• Colors: Purple Color

ভারতের দিল্লি বিমানবন্দরে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখোমুখি প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদুর রহমান।

রোববার (১৪ জুন) সরকারি সফরে সেখানে পৌঁছানোর পর দেশটির ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা দীর্ঘক্ষণ কথা বলায় একপর্যায়ে বিরক্ত হয়ে সফর বাতিল করে ঢাকায় ফেরার সিদ্ধান্ত নেন তথ্য উপদেষ্টা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে উপদেষ্টা নিজেই পাসপোর্ট ফেরত চান এবং পরবর্তী ফ্লাইটে ঢাকায় ফেরার প্রস্তুতি নেন।

পরবর্তীতে পরিস্থিতি বুঝতে পেরে ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাঁকে সসম্মানে দেশটিতে প্রবেশের অনুরোধ জানালেও আত্মসম্মান ও প্রটোকল বজায় রাখতে সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেন ডা. জাহেদুর রহমান।

উদ্ভূত এই পরিস্থিতির পর তিনি আর দিল্লিতে অবস্থান করেননি। যত দ্রুত সম্ভব ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় মা ও মেয়েকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি রিমন বড়ুয়া প্রকাশ তেজু বড়ুয়াকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ।

রোববার (১৪ জুন) রাতে পটিয়া থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিল্পাঞ্চল ও ডিবি) মো. রাসেল বলেন, আনোয়ারা থানার চেনামতি এলাকায় সংঘটিত মা-মেয়ে হত্যা মামলার আসামি রিমন বড়ুয়া প্রকাশ তেজু বড়ুয়াকে রোববার রাতে পটিয়া থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে আজ বেলা সাড়ে ১১টার সময় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হবে।

এর আগে, গত ১৩ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে আনোয়ারা উপজেলার পরৈকোড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চেনামতি বড়ুয়া পাড়া এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন একই এলাকার সুজন বড়ুয়ার স্ত্রী এনি বড়ুয়া (৪০) এবং তাদের মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া (১৬)। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয় তাদের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে পিয়াস বড়ুয়া, সে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

নিহত এনি বড়ুয়ার স্বামী সুজন বড়ুয়া দাবি করেছিলেন, প্রতিবেশী রিমন বড়ুয়া প্রকাশ তেজু বড়ুয়ার সঙ্গে আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধ ছিল। ওই লেনদেনসংক্রান্ত কাগজপত্রের খোঁজে এসে হামলার ঘটনা ঘটানো হতে পারে বলে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন। মৃত্যুর আগে তার স্ত্রীও তেজু বড়ুয়ার নাম উল্লেখ করেছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ ২৮ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে। সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচার শুরু হয়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১–এ আজ সোমবার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। এ মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ২৪ জুন দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

সূচনা বক্তব্যে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিয়ে ধানমন্ডিতে বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ফারহান ফাইয়াজ শহীদ হয়। সেদিন (২০২৪ সালের ১৮ জুলাই) ছাত্রলীগ–যুবলীগের নেতা–কর্মীরা এমনভাবে গুলি করছিল যে পুলিশ সদস্যরাও এভাবে গুলি করে না। ছাত্রলীগ–যুবলীগের নেতা–কর্মীদের কাছে এত গুলি কীভাবে আসল?’

মামলার ২৮ আসামির মধ্যে চারজন গ্রেপ্তার আছেন। তাঁরা হলেন সাবেক আনসার সদস্য মোহাম্মদ ওমর ফারুক, মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন ও যুবলীগ কর্মী কে এম ফজলে রাব্বী।

নানক, তাপসসহ এই মামলার ২৪ আসামি পলাতক। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, পুলিশ সদর দপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ও মোহাম্মদপুর অঞ্চলের সাবেক এডিসি রৌশানুল হক সৈকত।

