• Colors: Yellow Color

হলিউডের ডলবি থিয়েটারে বসেছিল ২০২৬ সালের অস্কার। বছরের সবচেয়ে বড় এই চলচ্চিত্র আসর মানেই ঝলমলে রেড কার্পেট। মনোনীত তারকা থেকে অতিথি, অনেকে বছরের সবচেয়ে চোখধাঁধানো পোশাকটি তুলে রাখেন এই রাতের জন্যই। এবারের আসরেও দেখা গেল রঙের বাহার, ক্ল্যাসিক কালো, রূপকথার মতো সাদা গাউন। রেড কার্পেটের সেরা ২১টি ফ্যাশন মুহূর্ত দেখে নেওয়া যাক।

এল ফ্যানিং, জিভঁশি

এল ফ্যানিং
এল ফ্যানিংছবি: এএফপি

রূপকথার রাজকন্যার মতো স্ট্র্যাপলেস সাদা বলগাউনে হাজির হন এল ফ্যানিং। সারা বার্টনের ডিজাইন করা এই জিভঁশি গাউনের সঙ্গে ছিল ১৯০৩ সালের একটি কার্তিয়ের নেকলেস।

কেট হাডসন, আরমানি প্রিভে

কেট হাডসন
কেট হাডসনছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

মিন্ট-সবুজ ক্রিস্টাল-সাজানো আরমানি প্রিভে গাউনে পুরোনো হলিউডের গ্ল্যামার ফিরিয়ে আনেন কেট হাডসন। তাঁর গলায় ছিল বিরল সবুজ হীরার গয়না।

জেসি বাকলি, শ্যানেল

জেসি বাকলি
জেসি বাকলি, ছবি: এএফপি

সেরা অভিনেত্রী বিভাগে মনোনীত জেসি বাকলি গোলাপি ও লালের মিশেলে অফ-শোল্ডার শ্যানেল গাউনে নজর কাড়েন। পোশাকটির অনুপ্রেরণা ১৯৫৬ সালের অস্কারে গ্রেস কেলির পরা ঐতিহাসিক গাউন।

রেনাতে রেইন্সভে, লুই ভুইতোঁ

রেনাতে রেইন্সভে
রেনাতে রেইন্সভে, ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

লাল রঙের অ্যাসিমেট্রিক লুই ভুইতোঁ গাউনে নজর কাড়েন রেনাতে রেইন্সভে। এক পাশে উঁচু স্লিট আর স্কারলেট লিপস্টিক ছিল তাঁর সাজের অংশ।

ফেলিসিটি জোনস, প্রাডা

ফেলিসিটি জোনস
ফেলিসিটি জোনসছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

হালকা হলুদ প্রাডা গাউনে দেখা যায় ফেলিসিটি জোনসকে। টিউল ও সূক্ষ্ম বিডিং পোশাকটিকে দিয়েছে নরম, মার্জিত সৌন্দর্য।

উনমি মোসাকু, লুই ভুইতোঁ

উনমি মোসাকু
উনমি মোসাকুছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

সবুজ সিকুইনের কাস্টম লুই ভুইতোঁ গাউনে ঝলমল করছিলেন উনমি মোসাকু। কাঁধের কাট–আউট ডিজাইন ছিল পোশাকটির বিশেষত্ব।

ইজে, ডিওর

ইজে
ইজেছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

সোনালি ঝলমলে ডিওর গাউনে রেড কার্পেটে নজর কাড়েন গায়িকা-গীতিকার ইজে। সঙ্গে ছিল সোয়ারোভস্কি গয়না।

বারবি ফেরেইরা, গ্যাপ স্টুডিও

বারবি ফেরেইরা
বারবি ফেরেইরাছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

ইন্ডিগো রঙের নাটকীয় গাউনে হাজির হন বারবি ফেরেইরা। করসেট টপ ও ভলিউমিনাস স্কার্টে ছিল আলাদা স্টাইল।

মাইকি ম্যাডিসন, ডিওর

মাইকি ম্যাডিসন
মাইকি ম্যাডিসন, ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
 

গাঢ় বারগান্ডি রঙের করসেটেড ডিওর গাউনে দেখা যায় মাইকি ম্যাডিসনকে। রুচড কাপড়ের নকশা পোশাকটিকে দিয়েছে রাজকীয় আভা।

চেজ ইনফিনিটি, লুই ভুইতোঁ

চেজ ইনফিনিটি
চেজ ইনফিনিটিছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

হালকা লাইলাক রঙের গাউনে রেড কার্পেটে হাঁটেন ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ ছবির অভিনেত্রী চেজ ইনফিনিটি। এক পাশ থেকে নেমে আসা স্তরযুক্ত ফ্রিল গাউনটিকে করেছে আলাদা।

এমা স্টোন, লুই ভুইতোঁ

এমা স্টোন
এমা স্টোনছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

মুক্তার মতো ঝলমলে সিল্কের লুই ভুইতোঁ পোশাকে হাজির হন এমা স্টোন। গভীর কাটের ব্যাক ডিজাইন তাঁর সাজকে দিয়েছে আলাদা মাত্রা।

গিনেথ প্যালট্রো, আরমানি প্রিভে

গিনেথ প্যালট্রো
গিনেথ প্যালট্রোছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

আইভরি রঙের স্ট্র্যাপলেস আরমানি প্রিভে গাউনে হাজির হন গিনেথ প্যালট্রো। পাশে কাট-আউট ডিজাইন আর টিফানি অ্যান্ড কোং গয়না ছিল তাঁর সাজে।

নিকোল কিডম্যান, শ্যানেল

নিকোল কিডম্যান
নিকোল কিডম্যানছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

ব্লাশ-পিংক রঙের স্ট্র্যাপলেস শ্যানেল গাউনে হাজির হন নিকোল কিডম্যান। পালক-সাজানো বডিস ও স্কার্ট ছিল পোশাকটির বিশেষ আকর্ষণ।

ডেমি মুর, গুচি

ডেমি মুর
ডেমি মুরছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

পাখির পালকে সাজানো কাস্টম গুচি গাউনে ঝলমল করছিলেন ডেমি মুর। সঙ্গে ছিল বুশেরোঁ গয়না।

জোয়ি সালদানা, সাঁ লরাঁ

জোয়ি সালদানা
জোয়ি সালদানাছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

লেস বুস্তিয়েরসহ কালো কলাম গাউনে এলিগ্যান্ট লুক বেছে নেন জোয়ি সালদানা। সঙ্গে ছিল কার্তিয়েরের স্টেটমেন্ট নেকলেস।

রোজ বার্ন, ডিওর

রোজ বার্ন
রোজ বার্নছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

ফুলের অলংকরণসহ স্ট্র্যাপলেস কালো ডিওর গাউনে এলিগ্যান্ট লুক বেছে নেন রোজ বার্ন।

অ্যান হ্যাথাওয়ে, ভ্যালেন্টিনো

অ্যান হ্যাথাওয়ে
অ্যান হ্যাথাওয়েছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

ফুলের নকশার স্ট্র্যাপলেস ট্রাম্পেট গাউনে হাজির হন অ্যান হ্যাথাওয়ে। সঙ্গে ছিল কালো অপেরা গ্লাভস ও বুলগারি গয়না।

টেয়ানা টেলর, শ্যানেল

টেয়ানা টেলর
টেয়ানা টেলরছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

সাদা-কালো গাউনে নজর কাড়েন টেয়ানা টেলর। আধা স্বচ্ছ বডিস ও দীর্ঘ টেক্সচার্ড ট্রেন পোশাকটিকে করেছে নাটকীয়।

মিয়া গথ, ডিওর

মিয়া গথ
মিয়া গথছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

রোমান্টিক সাদা লেসের ডিওর গাউনে একেবারে ব্রাইডাল লুক নিয়েই হাজির হন মিয়া গথ।

ওডেসা এ’জায়ন, ভ্যালেন্টিনো

ওডেসা এ’জায়ন
ওডেসা এ’জায়নছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

দীর্ঘ হাতার স্বচ্ছ ভ্যালেন্টিনো পোশাকে হাজির হন ওডেসা এ’জায়ন। সূক্ষ্ম অলংকরণে সাজানো ছিল পুরো গাউন।

গ্রেসি অ্যাব্রামস, শ্যানেল

গ্রেসি অ্যাব্রামস
গ্রেসি অ্যাব্রামস, ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
 

কালো সিকুইন টপ ও লো-রাইজ স্কার্টে রেড কার্পেটে হাজির হন গায়িকা গ্রেসি অ্যাব্রামস। সঙ্গে ছিল লম্বা শিফন স্কার্ফ।

সূত্র: এল

বিশ্ব চলচ্চিত্রের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অস্কার বা একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের ৯৮তম আসর জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ডলবি থিয়েটারে। স্থানীয় সময় রোববার (১৫ মার্চ) রাতে লস অ্যাঞ্জেলেসের এই বিখ্যাত ভেন্যুতে বসে বিশ্ব তারকাদের বহুল প্রতীক্ষিত এই অনুষ্ঠান।

এ বছরের আসরে বিভিন্ন শাখায় সেরা শিল্পী, নির্মাতা ও চলচ্চিত্রের নাম ঘোষণা করা শুরু হয়েছে। উপস্থাপক হিসেবে মঞ্চে রয়েছেন জনপ্রিয় কমেডিয়ান ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব কোনান ও’ব্রায়েন, যিনি একে একে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করছেন।

চলচ্চিত্র অঙ্গনের তারকা, নির্মাতা ও অতিথিদের উপস্থিতিতে জমকালো পরিবেশে শুরু হয় অস্কারের এই আয়োজন। লাল গালিচায় বিশ্বজুড়ে খ্যাতিমান অভিনেতা-অভিনেত্রীদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

৯৮তম অস্কারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ সেরা চলচ্চিত্র, সেরা পরিচালক, সেরা অভিনেতা ও অভিনেত্রীসহ অন্যান্য ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের নাম ধাপে ধাপে ঘোষণা করা হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে কোটি দর্শক টেলিভিশন ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এই আয়োজন সরাসরি উপভোগ করছেন।

এক নজরে জেনে নেয়া যাক, উল্লেখযোগ্য বিভাগে কাদের হাতে উঠলো এবারের পুরস্কারঃ

সেরা অভিনেতা: মাইকেল বি জর্ডান (সিনার্স)

সেরা অভিনেত্রী: জেসি বাকলি

সেরা পার্শ্ব অভিনেতা: শন পেন (ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার)

সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী: অ্যামি ম্যাডিগান (ওয়েপনস)

সেরা পরিচালক: পল টমাস অ্যান্ডারসন

সেরা সিনেমা: ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার

সেরা মৌলিক চিত্রনাট্য: সিনার্স

সেরা চিত্রনাট্য (অ্যাডাপ্টেড): ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার

সেরা অ্যানিমেটেড ফিচার ফিল্ম: কেপপ ডেমন হান্টার্স

সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য অ্যানিমেটেড: দ্য গার্ল হু ক্রাইড পার্লস

সেরা কস্টিউম ডিজাইন: ফ্রাঙ্কেনস্টাইন

সেরা মেকাপ ও হেয়ারস্টাইলিং: ফ্র্যাঙ্কেস্টাইন

সেরা প্রোডাকশন ডিজাইন: ফ্র্যাঙ্কেস্টাইন

সেরা সম্পাদনা: ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার

সেরা ভিজুয়াল ইফেক্টস: অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ

সেরা মৌলিক গান: গোল্ডেন (কেপপ ডেমন হান্টার্স)

সেরা মৌলিক সংগীত: সিনার্স

সেরা সাউন্ড: এফ১

সেরা ডকুমেন্টারি ফিচার ফিল্ম: মিস্টার নোবডি এগেনস্ট পুতিন

সেরা আন্তর্জাতিক ফিচার ফিল্ম: সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু

সেরা সিনেমাটোগ্রাফি: সিনার্স।

 

বলিউডের অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী আলিয়া ভাটের ৩৩তম জন্মদিন আজ। তারকা পরিবারে জন্ম নিলেও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। আলিয়া মনে করেন, তাঁর সাফল্যের পেছনে রয়েছে বাবা-মায়ের দীর্ঘ সংগ্রামের গল্প।
সম্প্রতি এল ইউকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আলিয়া ভাট নিজের পরিবার ও বেড়ে ওঠা নিয়ে কথা বলেন। সেখানে তিনি তাঁর মা সোনি রাজদানের অভিনয়জীবনের শুরুর দিকের কঠিন সময়ের কথা স্মরণ করেন। আলিয়ার কথায়, সোনি রাজদান একেবারে অচেনা একজন মানুষ হিসেবে অভিনয়ের জগতে পা রেখেছিলেন। চলচ্চিত্রে তাঁর কোনো পরিচিতি ছিল না, এমনকি হিন্দি ভাষাতেও তিনি খুব স্বচ্ছন্দ ছিলেন না।

তবু অভিনয়ের স্বপ্ন নিয়ে তিনি থিয়েটার থেকে শুরু করে চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনের স্টুডিও—সব জায়গায় ঘুরে ঘুরে অডিশন দিয়েছেন। ভাষাগত সীমাবদ্ধতা ও সুযোগের অভাব থাকা সত্ত্বেও তিনি হাল ছাড়েননি। যদিও মূলধারার নায়িকা হিসেবে খুব বেশি সুযোগ পাননি, তবু অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা আর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের জায়গা তৈরি করেছেন।

আলিয়া তাঁর বাবা খ্যাতিমান পরিচালক মহেশ ভাটের জীবন নিয়েও কথা বলেন। তিনি জানান, মহেশ ভাটের জীবনেও একসময় বড় ধরনের সংকট এসেছিল। সেই সময় তাঁর বেশ কয়েকটি সিনেমা পরপর বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়। আর্থিক দিক থেকেও তিনি তখন সংকটের মধ্যে ছিলেন। পাশাপাশি তখন তিনি মদ্যপানে আসক্ত ছিলেন।

আলিয়া ভাট। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
আলিয়া ভাট। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

আলিয়া ভাট। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে পরে মহেশ ভাট মদ্যপান ছেড়ে দেন এবং ধীরে ধীরে আবার কাজে মন দেন। তবে দীর্ঘ সময় ধরে তাঁর জীবন ও ক্যারিয়ার নানা ওঠানামার মধ্য দিয়ে গেছে। আলিয়ার মতে, তাঁর মা–বাবা অনেক সংগ্রাম করে এমন একটি জায়গায় পৌঁছেছেন, যার সুফল তিনি আজ পাচ্ছেন।

এ কারণেই নিজের অবস্থান সম্পর্কে তিনি সচেতন বলে জানান আলিয়া। তিনি বলেন, যদি কোনো দিন তাঁর অভিনয়জীবন ভালো না চলে বা তিনি আর চলচ্চিত্রে কাজ না পান, তবু তিনি কখনো অভিযোগ করবেন না। কারণ, তিনি জানেন, অনেক মানুষের সেই সুযোগটুকুও থাকে না।

আলিয়া ভাট। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
আলিয়া ভাট। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

২০১২ সালে করণ জোহর পরিচালিত ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় আলিয়ার। এরপর ‘হাইওয়ে’, ‘রাজি’, ‘গাল্লি বয়’, ‘উড়তা পাঞ্জাব’, ‘গাঙ্গুবাই কাঠিয়াবাড়ি’সহ একাধিক আলোচিত ছবিতে অভিনয় করে তিনি নিজেকে বলিউডের শীর্ষ অভিনেত্রীদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। অভিনয়ের জন্য একাধিকবার ফিল্মফেয়ার পুরস্কারও পেয়েছেন।

ব্যক্তিজীবনে ২০২২ সালে অভিনেতা রণবীর কাপুরকে বিয়ে করেন আলিয়া ভাট। একই বছর তাঁদের কন্যাসন্তান রাহা কাপুরের জন্ম হয়। অভিনয়ের পাশাপাশি এখন পরিবার ও কাজ—দুটিই সমানভাবে সামলাচ্ছেন তিনি।

২০২৫ সালের জুলাইয়ে রুবেল আনুশের ‘রূপ’ নাটক দিয়ে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন ইন্দ্রাণী নিশি। এরপর সাত মাসের ক্যারিয়ারে সাতটির মতো নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। তিনটি মুক্তি পেয়েছে, মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে চারটি।

[caption id="attachment_269342" align="alignnone" width="836"] ইন্দ্রাণী নিশি[/caption]

রোমান্টিক নাটকে অভিনয় করে পরিচিতি পেলেও ঈদে নিশিকে রাজনৈতিক গল্পের একটি নাটকে দেখা যাবে। প্রতিবাদ নামে নাটকটি নির্মাণ করেছেন নির্মাতা জারসন বম। নাটকে তাঁকে রাজনীতি–সচেতন এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর চরিত্রে দেখা যাবে।

‘রূপ’ নাটক দিয়ে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন ইন্দ্রাণী নিশি
‘রূপ’ নাটক দিয়ে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন ইন্দ্রাণী নিশিশিল্পীর সৌজন্যে

তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছেন প্রান্তর দস্তিদার। প্রতিবাদ ছাড়াও রহিম সুমনের এলোমেলো বাতাস ও পাভেল ইসলামের হারিয়ে পাওয়া নাটকে কাজ করেছেন নিশি। মুক্তির অপেক্ষায় থাকা এলোমেলো বাতাস–এ নিশির বিপরীতে আছেন প্রথম নাটকের সহশিল্পী সাদ সালমি নাওভী। আজ এনটিভিতে প্রচারিত হতে যাওয়া হারিয়ে পাওয়াতে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছেন প্রান্তর দস্তিদার।

ইন্দ্রাণী নিশি
ইন্দ্রাণী নিশিশিল্পীর সৌজন্যে

নাম চূড়ান্ত না হওয়া আরেকটি নাটকের শুটিংও শেষ করেছেন নিশি। এতে শরাফ আহমেদ জীবনসহ অনেকে অভিনয় করেছেন।

সাত নাটকের মধ্যে নাওভী ও প্রান্তর দস্তিদারের সঙ্গে জুটি গড়েছেন নিশি। ‘ওদের সঙ্গেই বেশি কাজ হয়েছে। দুজনে দারুণ মানুষ পরিচালকরাও আমাদের নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে,’ বলেন নিশি।

ইন্দ্রাণী নিশি
ইন্দ্রাণী নিশিশিল্পীর সৌজন্যে
মডেলিং থেকে অভিনয়ে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগে পড়াশোনা করেছেন নিশি। ২০১৯ সালে স্নাতকে তৃতীয় বর্ষে পড়ার সময় বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেলিং দিয়ে অভিষেক। বিজ্ঞাপনচিত্রটি নির্মাণ করেন আশফাকুজ্জামান বিপুল।

জীবনের প্রথম শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানিয়ে নিশি বলেন, ‘সেবারই প্রথম এফডিসিতে গিয়েছিলাম।’ পরে বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনচিত্রে তাঁকে দেখা গেছে। ২০২০ সালে আরটিভির রিয়েলিটি শো ‘ক্যাম্পাস স্টার’–এ চ্যাম্পিয়ন হন নিশি। এরপর আরটিভিতে ‘তারকালাপ’ দিয়ে উপস্থাপনায় অভিষেক।

২০২০ সালে আরটিভির রিয়েলিটি শো ‘ক্যাম্পাস স্টার’–এ চ্যাম্পিয়ন হন নিশি
২০২০ সালে আরটিভির রিয়েলিটি শো ‘ক্যাম্পাস স্টার’–এ চ্যাম্পিয়ন হন নিশি, শিল্পীর সৌজন্যে

বছর দুয়েক পর মাছরাঙা টেলিভিশনে উপস্থাপনা শুরু করেন। ‘বিনোদন সারাদিন’ ও ‘রূপকথা’ নামে দুটি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন।  ‘বিনোদন সারাদিন’–এ অতিথি হয়ে এসেছিলেন নির্মাতা রুবেল আনুশ। সেই পরিচয়ের সূত্রেই পরে রুবেল আনুশের রূপ নাটক দিয়ে অভিনয়ে অভিষেক।

প্রথমবার অভিনয়ের অভিজ্ঞতা জানিয়ে ইন্দ্রাণী নিশি বলেন, ‘পর্দায় অভিনয় পুরোটাই আলাদা। খুব নার্ভাস ছিলাম; কীভাবে কী করব, বুঝতে পারছিলাম না। শেষ পর্যন্ত কাজটা করেছি।’

 ইন্দ্রাণী নিশি
ইন্দ্রাণী নিশিশিল্পীর সৌজন্যে
 

রূপ নাটকটি পুরো পরিবার নিয়ে দেখেছেন। সেই অভিজ্ঞতা জানিয়ে নিশি বলেন, ‘এক্সপ্রেশন (অভিব্যক্তি) ঠিকমতো হলো কি না, দর্শক কীভাবে নিচ্ছেন—সবকিছু মিলিয়ে বেশ নার্ভাস ছিলাম। আমার শেখার ঘাটতি ছিল। তবে ভালো সাড়া পেয়েছি। এখনো শিখছি। ভালো ভালো কাজ করতে চাই।’

নিশির জন্ম নড়াইলে
নিশির জন্ম নড়াইলেশিল্পীর সৌজন্যে

আগে থেকেই নিশির অভিনয়ে আসার স্বপ্ন, সে কারণেই থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগে ভর্তি হন। থিয়েটারও করেছেন। সিনেমা নিয়েও আগ্রহী নিশি, ‘বেশ কিছু কাজের জন্য অডিশন দিয়েছি। স্বাধীন চলচ্চিত্র ও কমার্শিয়াল সিনেমা নিয়ে আগ্রহী।’

নিশির জন্ম নড়াইলে হলেও বাবার চাকরি সূত্রে রংপুর ও যশোরে বেড়ে ওঠা।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভুটান সীমান্তবর্তী একটি ছোট্ট গ্রাম টোটোপাড়া। সেখানে বসবাস ভারতের অন্যতম প্রাচীন, ক্ষুদ্র ও বিপন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠী টোটো সম্প্রদায়ের। বহুদিন ধরেই তাদের নিজস্ব ভাষা থাকলেও ছিল না কোনো লিখিত বর্ণমালা। ফলে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে ছিল ভাষাটি। অদ্ভুত হলেও সত্য—এই ভাষার জন্য বর্ণমালা তৈরির প্রেরণা এসেছে বাংলাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লার গাওয়া একটি গান থেকে। প্রায় চার দশক আগে গাওয়া তাঁর ‘তুমি আমি লিখি প্রাণের বর্ণমালা’ গানটির একটি লাইনই নাকি বদলে দেয় এক আদিবাসী মানুষের ভাবনা। সেই খবর জানার পর নিজের অনুভূতির কথাও জানিয়েছেন দেশবরেণ্যে এই শিল্পী।

সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা
সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা

পশ্চিমবঙ্গের আলিপুরদুয়ার জেলার টোটোপাড়া গ্রামে বসবাসকারী টোটো সম্প্রদায়ের ভাষা দীর্ঘদিন ধরে শুধু কথ্য রূপেই প্রচলিত ছিল। লিখিত কোনো লিপি না থাকায় ভাষাটি ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে কয়েক বছর আগে টোটো ভাষার জন্য একটি স্বতন্ত্র বর্ণমালা তৈরি করে আলোচনায় আসেন ধনীরাম টোটো।

ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় ধনীরাম টোটোর এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করে। তবে খুব কম মানুষই জানেন, এই উদ্যোগের পেছনে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে একটি গান। ধনীরাম টোটো এক সাক্ষাৎকারে জানান, একদিন রেডিওতে তিনি শুনছিলেন রুনা লায়লার গাওয়া গান—‘তুমি আমি লিখি প্রাণের বর্ণমালা’। গানের এই লাইন তাঁর মনে গভীরভাবে দাগ কাটে। তখনই তাঁর মনে প্রশ্ন জাগে—যদি অন্য ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা থাকতে পারে, তবে টোটো ভাষার কেন থাকবে না?

ঢাকার পাঁচতারা হোটেলে প্রথম আলোর ক্যামেরায় উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা
 উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা
 

সেই ভাবনা থেকেই শুরু হয় তাঁর দীর্ঘ গবেষণা ও প্রচেষ্টা। পরে তিনি টোটো ভাষার জন্য একটি স্বতন্ত্র লিপি তৈরি করেন, যা এখন ‘টোটো-হরফ’ বা ‘তোত্বিকো আল্লাবেত’ নামে পরিচিত। টোটো ভাষা সংরক্ষণের আরেকটি উদ্যোগ নিয়েছিলেন ভক্ত টোটো। তিনি বাংলা বর্ণমালা ব্যবহার করে এই লুপ্তপ্রায় ভাষাকে নথিভুক্ত করার চেষ্টা শুরু করেন।

স্থানীয়ভাবে টোটো ভাষার শব্দ সংগ্রহ, গল্প লেখা ও প্রাথমিক শিক্ষায় ভাষাটি ব্যবহারের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। তবে চ্যালেঞ্জ এখনো কম নয়। আলিপুরদুয়ার জেলার তোর্সা নদীর তীরে বসবাসকারী এই ছোট্ট জনগোষ্ঠীর সামনে ভাষা টিকিয়ে রাখার লড়াই এখনো চলছে। আধুনিক শিক্ষা, বহিরাগত সংস্কৃতির প্রভাব ও সীমিত জনসংখ্যার কারণে ভাষাটি সংরক্ষণ করা কঠিন হয়ে উঠেছে। তবু নিজেদের ভাষা ও সংস্কৃতি বাঁচিয়ে রাখতে নতুন প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে টোটো সম্প্রদায়।
রুনা লায়লা
রুনা লায়লা
 

দেড় মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্রে মেয়ে ও নাতি–নাতনির সঙ্গে সময় কাটিয়ে ৫ মার্চ দেশে ফিরেছেন রুনা লায়লা। তাঁকে যখন এ ঘটনা জানানো হয় এবং এ নিয়ে বিবিসি বাংলার একটি প্রতিবেদনের ইউটিউব লিংক পাঠানো হয়, তখন তিনি জানান—বিষয়টি তিনি দেখেছেন এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের কয়েকজনও তাঁকে সেই প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন। আলাপচারিতায় তিনি বলেন, একটি গান শুধু বিনোদন নয়, অনেক সময় তা মানুষের মনে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।

রুনা লায়লার ভাষায়, ‘একটা গান যখন মানুষের মনের ভেতরে ঢোকে, তখন তা নানাভাবে প্রভাব ফেলে। সংগীত দিয়ে অসুস্থ মানুষকেও সুস্থ করে তোলা যায়—এ কথাও তো বলা হয়। প্রত্যেকটা গানই কিন্তু একধরনের বার্তা দেয়।’ কথা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘এই গানের বার্তা যে একটি বিপন্ন জনগোষ্ঠীর কাছেও পৌঁছেছে এবং তাদের উদ্বুদ্ধ করেছে—এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। এতে আবারও মনে হলো, ভালো গানের শক্তি কত বড়।’

 রুনা লায়লা
রুনা লায়লা
 

গানটির পেছনের গল্প বলতে গিয়ে রুনা লায়লা ফিরে গেলেন সত্তরের দশকের শেষ দিকে। জানালেন, ‘তুমি আমি লিখি প্রাণের বর্ণমালা’ গানের কথা লিখেছিলেন কবি শামসুর রাহমান, আর সুর করেছিলেন খন্দকার নূরুল আলম। বাংলাদেশ বেতারের ট্রান্সক্রিপশন সার্ভিসের জন্য শাহবাগের বেতার ভবনে গিয়ে গানটি রেকর্ড করেছিলেন তিনি। পরে বাংলাদেশ টেলিভিশনেও এটি পরিবেশন করেছিলেন।

গানটি গাওয়ার প্রস্তাব পাওয়ার স্মৃতি মনে করে রুনা লায়লা বলেন, ‘একদিন খন্দকার নূরুল আলম ভাই বাসায় ফোন করে বললেন—একটা দেশাত্মবোধক গান করতে চান এবং আমি যেন গাই। আমি বলেছিলাম, অবশ্যই গাইব। কেন গাইব না? এরপর বেতারে গিয়ে গানটি রেকর্ড করা হয়।’
নানান সময়ে রুনা লায়লা
নানান সময়ে রুনা লায়লা
 

চার দশকের বেশি পুরোনো একটি গান যে একটি বিলুপ্তপ্রায় আদিবাসী ভাষাকে নতুন করে ভাবতে অনুপ্রাণিত করবে—এ কথা কখনো ভাবেননি রুনা লায়লা। তিনি বলেন, ‘৪৫ বছর আগের একটি গান শুনে তারা নিজেদের ভাষার জন্য বর্ণমালা তৈরি করেছে—এটা সত্যিই অদ্ভূত। আমার গাওয়া গান, সুর আর কথাগুলো একটি বিপন্ন আদিবাসী জাতির জীবনে নতুন ভাবনা তৈরি করেছে—এটা অবশ্যই আনন্দের বিষয়।’

বলিউডের নতুন মুখ আয়েশা খান সম্প্রতি নিজের জীবনের এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, অতীতে ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয়েছিলেন এবং এখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত ধর্ষণের হুমকি পান।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এসব অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এই অভিনেত্রী। তিনি বলেন, অনলাইনে তাঁকে প্রায় প্রতিদিনই যৌন হয়রানির মুখে পড়তে হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিদিন হুমকি
রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস ১৭’–এ অংশ নেওয়ার পর আলোচনায় আসেন আয়েশা খান। পরে ‘ধুরন্ধর’ ছবির ‘শরারত’ গানে উপস্থিত হয়ে নতুন করে জনপ্রিয়তা পান তিনি। কিন্তু এই জনপ্রিয়তার সঙ্গেই এসেছে নানা নেতিবাচক অভিজ্ঞতা। এক সাক্ষাৎকারে আয়েশা বলেন, সামাজিক মাধ্যমে তাঁর পোশাক বা ছবিকে কেন্দ্র করে অনেকেই অশালীন মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘ইনস্টাগ্রামে আমাকে প্রায় প্রতিদিনই শরীর নিয়ে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করা হয়। আমি যদি সাধারণ একটি টপ পরি, তাতেও সমস্যা। স্কার্ট পরলেও সমস্যা। এমনকি কোনো ছবি পোস্ট করার আগেও ভাবতে হয়—কেউ সেটাকে কীভাবে ব্যবহার করবে।’
এই পরিস্থিতিকে আয়েশা খান খুবই দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, একজন নারীর নিজের পছন্দমতো পোশাক পরা বা ছবি পোস্ট করার স্বাধীনতা থাকা উচিত।

 আয়েশা খান। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
আয়েশা খান। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

ধর্ষণের হুমকি পেয়েছেন বহুবার
সাক্ষাৎকারে আয়েশা আরও জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে বহুবার ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছে। তাঁর ভাষায়, ‘প্রতিদিনই এমন বার্তা পাই। চাইলে এখনই ফোন খুলে দেখাতে পারি।’ তিনি বলেন, এ ধরনের মন্তব্য তাঁকে আতঙ্কিত করে। কারণ, এগুলো কোনো কল্পিত চরিত্র নয়, বাস্তব মানুষের কাছ থেকেই আসে।
অতীতের ভয়ংকর স্মৃতি
আয়েশা খান জানান, তাঁর জীবনে একবার ধর্ষণচেষ্টার ঘটনাও ঘটেছিল। সেই ঘটনার কথা বলতে গিয়ে তিনি খুবই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, সেই অভিজ্ঞতা তাঁর জীবনে গভীর মানসিক ক্ষত তৈরি করেছে। কখনো কখনো কোনো মন্তব্য বা ঘটনা সেই স্মৃতিকে আবার মনে করিয়ে দেয়।

 আয়েশা খান। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
আয়েশা খান। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

শুটিং সেটেও হয়রানির অভিজ্ঞতা
শুধু অনলাইনে নয়, বাস্তব জীবনেও একবার হয়রানির মুখে পড়েছিলেন এই অভিনেত্রী। এক চলচ্চিত্রের শুটিং চলাকালে একজন স্পটবয়ের কাছ থেকে অশোভন আচরণের শিকার হন তিনি। আয়েশা জানান, একদিন হঠাৎ ইনস্টাগ্রামে একটি বার্তা দেখতে পান। অনেক দিন ধরেই ওই ব্যক্তি তাঁকে বার্তা পাঠাচ্ছিলেন। পরে বুঝতে পারেন, সেটি শুটিং সেটেরই এক স্পটবয়।

ঘটনাটি জানার পর আয়েশা তাঁর বাবাকে বিষয়টি জানান এবং প্রযোজনা দলের কাছেও অভিযোগ করেন। পরে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

নতুন প্রজন্মের অভিনেত্রী হিসেবে সংগ্রাম
বলিউডে নতুন হলেও ইতিমধ্যে বেশ পরিচিতি পেয়েছেন আয়েশা খান। কিন্তু এই অভিজ্ঞতাগুলো দেখিয়ে দেয়, খ্যাতির সঙ্গে সঙ্গে অনেক সময় কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখিও হতে হয় অভিনেত্রীদের। আয়েশা বলেন, একজন নারী হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বাস্তব জীবনে যে ধরনের মন্তব্য বা হুমকির মুখে পড়তে হয়, তা অনেক সময় ভীতিকর হয়ে ওঠে। তবু তিনি আশা করেন, ভবিষ্যতে এই পরিস্থিতি বদলাবে এবং নারীরা আরও নিরাপদ পরিবেশে কাজ করতে পারবেন।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস অবলম্বনে

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব