• Colors: Green Color

যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তে মেক্সিকোতে বিশ্বকাপ বেস ক্যাম্প সরানোর অনুমোদন পেয়েছে ইরান ফুটবল দল। এমনটাই দাবি করেছে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন। খবর, দ্য গার্ডিয়ান'র। 

শনিবার (২৩ মে) ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহেদি তাজ এক বিবৃতিতে জানান, ফিফার অনুমোদনের পর ২০২৬ বিশ্বকাপে দলের বেস ক্যাম্প যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার টাকসন থেকে সরিয়ে মেক্সিকোর তিহুয়ানায় নেওয়া হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি ফিফা।

এর আগে, ইরানের অনুশীলন ক্যাম্প হওয়ার কথা ছিল অ্যারিজোনার কিনো স্পোর্টস কমপ্লেক্সে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে ভেন্যু পরিবর্তনের আলোচনা চলছিল।

মেহেদি তাজ বলেন, বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সব দলের বেস ক্যাম্প ফিফার অনুমোদনের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়। ইস্তাম্বুলে ফিফা ও বিশ্বকাপ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক এবং তেহরানে ফিফা মহাসচিবের সঙ্গে ভার্চুয়াল আলোচনার পর আমাদের আবেদন অনুমোদিত হয়েছে।

ফেডারেশনের দাবি, মেক্সিকোর তিহুয়ানা শহরে ক্যাম্প স্থাপন করলে ভিসা জটিলতা কমবে। কারণ দলটি মেক্সিকো হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবে। তাজ আরও জানান, ইরান এয়ারের ফ্লাইট ব্যবহার করেও যাতায়াতের সুযোগ থাকতে পারে।

২০২৬ বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। আগামী ১১ জুন শুরু হয়ে টুর্নামেন্ট চলবে ১৯ জুলাই পর্যন্ত।

গ্রুপ ‘জি’-তে থাকা ইরান আগামী ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে তাদের প্রথম ম্যাচ খেলবে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। এরপর ২১ জুন একই শহরে বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে তারা। গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে ২৬ জুন সিয়াটলে মিশরের বিপক্ষে মাঠে নামবে ইরান।

উল্লেখ্য, এ বছর মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর ইরানের ম্যাচগুলো মেক্সিকোতে সরিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনার খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে গত মাসে ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ফিফা কংগ্রেসে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেছিলেন, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ইরান যুক্তরাষ্ট্রেই তাদের ম্যাচ খেলবে।

৭ জুন অনুষ্ঠেয় বিসিবি পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। তালিকা অনুযায়ী অন্তত চারজন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির পরিচালক হতে যাচ্ছেন। জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার ক্যাটাগরি–১–এ রংপুর, সিলেট ও রাজশাহী বিভাগ থেকে তিনটি পরিচালক পদের জন্য প্রার্থী মাত্র তিন জন। এ ছাড়া ক্যাটাগরি–৩–এও আছেন একজন মাত্র প্রার্থী।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে পারেন ঢাকা বিভাগের দুই পরিচালকও। এখানে দুটি পরিচালক পদের বিপরীতে তিনজন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিলেও আজ যাচাই–বাছাইয়ে গোপালগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর জসিম উদ্দিন খসরুর মনোয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তবে আগামীকাল তাঁর আপিল করার সুযোগ আছে।

নির্বাচন কমিশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রস্তাবক ও সমর্থকারী কাউন্সিলরের জাতীয় পরিচয়পত্র জমা না দেওয়ায় জসিম উদ্দিনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এই বিভাগে মনোয়নপত্র বৈধ হওয়া দুই প্রার্থী হলেন ঢাকা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাইদ বিন জামান ও জামালপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ।

সিলেট বিভাগ থেকে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, রাজশাহী থেকে মীর শাকরুল আলম ও রংপুর থেকে মির্জা ফয়সল আমীনের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়াটা নিশ্চিতই বলা যায়। চট্টগ্রাম বিভাগে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদীন ও লক্ষ্মীপুরের মঈন উদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে নির্বাচনে আছেন ফেনীর শরীফুল ইসলাম। তিন প্রার্থীর মধ্যে এই বিভাগ থেকে দুজন পরিচালক নির্বাচিত হবেন।

খুলনা থেকেও নির্বাচিত হবেন দুই পরিচালক। এই বিভাগে লড়াইয়ে থাকা তিনজন হলেন খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার শফিকুল আলম, যশোরের শান্তনু ইসলাম ও চুয়াডাঙ্গার আব্দুছ সালাম। বরিশাল বিভাগ থেকে একটি পরিচালক পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বিপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজি ফরচুন বরিশালের স্বত্বাধিকার ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর মিজানুর রহমান ও ভোলার মুনতাসির আলম চৌধুরী।

ক্যাটাগরি–২–এ ঢাকার মেট্টোপলিটনের ৭৬টি ক্লাব থেকে ১২ জন পরিচালক নির্বাচিত হবেন। এই ক্যাটাগরি থেকে ১৮ জনের মনোনয়ন বৈধ হয়েছে। তাঁরা হলেন আবাহনীর ফাহিম সিনহা, মোহামেডানের মাসুদুজ্জামান, লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের লুৎফুর রহমান, শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাবের আসিফ রাব্বানী, উত্তরা ক্রিকেট ক্লাবের ফৈয়াজুর রহমান, ধানমন্ডি ক্লাবের ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল, ওল্ড ডিওএইচএস স্পোর্টস ক্লাবের তামিম ইকবাল, ট্রাই স্টেট ক্রিকেটার্সের আমজাদ হোসেন, আজাদ স্পোর্টিং ক্লাবের মির্জা ইয়াসির আব্বাস, এক্সিউম ক্রিকেটার্সের ইসরাফিল খসরু, ইন্দিরা রোড ক্রীড়া চক্রের রফিকুল ইসলাম, ঢাকা ওয়ান্ডারার্সের সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম, ঢাকা মেরিনার ইয়াংয়ের শানিয়ান তানিম, ফেয়ার ফাইটার্সের সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ, তেঁজগাও ক্রিকেট একাডেমির বোরহানুল হোসেন, পূর্বাচল স্পোর্টিং ক্লাবের সাকিফ আহমেদ, কাঁঠালবাগান গ্রীন ক্রিসেন্ট ক্লাবের মেজর ইমরোজ আহমেদ ও ওল্ড ঢাকা ক্রিকেটার্সের মাহমুদ উর রহমান।

ক্যাটাগরি–৩–এ সাবেক ক্রিকেটার ও বিভিন্ন সংস্থার কাউন্সিলরদের মধ্য থেকে একজন পরিচালক নির্বাচিত হবেন। এখানে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সিলর সিরাজউদ্দীন মোহাম্মদ আলমগীর বিসিবি পরিচালক নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।

পরিচালক পদে মনোয়নপত্র বৈধ হওয়া এই ৩৩ জনের মধ্য থেকে ৭ জুনের ভোটে বিসিবির ২৩ জন পরিচালক নির্বাচিত হবেন। অন্য দুই পরিচালক আসবেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মনোনীত হয়ে। যাঁরাই নির্বাচিত হবেন, প্রার্থী তালিকাতেই এটা স্পষ্ট যে বিসিবির আগামী পরিচালনা পর্ষদ হবে তুলনামূলক অনভিজ্ঞ ও রাজনৈতিক আশীর্বাদপুষ্ট। প্রার্থীদের প্রায় এক–তৃতীয়াংশই ক্ষমতাসীন দল বিএনপির সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের আত্মীয়স্বজন। বাকিদের অনেকে দলটির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল তৃতীয় সন্তানের বাবা হয়েছেন। শুক্রবার (২২ মে) রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে তার পরিবারে জন্ম নিয়েছে একটি পুত্রসন্তান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুখবরটি নিজেই জানিয়েছেন দেশের ক্রিকেটের এক সময়ের জনপ্রিয় এই তারকা ক্রিকেটার। নবজাতক সন্তানকে মহান আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত ও রহমত উল্লেখ করে আশরাফুল তার অনুভূতি প্রকাশ করেন।

তিনি লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ! আজ রাত ১০:৩৫ মিনিটে মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের পরিবারে আরেকটি পুত্র সন্তান দান করেছেন। প্রথমে একটি কন্যাসন্তান, তারপর একটি পুত্রসন্তান, আর আজ আবার একটি পুত্রসন্তানের বাবা হওয়ার সৌভাগ্য আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন।

[caption id="attachment_274675" align="alignnone" width="623"] ফেসবুকে মোহাম্মদ আশরাফুল[/caption]

আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, আল্লাহর এই অগণিত নিয়ামতের জন্য আমি আল্লাহর কাছে অন্তরের গভীর থেকে শুকরিয়া আদায় করছি। সন্তান হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে আমানত ও রহমত। আল্লাহ যেন আমার সকল সন্তানকে নেক, সুস্থ, দ্বীনদার ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার তাওফিক দান করেন।

পোস্টের শেষদিকে ভক্ত-সমর্থকদের কাছে সন্তানদের জন্য দোয়ার আবেদনও জানান সাবেক এই অধিনায়ক। তিনি লেখেন, আপনাদের সকলের কাছে আমার সন্তানদের জন্য দোয়ার আবেদন রইল। আলহামদুলিল্লাহি ‘আলা কুল্লি হাল’।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম প্রতিভাবান ব্যাটার আশরাফুল ২০০১ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর দীর্ঘ সময় দেশের হয়ে খেলেছেন। ২০০১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে তিনি ৬১টি টেস্ট, ১৭৭টি ওয়ানডে এবং ২৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করেন। তিন ফরম্যাট মিলিয়ে তার আন্তর্জাতিক রান ৬৬৫৫।

বর্তমানে ৪১ বছর বয়সী এই সাবেক ক্রিকেটার বাংলাদেশ জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে কাজ করছেন এবং তরুণ ক্রিকেটারদের মাঝে নিজের অভিজ্ঞতা ছড়িয়ে দিতে ভূমিকা রাখছেন।

 

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের কোচ হিসেবে সাবেক মার্কিন ফুটবলার থমাস ডুলির নাম চূড়ান্ত হলো। ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট দিয়ে কোচের বিষয়ে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

নতুন দায়িত্ব নিয়ে আজ শুক্রবার (২২ মে) সকালে ঢাকায় পৌঁছেছেন আমেরিকান বংশদ্ভূত এই জার্মান। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্র দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। পরবর্তীতে ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ইয়ুর্গেন ক্লিন্সম্যানের অধীনে যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলের সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করেছেন ডুলি।

কোচ নিয়োগের দৌড়ে শুরুতে ওয়েলসের সাবেক ইউরোজয়ী কোচ ক্রিস কোলম্যানের নাম বেশ জোরেসোরে শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত ব্যাটে-বলে মেলেনি বাফুফের।

এদিকে, গেলো দুইদিন একদল সমর্থক বাফুফেতে আরও হাইপ্রোফাইল কোচ আনার জন্য মানববন্ধন করেছে। আজ বেলা ১২টায় বাফুফের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন ফুটবল সমর্থকরা।

 

৪৮ দলের বিশ্বকাপ এখনো মাঠে গড়ায়নি। আরও সপ্তাহ তিনেক বাকি। অথচ এর মধ্যেই ৬৬ দলের বিশ্বকাপ আয়োজনের চিন্তাভাবনা শুরু হয়ে গেছে। স্পেন, মরক্কো ও পর্তুগালে হতে যাওয়া ২০৩০ বিশ্বকাপে ১৮টি দল বাড়ানোর আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘এএস’।

১৯৯৮ থেকে ২০২২ পর্যন্ত বিশ্বকাপে খেলেছে ৩২টি দল। আগামী ১১ জুন শুরু হতে যাওয়া উত্তর আমেরিকা আসরে দল বাড়িয়ে ৪৮ করা হয়েছে। বিশ্বকাপের শতবর্ষপূর্তিতে ২০৩০ আসরেও একইসংখ্যক দল অংশ নেওয়ার কথা।

এএসের প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়েক মাস আগে দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবল কনফেডারেশনের (কনমেবল) পক্ষ থেকে ৬৬ দলের প্রস্তাবটি আনা হয়েছিল। বিশ্বকাপে যেসব দেশ খেলার সুযোগ পায় না, তাদের বিশ্বকাপে খেলার পথ সুগম করাই ছিল এর উদ্দেশ্য। তখন বিষয়টি শুধুই প্রাথমিক আলোচনা বা ধারণা নেওয়ার পর্যায়ে থাকলেও বর্তমানে বেশ কয়েকটি ফুটবল ফেডারেশনের আগ্রহের কারণে প্রস্তাবটি নতুন রূপ পাচ্ছে।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো, এএফপি
 

ফিফা এবং এর শীর্ষ নেতৃত্ব এখন এই ভাবনাটিকে ফুটবলের বহুমাত্রিকতার অংশ হিসেবে ইতিবাচকভাবে দেখতে শুরু করেছে। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো প্রায়ই বিশ্বকাপকে একটি ‘উৎসব’ হিসেবে আখ্যা দেন, বিশেষ করে যেসব দেশ কখনো বিশ্বমঞ্চে খেলার সুযোগ পায়নি, তাদের জন্য। এই ৬৬ দলের প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তের দেশগুলোর জন্য ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে অংশ নেওয়ার সুযোগ আরও বাড়বে।

দলসংখ্যা বাড়লে যে বিশ্বকাপের বাইরে থাকা দলগুলোর জন্য সুযোগ বাড়ে, সেটির বড় দৃষ্টান্ত এবারের আসরই। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় হতে যাওয়া ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো খেলতে নামবে কেপ ভার্দে, কুরাসাও, জর্ডান ও উজবেকিস্তানের মতো দলগুলো। এখন ফিফার নীতিনির্ধারক ও কয়েকটি কনফেডারেশনও ভাবছে বিশ্বকাপকে আরও কীভাবে বড় করা যায়।

তবে ঠিক এই মুহূর্তে ৬৬ দলের ভাবনাটি প্রস্তাবনা পর্যায়েই আছে। এটি বাস্তবে রূপ দিতে লম্বা পথই পাড়ি দিতে হবে। তবে একসময় ৪৮ দলের বিশ্বকাপকে ‘পাগলামি’ বলে উড়িয়ে দিলেও সেটি যেমন এখন বাস্তব, দল আরও বাড়ানোর প্রস্তাবও এখন উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

‘এএস’ লিখেছে, দুই বছর পর পর ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজনের যে গুঞ্জন ছিল, তা আপাতত বাতিল বলেই মনে হচ্ছে।

নাজমুল হোসেনকে কেন বুঝিয়ে–সুঝিয়ে টেস্টের অধিনায়কত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা এখন বোঝা যাচ্ছে। মুখের যুক্তি নয়, পরিসংখ্যানই কথা বলছে নাজমুলের হয়ে।

পরিসংখ্যানে যাওয়ার আগে নাজমুলের টেস্ট অধিনায়কত্বের ইতিবৃত্তটা একবার বলতে হয়। ২০২৪ সালে তিন সংস্করণেই বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাজমুল। টি–টুয়েন্টিতে রানখরায় ভোগায় গত বছরের শুরুতে এ সংস্করণে অধিনায়কত্ব ছাড়েন। সে বছর জুনে নাজমুলকে ওয়ানডের অধিনায়কত্ব থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর অনেকটা অভিমান থেকে টেস্টের অধিনায়কত্বও ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন নাজমুল।

গত বছর নভেম্বরে টেস্ট অধিনায়কত্বে ফেরেন নাজমুল। এর পেছনের কারণ হিসেবে তখন জানা গিয়েছিল, শুরুতে অধিনায়কত্ব নিতে রাজি ছিলেন না নাজমুল। পরে এক পরিচালককে দায়িত্ব দেওয়া হয় তাঁকে রাজি করানোর জন্য। শেষ পর্যন্ত নাজমুলও তাতে রাজি হন। এরপর তাঁর অধিনায়কত্বে ঘরের মাঠে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজ ২–০ ব্যবধানে জেতে বাংলাদেশ। এরপর পাকিস্তানকে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজেও একই ব্যবধানে ধবলধোলাই করে নাজমুলের দল।

সেই নাজমুল এখন টেস্ট ইতিহাসে বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক।

 
সিলেট টেস্টটা অধিনায়ক হিসেবে নাজমুলের অষ্টম জয়। মুশফিকুর রহিমের রেকর্ড ভাঙলেন নাজমুল। ২০১১ থেকে ২০১৭—এ সময়ের মধ্যে ৩৪ টেস্টে অধিনায়কত্ব করে ৭ ম্যাচ জিতেছিলেন অধিনায়ক মুশফিক। নাজমুল ২০২৩ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত অধিনায়ক হিসেবে এ সংস্করণে ১৮ ম্যাচে ৮ জয় পেয়েছেন। বাংলাদেশ দলের আর কোনো অধিনায়ক এত টেস্ট জিততে পারেননি। মুশফিকের চেয়ে ১৬ ম্যাচ কম খেলেই তাঁকে ছাড়িয়ে গেলেন নাজমুল। ১৯ ম্যাচে ৪ জয় নিয়ে এ তালিকায় তৃতীয় সাকিব আল হাসান।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব