• Colors: Blue Color

ইরানের সঙ্গে সংঘাত শুরু হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্য থেকে ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে গেছেন বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এক ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে নাগরিকদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এ পর্যন্ত ফিরিয়ে আনা ব্যক্তিদের মধ্যে প্রায় ৩০ হাজার জনকে সহায়তা করেছে এ উদ্দেশ্যে গঠিত একটি বিশেষ টাস্কফোর্স।

পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, মধ্যপ্রাচ্য থেকে নাগরিকদের সরিয়ে নিতে দুই ডজনের বেশি চার্টার ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়েছে। তবে এসব ফ্লাইটে গড়ে ৪০ শতাংশের কম আসন পূর্ণ ছিল। কারণ অনেক মার্কিন নাগরিক বাণিজ্যিক ফ্লাইট ব্যবহার করে নিজ উদ্যোগেই দেশে ফিরে গেছেন।

এদিকে অঞ্চল থেকে চার্টার ফ্লাইট ও স্থলপথে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম এখনও চালু রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সরকার জানিয়েছে, সহায়তার প্রয়োজন হলে যেকোনো মার্কিন নাগরিক আবেদন করতে পারবেন।

 

দুবাই

ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে আজ মঙ্গলবারও মার্কিন–ইসরায়েলি হামলা চলছে। হামলায় কেঁপে উঠছে দেশটির বিভিন্ন শহর।

তেহরানে অবস্থানরত আল–জাজিরার সাংবাদিক তোহিদ আসাদি জানান, ‘গত কয়েক ঘণ্টায় আমরা রাজধানীর পূর্বাঞ্চলে বিস্ফোরণের ঘটনার কথা শুনেছি এবং ইসফাহান, তাবরিজ ও আহভাজ সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলার খবর পেয়েছি।’

এসব হামলায় হতাহতের সংখ্যা এখনও স্পষ্ট নয়, তবে এ নিয়ে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে।

এদিকে ইরান সরকারের বিভিন্ন বার্তায় বলা হচ্ছে, পাল্টা হামলা অব্যাহত থাকবে। ইরান দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত এবং এই পর্যায়ে যুদ্ধবিরতির কোনো সম্ভবানা নেই।

নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল

ইরানে নতুন দফায় হামলা শুরু করেছে ইসরায়েলে। দেশটির সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

সূত্র: আল-জাজিরা।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতার মূলে বড় ধরনের আঘাত হানার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

  মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ইরানের আধা-সামরিক বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, তেলআবিবের দক্ষিণে অবস্থিত ইসরায়েলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হায়েলা’ (সদত মিচা) স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্রটি এক ভয়াবহ ড্রোন হামলায় পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। 

আইআরজিসির জনসংযোগ দপ্তরের তথ্যমতে, এই ‘হায়েলা’ কেন্দ্রটি ছিল জায়নবাদী শাসনের বিমান ঘাঁটিগুলোর সঙ্গে যুদ্ধবিমানের যোগাযোগের অন্যতম প্রধান সমন্বয় কেন্দ্র। এটি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলোর স্যাটেলাইট নিয়ন্ত্রণ নেটওয়ার্কের জন্য একটি অপরিহার্য অবকাঠামো হিসেবে ব্যবহৃত হতো। এই কেন্দ্রটি ধ্বংস হওয়ার ফলে ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর অপারেশনাল কমান্ড এবং স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের ধস নামার আশঙ্কা করছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা। 

এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন সামরিক কমান্ডার ও বেসামরিক নাগরিককে হত্যার পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। ওই ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বিশাল আকারের সামরিক অভিযান শুরু করে, যার ফলে ইরানি ভূখণ্ডে ব্যাপক প্রাণহানি এবং অবকাঠামোর ক্ষতি হয়। এর জবাবে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী এখন ইসরায়েলের অধিকৃত অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে কয়েক দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের তরঙ্গ পাঠিয়ে প্রতিশোধমূলক হামলা চালাচ্ছে।

বর্তমানে যুদ্ধের ময়দানে দুই পক্ষই অনড় অবস্থানে রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যুদ্ধ প্রায় শেষের দিকে এবং ইরানকে আলোচনার টেবিলে আসতে হবে। তবে ইরান সেই দাবিকে স্রেফ তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছে। 

আইআরজিসি এবং ইরানি সামরিক নেতৃত্বের পাল্টা দাবি, এই যুদ্ধের সমাপ্তি বা ইতি কখন ঘটবে তা ওয়াশিংটন নির্ধারণ করতে পারবে না; বরং ইরানের সশস্ত্র বাহিনীই যুদ্ধের ভবিষ্যৎ গতিপথ ঠিক করবে। 

 

ইরানে হামলা এমন এক যুদ্ধের পরিকল্পনা, যার জন্য যুক্তরাষ্ট্র মোটেও প্রস্তুত নয়। কারণ, তারা ভুল একটি যুদ্ধ নিয়ে বড্ড বেশি ব্যস্ত।

ওয়াশিংটন যখন ইরানের বিরুদ্ধে লড়তে শত শত কোটি ডলার ঢালছে এবং বিশ্বজুড়ে সংবাদমাধ্যমগুলো তেলের দাম আর ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথের ওপর নজর রাখছে, তখন বেইজিং নিঃশব্দে এমন একটি নথি প্রকাশ করেছে, যা আগামী কয়েক দশকের ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিতে পারে।

গত ৫ মার্চ ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসে উন্মোচিত চীনের ১৪১ পৃষ্ঠার ‘১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাতে’ এমন এক উচ্চাভিলাষী কৌশলের কথা বলা হয়েছে, যার লক্ষ্য হলো আগামী প্রজন্মের অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তি নির্ধারণকারী প্রযুক্তি, কাঁচামাল ও শিল্প খাতগুলোকে নিজেদের দখলে নেওয়া।

ইনভেস্টমেন্ট অ্যানালিস্ট ও লেখক শানাকা আনসেলাম পেরেরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে লিখেছেন, ‘কেউ এদিকে মনোযোগ দিচ্ছে না। আর এটাই হলো আসল পয়েন্ট।’

চীনের এই ব্লুপ্রিন্ট বা খসড়াটি কোনো সাধারণ অর্থনৈতিক নীতিমালা নয়, বরং একে একটি জাতীয় প্রযুক্তিগত সংহতি বা প্রস্তুতির মতো মনে হচ্ছে। পুরো নথিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের কথা বারবার এসেছে।

বেইজিং ইঙ্গিত দিয়েছে, আগামী এক দশকের মধ্যে তারা তাদের অর্থনীতির সিংহভাগজুড়ে এআইকে গেঁথে দিতে চায়।

মানুষের মতো দেখতে রোবটকে (হিউম্যানয়েড রোবোটিকস) প্রধান একটি শিল্প হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এর উৎপাদন দ্বিগুণ করার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে। এ ছাড়া এই পরিকল্পনায় চীন মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে কোয়ান্টাম যোগাযোগ নেটওয়ার্ক তৈরি, নিউক্লিয়ার ফিউশন গবেষণায় গতি আনা এবং ‘ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস’ প্রযুক্তিকে এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে।

চীনের অর্থনৈতিক লক্ষ্যও বেশ চমকপ্রদ। এই পরিকল্পনা চলাকালে শুধু এআই–সংশ্লিষ্ট শিল্পগুলোর মূল্য ১০ লাখ কোটি ইউয়ান ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা বর্তমান বিনিময় হারে প্রায় ১ লাখ ৪ হাজার কোটি ডলার।

চীনের এই উদ্যোগের মাত্রা দেখে বোঝা যায়, এটি একটি সুসংগঠিত জাতীয় শিল্প প্রচেষ্টা। স্বল্পমেয়াদি যুদ্ধের ময়দানে জেতার চেয়ে তারা বরং অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে উৎপাদনব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় নীতিকে যুক্ত করে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক শক্তি গড়ে তুলতে চায়।

আনসেলাম পেরেরা যুক্তি দেখিয়েছেন, চীনের এই কৌশলের ব্যাপকতাই একে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। তিনি লিখেছেন, ‘এটি কোনো অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নয়; এটি এমন এক যুদ্ধের পরিকল্পনা, যা যুক্তরাষ্ট্র লড়ছেই না।’

চীনের এই প্রযুক্তিগত উত্থানের মোকাবিলায় ওয়াশিংটনের প্রধান পদক্ষেপ ছিল ২০২২ সালে পাস হওয়া ‘চিপস অ্যান্ড সায়েন্স অ্যাক্ট’ (চিপস অ্যাক্ট)। এই আইনের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন শক্তিশালী করতে ৫ হাজার ২৭০ কোটি ডলার বরাদ্দ দেওয়া হয়, যার মধ্যে ৩ হাজার ৯০০ কোটি ডলার সরাসরি অনুদান এবং ট্যাক্স সুবিধা অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এই উদ্যোগের ফলে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ১৪০টির বেশি প্রকল্পে শত শত কোটি ডলারের বেসরকারি বিনিয়োগ এসেছে। প্রচুর উচ্চ-দক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

কিন্তু এটি শুধু চিপসের বিষয় নয়

যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রচেষ্টা মূলত একটি গুরুত্বপূর্ণ খাতের ওপর সীমাবদ্ধ। আর তা হলো চিপস।

অন্যদিকে চীনের কৌশল অনেক বেশি বিস্তৃত। তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ভারী শিল্প থেকে শুরু করে সেবা খাত—সব জায়গায় ছড়িয়ে দিতে চায়। শিল্প উৎপাদনব্যবস্থার মূল ভিত্তি হিসেবে রোবোটিকসকে ব্যবহার করতে চায়।

চীনের এই পরিকল্পনা একই সঙ্গে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, মহাকাশ অবকাঠামো এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিকসের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও প্রসেসিং ক্ষমতার (বিশেষ করে বিরল খনিজ) ওপর বিনিয়োগ বাড়ানোর তাগিদ দেয়।

পেরেরা এই পার্থক্যকে সহজ কথায় এভাবে ব্যাখ্যা করেছেন—‘চিপস অ্যাক্ট হলো একটি রাইফেল, আর পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা হলো একটি অস্ত্রাগার।’

সেই অস্ত্রাগারের কেন্দ্রে রয়েছে বিরল খনিজ উপাদান। বর্তমানে বিশ্বের অধিকাংশ বিরল খনিজ প্রক্রিয়াজাতকরণ চীনের নিয়ন্ত্রণে। এই উপাদানগুলো ইলেকট্রিক গাড়ি থেকে শুরু করে ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা এবং অত্যাধুনিক রাডার তৈরির জন্য অপরিহার্য।

প্রতিটি এফ–৩৫ যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন, সেন্সর এবং অস্ত্রব্যবস্থা তৈরির জন্য শত শত পাউন্ড বিরল খনিজ প্রয়োজন হয়। ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষার ব্যাটারি এবং নির্ভুলভাবে লক্ষ্যভেদী গোলাবারুদও এই বিরল খনিজের ওপর নির্ভরশীল।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেইজিং এই খাতের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তপোক্ত করেছে। তারা রপ্তানি নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাকে আরও কঠোর করেছে, যার ফলে বিশ্বজুড়ে এই খনিজ সরবরাহের ওপর তাদের শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এফ–৩৫ যুদ্ধবিমান। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, পুয়ের্তো রিকো
যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এফ–৩৫ যুদ্ধবিমান। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, পুয়ের্তো রিকো, ছবি: রয়টার্স
 

অন্যদিকে মার্কিন প্রতিরক্ষা কেনাকাটার নিয়মগুলো উল্টো পথে হাঁটছে। আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে পেন্টাগনের চুক্তিতে চীনা খনিজ উপাদান ব্যবহার পর্যায়ক্রমে বন্ধ করার কথা বলা হয়েছে। এর ফলে মার্কিন সরবরাহকারীদের বিকল্প উৎস খুঁজে বের করতে বা তৈরি করতে হচ্ছে। তবে সেটা এখনো বড় আকারে নেই।

বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে আগামী কয়েক বছর বা অন্তত দশকের জন্য ‘দুর্বলতার সুযোগ’ তৈরি হয়েছে। এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আগ্রাসন বা গাজায় নির্বিচার ধ্বংসযজ্ঞে ইসরায়েলকে সহায়তা করতে গিয়ে প্রচুর পরিমাণে বিরল খনিজ সমৃদ্ধ গোলাবারুদ খরচ করে ফেলছে।

অথচ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এমন খনি বা প্রক্রিয়াজাত প্ল্যান্ট নেই, যা বড় পরিসরে এই চাহিদা পূরণ করতে পারে।

পেরেরা লিখেছেন, ‘ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারসেপ্টর (প্রতিরক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্র) ধ্বংস হচ্ছে। আর চীন সেই ইন্টারসেপ্টর তৈরির সরবরাহব্যবস্থা আটকে দিচ্ছে।’ আর এই পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাই হলো সেই কৌশলগত নথি, যা এই চাপকে জাতীয় কৌশলে রূপান্তর করেছে।

সি চিন পিংয়ের ১৪১ পৃষ্ঠার এই পথনকশার লক্ষ্য হলো—আগামী ১৫ বছর এই ধ্বংসাত্মক সমরকৌশলের প্রয়োজনীয় উপকরণগুলো যেন চীনের নিয়ন্ত্রণেই থাকে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, চীন যদি কাঁচামাল, রোবোটিকস এবং এআইকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার অধীনে আনতে সফল হয়, তবে পরবর্তী বৈশ্বিক পরাশক্তি হওয়ার লড়াই পারস্য উপসাগরের আকাশে যুদ্ধবিমানের লড়াইয়ে নির্ধারিত হবে না। বরং এফ–৩৫ আকাশে ওড়ার অনেক আগেই সরবরাহ চেইন এবং কারখানার ভেতরেই তার ফয়সালা হয়ে যাবে।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব