৭ দিন বন্ধের পর বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি শুরু
টানা ৭ দিন বন্ধ থাকার পর বেনাপোল বন্দর দিয়ে আজ সকাল থেকে দু'দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে। সোমবার (১ জুন)...
টানা ৭ দিন বন্ধ থাকার পর বেনাপোল বন্দর দিয়ে আজ সকাল থেকে দু'দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে। সোমবার (১ জুন)...
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে জ্বালানি তেল নিয়ে দেশে এল আরও একটি জাহাজ। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ‘এমটি শান গাং ফা জিয়ান’ নামের...
মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা ২০২২ সালে কোনো নভোচারীকে ছাড়াই শুধু মহাকাশযান পাঠিয়ে আর্টেমিস–১ চন্দ্রাভিযান পরিচালনা করেছিল। ওই মহাকাশযান অভিযান শেষে...
চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে আসা হংকংয়ের পতাকাবাহী জাহাজ কিউচি। এপ্রিল মাসে আসা এটি অকটেনের তৃতীয় চালান। বুধবার...
চলতি মার্চ মাসের প্রথম ২৪ দিনে ৩ বিলিয়ন বা ৩০০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে। এর মাধ্যমে একক মাস হিসেবে রেমিট্যান্স প্রাপ্তিতে...
চলতি মার্চ মাসের প্রথম ২৩ দিনেই প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রায় ২৮৩ কোটি মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৬ থেকে ২৩...
চলতি মার্চ মাসের প্রথম ২৩ দিনেই প্রবাসী বাংলাদেশিরা প্রায় ২৮৩ কোটি মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৬ থেকে ২৩ মার্চ— এই আট দিনে দেশে এসেছে ৩৯ কোটি ২০ লাখ ডলার। আর মাসের ১ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স দাঁড়িয়েছে ২৮২ কোটি ৮০ লাখ ডলারে।
গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ বছর রেমিট্যান্সে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ২০২৫ সালের মার্চের ১ থেকে ২৩ তারিখে দেশে এসেছিল ২৬৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার। সে হিসাবে এবার প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৭ দশমিক ৪ শতাংশ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদ উপলক্ষে প্রবাসীরা সাধারণত পরিবার-পরিজনের বাড়তি খরচ মেটাতে বেশি অর্থ পাঠান। ফলে মার্চ মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরেও প্রবাসী আয়ে শক্তিশালী ধারা বজায় রয়েছে। জুলাই থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৫২৮ কোটি ১০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ২ হাজার ১১২ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রণোদনা এবং হুন্ডি প্রতিরোধে নেওয়া পদক্ষেপ ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের আয় কিছুটা বাড়ায় রেমিট্যান্স প্রবাহও বেড়েছে।
অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, রপ্তানি আয়ের পাশাপাশি রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস। সাম্প্রতিক এই প্রবৃদ্ধি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হচ্ছে।
তবে তারা সতর্ক করে বলছেন, দীর্ঘমেয়াদে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে দক্ষ জনশক্তি তৈরি, নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধান এবং বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও সহজ করা জরুরি।
বাজার যাতে বাধাহীন ও স্বাভাবিকভাবে চলতে পারে, সেই পরিবেশ নিশ্চিত করাই সরকারের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। রোববার (১৫ মার্চ) চট্টগ্রামে খাতুনগঞ্জ পরিদর্শন শেষে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মুক্ত বাজার অর্থনীতিতে কাউকে আমদানি না করার মতো কোনো নিষেধাজ্ঞা দেওয়া যায় না। তবে বাজারে যদি তথ্যের অবাধ প্রবাহ থাকে, তাহলে ব্যবসায়ীরাই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন—আরও ডাল আমদানি করবেন নাকি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য থামবেন।
তিনি আরও বলেন, সবার সম্মিলিত লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে ভোগ্যপণ্য পৌঁছে দেওয়া। তা সম্ভব হলে মানুষের মধ্যে সন্তুষ্টি তৈরি হবে এবং সেই সন্তুষ্টির সুফল ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্ট সবাই পাবেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাজারে যথেষ্ট সরবরাহ আছে। কেউ যদি বাড়তি মূল্য নেওয়ার চেষ্টা করে, সে বিষয়ে আপনারাও সচেতন থাকবেন। এরকম বাড়তি মূল্য নেওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি এই মুহূর্তে নেই। সিলেট, চট্টগ্রাম এবং ঢাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখেছি—কোথাও সরবরাহের কোনো অপ্রতুলতা চোখে পড়েনি। আর মূল্যের তারতম্য হওয়ারও কোনো কারণ নেই, কারণ বোতলের গায়েই মূল্য লেখা আছে।
তিনি আরও বলেন, পাইকারি আর খুচরা বাজারের যে অযৌক্তিক ব্যবধান, রোজা পরে আমরা একটা ‘ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং’ কমিটি করবো। সেখানে সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও প্রশাসনের মানুষেরও সংযুক্তি থাকবে। দরকার হলে আমরা অন্য পেশাজীবীদেরও এটার সাথে সম্পৃক্ত করবো। কেন পাইকারি আর খুচরা বাজারের ব্যবধানটা অগ্রহণযোগ্য, এটার ভিতরের রহস্যটা কি এটা আমরা খুঁজে বের করবো।
ইরানকে ঘিরে যুদ্ধের কারণে তেলের সরবরাহে যে বিঘ্ন ঘটছে, তা সামাল দিতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তেলের চালান বাজারে ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছে—এমন খবর প্রকাশের পর আজ বুধবার তেলের দাম ওঠানামা করছে।
এ প্রতিবেদন লেখার সময় স্পট মার্কেটে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ২৮ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৮৮ দশমিক শূন্য ৮ ডলার। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ৩৭ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৪৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৩ দশমিক ৮২ ডলার হয়েছে। খবর রয়টার্সের
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, ইরানের যুদ্ধজনিত সরবরাহের সংকট মোকাবিলায় আইইএ যে মজুত তেল বাজারে ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছে, তা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর যে তেল তারা বাজারে ছেড়েছিল, তার চেয়ে বেশি। ২০২২ সালে রাশিয়া ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরু করার পর দুই দফায় সদস্যদেশগুলো যে ১৮ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল বাজারে ছেড়েছিল, এবার তার চেয়েও বেশি তেল বাজারে ছাড়া হতে পারে। এ বিষয়ে অবগত কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য আইইএ বা যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস রয়টার্সের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি।
মঙ্গলবার ব্রেন্ট ক্রুড ও ডব্লিউটিই ক্রুডের দাম ১১ শতাংশের বেশি পড়ে যায়; ২০২২ সালের পর এক দিনে এটি সবচেয়ে বড় পতন। এর আগের দিন ট্রাম্প দ্রুত যুদ্ধ শেষ হওয়ার পূর্বাভাস দেন। সোমবার অবশ্য একপর্যায়ে দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৯ ডলারের বেশি হয়েছিল, ২০২২ সালের জুনের পর এটি ছিল তেলের সর্বোচ্চ দাম।
হরমুজ প্রণালি বন্ধ করলে চরম পরিণতি বরণ করতে হবে—ইরানের প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন হুমকির পর মঙ্গলবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমে যায়। সেই সঙ্গে ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হবে। এখন তার সঙ্গে যুক্ত হলো আইইএর তেল ছাড়ার ঘোষণা। সব মিলিয়ে তেলের দাম দ্রুতই কমে গেছে, যদিও চলতি বছরের শুরুর তুলনায় তা বেশি।
এদিকে মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে তীব্র বিমান হামলা চালায়। পেন্টাগন ও ঘটনাস্থলে থাকা ইরানিরা এটিকে চলমান যুদ্ধের সবচেয়ে তীব্র আক্রমণ বলে উল্লেখ করেছে।
এদিন হরমুজ প্রণালিতে মাইন পেতে রাখার জন্য ইরান যে ১৬টি নৌযান পাঠিয়েছিল, তা ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড। একই সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি প্রণালিতে কোনো মাইন পেতে থাকে, তা অবিলম্বে সরিয়ে ফেলতে হবে।
ট্রাম্প একাধিকবার বলেছেন, প্রয়োজন হলে হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে তেলবাহী ট্যাংকার চলাচলে যুক্তরাষ্ট্র নিরাপত্তাসহায়তা দেবে। তবে সূত্রগুলো জানিয়েছে, ঝুঁকি খুব বেশি হওয়ায় আপাতত জাহাজ কোম্পানিগুলোর সামরিক পাহারার অনুরোধ নৌবাহিনী নাকচ করেছে।
সিডনিভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান আইজির বাজার বিশ্লেষক টনি সাইকামোর এক নোটে বলেন, তথ্যপ্রবাহের প্রভাবে আগামী দিনগুলোতে তেলের দাম অত্যন্ত অস্থির থাকবে। সম্ভবত ব্যারেলপ্রতি ৭৫ থেকে ১০৫ ডলারের মধ্যে তেলের দাম ওঠানামা করবে।
এদিকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি তেল মজুত বাজারে ছাড়ার সম্ভাবনা নিয়ে জি-৭ দেশের কর্মকর্তারা অনলাইনে বৈঠক করেছেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ জি-৭ দেশের নেতাদের নিয়ে ভিডিও কলে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে জ্বালানিবাজারে প্রভাব এবং পরিস্থিতি মোকাবিলার উপায় নিয়ে আলোচনা করবেন।
এদিকে ড্রোন হামলার পর স্থাপনার একটি অংশে আগুন লাগায় আবুধাবিভিত্তিক তেল কোম্পানি অ্যাডনক রুয়াইস শোধনাগার বন্ধ করে দিয়েছে। চলমান যুদ্ধে একের পর এক তেল শোধনাগারে হামলা হচ্ছে। এটি তার সর্বশেষ নজির।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক দেশ সৌদি আরব লোহিত সাগরপথে সরবরাহ বাড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে জাহাজ চলাচলের তথ্য বলছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ কমে যাওয়ায় যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা পূরণে এই সরবরাহ এখন যথেষ্ট নয়।
ইরান যুদ্ধের কারণে প্রতিবেশী ইরাক, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ইতিমধ্যে উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে। ফলে উৎপাদনে বড় কাটছাঁট এড়াতে সৌদি আরব লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরের ওপর নির্ভর করে রপ্তানি বাড়ানোর চেষ্টা করছে।
জ্বালানি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান উড ম্যাকেঞ্জি জানিয়েছে, এই যুদ্ধের কারণে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেল তেল ও তেলজাত পণ্যের সরবরাহ কমে যাচ্ছে। এতে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে।
অন্যদিকে মরগ্যান স্ট্যানলি এক নোটে বলেছে, যুদ্ধ দ্রুত শেষ হলেও জ্বালানিবাজারে বিঘ্ন আরও কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে।
উচ্চ চাহিদার কারণে গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেল, পেট্রল ও ডিস্টিলেট জ্বালানির মজুত কমেছে বলে বাজার সূত্র জানিয়েছে। তারা মঙ্গলবার প্রকাশিত আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউটের উদ্ধৃতি দিয়ে এ তথ্য দিয়েছে।
তেল পরিবহনকারী জাহাজ হরমজু প্রণালি এড়িয়ে চলছে। ফলে ইরান যুদ্ধের কারণে জাহাজ পরিবহনের খরচ বেড়েছে। সেই বাড়তি ব্যয় শেষমেশ ভোক্তাদের ওপরই চাপানো হবে—বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শিপিং কোম্পানির প্রধান বিবিসিকে এ কথা বলেছেন।
ডেনমার্কভিত্তিক শিপিং কোম্পানি মেয়ার্সকের প্রধান নির্বাহী ভিনসেন্ট ক্লার্ক একান্ত সাক্ষাৎকারে বিবিসিকে বলেন, ‘আমাদের প্রচলিত চুক্তিকাঠামোর মধ্যেই এমন ব্যবস্থা আছে। অর্থাৎ জ্বালানির দাম বাড়ুক বা কমুক, তা গ্রাহকদের ওপর চাপিয়েই সমন্বয় করা হয়।’
ভিনসেন্ট ক্লার্ক আরও বলেন, ‘এর মানে হলো, বর্তমান পরিস্থিতিতে পরিবহন ব্যয় যতটা বাড়বে, তা শেষ পর্যন্ত গ্রাহকদের ওপর পড়বে এবং সেখান থেকে তা ভোক্তাদের কাঁধেই চাপবে।’
ডেনমার্কের কোম্পানিটির মূল ব্যবসা কনটেইনার পরিবহন। বিশ্বজুড়ে খেলনা, পোশাক, ইলেকট্রনিক পণ্যসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য পরিবহনে তাদের কনটেইনার শিপিং আস্থার জায়গা করে নিতে পেরেছে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার আগে হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগর পেরিয়ে আসা ১৫টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে শুরু করেছে। প্রণালি বন্ধ ঘোষণার আগেই এসব জাহাজ পথ অতিক্রম করে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল।
চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানো এবং পথে থাকা এসব জাহাজের মধ্যে ৪টিতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), ২টিতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এবং ৯টিতে সিমেন্টশিল্পের কাঁচামাল ক্লিংকার রয়েছে। সব মিলিয়ে ১৫টি জাহাজে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টন পণ্য রয়েছে। এর মধ্যে ১২টি জাহাজ ইতিমধ্যে বন্দরে পৌঁছেছে, বাকি ৩টি এই সপ্তাহে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা এবং তেহরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার কারণে হরমুজ প্রণালি ঘিরে পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। ফলে বিশ্বজুড়ে তেল ও এলএনজি সরবরাহের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে ইরাক, ইরান, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব—এই সাত দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের পণ্য আনা-নেওয়া হয়। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে প্রণালির পাশের দেশ ওমান থেকেও ওমান উপসাগরীয় পথে পরিবহন ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। পারস্য উপসাগর থেকে এই প্রণালি পেরিয়ে ওমান উপসাগর, আরব সাগর, ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগর হয়ে বাংলাদেশে জাহাজ আসে।
চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, কাতার থেকে ১ লাখ ২৬ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ‘আল জোর’ ও ‘আল জাসাসিয়া’ নামে দুটি জাহাজ ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। এ ছাড়া এলপিজি নিয়ে ‘সেভান’ নামে একটি জাহাজ আগামীকাল রোববার পৌঁছানোর কথা রয়েছে। আগামী বুধবার ‘আল গালায়েল’ এবং সোমবার ‘লুসাইল’ নামে আরও দুটি জাহাজ বন্দরের জলসীমায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সব মিলিয়ে এই চার জাহাজে এলএনজি রয়েছে প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার টন। কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে সংঘাত শুরুর দুই থেকে সাত দিন আগে হরমুজ প্রণালি পার হয়ে যায় এসব জাহাজ।
এলএনজি জাহাজগুলোর স্থানীয় প্রতিনিধি ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ উপমহাব্যবস্থাপক মো. নুরুল আলম আজ শনিবার বলেন, চারটি জাহাজের চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানো প্রায় নিশ্চিত। তবে ‘লিবারেল’ নামে আরেকটি এলএনজিবাহী জাহাজ এখনো হরমুজ প্রণালির ভেতরে রয়েছে। জাহাজটিতে এলএনজি বোঝাই করা হয়েছে এবং এটি প্রণালি অতিক্রমের অপেক্ষায় আছে। তবে পরবর্তী চালানগুলো নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সরবরাহ সংকট এড়াতে সরকার খোলাবাজার থেকেও বেশি দামে দুই জাহাজ এলএনজি কিনেছে, যা এখনো বন্দরে পৌঁছায়নি।
তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজি নিয়ে ‘সেভান’ নামে একটি জাহাজ রোববার চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। জাহাজটিতে রয়েছে ২২ হাজার ১৭২ টন এলপিজি, যা ওমানের সোহার বন্দর থেকে আসছে। এর আগে একই বন্দর থেকে ‘জি ওয়াইএমএম’ নামে আরেকটি এলপিজিবাহী জাহাজ যুদ্ধ শুরুর আগেই বন্দরে পৌঁছেছে। ওই জাহাজে ছিল ১৯ হাজার ৩১৬ টন এলপিজি। দুটি জাহাজে প্রায় ৩৫ হাজার টন এলপিজি রয়েছে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের সহযোগী প্রতিষ্ঠান মেঘনা ফ্রেশ এলপিজির।
এ ছাড়া কুয়েতের শুয়াইবা বন্দর থেকে পাঁচ হাজার টন মনোইথিলিন গ্লাইকোল (এমইজি) নিয়ে ‘বে ইয়াসু’ নামে একটি জাহাজ গত বৃহস্পতিবার বন্দরে পৌঁছেছে।
সিমেন্টশিল্পের কাঁচামাল ক্লিংকার, জিপসাম, চুনাপাথর ও পাথর নিয়ে আরও কয়েকটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। এসব জাহাজে প্রায় ৫ লাখ ১৫ হাজার টন কাঁচামাল রয়েছে, যা উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে আনা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করে এসব দেশ থেকে প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছে, যার বড় অংশই জ্বালানি পণ্য। তবে প্রণালি ঘিরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে নতুন জাহাজ আসা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।
চট্টগ্রাম
রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পসহ সংশ্লিষ্ট খাতগুলোর বকেয়া নগদ সহায়তার বিপরীতে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাড় দিয়েছে সরকার।
বিজ্ঞাপন
এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
সংগঠনটির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিবৃতিতে বলেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে শিল্প মালিকদের ওপর শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, উৎসব বোনাস এবং ইউটিলিটি বিল পরিশোধের চাপ বেড়েছে। এমন সময়ে নগদ সহায়তার অর্থ ছাড় শিল্পের জন্য বড় স্বস্তি এনে দেবে।
বিজ্ঞাপন
Video Player is loading.
Close Player
বিজিএমইএ জানায়, আটকে থাকা নগদ সহায়তার অর্থ ছাড়ের দাবিতে সংগঠনটির বর্তমান বোর্ড সম্প্রতি সরকারের শীর্ষ পর্যায়, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করেছে। এসব আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতেই দ্রুততম সময়ে এ তহবিল অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তৃতীয় কিস্তির প্রথম ধাপে ১৫০০ কোটি টাকা এবং দ্বিতীয় ধাপে ১ হাজার কোটি টাকা মোট ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
দেশে মজুদ থাকা জ্বালানির পরিমাণ জানালেন বিপিসি চেয়ারম্যান
সংগঠনটি তাদের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিজ নিজ লিয়েন ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে।
শিল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই অর্থ ছাড় রপ্তানি খাতে তারল্য সংকট মোকাবেলায় সহায়ক হবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
Copied from: https://rtvonline.com/
মধ্যপ্রাচ্যে সংকটের কারণে আজ সোমবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় তেলের দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কিছু বিশ্লেষক সতর্ক করেছেন, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়াতে পারে।
এদিকে তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে আজ ওয়ালস্ট্রিটে সূচক পতনের আভাস পাওয়া গেছে। ওয়ালস্ট্রিটের ফিউচার সূচক কমে গেছে। ইউরোপেও একই পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ বিশেষ পরিস্থিতির কথা বলে শেয়ারবাজার বন্ধ করে দিয়েছে।
বিষয়টি হলো, হরমুজ প্রণালির কাছে অন্তত তিনটি জাহাজে হামলার পর বৈশ্বিক তেলের বাজারে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান হামলার জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে। এর মধ্যে জাহাজে হামলার কারণে নতুন করে উদ্বেগ বেড়েছে।
যুক্তরাজ্যের ইউকে মেরিন ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, দুটি জাহাজ অজ্ঞাতনামা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাহাজ দুটিতে আগুন ধরে যায়। তৃতীয় একটি জাহাজের খুব কাছাকাছি একটি অজ্ঞাতনামা ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরিত হয়েছে। তবে ওই জাহাজের নাবিকেরা নিরাপদে আছেন।
একই এলাকায় চতুর্থ একটি ঘটনার কথাও ইউকেএমটিও জানিয়েছে, যেখান থেকে জাহাজের কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, তবে এর কারণ স্পষ্ট নয়। সংস্থাটি আরব উপসাগর ও ওমান উপসাগরজুড়ে ‘একাধিক নিরাপত্তাজনিত ঘটনার’ কথা উল্লেখ করে জাহাজগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছে।
ইরান সতর্ক করে বলেছে, কোনো জাহাজ যেন হরমুজ প্রণালি অতিক্রম না করে। বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে প্রণালির প্রবেশমুখে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।
জাহাজ-তথ্য বিশ্লেষণ প্ল্যাটফর্ম কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ১৫০টি ট্যাংকার হরমুজের বাইরে উপসাগরের উন্মুক্ত পানিতে নোঙর ফেলেছে। তবে ইরান ও চীনের কয়েকটি জাহাজ আজ প্রণালি অতিক্রম করেছে।
এদিকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের পতাকাবাহী তিনটি ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। সেই জাহাজগুলোয় আগুন জ্বলছে। তবে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র এ বিষয়ে মন্তব্য করেনি।

গতকাল রোববার তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর জোট ওপেক ও সহযোগী দেশগুলো দৈনিক উৎপাদন ২ লাখ ৬ হাজার ব্যারেল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। লক্ষ্য হলো—সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব কিছুটা হলেও সামাল দেওয়া। যদিও কিছু বিশেষজ্ঞের মতে, এতে বড় ধরনের স্বস্তি না–ও আসতে পারে।
এমএসটি রিসার্চের জ্বালানি গবেষণা বিভাগের প্রধান সাউল কাভনিক বলেন, বাজারে এখনো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েনি। তাঁর মতে, এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই তেল পরিবহন ও উৎপাদন অবকাঠামোকে প্রধান লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালায়নি। ফলে পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হয় কি না, বাজার তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। চলাচল স্বাভাবিক হলে দাম আবার কমতে পারে।
বেসরকারি সামুদ্রিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ভ্যানগার্ড টেক জানিয়েছে, জিব্রাল্টার, পালাউ, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ ও লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজে হামলা হয়েছে; ইউকেএমটিও যেসব ঘটনার কথা বলেছে, সেগুলোর সঙ্গে এর মিল আছে।
ডেনমার্কভিত্তিক কনটেইনার শিপিং গ্রুপ মেয়ার্সক গতকাল বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা বাব এল-মান্দেব প্রণালি ও সুয়েজ খাল দিয়ে জাহাজ চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করবে। এ ক্ষেত্রে যা হয়, অর্থাৎ উত্তমাশা অন্তরীপ ঘুরে বিকল্প পথে জাহাজ পাঠাবে তারা।
এদিকে গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর গতকাল ইরান ও ইসরায়েল নতুন করে একে অপরের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। দুবাই (সংযুক্ত আরব আমিরাত), কাতারের রাজধানী দোহা, বাহরাইন ও কুয়েতে হামলার খবর পাওয়া গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই আঞ্চলিক অস্থিরতার কারণে জ্বালানি সরবরাহের ব্যবস্থা আরও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে।

এদিকে আজ পশ্চিমা পৃথিবীতে সপ্তাহের প্রথম দিনে শেয়ারবাজারের ফিউচার সূচকগুলোর পতন হয়েছে। ওয়ালস্ট্রিটের এসঅ্যান্ডপি ৫০০, নাসডাক কম্পোজিট, ডাও জোনস ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ ফিউচার—সব কটিই প্রায় ১ শতাংশ করে কমেছে। খবর সিএনএনের
তবে তেল কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। এক্সন মবিল, শেভরনসহ আরও অনেক জ্বালানি কোম্পানির শেয়ারের আগাম দাম প্রায় ২ শতাংশ করে বেড়েছে। প্রতিরক্ষা খাতের শেয়ারও সামান্য ঊর্ধ্বমুখী ছিল।
ইউরোপেও একই পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। ইউরোস্টক্স ৫০–সংযুক্ত ফিউচারস ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে। জার্মানির ড্যাক্স ফিউচারস নেমেছে ১ দশমিক ৩ শতাংশ। অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েত ‘বিশেষ পরিস্থিতির’ কথা উল্লেখ করে সাময়িকভাবে শেয়ারবাজারে লেনদেন স্থগিত করেছে।
ফিউচার (ভবিষ্যৎ চুক্তি) হলো এমন ধরনের আর্থিক চুক্তি, যার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা আগাম নির্ধারিত দামে ভবিষ্যতের কোনো তারিখে শেয়ার, পণ্য বা সূচক কেনাবেচার অঙ্গীকার করেন। বাজার খোলার আগেই ফিউচার লেনদেন দেখে বিনিয়োগকারীরা দিনটি সম্পর্কে আগাম ধারণা পান।