হলিউডে অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিং নিয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বড় পরিবর্তন এসেছে। এই পরিবর্তনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ‘ইন্টিমেসি কো–অর্ডিনেটর’, যাঁরা অভিনয়শিল্পীদের নিরাপত্তা, সম্মতি ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করেন। কিন্তু এই নতুন ব্যবস্থার মধ্যেও সবাই যে সমানভাবে স্বচ্ছন্দ, তা নয়। সম্প্রতি ব্রিটিশ তারকা রেবেকা ফার্গুসন জানিয়েছেন, ব্যক্তিগতভাবে তিনি এমন কো–অর্ডিনেটর ছাড়াই কাজ করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

‘সহায়ক’ না ‘বাধা’—দ্বিধায় অভিনেতারা
ইন্টিমেসি কো–অর্ডিনেটররা এখন প্রায় সব বড় প্রযোজনাতেই নিয়মিত উপস্থিত। অভিনয়শিল্পীদের সংগঠন স্ক্রিন অ্যাক্টারস গিল্ডের মতে, তাঁদের কাজ হলো—অভিনেতা ও প্রযোজনা দলের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সংবেদনশীল দৃশ্যগুলো পেশাদারভাবে পরিচালনা করা। তবে বিষয়টি নিয়ে মতভেদ স্পষ্ট। কেউ এটিকে নিরাপত্তার জন্য জরুরি মনে করেন, আবার কেউ মনে করেন এটি অভিনয়ের স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে।

রেবেকা ফার্গুসনের আপত্তি কোথায়?
রেবেকা ফার্গুসন এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ইন্টিমেসি কো–অর্ডিনেটরের উপস্থিতি তাঁর কাছে ‘খুবই অস্বস্তিকর’ মনে হয়। তাঁর মতে, তিনি নিজের সীমারেখা স্পষ্টভাবে জানাতে সক্ষম—তাই আলাদা কাউকে দরকার পড়ে না।
তিনি বলেন, শুটিংয়ের আগে সহ-অভিনেতার সঙ্গে সরাসরি কথা বলেই নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়গুলো ঠিক করে নেওয়া সম্ভব। তাঁর ভাষায়, ‘আমি নিজেই বলতে পারি আমার কী দরকার, অন্য কেউ সেটা বলে দেবে, এটা সব সময় স্বাভাবিক লাগে না।’

রেবেকা ফার্গুসন। রয়টার্স
রেবেকা ফার্গুসন। রয়টার্স

‘সবাই একরকম নয়’
তবে ফার্গুসন এটাও স্বীকার করেছেন—এই ব্যবস্থা অনেকের জন্য দরকারি এবং উপকারী। বিশেষ করে নতুন অভিনেতা বা জটিল দৃশ্যের ক্ষেত্রে এটি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। অন্য অনেক তারকাও এই বিষয়ে ভিন্নমত দিয়েছেন। কিছুদিন আগে অস্কারজয়ী অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স বলেছেন, নির্ভরযোগ্য সহ-অভিনেতা থাকলে কো–অর্ডিনেটর ছাড়াও কাজ করা যায়। অন্যদিকে ব্রিটিশ তারকা ফ্লোরেন্স পিউ জানিয়েছেন, তিনি ভালো ও খারাপ—দুই ধরনের অভিজ্ঞতাই পেয়েছেন। এ ছাড়া গিনেথ প্যালট্রো মন্তব্য করেছেন, একবার শুটিংয়ের সময় কো–অর্ডিনেটরকে ‘একটু দূরে থাকতে’ বলেছিলেন। অর্থাৎ এটি পুরোপুরি ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়।

‘পিকি ব্লাইন্ডার্স’-এর অভিজ্ঞতা
সম্প্রতি আলোচিত সিরিজ ‘পিকি ব্লাইন্ডার্স’-এর চলচ্চিত্র সংস্করণ ‘দ্য ইমমোরটাল ম্যান’-এ কাজ করতে গিয়ে রেবেকা ফার্গুসনকে অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করতে হয়েছে কিলিয়ান মার্ফির সঙ্গে। মজার বিষয় হলো, শুটিংয়ের আগে তিনি নিজেই সহ-অভিনেতার সঙ্গে আলোচনা করে নেন কীভাবে দৃশ্যটি করা হবে। এমনকি তিনি মজা করে জানান, তিনি আগে থেকেই মারফির পুরোনো অন্তরঙ্গ দৃশ্যগুলো ‘স্টাডি’ করেছিলেন!

ইন্টিমেসি কো–অর্ডিনেটর: কেন গুরুত্বপূর্ণ
বিতর্ক থাকলেও, ইন্টিমেসি কো–অর্ডিনেটরদের ভূমিকা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। বিশেষ করে মিটু আন্দোলনের পর এই পেশার গুরুত্ব বেড়েছে। তাঁদের কাজ—অভিনেতাদের সম্মতি নিশ্চিত করা, দৃশ্যের আগে পরিষ্কার সীমারেখা নির্ধারণ, শুটিং চলাকালে নিরাপদ পরিবেশ তৈরি, প্রয়োজনে দৃশ্যের কোরিওগ্রাফি করা।
এই বিতর্ক আসলে বড় একটি প্রশ্ন সামনে আনে—অভিনয়ের স্বাভাবিকতা নাকি

‘পিকি ব্লাইন্ডার্স’-এ রেবেকা। আইএমডিবি
‘পিকি ব্লাইন্ডার্স’-এ রেবেকা। আইএমডিবি

নিরাপত্তা, কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ?
রেবেকার মতো অভিজ্ঞ অভিনেত্রীরা মনে করেন, অতিরিক্ত উপস্থিতি কখনো কখনো অভিনয়ের আবেগ নষ্ট করে। অন্যদিকে অনেকেই মনে করেন, এই উপস্থিতিই শিল্পীদের নিরাপদ রাখে।

পেজ সিক্স অবলম্বনে

হলিউড অভিনেত্রী ভ্যালেরি পেরিন মারা গেছেন। গতকাল ২৩ মার্চ লস অ্যাঞ্জেলেসের বেভারলি হিলসে অভিনেত্রীর মৃত্যু হয়। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। খবরটি নিশ্চিত করেছে ভ্যারাইটি। পরিবার সূত্রে জানা যায়, ভ্যালেরি পেরিন দীর্ঘদিন ধরে পারকিনসন রোগে ভুগছিলেন। ২০১৫ সালে তাঁর এ রোগ ধরা পড়ে।
শেষ দিন পর্যন্ত পেরিন সাহস ও ইতিবাচকতা নিয়ে লড়াই চালিয়ে গেছেন। বন্ধুদের ভাষায়, ‘তিনি কখনো অভিযোগ করেননি; বরং জীবনকে উদ্‌যাপন করেছেন।’

‘লেনি’ থেকে অস্কারের দোরগোড়ায়
১৯৭৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘লেনি’ সিনেমায় ভ্যালেরি পেরিনের অভিনয় তাঁকে অস্কারের মনোনয়ন পর্যন্ত নিয়ে যায়। ছবিটি ছিল স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ান লেনি ব্রুসের জীবন নিয়ে, যেখানে প্রধান চরিত্রে ছিলেন ডাস্টিন হফম্যান।
এ ছবিতে ‘হানি’ চরিত্রে পেরিনের অভিনয় সমালোচকদের বিশেষভাবে মুগ্ধ করে। তিনি জটিল, দ্বৈত অনুভূতির একটি চরিত্রকে সূক্ষ্মভাবে ফুটিয়ে তোলেন।

‘সুপারম্যান’–এ ভ্যালেরি পেরিন। আইএমডিবি
‘সুপারম্যান’–এ ভ্যালেরি পেরিন। আইএমডিবি

‘সুপারম্যান’–এ স্মরণীয় উপস্থিতি
তবে সাধারণ দর্শকের কাছে ভ্যালেরি পেরিন সবচেয়ে বেশি পরিচিত ‘সুপারম্যান’ সিরিজের ‘মিস টেশম্যাকার’ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য।
ক্রিস্টোফার রিভ অভিনীত সুপারম্যানের বিপরীতে পেরিন ভিলেন লেক্স লুথারের সঙ্গিনী ছিলেন। এ চরিত্রে তিনি শুধু তাঁর সৌন্দর্য নয়, মানবিক দ্বন্দ্বও তুলে ধরেছিলেন। বিশেষ করে সেই দৃশ্যগুলোতে, যেখানে তিনি সুপারম্যানকে বাঁচাতে সাহায্য করেন।
‘দ্য লাস্ট আমেরিকান হিরো’, ‘হোয়াট ওমেন ওয়ান্ট’ সিনেমা ছাড়াও ‘ইআর’, ‘দ্য প্র্যাকটিস’, ‘ন্যাশ ব্রিজ’–এর মতো জনপ্রিয় সিরিজে অতিথি চরিত্রে পেরিনকে দেখা গেছে।

গ্ল্যামার থেকে গভীরতায়

ক্যারিয়ারের শুরুতে লাস ভেগাসে শোগার্ল হিসেবে কাজ করা থেকে শুরু করে প্লেবয় ম্যাগাজিনের কভার—সবকিছু মিলিয়ে পেরিন ছিলেন গ্ল্যামার জগতের পরিচিত মুখ। তবে তিনি নিজেকে শুধু সেই গণ্ডিতে আটকে রাখেননি; বরং অভিনয়ের মাধ্যমে বারবার প্রমাণ করেছেন নিজের গভীরতা।

ভ্যারাইটি অবলম্বনে

বিচ্ছেদের পর সদ্যই নতুন করে সংসার পেতেছেন পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী-ইনফ্লুয়েন্সার সুস্মিতা রায়। তাঁকে বহু মানুষ যেমন শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, তেমনি কটাক্ষও করেছেন অনেকে। এসবের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাবেক স্বামী সব্যসাচী চক্রবর্তীর বিকৃত যৌন ইচ্ছা, শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন অভিনেত্রী। বিচ্ছেদ থেকে স্বামীর বিরুদ্ধে বিকৃত যৌনতার অভিযোগ—কয়েক মাস ধরেই আলোচনায় সুস্মিতা।

যেভাবে পরিচিতি
সুস্মিতা রায়কে দর্শক ‘জগদ্ধাত্রী’ থেকে শুরু করে ‘কৃষ্ণকলি’, ‘অপরাজিতা অপু’ ধারাবাহিকে দেখেছেন। সুন্দরবন থেকে এসে টলিউডে তিনি নিজের পরিচিতি তৈরি করেছেন। এত কাজের মধ্যে তাঁকে সব থেকে বেশি খ্যাতি দিয়েছিল কৃষ্ণকলি ধারাবাহিকটি। বর্তমানে তিনি অভিনয়ের পাশাপাশি ভ্লগিং, ব্যবসা—সবটাই একা হাতে সামলাচ্ছেন।

জন্মদিনে বিচ্ছেদের ঘোষণা!
২০২৫ সালের ২০ মার্চ ছিল সুস্মিতার জন্মদিন। এদিনেই জানা যায়, তাঁর বিচ্ছেদের খবর। সামাজিক মাধ্যমে স্বামী সব্যসাচী চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথ বিবৃতিতে বিচ্ছেদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেন সুস্মিতা। এদিন সুস্মিতাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবাহবিচ্ছেদের খবর তুলে ধরেন সব্যসাচী। তিনি লেখেন, ‘ভালো থাক। বড় হ আরও। জন্মদিনে, আমার শেষতম শুভেচ্ছায় অনেক ভালো থাকিস। নতুন অধ্যায় ভালো হোক।’ এরপরই বিচ্ছেদের কথা জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘আমরা আলাদা হচ্ছি। কিছু জিনিস দু তরফে মিলল না, মন খারাপ দু তরফেই। সেটা কাটিয়েই এগিয়ে যাওয়া হোক!’ সেই সঙ্গে তাঁদের বিচ্ছেদ নিয়ে কোনো চর্চা বা আলোচনা না করার অনুরোধও করেন সব্যসাচী। আর এই পোস্ট যে উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমেই, তা–ও জানিয়ে দেন।
দম্পতির বিচ্ছেদের খবর মেনে নিয়েছেন সুস্মিতার দেবর, তথা অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তীও। তিনি বলেন, ‘কিছু সমস্যা তৈরি হয়েছিল তাঁদের মধ্যে। তাঁরা বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না।’ উল্লেখ্য, আড়াই বছর আগেও একবার বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তাঁরা। যদিও পরবর্তী সময়ে সব মিটমাট করে আবার একসঙ্গে থাকা শুরু করেছিলেন। কিন্তু সেই বিচ্ছেদে এসে থামল তাঁদের পথচলা।

সুস্মিতা রায়। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
সুস্মিতা রায়। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

নতুন শুরু
বিচ্ছেদের পর চলতি মাসেই নতুন করে জীবন শুরু করেছেন সুস্মিতা। গত ১৮ মার্চ  রাতে সমাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই কথা শেয়ার করলেন অভিনেত্রী, তথা ইনফ্লুয়েন্সার নিজেই। বিয়ের ছবি পোস্ট করে সুস্মিতা লিখেছিলেন, ‘এই একটা ইচ্ছে কখনো মন থেকে মুছে যায়নি। একটা শব্দ শোনার আশা—মা ডাক। আজ ৩৬ বছর বয়সে এসে সত্যিই আর কোনো ভণিতা করার সময় নেই৷ নিজেকে আর মিথ্যে সান্ত্বনা দেওয়ারও শক্তি নেই। বিয়ে করলাম…তোমরা সবাই আশীর্বাদ করো৷’

আবার বিয়ে করেছেন সুস্মিতা। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
আবার বিয়ে করেছেন সুস্মিতা। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

নতুন অভিযোগ
বিয়ের পর নতুন করে আবার চর্চায় সুস্মিতা ও সব্যসাচী। এর মধ্যেই গতকাল রাতে সাবেক স্বামীর সঙ্গে একটি চ্যাটের স্ক্রিনশট শেয়ার করেন সুস্মিতা। সেখানে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেই অভিযোগ অভিনেত্রীর। এরপর তিনি লাইভে আসেন। সেখানেই অতীত তুলে ধরেন। অভিযোগ করেন, এখনো চক্রবর্তী পরিবার; অর্থাৎ সব্যসাচী ও সায়ক তাঁর গোপন কথা ফাঁস করার হুমকি দিচ্ছেন। তাই নিজেই সব জানাবেন বলে জানান। সেই লাইভেই নিজের একাধিক বিয়ে ও সম্পর্কের কথা স্বীকার করে নেন তিনি। এরপরই সাবেক স্বামী সব্যসাচীর বিকৃত যৌনতা নিয়ে মুখ খোলেন। সুস্মিতার দাবি, বিয়ের পরও একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল সব্যসাচীর।

সুস্মিতা ও সব্যসাচী। কোলাজ
সুস্মিতা ও সব্যসাচী। কোলাজ

সুস্মিতার দাবি, তাঁর সামনেই একাধিক মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন সব্যসাচী। এ ছাড়া বিভিন্ন জিনিস ও টাকাপয়সা তো নিয়েছেনই। সুস্মিতার যুক্তি, তিনি ভালোবেসে সবটা মেনে নিয়েছেন। কিন্তু একটা পর্যায়ের পর বাধ্য হয়েছেন বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিতে। কারণ, চক্রবর্তী পরিবার চায়নি, সন্তান আসুক তাঁর কোলে।

এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ পোস্ট করেন সব্যসাচী। তিনি লেখেন, ‘প্রথমত, সুস্মিতার এটা ৫ নম্বর বিয়ে। আমার সঙ্গে আলাপ দ্বিতীয় বিয়ের সময়। আমি একটু ধাক্কা খেলেও হজম করেছি। ওর প্রবল সন্দেহবাতিকতা আমি সহ্য করেছি। আমি মার খেয়েছি। সুস্মিতার মারধর, অশান্তি, একাধিক সম্পর্ক বাড়াবাড়ি ছিল। প্রশ্ন তুললে আমার ঘাড়ে ফেলা হতো। আমার চরিত্র নিয়ে একইভাবে প্রশ্ন উঠত। এভাবেই ও বেরিয়ে গিয়েছিল আরেক ব্যবসায়ীর সঙ্গে। একটা ওয়েব সিরিজ করেছিল তাঁর টাকায়। সুস্মিতা বরাবরই বড়লোক হতে চাইত। বিয়ের পর সত্যি আমাদের আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না। ও এর সুযোগ নিয়ে দিনের পর দিন স্বেচ্ছাচারিতা করে গিয়েছে। বদলে আমাকে গিফট দেওয়ার ব্যবস্থা।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুই তারকার পক্ষে–বিপক্ষে অনেকেই মন্তব্য করেছেন। কেউ কেউ আবার পুরোনো জীবন নিয়ে ক্ষোভ না ঝেড়ে কাজ আর নতুন সংসারে মন দেওয়ারও অনুরোধ করেছেন সুস্মিতা ও সব্যসাচীকে।

ঈদের সিনেমা ‘দম’, ‘প্রিন্স’, ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ ও ‘প্রেশার কুকার’–এ অভিনয় করেছেন চার বাংলাদেশি অভিনেত্রী পূজা চেরী, তাসনিয়া ফারিণ, সাবিলা নূর ও নাজিফা তুষি। চার নায়িকার মধ্যে ক্যারিয়ারের দিক থেকে কে কোথায় দাঁড়িয়ে?

নায়িকা হিসেবে শুরুর পর পূজা চেরীর ক্যারিয়ারের এক যুগ পার হয়েছে। তবে ঈদে মুক্তি পাওয়া রেদওয়ান রনির সিনেমা দম–এর জন্য তিনি অডিশন দিয়েছিলেন। ঢাকাই সিনেমার জন্য যা নতুনই বলা যায়। ছবিতে রানী চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। সিনেমার হিসাব করলে গত কয়েক বছরে মুক্তি পাওয়া পূজা অভিনীত ‘জ্বীন’, ‘লিপিস্টিক’, ‘টাইগার’—কোনোটাই সেভাবে সাড়া ফেলতে পারেনি। হয়তো ‘দম’ দিয়েই নিজেকে ফিরে পাবেন পূজা। মুক্তির পর সে ইঙ্গিতও মিলছে। ছবিতে নিশোর সঙ্গে রসায়ন থেকে আবেগের দৃশ্য তাঁর অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন দর্শকেরা। নির্মাতা রেদওয়ান রনিও তাঁকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন। ‘একজন শিল্পীর নিবেদন ছাড়া, তার চরিত্রের প্রতি ভালোবাসা ছাড়া কখনোই এমন একটা জায়াগায় পৌঁছানো সম্ভব নয়, সবাই প্রশংসা করে। পূজা এই গল্প, চরিত্র বিশ্বাস করেছে, ফলে ও চরিত্রের জন্য নিজেকে ভেঙে নতুন করে তৈরি করেছে,’ বলেন তিনি।

‘দম’–এর গান ‘কোথায় পাব তাহারে’ গানে পূজা চেরী। ভিডিও থেকে
‘দম’–এর গান ‘কোথায় পাব তাহারে’ গানে পূজা চেরী। ভিডিও থেকে

এবার ঈদের চার বছর পর ফিরেছেন নাজিফা তুষি। ২০২২ সালে মেজবাহউর রহমান সুমনের ‘হাওয়া’ সিনেমার পর যেন ‘হাওয়া’ হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। এবার ফিরলেন রায়াহন রাফীর ‘প্রেশার কুকার’ দিয়ে। ছবিতে রেশমা চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। টিজারে তুষিকে দেখা গেছে নানা লুকে, তখন থেকেই প্রশংসিত হচ্ছেন তিনি। গত রোববার রাতে ছবির অন্যতম চিত্রনাট্যকার মেহেদি হাসান ফেসবুক তুষিকে নিয়ে লিখেছেন, ‘একেকজন অভিনেতার একেক রকম প্রসেস থাকে, চরিত্র তো আর অভিনেতা ভেবে হয় না। কিন্তু রেশমা আসলে নাজিফা তুষি না হলে হতো না। যখন ডায়ালগ নিয়ে বসছি, আমরা তখন থেকেই তুষির মেথড অ্যাকটিংয়ের  প্রসেস দেখতাম বসে বসে। কখনো তুষিকে দেখি ভাতের হোটেলে ঘুরছে এই চরিত্র নিয়ে, কখনো লেখার সময় পাশে বোরকা পরে একটা মেয়ে এলে “স্লামালাইকুম” বলতেই দেখতাম, সে আসলে তুষি, কখনো বসে ব্যাকস্টোরি সাজাতাম আমরা, আবার কখনো একদিন হুট করে সব ডায়ালগ নতুন অ্যাকসেন্টে ট্রাই করা। পর্দায় জাস্ট টেক্সটগুলো ব্লার হয়ে গেল আর আমি তুষিকে রেশমা হয়ে যেতে দেখলাম।’ এই সিনেমা ছাড়াও চলতি বছর রইদ সিনেমায় দেখা যাবে তুষিকে। এ ছবি দিয়েই আবার ফিরছেন সুমন–তুষির নির্মাতা–অভিনেতা জুটি।

‘প্রেশার কুকার’ ছবির পোস্টার
‘প্রেশার কুকার’ ছবির পোস্টারফেসবুক থেকে

গত বছরের ঈদুল আজহায় প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিক সিনেমায় দেখা যায় তাসনিয়া ফারিণকে। ইনসাফ ছবিতে পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রে তিনি ছিলেন চলনসই। এরপর আরও কয়েকটি সিনেমার কথা শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে দেখা গেল শাকিব খানের বিপরীতে, ‘প্রিন্স’ ছবিতে। ছবির টিজারে তাঁকে একঝলক দেখা গেছে, পরে এসেছে ছবির ড্যান্স নাম্বার ‘জ্বালা জ্বালা’।

‘প্রিন্স’–এর টিজারে তাসনিয়া ফারিণ। ভিডিও থেকে
‘প্রিন্স’–এর টিজারে তাসনিয়া ফারিণ। ভিডিও থেকে

গানটিতে শাকিবের সঙ্গে তাঁর রসায়নের মিশ্র প্রতিক্রিয়া এসেছে। ছবি দেখার পর অনেক দর্শক বলেছেন, ‘প্রিন্স’–এ তাঁকে আরও একটু জায়গা দিলে ভালো হতো। এর আগে কলকাতার ‘আরও এক পৃথিবী’ আর বাংলাদেশে ‘ফাতিমা’ ছবিতে তাঁর পারফরম্যান্সের প্রশংসা হয়েছে। তবে দুটিই ড্রামা–নির্ভর ভিন্নধারার সিনেমা। মূলধারার বাণিজ্যিক সিনেমায় ফারিণের সেরাটা দেখতে হয়তো আরও একটু অপেক্ষা করতে হবে।

এবার আসা যাক সাবিল নূরের প্রসঙ্গে। ফারিণের মতো তাঁর গত ঈদের পুরোপুরি বাণিজ্যিক সিনেমায় অভিষেক হয়। সেটা ছিল শাকিব খানের নায়িকা হিসেবে, রায়হান রাফীর তাণ্ডব–এ। ছবিতে তাঁর উপস্থিতি স্বল্প হলেও সপ্রতিভ ছিলেন সাবিলা, বিশেষ করে ছবির ‘লিচুর বাগানে’ গানটি আলোচিত হয়। এবার তিনি হাজির হয়েছেন তানিম নূরের ‘বনলতা এক্সপ্রেস’–এ; ছবির প্রধান চরিত্র চিত্রা হিসেবে। এক বিশ্ববিদ্যালয় পড়া তরুণীর চরিত্র। সিনেমাটির জন্য অন্য আরেকটি সিনেমার প্রস্তাব ফিরিয়েছিলেন সাবিলা। কারণ, দুটির শুটিং প্রায় একই সময় পড়েছিল। তারকাবহুল সিনেমা বনলতা, মুক্তির পর থেকে ছবির অন্য পাত্র–পাত্রীদের মতো সাবিলারও প্রশংসা করেছেন অনেকে। মুক্তির পর হল ভিজিটে গিয়ে তিনি বলেছেন, ছবিটি পুরো টিম অ্যাফোর্ট। এমন দারুণ একটা টিমের সঙ্গে কাজ করতে পেরে তিনি খুশি। ‘তাণ্ডব’, ‘বনলতা’র পর সামনে হয়তো আরও বৈচিত্র্যময় চরিত্রে পাওয়া যাবে।

‘বনলতা এক্সপ্রেস’–এ সাবিলা নূর। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
‘বনলতা এক্সপ্রেস’–এ সাবিলা নূর। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

পপ তারকা শাকিরার ‘ফিডিং ইন্ডিয়া কনসার্ট’ নিয়ে উত্তেজনার পারদ ছিল তুঙ্গে। কিন্তু সে আশায় জল ঢেলে দিল বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি। পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও আঞ্চলিক অস্থিরতার কারণ দেখিয়ে শাকিরার ভারত সফর আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আয়োজকেরা।

আয়োজক সংস্থা ‘ডিস্ট্রিক্ট বাই জোম্যাটো’ ইনস্টাগ্রামে একটি বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে, ‘বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে শাকিরার ফিডিং ইন্ডিয়া কনসার্ট আপাতত স্থগিত করা হলো। অনুরাগী, শিল্পী ও প্রোডাকশন টিমের নিরাপত্তাই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।’

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক টিকিট হোল্ডার পাঁচ থেকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে টিকিটের অর্থ সম্পূর্ণ ফেরত পেয়ে যাবেন। তবে এ ঘোষণায়ও শান্ত হননি অনুরাগীরা।

[caption id="attachment_270115" align="alignnone" width="917"] শাকিরা। রয়টার্স[/caption]

প্রসঙ্গত, এর আগে মার্কিন র‍্যাপার কেনি ওয়েস্টের কনসার্টও একই কারণে পিছিয়ে গেছে। ২৯ মার্চ দিল্লিতে তাঁর অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের জেরে তা পিছিয়ে আগামী ২৩ মে নির্ধারণ করা হয়েছে।

২০০৭ সালে শেষবার মুম্বাইয়ে পারফর্ম করেছিলেন শাকিরা। দীর্ঘ ১৮-১৯ বছর পর ১০ ও ১১ এপ্রিল মুম্বাই এবং ১৫ এপ্রিল দিল্লিতে তাঁর মঞ্চ মাতানোর কথা ছিল। শাকিরা নিজেও এ সফর নিয়ে উচ্ছ্বসিত ছিলেন, কারণ এ অনুষ্ঠানের নেপথ্যে একটি মহৎ উদ্দেশ্য ছিল। আয়োজকেরা জানিয়েছেন যে তাঁরা শিল্পীর টিমের সঙ্গে কথা বলে নতুন দিন ঘোষণা করার চেষ্টা করছেন।

হিন্দুস্তান টাইমস অবলম্বনে

ল্যাকমে ফ্যাশন উইক ২০২৬-এর তৃতীয় দিন গতকাল শনিবার সকাল থেকেই তারকাদের উপস্থিতিতে জমে ওঠে মুম্বাইয়ের ফ্যাশনমঞ্চ। একের পর এক বলিউড অভিনেত্রী র‍্যাম্পে হাঁটেন নামী ডিজাইনারদের শোস্টপার হিসেবে। গ্ল্যামার, ঐতিহ্য, আধুনিকতা আর ব্যক্তিত্ব—সব মিলিয়ে দিনটির আয়োজন ছিল বৈচিত্র্যময়।
এদিন র‍্যাম্পে নজর কাড়েন নিমরাত কাউর, খুশি কাপুর, তামান্না ভাটিয়া, শানায়া কাপুর, ডায়না পেন্টি ও দিশা পাটানির মতো বলিউড তারকারা। তবে দিনের বড় খবর ছিল ডিজাইনার মনীশ মালহোত্রার বহুল প্রতীক্ষিত শো বাতিল হওয়া। কয়েক দিন আগে তাঁর মায়ের মৃত্যু হওয়ায় ব্যক্তিগত শোকের মধ্যে তিনি শো আয়োজন করতে পারেননি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়। তাঁর নির্ধারিত সময়েই পরে অনুষ্ঠিত হয় ডিজাইনার অনুরাগ গুপ্তার শো।

খুশির ঐতিহ্যবাহী আভা
ল্যাকমের মঞ্চে এদিন ঐতিহ্যবাহী সাজে হাজির হন অভিনেত্রী খুশি কাপুর। ডিজাইনার আয়েশা রাওয়ের তৈরি লেহেঙ্গায় তাঁকে দেখা যায় মোহনীয় রূপে। এর আগেও একাধিক ফ্যাশন উইকে অংশ নেওয়া খুশি এদিনও নিজের সাবলীল উপস্থিতি ও অনাড়ম্বর সৌন্দর্যে নজর কাড়েন।

নিমরাতের ফ্যাশনমন্ত্র
র‍্যাম্পে হাঁটার জন্য পার্টি-ওয়্যার অনুপ্রাণিত পোশাক বেছে নেন নিমরাত কাউর। তিনি নেন ‘যাযাবর’-এর সম্ভার থেকে নির্বাচিত একটি সাজ। শুধু পোশাক নয়, এদিন নিজের ফ্যাশন–ভাবনাও তুলে ধরেন নিমরাত। তাঁর মতে, শরীরের গড়নের সঙ্গে মানানসই পোশাকই একজন মানুষকে সবচেয়ে সুন্দর দেখায়।

ল্যাকমে ফ্যাশন উইকে নিমরাত কৌর। এএফপি
ল্যাকমে ফ্যাশন উইকে নিমরাত কৌর। এএফপি

শানায়ার মায়াবী আধুনিকতা
ডিজাইনার রীতিকা মিরচনদানির ‘কনফ্লুয়েন্স’ সংগ্রহের সমাপ্তি টানতে র‍্যাম্পে হাঁটেন শানায়া কাপুর। তাঁর লুকটিতে ছিল ঐতিহ্য আর আধুনিক গ্ল্যামারের মিশেল। ঝলমলে কালো-রুপালি স্কার্ট, উঁচু স্লিট, গভীর গলার ব্লাউজ আর অভিনবভাবে ড্রেপ করা দোপাট্টা—সব মিলিয়ে তাঁর পোশাকটি যেন এক নতুন ধাঁচের ককটেল শাড়ি। আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতিতে শানায়া হয়ে ওঠেন শোয়ের অন্যতম আকর্ষণ।

ল্যাকমে ফ্যাশন উইকে শানায়া কাপুর। এএফপি
ল্যাকমে ফ্যাশন উইকে শানায়া কাপুর। এএফপি

নীলে মোড়া ডায়নার স্বস্তির ফ্যাশন
ডায়না পেন্টি এদিন র‍্যাম্পে হাজির হন নীল রঙের কাপ্তান টিউনিকে। ‘বারান্দা’র ‘ইন্ডিজেন’ শিরোনামের শোয়ে তাঁর উপস্থিতি যেন মঞ্চে একমুঠো সতেজতা ছড়িয়ে দেয়। ডিজাইনারের অনুপ্রেরণা ছিল ঠাকুরমার মুখে শোনা গল্প। ডায়না জানান, ল্যাকমের র‍্যাম্পে তিনি এর আগে বহুবার হাঁটলেও এত আরামদায়ক অথচ রুচিশীল পোশাক খুব কমই পরেছেন।

রক্তিম আভায় তামান্না
ডিজাইনার ভূমিকা শর্মার তৈরি লাল লেহেঙ্গা-চোলিতে এদিন র‍্যাম্পে ওঠেন তামান্না ভাটিয়া। কনের বেশে তাঁর উপস্থিতি ছিল উজ্জ্বল ও জমকালো। গ্রীষ্মের বিয়ের আসরের জন্য হালকা অথচ দৃষ্টিনন্দন এই সাজ যে অনুপ্রেরণা হতে পারে, তা তামান্নার লুক দেখলেই বোঝা যায়।
ল্যাকমে ফ্যাশন উইকের তৃতীয় দিন তাই ছিল দুই ভিন্ন আবহের মিশ্রণ। একদিকে তারকাদের ঝলমলে উপস্থিতি, অন্যদিকে ব্যক্তিগত শোকের কারণে মনীশ মালহোত্রার শো বাতিল—সব মিলিয়ে দিনটি হয়ে থাকল আলোচিত।

নেটফ্লিক্সের আলোচিত সিরিজ ‘ব্রিজারটন’। গত মাসেও সিরিজটির চতুর্থ মৌসুম মুক্তির পর ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। জনপ্রিয়তা পেলেও মাত্রাতিরিক্ত অন্তরঙ্গ দৃশ্যের জন্য সমালোচিতও হয়েছে ‘ব্রিজারটন’। এবার সিরিজের এক অভিনেত্রী রুথ গিমেল অন্তরঙ্গ দৃশ্যে নিয়ে তাঁর অস্বস্তির কথা জানিয়েছেন, যা নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক সমালোচনা ও বিতর্ক।

সিরিজটিতে ভায়োলেট ব্রিজারটনের চরিত্রে অভিনয় করা রুথ গিমেল জানিয়েছেন, আসন্ন মৌসুমে একটি অন্তরঙ্গ দৃশ্যে অভিনয় করতে হবে—এ তথ্য তিনি জানতে পারেন অপ্রত্যাশিতভাবে, পোশাকের মাপ নেওয়ার সময়। গিমেলের ভাষ্য অনুযায়ী, বিষয়টি তিনি চিত্রনাট্যকার বা প্রযোজকদের কাছ থেকে আগেভাগে জানেননি। বরং কস্টিউম ফিটিংয়ের সময় বুঝতে পারেন, এমন একটি দৃশ্যের জন্য তাঁকে প্রস্তুত করা হচ্ছে, যার বিষয়ে আগে কোনো ধারণাই ছিল না।

এ অভিজ্ঞতা গিমেলকে মানসিকভাবে নাড়িয়ে দেয়। তিনি বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে তিনি বেশ অবাক হন এবং বাড়ি ফিরে কেঁদেও ফেলেন।
আসন্ন মৌসুমে ভায়োলেট ব্রিজারটনের জীবনে নতুন এক প্রেমের গল্প দেখা যাবে। তাঁর বিপরীতে থাকবেন লর্ড মার্কাস অ্যান্ডারসন চরিত্রে অভিনয় করা ড্যানিয়েল ফ্রান্সিস। গল্প অনুযায়ী, স্বামী এডমন্ডের মৃত্যুর পর এই প্রথম নতুন সম্পর্কে জড়াচ্ছেন ভায়োলেট, যেখানে একটি অন্তরঙ্গ দৃশ্যও রয়েছে।

‘ব্রিজারটন’–এ সহশিল্পীর সঙ্গে রুথ গিমেল। আইএমডিবি
‘ব্রিজারটন’–এ সহশিল্পীর সঙ্গে রুথ গিমেল। আইএমডিবি

এর আগেও গিমেল স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন, তিনি এমন দৃশ্যে অভিনয়ে খুব আগ্রহী নন। তাই হঠাৎ এভাবে জানতে পারায় তিনি মানসিকভাবে অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন।
এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। অনেকেই বলছেন, অন্তরঙ্গ দৃশ্যের মতো সংবেদনশীল বিষয় আগে থেকেই অভিনেতাদের জানানো উচিত। সমালোচকদের মতে, এমন দৃশ্যের জন্য শুধু শারীরিক নয়, মানসিক প্রস্তুতিও জরুরি। তাই প্রযোজনা দলের উচিত ছিল বিষয়টি আরও সংবেদনশীলভাবে সামলানো।

‘ব্রিজারটরন’ বরাবরই সাহসী অন্তরঙ্গ দৃশ্যের জন্য পরিচিত। কিন্তু এবার প্রশ্ন উঠেছে—এ ধরনের দৃশ্য পরিচালনার ক্ষেত্রে শিল্পীদের প্রতি যথেষ্ট সম্মান ও স্বচ্ছতা দেখানো হচ্ছে কি না। সব মিলিয়ে, নতুন মৌসুম শুরুর আগেই সিরিজটি আলোচনার কেন্দ্রে। তবে এবার গল্পের জন্য নয়; বরং পর্দার পেছনের এক অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার কারণে। তবে এ বিষয়ে নেটফ্লিক্স বা নির্মাতাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ই! নিউজ অবলম্বনে

‘ব্রিজারটন’–এ রুথ গিমেল। আইএমডিবি
‘ব্রিজারটন’–এ রুথ গিমেল। আইএমডিবি

বিয়ে করলেন অভিনেত্রী নীলাঞ্জনা নীলা। আজ ঈদের দিন দুপুরে নিজের ফেসবুকে বিয়ের কথা জানান তিনি। বরের সঙ্গে বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে আমি ও কাউসার মাহমুদ গত ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছি।’

বিয়ের আসলে কাউসার মাহমুদ ও নীলাঞ্জনা নীলা। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
বিয়ের আসলে কাউসার মাহমুদ ও নীলাঞ্জনা নীলা। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

পোস্টে নীলাঞ্জনা নীলা আরও লিখেছেন, ‘দীর্ঘদিনের পরিচয় ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার পর দুই পরিবারের সম্মতিতে আমরা আমাদের জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছি। অনুষ্ঠানটি ঘনিষ্ঠ পারিবারিক পরিবেশে সীমিত আয়োজনে সম্পন্ন হয়েছে। আমরা আমাদের এই নতুন পথচলার জন্য সকলের দোয়া, ভালোবাসা ও শুভকামনা কামনা করছি, যেন আগামী জীবন পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও শান্তিতে পরিপূর্ণ হয়।’

বিয়ের আসলে কাউসার মাহমুদ ও নীলাঞ্জনা নীলা। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে
বিয়ের আসলে কাউসার মাহমুদ ও নীলাঞ্জনা নীলা। অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

লাক্স তারকা নীলাঞ্জনা নীলার চলচ্চিত্রে অভিষেক ‘গহীন বালুচর’ দিয়ে। ছবিটি পরিচালনা করেন বদরুল আনাম সৌদ। সাত বছর পর ২০২৪ সালে একই নির্মাতার ‘শ্যামা কাব্য’ দিয়ে আবার প্রেক্ষাগৃহে ফেরেন তিনি।

মহাসমারোহে শুরু হয়েছে ল্যাকমে ফ্যাশন উইক ২০২৬। মুম্বাইয়ের জিও ওয়ার্ল্ড কনভেনশন সেন্টারে ১৯ মার্চ শুরু হওয়া চার দিনের এই আয়োজন চলবে ২২ মার্চ পর্যন্ত। প্রতিবছরের মতো এবারও দেশের নানা প্রান্তের নামী-অনামী ডিজাইনাররা তাঁদের নতুন ভাবনা, নকশা ও বৈচিত্র্যময় ফ্যাশন-ভাষা নিয়ে হাজির হয়েছেন এ আসরে। আন্তর্জাতিক নানা সংস্কৃতির ছাপ থাকলেও আয়োজনজুড়ে উজ্জ্বলভাবে উঠে এসেছে ভারতীয় ঐতিহ্য ও নান্দনিকতাও।

উদ্বোধনী দিনের অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন দক্ষিণি অভিনেতা সিদ্ধার্থ। ডিজাইনার বিবেক করুণাকরণের শোস্টপার হয়ে তিনি র‌্যাম্পে ওঠেন বাদামি সিল্ক কোট ও মাটির রঙের ড্রেপড ধুতি প্যান্টে। তাঁর উপস্থিতিতে ছিল একাধারে দৃঢ়তা ও প্রশান্তির ছাপ, যা শোর সূচনাতেই আলাদা মাত্রা যোগ করে।

উদ্বোধনী দিনের অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন দক্ষিণি অভিনেতা সিদ্ধার্থ। ল্যাকমের ফেসবুক থেকে
উদ্বোধনী দিনের অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন দক্ষিণি অভিনেতা সিদ্ধার্থ। ল্যাকমের ফেসবুক থেকে

বিবেক করুণাকরণের ‘দ্য থাঙ্গাম’ শীর্ষক সংগ্রহে দক্ষিণ ভারতের সোনার সঙ্গে গভীর কিন্তু সংযত সম্পর্ককে আধুনিক আনুষ্ঠানিক পুরুষ পোশাকের ভাষায় প্রকাশ করা হয়েছে। এই সংগ্রহে ব্যবহৃত হয়েছে কাঁচা সিল্ক, তসর, কাঞ্জিভরম ও সিল্ক অর্গানজা। রঙের প্যালেটে ছিল সোনালি, এক্রু আর মাটির আভা।
গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে সিদ্ধার্থ বলেন, ‘উনি যা-ই ডিজাইন করেন, আমার মনে হয়, সেটা আমি রাজপ্রাসাদেও পরতে পারি, আবার বাড়িতেও।’

প্রথম দিনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য আয়োজন ছিল ‘দ্য বয়’স ক্লাব’, যেখানে সুশান্ত অ্যাবরলের ‘কান্ট্রিমেড’, ধ্রুব বৈশ এবং সাহিল আনেজার নকশা উপস্থাপিত হয়।
‘কান্ট্রিমেড’ সংগ্রহটি অনুপ্রাণিত স্মৃতিস্তম্ভের স্থাপত্য থেকে। এতে ফিকে জলপাই, পোড়া বাদামি, অক্সিডাইজড ব্রোঞ্জ, সাদা ও কালোর ব্যবহার দেখা গেছে। নকশায় ছিল মাড-রেজিস্ট প্রিন্টিং, কোল্ড পিগমেন্ট ডাইং, ব্রোঞ্জ প্যাটিনা, কাঁথা ও কাঁচা প্রান্তের অ্যাপ্লিকের ব্যবহার।

ধ্রুব বৈশ তাঁর সংগ্রহে সমকালীন পুরুষ পোশাকে নীরব নগরজীবনের প্রতিফলন তুলে ধরতে চেয়েছেন। তাঁর নকশায় লিনেন, সুতি, ডেনিম ও প্রিন্টেড সিল্ক ব্যবহারের মধ্য দিয়ে তৈরি হয়েছে সংযত কিন্তু আধুনিক এক ভাষা।
অন্যদিকে সাহিল আনেজার ‘স্ট্রাটা’ সংগ্রহ অনুপ্রাণিত পরিবর্তনশীল প্রাকৃতিক ভূখণ্ড এবং গলিত পাথরের তরলতা থেকে। বিভিন্ন টেক্সচার ও স্তরবিন্যাসের মাধ্যমে তিনি পোশাকে তৈরি করেছেন আলোছায়ার নাটকীয় বৈপরীত্য।

প্রথম দিনের শেষভাগে অনামিকা খান্না তাঁর একে ওকে কালেকশন নিয়ে হাজির হন এক ভিন্ন স্বাদের উপস্থাপনায়। এটি তাঁর আগের যেকোনো শোর তুলনায় আলাদা বলেই মনে হয়েছে। অনামিকার সম্ভারে ছিল ঢোলা ধুতি প্যান্ট, অসমমিত রাফল টপ, রিল্যাক্সড কো-অর্ড সেট ও ফ্লোর-লেন্থ গাউন। সবকিছুই এমনভাবে নির্মিত, যাতে তা একই সঙ্গে অনুষ্ঠান ও দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য মানানসই হয়।
নিজের ভাবনা প্রসঙ্গে অনামিকা বলেন, ‘মূল ভাবনাটা ছিল অসম্পূর্ণতা। সবকিছু নিখুঁত না হলেও সেটাকে মেনে নেওয়ার মধ্যেই সৌন্দর্য আছে।’

প্রথম দিনের শোয়ে দর্শকসারিতেও ছিল তারকাদের উপস্থিতি। আরমান মালিক, আশনা শ্রফ, নেহা ধুপিয়া, অঙ্গদ বেদি, জনিতা গান্ধী ও বনি কাপুরকে দেখা গেছে বিভিন্ন আয়োজনে।

অনামিকা খান্নার ওকে কালেকশন নিয়ে হাজির হন এক ভিন্ন স্বাদের উপস্থাপনায় এক মডেল। ল্যাকমের ইনস্টাগ্রাম থেকে
অনামিকা খান্নার ওকে কালেকশন নিয়ে হাজির হন এক ভিন্ন স্বাদের উপস্থাপনায় এক মডেল। ল্যাকমের ইনস্টাগ্রাম থেকে

দ্বিতীয় দিনের শুরু হয় একঝাঁক নবীন প্রতিভাবান ডিজাইনারের বৈচিত্র্যময় সম্ভার দিয়ে। এনআইএফ গ্লোবাল ‘জেন নেক্সট’ আয়োজনের মাধ্যমে ফ্যাশন–দুনিয়ায় অভিষেক হয়েছে তরুণ ডিজাইনারদের। তাঁদের সৃষ্টিতে ভারতীয় সংস্কৃতির পাশাপাশি উঠে এসেছে জাপান, কোরিয়া ও প্যারিসের নান্দনিক ছোঁয়া। তবে বহির্বিশ্বের এই রেফারেন্সের ভিড়েও ভারতীয় উপাদান ও শিকড়ের উপস্থিতি ছিল স্পষ্ট।
এদিন এক নবীন ডিজাইনারের পোশাক পরে র‌্যাম্প আলোকিত করেন অভিনেত্রী রাধিকা মাদান।

ফ্যাশন ডিজাইন কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার (এফডিসিআই) সহযোগিতায় আয়োজিত ল্যাকমে ফ্যাশন উইক ২০২৬-এ আগামী কয়েক দিনজুড়ে আরও নানা চমক নিয়ে হাজির হবেন প্রতিষ্ঠিত ও উদীয়মান ডিজাইনাররা।

ল্যাকমে ফ্যাশন উইকে রাধিকা মদন। এএফপি
ল্যাকমে ফ্যাশন উইকে রাধিকা মদন। এএফপি

শৈশব থেকে ছিল লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশনের দুনিয়ার প্রতি প্রবল আকর্ষণ। এক দশকের বেশি সময় ধরে অভিনয়জগতের সঙ্গে যুক্ত তিনি। তবে মাত্র ২১ বছর বয়সেই জান্নাত জুবের রহমানি যে পরিমাণ সম্পত্তি গড়ে তুলেছেন, সেটা প্রায় অবিশ্বাস্য। ইন্ডিয়া টুডে অবলম্বনে ছবিতে ছবিতে জেনে নেওয়া যাক অভিনেত্রী সম্পর্কে কিছু তথ্য।

 ছোট পর্দার নায়িকাদের মধ্যে জান্নাতের জনপ্রিয়তা ব্যাপক। হিনা খান, নিয়া শর্মা কিংবা শ্বেতা তিওয়ারি, রুপালি গাঙ্গুলিদের মতো তাঁকে নিয়েও দর্শকমহলে কৌতূহলের অন্ত নেই। মাত্র পাঁচ বছর বয়স থেকে অভিনয়ের জন্য অডিশন দিতে শুরু করেন জান্নাত। সাত বছর বয়সে ‘চাঁদ কে পার চলো’ সিরিয়ালে ছোট চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
ছোট পর্দার নায়িকাদের মধ্যে জান্নাতের জনপ্রিয়তা ব্যাপক। হিনা খান, নিয়া শর্মা কিংবা শ্বেতা তিওয়ারি, রুপালি গাঙ্গুলিদের মতো তাঁকে নিয়েও দর্শকমহলে কৌতূহলের অন্ত নেই। মাত্র পাঁচ বছর বয়স থেকে অভিনয়ের জন্য অডিশন দিতে শুরু করেন জান্নাত। সাত বছর বয়সে ‘চাঁদ কে পার চলো’ সিরিয়ালে ছোট চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
এরপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি জান্নাতকে। ‘কাশি: অব না রহে’, ‘মাট্টি কি বন্নো’, ‘সিয়াসত’, ‘মহাকুম্ভ’, ‘মেরি আওয়াজ হি পহেচান’ থেকে ‘ফুলওয়া’, ‘ভারত কা বীর পুত্র: মহারানা প্রতাপ’–এর মতো একাধিক সিরিয়ালে নজর কাড়েন তিনি। রিয়ালিটি শোর মঞ্চেও বহুবার অতিথি শিল্পী হিসেবে দেখা গেছে তাঁকে। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
এরপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি জান্নাতকে। ‘কাশি: অব না রহে’, ‘মাট্টি কি বন্নো’, ‘সিয়াসত’, ‘মহাকুম্ভ’, ‘মেরি আওয়াজ হি পহেচান’ থেকে ‘ফুলওয়া’, ‘ভারত কা বীর পুত্র: মহারানা প্রতাপ’–এর মতো একাধিক সিরিয়ালে নজর কাড়েন তিনি। রিয়ালিটি শোর মঞ্চেও বহুবার অতিথি শিল্পী হিসেবে দেখা গেছে তাঁকে। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
২০২৭ সালে নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল শুরু করেছিলেন জান্নাত। ধারাবাহিকের পাশাপাশি একাধিক মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন। এমনকি শ্রদ্ধা কাপুর, রানী মুখার্জিদের মতো তারকাদের সঙ্গেও সিনেমায় অভিনয় করেছেন। এবার সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় সম্পত্তির পরিমাণে রীতিমতো চমকে দিলেন তিনি! অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
২০২৭ সালে নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল শুরু করেছিলেন জান্নাত। ধারাবাহিকের পাশাপাশি একাধিক মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন। এমনকি শ্রদ্ধা কাপুর, রানী মুখার্জিদের মতো তারকাদের সঙ্গেও সিনেমায় অভিনয় করেছেন। এবার সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় সম্পত্তির পরিমাণে রীতিমতো চমকে দিলেন তিনি! অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
জানা গেছে, মাত্র একুশেই ৩০০ কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিক তিনি। কিন্তু কীভাবে এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির মালিক হলেন অভিনেত্রী? অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
জানা গেছে, মাত্র একুশেই ৩০০ কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিক তিনি। কিন্তু কীভাবে এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির মালিক হলেন অভিনেত্রী? অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
সিনেমা-সিরিয়ালে অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রচার, বিজ্ঞাপনী দূত, ইনস্টাগ্রামে স্পনসর কন্টেন্ট তৈরির মতো একাধিক আয়ের উৎস রয়েছে জান্নাতের। তা ছাড়া মিউজিক ভিডিও, ইউটিউব থেকে আয় তো রয়েছেই। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
সিনেমা-সিরিয়ালে অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রচার, বিজ্ঞাপনী দূত, ইনস্টাগ্রামে স্পনসর কন্টেন্ট তৈরির মতো একাধিক আয়ের উৎস রয়েছে জান্নাতের। তা ছাড়া মিউজিক ভিডিও, ইউটিউব থেকে আয় তো রয়েছেই। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
 সিরিয়ালে প্রতি পর্বের জন্য ১০ থেকে ২০ লাখ রুপি পারিশ্রমিক নেন জান্নাত। ‘খতরোঁ কে খিলাড়ি ১২’–এর প্রতি পর্বের জন্য জান্নাত ১৮ লাখ রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন। নায়িকার সংগ্রহে বিলাসবহুল গাড়িও রয়েছে। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
সিরিয়ালে প্রতি পর্বের জন্য ১০ থেকে ২০ লাখ রুপি পারিশ্রমিক নেন জান্নাত। ‘খতরোঁ কে খিলাড়ি ১২’–এর প্রতি পর্বের জন্য জান্নাত ১৮ লাখ রুপি পারিশ্রমিক নিয়েছিলেন। নায়িকার সংগ্রহে বিলাসবহুল গাড়িও রয়েছে। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
 ইনস্টাগ্রামে সর্বাধিক অনুসারী থাকা ভারতীয় টেলি তারকাদের তালিকায় জান্নাত অন্যতম। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
ইনস্টাগ্রামে সর্বাধিক অনুসারী থাকা ভারতীয় টেলি তারকাদের তালিকায় জান্নাত অন্যতম। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

‘কেডি: দ্য ডেভিল’ সিনেমার নতুন গান ‘সরকে চুনর তেরি সরকে’ প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। গানটিতে পারফর্ম করেছেন অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত ও নোরা ফাতেহি। তবে মুক্তির পরই অনেক দর্শক গানটির ভাষা ও উপস্থাপনাকে ‘অশালীন’ ও ‘যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ’ বলে সমালোচনা করছেন। বিতর্কের পরেই গানটি ইউটিউব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। এবার গানটি নিয়ে মুখ খুললেন নোরা ফাতেহি।

নোরা জানান, গানটির কথা ও উপস্থাপনা সম্পর্কে তাঁকে আগেভাগে সঠিকভাবে জানানো হয়নি। তাঁর দাবি, তাঁকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
সবচেয়ে বড় অভিযোগটি এসেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে। নোরার দাবি, গানটির কিছু অংশে এআই ব্যবহার করা হয়েছে, যা তাঁর অনুমতি ছাড়া করা হয়েছে বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে আগে থেকেই নির্মাতাদের সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও গানটি সেভাবেই প্রকাশ করা হয়।

গানের দৃশ্যে সঞ্জয় দত্ত ও নোরা। কোলাজ
গানের দৃশ্যে সঞ্জয় দত্ত ও নোরা। কোলাজ

গানটি নিয়ে শুধু সামাজিক মাধ্যমেই নয়, বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনেও গড়ায়। আপত্তির জেরে গানটি ইউটিউব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং ভারতের সংসদেও বিষয়টি ওঠে। এর আগে ভারতের জাতীয় মানবাধিকার সংস্থার পক্ষ থেকেও নির্মাতাদের বিরুদ্ধে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।

নোরা জানান, এই প্রজেক্টে যুক্ত হওয়ার পেছনে বড় কারণ ছিল সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ। তবে শেষ পর্যন্ত গানটি যেভাবে উপস্থাপিত হয়েছে, তা নিয়ে তিনি হতাশ।

এ ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে—একজন শিল্পীকে কতটা স্বচ্ছভাবে কাজের বিবরণ জানানো হয়? এবং এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে শিল্পীর সম্মতি কতটা গুরুত্ব পাচ্ছে? তবে নোরার অভিযোগ নিয়ে নির্মাতাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস অবলম্বনে

শাড়ি, বোল্ড স্টেটমেন্ট ব্লাউজ আর মিনিমাল গয়নার কম্বিনেশনে মৌনী রায়ের নতুন ফেস্টিভ লুক নজর কাড়ছে। উৎসবের সাজে অনুপ্রেরণার এক নিখুঁত উদাহরণ এই লুক।

মৌনী রায় নামটির সঙ্গে ফ্যাশনজগতের কমবেশি সবাই পরিচিত। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের এই বাঙালি মেয়ের দাপট এখন বলিউড জুড়েও। অভিনয়ে তাঁর যতটা নামডাক, তার চেয়েও বেশি নজর কাড়েন ফ্যাশন সেন্সে। নিত্যনতুন ডিজাইনের পোশাকে তাঁর উপস্থিতি সোশ্যাল মিডিয়ায় বরাবরই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

এথনিক হোক বা ওয়েস্টার্ন—দুই ধরনের পোশাকেই তিনি সমান স্বচ্ছন্দ ও আকর্ষণীয়। তবে বাঙালি বলেই হয়তো শাড়ির লুকে মৌনী যেন হয়ে ওঠেন অপ্সরীর মতো সুন্দর।

 
 

সম্প্রতি তেমনই এক লুকে ধরা দিয়েছেন তিনি। হালকা পেস্তা-সবুজ টোনের একটি শিয়ার শাড়িতে দেখা গেছে অভিনেত্রীকে, যার জমিনজুড়ে রয়েছে সূক্ষ্ম সিকুইন ডিটেইলিং।

 

শাড়িটির নরম, স্বচ্ছ টেক্সচার লুকে এনেছে এক ধরনের স্বপ্নিল আবহ। ঝিলমিল করা সোনালি বর্ডারটি মিনিমাল হলেও পুরো লুকে যোগ করেছে রাজকীয় ছোঁয়া।

এই লুকের অন্যতম আকর্ষণ তাঁর ব্লাউজ। ব্যাকলেস ডিজাইনে তৈরি এই ব্লাউজে রয়েছে স্টাইলিশ আবেদন। উজ্জ্বল ফুশিয়া গোলাপি রঙের ডিপ-নেক ব্লাউজটি ভারী গোল্ড সিকুইন ও সূক্ষ্ম এমবেলিশমেন্টে অলংকৃত, যা শাড়ির সফট টোনের সঙ্গে তৈরি করেছে দারুণ কনট্রাস্ট।

 

শাড়ির সঙ্গে মিনিমাল কিন্তু নজরকাড়া গয়না পরেছেন তিনি। ট্র্যাডিশনাল গোল্ড ঝুমকা এবং হাতে পরা আংটি ছাড়া অতিরিক্ত কিছু নেই সাজে । মেকআপে ফুটে উঠেছে সফট গ্ল্যাম আমেজ । স্মোকি আই লুকের সঙ্গে পিচি-ন্যুড লিপকালার আর কপালে সাদা পাথরের টিপে সেজেছেন।

 
 

কোমর ছুঁয়ে থাকা চুলগুলো  হালকা ওয়েভে স্টাইলে ছেড়ে রাখা। সব মিলিয়ে, শাড়ি, বোল্ড স্টেটমেন্ট ব্লাউজ এবং মিনিমাল গয়নার সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে এক নিখুঁত ফেস্টিভ লুক—যা সহজেই অনুপ্রেরণা হতে পারে যেকোনো উৎসবের সাজে।

ছবি: ইন্সটাগ্রাম