Asia trip is a chance for Trump to act like a leader
Quisque sit amet est et sapien ullamcorper pharetra. Quisque sit amet est et sapien ultricies eget, tempor sit amet, Cras in mi at felis aliquet congue. eleifend
Quisque sit amet est et sapien ullamcorper pharetra. Quisque sit amet est et sapien ultricies eget, tempor sit amet, Cras in mi at felis aliquet congue. eleifend
সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন দ্বিগুণের বেশি বাড়ানোর সুপারিশ করে জাতীয় বেতন কমিশন যে প্রতিবেদন দিয়েছে, তা অত্যন্ত ভালো বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, কমিশনের সুপারিশগুলো পর্যালোচনার জন্য একটি কমিটি গঠন করে যাবে অন্তর্বর্তী সরকার। সেই সঙ্গে বেতন কমিশনের দেওয়া সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ থাকবে।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন অর্থ উপদেষ্টা।
পরবর্তী সরকার যে এটা করবে, তার নিশ্চয়তা কী—সাংবাদিকদের এ প্রশ্নে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘টাকাপয়সা দিয়ে যাব। তারপর সুপারিশ করে যাব। আশা করি, এটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হবে।’
সরকার কেন এখনই বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী প্রজ্ঞাপন জারি করছে না—এ প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘গেজেট করা কি সোজা? গেজেট করতে হলে স্পষ্ট করে বলতে হয়, কোনটা কত দেওয়া হবে। মোট কথা, আমরা এই সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের জন্য একটি কমিটি করে দিয়ে যাচ্ছি।’
গণভোটের খরচ বিষয়ে জানতে চাইলে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এটা আমি জানি না। তবে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার ব্যাপারে আমরা কার্পণ্য করিনি। যে টাকা চেয়েছে, আমরা দিয়ে দিয়েছি। বাড়তি কিছু টাকা চেয়েছে, সেটাও আমি দিয়ে দেওয়ার কথা বলেছি।’
বাংলাদেশের বিনিয়োগ এবং রপ্তানি বাণিজ্যে প্রশাসনিক গতিশীলতা আনতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এখন থেকে দেশের বিদ্যমান সকল বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) সরাসরি ‘বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ’ বা বেজার নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হবে। এই লক্ষ্য অর্জনে সরকার ‘বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল আইন ১৯৯৬’ বাতিল করে একটি নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো. রেজাউল করিম গণমাধ্যমকে সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন।
আইন মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ‘বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল রহিতকরণ অধ্যাদেশ ২০২৬’ ইতিমধেই গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে। নতুন এই আইনি কাঠামোর ফলে ১৯৯৬ সালের পুরনো আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত সকল বেসরকারি ইপিজেড এখন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল’ হিসেবে স্বীকৃত হবে। মূলত দেশের বিনিয়োগ পরিবেশকে একক তদারকির আওতায় এনে আরও শক্তিশালী ও সমন্বিত করতেই সরকার এই বড় ধরণের সংস্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
নতুন অধ্যাদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আইনটি রহিত করা হলেও বিনিয়োগকারীদের ভয়ের কোনো কারণ নেই। আগের আইনের অধীনে প্রাপ্ত সকল লাইসেন্স সম্পূর্ণ বৈধ থাকবে এবং উদ্যোক্তাদের নতুন করে কোনো আবেদন করতে হবে না। একইসঙ্গে বেসরকারি ইপিজেডগুলোতে বিনিয়োগকারীরা আগে যে ধরণের বন্ডেড ও রেয়াতি সুবিধা পেতেন সেগুলোও আগের মতোই বহাল থাকবে। তবে এসব অঞ্চলের সামগ্রিক পরিচালনা ও তদারকি কার্যাবলি এখন থেকে সম্পূর্ণভাবে বেজার ওপর ন্যস্ত থাকবে এবং কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে যেকোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।
