• Colors: Yellow Color

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি উদয়পুরে স্বপ্নের বিয়ে সেরেছেন বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রাশমিকা মন্দানা। বিয়ের সন্ধ্যাতেই প্রকাশ্যে এসেছে তাঁদের চারহাত এক হওয়ার ছবি, যা দেখে শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছেন তাঁদের দর্শক-অনুরাগীরা। প্রায় আট বছরের সম্পর্কের মধুরেণ সমাপয়েৎ হয়েছে উদয়পুরে। তবে গতকাল রাতে প্রকাশ্যে এসেছে বিয়ের আরও কিছু অদেখা ছবি, যা অন্তর্জালে ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিতে ছবিতে জেনে নেওয়া যাক দুই তারকা সম্পর্কে কিছু তথ্য—

খাঁটি দক্ষিণি নিয়ম মেনে বিয়ে সেরেছেন তারকা যুগল। তেলেগু ও কোডাভা নিয়মে বিয়ে সারেন তাঁরা। ছবি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই আলোচনার শীর্ষে তাঁদের দুজনের সাজপোশাক। এককথায় রাজবেশে বিয়ে সেরেছেন বিজয়। প্রথা মেনে সঙ্গে অসি নিয়ে বিয়ের মণ্ডপে এসেছিলেন অভিনেতা। ইনস্টাগ্রাম থেকে
খাঁটি দক্ষিণি নিয়ম মেনে বিয়ে সেরেছেন তারকা যুগল। তেলেগু ও কোডাভা নিয়মে বিয়ে সারেন তাঁরা। ছবি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই আলোচনার শীর্ষে তাঁদের দুজনের সাজপোশাক। এককথায় রাজবেশে বিয়ে সেরেছেন বিজয়। প্রথা মেনে সঙ্গে অসি নিয়ে বিয়ের মণ্ডপে এসেছিলেন অভিনেতা। ইনস্টাগ্রাম থেকে
তারকা জুটির বিয়ের মেনু থেকে ভেন্যু সবখানেই ছিল আদ্যোপান্ত দক্ষিণ ভারতীয় ছোঁয়া। তাঁদের বিয়ের মণ্ডপ সেজেছিল তামিলনাড়ু সংস্কৃতির ধাঁচে। ইনস্টাগ্রাম থেকে
তারকা জুটির বিয়ের মেনু থেকে ভেন্যু সবখানেই ছিল আদ্যোপান্ত দক্ষিণ ভারতীয় ছোঁয়া। তাঁদের বিয়ের মণ্ডপ সেজেছিল তামিলনাড়ু সংস্কৃতির ধাঁচে। ইনস্টাগ্রাম থেকে
কলকাতার মেয়ে অনামিকা খান্নার ডিজাইন করা পোশাকে সেজেছিলেন রাশমিকা ও বিজয়। পুরোনো রীতি মেনে পালকি চড়ে লাজে রাঙা বউ হয়ে বিয়ের মণ্ডপে আসেন রাশমিকা। ইনস্টাগ্রাম থেকে
কলকাতার মেয়ে অনামিকা খান্নার ডিজাইন করা পোশাকে সেজেছিলেন রাশমিকা ও বিজয়। পুরোনো রীতি মেনে পালকি চড়ে লাজে রাঙা বউ হয়ে বিয়ের মণ্ডপে আসেন রাশমিকা। ইনস্টাগ্রাম থেকে
বিয়েতে ভারী গয়না থেকে শাড়ি, হেয়ারস্টাইলে নজর কেড়েছেন রাশমিকা। এমনকি বিয়ের মণ্ডপের অন্দরসজ্জায় একই সঙ্গে জায়গা পেয়েছে পিতলের নানা মূর্তি। সঙ্গে নজর কেড়েছে লাল বস্ত্রে সংক্ষেপে উল্লিখিত জুটির নামের আদ্যাক্ষর। ইনস্টাগ্রাম থেকে
বিয়েতে ভারী গয়না থেকে শাড়ি, হেয়ারস্টাইলে নজর কেড়েছেন রাশমিকা। এমনকি বিয়ের মণ্ডপের অন্দরসজ্জায় একই সঙ্গে জায়গা পেয়েছে পিতলের নানা মূর্তি। সঙ্গে নজর কেড়েছে লাল বস্ত্রে সংক্ষেপে উল্লিখিত জুটির নামের আদ্যাক্ষর। ইনস্টাগ্রাম থেকে
আতিশয্য নয়, বরং শিকড় আঁকড়েই বিয়ের সমগ্র নিয়ম পালন করেছেন বিজয় ও রাশমিকা। তাঁদের বিয়ের দিনের অদেখা ছবিতে ফুটে উঠেছে তাঁদের বিয়ের ভেন্যুর ঐতিহ্যপূর্ণ সাজসজ্জা। ইনস্টাগ্রাম থেকে
আতিশয্য নয়, বরং শিকড় আঁকড়েই বিয়ের সমগ্র নিয়ম পালন করেছেন বিজয় ও রাশমিকা। তাঁদের বিয়ের দিনের অদেখা ছবিতে ফুটে উঠেছে তাঁদের বিয়ের ভেন্যুর ঐতিহ্যপূর্ণ সাজসজ্জা। ইনস্টাগ্রাম থেকে
ঠিক যেমনভাবে চেয়েছিলেন সেভাবেই সেজেছিল বিজয়-রাশমিকা ছাঁদনাতলা। তাঁদের পছন্দের কথা মাথায় রেখে সাজানো হয়েছিল উদয়পুরের বিবাহবাসর। ইনস্টাগ্রাম থেকে
ঠিক যেমনভাবে চেয়েছিলেন সেভাবেই সেজেছিল বিজয়-রাশমিকা ছাঁদনাতলা। তাঁদের পছন্দের কথা মাথায় রেখে সাজানো হয়েছিল উদয়পুরের বিবাহবাসর। ইনস্টাগ্রাম থেকে
তবে উদয়পুরের পাঁচতারা হোটেলের নিজস্ব সৌন্দর্য অক্ষুণ্ণ রেখেই সাজানো হয়েছিল ছাঁদনাতলা। বিজয়ের পছন্দ অনুযায়ী টেরাকোটার একাধিক জিনিস দিয়ে সাজানো হয়েছিল বিয়ের ভেন্যুর আনাচকানাচ। যেখানে জায়গা করে নিয়েছিল অ্যাস্থেটিক লুকের ডমরু, ঘুঙুরের মতো নানা সামগ্রী। ইনস্টাগ্রাম থেকে
তবে উদয়পুরের পাঁচতারা হোটেলের নিজস্ব সৌন্দর্য অক্ষুণ্ণ রেখেই সাজানো হয়েছিল ছাঁদনাতলা। বিজয়ের পছন্দ অনুযায়ী টেরাকোটার একাধিক জিনিস দিয়ে সাজানো হয়েছিল বিয়ের ভেন্যুর আনাচকানাচ। যেখানে জায়গা করে নিয়েছিল অ্যাস্থেটিক লুকের ডমরু, ঘুঙুরের মতো নানা সামগ্রী। ইনস্টাগ্রাম থেকে
 এমনকি দক্ষিণ ভারতীয় বিয়েতে পাত্র-পাত্রীর মাঝে একটি বিশেষ ধরনের কাপড় ধরা হয়, যা ‘আদ্দুত্তেরা’ নামে পরিচিত। বিরোশ-এর বিয়েতে সেই বিশেষ কাপড়েও বিশেষ কারুকার্যের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল বিভিন্ন মন্ত্র। ইনস্টাগ্রাম থেকে
এমনকি দক্ষিণ ভারতীয় বিয়েতে পাত্র-পাত্রীর মাঝে একটি বিশেষ ধরনের কাপড় ধরা হয়, যা ‘আদ্দুত্তেরা’ নামে পরিচিত। বিরোশ-এর বিয়েতে সেই বিশেষ কাপড়েও বিশেষ কারুকার্যের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল বিভিন্ন মন্ত্র। ইনস্টাগ্রাম থেকে
অনাড়ম্বরভাবে, নিজেদের সংস্কৃতির যথাযথ মর্যাদা রেখেই বিয়ের সব পরিকল্পনা করেছিলেন বিজয় ও রাশমিকা। মেনু থেকে ভেন্যু সবখানেই তাই নিজেদের শিকড়কে বরাবর আঁকড়ে ছিলেন তাঁরা, যা তাঁদের বিয়েকে রূপকথার গল্পে পরিণত করেছে। ইনস্টাগ্রাম থেকে
অনাড়ম্বরভাবে, নিজেদের সংস্কৃতির যথাযথ মর্যাদা রেখেই বিয়ের সব পরিকল্পনা করেছিলেন বিজয় ও রাশমিকা। মেনু থেকে ভেন্যু সবখানেই তাই নিজেদের শিকড়কে বরাবর আঁকড়ে ছিলেন তাঁরা, যা তাঁদের বিয়েকে রূপকথার গল্পে পরিণত করেছে। ইনস্টাগ্রাম থেকে
‘গীতা গোবিন্দাম’ সিনেমা দিয়ে জুটি হিসেবে যাত্রা শুরু করেন দুই তারকা, বিয়ের মাধ্যমে রাশমিকা ও বিজয়ের আট বছরের সম্পর্ক পূর্ণতা পেল। ইনস্টাগ্রাম থেকে
‘গীতা গোবিন্দাম’ সিনেমা দিয়ে জুটি হিসেবে যাত্রা শুরু করেন দুই তারকা, বিয়ের মাধ্যমে রাশমিকা ও বিজয়ের আট বছরের সম্পর্ক পূর্ণতা পেল। ইনস্টাগ্রাম থেকে

দাম্পত্য কলহ ও পরকীয়ার জেরে আত্মহত্যা করা অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইভনাথ খান ইকরাকে ময়মনসিংহের ভালুকার রানদিয়া গ্রামে নানাবাড়িতে দাফন করা হয়েছে।

রোববার (১ মার্চ) বাদ মাগরিব জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়। এ সময় স্বজনদের কান্নায় থমথমে হয়ে ওঠে পরিবেশ।

দাফনের আগে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গে ইকরার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। দুপুর ২টায় ময়নাতদন্ত শেষ হলে মরদেহ নিয়ে ঢাকার বাসা থেকে ভালুকার উদ্দেশে রওনা হন স্বজনরা।

দাফনের সময় উপস্থিত হতে পারেনি ইকরার স্বামী ও অভিনেতা আলভী। বর্তমানে একটি নাটকের শুটিংয়ে নেপালে অবস্থান করছেন তিনি। স্ত্রীর করুণ মৃত্যুর পরও কেন তিনি দেশে পৌঁছাতে পারেননি, তা নিয়ে নেটদুনিয়ায় শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। তবে অভিনেতা জানিয়েছেন, ঢাকার ফ্লাইটের টিকিট না পাওয়ার কারণেই দ্রুত রওনা হতে পারেননি তিনি।

এদিকে স্ত্রীর আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে অভিনেতা জাহের আলভীকে প্রধান আসামি করে মামলা হয়েছে। একই মামলায় অভিনেত্রী তিথি ও অভিনেতার মাকেও আসামি করা হয়েছে। রাজধানীর পল্লবী থানায় ইকরার মামা শেখ তানভীর আহমেদ বাদী হয়ে মামলাটি করেন।অভিযোগে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগীকে বিভিন্নভাবে মানসিক চাপ ও নির্যাতনের মাধ্যমে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। মামলার বিষয়টি সময় সংবাদকে নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম আলমগীর জাহান।

২০১০ সালে ভালোবেসে ঘর বেঁধেছিলেন আলভী-ইকরা। তাদের ঘরে রয়েছে এক পুত্রসন্তান। তবে দীর্ঘ ১৫ বছরের দাম্পত্যে স্বামীর পরকীয়া ও মানসিক নির্যাতনে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন ইকরা। সামাজিক মাধ্যমে ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে ইকরার ব্যক্তিগত চ্যাট নেটদুনিয়ায় ফাঁস হওয়ার পর বিষয়টি ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে দেশজুড়ে।

 

পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সামরিক উত্তেজনার জেরে দুবাইয়ে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত হওয়ায় বলিউড অভিনেত্রী সোনাল চৌহান বর্তমানে সেখানেই আটকে পড়েছেন। নিরাপদে ভারতে ফিরতে তিনি ভারতের সরকারের সহায়তা চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেদন জানিয়েছেন।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটে। এর জেরে উপসাগরীয় অঞ্চলের আকাশপথে ব্যাপক বিঘ্ন দেখা দেয় এবং দুবাইসহ একাধিক শহরে ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এই অবস্থায় দুবাইয়ে অবস্থানরত সোনাল চৌহান ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ট্যাগ করে লেখেন, তিনি চলমান সংকটের মধ্যে দুবাইয়ে আটকে আছেন এবং দেশে ফেরার কোনো পরিষ্কার পথ নেই। নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য তিনি সরকারের দিকনির্দেশনা ও সহায়তা কামনা করেন।

সোনাল চৌহান। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
সোনাল চৌহান। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

অভিনেত্রী তাঁর পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং দুবাইয়ে ভারতীয় দূতাবাসকেও উল্লেখ করে দ্রুত সহায়তার আবেদন জানান। তাঁর এই আবেদন সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করে। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সম্বোধন করে তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্য থেকে একাধিক বিমান বাতিল হওয়ায় আটকে পড়েছেন তিনি। নিরাপদে এবং সঠিক সময়ে নিজভূমে ফেরার কোনো আশা তিনি দেখছেন না। ‘আমাকে সাহায্য করুন, দয়া করে বাঁচান’, লিখেছেন তিনি।

শুধু সোনাল নন, এই পরিস্থিতিতে আরও কয়েকজন ভারতীয় তারকাও উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকে পড়েছেন বলে জানা গেছে। ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা পিভি সান্ধ, দক্ষিণি তারকা অজিত দুবাইয়ে অবস্থান করছেন। এ ছাড়া দোহায় থাকা ভারতীয় বাস্কেটবল দলও যাত্রা স্থগিতের কারণে এগোতে পারছে না।

রয়টার্স জানিয়েছে, ইরান, ইরাক, কুয়েত, ইসরায়েল ও বাহরাইনের আকাশসীমা কার্যত ফাঁকা হয়ে গেছে। ইসরায়েল ইরানে হামলার কথা নিশ্চিত করার পর যুক্তরাষ্ট্রও দেশটির বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। এর জবাবে ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। কাতারের দোহা, আবুধাবি ও দুবাইয়ে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এদিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত উপসাগরীয় অঞ্চলে বিমান চলাচল সীমিত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস অবলম্বনে

গতকাল শনিবার অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইভনাথ খান ইকরার অপমৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিক ধারণা, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। স্বামী জাহের আলভী ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, তাঁর স্ত্রী আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ইকরাকে উদ্দেশ করে ফেসবুকে খোলাচিঠি লিখেছেন অভিনেত্রী তমা মির্জা। দাম্পত্য জীবনে তারকা খ্যাতির আড়ালে ইকরার জন্য ভালোবাসা নাকি অবহেলা ছিল? কেন এমন জীবন বেছে নিলেন এই অভিনেত্রীর স্ত্রী—সেই প্রশ্নই তুলেছেন তমা।

জাহের আলভী ও ইকরা। ছবি: কোলাজ
জাহের আলভী ও ইকরা।

তমা লিখেছেন, ‘একটা মেয়ে কাউকে ভালোবাসলে সেই ভালোবাসার মানুষটির শূন্য পকেট হলেও তাকে ভালোবাসে। তার পাশে থাকে, তার সাহস জোগায়, জীবনে অনেক দূর এগিয়ে যেতে উৎসাহ দেয়, পুরো পৃথিবীর সঙ্গে যুদ্ধ করে তবুও ভালোবাসার মানুষটার হাত ছাড়ে না।’

কিন্তু সেই একই মানুষের জীবনে সফলতা এলে জীবনটা বদলে যায়। সবার আগে সে জীবনে এগিয়ে থাকা মানুষটাকে অবহেলা করতে শুরু করে বলে মনে করেন তমা।

তমা মির্জা। ছবি: ফেসবুক থেকে
তমা মির্জা। ছবি: ফেসবুক থেকে

এই প্রসঙ্গে তমা লিখেছেন, ‘ভালোবাসার সেই মানুষটা যখনই জীবনে সফলতা পায়, পূর্ণতা পায়, ভালোবাসার মানুষ প্রতিষ্ঠিত হয়ে সবার প্রথম ওই মেয়েটিকেই ঠকায়, প্রতারণা করে, অবহেলা করে, কষ্ট দেয়, তুচ্ছ–তাচ্ছিল্য করে, প্রতিনিয়ত মানুষিক যন্ত্রণা দেয়।’
তমা তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসে আরও লিখেছেন, ‘একটা মেয়ে সব মেনে নিতে পারে, সহ্য করতে পারে; কিন্তু তার ভালোবাসার মানুষের এই বদলে যাওয়া চেহারা মানতে পারে না, তখন জীবনটা অর্থহীন হয়ে যায়, নিজের কাছে জীবনের কাছে সে হেরে যায়। সবকিছু থেকে নিজেকে মুক্ত করে ওই মানুষটাকে মুক্তি দিয়ে সবার থেকে দূরে চলে যায়।’

পরিবারের সঙ্গে জাহের আলভী। ছবি: ফেসবুক থেকে
পরিবারের সঙ্গে জাহের আলভী। ছবি: ফেসবুক থেকে

তমার মতে, কখনো জীবনটা অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে তখন হয়তো কেউ কেউ জীবন থেকে সরে দাঁড়ায়। কিন্তু এতে কী কোনো কিছু থমকে যায়? ‘এই চলে যাওয়াতে ওই মানুষটার জীবন থেমে থাকে না, কোনো উপলব্ধি হয় কি না, তা–ও আমার জানা নেই। শুধু এটুকু বলতে পারি, মেয়েটা বেঁচে থেকে যে যন্ত্রণা বয়ে বেড়াচ্ছিল হয়তো তার থেকে একটু কম যন্ত্রণার জায়গা সে খুঁজে নিয়েছে’—লিখেছেন তমা।

ভারতের বৈশ্বিক উপস্থিতি আজ শুধু কূটনীতি বা অর্থনীতির পরিসংখ্যানে সীমাবদ্ধ নয়; সিনেমা ও সংস্কৃতিও সমানভাবে সেই পরিচয় নির্মাণ করছে। ফলে চলচ্চিত্র নিয়ে আলোচনা এখন কেবল অভিনয় বা বক্স অফিস ঘিরে নয়; বরং ছবির ভাবনা, বক্তব্য ও দৃষ্টিভঙ্গিকেও কেন্দ্র করে। এ পটভূমিতেই নিউজ১৮ রাইজিং ভারত সামিট ২০২৬-এর মঞ্চে উঠে খোলামেলা কথা বললেন ইয়ামি গৌতম। সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘স্ট্রেংথ উইদিন’। সেখানে তিনি এমন এক প্রশ্নের জবাব দিলেন, যা অনেক অভিনেতাই এড়িয়ে যান।

আলোচনায় ইয়ামিকে জিজ্ঞেস করা হয়, এমন কি কখনো হয়েছে যে কোনো নির্মাতা বলেছেন, ‘তোমাকে নিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তুমি ওই ছবি করার পর আর নিতে চাই না?’ প্রশ্নটি ছিল স্পর্শকাতর। তবে ইয়ামি জবাব দিলেন ভাবনাচিন্তা করে, কোনো রক্ষণাত্মক ভঙ্গি ছাড়াই। তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে এমন অভিজ্ঞতা তাঁর হয়নি। হয়তো তিন-চার বছর আগে এমন আশঙ্কা বা দ্বিধা কারও মনে থাকতে পারে। কিন্তু এখন তিনি যে ধরনের ছবি করছেন এবং পরিচালকরা তাঁকে যে ধরনের চরিত্রে ভাবছেন, সেখানে এমন মানসিকতা আর দেখছেন না। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, সময় বদলেছে, বদলেছে শিল্পের দৃষ্টিভঙ্গিও।

‘হক’ সিনেমায় ইয়ামি গৌতম। আইএমডিবি
‘হক’ সিনেমায় ইয়ামি গৌতম। আইএমডিবি

ইয়ামি গৌতম এমন কয়েকটি ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন, যেগুলো রাজনৈতিক পটভূমিতে নির্মিত। এর মধ্যে রয়েছে ‘আর্টিকেল ৩৭০’ ও ‘হক’। এই ছবিগুলো ঘিরে নানা বিতর্ক ও আলোচনা হয়েছে। তবে ইয়ামির মতে, শেষ পর্যন্ত একটি ছবির মান নির্ধারিত হয় তার নির্মাণশৈলী দিয়ে, কেবল রাজনৈতিক অবস্থান দিয়ে নয়।
ইয়ামি বলেন, অনেকেই তাঁকে বার্তা পাঠিয়ে লিখেছেন, রাজনৈতিক মত যা–ই হোক, ছবিটি যে ভালোভাবে নির্মিত, তা অস্বীকার করা যায় না। বরং এমন ছবি দর্শককে ভাবতে বাধ্য করে—আমরা যা বিশ্বাস করি, তা কি একমাত্র সত্য? নাকি বিষয়টিকে অন্য দৃষ্টিকোণ থেকেও দেখা যায়?

ইয়ামির মতে, সিনেমার শক্তি এখানেই। এটি কোনো এজেন্ডা চাপিয়ে দেওয়ার মাধ্যম নয়; বরং প্রশ্ন তোলার এবং আলোচনার দুয়ার খুলে দেওয়ার শিল্পমাধ্যম।
আলোচনায় ইয়ামি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন, সত্য লুকিয়ে রাখা যায় না। কারণ, ক্যামেরা অত্যন্ত স্বচ্ছ। তাঁর ভাষায়, ক্যামেরা শুধু একজন অভিনয়শিল্পীর অভিব্যক্তি নয়, লেখকের মনোভাব ও পরিচালকের অভিপ্রায়ও ধরতে পারে।

অর্থাৎ অভিনয় কৃত্রিম হলে বা উদ্দেশ্য অস্পষ্ট হলে তা পর্দায় ধরা পড়বেই। তাই ইয়ামি বিশ্বাস করেন, সততা নিয়েই কাজ করতে হয়। কারণ, দর্শক শেষ পর্যন্ত আন্তরিকতাই অনুভব করেন।

ভারতের পরিবর্তিত বাস্তবতা নিয়েও কথা বলেন ইয়ামি। তাঁর মতে, এটি এক নতুন ভারত, যেখানে আধুনিক সিনেমাও নতুন ভাষা খুঁজে নিচ্ছে। পরিবর্তন শুধু সমাজে নয়, চলচ্চিত্রেও জরুরি। আর সেই পরিবর্তন দৃশ্যমানও হচ্ছে।

ইয়ামি গৌতম
ইয়ামি গৌতম, এএফপি

এ পরিবর্তনের অংশ হিসেবেই ইয়ামি দেখছেন নিজের যাত্রাকে। একসময় যেখানে শিল্পীরা ‘তকমা’ নিয়ে সতর্ক থাকতেন, এখন দর্শক ছবিকে তার গুণমান দিয়ে বিচার করছেন। বিষয়বস্তুর গভীরতা, নির্মাণশৈলী ও অভিনয়ের সততা—এসবই হয়ে উঠছে আসল মানদণ্ড।

ইয়ামি গৌতমের বক্তব্য থেকে যে বিষয় স্পষ্ট হয়, তা হলো আত্মবিশ্বাস। তিনি মনে করেন, শিল্পী হিসেবে নিজের সিদ্ধান্তের পাশে দাঁড়ানোই গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল হোক বা না হোক, যদি গল্পে বিশ্বাস থাকে, চরিত্রে সত্যতা থাকে, তবে কাজের মূল্যায়ন হবেই।

নিউজ ১৮ অবলম্বনে

ওটিটিতে সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে অনুরাগ কশ্যপের সিনেমা ‘কেনেডি’। এর গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন সানি লিওনি। সিনেমাটির মুক্তি উপলক্ষে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ার, এই সিনেমায় সুযোগ পাওয়াসহ নানা প্রসঙ্গে কথা বলেছেন সানি লিওনি।

কেনেডি ছবিতে  ‘চার্লি’ চরিত্র যেন এক অন্য সানি লিওনিকে সামনে এনেছে। তিন বছর পর ওটিটিতে মুক্তি পাওয়া ছবিটি ইতিমধ্যে দেশ-বিদেশের চলচ্চিত্রমহলে আলোচিত।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সানি লিওনি জানিয়েছেন, তিনি অনুরাগ কশ্যপকে খুবই বড় মানের নির্মাতা মনে করেন।  তাঁর ভাষায়, ‘অনেকের অভিজ্ঞতা ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু তিনি সেটে পাগলাটে কোনো কঠোর পরিচালক নন। তাঁর প্রত্যাশা থাকে—আপনি প্রস্তুত হয়ে আসবেন, জানবেন কী করতে হবে। তবে তিনি সময় দেন, যা সবাই দেন না।’

‘কেনেডি’—এক ফোনকল থেকে কান উৎসবে
সানি লিওনির কাছে এই ছবির প্রস্তাবটিই ছিল অবাক করা। মূলধারার বিনোদনজগতের পরিচিত মুখ হওয়া সত্ত্বেও অনুরাগ কশ্যপের মতো নির্মাতার কাছ থেকে এমন প্রস্তাব পাওয়া তাঁর কাছে ছিল স্বপ্নের মতো।

সানি লিওনি আরও বলেন, ‘শিল্পে নানা রাজনীতি থাকে। অনেক সময় শেষ মুহূর্তে বদল ঘটে। তাই প্রথম দৃশ্যের শুটিং শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমার মনে হচ্ছিল—যেকোনো কিছু হতে পারে। কিন্তু যখন প্রথম শটটা হলো, তখন মনে হলো—হ্যাঁ, চার্লি সত্যিই এখানে আছে।’

ছবিটি ২০২৩ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবের মিডনাইট স্ক্রিনিং বিভাগে প্রিমিয়ার হয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ছবির প্রশংসা নির্মাতা ও শিল্পীদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। পরে এটি জিও মামি মুম্বাই চলচ্চিত্র উৎসব, সিডনি চলচ্চিত্র উৎসব, মেলবোর্নের ভারতীয় চলচ্চিত্র উৎসব, লন্ডন ইন্ডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ও বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবেও প্রদর্শিত হয়।

‘কেনেডি’ সিনেমায় সানি লিওনি। আইএমডিবি
‘কেনেডি’ সিনেমায় সানি লিওনি। আইএমডিবি

‘চার্লি’র রহস্যময় হাসি
ছবিতে সানি লিওনের চরিত্র চার্লির একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য—অপ্রত্যাশিত মুহূর্তে তাঁর রহস্যময় হাসি। এই হাসিকে নিখুঁত করতে দীর্ঘ প্রস্তুতি নিয়েছেন অভিনেত্রী। ‘আমি সপ্তাহের পর সপ্তাহ সেই অদ্ভুত হাসিটা অনুশীলন করেছি। লিফটে, সেটে, বিমানবন্দরে—যেখানে সুযোগ পেয়েছি, হাসতাম। আশপাশের মানুষ ভাবত আমি পাগল হয়ে গেছি! কিন্তু আমার জন্য এটা ছিল চরিত্রটাকে নিজের মধ্যে ঢুকিয়ে নেওয়ার উপায়,’ বলেন তিনি।

সানি স্বীকার করেন, তিনি সহজে বিব্রত হন না। ‘আমি হাঁটতে গিয়েও হোঁচট খাই। অন্যরা লজ্জা পায়, আমি না। তাই এই হাসি নিয়েও কখনো অস্বস্তি হয়নি,’—যোগ করেন তিনি।

ওটিটিতে মুক্তি ও অপেক্ষার গল্প
দীর্ঘ উৎসবযাত্রার পর ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে ‘কেনেডি’ ওটিটিতে মুক্তি পায়। আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেও ভারতে মুক্তির বিলম্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।
এ প্রসঙ্গে সানি বলেন, ‘আমার স্বামী সব সময় বলেন, প্রতিটি ছবিরই নিজস্ব সময় থাকে, সময় হলে সে তার জায়গা খুঁজে পায়। আমরা এই ছবিকে নিয়ে বিশ্বভ্রমণ করেছি। মুম্বাইয়েও দর্শক দারুণভাবে গ্রহণ করেছেন। ছবিটিকে একটি নির্দিষ্টভাবে উপস্থাপন করা প্রয়োজন ছিল এবং এখন তা হচ্ছে—এটাই বড় কথা।’

প্রশংসা, পর্যালোচনা ও সামনে পথচলা
চার্লি চরিত্রে অভিনয়ের জন্য সহকর্মীদের কাছ থেকে অপ্রত্যাশিত প্রশংসা পেয়েছেন সানি। নানা প্রান্ত থেকে মানুষ এসে বলেছেন, তাঁরা কাজটা পছন্দ করেছেন। সেটা সত্যিই আনন্দ দিয়েছে, বলেন তিনি।

‘কেনেডি’ সিনেমার পোস্টার। আইএমডিবি
‘কেনেডি’ সিনেমার পোস্টার। আইএমডিবি

ওটিটিতে মুক্তির পর ইতিবাচক পর্যালোচনাও তাঁকে বিস্মিত করেছে। ‘অনেক দিন পর মনে পড়ল—রিভিউ বলে একটা ব্যাপার আছে! এত সুন্দর প্রতিক্রিয়া পাব, ভাবিনি,’—হাসতে হাসতে বলেন সানি।

নিজের দীর্ঘ যাত্রার দিকে ফিরে তাকিয়ে তরুণ বয়সের নিজেকে কী বলতেন? সানির জবাব, ‘বলতাম—সিটবেল্ট বাঁধো। পথ সহজ হবে না। জীবনে কিছুই সহজে পাইনি। লড়তে হয়েছে, আঁকড়ে ধরতে হয়েছে। একটা দরজা বন্ধ হলে আরেকটা খোলার চেষ্টা করেছি। আর সেই চেষ্টাই আমাকে এখানে এনেছে।’

এনডিটিভি অবলম্বনে

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব