• Colors: Yellow Color

দেশ ছেড়ে প্রবাসজীবন বেছে নেওয়ার পর বাস্তবতা কখনো কখনো কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে ফেলে দেয়। বিদেশের প্রেক্ষাপটে সেই গল্প নিয়েই নির্মিত হয়েছে সিনেমা ‘কন্ট্র্যাক্ট ম্যারেজ’। এ  সিনেমায় উঠেছে বিবাহিত নারীর বাংলাদেশে স্বামী রেখে বিদেশে দ্বিতীয় বিয়ের গল্প। এর মধ্য দিয়ে সচেতনতার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

সিনেমার শুটিং বেশ আগেই শেষ হয়েছে। চলতি বছরের মার্চে সিনেমাটি সেন্সর সার্টিফিকেশন সনদ পেয়েছে। ১৫ মে দেশের প্রেক্ষাগৃহে এটি মুক্তি পাবে। এ সিনেমায় প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। সিনেমাটির পরিচালক হাসান জাহাঙ্গীর বলেন, ‘এ গল্পের মাধ্যমে নারীদের মর্যাদা ও সম্মানকে তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর বহু মানুষ বিদেশে যান। পরে কীভাবে তাঁরা টিকে থাকেন, কীভাবে একটু করে সংসার সাজান, সে সংগ্রামের পেছনের গল্পই নিয়ে এ সিনেমা।’

শুটিংয়ের ফাঁকে শিল্পী ও কলাকুশলীদের সঙ্গে মৌসুমী। ছবি: ফেসবুক থেকে
শুটিংয়ের ফাঁকে শিল্পী ও কলাকুশলীদের সঙ্গে মৌসুমী। ছবি: ফেসবুক থেকে

সিনেমার ৮০ শতাংশ গল্পের শুটিং হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। পরবর্তী পোস্টের কাজ দেশে হয়েছে। হাসান জাহাঙ্গীর জানান, এই গল্পগুলোর উপকরণ বাস্তব থেকে নেওয়া। বিদেশের জীবনসংগ্রাম সবারই কম বেশি থাকে। পরিচালক মনে করেন, এই গল্পগুলো দর্শকদের দেখা উচিত। সিনেমাটির মুক্তি নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা দুই ঈদের মাঝামাঝি সময়ে মুক্তির পরিকল্পনা করেছিলাম। এখন আমাদের কাছে ১৫ মে ভালো সময় মনে হচ্ছে। এই সময়েই আমরা মুক্তি দেব। এটি বিদেশেও, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ বেশ কিছু দেশে মুক্তি পাবে। আমরা মনে করি, গল্পটি দর্শকদের দেখা উচিত।’

[caption id="attachment_272981" align="alignnone" width="722"] মার্চে সিনেমাটি সেন্সর সার্টিফিকেশন সনদ পায়। ছবি: ফেসবুক থেকে[/caption]
 
 

এদিকে দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রেই আছেন মৌসুমী। পরিচালক জাহাঙ্গীর জানালেন, এরই মধ্যে সিনেমার শুটিং করেছেন। সর্বশেষ মৌসুমীর ‘সোনার চর’ সিনেমা মুক্তি পায়। দীর্ঘ দুই বছর পর মুক্তি পাচ্ছে মৌসুমীর নতুন সিনেমা। এর আগে পরিচালক একই নামে ওয়েব সিরিজের ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেটিই এখন সিনেমা হয়ে হলে মুক্তি পাবে। ডন, হাসান জাহাঙ্গীরসহ আরও অনেকে সিনেমায় অভিনয় করেছেন। পরিচালক জানালেন, ঈদে সিনেমাটির টেলিভিশন স্বত্ব বিক্রি করে দিয়েছেন। এটি ঈদেই ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হবে।

বলিউড অভিনেত্রী কারিশমা কাপুরের সাবেক স্বামী সঞ্জয় কাপুরের মৃত্যুর পর তাঁর প্রায় ৩০ হাজার কোটি রুপির সম্পত্তি নিয়ে টানাপোড়েন চলছে। তাঁর এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির অধিকারী কে হবেন, তা নিয়ে শুরু হয় বিবাদ। দাবিদারদের মধ্যে রয়েছেন সঞ্জয়ের বর্তমান স্ত্রী প্রিয়া কাপুর, মা রানি কাপুর ও দ্বিতীয় স্ত্রী কারিশমা কাপুরের দুই সন্তান সামারা ও কিয়ান। যদিও সঞ্জয়ের বর্তমান স্ত্রী প্রিয়া সম্পত্তির অধিকার অন্য কাউকে দিতে নারাজ। তিনি যেমন মামলা করেছেন, তেমনই প্রিয়ার বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন কারিশমার দুই সন্তানও। এর পরিপ্রেক্ষিতে বড় রায় দিলেন আদালত।

আগেই কারিশমার দুই সন্তান দাবি করেছেন, প্রিয়া তাঁদের বাবার সম্পত্তি জাল করেছেন। জালিয়াতি করে বানানো নতুন উইলে সম্পত্তি নিয়ে স্পষ্ট তথ্য দেননি। সঞ্জয়ের জমি, বাড়ি ও তাঁর সংস্থা ছাড়াও ছিল দামি দামি ঘোড়া। ছিল বহুমূল্যের সব ঘড়ি, যেগুলোর বাজারমূল্য কয়েক লাখ, কয়েকটি আবার কোটির ঘরে। সম্পত্তিসংক্রান্ত নথিতে এ ধরনের জিনিসের কোনো উল্লেখ করেননি প্রিয়া। যখন উইলটি বানানো হয় সে সময় একবারও কারিশমার দুই সন্তানকে দেখানোর প্রয়োজন পর্যন্ত মনে করেননি তিনি।

কারিশমা কাপুর ও সঞ্জয় কাপুর। কোলাজ
কারিশমা কাপুর ও সঞ্জয় কাপুর। কোলাজ

কিয়ান ও সামারার এই অভিযোগের ভিত্তিতে রায় দিলেন দিল্লির উচ্চ আদালত। গতকাল দেওয়া রায়ে জানানো হয়, সঞ্জয়ের বিদেশের সমস্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ রাখা হবে। ওই অ্যাকাউন্টগুলো থেকে কোনো রকমের আর্থিক লেনদেন করতে পারবেন না প্রিয়া।

এই রায় কারিশমার দুই সন্তানকে যে স্বস্তি দিয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। এই রায় প্রকাশের পর বোন কারিনা কাপুর খান ইঙ্গিতপূর্ণ একটি পোস্ট দিয়ে লেখেন, ‘আশার আলো, বিচার আমরা পাবই। সত্য প্রকাশ্যে আসবে।’

আদালত আরও নির্দেশ দেন, সঞ্জয় কাপুরের সম্পত্তি অবশ্যই সংরক্ষণ করা প্রয়োজন এবং এগুলো কোনোভাবেই হস্তান্তর কিংবা নষ্ট করা যাবে না। একই সঙ্গে প্রিয়া সচদেব কাপুর যাতে ওই সম্পত্তিগুলো কোনোভাবেই বিক্রি না করতে পারেন, তাতে আদালত একটি অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশও জারি করেছেন।

এনডিটিভি অবলম্বনে

গত ২৯ মার্চ মারা যান পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। শোক সামলে কাজে ফিরেছেন তাঁর স্ত্রী ও অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের গণমাধ্যম এই সময়কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী কথা বলেছেন, রাহুলের মৃত্যু থেকে শুরু করে নানা প্রসঙ্গে।

প্রিয়াঙ্কা বলেন, রাহুলের মৃত্যুর পর দ্রুতই কাজে ফিরেছেন তিনি। কাজ অনেকটা থেরাপির মতো কাজ করেছে। অভিনেত্রীর ভাষ্যে, ‘নিজেও জানি না কেমন আছি এই মুহূর্তে। নানা সময়ে নানা রকম আছি। কখনো খুব দুর্বল লাগছে। আবার কখনো নিজেকে খুব স্ট্রং মনে হচ্ছে। কাছের মানুষ, কাজের জায়গা থেকে স্ট্রেংথ খুঁজে নিতে হচ্ছে। অনেকেই জানতে চাইছেন কেমন আছি! এ প্রশ্নের সত্যিই কোনো উত্তর এই মুহূর্তে আমার কাছে নেই। কাজই আমার থেরাপি। কোনো চরিত্র হয়ে ক্যামেরার সামনে এসে যখন দাঁড়াই, সেটা হলো প্রিয়াঙ্কার সবচেয়ে অথেনটিক সত্তা। তখন আমি বাকি সবকিছু সুইচ অফ করে দিই। সে কারণেই কাজটা করতে ভীষণ এনজয় করি। আর আমি তো একা কাজ করি না। অনেকে থাকেন, কাজের একটা আলাদা পরিবেশ থাকে। সব মিলিয়ে আমি কিছুক্ষণের জন্য হলেও সবকিছু থেকে দূরে থাকতে পারি। ঠিক সে জন্য কাজটা করতে আমি ভীষণ এনজয় করি। কাজের চেয়ে ভালো থেরাপি সত্যিই আর অন্য কিছু নেই।’

সন্তান সহজের সঙ্গে প্রিয়াঙ্কা ও রাহুল। ফেসবুক থেকে
সন্তান সহজের সঙ্গে প্রিয়াঙ্কা ও রাহুল। ফেসবুক থেকে

কঠিন সময় সমালে নেওয়া, বিশেষ করে সন্তান সহজকে সামলানো প্রিয়াঙ্কার জন্য ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রত্যেকেই নিজেদের মতো করে সামলে ওঠার চেষ্টা করছি। আমার মনে হয় সেই স্পেসটা দেওয়া সবচেয়ে জরুরি। আমিও কাজে ফিরেছি। সহজও স্কুলে যাওয়া শুরু করেছে। পড়াশোনা নিয়ে সময় কাটাচ্ছে। আমি সত্যিই জানি না সহজ কেমন আছে। কারণ, আমি যেটাই বলব, সেটা অনুমান করে বলা হবে। সেটা উচিত হবে না। আমি সহজকে সময় দিয়েছি। ওর নিজের ভাবনাগুলোকে একটু গোছাতে শিখুক। সহজের যদি মনে হয় এই সময়টা ও কী ভাবে ডিল করল সেটা বলতে চায়, তখন নিজেই বলুক। তার আগে নয়। আমরা শুধু চেষ্টা করছি একে-অন্যের সঙ্গে বন্ধুর মতো থাকতে। সেটা শুধু সহজ নয়। গোটা পরিবার, কাছের মানুষদের ক্ষেত্রেও সেটা জরুরি। যে যার নিজের মতো করে ফিগার আউট করার চেষ্টা করছি।’

রাহুলের পডকাস্ট ‘সহজ কথা’ আলোচিত হয়েছিল। অনেক ভক্ত অনুরোধ করেছেন প্রিয়াঙ্কা যেন পডকাস্টটি চালিয়ে নিয়ে যান। এ প্রসঙ্গে প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘প্রত্যেককে ধন্যবাদ “সহজ কথা”কে এতটা ভালোবাসা দেওয়ার জন্য। এখনো ভালোবাসা পাচ্ছে। আমি ব্যক্তিগত জায়গা থেকে বলছি, এই অনুষ্ঠানে রাহুলের যে ক্রিয়েটিভ কন্ট্রিবিউশন, ওর তৈরি করা বন্ধুত্ব, রাহুলের হিউমার, লেখা, পড়াশোনা এগুলোই থেকে যাক। সহজ কথার সাফল্যের নেপথ্যে রাহুলের অনেক রিসার্চ, পড়াশোনা রয়েছে। যেটা একেবারেই সহজ ছিল না। সেটা আলাদা সম্মান ডিজার্ভ করে। তাই আমি আর সেখানে হাত দেব না।’

পর্দায় অন্তরঙ্গ দৃশ্য নিয়ে সব সময়ই আলোচনা থাকে। অনেক অভিনয়শিল্পী এ ধরনের দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না, কেউ আবার চরিত্রের প্রয়োজনে আপত্তি করেন না। ইদানীং ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের শুটিং ইন্টিমেসি কো–অর্ডিনেটরের মাধ্যমে করা হলেও একসময় এসবের চল ছিল না। তখন অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিংয়ে ঘটত নানা ঘটনা। সম্প্রতি তেমনই একটি ঘটনার কথা ফাঁস করেছেন অভিনেতা আন্নু কাপুর।

ঘটনা বহু বছর আগের। অভিনেতার দাবি, অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয়ের সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিলেন নায়ক। ইউটিউবের একটি শোয়ে এসে অতীতের এক অভিজ্ঞতা ভাগ করে বলেন, ‘আমি দেখেছি, অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করার সময় নায়ক নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছেন। এতটাই যে পরিচালক কাট বলার পরও থামছিলেন না।