প্রশাসনিক পরিবর্তনের বিষয়ে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে যে বেসরকারি ইপিজেড পরিচালনার জন্য আগে যে ‘গভর্নর বোর্ড’ ও ‘নির্বাহী সেল’ ছিল তা বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তবে সেখানে কর্মরত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে সরাসরি বেজাতে বদলি করা হবে এবং তাদের চাকরির শর্তাবলি আপাতত আগের মতোই অপরিবর্তিত থাকবে।
এছাড়া বিলুপ্ত হওয়া বোর্ড বা সেলের পক্ষে বা বিপক্ষে চলমান কোনো আইনি লড়াই বা মামলা এখন থেকে বেজার মামলা হিসেবেই পরিচালিত হবে। অবিলম্বে কার্যকর হওয়া এই অধ্যাদেশটি বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে একটি আধুনিক ও সময়োপযোগী ভিত্তি তৈরি করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
দেশের বাজারে সোনার দাম আজ সকাল ও বিকেল– দুই বেলা দাম কমল। সকালে ভরিতে কমেছে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা। পরে বিকেলে আরেক দফা দাম ৫ হাজার ৪২৪ টাকা কমানো হয়। এর ফলে একদিনেই প্রতি ভরিতে দুই দফায় দাম কমল ১২ হাজার ১৪ টাকা।
এর মানে, ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম কমে হয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬০ টাকা।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি আজ বিকেল তিনটার পর দ্বিতীয় দফা নতুন দামের ঘোষণা দেয়। নতুন দাম ৩ টা ৪৫ মিনিয় কার্যকর করা হয়েছে।
এর আগে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ভরিতে দাম ১ হাজার ৯২৫ টাকা কমানো হয়েছিল।
২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম কমানোর পাশাপাশি ২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার দাম ভরিপ্রতি কমেছে। এদিকে সোনার দাম কমলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার দেশে সোনার দাম ভরিপ্রতি সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বেড়েছিল। তাতে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বেড়ে হয়েছিল ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। এটি দেশের ইতিহাসে সোনার সর্বোচ্চ দাম।
করোনার পর গত পাঁচ বছরে দেশে-বিদেশে সোনার দাম দ্রুতগতিতে বেড়েছে। এর মধ্যে দেশের বাজারে ২০২৩ সালের ২১ জুলাই প্রতি ভরি সোনার দাম প্রথম এক লাখ টাকায় ওঠে। তা গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে দেড় লাখ ও অক্টোবরে দুই লাখ টাকার মাইলফলক স্পর্শ করে। গত সপ্তাহে আড়াই লাখ টাকা পেরিয়ে যায়।
এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম বেশ চড়া। এখন প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ৭০৩ ডলার। ভবিষ্যতেও সোনার দাম বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিচ্ছেন বিশ্লেষকেরা।
লন্ডন বুলিয়ন মার্কেট অ্যাসোসিয়েশনের (এলএমবিএ) বার্ষিক পূর্বাভাসের জরিপে বিশ্লেষকেরা বলছেন, ২০২৬ সালে সোনার দাম সর্বোচ্চ ৭ হাজার ১৫০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে। গড় দাম হতে পারে ৪ হাজার ৭৪২ ডলার। আর স্বাধীন বিশ্লেষক রস নরম্যান মনে করেন, চলতি বছর সোনার দাম ৬ হাজার ৪০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে। গড় দাম হতে পারে ৫ হাজার ৩৭৫ ডলার।
ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কেজিতে বাড়ল ৪ টাকা ২১ পয়সা।
চলতি জানুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৩৫৬ টাকা। গত মাসে (ডিসেম্বর ২০২৫) দাম ছিল ১ হাজার ৩০৬ টাকা। অর্থাৎ জানুয়ারিতে ১২ কেজিতে দাম বেড়েছে ৫০ টাকা। গত মাসে দাম বেড়েছিল ৫৩ টাকা।
আজ সোমবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই নতুন দাম ঘোষণা করেন। আজ সন্ধ্যা ছয়টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।
সংস্থাটি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। তবে বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি হচ্ছে না। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে। তবে গত এক মাস ধরে এলপিজির সরবরাহ–সংকট চলছে। প্রতি সিলিন্ডারে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা বেশি দাম নিচ্ছেন এলপিজি বিক্রেতারা।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, দাম নির্ধারণের কারণেই বাড়তি দামের বিষয়টি বোঝা যায়। কমিশন আইন অনুসারে দাম ঘোষণা করছে। বাজারে সরবরাহ কম থাকায় বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। আমদানি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।
বিইআরসির নতুন দর অনুযায়ী, বেসরকারি এলপিজির মূল্য সংযোজন করসহ (মুসক/ভ্যাট) দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি ১১৩ টাকা ৪ পয়সা। গত মাসে তা ছিল ১০৮ টাকা ৮৩ পয়সা। অর্থাৎ এই মাসে দাম কেজিতে বেড়েছে ৪ টাকা ৪২ পয়সা।
এই হিসাবে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে। বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়।
সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) দাম প্রতি লিটার ৬২ টাকা ১৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত মাসে তা ছিল ৫৯ টাকা ৮০ পয়সা।
২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত।
এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) ২ হাজার ২২৪ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে ওষুধ খাতের শীর্ষস্থানীয় দেশীয় কোম্পানি রেনাটা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৮৭ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির ব্যবসা বেড়েছে ১৩৭ কোটি টাকার বা সাড়ে ৬ শতাংশের বেশি। কোম্পানিটির অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি হিসেবে গতকাল রোববার কোম্পানিটি তাদের অর্ধবার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনের গুরুত্বপূর্ণ নানা তথ্য দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের জানিয়েছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই আর্থিক প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়।
আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, রেনাটা ও এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো মিলে সম্মিলিতভাবে ২ হাজার ২২৪ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে। কোম্পানিটির দুটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। একটি রেনাটা (ইউকে) লিমিটেড, অন্যটি রেনাটা ফার্মাসিউটিক্যালস (আয়ারল্যান্ড) লিমিটেড। রেনাটা (ইউকে) লিমিটেডের আওতায় যুক্তরাজ্যের বাজারে আর রেনাটা ফার্মাসিউটিক্যালস (আয়ারল্যান্ড) লিমিটেডের আওতায় ইউরোপের বিভিন্ন বাজারে ওষুধ রপ্তানি করা হয়। আর মূল কোম্পানি রেনাটা দেশের বাজারের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে ওষুধ বাজারজাত করা হয়।
আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে দেশের বাজার ও রপ্তানি বাজার মিলিয়ে রেনাটা ২ হাজার ২০৫ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে। আর রেনাটা আয়ারল্যান্ড এই সময়ে ব্যবসা করেছে ১৯ কোটি টাকা। রেনাটা ইউকে ব্যবসা করেছে ১৬ লাখ টাকার। সব মিলিয়ে এই তিন কোম্পানি মিলিয়ে ২ হাজার ২২৪ কোটি টাকার ব্যবসা করে। সহযোগী প্রতিষ্ঠানসহ রেনাটার তিন কোম্পানি মিলে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে মুনাফা করেছে প্রায় ১৫৬ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১২৫ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির মুনাফা ৩১ কোটি টাকা বা প্রায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে।
আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, কোম্পানিটির ব্যবসা যতটা বেড়েছে, তার চেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে মুনাফায়। যার বড় কারণ উৎপাদন ও সুদসহ অন্যান্য আর্থিক খরচ কমে যাওয়া। চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ২ হাজার ২২৪ কোটি টাকার ব্যবসার বিপরীতে কোম্পানিটির পণ্য উৎপাদন খরচ ছিল ১ হাজার ২৩২ কোটি টাকা, যা মোট ব্যবসার ৫৫ শতাংশ। গত অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে কোম্পানিটির ২ হাজার ৮৭ কোটি টাকার ব্যবসার বিপরীতে উৎপাদন খরচ ছিল ১ হাজার ২০১ কোটি টাকা, যা মোট ব্যবসার ৫৮ শতাংশ। সেই হিসাবে গত অর্থবছরের চেয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে কোম্পানিটির উৎপাদন খরচ ৩ শতাংশ কমেছে। একই সঙ্গে কমেছে সুদসহ অন্যান্য আর্থিক খরচও। গত অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে এ খাতে কোম্পানিটির খরচ ছিল ৭৯ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে তা কমে দাঁড়ায় ৭৩ কোটি টাকায়। একদিকে ব্যবসা বেড়েছে, অন্যদিকে বিভিন্ন খাতে খরচ কমেছে। তাতে কোম্পানিটির মুনাফার ক্ষেত্রে চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি হয়।
জানতে চাইলে রেনাটার কোম্পানি সচিব জোবায়ের আলম বলেন, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে কোম্পানির সুদসহ অন্যান্য আর্থিক খরচ আগের অর্থবছরের চেয়ে সোয়া ৭ শতাংশের বেশি কমেছে। এ ছাড়া উৎপাদন খরচসহ অন্যান্য কিছু খরচও কমেছে। যার ফলে ব্যবসার প্রবৃদ্ধির চেয়ে মুনাফা প্রবৃদ্ধি বেশি হয়েছে।
মাসব্যাপী ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ), ২০২৬ শেষ হয়েছে। এবারের মেলায় সম্ভাব্য রপ্তানি আদেশ এসেছে প্রায় ২২৪ কোটি ২৬ লাখ টাকা। আর মেলায় আনুমানিক ৩৯৩ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি হয়েছে, যার মধ্যে রেস্তোরাঁর বিক্রিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর বিক্রি বেড়েছে ৩ দশমিক ৪২ শতাংশ। আর মেলায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৪০টি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।
আজ শনিবার ঢাকার পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ও অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মো. আবদুর রহিম খান এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ।
জানানো হয়, এবারের মেলায় মোট ৩২৯টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে, যার মধ্যে ভারত, তুরস্ক, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং ও মালয়েশিয়া ইত্যাদি দেশের ১১টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে।
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, ‘দেশে উৎপাদিত অনেক পণ্য রয়েছে, যেগুলোর উদ্যোক্তারা মেলায় অংশগ্রহণ করেন না। প্রদর্শনীর উদ্দেশ্যে তাঁরা যাতে অংশ নিতে পারেন, সেই ব্যবস্থা নিতে হবে। এই প্রদর্শনী আমাদের নিজেদের জাতীয় সক্ষমতা প্রমাণের একটি বড় সুযোগ। তাই তাদের সাশ্রয়ী মূল্যে অথবা প্রয়োজনে বিনা মূল্যেও আমন্ত্রণ জানানো যায় কি না, সে বিষয়টি বিবেচনা করা দরকার। পণ্যের বৈচিত্র্য ও উদ্ভাবনের ওপর ভিত্তি করে—শিল্পপণ্য, রপ্তানি পণ্য কিংবা গৃহস্থালি পণ্য—সব ধরনের পণ্যের অংশগ্রহণ জরুরি। আশা করি আগামী মেলায় আবারও একজন দর্শক ও পরিদর্শক হিসেবে আপনাদের সঙ্গে দেখা হবে।’
পুরস্কার পেল যারা
সমাপনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সেরা প্যাভিলিয়ন, স্টল ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়। নির্মাণশৈলী, পণ্য প্রদর্শন, ক্রেতা সেবা, পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্যবিধি, ডিজিটাল কনটেন্ট ও উদ্ভাবনসহ বিভিন্ন মানদণ্ডে শ্রেষ্ঠ হিসেবে নির্বাচিত করা হয় ৪০টি প্রতিষ্ঠানকে।
প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন প্ল্যাটিনাম ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অর্জন করেছে স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ। দ্বিতীয় হয়েছে আরএফএল প্লাস্টিকস লিমিটেড ও তৃতীয় হয়েছে হবিগঞ্জ এগ্রো লিমিটেড।
প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন গোল্ড ক্যাটাগরিতে সেরা প্যাভিলিয়নের পুরস্কার পেয়েছে সেভয় আইসক্রিম ফ্যাক্টরি। দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুরস্কার পেয়েছে যথাক্রমে আবুল খায়ের মিল্ক প্রোডাক্টস লিমিটেড ও কিয়াম মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। এ ছাড়া এস কে বি স্টেইনলেস স্টিল মিলস লিমিটেড যৌথভাবে একই স্বীকৃতি পেয়েছে।

জেনারেল প্যাভিলিয়ন প্যাভিলিয়ন ক্যাটাগরিতে যৌথভাবে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে কারা অধিদপ্তর (বাংলাদেশ জেল) ও ঢাকা আইসক্রিম লিমিটেড। দ্বিতীয় হয়েছে আবুল খায়ের কনজিউমার প্রোডাক্টস লিমিটেড। তৃতীয় হয়েছে অ্যালয় অ্যালুমিনিয়াম ফার্নিচার লিমিটেড।
মিনি প্যাভিলিয়ন ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার জিতেছে ডিভাইন কার্পেট অ্যান্ড ফ্লোরিং লিমিটেড। যৌথভাবে দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বায়োজিন এবং জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসি)। তৃতীয় হয়েছে আর এম জুট ডাইভারসিফিকেশন মিলস লিমিটেড।
প্রিমিয়ার স্টল ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে জেএমজি ইন্টারন্যাশনাল। দ্বিতীয় হয়েছে আকিজ রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যান্ড অটোমোবাইল লিমিটেড এবং তৃতীয় হয়েছে যৌথভাবে আরএফএল ইলেকট্রনিকস ও ব্রাদার্স ফার্নিচার।
প্রিমিয়ার মিনি স্টল বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে আকতার ফার্নিশার্স। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে যৌথভাবে হাতিল কমপ্লেক্স ও হাতিম স্টিল স্ট্রাকচার। তৃতীয় পুরস্কার পেয়েছে নাদিয়া ফার্নিচার।
এ ছাড়া রিজার্ভ স্টল ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে যৌথভাবে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) ও বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন করপোরেশন। একই ক্যাটাগরিতে যৌথভাবে দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশ চা বোর্ড ও ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন। আর তৃতীয় পুরস্কার পেয়েছে যৌথভাবে রিবানা অর্গানিক ও বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড।
জেনারেল স্টল ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে বিজার্টি ক্যানভাস। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে ডেলআর্ট লিমিটেড এবং তৃতীয় পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশ রিজিওনাল কানেকটিভিটি প্রকল্প-১ (বিআরসিপি-১)।
ফরেন মিনি প্যাভিলিয়ন ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে তুরস্কের অরিজিনাল ইস্তাম্বুল ক্রিস্টাল। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে ভারতের এম/এস তারিক কার্পেট ইন্ডাস্ট্রিজ এবং তৃতীয় পুরস্কার পেয়েছে ইন্ডিয়ান কার্পেট ইন্ডাস্ট্রিজ।

ফরেন প্রিমিয়ার স্টল ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে হংকংয়ের রাবাব ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে সিঙ্গাপুরের পেন্টেল পিটিই লিমিটেড এবং তৃতীয় পুরস্কার পেয়েছে ইন্দোনেশিয়ার পিটি নিসিন ফুডস।
নারী উদ্যোক্তা ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে জয়িতা ফাউন্ডেশন। একই ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে ক্লে-ইমেজ।
নতুন ও উদ্ভাবনী পণ্য
মেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নতুন ও উদ্ভাবনী পণ্য প্রদর্শন করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—কারা অধিদপ্তরের বাঁশজাত পণ্য, জয়িতা ফাউন্ডেশনের ডাইভারসিফাইড জুট পণ্য ও হারবাল চা, বিসিকের ভেজিটেবল ডাইং পোশাক, তাঁত বোর্ডের ঢাকাই মসলিন, জেডিপিসির পাটের ট্যাপেস্ট্রি, অ্যাপেক্স ফুডসের রেডি-টু-ইট খাবার এবং বাংলাদেশ টি বোর্ডের রোজেলা ও ব্লু টি।
এবার রপ্তানি খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মেলার পাশাপাশি আটটি সেমিনার আয়োজন করা হয়। এ ছাড়া দর্শনার্থীদের বিনোদনের জন্য দেশবরেণ্য শিল্পীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। গতকাল শেষ দিনে মেলা প্রাঙ্গণে ছিল উপচে পড়া ভিড়। এবার দর্শনার্থীদের সেবা দিতে ২০০টির বেশি বিআরটিসি বাস চলাচল করেছে বলে জানানো হয়।
দেশের বাজারে আবার কমল জ্বালানি তেলের দাম। গত মাসে দাম প্রতি লিটারে ২ টাকা কমানো হয়েছিল। এ মাসে আরও ২ টাকা করে কমানো হয়েছে। আগামীকাল রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে নতুন দামে বিক্রি হবে পেট্রল, অকটেন, ডিজেল ও কেরোসিন।
আজ শনিবার রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ কথা বলা হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০২ টাকা থেকে কমিয়ে ১০০ টাকা করা হয়েছে। কেরোসিনের দাম ১১৪ থেকে কমিয়ে ১১২ টাকা,পেট্রলের দাম প্রতি লিটার ১১৮ টাকা থেকে কমিয়ে ১১৬ আর অকটেনের দাম ১২২ থেকে কমিয়ে ১২০ টাকা করা হয়েছে।
২০২৪ সালের মার্চ থেকে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ শুরু করে সরকার। সে হিসাবে প্রতি মাসে নতুন দাম সমন্বয় করা হয়। জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণের সূত্র নির্ধারণ করে নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয় ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি। নির্দেশিকায় বলা হয়, দেশে ব্যবহৃত অকটেন ও পেট্রল ব্যক্তিগত যানবাহনে বেশি ব্যবহৃত হয়। তাই বাস্তবতার নিরিখে বিলাসদ্রব্য (লাক্সারি আইটেম) হিসেবে সব সময় ডিজেলের চেয়ে অকটেন ও পেট্রলের দাম বেশি রাখা হয়।
জ্বালানি তেলের মধ্যে উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের দাম নির্ধারণে শুনানি করেছে বিইআরসি। শিগগির নতুন দাম ঘোষণা করা হবে। আর ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম নির্ধারণ করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।
২০১৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বব্যাপী পোশাক আমদানির পরিমাণ ৫.৩০ শতাংশ কমেছে। তবে একই সময়ে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক আমদানির পরিমাণ ২৬.৬২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
শনিবার (৪ অক্টোবর) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সংস্থা ‘অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেল’ (ওটেক্সা)-এর তথ্য অনুযায়ী এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বাসস।
তুলনামূলকভাবে দেখা যায়, বাংলাদেশের প্রতিযোগী দেশ চীনের রফতানি কমেছে ১৮.৩৬ শতাংশ। বিপরীতে, ভিয়েতনাম ও ভারতের রফতানি যথাক্রমে ৩২.৯৬ শতাংশ ও ৩৪.১৩ শতাংশ বেড়েছে। ইন্দোনেশিয়ার রফতানি কমেছে ১৯.৮২ শতাংশ এবং কম্বোডিয়ার রফতানি বেড়েছে ১০.৭৮ শতাংশ। উল্লেখযোগ্যভাবে, বাংলাদেশের আমদানি ভলিউম ২৬.৬২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ইউনিট মূল্যের ক্ষেত্রে, বিশ্বব্যাপী যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি কমেছে ১.৭১ শতাংশ। চীন ও ভারতের ইউনিট মূল্য যথাক্রমে ৩৩.৮০ শতাংশ ও ৪.৫৬ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে, ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়ার ইউনিট মূল্য যথাক্রমে ৬.৬৪ শতাংশ ও ৭.৩৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কম্বোডিয়ার ইউনিট মূল্য বেড়েছে ৩৮.৩১ শতাংশ। বাংলাদেশে এই বৃদ্ধি হয়েছে ৭.৩০ শতাংশ।
ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশ বর্তমানে এমন একটি ইউনিট মূল্য ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক গড় মূল্যের কাছাকাছি।
পুঁজিবাজারকে নিয়মিত আয়ের উৎস বানিয়ে ফেললে বিপদ হয়— এমন মন্তব্য করেছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেন, পুঁজিবাজার থেকে সবসময় মুনাফাই হবে, এটা ভাবা ভুল। সুকুক বন্ড বেসরকারি হওয়া উচিত। তাহলেই সত্যিকার অর্থে মুনাফা হয় এমন খাতে বিনিয়োগ আসবে।
উপদেষ্টা বলেন, ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা যখন যোগাযোগ মন্ত্রী ছিলেন তখন থেকেই পদ্মা সেতু নিয়ে ভাবনা চলছে। আমি তখনও বলেছিলাম এত বড় অবকাঠামো তৈরির জন্য বিশ্বব্যাংকের ঋণ নেয়ার দরকার নেই।
শেয়ার মার্কেট থেকেই এরকম মেগা প্রজেক্ট নির্মাণের অর্থ তোলা সম্ভব বলেও মনে করেন তিনি।