসি বলছে, বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়। এখন থেকে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১৪৪ টাকা ৪ পয়সা। এই হিসাবে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে।

    সংস্থাটি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। তবে বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে। অভিযোগ আছে, প্রতি সিলিন্ডারে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা বেশি দাম নিচ্ছেন এলপিজি বিক্রেতারা।

    সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) দাম প্রতি লিটার ৭৯ টাকা ৭৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে দাম ছিল ৬১ টাকা ৮৩ পয়সা।

    ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত। এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি।

  • ১২ কেজির এলপিজির দাম বাড়ল ৫০ টাকা

    ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কেজিতে বাড়ল ৪ টাকা ২১ পয়সা।

    চলতি জানুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৩৫৬ টাকা। গত মাসে (ডিসেম্বর ২০২৫) দাম ছিল ১ হাজার ৩০৬ টাকা। অর্থাৎ জানুয়ারিতে ১২ কেজিতে দাম বেড়েছে ৫০ টাকা। গত মাসে দাম বেড়েছিল ৫৩ টাকা।

    আজ সোমবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই নতুন দাম ঘোষণা করেন। আজ সন্ধ্যা ছয়টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

    সংস্থাটি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। তবে বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে। তবে গত এক মাস ধরে এলপিজির সরবরাহ–সংকট চলছে। প্রতি সিলিন্ডারে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা বেশি দাম নিচ্ছেন এলপিজি বিক্রেতারা।

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, দাম নির্ধারণের কারণেই বাড়তি দামের বিষয়টি বোঝা যায়। কমিশন আইন অনুসারে দাম ঘোষণা করছে। বাজারে সরবরাহ কম থাকায় বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। আমদানি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।

    বিইআরসির নতুন দর অনুযায়ী, বেসরকারি এলপিজির মূল্য সংযোজন করসহ (মুসক/ভ্যাট) দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি ১১৩ টাকা ৪ পয়সা। গত মাসে তা ছিল ১০৮ টাকা ৮৩ পয়সা। অর্থাৎ এই মাসে দাম কেজিতে বেড়েছে ৪ টাকা ৪২ পয়সা।

    এই হিসাবে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে। বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়।

    সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) দাম প্রতি লিটার ৬২ টাকা ১৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত মাসে তা ছিল ৫৯ টাকা ৮০ পয়সা।

    ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত।

    এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি।

  • ১৩ ছক্কার ইনিংসে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড হাবিবুরের

    ৬ দিন আগেই দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড ছুঁয়েছিলেন হাবিবুর রহমান। এবার তিনিই ভাঙলেন ৫০ ওভার ক্রিকেটে বাংলাদেশের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড। আজ ইউল্যাব মাঠে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে সিটি ক্লাবের বিপক্ষে মাত্র ৪৫ বলে সেঞ্চুরি করেছেন লিজেন্ড অব রূপগঞ্জের হাবিবুর।

    আজকের আগেও লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড যৌথভাবে হাবিবুরেরই ছিল, তাঁর সমান ৪৯ বলে সেঞ্চুরি ছিল মোসাদ্দেক হোসেনেরও। আজ ৪৫ বলে সেঞ্চুরি করে সেই রেকর্ড একার করে নিয়েছেন হাবিবুর।

    গত সপ্তাহে মোহামেডানের বিপক্ষে ১৫ বলে ফিফটি করেছিলেন হাবিবুর। সে ম্যাচে নাহিদ রানার ওভারে ২৬ আর তাসকিন আহমেদের ওভারে নিয়েছিলেন ২৫ রান। আজ অবশ্য শুরুটা এত আক্রমণাত্মক ছিল না। প্রথম ৯ বলে হাবিবুরের রান ছিল মাত্র ৬।

    ইনিংসের চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে নিহাদ উজ জামানকে চার মেরে বাউন্ডারির খাতা খোলেন, পরের বলেই মারেন ছক্কা। এক ওভার পর নিহাদ আবার বোলিংয়ে এলে নেন ২২ রান। ২৬ বলে হাবিবুর পেয়ে যান ফিফটি।

    পঞ্চাশ পেরোনোর পর আরও বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ১৯ বলে তুলে নেন পরের পঞ্চাশ।

    ২০২৩ সালের বিসিএলে ৪৯ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন হাবিবুরের। আর চলতি মৌসুমেই আবাহনীর হয়ে এই সিটি ক্লাবের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেছেন মোসাদ্দেক।

    ৫৮ বলে ১৩০ রান করে আবদুল্লাহ আল মামুনের বলে ক্যাচ দেওয়ার আগে ইনিংসে ১৩টি ছক্কা ও ৮টি চার মারেন হাবিবুর। লিস্ট ‘এ’–তে এক ম্যাচে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড এটি। ২০১৯ সালে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে সৌম্য সরকারের মারা ১৯ ছক্কা সর্বোচ্চ।

    শুধু লিস্ট ‘এ’–তে নয়, বাংলাদেশিদের মধ্যে টি-টুয়েন্টিতেও দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি হাবিবুরেরই। গত বছর রাইজিং স্টারস এশিয়া কাপে হংকং চায়নার বিপক্ষে ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে। সেটি সব সংস্করণ মিলিয়েই বাংলাদেশের সবচেয়ে দ্রুততম।

  • ১৪ বছর পর এভারেস্ট অভিযানে যাচ্ছেন বাংলাদেশি নারী অভিযাত্রী

    ২০১২ সালে এক সপ্তাহের ব্যবধানে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্ট জয় করে ইতিহাস গড়েছিলেন বাংলাদেশি দুই নারী নিশাত মজুমদার ও ওয়াসফিয়া নাজরীন। এরপর দীর্ঘ ১৪ বছর আর কোনো বাংলাদেশি নারীকে দেখা যায়নি এভারেস্ট অভিযানে। সেই বিরতি ভাঙতে যাচ্ছেন পর্বতারোহী নুরুন্নাহার নিম্নি। তাঁর এভারেস্ট–যাত্রা, প্রস্তুতি ও স্বপ্ন নিয়ে কথা বলেছেন সজীব মিয়া

    এভারেস্ট–যাত্রা কবে শুরু হচ্ছে?

    আমি ঢাকা থেকে নেপালের উদ্দেশে রওনা দেব ১১ এপ্রিল। কাঠমান্ডু থেকে লুকলা হয়ে পরে যাব এভারেস্ট বেজক্যাম্প। নেপালের এইটকে এক্সডিশনের সঙ্গে আমার এই অভিযান প্রায় ৫০ দিনের। সাধারণত মে মাসের ১৫ থেকে ২৩ তারিখের মধ্যে সামিট (শৃঙ্গে আরোহণের অভিযান) হয়ে থাকে।

    দীর্ঘদিন বাংলাদেশি নারীদের এভারেস্ট অভিযান হয়নি

    হ্যাঁ, ২০১২ সালের পর দেশ থেকে আর কোনো নারী এভারেস্ট অভিযানে যাননি। তবে এমন নয় যে নারী পর্বতারোহী তৈরি হয়নি, মূলত পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে সেই অভিযানগুলো বাস্তবায়িত হয়নি।

    আর একটি বিষয় অস্বীকার করার সুযোগ নেই। ঘরে-বাইরে, সামাজিক ও প্রাকৃতিক নানা বাস্তবতায় মেয়েদের এগিয়ে যেতে বাড়তি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। শারীরিক দিক থেকেও কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে। সব মিলিয়ে পথটা সহজ নয়। সে জায়গা থেকে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি। কারণ, আমি প্রয়োজনীয় সমর্থন পেয়েছি।

    পর্বতে নুরুন্নাহার নিম্নি
    পর্বতে নুরুন্নাহার নিম্নি, ছবি: বিএমটিসি

    এভারেস্ট জয়ের স্বপ্ন কবে থেকে দেখছেন

    খুব বেশি দিন নয়। পাহাড়ের প্রতি আমার মায়া বেড়েছে ধীরে ধীরে।

    ২০০৬ সালের কথা। তখন আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগে প্রথম বর্ষে পড়ি। ফিল্ডওয়ার্কে সীতাকুণ্ডে গিয়েছিলাম। চন্দ্রনাথ পাহাড়ের ওপরে উঠে মনে হয়েছিল, আমি যেন এভারেস্টে উঠেছি! সেখান থেকেই পাহাড়ের প্রতি আলাদা একটি টান তৈরি হয়।

    বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের বেশির ভাগ সময়ই বান্দরবানের পাহাড়ে ঘুরেছি। আমার বাড়ি রংপুরে; কিন্তু ছুটিতে যতবার না বাড়ি গেছি, তার চেয়ে বেশি গেছি পাহাড়ে।

    পরে চাকরিজীবনে জড়িয়ে পড়লেও সেই টান কমেনি; বরং বেড়েছে। ভুটানের পাহাড়, ভারতের সিকিমের পাহাড়, শেষে গেলাম নেপালে। ২০১৯ সালে নেপালের অস্ট্রেলিয়ান ক্যাম্পে ঘুরে এসে মনে হলো, আরও উঁচুতে যাওয়া দরকার।

    পরের বছর এভারেস্ট বেজক্যাম্প ট্রেক করি। সেই অভিজ্ঞতাই আমাকে নতুন করে ভাবায়। তখনই বুঝলাম, শুধু ট্রেকিং নয়, পর্বতারোহণে সিরিয়াসভাবে এগোতে হবে। এর পরই প্রশিক্ষণ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।

    হিমলুং হিমাল অভিযানে নুরুন্নাহার নিম্নি
    হিমলুং হিমাল অভিযানে নুরুন্নাহার নিম্নি, ছবি: অভিযাত্রীর ফেসবুক থেকে

    কোথায় প্রশিক্ষণ নিলেন

    ২০২২ সালে ভারতের দার্জিলিংয়ে অবস্থিত হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে। পর্বতারোহণের মৌলিক প্রশিক্ষণ নিয়েছি। এরপর প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে ভারতে পর্বতারোহণও করি। সেই সময় থেকেই আমার আনুষ্ঠানিক পর্বতারোহণ শুরু। একই বছর বাংলা মাউন্টেইনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকিং ক্লাব-বিএমটিসির সঙ্গেও যুক্ত হই।

    এরপর?

    এরপর প্রতিবছরই পর্বতারোহণের মৌসুমে পর্বতে গিয়েছি। গত বছর ৭ হাজার ১২৬ মিটার হিমলুং হিমাল পর্বতশৃঙ্গে আরোহণ করেছি।

    এবার যাচ্ছেন বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছুঁতে…

    জি, এবার এভারেস্ট অভিযানে।

    আমার এই স্বপ্ন পূরণে পূবালী ব্যাংক পিএলসির কথা বলতেই হয়। পড়াশোনা শেষে এই ব্যাংকে আমার চাকরির জীবন শুরু হয়েছিল। বর্তমানে প্রিন্সিপাল অফিসার হিসেবে জেনারেল ব্যাংকিংয়ে দায়িত্ব পালন করছি। আমার প্রতিষ্ঠান আমাকে স্পনসর করেছে। এই সহযোগিতা আমার জন্য সত্যিই সৌভাগ্যের।

  • ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগে জরুরি নির্দেশনা

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ এর আওতায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীর পূর্ব কার্যকলাপ, কাগজপত্র ও ডকুমেন্টস যাচাইয়ে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

    রোববার (১০ মে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি ও অপারেশন বিভাগের সহকারী পরিচালক (নিয়োগ) আইরিন পারভীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়াধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ এর নিয়োগযোগ্য শূন্য পদে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের পূর্ব কার্যকলাপ এবং ডকুমেন্টস ও কাগজপত্র যাচাইয়ের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫ এ প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীর পুলিশি তদন্তের মাধ্যমে তাদের পূর্ব কার্যকলাপ যাচাই করতে হবে। একই সঙ্গে তাদের জমা দেওয়া ডকুমেন্টস ও কাগজপত্রের সত্যতাও যাচাই করা হবে।

    এ অবস্থায় সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

     

  • ১৫ বছর বয়সেই বিশ্ব রেকর্ড, আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে অভিষেকেই সেঞ্চুরি

    আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে অভিষেক ম্যাচ, সেই ম্যাচেই সেঞ্চুরি! সেটাও মাত্র ৫৯ বলে। এখানেই শেষ নয়, যিনি সেঞ্চুরি করেছেন, তাঁর বয়স মাত্র ১৫ বছর ২২৩ দিন!

    অবিশ্বাস্য এই কীর্তি গড়েছেন রুয়ান্ডার নারী ক্রিকেট দলের ওপেনার ফ্যানি উতাগুশিমানিন্দে। গতকাল নাইজেরিয়ার লাগোসে ঘানার বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি অভিষেকেই সেঞ্চুরি করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন এই বিস্ময় বালিকা। আন্তর্জাতিক টি–টুয়েন্টিতে সেঞ্চুরি করা সবচেয়ে কম বয়সী নারী ক্রিকেটার এখন উতাগুশিমানিন্দে।

    ৬৫ বলে অপরাজিত ১১১ রানের এই দুর্দান্ত ইনিংসে বাউন্ডারির ফুলঝুরি ছুটিয়ে উতাগুশিমানিন্দে রুয়ান্ডাকে এনে দিয়েছেন ১২২ রানের বিশাল জয়ও। সেঞ্চুরি করতে তাঁর লেগেছে মাত্র ৫৯ বল!
    এর আগে নারীদের আন্তর্জাতিক টি–টুয়েন্টিতে সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরিয়ান ছিলেন উগান্ডার প্রসকোভিয়া আলাকো। ২০১৯ সালে মালির বিপক্ষে যখন তিনি সেঞ্চুরি করেন, তাঁর বয়স ছিল ১৬ বছর ২৩৩ দিন।

    শুধু তা–ই নয়, নারী টি-টুয়েন্টিতে অভিষেকে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটিও এখন উতাগুশিমানিন্দের দখলে। ২০০৫ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার কারেন রোলটনের ৯৬ রানের রেকর্ডটি প্রায় দুই দশক পর ভেঙে দিলেন এই আফ্রিকান কিশোরী। ছেলেদের ক্রিকেটে সর্বকনিষ্ঠ সেঞ্চুরিয়ান ফ্রান্সের গুস্তাভ ম্যাককিওন, যাঁর বয়স ছিল ১৮ বছর ২৮০ দিন। অর্থাৎ নারী-পুরুষ মিলিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে এখন কনিষ্ঠতম সেঞ্চুরিয়ান উতাগুশিমানিন্দে।

    উতাগুশিমানিন্দের এই উঠে আসার গল্পটাও দারুণ। লর্ডসের বিখ্যাত মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি) ফাউন্ডেশনের একটি স্কুল প্রোগ্রামের হাত ধরে তাঁর হাতে ক্রিকেটের খড়ি। রূপকথার মতো এই অভিষেক শেষে বিবিসি স্পোর্টসকে ফ্যানি উতাগুশিমানিন্দে বলেছেন, ‘এটা আমার কাছে স্বপ্নের মতো। ১৫ বছর বয়সে অভিষেকেই এমন কিছু পাব ভাবিনি। এই অর্জন আমার কঠোর পরিশ্রম আর আত্মবিশ্বাসের ফল।’

    রুয়ান্ডার কোচ লিওনার্ড নাম্বুরোও বেশ উচ্ছ্বসিত। তাঁর কথা, ‘এই পারফরম্যান্স তার কঠোর পরিশ্রম আর নিবেদনের প্রমাণ। বছরের পর বছর ত্যাগ আর একাগ্রতার ফল এটা। রুয়ান্ডায় উন্নয়নমূলক ক্রিকেট কীভাবে এগোচ্ছে, সেটারও বড় উদাহরণ।’

  • ১৫ শতাংশ শিল্পকারখানায় এখনো ঈদ বোনাস বাকি

    ঈদের বাকি আর দুই দিন। অথচ আজ সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত প্রায় ১৫ শতাংশ শিল্পকারখানা শ্রমিকদের ঈদ বোনাস পরিশোধ করেনি। এমনকি দেড় শতাংশ শিল্পকারখানা গত এপ্রিলের বেতনও দেয়নি। প্রায় ১০ হাজার শিল্পকারখানা তদারক করে এমন তথ্য জানিয়েছে শিল্প পুলিশ।

    সাভার-আশুলিয়া, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট—এই আট শিল্পাঞ্চলের ১০ হাজার ২৩৮টি শিল্পকারখানা পর্যবেক্ষণ করছে শিল্প পুলিশ। সংস্থাটি আজ সন্ধ্যায় জানায়, বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ৮ হাজার ৭৩৮টি শিল্পকারখানা ঈদ বোনাস দিয়েছে। তবে ১ হাজার ৫০০টি বা ১৪ দশমিক ৬৫ শতাংশ শিল্পকারখানার বোনাস বাকি রয়েছে। এ ছাড়া ১৬২টি বা ১ দশমিক ৫৮ শতাংশ শিল্পকারখানার গত এপ্রিল মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে।

    দেশের সব কারখানায় শ্রমিকদের ঈদ বোনাস ২১ মের মধ্যে এবং মাসিক বেতন নির্ধারিত তারিখে আবশ্যিকভাবে পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। ১৪ মে ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদ (টিসিসি) এবং আরএমজি–বিষয়ক ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

    শিল্প পুলিশের তদারকিতে থাকা শিল্পকারখানার মধ্যে তৈরি পোশাক খাতের রয়েছে ৩ হাজার ২৭০টি। এর মধ্যে সাড়ে ১২ শতাংশ কারখানা ঈদ বোনাস দেয়নি। ২ দশমিক ৮১ শতাংশ কারখানায় গত এপ্রিল মাসের বেতন-ভাতা বাকি রয়েছে।

    তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সদস্য ১ হাজার ৭৯০টি পোশাক কারখানা তদারক করে শিল্প পুলিশ জানিয়েছে, আজ বিকেল ৪টা পর্যন্ত ১ হাজার ৫৭০টি কারখানা শ্রমিকদের ঈদ বোনাস দিয়েছে। তবে ২২০টি বা ১২ শতাংশ কারখানার বোনাস বাকি রয়েছে। ৪৭টি কারখানা এপ্রিলের বেতন পরিশোধ করেনি।

    তবে শিল্প পুলিশের তথ্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান জানান, বর্তমানে তাঁদের সংগঠনের সদস্য মাত্র তিনটি কারখানায় বেতন ও বোনাস পরিশোধ নিয়ে সমস্যা রয়েছে। সেগুলো সমাধানের চেষ্টা চলছে। বাকি কারখানাগুলো কাল মঙ্গলবারের মধ্যে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করে ছুটি দেবে।

    নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সদস্য ৭৮০টি কারখানা তদারক করে শিল্প পুলিশ জানিয়েছে, আজ বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৫৮২টি কারখানা ঈদ বোনাস দিয়েছে। তবে ১২৬টি বা ১৭ দশমিক ১৮ শতাংশ কারখানার বোনাস বাকি রয়েছে। ২৮টি কারখানা এখনো গত মাসের বেতন দেয়নি।

    বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানান, তাঁদের সদস্য শতভাগ কারখানা গত মাসের বেতন দিয়েছে। ৮৩ শতাংশ কারখানা চলতি মাসের আংশিক অগ্রিম বেতনও দিয়েছে। অল্প কিছু কারখানায় বোনাস বাকি থাকলেও সেগুলো মঙ্গলবারের মধ্যে পরিশোধ করা হবে। তিনি বলেন, অধিকাংশ কারখানা ১০ থেকে ১১ দিন ছুটি দিচ্ছে।

    ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের সুবিধার্থে সরকার রপ্তানি প্রণোদনার অর্থ ছাড় করেছে। শুধু তৈরি পোশাক খাতের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ২ হাজার ৯০০ কোটি টাকা দিয়েছে। পাট খাত পেয়েছে ২০০ কোটি টাকা। শেষ দিকে আরও কয়েকটি খাত রপ্তানি প্রণোদনার অর্থ পেয়েছে।

    শ্রমিকনেতা বাবুল আখতার বলেন, প্রতি ঈদেই তৈরি পোশাকশিল্পের একাংশ শ্রমিক বেতন-ভাতা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় থাকেন। শ্রম আইনে দুটি উৎসব ভাতা দেওয়ার বিধান রয়েছে। নির্ধারিত সময়ে বোনাস না দেওয়া আইন লঙ্ঘনের শামিল। তিনি বলেন, যেসব কারখানা ঈদের আগে বোনাস দেবে না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ডিআইএফইকে সরকারের নির্দেশ দেওয়া উচিত।

  • ১৭৯ রানের লিড নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করল বাংলাদেশ

    চতুর্থ দিনের খেলা শেষে...

    আলোক–স্বল্পতায় আজও খেলা শেষ হলো আগে। চতুর্থ দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশের লিড ১৭৯ রানের।

    নাজমুল ৫৮ ও মুশফিক ১৬ রান নিয়ে কাল দিনের খেলা শুরু করবেন।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর

    বাংলাদেশ: ৪১৩ ও ৫০.৩ ওভারে ১৫২/৩ (নাজমুল ৫৮*, মুমিনুল ৫৬; হাসান ১/২৩, আব্বাস ১/৩৫)

    পাকিস্তান ১ম ইনিংস: ৩৮৬

    বাংলাদেশের লিড এখন ১৭৯

    বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ১৫২/৩ ও ৪১৩। পাকিস্তান ১ম ইনিংস: ৩৮৬।

    এবার মুশফিককে নিয়ে জুটি গড়েছেন নাজমুল। বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক ৫৮ রানে ব্যাটিং করছেন, মুশফিক ১৬ রানে।

  • ২ গোল আর ৩ লাল কার্ড, দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে মেক্সিকোর উড়ন্ত সূচনা

    কথায় আছে, ‘সকাল দেখেই বোঝা যায়, দিনটা কেমন যাবে।’ তো, এবার বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচেই দেখা গেল ৩ লাল কার্ড। টুর্নামেন্ট শেষে লাল কার্ডের ‘বোঝা’ কতটা ভারী হবে কে জানে!

    উত্তর সময়ের হাতে। তবে আজতেকা স্টেডিয়ামে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ম্যাচ শেষেই এই প্রশ্ন উঠে গেছে। তার কারণ, চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপে ৩২ দলের মোট ৬৪ ম্যাচে লাল কার্ড দেখা গিয়েছিল মাত্র ৪টি। তার চার বছর আগে একই সংস্করণের ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপেও লাল কার্ড ছিল ৪টি। এবার ৪৮ দলের বিশ্বকাপে ম্যাচসংখ্যা ১০৪টি। বিশ্বকাপে এক আসরে সর্বোচ্চ লাল কার্ডের রেকর্ডটি ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি তাই উঁকি দিচ্ছে এখনই।

    সেটা না হয় দিক, এরই মধ্যে কিন্তু ভেঙে গেছে বিশ্বকাপের ইতিহাসে উদ্বোধনী ম্যাচে সর্বোচ্চ লাল কার্ডের রেকর্ড। ১৯৯০ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে চমকে দেওয়া ‘আফ্রিকার অদম্য সিংহ’ ক্যামেরুনের দখলে এত দিন ছিল রেকর্ডটি। সে ম্যাচে লাল কার্ড দেখেন ক্যামেরুনের আন্দ্রে কানা-বিয়িক ও বেনজামিন ম্যাসিং।

    আজতেকায় এবারের বিশ্বকাপে উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মেক্সিকোর ২-০ গোলে জয়ের ম্যাচে পেছনে পড়ল ৩৬ বছর আগের সেই রেকর্ড। মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকার ‘যৌথ প্রযোজনা’য় লাল কার্ড দেখা গেল ৩টি। দক্ষিণ আফ্রিকার দুই মিডফিল্ডার স্ফেফেলো সিথোলে ও থেম্বা জেওয়ানে লাল কার্ড দেখেন। মেক্সিকোর সেজার মন্তেস এরপর লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন।

    মেক্সিকোর মন্তেসকে লাল কার্ড দেখাচ্ছেন রেফারি
    মেক্সিকোর মন্তেসকে লাল কার্ড দেখাচ্ছেন রেফারি
     

    তবে জেওয়ানের লাল কার্ডটা মেনে নিতে পারেননি দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ হুগো ব্রুস। মেক্সিকোর রক্ষণভাগে আক্রমণে উঠে স্বাগতিক ডিফেন্ডার রবার্তো আলভারাদোকে ছাড়াতে গিয়ে হাত ব্যবহার করেন জেওয়ানে। ভিএআর দেখে রেফারি উইলটন সাম্পাইও লাল কার্ড দেখান জেওয়ানকে। ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের ব্রুস বলেন, ‘দ্বিতীয়টি (লাল কার্ড) নিয়ে আমরা কথা বলতে পারি। মেক্সিকান খেলোয়াড়ই আমার খেলোয়াড়কে বাধা দিয়েছিল। রেফারি তার সিদ্ধান্ত দিয়েছেন এবং আমাদের সেটা মেনে নিতে হবে। কিন্তু আমার মনে হয় না (লাল কার্ড ছিল)। ওটা লাল কার্ড নাও দেওয়া যেত।’

    বিশ্বকাপে এক ম্যাচে ন্যূনতম তিন বার তার বেশি লাল কার্ড দেখা গেছে সাতবার। এর মধ্যে প্রথম দুটি ঘটনাই কোয়ার্টার ফাইনালে—১৯৩৮ বিশ্বকাপে ‘ব্যাটল অব বোর্দো’খ্যাত ব্রাজিল ও সাবেক চেকোশ্লোভাকিয়ার ম্যাচে ৩ লাল কার্ড দেখা যায়। ১৬ বছর পর ১৯৫৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিল-হাঙ্গেরি ‘ব্যাটল অব বার্ন’ ম্যাচেও দেখা যায় ৩টি লাল কার্ড। একই ঘটনা ফিরে আসে ৪২ বছর পর ১৯৯৮ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে দক্ষিণ আফ্রিকা-ডেনমার্ক ম্যাচে।
    দক্ষিণ আফ্রিকার আরেক মিডফিল্ডার সিথোলেও লাল কার্ড দেখেন
    দক্ষিণ আফ্রিকার আরেক মিডফিল্ডার সিথোলেও লাল কার্ড দেখেন, এএফপি
     

    আট বছর পর সবকিছু ছাপিয়ে যায় ২০০৬ বিশ্বকাপ। সেবার গ্রুপ পর্বে ইতালি-যুক্তরাষ্ট্র ও ক্রোয়েশিয়া-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে ৩টি করে লাল কার্ড দেখা গেছে। এরপর শেষ ষোলোয় ‘ব্যাটল অব নুরেমবার্গ’খ্যাত নেদারল্যান্ডস-পর্তুগাল ম্যাচটি সব ছাপিয়ে যায়। ৪টি লাল কার্ড দেখান রেফারি—বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক ম্যাচে এটাই সর্বোচ্চ লাল কার্ড। শুধু তাই নয়, ২০০৬ বিশ্বকাপ আসলে লাল কার্ডেরই বিশ্বকাপ। মোট ২৮টি লাল কার্ড দেখা গিয়েছিল—যেটা বিশ্বকাপে এক আসরে সর্বোচ্চ লাল কার্ডের রেকর্ড।

    এই ম্যাচে লাল কার্ডের আলোচনায় ‘ব্যাটল অব নুরেমবার্গ’ ফিরে আসবেই। কারণ সেই ম্যাচের পর দক্ষিণ আফ্রিকা ও মেক্সিকোর মধ্যকার ম্যাচে একাধিক লাল কার্ড দেখা গেল। সেই ম্যাচের পর দক্ষিণ আফ্রিকাই এবার প্রথম দল হিসেবে দুটি লাল কার্ড দেখল। ‘ব্যাটল অব নুরেমবার্গে’ পর্তুগাল ও নেদারল্যান্ডসের দুজন করে খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখেন।

    লাল কার্ড প্রসঙ্গে এবারের বিশ্বকাপে উদ্বোধনী ম্যাচটি রেকর্ড বইয়ে আরও একটি পাতায় জায়গা করে নিয়েছে। তিনটি লাল কার্ডই সরাসরি দেখান ব্রাজিলিয়ান রেফারি সাম্পাইও। কেউ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েননি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এর আগে এক ম্যাচে তিনটি সরাসরি লাল কার্ড দেখা গেছে ৭২ বছর আগের সেই ‘ব্যাটল অব বার্ন’ ম্যাচে।

    তবে সেবারের সেই ১৯৫৪ বিশ্বকাপে কার্ডের প্রচলন ছিল না। লাল কার্ড ও হলুদ কার্ডের প্রচলন শুরু হয় ’৭০ বিশ্বকাপ থেকে। ‘ব্যাটল অব বার্ন’ ম্যাচে ব্রাজিলের নিল্টন সান্টোস, হাঙ্গেরির ইয়োসেফ বোজিক ও হামবার্তো তোজ্জিকে সরাসরি মাঠ থেকে বহিষ্কার করেছিলেন রেফারি। সে হিসেবে বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম এক ম্যাচে তিনজন খেলোয়াড় সরাসরি লাল কার্ড দেখলেন, সেটাও উদ্বোধনী ম্যাচে!

  • ২ রানে ৬ উইকেট নিয়ে বিশ্ব রেকর্ড

    টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে গতকাল আফ্রিকা মহাদেশের উপ-আঞ্চলিক বাছাইপর্বের ম্যাচে মালির বিপক্ষে ২ রানে ৬ উইকেট নিয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন বতসোয়ানা পেসার নাবিল মাস্টার।

    বতসোয়ানার রাজধানী গ্যাবোরনে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে মাত্র ২.৪ ওভার বোলিং করে রেকর্ডটি গড়েন নাবিল। ছেলেদের আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে সবচেয়ে কম রানে ন্যূনতম ৬ উইকেট নেওয়ার বিশ্ব রেকর্ড এটি।

    ছেলেদের আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে ন্যূনতম ৬ বার এর বেশি উইকেট নেওয়ায় সবচেয়ে মিতব্যয়ী বোলিংয়ের রেকর্ডটি এর আগে সিঙ্গাপুরের লেগ স্পিনার হার্শা ভারদ্বাজের দখলে ছিল। ২০২৪ সালে সেপ্টেম্বরে মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে ৪ ওভার বোলিং করে ২ মেডেনসহ ৩ রানে ৫ উইকেট নেন ভারদ্বাজ। তাঁর এই রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড গড়ার পথে ১টি মেডেন নেন নাবিল।

    ২০১৯ সালে বতসোয়ানার হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক নাবিলের। সে বছর দেশের হয়ে দুটি টি-টুয়েন্টি খেলার পথে ১টি উইকেট নেন। সাত বছর পর গত শনিবার বতসোয়ানার হয়ে মাঠে নেমে নেন ২ উইকেট। অর্থাৎ, প্রথম তিনটি ম্যাচে নাবিলের উইকেট ছিল ৩টি। কিন্তু পরের ম্যাচেই বতসোয়ানার টি-টুয়েন্টি ইতিহাসে প্রথম বোলার হিসেবে নিলেন ৬ উইকেট। আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে সেরা বোলিংয়ের বিশ্ব রেকর্ডের তালিকায় চারেও উঠে এলেন নাবিল।

    মালির ইনিংসে ষষ্ঠ ওভারে বোলিংয়ে আসেন নাবিল। মেডেন নিয়ে শুরু করা এই পেসার অষ্টম ওভারে নিজের দ্বিতীয় ওভার করতে আসার আগেই মালির স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ১৮ রান। অষ্টম ওভারে প্রথম বলে উইকেট শিকারেরর পর ধস নামান মালির ব্যাটিংয়ে। ওই ওভারে আরও দুটি উইকেট নেওয়ার পর দশম ওভারে আরও ৩ উইকেট নিয়ে মালির ইনিংসের সমাপ্তি টানেন নাবিল।

    মজার ব্যাপার, নাবিলের নেওয়া ৬টি উইকেটের প্রতিটি এসেছে টানা দুই বলে জোড়ায় জোড়ায়। অষ্টম ওভারের প্রথম দুই বলে উইকেট নেন, সেই ওভারের শেষ বলেও উইকেট নেওয়ার পর দশম ওভারে ফিরেই প্রথম বলে উইকেট নেন নাবিল। এরপর দশম ওভারে তৃতীয় ও চতুর্থ বলেও উইকেট নিয়ে ৯.৪ ওভারে মাত্র ২৫ রানে অলআউট করেন মালিকে। তাড়া করতে নেমে ২.২ ওভারে ১০ উইকেটে জেতে বতসোয়ানা।

    [caption id="attachment_274861" align="alignnone" width="772"] ৬ উইকেট নেওয়া সব থেকে কম বোলিং[/caption]

    হামজা খানের ১৬৪*

    বতসোয়ানা-মালি ম্যাচের আগে গ্যাবোরনে মুখোমুখি হয়েছিল রুয়ান্ডা ও আইভরি কোস্ট। এ ম্যাচে আগে ব্যাট করে ২ উইকেটে ২৮৮ রান করা রুয়ান্ডা ২৭১ রানে হারায় আইভরি কোস্টকে। রুয়ান্ডার হয়ে ৬৫ বলে অপরাজিত ১৬৪ রানের ইনিংস খেলেন ওপেনার হামজা খান। ছেলেদের আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে সহযোগী দেশগুলোর মধ্যে এটি সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। হামজা এই পথে ভেঙেছেন স্পেনের মোহাম্মদ ইহসানের রেকর্ড। গত বছর ডিসেম্বরে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ৬৩ বলে ১৬০ রান করেন ইহসান।

    টেস্ট খেলুড়ে দলগুলো বিবেচনায় নিলে ছেলেদের আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংস এখন হামজার। ২০১৮ সালে হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৭২ রানের ইনিংস খেলা অ্যারন ফিঞ্চের দখলে রেকর্ডটি। আইভরি কোস্ট রুয়ান্ডার ২৮৮ রান তাড়া করতে নেমে ১৫.২ ওভারে ১৭ রানে অলআউট হয়।

  • ২০ মিনিটে এক ধর্ষণ! ভারতে ধর্ষণের ভয়াবহতা মনে করিয়ে দিল ‘অসসি’

    মুম্বাই
  • ২০০ কোটি টাকার মালিক, সবচেয়ে ধনী দক্ষিণি নায়িকা তিনি

    সবচেয়ে ধনী দক্ষিণি নায়িকাদের কথা এলে অনেকেই হয়তো আনুশকা শেঠি, সান্থামা রুথ প্রভু বা তামান্না ভাটিয়ার কথা বলবেন। কিন্তু তাঁরা নন, সবচেয়ে ধনী দক্ষিণি নায়িকা আরেকজন। কে তিনি? হিন্দুস্তান টাইমস অবলম্বনে জেনে নেওয়া যাক ছবিতে ছবিতে-

    [caption id="attachment_272742" align="alignnone" width="986"] দক্ষিণের সবচেয়ে ধনী অভিনেত্রী নয়নতারা। তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ২০০ কোটি রুপি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে[/caption]

    নয়নতারা একজন জনপ্রিয় দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেত্রী এবং তিনি ‘দক্ষিণের লেডি সুপারস্টার’ নামে পরিচিত। বেশ কয়েকটি দক্ষিণ ভারতীয় ছবিতে অভিনয় করার পর তিনি ২০২৩ সালে ‘জওয়ান’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন।।

    [caption id="attachment_272743" align="alignnone" width="991"] ‘বাহুবলী’ দিয়ে পরিচিতি পাওয়া আনুশকা শেঠি রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। ফেসবুক থেকে[/caption]

    আনুশকা বেশ কয়েকটি হিট দক্ষিণ ভারতীয় ছবিতে অভিনয় করেছেন, কিন্তু ‘বাহুবলী’র মাধ্যমেই তিনি বিশ্বব্যাপী সাফল্য পান। জানা যায়, তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ১৩৫ কোটি রুপি। তামান্না ভাটিয়া আছেন তিন নম্বরে। তিনি দক্ষিণ ভারতীয় এবং হিন্দি—উভয় চলচ্চিত্রেই দুর্দান্ত কাজ করছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ১১০–১২০ কোটি রুপি

    [caption id="attachment_272746" align="alignnone" width="987"] এরপরে রয়েছেন সামান্থা রুথ প্রভু। ইনস্টাগ্রাম থেকে[/caption]

    সামান্থাও এখন হিন্দি ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছেন। তাঁর জনপ্রিয় হিন্দি প্রজেক্টগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান ২’ ও ‘সিটাডেল হানি বানি’। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সামান্থার মোট সম্পত্তির পরিমাণ ১১০–১২০ কোটি রুপি।

    [caption id="attachment_272745" align="alignnone" width="988"] তৃষা কৃষ্ণান তামিল ও তেলেগু সিনেমার আলোচিত অভিনত্রী। তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৮৫-১০০ কোটি রুপি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে[/caption][caption id="attachment_272744" align="alignnone" width="991"] এরপরে রয়েছেন কাজল আগরওয়াল, যাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ৮৫ কোটি রুপিইনস্টাগ্রাম থেকে[/caption]

  • ২০০ কোটি রুপির অর্থ পাচার মামলায় নতুন মোড়, সরকারি সাক্ষী হতে প্রস্তুত জ্যাকুলিন

    বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ ও প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখরকে ঘিরে ২০০ কোটি রুপির অর্থ পাচার (মানি লন্ডারিং) মামলায় নতুন এবং বড় মোড় সামনে এসেছে। এই মামলায় এখন জ্যাকুলিন নিজেই সরকারি সাক্ষী (অ্যাপ্রুভার) হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

    পাতিয়ালা হাউস কোর্টে শুনানির সময় জ্যাকুলিন জানিয়েছেন যে তিনি এই মামলায় তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে চান এবং সরকারি সাক্ষী হতে প্রস্তুত। আদালত এই বিষয়ে কী অবস্থান নিয়েছেন এবং মামলার পরবর্তী শুনানি কবে হবে, তা জেনে নেওয়া যাক।

    আদালত ইডিকে নোটিশ পাঠিয়েছেন
    জ্যাকুলিনের আবেদন শুনে আদালত জানিয়েছেন, এর জন্য অভিনেত্রীকে সরাসরি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন করতে হবে। আদালত স্পষ্ট করেছেন যে তদন্তকারী সংস্থা তাঁর বক্তব্য ও সহযোগিতার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেবে তাঁকে ‘অ্যাপ্রুভার’ করা হবে কি না।
    আদালত এই মামলায় ইডিকে নোটিশও জারি করেছেন। পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ এপ্রিল।

    জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
    জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

    বিদেশ যাওয়ার অনুমতি
    জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজকে ২৪ এপ্রিল থেকে ২৫ মে পর্যন্ত বিদেশ ভ্রমণের অনুমতিও দিয়েছেন আদালত। তবে এই সময়ে তাঁকে নির্ধারিত শর্ত মানতে হবে এবং তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা চালিয়ে যেতে হবে।

    কী এই মামলা
    এই পুরো বিষয় ২০০ কোটি রুপির মানি লন্ডারিংয়ের সঙ্গে যুক্ত। এতে সুকেশ চন্দ্রশেখরকে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে ধরা হয়েছে। অভিযোগ, তিনি জেলের ভেতর থেকেই প্রতারণা ও চাঁদাবাজির বড় নেটওয়ার্ক চালাতেন এবং বহু মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি রুপি আদায় করেছিলেন।

    এই সময়েই তাঁর যোগাযোগ বলিউডের বেশ কিছু অভিনয়শিল্পীর সঙ্গেও তৈরি হয়। সেই সূত্রেই জ্যাকুলিনের নাম এই মামলার সঙ্গে উঠে আসে। ইডির তদন্ত অনুযায়ী, সুকেশ চন্দ্রশেখর জ্যাকুলিনকে বহু দামি দামি উপহার দিয়েছেন, যার মধ্যে ছিল বিলাসবহুল ঘড়ি, দামি ব্যাগ, গয়না এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী।

    জ্যাকুলিন কী বলছেন
    তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এসব জিনিস অবৈধভাবে অর্জিত টাকার মাধ্যমে কেনা হয়েছিল। তবে জ্যাকুলিন জানিয়েছিলেন, তিনি সুকেশের আসল পরিচয় ও তাঁর অপরাধমূলক কাজ সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। তিনি আদালতকে বলেন যে সুকেশ নিজেকে বড় ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দিয়ে তাঁকে বিভ্রান্ত করেছিলেন।

    জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
    জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
  • ২০০ টাকায় মিলবে বাংলাদেশ–নিউজিল্যান্ড তৃতীয় ওয়ানডের টিকিট

    বাংলাদেশ–নিউজিল্যান্ড তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে চট্টগ্রামে। আগামী বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে বেলা ১১টায় মুখোমুখি হবে দু্ই দল। এ ম্যাচের জন্য টিকিটের মূল্যতালিকা আজ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

    বিসিবির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে পূর্ব গ্যালারির টিকিটের দাম সবচেয়ে কম—২০০ টাকা। পশ্চিম গ্যালারির টিকিটের দাম ৩০০ টাকা। শহীদ আবু সাঈদ স্ট্যান্ড ও শহীদ শ্রাবণ স্ট্যান্ডের টিকিটের দাম ৬০০ টাকা করে।

    পূর্ব ও পশ্চিমে গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডের টিকিটের দাম ২৫০০ টাকা করে। পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে ছাদের ওপর দুই প্যাভিলিয়ন এন্ডের টিকিটের দামও ২৫০০ টাকা করে। স্টেডিয়ামের এই চারটি জায়গার টিকিটের দামই সবচেয়ে বেশি।

    [caption id="attachment_272100" align="alignnone" width="695"] বাংলাদেশ–নিউজিল্যান্ড তৃতীয় ওয়ানডে টিকেটের মূল্য[/caption]

    ওয়ানডে সিরিজে এরই মধ্যে ১–১ ব্যবধানে সমতায় বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে প্রথম ওয়ানডে ২৬ রানে জেতে নিউজিল্যান্ড। একই ভেন্যুতে গতকাল দ্বিতীয় ওয়ানডে ৬ উইকেটে জিতে সিরিজে সমতায় ফেরে বাংলাদেশ।

    ওয়ানডে সিরিজ শেষে তিন ম্যাচের টি–টুয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। ২৭ ও ২৯ এপ্রিল দুটি টি–টুয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে চট্টগ্রামে। ২ মে তৃতীয় ও শেষ টি–টুয়েন্টি অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে। টি–টুয়েন্টি সিরিজে সব কটি ম্যাচই শুরু হবে বেলা ২টায়।

  • ২০২৬ সালে বিশ্বকাপসহ যেসব শিরোপা জিততে পারেন রোনালদো

    আল নাসরে যোগ দেওয়ার পর থেকে ব্যক্তিগতভাবে আলো ছড়িয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। কিন্তু দলটির হয়ে এখনো বড় কোনো ট্রফি জেতা হয়নি তাঁর। একাধিকবার কাছাকাছি গিয়ে সম্ভাবনা জাগালেও শেষ পর্যন্ত হতাশা নিয়েই থাকতে হয়েছে রোনালদোকে। কিন্তু রোনালদোর সেই আক্ষেপ মিটতে পারে এই মৌসুমে।

    আল নাসরের হয়ে একাধিক শিরোপা জেতার সুযোগ আছে ‘সিআর সেভেন’-এর। তবে জাতীয় দল ও ক্লাব মিলিয়ে হিসাব করলে রোনালদো এ বছর জিততে পারেন অন্তত চারটি ট্রফি, যার দুটি জিততে পারেন এই মে মাসেই। যেখানে পাঁচ দিনের মধ্যে দুবার ট্রফি উঁচিয়ে ধরার সুযোগ পেতে পারেন এই পর্তুগিজ তারকা।

    আগামী ১৭ মে এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ টুর ফাইনালে আল নাসর খেলবে জাপানি ক্লাব গাম্বা ওসাকার বিপক্ষে। গতকাল রাতে আল আহলিকে ৫-১ গোলে হারিয়ে প্রতিযোগিতার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে আল নাসর। গতকাল রাতে ফাইনাল নিশ্চিত করার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রোনালদো লিখেছেন, ‘দল নিয়ে গর্বিত। ফাইনাল অপেক্ষা করছে।’ এখন রিয়াদের ফাইনালে শেষ ধাপ পেরোলেই এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের দ্বিতীয় স্তরের শিরোপা নিশ্চিত হবে রোনালদোদের।

    এই ফাইনালের পাঁচ দিন পর সৌদি প্রো লিগে মৌসুমের শেষ ম্যাচ খেলতে নামবে আল নাসর। বর্তমানে শীর্ষে থাকা আল নাসর শিরোপা–দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে আছে। ২৯ ম্যাচ শেষে আল নাসরের পয়েন্ট এখন ৭৬। এক ম্যাচ কম খেলে ৬৮ পয়েন্ট নিয়ে দুই আছে আল হিলাল। ৮ পয়েন্টে পিছিয়ে থাকা আল হিলালের জন্য বাকি ম্যাচগুলোতে আল নাসরকে পেছনে ফেলা কঠিনই হবে। আর শেষ পর্যন্ত লিগ শিরোপা ঘরে তুলতে পারলে এটি রোনালদোর জন্য বড় অর্জনই হবে।

    ফাইনালে ওঠার পথে সতীর্থের সঙ্গে রোনালদোর উদ্‌যাপন
    ফাইনালে ওঠার পথে সতীর্থের সঙ্গে রোনালদোর উদ্‌যাপন, রয়টার্স

    আল নাসরের হয়ে রোনালদোর এ বছর আরও একটি শিরোপা জেতার সুযোগ আছে। সেই শিরোপা হলো সৌদি সুপার কাপ। সৌদি প্রো লিগ ও কিংস কাপে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ হওয়া চার দল খেলে এই টুর্নামেন্টে।

    তবে এই চার শিরোপার বাইরে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত শিরোপাটি রোনালদো পেতে পারেন এ বছরের জুলাইয়ে। আর সেটি যে বিশ্বকাপ শিরোপা, তা বোধ হয় আলাদা করে না বললেও চলছে। যেকোনো ফুটবলারের চূড়ান্ত লক্ষ্য থাকে বিশ্বকাপ জেতা।

    রোনালদোর মতো সর্বকালের সেরা তারকার জন্য বিশ্বকাপ ছাড়া ক্যারিয়ার শেষ করা বেশ হতাশার ব্যাপার। সেই হতাশাকে কবর দেওয়ার শেষ সুযোগটা রোনালদো পাবেন যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় আয়োজিত বিশ্বকাপে। যদি শেষ পর্যন্ত সেই লক্ষ্যে রোনালদো সফল হন, তবে তা রোনালদোর তো বটেই, ফুটবলের ইতিহাসেই অনন্য এক ঘটনা হয়ে থাকবে।

  • ২০২৭ সালের মধ্যে অনলাইনে মানুষের চেয়ে ‘বট’-এর তৎপরতা বাড়বে: ক্লাউডফ্লেয়ার সিইও

    ইন্টারনেটে মানুষের তুলনায় বটের (একধরনের সফটওয়্যার বা কম্পিউটার প্রোগ্রাম) সক্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) যেভাবে বিস্তার ছড়াচ্ছে, তা অব্যাহত থাকলে ২০২৭ সালের মধ্যে অনলাইনে মানুষের তুলনায় বটের তৎপরতা বেশি হতে পারে। এমন পূর্বাভাস দিয়েছেন ইন্টারনেট নিরাপত্তা ও ওয়েব অবকাঠামো–সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান ক্লাউডফ্লেয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ম্যাথিউ প্রিন্স।

    সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অস্টিনে প্রযুক্তিবিষয়ক সাউথ বাই সাউথওয়েস্ট (এসএক্সএসডব্লিউ) সম্মেলনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন ম্যাথিউ প্রিন্স। তিনি বলেন, জেনারেটিভ এআইয়ের প্রসারে ইন্টারনেট ব্যবহারের ধরনে মৌলিক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। ব্যবহারকারীর প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে এআই–চালিত বটগুলো একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক ওয়েবসাইটে প্রবেশ করছে। এটি মানুষের পক্ষে স্বাভাবিকভাবে সম্ভব নয়।

    ম্যাথিউ প্রিন্স বলেন, কোনো ব্যক্তি যদি একটি ডিজিটাল ক্যামেরা কেনার আগে তথ্য সংগ্রহ করেন, তাহলে সাধারণত চার থেকে পাঁচটি ওয়েবসাইট ঘুরে দেখেন। কিন্তু একই কাজ করতে একটি এআই বট কয়েক হাজার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারে। ফলে এ প্রক্রিয়া শুধু ভার্চ্যুয়াল সীমায় সীমাবদ্ধ থাকে না। বাস্তব অর্থেই সার্ভার, নেটওয়ার্ক ও সামগ্রিক ইন্টারনেট অবকাঠামোর ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে।

    জেনারেটিভ এআইয়ের আগের সময়ে ইন্টারনেট ট্রাফিকের প্রায় ২০ শতাংশ বটনির্ভর ছিল বলে জানান ক্লাউডফ্লেয়ারের প্রধান নির্বাহী। তিনি বলেন, এর বড় অংশজুড়ে ছিল গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানের ‘ওয়েব ক্রলার’। এর বাইরে সীমিত পরিসরে কিছু নির্ভরযোগ্য বট এবং প্রতারক বা দুর্বৃত্তদের ব্যবহৃত বটও সক্রিয় ছিল।

    তবে সাম্প্রতিক সময়ে পরিস্থিতি দ্রুত বদলাচ্ছে উল্লেখ করে ম্যাথিউ প্রিন্স বলেন, জেনারেটিভ এআইয়ের তথ্যের চাহিদা কার্যত সীমাহীন। এই চাহিদা পূরণে বটের সংখ্যা ও তাদের কার্যক্রম ক্রমাগত বাড়ছে, যা কয়েক বছরের মধ্যেই মানুষের অনলাইন উপস্থিতিকে ছাড়িয়ে যেতে পারে।

    এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন ধরনের প্রযুক্তি অবকাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন ম্যাথিউ প্রিন্স। এর মধ্যে রয়েছে ‘স্যান্ডবক্স’। এটি একটি আলাদা ভার্চ্যুয়াল পরিবেশ। যেখানে এআই এজেন্টগুলো সাময়িকভাবে কাজ করতে পারবে। কাজ শেষে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই পরিবেশ বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, কোনো ব্যবহারকারী যদি এআই এজেন্টকে ভ্রমণ পরিকল্পনার দায়িত্ব দেন, তাহলে এই স্যান্ডবক্স ব্যবস্থার মাধ্যমেই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

    ম্যাথিউ প্রিন্সের ধারণা, শিগগিরই প্রতি সেকেন্ডে বিপুলসংখ্যক এমন স্যান্ডবক্স তৈরি ও বিলুপ্ত হবে, যা ইন্টারনেট ব্যবহারের কাঠামোকে নতুনভাবে রূপ দেবে। তবে এই ক্রমবর্ধমান বট কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজন হবে শক্তিশালী ভৌত অবকাঠামো। বিশেষ করে ডেটা সেন্টার ও সার্ভার। তিনি বলেন, করোনাভাইরাস মহামারির সময় ইউটিউব, ডিজনি ও নেটফ্লিক্সের মতো ভিডিও স্ট্রিমিং সেবার কারণে অল্প সময়ের মধ্যে ইন্টারনেট ট্রাফিক হঠাৎ বেড়ে অনেক ক্ষেত্রে নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাকে চাপের মুখে ফেলেছিল।

    বর্তমান প্রবৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে ধীরগতির হলেও তা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে বলে উল্লেখ করেন ম্যাথিউ প্রিন্স। তাঁর মতে, এই প্রবণতা থামার কোনো সুস্পষ্ট লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না।

    ওয়েবসাইটের গতি, নিরাপত্তা এবং নিরবচ্ছিন্ন কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে কাজ করে ক্লাউডফ্লেয়ার। প্রতিষ্ঠানটির সেবার মধ্যে রয়েছে কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক, নিরাপত্তা ও ডিডস প্রতিরোধ ব্যবস্থা, এবং ‘অলওয়েজ অনলাইন’ প্রযুক্তি। পাশাপাশি, প্রয়োজন অনুযায়ী অনাকাঙ্ক্ষিত এআই বট ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ বা বন্ধ করার সুবিধাও দিয়ে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। ইন্টারনেটের এই পরিবর্তনকে একটি বড় প্রযুক্তিগত রূপান্তর হিসেবে দেখছেন প্রিন্স। তাঁর মতে, এআই শুধু যে একটি নতুন প্রযুক্তি তা নয়; এটি প্ল্যাটফর্মের একটি মৌলিক পরিবর্তন। যেমন একটা সময় ডেস্কটপ থেকে মুঠোফোন ব্যবহারে বড় রূপান্তর ঘটেছিল। এর ফলে মানুষ যেভাবে তথ্য গ্রহণ করে, সেই প্রক্রিয়াই মৌলিকভাবে বদলে যেতে পারে।

    সূত্র: টেকক্র্যাঞ্চ

    আহসান হাবীব

  • ২০২৮ টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ, নিশ্চিত করল আইসিসি

    বাংলাদেশ কি ২০২৮ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে পারবে? ভারত ও শ্রীলঙ্কায় চলা এবারের বিশ্বকাপ না খেলায় এমন প্রশ্ন ছিল অনেকেরই। আজ সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

    আইসিসির সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০২৮ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়া–নিউজিল্যান্ডে হতে যাওয়া আসরটিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে।

    আজ কলম্বোয় নামিবিয়ার বিপক্ষে পাকিস্তানের জয়ের মাধ্যমে বিশ্বকাপের সুপার এইটের লাইনআপ চূড়ান্ত হয়েছে। পাকিস্তান ছাড়াও সুপার এইটে উঠেছে ভারত, শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড।

    আজ সুপার এইট নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান
    আজ সুপার এইট নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান, এএফপি
     

    টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইবিধি অনুযায়ী, সুপার এইটে ওঠা সব দলই ২০২৮ বিশ্বকাপ আসরের জন্য সরাসরি জায়গা নিশ্চিত করেছে। এর মধ্যে অন্যতম আয়োজক হিসেবে নিউজিল্যান্ডের জায়গা আগে থেকেই নিশ্চিত ছিল। অস্ট্রেলিয়া এবার সুপার এইটে ওঠেনি, তবে স্বাগতিক হিসেবে খেলা নিশ্চিত।

    আইসিসি জানিয়েছে, ২০ দলের টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে বাছাইপর্বের মাধ্যমে উঠে আসবে ৮টি দল। বাকি ১২টির মধ্যে ৯টি ঠিক হয়েছে এবারের আসরের পারফরম্যান্স ও স্বাগতিক হওয়ার মাধ্যমে। অন্য তিনটি চূড়ান্ত হবে টি–টুয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে। আগামী ৯ মার্চ (ফাইনালের পরদিন) র‌্যাঙ্কিংয়ের হিসাব অনুযায়ী এই তালিকা চূড়ান্ত হবে।

    তবে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডই ওই তিনটি জায়গা নেবে। বাংলাদেশ আছে ৯ নম্বরে, আফগানিস্তান ১০ আর আয়ারল্যান্ড ১২ নম্বরে। আগামী ৯ মার্চের মধ্যে এমন কোনো আন্তর্জাতিক টি–টুয়েন্টি নেই, যাতে এই তিন দলের র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রভাব পড়তে পারে। যে কারণে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের ২০২৮ আসরে খেলা এখনই নিশ্চিত।

  • ২০২৮ সালে প্রাথমিকে নতুন কারিকুলাম: ববি হাজ্জাজ

    ডিজাইন, পাইলটিং ও প্রশিক্ষণ শেষে ২০২৮ সালে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা নতুন কারিকুলাম পাবে এবং নতুন কারিকুলামে ২০২৭ ও ২০২৮ সালে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

    রোববার (১৭ মে) দুপুরে ময়মনসিংহে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (ন্যাপ) আয়োজিত 'শিক্ষা ও গবেষণা' বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় যোগ দিয়ে তিনি এ কথা জানান

    প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, চলমান শিক্ষাব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের শেখানোর জায়গা থেকে অনেক দূরে নিয়ে গেছে। নতুন কারিকুলামে শিক্ষার্থীরা কেবল শ্রেণিকক্ষে আবদ্ধ থাকবে না।

    ববি হাজ্জাজ বলেছেন, এখন প্রাথমিক শিক্ষার মাপকাঠি হবে, শিক্ষার্থীদের আমরা কতটুকু শিখিয়ে বের করতে পারছি। শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে শিক্ষাব্যবস্থার ওপর মূল্যায়িত করা হবে সব কর্মকর্তাদের।

  • ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ব্রাজিলের কোচ আনচেলত্তি, চুক্তি নবায়ন

    দুই যুগ ধরে বিশ্বকাপ না জেতা ব্রাজিলের আশা-ভরসার কেন্দ্রে এবার কার্লো আনচেলত্তি। নিজেদের ইতিহাসে কখনো বাইরে থেকে কোচ না আনা দেশটি ইতালির এই কোচকে দিয়েছে জাতীয় দলের দায়িত্ব। আনচেলত্তি সেই ভরসার কতটা প্রতিদান দিতে পারবেন, সেটা বোঝা যাবে আগামী মাসে শুরু হতে যাওয়া ২৩তম ফিফা বিশ্বকাপে।

    তবে বিশ্বকাপের জন্য রওনা দেওয়ার আগে নতুন খবর, শুধু ২০২৬ বিশ্বকাপ নয়, পরের আসরের জন্যও তাঁর ওপর ভরসা করছে ব্রাজিল। আজ কনফেডারেশন অব ব্রাজিল ফুটবল (সিবিএফ) জানিয়েছে, ইতালিয়ান এই কোচ চুক্তির মেয়াদ আরও চার বছর বাড়িয়েছেন। যার অর্থ, ২০৩০ বিশ্বকাপেও ব্রাজিল কোচের দায়িত্বে থাকবেন আনচেলত্তি।

    ৬৬ বছর বয়সী আনচেলত্তি ২০২৫ সালের মে মাসে ব্রাজিল কোচের দায়িত্ব নেন। পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নস লিগজয়ী আনচেলত্তির কোচিং ক্যারিয়ারে এটিই প্রথম কোনো জাতীয় দলের নেওয়া। প্রাথমিকভাবে চুক্তি হয়েছিল ২০২৬ বিশ্বকাপ পর্যন্ত মেয়াদ ধরে। তবে সেই বিশ্বকাপের দল ঘোষণার আগেই মেয়াদ বাড়ল আরও এক আসর।

    সিবিএফের অফিশিয়াল এক্স পেজে আনচেলত্তির একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে আনচেলত্তিকে বলতে শোনা যায়, ‘এক বছর আগে আমি ব্রাজিলে এসেছিলাম এবং বুঝতে পেরেছিলাম এই দেশটির কাছে ফুটবলের মানে কী। আমরা জাতীয় দলকে আবারও বিশ্বের শীর্ষে ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করছি, কিন্তু সিবিএফ এবং আমি—উভয়েই আরও বেশি কিছু চাই। আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে আমরা ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত একসাথে পথ চলা অব্যাহত রাখব।’

    ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ব্রাজিলের ডাগআউটে থাকবেন কার্লো আনচেলত্তি
    ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ব্রাজিলের ডাগআউটে থাকবেন কার্লো আনচেলত্তিইনস্টাগ্রাম/কার্লো আনচেলত্তি

    এ পর্যন্ত আনচেলত্তির অধীনে ব্রাজিল ১০টি ম্যাচ খেলেছে, জিতেছে পাঁচটি, ড্র দুটি, হার তিনটি। সিবিএফ সভাপতি সামির শাউদ এই চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধিকে একটি ‘ঐতিহাসিক দিন’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, এটি ব্রাজিলীয় ফুটবলের ভবিষ্যতের জন্য একটি কৌশলগত পদক্ষেপ।

    ২০০২ বিশ্বকাপে সর্বশেষ ট্রফি জেতা ব্রাজিল এবার টুর্নামেন্ট শুরু করবে ১৩ জুন মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। ‘সি’ গ্রুপে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ হাইতি ও স্কটল্যান্ড। বিশ্বকাপের জন্য ১৮ মে দল ঘোষণা করার কথা আনচেলত্তির।

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব