স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে হবে—এই প্রশ্ন রেখে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, কেউ বলছেন, এ নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারবে, কেউ বলছেন পারবে না। কেউ বলছেন, দলীয় প্রতীকে হবে না বলে ‘ক্লিন ইমেজের’ যাঁরা আছেন, তাঁরা অংশ নিতে পারবেন। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এ বিষয়গুলো পরিষ্কার করলে সবার বুঝতে সুবিধা হতো। স্থানীয় পর্যায়ে যাঁরা রাজনীতি করেন, তাঁদের জন্য সুবিধা হতো।
আজ সোমবার জাতীয় সংসদে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত মঞ্জুরি দাবির ওপর ছাঁটাই প্রস্তাবের আলোচনায় রুমিন ফারহানা এ কথা বলেন।
জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, যথাসময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে। তবে এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতারা অংশগ্রহণ করতে পারবেন কি না, সে প্রশ্নে কিছু বলেননি তিনি।
আলোচনায় অংশ নিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ইতিমধ্যে প্রতিটি জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁরা সবাই দলীয়ভাবে মনোনীত। অথচ এই গণতন্ত্রের জন্য ২০১৪ থেকে আরম্ভ করে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন বাংলাদেশের মানুষ লড়াই করেছে, সংগ্রাম করেছে। কিন্তু বর্তমান সরকার চার মাসের মতো ক্ষমতায় এসেছে, এরপরও স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কিছু জানতে পারিনি।
স্বতন্ত্র এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী স্থানীয় পর্যায়ের পুরো শাসনব্যবস্থা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে হবে। কিন্তু আমরা দেখতে পেলাম, এ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়োগ পাওয়া প্রশাসকদের অধীনে জেলাগুলো শাসিত হচ্ছে। এটা সংবিধানের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।’
পরে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে আমি আশ্বস্ত করতে পারি যে যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আমরা যে সিদ্ধান্তে একমত হয়েছি, সেই সিদ্ধান্তে আমরা যথাযসময়ে নির্বাচন করতে পারব।’