বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হওয়ায় বিএনপি ও দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেস।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’–এ (সাবেক টুইটার) এই বার্তা পাঠান কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে।

এক পোস্টে লেখেন, সংসদ নির্বাচনে জয়ী হওয়ায় ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।

খাড়গে লিখেছেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ইতিহাস, ভাষা, সংস্কৃতি এবং আরও অনেক বিষয়ে গভীর ও অভিন্ন সম্পর্ক রয়েছে। ‘আমাদের এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ সব সময়ই সব ভারতীয়র সমর্থন পাবে।

২০২৪ সালে ছাত্র–জনতা আন্দোলনে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 

এতে বিএনপি জোট দুই–তৃতীংশের বেশি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। এই জোট মোট ২১২ আসনে জয়ী হয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও তার মিত্ররা ৭৭ আসনে জয়ী হয়েছে।

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী হওয়ায় দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই দুই নেতার মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় হয়।  এ সময় তাদের সঙ্গে স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও বিএনপি নির্বাচন কমিটির সমন্বয়কারী ঈসমাইল জবি উল্যাহ।   

মির্জা ফখরুল দলের চেয়ারম্যানকে বিজয়য়ের অভিনন্দন জানিয়ে তার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। আগামী দিনের তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নের শিখরে পৌঁছাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। 

প্রসঙ্গত, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁও-১ আসন নির্বাচন করে বিজয়ী হয়ে ঢাকায় ফেরেন। 

 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসনে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন ওই আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. আমিনুল হক। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) তিনি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে রিটার্নিং অফিসার বরাবর একটি লিখিত আবেদন জমা দিয়ে নির্বাচনের ফলাফল স্থগিত এবং বিতর্কিত কেন্দ্রগুলোতে পুনঃনির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।

আবেদনপত্রে আমিনুল হক অভিযোগ করেন যে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২ এবং নির্বাচনী আচরণবিধির চরম লঙ্ঘন হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোটের আগের রাতে অর্থ বিতরণের ভিডিও প্রমাণ রয়েছে এবং পোলিং এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখিয়ে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ৪০টিরও বেশি কেন্দ্রে এজেন্টদের স্বাক্ষর ছাড়াই ফলাফল শিট প্রস্তুত করা হয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে ভোট গণনার আগেই ফলাফল শিটে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। এছাড়া ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাধা প্রদান এবং নির্দিষ্ট কিছু কেন্দ্রে ভোট শুরুর আগেই সীল মারা ব্যালট বই পাওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও আবেদনে উঠে এসেছে।

আবেদনে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ১ থেকে ২৯ নম্বর কেন্দ্র পর্যন্ত ঘোষিত মোট ভোটের সাথে প্রিজাইডিং অফিসারদের সরবরাহকৃত ফলাফলে এবং পোস্টাল ভোটের পরিসংখ্যানে ব্যাপক গরমিল পরিলক্ষিত হয়েছে। সংবিধানের ১১৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা কমিশনের দায়িত্ব হলেও এক্ষেত্রে তার ব্যত্যয় ঘটেছে বলে তিনি মনে করেন। 

এর আগে সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার না পাওয়ায় তিনি এখন আরপিও-এর ৯১এ ধারা অনুযায়ী ফলাফল স্থগিত করে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২৯৭টি আসনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দুটি আসনের ফলাফল স্থগিত রাখা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল পরবর্তী সময়ে ঘোষণা করা হবে।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে এ তথ্য জানান ইসি সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি বলেন, নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ২৯৭টি আসনের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি দুই আসনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে কমিশন সিদ্ধান্ত জানাবে।

এর আগে, শেরপুর-২, চট্টগ্রাম-২ এবং চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল স্থগিত রাখবে বলে তিনটি পৃথক চিঠি জারি করেছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে ইতোমধ্যে শেরপুর-২ আসনের ফল ঘোষণা করা হয়েছে। তবে আপাতত এই আসনের গেজেট না প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি।

সিডনি

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নিরঙ্কুশ বিজয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিনন্দনবার্তা পাঠান।

 

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য আমি বাংলাদেশের জনগণকেও অভিনন্দন জানাই। আমাদের ঐতিহাসিক, ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বহুমুখী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।

নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করে তিনি আরও লিখেছেন, দক্ষিণ এশিয়া এবং তার বাইরে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে যৌথ লক্ষ্যগুলো এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা করছি।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ হয়ে গেলেও তিনটি আসনের ফল ঘোষণা স্থগিত রাখবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আদালতে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আসনগুলো হচ্ছে— শেরপুর-২, চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ইসি সচিবলায়য়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত তিনটি পৃথক চিঠি জারি করেছে ইসি।

চট্টগ্রাম-৪ আসনের জন্য জারি করা চিঠিতে বলা হয়েছে, আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিপিএলএ নং ৪৪১/২০২৬ (হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন নং ১১৭৪/২০২৬ হতে উদ্বৃত) এর ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের আদেশের আলোকে নির্বাচনী এলাকা ২৮১, চট্টগ্রাম-৪ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে যথারীতি অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে ওই মামলাটি চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তার ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখার আইনি বাধ্যবাধকতা থাকায় কমিশন ফলাফল স্থগিতের সিদ্ধান্ত প্রদান করেছে।

চট্টগ্রাম-২ আসনের জন্য জারি করা চিঠিতে বলা হয়েছে, আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিপিএলএ নং ৪৪০/২০২৬ (হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন নং ১০৫৩/২০২৬ হতে উদ্বৃত) এর ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের আদেশের আলোকে নির্বাচনী এলাকা ২৭৯ চট্টগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে যথারীতি অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সরোয়ার আলমগীরের নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশ স্থগিত রাখার আইনি বাধ্যবাধকতা থাকায় সরোয়ার আলমগীরের ফলাফল স্থগিত রাখার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত প্রদান করেছে।

শেরপুর-২ আসনের জন্য জারি করা চিঠিতে বলা হয়েছে, আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিপিএলএ নং ৪৪২/২০২৬ (হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন নং ১১৮৬/২০২৬ হতে উদ্বৃত) এর ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের আদেশের আলোকে নির্বাচনী এলাকা ১৪৪ শেরপুর-২ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে যথারীতি অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিপিএলএ নং ৪৪২/২০২৬-এর চূড়ান্ত আদেশের ওপর মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরীর নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল নির্ভরশীল হবে মর্মে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত প্রদান করেছে।

জাতীয় নির্বাচনে টাকার অপব্যবহার রোধে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা সীমিত করা হয়েছিল। চার দিনের জন্য এসব সেবা সীমিত করা হয়। এতে বিকাশ, রকেট ও নগদের মতো এমএফএস প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকেরা প্রতিবার এক হাজার টাকার বেশি পাঠাতে পারেননি।

গত রাত বারোটার পর থেকে এসব বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

গত রোববার রাতে এসব সেবা সীমিত করার ঘোষণা দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই দিন থেকে ওইসব সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে টাকা পাঠাতে গিয়ে অনেক গ্রাহক ভোগান্তিতে পড়েন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমএফএস ও ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশের আওতাধীন আইবিএফটির মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি (পিটুপি) লেনদেনের অপব্যবহার রোধের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফলে রোববার রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত (পূর্ণ ৯৬ ঘণ্টা) এমএফএসে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রতিটি লেনদেনের সর্বোচ্চ সীমা ছিল এক হাজার টাকা ও লেনদেনের সর্বোচ্চ সংখ্যা দৈনিক ১০টি। তবে মার্চেন্ট পেমেন্ট ও পরিষেবা বিলের ক্ষেত্রে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী নিয়মিত লেনদেনের বিধান অপরিবর্তিত রাখা হয়েছিল।

এ ছাড়া ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবায় (আইবিএফটির মাধ্যমে লেনদেন) ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি লেনদেন সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছিল।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর পর্যন্ত প্রকাশিত কেন্দ্রভিত্তিক বেসরকারি ফলাফলে দলটি দুইশো আসনের মাইলফলক অতিক্রম করেছে।

প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিএনপি জয় পেয়েছে ২০৮টি আসনে। অপরদিকে, জামায়াত জোটের প্রাপ্ত আসনের সংখ্যা ৬৮।

এখন পর্যন্তও ভোটগণনা চলছে। ধারণা করা হচ্ছে শুক্রবার দুপুরের মধ্যেই ২৯৯টি আসনের অফিসিয়াল ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

এর আগে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সারাদেশের মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলে।

সংসদীয় আসনের নির্বাচনের পাশাপাশি একই দিনে দেশজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে সারাদেশ থেকে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল ঘোষণার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য বিএনপি ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।

আজ শুক্রবার সকাল ৭টা ৪৮ মিনিটে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই শুভাচ্ছে জানানো হয়।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানফাইল ছবি

ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, ‘একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন। বিএনপি এবং তারেক রহমানকে তাঁদের ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা।’

ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ফেসবুক পোস্টে আরও বলা হয়, ‘আমাদের দুই দেশের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার অভিন্ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে আপনাদের সাথে কাজ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী।’

ঢাকা-১১ আসনের প্রাথমিক ফলাফলে জয়ী হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলাম। এই আসন থেকে শাপলা কলি প্রতীকে তিনি মোট ৯৩ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়েছেন৷

নাহিদ ইসলামের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৩৩ ভোট। নাহিদ ইসলাম ২ হাজার ৩৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

আজ শুক্রবার সকাল পৌনে সাতটার দিকে ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার (রিটার্নিং কর্মকর্তা) শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এ ফল ঘোষণা করে জানান, ঢাকা-১১ আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১৬৩টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হয়। ভোটের হার ছিল ৪৫ শতাংশ।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলাম।

ঢাকা-১১ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৯৬ হাজার ৩৭০ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৫১৭টি। সে হিসেবে বৈধ ভোট ছিল ১ লাখ ৯২ হাজার ৮৫৩টি।

এ আসনে অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী শেখ ফজলে বারী মাসউদ হাত পাখা প্রতীকে ৪ হাজার ৩৭৫ ভোট, লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী শামীম আহমেদ ১ হাজার ৪৮ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী কহিনূর আক্তর ফুটবল প্রতীক নিয়ে ৭৯৪ ভোট পেয়েছেন।