কোনো উপায় না দেখে নায়িকা নিজেই কোনোক্রমে সেই পরিস্থিতি থেকে নিজেকে মুক্ত করেন। সেই ঘটনায় নায়িকা বেশ ভয় পেয়ে যান। মন একদম চুরমার হয়ে গিয়েছিল, দুই দিন ঘর থেকে বের হননি।’

তবে কোন সিনেমার শুটিংয়ে এ ঘটনা ঘটেছিল বা অভিনয়শিল্পী কারা ছিলেন, সেটা জানাননি অভিনেতা।

‘সাত খুন মাফ’ সিনেমায় অভিনয় করেন আন্নু কাপুর ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। কোলাজ
‘সাত খুন মাফ’ সিনেমায় অভিনয় করেন আন্নু কাপুর ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। কোলাজ

সে ঘটনা প্রসঙ্গে আন্নু কাপুর আরও বলেন, ‘আমি প্রকাশ্যে নাম বলতে পারব না। তবে ওই অভিনেত্রী এই সাক্ষাৎকার দেখলে আমার বক্তব্যকে সমর্থন করবেন।’
ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নিয়ে বিরূপ অভিজ্ঞতা আছে আন্নু কাপুরেরও। সেটা ২০১১ সালে, ‘সাত খুন মাফ’ সিনেমার। চিত্রনাট্য অনুযায়ী একটি চুম্বনদৃশ্যে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও আন্নু কাপুরের অভিনয়ের কথা ছিল। কিন্তু ‘দেশি গার্ল’-এর সম্মতি ছিল না।

সে প্রসঙ্গে আন্নু বলেন, ‘বিশাল (সিনেমার পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজ) বলেছিলেন, দৃশ্যটি গল্পের জন্য জরুরি, তাই বাদ দেওয়া যাবে না। পরে টিমের তরফে জানানো হয়, তিনি (প্রিয়াঙ্কা) স্বচ্ছন্দ নন। আমার কোনো সমস্যা ছিল না কিন্তু কীভাবে যে খবরটা ছড়িয়ে পড়েছিল, সেটা আজও জানি না। পেশাদার অভিনেতা হিসেবে আমি সব সময় এ ধরনের দৃশ্যে অভিনয় করি। যদি কোনো অভিনেত্রী নার্ভাস থাকেন, আমি শুধু জিজ্ঞেস করি তিনি ঠিক আছেন কি না। এর বেশি কিছু জিজ্ঞেস করি না। কারণ, তাতে তিনি আরও অস্বস্তিতে পড়তে পারেন।’

হিন্দুস্তান টাইমস অবলম্বনে

সবচেয়ে ধনী দক্ষিণি নায়িকাদের কথা এলে অনেকেই হয়তো আনুশকা শেঠি, সান্থামা রুথ প্রভু বা তামান্না ভাটিয়ার কথা বলবেন। কিন্তু তাঁরা নন, সবচেয়ে ধনী দক্ষিণি নায়িকা আরেকজন। কে তিনি? হিন্দুস্তান টাইমস অবলম্বনে জেনে নেওয়া যাক ছবিতে ছবিতে-

[caption id="attachment_272742" align="alignnone" width="986"] দক্ষিণের সবচেয়ে ধনী অভিনেত্রী নয়নতারা। তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ২০০ কোটি রুপি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে[/caption]

নয়নতারা একজন জনপ্রিয় দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেত্রী এবং তিনি ‘দক্ষিণের লেডি সুপারস্টার’ নামে পরিচিত। বেশ কয়েকটি দক্ষিণ ভারতীয় ছবিতে অভিনয় করার পর তিনি ২০২৩ সালে ‘জওয়ান’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন।।

[caption id="attachment_272743" align="alignnone" width="991"] ‘বাহুবলী’ দিয়ে পরিচিতি পাওয়া আনুশকা শেঠি রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। ফেসবুক থেকে[/caption]

আনুশকা বেশ কয়েকটি হিট দক্ষিণ ভারতীয় ছবিতে অভিনয় করেছেন, কিন্তু ‘বাহুবলী’র মাধ্যমেই তিনি বিশ্বব্যাপী সাফল্য পান। জানা যায়, তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ১৩৫ কোটি রুপি। তামান্না ভাটিয়া আছেন তিন নম্বরে। তিনি দক্ষিণ ভারতীয় এবং হিন্দি—উভয় চলচ্চিত্রেই দুর্দান্ত কাজ করছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ১১০–১২০ কোটি রুপি

[caption id="attachment_272746" align="alignnone" width="987"] এরপরে রয়েছেন সামান্থা রুথ প্রভু। ইনস্টাগ্রাম থেকে[/caption]

সামান্থাও এখন হিন্দি ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছেন। তাঁর জনপ্রিয় হিন্দি প্রজেক্টগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান ২’ ও ‘সিটাডেল হানি বানি’। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সামান্থার মোট সম্পত্তির পরিমাণ ১১০–১২০ কোটি রুপি।

[caption id="attachment_272745" align="alignnone" width="988"] তৃষা কৃষ্ণান তামিল ও তেলেগু সিনেমার আলোচিত অভিনত্রী। তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৮৫-১০০ কোটি রুপি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে[/caption][caption id="attachment_272744" align="alignnone" width="991"] এরপরে রয়েছেন কাজল আগরওয়াল, যাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ৮৫ কোটি রুপিইনস্টাগ্রাম থেকে[/caption]

দক্ষিণি অভিনেত্রীদের মধ্যে সুপারস্টার বলা হতো সামান্থা রুথ প্রভুকে। দিয়েছেন একের পর হিট, জয় করেছেন লাখো ভক্তদের হৃদয়। লম্বা সময় ধরে প্রেম করার পর ২০১৭ সালে দক্ষিণি তারকা নাগ চৈতন্যকে বিয়ে, ২০২১ সালে বিচ্ছেদ আর ২০২২ সালে বিরল অটোইমিউন রোগ মাইয়োসিটিসে আক্রান্ত হয়ে বেশ প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে পড়েন সামান্থা। এরপর অতি সম্প্রতি আবার করলেন বিয়ে। সবকিছুর মাঝে নিজের ফিটনেস রেখেছেন আগের মতোই। অভিনয়দক্ষতা তো বটেই, স্টাইল আর আবেদনের দিক থেকেও তিনি কম যান না। আজ এই সুন্দরী ডিভার ৩৯ তম জন্মদিনে তাঁর বোল্ড আর আকর্ষণীয় লুকগুলো দেখে নেওয়া যাক তবে।

সবুজ শেডের এই টাইমলেস ড্রেসকে সামান্থা যেন নতুন এক মাত্রা দিয়েছেন। স্ট্র্যাপি গাউনটির পুরোটা জুড়ে রয়েছে সূক্ষ্ম বিডেড ডিটেইলিং। শিমারিং টেক্সচার ও নিখুঁত কারুকাজ পুরো লুকটিকে দিয়েছে গ্ল্যামারাস আবেদন।

 

চকোলেট কাটআউট গাউনে মোহ ছড়াচ্ছেন

 

প্রি-ড্রেপড ল্যাভেন্ডার শাড়ির সঙ্গে আকর্ষণ কাড়ছে তাঁর ব্রালেট আর বিডসে সজ্জিত কেপ।

 

শাড়ির সৌন্দর্য আর স্টেটমেন্ট ব্লাউজ দুটোই সুন্দরভাবে ক্যারি করেছেন সামান্থা

 

ডেনিম ব্রালেট আর নেটের ফ্লেয়ার প্যান্ট পরেছেন সামান্থা

 

লাল সিকুইনের লেহেঙ্গা পরেছেন এই সুন্দরী দক্ষিণি অভিনেত্রী

 

আইভরি ফুলেল টপ আর হাইওয়েষ্ট বটমের লুকে শুভ্র আবেদন কাড়ছেন তিনি

 

এখানে বোল্ড ও গভীর ভি নেকলাইনের কালো বডিস্যুট পরেছেন সামান্থা

 

মভ শেডের এই আউটফিটে স্টানিং লাগছে তাঁকে। অফ-শোল্ডার, ফুল-স্লিভ ক্রপ টপের সঙ্গে হাই-ওয়েস্টেড স্কার্ট পরেছেন সুন্দরী

 

কালো স্যুটের সঙ্গে শার্টবিহীন লুকে আবেদনময়ী বসলেডি সামান্থা

 

মিডনাইট ব্লু, ফ্লোরছোঁয়া গাউনে সামান্থা। ফিগার-হাগিং সিলুয়েট, ডিপ নেকলাইন এবং স্লিভলেস স্টাইলের পাশাপাশি গাউনের সামনের অংশের ডায়মন্ড আকৃতির কাটআউট ডিজাইনটি বিশেষ আবেদন যোগ করেছে তাঁর লুকে।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব