• Colors: Purple Color

অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মানকে ভালো অভিনয়ের জন্য ১০–এ ১০ দিলেন অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ। তাঁরা একসঙ্গে প্রথমবার বঙ্গের জন্য ওয়েব ফিল্মে নাম লিখিয়েছেন। গতকাল সেই সিনেমা ‘লাভ সিটার’–এর প্রিমিয়ারে অংশ নিয়ে পলাশ অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

সহশিল্পী প্রসঙ্গে ‘কাবিলা’ চরিত্র দিয়ে পরিচিতি পাওয়া পলাশ বলেন, ‘আমি সহশিল্পী হিসেবে তাকেই গুরুত্ব দিই, যার সঙ্গে অভিনয় করলে মনেই হয় না আমি অভিনয় করছি। আমার কাছে মনে হয়েছে, তেমনই একজন অভিনয়শিল্পী সাদিয়া আয়মান। প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত—এমনকি ডাবিংয়ের সময়েও সাদিয়া চরিত্রের মধ্যেই ছিল। শুরু থেকেই সে গল্পের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছে। সহশিল্পী হিসেবে আমি বলব, সাদিয়া ১০–এ ১০ পাবে।’

জিয়াউল হক পলাশ। ছবি: ফেসবুক থেকে
জিয়াউল হক পলাশ। ছবি: ফেসবুক থেকে

এ সময় পলাশের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সাদিয়া আয়মান। পলাশের অভিনয় নিয়ে সাদিয়া জানান, বিড়াল নিয়ে গল্প হলেও শুরুতে পলাশ বিড়াল নিয়ে কিছুটা ভয়ের মধ্যে ছিলেন। পরে সেই ভয় কেটেছে। পুরো গল্পে মনেই হয়নি পলাশ বিড়াল ভয় পান, বলেন সাদিয়া।

সাদিয়া আয়মান। ছবি: ফেসবুক থেকে
সাদিয়া আয়মান। ছবি: ফেসবুক থেকে

সাদিয়া আয়মান প্রিমিয়ার শেষে সিনেমাটি সম্পর্কে বলেন, ‘আমার কাছে কাজটি অনেক স্পেশাল। প্রথম অনেক কিছুই আছে এই ফিল্মে। আমার সহশিল্পী ও বঙ্গের সঙ্গে প্রথম কাজ। আমি নিজেও একজন পেট (বিড়াল) লাভার। আমার পোষা তিনটা বিড়াল আছে। আমি ওদের সঙ্গে খুবই কানেকটেড। এ কারণে অভিনয়ের সময় অনেক কিছুই আমাকে সহায়তা করেছে। অনুভূতিগুলো আমার জানা। শুটিংয়েও দারুণ সময় কেটেছে। এটা দর্শকদের ভালো লাগবে।’

পরিচালক অমিতাভ রেজা চৌধুরী। ছবি: ফেসবুক
পরিচালক অমিতাভ রেজা চৌধুরী। ছবি: ফেসবুক

সাদিয়া আয়মান ও পলাশের প্রেমের গল্প নিয়েই এগিয়ে যাবে সিনেমাটি। ‘লাভ সিটার’ যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন অমিতাভ রেজা চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী মুশফিকা মাসুদ। ওয়েব ফিল্মটি নিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অমিতাভ রেজা বলেন, ‘গল্পটি আমার কাছে খুব ব্যক্তিগত। বড় শহরে মানুষে ভরা জীবনের মধ্যেও একধরনের নিঃসঙ্গতা থাকে, যা অনেক সময় আমরা নিজেরাও বুঝতে পারি না। ‘লাভ সিটার’ সেই নিঃসঙ্গতার ভেতরে জন্ম নেওয়া এক অদ্ভুত সম্পর্কের গল্প। আমরা দেখতে চেয়েছি, ভালোবাসা সব সময় বড় কোনো নাটকীয় ঘটনা নয়; অনেক সময় তা খুব নীরব, খুব সাধারণ, কিন্তু গভীরভাবে মানবিক।’

এখন পর্যন্ত ৪১ লাখ করদাতা আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন। আর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ই–রিটার্ন সিস্টেমে প্রায় ৫০ লাখ করদাতা নিবন্ধন নিয়েছেন।

সোমবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।

৩১ মার্চ পর্যন্ত ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা তাঁদের সারা বছরের আয়–ব্যয়ের খরচ জানিয়ে আয়কর রিটার্ন দিতে পারবেন। তবে ওই সময়ের মধ্য কেউ যদি রিটার্ন দিতে না পারেন, তাহলে অনলাইনে সময় বাড়ানোর আবেদন করতে পারবেন বলে এনবিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এতে ৯০ দিন পর্যন্ত সময় বাড়ানো যাবে। সময় বাড়ানোর আবেদন অবশ্যই ৩১ মার্চের মধ্যে করতে হবে।

চলতি বছরে কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া সব করদাতার অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। এনবিআরের ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন নিয়ে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া যায়।

বর্তমানে ১ কোটি ২০ লাখের মতো কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী আছেন।

রাজনৈতিক বিবেচনায় ২০০৬ সালে নিয়োগ বঞ্চিত হওয়া ৩৩০ জন পুলিশ সদস্যকে অবশেষে চাকরিতে যোগদানের সুযোগ দিচ্ছে সরকার। দীর্ঘ ১৯ বছর পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এই নিয়োগ আদেশ প্রত্যাহারের মাধ্যমে তাদের চাকরিতে যোগদানের সুযোগ দেয়া হয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-২ থেকে জারি করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

উপসচিব ফরিদা খানম স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, ২০০৬ সালে নিয়োগের জন্য বাছাইকৃত এই ৩৩০ জন কর্মকর্তাকে বিশেষ কিছু শর্তে চাকরিতে নিয়োগের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৭ সালে যদি নিয়োগ প্রক্রিয়াটি বাতিল না হতো, তবে আবেদনকারীরা স্বাভাবিক নিয়মে যে তারিখে চাকরিতে যোগদান করতেন, সেই তারিখ থেকেই তাদের ভূতাপেক্ষ জ্যেষ্ঠতা (আর্থিক সুবিধা ব্যতীত) নির্ধারণ করা হবে। এ ছাড়া নিয়োগপ্রাপ্তদের মৌলিক প্রশিক্ষণকাল ৬ মাসসহ মোট দুই বছর শিক্ষানবিশকাল হিসেবে গণ্য হবে।

লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফল এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-বিধান অনুসরণ করে পরবর্তী সময়ে এই ব্যাচের গ্রেডেশন তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, বর্তমানে আবেদনকৃত ৩৩০ জন ছাড়াও একই ব্যাচের অন্য কোনো প্রার্থী যদি ভবিষ্যতে চাকরি ফেরত পাওয়ার আবেদন করেন, তবে গঠিত কমিটি কর্তৃক প্রার্থীর বৈধতা যাচাই এবং পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হওয়া সাপেক্ষে তাদেরও একই প্রক্রিয়ায় নিয়োগ দেয়া হবে।

২০০৬ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে এই সার্জেন্ট ও সাব-ইন্সপেক্টরদের নিয়োগের জন্য বাছাই করা হয়েছিল। তবে ২০০৭ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর ‘দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ’ হয়েছে–এমন অভিযোগে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াটি বাতিল করা হয়। দীর্ঘদিন আইনি ও প্রশাসনিক লড়াইয়ের পর অবশেষে বর্তমান সরকার তাদের নিয়োগ পুনর্বহালের নির্দেশ দিলো।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ আইন ও বিধিবিধান অনুসরণ করে দ্রুত পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছে।

ঢাকা থেকে নিজ এলাকায় ফেরার পথে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আতিকুর রহমান মুজাহিদ।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে রংপুর–কুড়িগ্রাম মহাসড়কের কাউনিয়া বেইলী ব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এসময় সংসদ সদস্যের পাশাপাশি তার গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত সহকারীও গুরুতর আহত হয়েছেন।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, এমপিকে বহনকারী হাইব্রিড গাড়িটি কাউনিয়া বেইলী ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে, সংসদ সদস্যের গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে খাদে পড়ে গিয়ে দুমড়েমুচড়ে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয় পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে।

‘বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী দেশব্যাপী খাল খনন কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে’
দুর্ঘটনায় এমপি আতিকুর রহমান মুজাহিদ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পেয়েছেন। তবে তার আঘাত গুরুতর না হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে তিনি বর্তমানে নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। কিন্তু তার গাড়িচালক ও ব্যক্তিগত সহকারীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। পুলিশ তাদের উদ্ধার করে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে। বর্তমানে সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে।

কাউনিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটিকে চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। তবে ঘন কুয়াশা নাকি ট্রাকের বেপরোয়া গতির কারণে এই সংঘর্ষ হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মহাসড়কের ওই এলাকাটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় দ্রুত উদ্ধার কাজ শেষ করে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।

 

বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জাট বলেন, ‘গত এক দশকে বাংলাদেশে প্রায় অর্ধেক কর্মক্ষম তরুণ চাকরি পাননি। তরুণীরা এ ক্ষেত্রে আরও বড় বাধার মুখে পড়েছেন।’

জোহানেস জাট আরও বলেন, গত এক দশকে বাংলাদেশের শ্রমবাজারে ১ কোটি ৪০ লাখ তরুণ প্রবেশ করেছেন, যেখানে কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে ৮৭ লাখ।

আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জোহানেস জাট এই কথা বলেন। তিনি তিন দিনের সফর শেষে আজ ঢাকা ত্যাগ করেন। সফরকালে তিনি অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করেন। এসব বৈঠকে সরকারের উন্নয়ন অগ্রাধিকার এবং কোন কোন ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংক সহায়তা করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়।

গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে জোহানেস জাট বলেন, সরকার বৃহৎ পরিসরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিনিয়োগকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বিশ্বব্যাংক গ্রুপও অগ্রাধিকারে সহায়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই প্রেক্ষাপটে যুবক ও নারীদের জন্য চাকরি তৈরির সরকারি অগ্রাধিকারে সহায়তা বাড়ানো হচ্ছে।

জোহানেস জাট আরও বলেন, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা বাড়ার প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির পথে বিদ্যমান মৌলিক প্রতিবন্ধকতা দূর করতে দীর্ঘদিনের অপেক্ষমাণ সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক খাতের সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিশ্বব্যাংক সদস্যদেশগুলোকে এমন অর্থনীতি গড়ে তুলতে সহায়তা করছে, যেখানে প্রবৃদ্ধি স্থানীয় কর্মসংস্থানে রূপ নেয়। বৃহৎ পরিসরে কর্মসংস্থান ত্বরান্বিত করতে বিশ্বব্যাংক ভৌত ও মানবিক অবকাঠামোতে বিনিয়োগ করছে, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সহায়তা দিচ্ছে এবং বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করছে।

স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো উন্নয়ন অংশীদারদের মধ্যে বিশ্বব্যাংক অন্যতম। সংস্থাটি এ পর্যন্ত বাংলাদেশকে ৪৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থায়ন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর মধ্যে অনুদান, সুদমুক্ত ঋণ এবং স্বল্প সুদে ঋণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

দেশের কৃষি খাতের আধুনিকায়ন এবং প্রান্তিক কৃষকদের সরাসরি রাষ্ট্রীয় সহায়তার আওতায় আনতে পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ২২ হাজার কৃষকের মধ্যে ‘ফার্মস কার্ড’ বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী পহেলা বৈশাখ টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সাংবাদিকদের জানান, এটি সরকারের একটি প্রি-পাইলটিং প্রজেক্ট। পহেলা বৈশাখ প্রধানমন্ত্রী টাঙ্গাইলে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করার পাশাপাশি দেশের মোট ১১টি উপজেলায় একযোগে এই কার্ড কৃষকদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

মূলত বিএনপির নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে এই ‘ফার্মস কার্ড’ ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে, যা কৃষি ভর্তুকি ও অন্যান্য সহায়তা সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছে দিতে সহায়তা করবে।

প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ১১টি উপজেলাকে এই কার্ড বিতরণের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। এই উপজেলাগুলোর কৃষকরাই প্রথম সরকারি এই বিশেষ ডিজিটাল কার্ডের সুবিধা ভোগ করবেন। নির্বাচিত উপজেলাগুলো হলো: টাঙ্গাইল সদর, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ এবং জামালপুরের ইসলামপুর, পঞ্চগড়ের সদর, পঞ্চগড়ের বোদা এবং বগুড়ার শিবগঞ্জ, পিরোজপুরের নেছারাবাদ এবং ঝিনাইদহের শৈলকুপা, কক্সবাজারের টেকনাফ, কুমিল্লার আদর্শ সদর এবং মৌলভীবাজারের জুড়ী।

সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী মো. আমিনুর রশীদ, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু। এছাড়াও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

 

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব