‘দ্য চেজ মাস্টার।’
বিরাট কোহলি কালও আইপিএলে নামের প্রতি সুবিচার করেছেন। গুজরাট টাইটানসের বিপক্ষে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর লক্ষ্য ছিল ২০৬। রান তাড়ায় কোহলি খেলেছেন ৪৪ বলে ৮১ রানের ইনিংস, হয়েছেন ম্যাচসেরা। এমন ইনিংস খেলার পথে নতুন এক মাইলফলকও ছুঁয়েছেন কোহলি।
৮১ রানের ইনিংসে কোহলি ছক্কা মেরেছেন ৪টি। তাতে আইপিএলে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ৩০০ ছক্কার ক্লাবে ঢুকেছেন বেঙ্গালুরুর সাবেক এই অধিনায়ক। ২৬৬ ইনিংসে কোহলির ছক্কা ৩০৩টি। আগে থেকেই এই ক্লাবের সদস্য ক্রিস গেইল ও রোহিত শর্মা।
গেইলের নামটাই সবার ওপরে। আইপিএলে মাত্র ১৪১ ইনিংসে ৩৫৭টি ছক্কা মেরেছেন গেইল। ৩১০ ছক্কা নিয়ে দ্বিতীয় রোহিত শর্মা, খেলেছেন ২৭১ ইনিংস। পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট, আইপিএলে ছক্কার রাজা গেইলই। রোহিত-কোহলিরা গেইলের ৩৫৭ ছক্কা ছাড়াতে পারবেন কি না, সেটাও দেখার বিষয়।
সে ক্ষেত্রে এখনো তাঁদের কয়েক মৌসুম খেলতে হবে। ৩৫৭ ছক্কার মাইলফলক তাঁরা ছাড়িয়ে গেলেও ছক্কাবাজ হিসেবে গেইলের নামটা ওপরের দিকেই থাকবে। কোহলির প্রশংসাও আলাদা করে করতে হয়। ইনিংস ধরে খেলতে অভ্যস্ত কোহলি প্রয়োজনে যে ছক্কাও মারতে পারেন—এই ক্লাবে নাম লেখানোই তো তার প্রমাণ।

এবারের টুর্নামেন্টে অবশ্য কোহলি ছক্কার তালিকায় খুব একটা ওপরের দিকে নেই। আইপিএলে এই মৌসুমে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ছক্কা অভিষেক শর্মার, ২৭টি। কোহলির ছক্কা ১২টি। অবশ্য সর্বোচ্চ রানে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ওপেনার অভিষেককে ছাড়িয়ে গেছেন কোহলি।
৩২৩ রান নিয়ে সর্বোচ্চ রানের তালিকায় শীর্ষে ছিলেন অভিষেক। কাল ৮১ রানের ইনিংসের পর কোহলির রান দাঁড়াল ৩২৮। ৩২০ রান নিয়ে তালিকায় তৃতীয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদের মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান হাইনরিখ ক্লাসেন। ৩ জনই খেলেছেন ৭টি করে ম্যাচ।
স্ট্রাইক রেটে অবশ্য কোহলি ও ক্লাসেনের চেয়ে অনেক এগিয়ে অভিষেক। কোহলির স্ট্রাইক রেট ১৬৩.১৮, ক্লাসেনের ১৫৩.১১। অন্যদিকে অভিষেকের স্ট্রাইক রেট ২১৫.৩৩।