পলাতক আসামিদের মধ্যে আরও রয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক, মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক মো. তোফায়েল সিদ্দিক, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন, আদাবর থানা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আরিফুর রহমান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ ও ৩২ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান–নুর–ইসলাম, ঢাকা মহানগর উত্তর ৩৩ নং ওয়ার্ড যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেকুজ্জামান রাজীব, জাহাঙ্গীর কবির নানকের এপিএস (ব্যক্তিগত সহকারী) মো. মাসুদুর রহমান বিপ্লব, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ মাহমুদ হৃদয়, মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আইমান ওয়াসেক, ধানমন্ডি থানা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহাদ হোসেন সোহাগ, ঢাকা মহানগর উত্তর ৩৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. সেন্টু ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাইনুল ইসলাম, আন্দোলনে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে আক্রমণকারী মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা জহির উদ্দিন আহম্মেদ, অস্ত্রধারী ‘হেলমেট বাহিনীর সদস্য’ মো. ইউনুছ এবং সাবেক কাউন্সিলর আসিফ আহমেদের সহযোগী মো. রুবেল হোসেন।

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর এলাকায় ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই আন্দোলনকারী ফারহান ফাইয়াজ, মো. মাহিন মিয়া ও মো. রনিকে হত্যা এবং পরদিন ১৯ জুলাই আল শাহরিয়ার হোসেন, মো. রাজু আহমেদ, মাহামুদুর রহমান সৈকত, মো. ইসমাইল, মো. জসিম উদ্দিন ও জোবায়েদ হোসেন ইমনকে হত্যার ঘটনায় এই মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে হবে—এই প্রশ্ন রেখে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, কেউ বলছেন, এ নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারবে, কেউ বলছেন পারবে না। কেউ বলছেন, দলীয় প্রতীকে হবে না বলে ‘ক্লিন ইমেজের’ যাঁরা আছেন, তাঁরা অংশ নিতে পারবেন। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এ বিষয়গুলো পরিষ্কার করলে সবার বুঝতে সুবিধা হতো। স্থানীয় পর্যায়ে যাঁরা রাজনীতি করেন, তাঁদের জন্য সুবিধা হতো।

আজ সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত মঞ্জুরি দাবির ওপর ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় রুমিন ফারহানা এ কথা বলেন।

জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, যথাসময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে। তবে এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতারা অংশগ্রহণ করতে পারবেন কি না, সে প্রশ্নে কিছু বলেননি তিনি।

আলোচনায় অংশ নিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ইতিমধ্যে প্রতিটি জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁরা সবাই দলীয়ভাবে মনোনীত। অথচ এই গণতন্ত্রের জন্য ২০১৪ থেকে আরম্ভ করে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন বাংলাদেশের মানুষ লড়াই করেছে, সংগ্রাম করেছে। কিন্তু বর্তমান সরকার চার মাসের মতো ক্ষমতায় এসেছে, এরপরও স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কিছু জানতে পারিনি।

স্বতন্ত্র এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী স্থানীয় পর্যায়ের পুরো শাসনব্যবস্থা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে হবে। কিন্তু আমরা দেখতে পেলাম, এ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকদের অধীনে জেলাগুলো শাসিত হচ্ছে। এটা সংবিধানের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।’

পরে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে আমি আশ্বস্ত করতে পারি যে যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আমরা যে সিদ্ধান্তে একমত হয়েছি, সেই সিদ্ধান্তে আমরা যথাযসময়ে নির্বাচন করতে পারব।’

জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেত্রী সঞ্চিতা উগলে আর নেই। সুপার হিট টেলিভিশন ধারাবাহিক ‘কুমকুম ভাগ্য’-এর এই অভিনেত্রী আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ২২ বছর বয়সী এই অভিনেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ রোববার সন্ধ্যায় তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।

মুম্বাইয়ের নালাসোপারায় অবস্থিত নিজের বাড়িতে সঞ্চিতা উগলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে, রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা থেকে সাড়ে সাতটার মধ্যে ঘটনাটি ঘটেছে।

পুলিশের তথ্যানুযায়ী, সঞ্চিতা পূর্ব নালাসোপারা আচোলে গ্রামে মা–বাবা ও বোনের সঙ্গে থাকতেন। রোববার সন্ধ্যায় বাড়িতে একা থাকার সময় তিনি শাড়ির সাহায্যে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাঁকে স্থানীয় তুলিঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশ একটি অ্যাকসিডেন্টাল ডেথ রিপোর্ট (এডিআর) নথিভুক্ত করেছে। ঘটনাস্থল থেকে কোনো সুইসাইড নোটও পাওয়া যায়নি।

অভিনেত্রী সঞ্চিতা উগলে
অভিনেত্রী সঞ্চিতা উগলেঅভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

সঞ্চিতার মৃত্যুর কারণ নিয়ে এখনো স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি। এদিকে তাঁর মৃত্যুকে ঘিরে বিভিন্ন আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

সবচেয়ে চমকে দেওয়া বিষয় হলো সঞ্চিতার শেষ ইনস্টাগ্রাম পোস্ট। মৃত্যুর মাত্র ১৯ ঘণ্টা আগে তিনি ইনস্টাগ্রামে একটি রিল ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। সেখানে তাঁকে হাসিখুশি ও প্রাণবন্ত দেখাচ্ছিল। ভিডিওটি দেখে বোঝার উপায় ছিল না যে অভিনেত্রী এমন চরম পদক্ষেপ নিতে পারেন। ভিডিওতে সঞ্চিতাকে হাতে ক্যামেরা ধরে থাকতে দেখা যায়। তার মুখের হাসির আড়ালে কী যন্ত্রণা লুকিয়ে ছিল, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। পোস্টটির ক্যাপশনে তিনি লিখেছিলেন, ‘ম্যায় নাচুঁ, তু নাচা।’
ইনস্টাগ্রামে সঞ্চিতার অনুসারীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার। তাঁর অ্যাকাউন্ট দেখলে বোঝা যায়, তিনি ছিলেন প্রাণবন্ত, হাসিখুশি ও নির্ভার স্বভাবের মানুষ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত ও সহকর্মীরা অশ্রুসিক্ত বিদায় জানাচ্ছেন অভিনেত্রীকে।
সঞ্চিতা ‘সাজন ঘর’, ‘কুমকুম ভাগ্য’, ‘ওয়াগলে কি দুনিয়া’ ও ‘দিলওয়ালি দুলহা লে জায়েগি’র মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করেছিলেন। ‘কুমকুম ভাগ্য’ ধারাবাহিকে দিয়া ট্যান্ডন চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ঘরে ঘরে পরিচিতি পান। ভিকি কৌশল অভিনীত ‘ছাভা’ ছবিতে তিনি কাজ করেছিলেন। সেখানে তিনি তারাবাই চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।

অভিনেত্রী সঞ্চিতা উগলে
অভিনেত্রী সঞ্চিতা উগলেঅভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

২০২০ সালের ঠিক এই দিনে, অর্থাৎ ১৪ জুন বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুও হয়েছিল। তাঁর মৃত্যুর ছয় বছর পূর্ণ হয়েছে। দুজনের মৃত্যুর তারিখ এক হওয়ায় অনেক নেটিজেন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
টেলিভিশন ও চলচ্চিত্র—উভয় মাধ্যমেই নিজের অভিনয়ের জন্য পরিচিত ছিলেন সঞ্চিতা। সঞ্চিতাকে হারিয়ে তাঁর পরিবার ভেঙে পড়েছে। কেউ কল্পনাও করেননি, ক্যারিয়ারের উত্থানের সময়ে তিনি এভাবে পৃথিবী ছেড়ে চলে যাবেন।

মাগুরায় সদ্য যোগদান করা জেলা প্রশাসক মোতাকাব্বীর আহমেদ হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বিশেষ হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে।

ঢাকায় তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হবে বলে মাগুরা জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

জানা গেছে, রোববার (১৪ জুন) রাতে জেলা প্রশাসক মোতাকাব্বীর আহমেদ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তার চিকিৎসার জন্য মাগুরা সিভিল সার্জন ডা. শামীম কবিরের নেতৃত্বে এবং মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহসিন উদ্দিন ফকিরের তত্ত্বাবধানে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় সোমবার (১৫ জুন) বিকালে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় পাঠানো হয়।

মাগুরার সিভিল সার্জন ডা. শামীম কবির বলেন, শরীরে এসিডিটির মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় জেলা প্রশাসক অসুস্থ হয়ে পড়েন। পাশাপাশি কিছু শারীরিক জটিলতা দেখা দেওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। তবে তার অবস্থা স্থিতিশীল এবং তিনি আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন।

 

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব