• Colors: Green Color

সংযুক্ত আরব আমিরাতে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর এশিয়া কাপ শুরু হতে যাচ্ছে। এর ঠিক আগে নিজেদের প্রস্তুতি ঝালিয়ে নিতে ঘরের মাঠে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। সেই সিরিজের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

সোমবার (৪ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছে, সিরিজের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ৩০ আগস্ট। এরপর বাকি দুই ম্যাচ যথাক্রমে ১ ও ৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। সবগুলো ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। ম্যাচ শুরু হবে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায়।

এর আগে, ২৬ আগস্ট বাংলাদেশে এসে পৌঁছাবে ডাচরা। তবে এই সিরিজসহ এশিয়া কাপের প্রস্তুতি নিতে ৬ আগস্ট থেকে মিরপুরে ক্যাম্প শুরু করবে লিটন দাসের দল। যা চলবে ১৫ তারিখ পর্যন্ত। এরপর ছোট্ট বিরতি দিয়ে ২০ আগস্ট থেকে ক্যাম্প শুরু হবে সিলেটে।

সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে উইন্ডিজকে ১৩ রানে হারিয়েছে পাকিস্তান। ১৯০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেটে ১৭৬ রান করে ক্যারিবিয়ানরা। এই জয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নিয়েছে পাকিস্তান। সোমবার (৪ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় ভোরে ফ্লোরিডার লডারহিল স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় দু’দল। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দারুণ পায় পাকিস্তান। উদ্বোধনী জুটিতে ১৩৮ পার্টনারশিপ গড়েন শাহিবজাদা ফারহান ও সায়েম আইয়ুব। সামার জোসেফের বলে শাই হোপের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৭৪ রানে ফেরেন ফারহান। ৬৬ রানে হোল্ডারের শিকার হন আইয়ুব। নির্ধারিত ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান স্কোর বোর্ডে জমা করে পাকিস্তান। জবাবে ব্যাট করতে নেমে বলের সাথে পাল্লা দিয়ে রানের চাকা সচল রাখার চেষ্টা চালায় উইন্ডিজ। তবে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ১৭৬ রানে থামে ক্যারিবিয়ানদের ইনিংস। আলিকের ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৬০ রান। উল্লেখ্য, আগামী শুক্রবার (৮ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১২টায় তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে মুখোমুখি হবে দু’দল। ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচটি।

ভারতীয় বোলারদের দারুণ কামব্যাকে পঞ্চম দিনে গড়ালো ‘অ্যান্ডারসন-টেন্ডুলকার’ ট্রফির সিরিজ নির্ধারণী ওভাল টেস্ট। যেখানে জয়ের জন্য ইংল্যান্ডকে করতে হবে আর ৩৫ রান। ভারতের দরকার ৪ উইকেট। ৩৭৪ রানের জয়ের লক্ষ্যে ৬ উইকেটে ৩৩৯ রান করে চতুর্থ দিন শেষ করেছে ইংল্যান্ড। এর আগে ১ উইকেটে ৫০ রান নিয়ে রেকর্ড জয়ের লক্ষ্যে চতুর্থ দিন শুরু করে ইংলিশরা। রেকর্ড বলা হচ্ছে এই কারণে যে, ওভালে এর আগে কোনো দল চতুর্থ ইনিংসে ২৬৩ রানের বেশি তাড়া করে জেতেনি। সেই ঘটনাও ঘটেছিল ১৯০২ সালে। এদিন ফিফটি তুলে দলীয় ৮২ রানে ফেরেন দারুণ খেলতে থাকা বেন ডাকেট। ইনিংস বড় করতে পারেননি ওলি পোপ। তবে এরপর ১৯৫ রানের জুটি গড়ে অসম্ভবকে সম্ভবের পথে নিয়ে যান জো রুট ও হ্যারি ব্রুক। দুজনই তুলে নেন সেঞ্চুরি। ব্রুক ১১১ ও রুট ১০৫ করে আউট হলে ম্যাচে ফেরে ভারত। ব্রুকের রান যখন ১৯, তখনই তিনি প্যাভিলিয়নের পথ প্রায় দেখে ফেলেছিলেন। তার তোলা ক্যাচটি দারুণভাবেই হাতে জমিয়েছিলেন মোহাম্মদ সিরাজ। কিন্তু ভারসাম্য হারিয়ে ফাইন লেগ অঞ্চলের সীমানারেখা ছুঁয়ে ফেললে সেটা হয়ে যায় ছয়! এরপর ব্রুক তুলে নেন টেস্টে নিজের দশম সেঞ্চুরি। অবশ্য শেষ বিকেলে জ্যাকব বেথেলকে ফিরিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন প্রষিধ কৃষ্ণা। এরপর আলোক স্বল্পতায় নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হয় দিনের খেলা। ভারতের হয়ে ৩ উইকেট নেন প্রষিধ কৃষ্ণা। শেষ দিনে জয়ের জন্য ৩৫ রান করতে হবে ইংল্যান্ডকে। তাহলে ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নেবে স্বাগতিকরা।

আগামী ৯ সেপ্টেম্বর শুরু হবে এশিয়া কাপ। আসরের পর্দা নামবে ২৮ সেপ্টেম্বর। প্রাথমিকভাবে এবারের আসরের আয়োজক ভারত হলেও, পরিবর্তিত পরিস্থিতি সেটি বদলে দেয়। রোববার (৩ আগস্ট) আসরের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ করা হয়। গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের সবগুলো ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম।

এবারের আসরে বাংলাদেশ পড়েছে ‘বি’ গ্রুপে। যেখানে তাদের সঙ্গী শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান ও হংকং। ১১ সেপ্টেম্বর হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আসর শুরু করবে বাংলাদেশ। ১৩ ও ১৬ সেপ্টেম্বর টাইগাররা মুখোমুখি হবে যথাক্রমে শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের।

ভারত-পাকিস্তানের বিগ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে ১৪ সেপ্টেম্বর। ‘এ’ গ্রুপে তাদের সঙ্গী ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। এই গ্রুপের সবকটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে দুবাইতে।

টুর্নামেন্টের একটি ম্যাচ বাদে সব ম্যাচই শুরু হবে রাত ৮টায়। ১৫ সেপ্টেম্বর রয়েছে দুটি ম্যাচ। সেদিন সংযুক্ত আরব আমিরাত-ওমানের ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায়। অন্য ম্যাচে রাত ৮টায় মুখোমুখি হবে হংকং–শ্রীলঙ্কা।

অনূর্ধ্ব-১৯ ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়েকে ৮ উইকেটে হারিয়ে দুই ম্যাচ হাতে রেখেই ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। মাত্র ৯০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ২০৯ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় টাইগার যুবারা।

হারারে স্পোর্টস ক্লাবে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ইয়ং টাইগারদের বোলিং তোপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। ২২.৩ ওভারে মাত্র ৮৯ রানেই গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ওপেনার নাথানায়েলের ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ২৬ রান। ২৭ রানের খরচায় ৪ উইকেট শিকার করেন পেসার ইমন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ধাক্কা খেলেও দ্রুতই পরিস্থিতি সামাল দেয় বাংলাদেশ। তৃতীয় উইকেটে তামিম ও রিজানের ৫২ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি জয়ের বন্দরে নিয়ে যায় লাল সবুজদের।

এক ওভারে একজন বোলার কতগুলো ওয়াইড দিতে পারেন? দুই, তিন, চার এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকার কথা। তবে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নস লিগে যা ঘটেছে তা রীতিমতো পাগলামি। অস্ট্রেলিয়ান এক বোলার এক ওভারে বল করেছেন ১৮টি। যার ১২টিই ওয়াইড এবং একটি নো বল। সেই ইতিহাস গড়া বোলার হলেন জন হ্যাস্টিংস।

ইংল্যান্ডে চলছে সাবেকদের মিলনমেলা। সূচি অনুযায়ী লেস্টারে চলছিল পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ। অজিদের দেয়া ৭৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করছে পাকিস্তান। ৭ ওভারে বিনা উইকেটে স্কোর বোর্ডে পাকিস্তানের রান তখন ৫৫। ইমপ্যাক্ট খেলোয়াড় হ্যাস্টিংসের হাতে বল তুলে দেন ব্রেট লি। বল হাতে শুরুতেই হ্যাস্টিংস দেন ৫টি টানা ওয়াইড। প্রতিটা বলই বেরিয়ে যায় অফ স্টাম্পের অনেক বাইরে দিয়ে।

এরপর দুই বলে সিঙ্গেল ও চার হজম করেন হ্যাস্টিংস। এরপর আবার লাইনচ্যুত হন এই বোলার। আবার একটা নো বল এবং ওয়াইড। এবার দুটি বলই ছিল লেগ স্টাম্পের বাইরে। লাইন নিয়ে সমস্যা হওয়ায় সমাধান হিসেবে বেছে নেন রাউন্ড দ্য উইকেটে বল করার। অবশ্য তাতেও লাভ হয়নি। পর পর তিনটি ওয়াইড। আবারো পার্শ্ব পরিবর্তন। অবস্থা এমন দাঁড়ায় যে ওভার শেষ করতে পারলে হাফ ছেড়ে বাচেন হ্যাস্টিংস। কিন্তু ভাগ্য বিধাতা যেন সেদিন খেলছিলেন তার সাথে।

অদ্ভুতুড়ে ওভারে হ্যাস্টিংস ১৮ বল করলেও ওভারটি শেষ করা সম্ভব হয়নি। এই ওভারে পাকিস্তানের জয় নিশ্চিত করেছেন দুই ওপেনার শারজিল ও মাকসুদ।

উল্লেখ্য, ম্যাচে ১০ উইকেটে হারের পরও অবশ্য সেমিফাইনালে নাম লিখিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। যেখানে তারা মুখোমুখি হবে ডি ভিলিয়ার্সের দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব