মেক্সিকো ২:০ ইকুয়েডর
বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর ম্যাচে ইকুয়েডরের বিপক্ষে প্রথমার্ধে দাপট দেখিয়েছে স্বাগতিক মেক্সিকো। সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে দুটি গোল করে বিরতিতে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে তারা। দ্বিতীয়ার্ধে এই ব্যবধান ধরে রেখে শেষ ষোলো নিশ্চিত করার লক্ষ্য থাকবে মেক্সিকোর। ম্যাচে ফিরতে ইকুয়েডরকে দেখাতে হবে ভিন্ন কিছু।
কুইনোনেসের পর হিমেনেসের বাজিমাত
[caption id="attachment_277965" align="alignnone" width="995"]
দুই গোলে এগিয়ে মেক্সিকো[/caption]ম্যাচের ৩১ মিনিটেই ব্যবধান দ্বিগুণ!
প্রথম গোলের নায়ক কুইনোনেস এবার নিজেই হলেন গোলের কারিগর। তার দেওয়া নিখুঁত পাস থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন হিমেনেস। মেক্সিকোর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলস্কোরারের উদযাপনও ছিল দেখার মতো!
আক্রমণের শুরুটা করেছিলেন হিমেনেসই। বল বাড়িয়ে দেন কুইনোনেসের কাছে। এরপর মুহূর্তের মধ্যেই বল ফেরত পান। সুযোগ হাতছাড়া না করে ডান পায়ের জোরালো শটে বল জড়িয়ে দেন গোলের ওপরের কোণে। ইকুয়েডরের গোলরক্ষকের কোনো সুযোগই ছিল না।
৩১ মিনিট শেষে
মেক্সিকো ২:০ ইকুয়েডর
কুইনোনেসের গোল এগিয়ে গেল মেক্সিকো

আক্রমণের ধারা শুরু থেকেই ছিল। একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না মেক্সিকো। অবশেষে ইকুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচের ২০ মিনিটে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটান কুইনোনেস।
মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে অসাধারণ গতিতে একাই এগিয়ে যান তিনি। সামনে সতীর্থদের কাছে পাস দেওয়ার সুযোগ থাকলেও নিজেই শট নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তার নেওয়া শক্তিশালী শটটি আটকানোর কোনো সুযোগই পায়নি ইকুয়েডরের গোলরক্ষক গালিন্দেস।
কুইনোনেসের দুর্দান্ত গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মেক্সিকো। অবশ্য গোলের আগে ম্যাচে উত্তেজনাও ছড়ায়। টাচলাইনের পাশে বলের নিয়ন্ত্রণ নিতে গিয়ে মেক্সিকোর হিমেনেসকে ধাক্কা দেন ইকুয়েডরের ডিফেন্ডার পাচো।
এতে হিমেনেস মাঠের পাশের ক্যামেরার দিকে ছিটকে পড়েন। ঘটনাটি দেখে মেক্সিকোর বেঞ্চ ফাউলের দাবিতে ক্ষোভ প্রকাশ করলেও রেফারি কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেননি।