• Colors: Purple Color

ভোট দেওয়ার পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ আজকে তাঁদের অধিকার প্রয়োগ করবেন এবং একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা করবেন।’

তারেক রহমান বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের মানুষ আজকে সারা দিনে বেরিয়ে এসে যদি তাঁদের অধিকার প্রয়োগ করেন, ভোট দেন, ইনশাআল্লাহ যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া সম্ভব।’

রাজধানীর গুলশান-২ নম্বরের গুলশান মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে আজ বৃহস্পতিবার সকালে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তারেক রহমান কেন্দ্রে ঢোকেন। ভোট দিয়ে এসে পৌনে ১০টার দিকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

ভোট দেওয়ার পর তারেক রহমান, জুবাইদা রহমান ও জাইমা রহমান। আজ বৃহস্পতিবার সকালেছবি: জাইমার ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া

তারেক রহমান বলেন, ‘সারা বাংলাদেশের খবর এখন আমি পাইনি। তবে গত রাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত খবর আমরা পেয়েছি, যেটা কাম্য নয়। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্ন জায়গায় অত্যন্ত কঠোরভাবে সেসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা দমন করেছে যা আমরা গতকাল রাত পর্যন্ত ভোর রাত পর্যন্ত টিভির পর্দায় দেখেছি। বিভিন্ন চ্যানেলে দেখেছি।''

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘মাত্র তো ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। আমি শেষটা কেমন করে এখনই, না দেখে বলব? আমি অবশ্যই ইনশাআল্লাহ আশাবাদী, আমি দৃঢ়ভাবে আশাবাদী।''

বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পাবে বলেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘সমগ্র দেশে সাধারণ মানুষ যাতে নিরাপদ বোধ করে, এটি হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রায়োরিটি।’

[caption id="attachment_266878" align="alignnone" width="956"] রাজধানীর গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তোলা, ছবি: বিএনপির ফেসবুক পেজ[/caption]

বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। এই অর্ধেক জনসংখ্যাকে পেছনে রেখে এগোতে পারবেন না বলেন তারেক রহমান। সরকার গঠন করলে নারীদের মূল্যায়ন ও ক্ষমতায়ন করার জন্য প্রথম দিন থেকেই কাজ করবেন বলে জানান তারেক রহমান।

রাজধানীর গুলশান-২ নম্বর এলাকার গুলশান মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্র ঢাকা-১৭ সংসদীয় আসনের অধীন। এই আসনের প্রার্থীও তারেক রহমান। ভোট দেওয়ার সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা ইসলাম।

এই আসনে তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন পাঁচজন প্রার্থী। তাঁরা হলেন বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) এস এম আবুল কালাম আজাদ (টেলিভিশন), বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো.শামীম আহমদ (ডাব), বাংলাদেশ লেবার পার্টির মুহাম্মদ রাশেদুল হক (আনারস), ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মনজুর হুমায়ুন (আপেল) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী এনায়েত উল্লাহ (মোরগ)।

এই আসনের অপর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন জাতীয় পার্টির (জাপা) আতিক আহমেদ (লাঙ্গল), জাতীয় পার্টির (জেপি) তপু রায়হান (বাইসাইকেল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ উল্যাহ (হাতপাখা), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির কামরুল হাসান নাসিম (কাঁঠাল) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো.আনিসুজ্জামান খোকন (ময়ূর)।

ইসির তথ্য অনুযায়ী, এই আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ২৭ হাজার ৮৯৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭০ হাজার ১১৬ জন। আর নারী ভোটার ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৭৪ জন। হিজড়া ভোটার আছেন ৮ জন। মোট ভোট কেন্দ্র ১২৪টি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার তামিম ইকবাল। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে কোতোয়ালি থানার লোকপ্রশাসন কেন্দ্রে এসে তিনি ভোট দেন।

ভোট দেওয়ার সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তামিম ইকবাল। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘জীবনের প্রথম ভোট দিচ্ছি। খুবই এক্সাইটেড।’ এক প্রশ্নের জবাবে তামিম ইকবাল জানান, তাঁর পরিবারের সবাই ভোট দিতে গেছেন।

তামিম ইকবাল যে কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন, এটি চট্টগ্রাম-৯ আসনভুক্ত। নগরের কোতোয়ালি ও বাকলিয়া থানা নিয়ে এ আসন গঠন করা হয়েছে। আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১০ জন। এ আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার কথা রয়েছে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান ও ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী এ কে এম ফজলুল হকের মধ্যে। আসনের অন্য প্রার্থীরা হলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুস শুক্কুর, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ, গণসংহতি আন্দোলনের সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফ, বাসদের (মার্ক্সবাদী) মো. শফি উদ্দিন কবির, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোহাম্মদ নঈম উদ্দীন, নাগরিক ঐক্যের মো. নুরুল আবছার মজুমদার, জনতার দলের মো. হায়দার আলী চৌধুরী ও জেএসডির আবদুল মোমেন চৌধুরী।

ভোট দিতে এসে সাংবাদিকদের নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলেন তামিম ইকবাল। আজ বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম নগরের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের আঞ্চলিক লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে
ভোট দিতে এসে সাংবাদিকদের নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলেন তামিম ইকবাল। আজ বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম নগরের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের আঞ্চলিক লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে

চট্টগ্রাম-৯ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৬ হাজার ৩৬৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ১৩ হাজার ৯০৬ জন, নারী ২ লাখ ২ হাজার ৪৪৮ জন ও হিজড়া ভোটার ৯ জন। এ আসনের ১২১টি কেন্দ্রে ভোট নেওয়া হচ্ছে। তামিম ইকবালের ভোট দেওয়া কেন্দ্রে ভোটার রয়েছেন ৫ হাজার ৭৩৬ জন। এতে শুধু পুরুষেরাই ভোট দেবেন।

চট্টগ্রাম জেলায় মোট সংসদীয় আসন রয়েছে ১৬টি। এসব আসনে মোট ভোটার ৬৬ লাখ ৮২ হাজার ৫১৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩৪ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৭, নারী ভোটার ৩১ লাখ ৯৮ হাজার ৫৬০ ও হিজড়া ভোটার ৭০ জন। এসব আসনে মোট ২৪টি রাজনৈতিক দল প্রার্থী দিয়েছে। সব মিলিয়ে প্রার্থী রয়েছেন ১১৫ জন। এর মধ্যে বিএনপির ১৬ জন, ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের ১৬ ও স্বতন্ত্র ১০ জন।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) কেন্দ্রীয়ভাবে চার ধরনের ক্যামেরা ব্যবহার করে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণ করছে। এর মধ্যে রয়েছে- বিমান বাহিনীর ইউএভি (আনম্যান এরিয়াল ভেহিকেল), ড্রোন, সিসিটিভি ও বডি-ওর্ন ক্যামেরা। যার মাধ্যমে সরাসরি আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবন থেকে ভোটের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে নির্বাচন কমিশনের আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেলের সদস্যরা।

এ ছাড়া, নির্বাচন সুরক্ষা (নির্বাচন সুরক্ষা) অ্যাপ ব্যবহার করে ভোটগ্রহণ কার্যক্রমে নজর রাখা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কেন্দ্রীয় আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সেলের কর্মকর্তাদের মনিটরে লাইভ ভিডিও পর্যবেক্ষণ করতে দেখা যায়।

কর্মকর্তারা জানান, সকাল সাড়ে ৭টায় পর্যবেক্ষণ শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, সকাল ৯টা পর্যন্ত সারা দেশে সাড়ে ১১ লাখের বেশি ভোট পড়েছে।

ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ মনিটরিং সেল পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ভোটগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করছি। আপনারাও পর্যবেক্ষণ করুন এবং আমাদের জানান।

এর আগে, নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছিলেন, ড্রোন ও বডি ওর্ন ক্যামেরা থাকবে। ৯০ শতাংশেরও বেশি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি থাকবে। সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বডি ওর্ন ক্যামেরায় অ্যাক্সেস থাকবে।

আখতার আহমেদ আগেই বলেছিলেন, এই নির্বাচনে ২৫ থেকে ৩০ হাজার বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। দুর্গা পূজার নিরাপত্তা কার্যক্রমে ব্যবহৃত একই অ্যাপ সক্রিয় থাকবে।

এবার ২৯৯ আসনের ৪২ হাজার ৬৫১ ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ৫০টি দল নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। প্রার্থী দুই হাজার ২৮। ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখেরও বেশি।

 

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস বলেছেন, ‘দুপুর পর্যন্ত আমরা ভোটারদের মধে৵ যথেষ্ট উদ্দীপনা দেখছি। আমরা চাই, বিকেল পর্যন্ত এই উৎসাহ বজায় থাকুক।’

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে ভোট পরিদর্শনের পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটাভুটি নিয়ে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।

সকাল সাড়ে সাতটায় ভোট গ্রহণ শুরু হলে সহকর্মীদের নিয়ে রাজধানীর বেইলি রোডের সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে যান ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের (ইইউইওএম) প্রধান ইভার্স ইজাবস।

ইভার্স ইজাবস বলেন, আমরা একটি অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন প্রত্যাশা করছি। সারা দেশে মোতায়েন করা পর্যবেক্ষকদের কাছ থেকে অনলাইনে প্রতিবেদন ও তথ্য পাচ্ছি।

ইইউইওএম প্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন সারা দেশে ২০০ জনের বেশি পর্যবেক্ষক মোতায়েন করেছে। আমরা নিবিড়ভাবে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছি এবং বাংলাদেশে একটি অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন প্রত্যাশা করছি।’

ইভার্স ইজাবস বলেন, ‘আমরা পুরোপুরি নিরপেক্ষভাবে কাজ করছি। আমরা কোনো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছি না। আমরা শুধু নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছি এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি এই নির্বাচন কীভাবে পরিচালিত হয়েছে, তা নিয়ে আমাদের প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করব।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট গ্রহণ শুরু হয় আজ সকাল সাড়ে সাতটায়। বেলা ১২টা পর্যন্ত প্রায় ১৩ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ তথ্য অবশ্য ৩২ হাজার ৭৮৯ কেন্দ্রের। দেশের মোট ভোটকেন্দ্র ৪২ হাজার ৭৭৯।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনের আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৩২ হাজার ৭৮৯টি কেন্দ্রে ভোট প্রদানের হার ৩২.৮৮ শতাংশ বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন ভবন থেকে প্রাপ্ত প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে তিনি গণমাধ্যমকে এ পরিসংখ্যান নিশ্চিত করেন।

সংবাদ সম্মেলনে সচিব আখতার আহমেদ আরও জানান, এখন পর্যন্ত ভোটগ্রহণের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রয়েছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ছাড়াই ভোটাররা কেন্দ্রে এসে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত সারা দেশে কোথাও বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। সবচেয়ে স্বস্তির বিষয় হলো, কোনো ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করতে হয়নি। কোনো ধরনের আশঙ্কাজনক পরিস্থিতিও নেই।

সিনিয়র সচিব জোর দিয়ে বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচনী কর্মকর্তারা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। কিছু ভোটকেন্দ্রের বাইরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটলেও পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে।

সারাদেশের ভোটদানের চিত্র পর্যবেক্ষণ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ সদর দপ্তরে অবস্থিত নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে তিনি ভোটদানের এ চিত্র পর্যবেক্ষণ করেন।

এ সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, প্রধান উপদেষ্টা সকালে গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্রে নিজের ভোটদান শেষে রাজধানীর বাড্ডা হাইস্কুল কেন্দ্রে ও মিরপুরের এসওএস হারম্যান মেইনার কলেজ ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি ঘুরে দেখেন।

এ সময় তিনি ভোটার ও নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।

 

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব