• Colors: Blue Color

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ‘নতুন ও তিক্ত পরাজয়’ উপহার দিতে তাঁর দেশের নৌবাহিনী প্রস্তুত। আজ রোববার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তাঁর এ বার্তা প্রচার করা হয়।

গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যে এই হুঁশিয়ারি দিলেন খামেনি।

হোয়াইট হাউসে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার ওপর থেকে বিধিনিষেধ শিথিল করার এক আদেশে স্বাক্ষর করছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ১৮ এপ্রিল ২০২৬
হোয়াইট হাউসে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার ওপর থেকে বিধিনিষেধ শিথিল করার এক আদেশে স্বাক্ষর করছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ১৮ এপ্রিল ২০২৬ছবি: রয়টার্স

ইতিমধ্যে, ওই প্রণালিতে অন্তত দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার খবর পাওয়া গেছে।

তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা

উত্তর কোরিয়া আবারও তার সামরিক শক্তির প্রদর্শন ঘটিয়ে পূর্ব উপকূলে একের পর এক ‘ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র’ ছুড়েছে উত্তর কোরিয়া। 

রোববার (১৯ এপ্রিল) স্থানীয় সময় ভোরে দেশটি এই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায়। দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপান সরকারের পক্ষ থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। খবর রয়টার্সের। 

পিয়ংইয়ংয়ের পক্ষ থেকে এটি চলতি বছরে চালানো সপ্তম ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা। তবে শুধু এপ্রিল মাসেই এটি চতুর্থ বারের মতো এই ধরনের ঘটনা।

দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, রোববার স্থানীয় সময় ভোর ছয়টা দশ মিনিটের দিকে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছোড়া হয়। পিয়ংইয়ংয়ের সিনপো শহরের উপকূলীয় এলাকা থেকে এগুলো নিক্ষেপ করা হয় বলে জানা গেছে।

এদিকে জাপান সরকার তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কোরীয় উপদ্বীপের পূর্ব উপকূলে আছড়ে পড়েছে। তবে জাপানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

এই ঘটনার পরপরই দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কার্যালয় থেকে জরুরি নিরাপত্তা বৈঠক ডাকা হয়েছে। উত্তর কোরিয়ার এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের সরাসরি লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে পিয়ংইয়ং বারবার জাতিসংঘের এই বিধিনিষেধগুলো প্রত্যাখ্যান করে আসছে। তারা বরাবরই দাবি করে আসছে  এটি তাদের আত্মরক্ষার সার্বভৌম অধিকার এবং নিজের নিরাপত্তার জন্য তারা এই সক্ষমতা ধরে রাখতে চায়।

দক্ষিণ কোরিয়ার কিয়ংনাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লিম ইউল চুল এ বিষয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন মধ্যপ্রাচ্যের ইরান পরিস্থিতি নিয়ে অনেক বেশি ব্যস্ত এবং মনোনিবেশ করে আছে। এই সুযোগটিকে উত্তর কোরিয়া কাজে লাগাচ্ছে। তারা তাদের পারমাণবিক শক্তি এবং ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করার জন্য একে এক মোক্ষম সময় হিসেবে দেখছে। 

উল্লেখ্য, গত মার্চের শেষের দিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন একটি বড় ঘোষণা দিয়ে জানিয়েছিলে, পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে উত্তর কোরিয়ার বর্তমান অবস্থান এখন অপরিবর্তনীয়। জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের আত্মরক্ষামূলক পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা ছাড়া অন্য কোনো পথ নেই বলেও তিনি সেই সময় মন্তব্য করেছিলেন।

 

যুক্তরাষ্ট্রকে তেহরান বিশ্বাস করে না এবং যেকোনো মুহূর্তে আবারও লড়াই শুরু হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।

আজ রোববার ভোরে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে গালিবাফ এই সতর্কবার্তা দেন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই সপ্তাহের চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি ও এ যুদ্ধ বন্ধ করা নিয়ে চলমান অনিশ্চয়তার মধ্যেই তাঁর এ মন্তব্য সামনে এল।

এদিকে ইসরায়েলি আর্মি রেডিওর প্রতিবেদনে সামরিক ও রাজনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্ভাব্য সমাপ্তির আশঙ্কায় ইসরায়েলি বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই

ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ অব্যাহত থাকায় ক্ষুব্ধ তেহরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ‘আগের অবস্থায়’ ফিরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

ইরানের এ ঘোষণায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে জটিলতা তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ইরানের সামরিক বাহিনীর অপারেশনাল কমান্ড ‘খাতাম আল-আম্বিয়া’ এক বিবৃতিতে মার্কিন এ অবরোধকে ‘জলদস্যুতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এ কারণেই হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ আগের অবস্থায় ফিরে গেছে। এখন থেকে এই কৌশলগত নৌপথটি সশস্ত্র বাহিনীর কঠোর ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।’

ইরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরমুখী এবং ইরান থেকে ছেড়ে যাওয়া জাহাজগুলোর চলাচলের পূর্ণ স্বাধীনতা ফিরিয়ে না দেবে, ততক্ষণ এ কড়াকড়ি বজায় থাকবে।

এর আগে গতকাল শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরান—উভয় পক্ষ হরমুজ প্রণালি জাহাজ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার কথা বলেছিল। তবে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নতুন কোনো চুক্তিতে না পৌঁছানো পর্যন্ত ইরানের ওপর মার্কিন অবরোধ ‘পুরোদমে কার্যকর’ থাকবে।

ট্রাম্পের এমন অনড় অবস্থানের কারণেই তেহরান পাল্টা সিদ্ধান্ত নিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ এ প্রণালি দিয়েই পরিবাহিত হতো। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটির বর্তমান অবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান ও আল–জাজিরা

বাংলাদেশের প্রথম হজ ফ্লাইট সৌদি আরব পৌঁছেছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি ৩০০১ ফ্লাইটটি সৌদি আরবের স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ২০ মিনিটে জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ফ্লাইটে হজযাত্রী ছিল মোট ৪১৯ জন।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিমানবন্দরে বাংলাদেশি হজযাত্রীদেরকে অভ্যর্থনা জানান সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলওয়ার হোসেন ও কাউন্সিলর (হজ) মো. কামরুল ইসলাম।
এ সময় হজযাত্রীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং তাদের হাতে রিফ্রেশমেন্ট কিট তুলে দেওয়া হয়।
অভ্যর্থনাকালে অন্যান্যের মধ্যে জেদ্দায় বাংলাদেশ কনসুলেটের কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেন, সহকারী মৌসুমি হজ অফিসার মো. রুহুল আমিন, জেদ্দা হজ টার্মিনালের হেড অব অপারেশন ইহাহিয়া রাদি এবং হাজিদের অভ্যর্থনায় নিয়োজিত সৌদি প্রতিষ্ঠান নুসুক মারহাবার ম্যানেজার রায়েদ বাকশাউন উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হজ ফ্লাইট-২০২৬ এর উদ্বোধন করেন। পরে রাত ১২টা ২০ মিনিটে ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রথম ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা হয়।

 

ইরান ঘোষণা দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির বাকি সময় হরমুজ প্রণালি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য ‘সম্পূর্ণ উন্মুক্ত’ থাকবে। এই ঘোষণার পরপরই বিশ্ববাজারে তেলের দাম অনেকটা কমে গেছে।

এই ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি নেমে আসে ৮৮ ডলারে, যদিও গতকাল শুক্রবার সকালেই এই তেলের দাম ছিল ৯৮ ডলারের ওপরে।

হরমুজ প্রণালি ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ। সাধারণত বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।

ইরানের এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সামুদ্রিক পরিবহন খাতের সংস্থাগুলো বলছে, বাস্তবে পরিস্থিতি কতটা বদলেছে, তা এখনো যাচাই করে দেখা হচ্ছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, যুদ্ধবিরতির অবশিষ্ট যে সময় আছে, সেই সময় হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করবে। এই সময়ের জন্য হরমুজ সম্পূর্ণ উন্মুক্ত।

এই ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। ইউরোপে প্যারিসের ক্যাক ও ফ্রাঙ্কফুর্টের ড্যাক্স সূচক প্রায় ২ শতাংশ করে বৃদ্ধি পায়, লন্ডনের এফটিএসই ১০০ সূচক বেড়েছে শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ।

গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে সামরিক হামলা চালানোর পর থেকেই হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ট্যাংকার চলাচল কমে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের সরবরাহে চাপ তৈরি হয়। ফলে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যায়।

সংঘাত শুরুর আগে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি ৭০ ডলারের নিচে। একপর্যায়ে তা ১০০ ডলার ছাড়িয়ে ১১৯ ডলার পেরিয়ে যায়। এর পর থেকে অবশ্য তেলের দাম ওঠানামা করছে।

এদিকে হরমুজ খুলে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হলেও ঝুঁকি পুরোপুরি কাটেনি বলে সতর্ক করছে আন্তর্জাতিক শিপিং সংস্থা বিমকো। সংস্থাটির নিরাপত্তাপ্রধান জ্যাকব লারসেন বলেন, প্রণালির নির্ধারিত নৌপথে মাইন বিস্ফোরণের ঝুঁকি এখনো পরিষ্কার নয়। ফলে জাহাজ চলাচল নিরাপদ হয়েছে, এ কথা আপাতত বলা যাচ্ছে না।

আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) মহাসচিব আরসেনিও ডোমিঙ্গেজ জানিয়েছেন, প্রণালি আবার চালুর ঘোষণা খতিয়ে দেখা হচ্ছে, বিশেষ করে সব বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য নিরাপদ ও বাধাহীন চলাচল নিশ্চিত হয়েছে কি না।

তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার প্রভাব ইতিমধ্যে জ্বালানি বাজারে পড়েছে। পেট্রল ও ডিজেলের দাম বেড়েছে, জেট জ্বালানির সরবরাহ নিয়েও তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। এতে বিমান চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা আছে।

হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় কেবল তেল, সার, গ্যাসসহ আরও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উপকরণের সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সার তৈরির উপাদান এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, ফলে খাদ্যপণ্যের দামের ওপরও চাপ তৈরি হয়েছে।

এর মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর যুক্তরাজ্যের বাজারে এই প্রথম পেট্রল ও ডিজেলের দাম সামান্য কমার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। দেশটির মোটরিং সংস্থা আরএসি জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার থেকে দাম কিছুটা কমতে শুরু করেছে, যদিও ফেব্রুয়ারির তুলনায় তা এখনো অনেক বেশি।

ইরানের ঘোষণার কারণ

এদিকে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি হয়েছে। মূলত এই যুদ্ধবিরতির পর ইরান এই ঘোষণা দেয়। ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, প্রণালি পুরোপুরি উন্মুক্ত এবং চলাচলের জন্য প্রস্তুত। তাঁর দাবি, ভবিষ্যতে এই প্রণালি আর ‘অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার করা হবে না। তবে স্থায়ী চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ বহাল থাকবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে শিপিং খাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত। কেউ কেউ বলছে, তাঁরা অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত নন এবং এখনই এই পথ ব্যবহার শুরু করা যাবে না।

তেলবাহী জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান স্টেনা বাল্ক জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।

অর্থনীতিবিদদের মতে, ইসরায়েল-লেবাননের এই যুদ্ধবিরতির কারণে তেলবাহী জাহাজ চলাচলের সুযোগ যে অনেক বেড়ে গেছে তা নয়, বরং এই সুযোগ সীমিত সময়ের জন্য। এই সময়ের মধ্যে কিছু জাহাজ প্রণালি পার হতে পারলেও পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে না।

বেইস বিজনেস স্কুলের অধ্যাপক মনমোহন সোধি বলেন, সরবরাহব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কয়েক মাস সময় লাগবে। ফলে ভোক্তাদের চাপ যে দ্রুত কমবে, তেমন সম্ভাবনা কম।

বিবিসি

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব