টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে গতকাল আফ্রিকা মহাদেশের উপ-আঞ্চলিক বাছাইপর্বের ম্যাচে মালির বিপক্ষে ২ রানে ৬ উইকেট নিয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন বতসোয়ানা পেসার নাবিল মাস্টার।

বতসোয়ানার রাজধানী গ্যাবোরনে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে মাত্র ২.৪ ওভার বোলিং করে রেকর্ডটি গড়েন নাবিল। ছেলেদের আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে সবচেয়ে কম রানে ন্যূনতম ৬ উইকেট নেওয়ার বিশ্ব রেকর্ড এটি।

ছেলেদের আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে ন্যূনতম ৬ বার এর বেশি উইকেট নেওয়ায় সবচেয়ে মিতব্যয়ী বোলিংয়ের রেকর্ডটি এর আগে সিঙ্গাপুরের লেগ স্পিনার হার্শা ভারদ্বাজের দখলে ছিল। ২০২৪ সালে সেপ্টেম্বরে মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে ৪ ওভার বোলিং করে ২ মেডেনসহ ৩ রানে ৫ উইকেট নেন ভারদ্বাজ। তাঁর এই রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড গড়ার পথে ১টি মেডেন নেন নাবিল।

২০১৯ সালে বতসোয়ানার হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক নাবিলের। সে বছর দেশের হয়ে দুটি টি-টুয়েন্টি খেলার পথে ১টি উইকেট নেন। সাত বছর পর গত শনিবার বতসোয়ানার হয়ে মাঠে নেমে নেন ২ উইকেট। অর্থাৎ, প্রথম তিনটি ম্যাচে নাবিলের উইকেট ছিল ৩টি। কিন্তু পরের ম্যাচেই বতসোয়ানার টি-টুয়েন্টি ইতিহাসে প্রথম বোলার হিসেবে নিলেন ৬ উইকেট। আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে সেরা বোলিংয়ের বিশ্ব রেকর্ডের তালিকায় চারেও উঠে এলেন নাবিল।

মালির ইনিংসে ষষ্ঠ ওভারে বোলিংয়ে আসেন নাবিল। মেডেন নিয়ে শুরু করা এই পেসার অষ্টম ওভারে নিজের দ্বিতীয় ওভার করতে আসার আগেই মালির স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ১৮ রান। অষ্টম ওভারে প্রথম বলে উইকেট শিকারেরর পর ধস নামান মালির ব্যাটিংয়ে। ওই ওভারে আরও দুটি উইকেট নেওয়ার পর দশম ওভারে আরও ৩ উইকেট নিয়ে মালির ইনিংসের সমাপ্তি টানেন নাবিল।

মজার ব্যাপার, নাবিলের নেওয়া ৬টি উইকেটের প্রতিটি এসেছে টানা দুই বলে জোড়ায় জোড়ায়। অষ্টম ওভারের প্রথম দুই বলে উইকেট নেন, সেই ওভারের শেষ বলেও উইকেট নেওয়ার পর দশম ওভারে ফিরেই প্রথম বলে উইকেট নেন নাবিল। এরপর দশম ওভারে তৃতীয় ও চতুর্থ বলেও উইকেট নিয়ে ৯.৪ ওভারে মাত্র ২৫ রানে অলআউট করেন মালিকে। তাড়া করতে নেমে ২.২ ওভারে ১০ উইকেটে জেতে বতসোয়ানা।

[caption id="attachment_274861" align="alignnone" width="772"] ৬ উইকেট নেওয়া সব থেকে কম বোলিং[/caption]

হামজা খানের ১৬৪*

বতসোয়ানা-মালি ম্যাচের আগে গ্যাবোরনে মুখোমুখি হয়েছিল রুয়ান্ডা ও আইভরি কোস্ট। এ ম্যাচে আগে ব্যাট করে ২ উইকেটে ২৮৮ রান করা রুয়ান্ডা ২৭১ রানে হারায় আইভরি কোস্টকে। রুয়ান্ডার হয়ে ৬৫ বলে অপরাজিত ১৬৪ রানের ইনিংস খেলেন ওপেনার হামজা খান। ছেলেদের আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে সহযোগী দেশগুলোর মধ্যে এটি সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। হামজা এই পথে ভেঙেছেন স্পেনের মোহাম্মদ ইহসানের রেকর্ড। গত বছর ডিসেম্বরে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ৬৩ বলে ১৬০ রান করেন ইহসান।

টেস্ট খেলুড়ে দলগুলো বিবেচনায় নিলে ছেলেদের আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংস এখন হামজার। ২০১৮ সালে হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৭২ রানের ইনিংস খেলা অ্যারন ফিঞ্চের দখলে রেকর্ডটি। আইভরি কোস্ট রুয়ান্ডার ২৮৮ রান তাড়া করতে নেমে ১৫.২ ওভারে ১৭ রানে অলআউট হয়।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব