• Colors: Blue Color

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনির সামরিক উপদেষ্টা মোহসিন রেজাই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালিতে যদি যুক্তরাষ্ট্র ‘পুলিশের’ ভূমিকা পালন করতে চায়, তবে সেখানে মার্কিন জাহাজগুলো ডুবিয়ে দেওয়া হবে। 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর পরপরই হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয় তেহরান। এখন এই প্রণালি আর ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ–অবরোধ আরোপ করে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। 

এ পরিস্থিতিতে ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভিতে মোহসিন রেজাই বলেন, ‘ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে পুলিশ হতে চান। এটা কি আপনার কাজ? এটা কি যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তিশালী একটি সামরিক বাহিনীর কাজ?’

মোহসিন রেজাই সতর্ক করে বলেন, ‘আপনাদের জাহাজগুলো (অবরোধ কার্যকর করতে নজরদারি করা মার্কিন জাহাজ) আমাদের প্রথম ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই ডুবতে পারে।’

হরমুজ প্রণালির ম্যাপের ইলাস্ট্রেশন
হরমুজ প্রণালির ম্যাপের ইলাস্ট্রেশনছবি: রয়টার্স

মোহসিন রেজাই ইরানের উচ্চপদস্থ একজন সামরিক কর্মকর্তা। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরের (আইআরজিসি) সাবেক কমাণ্ডার–ইন–চিফ ছিলেন তিনি। ১৯৮১ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে অবসরে যান।

গত মাসে ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি জানায়, মোহসিন রেজাই অবসর ভেঙে মোজতবা খামেনির সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তথ্যসূত্র: এএফপি

লা লিগায় নিজেদের হারিয়ে খুঁজলেও চ্যাম্পিয়নস লিগে দুর্দান্ত ছন্দে ছিল রিয়াল মাদ্রিদ। তবে নকআউট পর্বে একের পর এক বিশ্বসেরা ক্লাবগুলোর বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে তাদের। ম্যানসিটির মতো দলকে হারাতে পারলেও বায়ার্ন মিউনিখের কাছে পরাস্ত হয়েছে লস ব্লাঙ্কোসরা।

যার মূল কারণ গোলকিপার, থিবো কর্তোয়ার ইনজুরি পড়ায় লুনিন দলকে সেরা দিতে পারেননি। বায়ার্নের মাঠে বার বার কামব্যাক করলেও হতাশ করেছে লুনিন। তাই শেষ পর্যন্ত ঘরের মাঠে রিয়ালকে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট পেয়েছে জার্মান ক্লাবটি।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় কোয়ার্টার-ফাইনালের ফিরতি লেগে ৪-৩ গোলে জিতেছে তারা। প্রথম দেখায় ২-১ ব্যবধানে জয়ী বায়ার্ন দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৪ অগ্রগামিতায় এগিয়ে গেল।

এদিনের ম্যাচের শুরুর মিনিট থেকে গোল করে রিয়াল। প্রতিপক্ষের ভুলের সুযোগে যার শুরুটা করেন আর্দা গিলের। ম্যাচের ঘড়িতে সময় তখন ৩৫ সেকেন্ড! চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রেকর্ড চ্যাম্পিয়নদের হয়ে সবচেয়ে দ্রুততম গোলের নতুন রেকর্ড গড়লেন তুর্কি মিডফিল্ডার। পরে আরেকটি দারুণ গোল করেন তিনি। 
ওই ধাক্কা সামলে নিতে অবশ্য একদমই দেরি করেনি বায়ার্ন। পাঁচ মিনিট পরই ম্যাচে সমতা টেনে, দুই লেগ মিলিয়ে আবার এগিয়ে যায় তারা। জসুয়া কিমিখের কর্নারে একেবারে গোলমুখে হেডে গোলটি করেন পাভলোভিচ। আয়ত্ত্বের মধ্যে হলেও, উড়ে আসা বলের গতি বুঝতে পারেননি রিয়াল গোলরক্ষক আন্দ্রি লুনিন।

দুর্দান্ত গোলে দলকে আবার ম্যাচে এগিয়ে নেন গিলের। ডি-বক্সের বাইরে ব্রাহিম দিয়াস ফাউলের শিকার হলে ফ্রি কিক পায় রেয়াল এবং অসাধারণ বাঁকানো শটে রক্ষণ দেয়ালের ওপর দিয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন ‘তুরস্কের মেসি।’ নয়ার ঝাঁপিয়ে বলে হাত ছোঁয়ালেও আটকাতে পারেননি।

৩৭তম মিনিটে লুনিন আরেকটি দারুণ সেভ করলেও, পরের মিনিটে ফের গোল হজম করে রিয়াল। উপামেকানোর পাস ডি-বক্সে ফাঁকায় পেয়ে কোনাকুনি শটে মৌসুমে গোলের হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন কেইন।

তিন মিনিট পর ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দারুণ শট গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেও, বাধা পায় ক্রসবারে। অবশ্য পরের মিনিটেই দলকে আবার এগিয়ে নেন এমবাপে। ব্রাজিলিয়ান তারকার পাস ডি-বক্সে পেয়ে প্লেসিং শটে দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৪ সমতা টানেন ফরাসি ফরোয়ার্ড।

দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণাত্মক শুরু করে বায়ার্ন। প্রথম আট মিনিটের প্রায় পুরোটাই খেলা হয় রেয়ালের অর্ধে। এরপর পাল্টা আক্রমণে ম্যাচে প্রথম কর্নার পায় সফরকারীরা। ওই কর্নারের পর, সতীর্থের ক্রস ডি-বক্সে পেয়ে ভলি করেন এমবাপে, দারুণ ক্ষীপ্রতায় সেটা আটকে দেন নয়ার।

একটু পর রক্ষণের দুর্বলতায় বিপদে পড়তে যাচ্ছিল রেয়াল। ডি-বক্সে ফাঁকায় বল পেয়ে যান লুইস দিয়াস, তবে শট নিতে একটা মুহূর্ত দেরি করেন তিনি, পেছন থেকে বল কেড়ে নেন ট্রেন্ট অ্যালেকজ্যান্ডার-আর্নল্ড।

৬৮তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে শট নেন ওলিসে, কোনোমতে এক হাত দিয়ে বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে বাইরে পাঠান লুনিন। একটু পর পাল্টা আক্রমণে এমবাপের পাস ছয় গজ বক্সের বাইরে পেলেও, সুবর্ণ সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেননি ভিনিসিউস।

নির্ধারিত সময়ের চার মিনিট বাকি থাকতে ১০ জনের দলে পরিণত হয় রেয়াল। ৬৮তম মিনিটে ব্রাহিম দিয়াসের বদলি নামার ১০ মিনিটের মাথায় প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন কামাভিঙ্গা। আর আট মিনিট পর কেইনকে অহেতুক ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন ফরাসি মিডফিল্ডার।

এরপরই রিয়ালের সব প্রতিরোধ ভেঙে পড়ে। ৮৯তম মিনিটে দিয়াসের জোরাল শটে বল একজনের পা ছুঁয়ে একটু দিক পাল্টে জালে জড়ায়, দুই লেগ মিলিয়ে এগিয়ে যায় বায়ার্ন।

আর চার মিনিট যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে ওলিসের গোলে রেকর্ড ১৫ বারের ইউরোপ চ্যাম্পিয়নদের সব আশা শেষ হয়ে যায়। একটু পরই বাজে শেষের বাঁশি। উল্লাসে ফেটে পড়ে বায়ার্ন শিবির। আর হতাশায় নুইয়ে পড়ে রিয়াল মাদ্রিদ।

ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে শিরোপাধারী পিএসজির মুখোমুখি হবে জার্মান চ্যাম্পিয়নরা।

 

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একটি অত্যাধুনিক এমকিউ-৪সি ট্রাইটন নজরদারি ড্রোন বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। একাধিক আন্তর্জাতিক সূত্রের দাবি, ড্রোনটি ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার হামলায় ধ্বংস হয়েছে, যদিও যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে এটিকে ‘দুর্ঘটনা’ বলে উল্লেখ করেছে।

মার্কিন নৌবাহিনী ১৪ এপ্রিল নিশ্চিত করে যে ৯ এপ্রিল একটি ট্রাইটন মানববিহীন নজরদারি বিমান পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় হারিয়ে গেছে। তবে এটি ভূপাতিত হয়েছে নাকি যান্ত্রিক ত্রুটিতে বিধ্বস্ত হয়েছে— সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, ড্রোনটি হরমুজ প্রণালি ও পারস্য উপসাগরের ওপর প্রায় তিন ঘণ্টা নজরদারি অভিযান চালানোর পর ইতালির নেভাল এয়ার স্টেশন সিগোনেলা ঘাঁটিতে ফিরছিল। ঠিক সেই সময় এটি জরুরি সংকেত ৭৭০০ পাঠায় এবং প্রায় ৫০ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে দ্রুত নিচে নামতে শুরু করে। কিছুক্ষণ পরই এর সংকেত রাডার ও অনলাইন ট্র্যাকিং ব্যবস্থা থেকে পুরোপুরি অদৃশ্য হয়ে যায়।

এমকিউ-৪সি ট্রাইটন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ব্যয়বহুল ও উন্নতমানের নজরদারি ড্রোন। প্রতিটি ড্রোনের আনুমানিক মূল্য ২৩৫ থেকে ২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ২৮০০ কোটি টাকার বেশি।

অত্যধিক ব্যয়ের কারণে এখন পর্যন্ত মাত্র ২০টি ট্রাইটন সক্রিয় সেবায় রয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে একটি ড্রোন হারানো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় আর্থিক ও কৌশলগত ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা ঠিকাদার নর্থরপ গ্রুম্যান নির্মিত ট্রাইটন মূলত দীর্ঘপাল্লার সামুদ্রিক নজরদারি ড্রোন। এটি একটানা ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় আকাশে থাকতে পারে এবং ৫০ হাজার ফুটেরও বেশি উচ্চতায় উড়তে সক্ষম।

ড্রোনটিতে রয়েছে অত্যাধুনিক অ্যাকটিভ ইলেকট্রনিকালি স্ক্যানড অ্যারে রাডার, ইলেকট্রো-অপটিক্যাল ক্যামেরা, ইনফ্রারেড সেন্সর এবং সিগন্যাল গোয়েন্দা ব্যবস্থা। ফলে এটি সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচল, নৌবহরের গতিবিধি এবং সামরিক তৎপরতা পর্যবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ড্রোনটি ইরানের দিকেই কিছুটা মোড় নিয়েছিল বলে ফ্লাইট ডেটায় দেখা গেছে। এ কারণে অনেক বিশ্লেষকের ধারণা, এটি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র বা বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আঘাতে ধ্বংস হয়ে থাকতে পারে।

এর আগে ২০১৯ সালে ইরান একটি মার্কিন আরকিউ-৪এ গ্লোবাল হক ড্রোন গুলি করে নামানোর দাবি করেছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নজরদারি ড্রোনের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ছিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি ইরান সত্যিই এই ট্রাইটন ভূপাতিত করে থাকে, তবে এটি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার নতুন মাত্রা যোগ করবে। সূত্র: মিলিটারি ওয়াচ ম্যাগাজিন

 

স্পেন সরকার দেশটিতে নথিহীন অভিবাসীদের জন্য একটি ‘সাধারণ ক্ষমা’ কর্মসূচি অনুমোদন করেছে। এর ফলে দেশটিতে অবস্থান করা প্রায় পাঁচ লাখ নথিবিহীন অভিবাসী আইনি স্বীকৃতির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের সরকার গতকাল মঙ্গলবার এ কর্মসূচি অনুমোদন করেছে। স্থানীয় সময় আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

স্পেনসহ বিশ্বের বিভিন্ন অংশে মানুষের মধ্যে অভিবাসনবিরোধী মনোভাব ক্রমেই বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে স্পেন সরকারের এমন উদ্যোগ দেশটিকে ব্যতিক্রমী অবস্থানে নিয়ে গেছে।

সানচেজ সরকারের এ উদ্যোগ স্পেনে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরোধিতা উসকে দিয়েছে। এমনকি দেশটির সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যেও এ নিয়ে ক্ষোভ দেখা গেছে। তাঁদের মতে, তাঁরা এ পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবেন না।

অভিবাসন আইন সংশোধনের ডিক্রি জারির মাধ্যমে সানচেজ সরকার দ্রুততার সঙ্গে এ উদ্যোগ নেয়। এর ফলে দেশটির বামপন্থী সরকারের আইনসভাকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। আইনসভায় স্পেনের বর্তমান সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। এর আগে দেশটির আইনসভায় ‘সাধারণ ক্ষমা’ ঘোষণার একটি বিল পাসের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল।

নতুন কর্মসূচিতে বলা হয়েছে, নথিহীন অভিবাসীদের মধ্যে যাঁরা সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে পারবেন, তাঁরা এক বছরের জন্য স্পেনে বসবাস আর কাজের অনুমতির জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

স্পেনের অভিভাসনবিষয়ক মন্ত্রী এলমা সাইজ বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে অনলাইনে আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। আর ২০ এপ্রিল থেকে সশরীর আবেদন করা যাবে। চলবে ৩০ জুন পর্যন্ত।

আবেদনের জন্য বেশ কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। সেগুলো হলো আবেদনকারীকে অবশ্যই ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারির আগে স্পেনে প্রবেশ করতে হবে। কমপক্ষে পাঁচ মাস দেশটিতে বসবাস করার প্রমাণ দেখাতে হবে। আবেদনকারীর নামে অপরাধের কোনো রেকর্ড থাকা যাবে না। যাঁদের এই সাময়িক আবেদন মঞ্জুর হবে, তাঁরা এক বছর পর গিয়ে স্পেনে স্থায়ী বসবাস ও অন্যান্য কাজের অনুমতির জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

স্পেনের জনমিতিতে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বাড়তির দিকে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সানচেজ এ সমস্যার মোকাবিলায় অভিবাসীদের কাজে লাগাতে চাইছেন। তাঁর মতে, এ পদক্ষেপ একটি ‘ন্যায়সংগত ও প্রয়োজনীয়’ কাজ।

তবে স্পেনের বিরোধী দল পিপলস পার্টির নেতা আলবার্তো নেজ ফেইহো এটিকে ‘অমানবিক, অন্যায্য, অনিরাপদ এবং অ-টেকসই’ একটি পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন। যদিও মধ্য ডানপন্থী পিপলস পার্টি চলতি শতকের গোড়ার দিকে ক্ষমতায় থাকার সময় দুবার এমন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছিল।

সানচেজ সরকারের হিসাবে, নতুন এ কর্মসূচির আওতায় প্রায় পাঁচ লাখ নথিহীন অভিবাসী বৈধ হওয়ার সুযোগ পাবেন। সংখ্যাটি আরও বাড়তে পারে।

স্পেন সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সেখানে বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসীরা। গতকাল মঙ্গলবার আল-জাজিরায় প্রকাশিত এক ভিডিও ক্লিপে বার্সেলোনায় বাংলাদেশি অভিবাসীদের উল্লাস করতে দেখা যায়। বৈধ হওয়ার সুযোগ তৈরি করায় তাঁরা প্রধানমন্ত্রী সানচেজকে ধন্যবাদ জানান।

মুরুল ওয়াইদ নামের বাংলাদেশি একজন অভিবাসী আল-জাজিরাকে বলেন, এখানে কাজ নেই, থাকার ঘর নেই। এখানে জীবনযাপন খুবই কঠিন। তাই এখন বৈধ হওয়ার প্রক্রিয়া শুরুর খবরে সবাই খুবই খুশি।

আল–জাজিরা

ইরানকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার অভিযোগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনা পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপের যে হুমকি দিয়েছেন, তার জবাবে গতকাল মঙ্গলবার চীন ‘পাল্টা ব্যবস্থা’ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যদি একে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে চীনের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপাতে চায়, তবে চীন অবশ্যই এর দাঁতভাঙা জবাব দেবে।’

মুখপাত্র আরও বলেন, চীন ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ করছে বলে যে খবর রটেছে, তা ‘পুরোপুরি বানোয়াট’।

তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ

ইরানের বন্দরগুলো ছেড়ে আসা এবং সেখানে প্রবেশের চেষ্টাকারী অন্তত আটটি তেলবাহী জাহাজকে গতিরোধ করে ফেরত পাঠিয়েছে মার্কিন নৌবাহিনী।

গত সোমবার থেকে শুরু হওয়া হরমুজ প্রণালি অবরোধের এ মার্কিন অভিযানে জাহাজগুলোকে ফিরে যেতে বাধ্য করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিটি ক্ষেত্রেই মার্কিন নৌবাহিনীর সদস্যরা রেডিওর মাধ্যমে জাহাজগুলোর ক্রুদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং তাঁদের গতিপথ পরিবর্তন করে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, মার্কিন বাহিনীর নির্দেশ পাওয়ামাত্র সবকয়টি ট্যাংকার বা তেলবাহী জাহাজ তা মেনে নিয়েছে। ফলে কোনো জাহাজেই তল্লাশি চালানোর জন্য ওঠার (বোর্ডিং) প্রয়োজন পড়েনি।

তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব