রাজধানীতে ইফতারে অংশ নিতে গিয়ে গ্রেপ্তার পিরোজপুর-২ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) শাহ আলমকে আজ রোববার কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হক এ আদেশ দেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী তরিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর রমনায় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে ইফতার মাহফিলে অংশ নিতে গেলে স্থানীয় লোকজন শাহ আলমকে চিনতে পেরে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এ সময় পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে পড়লে রমনা থানায় খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং তাঁকে সেখান থেকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
রমনা মডেল থানার উপপরিদর্শক মো. নবী হোসেন আজ রোববার ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় শাহ আলমকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
আটক রাখার আবেদনে বলা হয়, শাহ আলম আওয়ামী শাসনামলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিপক্ষে কাজ করেছেন এবং তাঁর নামে একাধিক মামলা রয়েছে মর্মে স্থানীয় জনসাধারণ তাঁকে আটক করে এবং পুলিশে হস্তান্তর করেন। আসামি জিজ্ঞাসাবাদে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি। আসামি কোনো আমলযোগ্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত আছেন, মর্মে যুক্তিসংগতভাবে সন্দেহ হওয়ায় তাঁকে ৫৪ ধারা গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আরও বলা হয়, আসামির বিষয়ে থানার রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং বিদেশে গমনাগমনের বিষয়ে যাচাই–বাছাই চলছে। এ অবস্থায় সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাঁকে কারাগারে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।
আদালত শুনানি শেষে আবেদন মঞ্জুর করেন।