FI TV
ব্রেকিং
অর্থনীতি

ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, স্বর্ণের নতুন ঠিকানা কোথায়

Rupam Tanchangya মিনিটের পড়া
শেয়ার:
স্বর্ণ
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক উদ্বেগের কারণে বিভিন্ন দেশ স্বর্ণ মজুতের পরিমাণ বাড়িয়েছে।

কোনো দেশের বৈদেশিক রিজার্ভের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো স্বর্ণের মজুত। কিন্তু নিরাপদ ও মূল্যবান এই পণ্যকে অধিকাংশ দেশই নিজেদের কাছে রাখে না। সংরক্ষণ করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের নিউইয়র্ক শাখার ভল্টে।

সাম্প্রতিক একটি প্রবণতা দেখাচ্ছে, ইউরোপ ও এশিয়ার কয়েকটি দেশ নিউইয়র্ক ফেডের ভল্ট থেকে নিজেদের মজুতকৃত স্বর্ণ সরিয়ে নিচ্ছে। দেশগুলোর মধ্যে আছে- নেদারল্যান্ডস, ফ্রান্স, জার্মানি ও ভারত। আরও কয়েকটি দেশ এমন পদক্ষেপের বিষয়ে আলোচনা করছে। 

প্রশ্ন উঠছে, মূল্যবান ও নিরাপদ ধাতু হিসেবে পরিচিত এই পণ্য কোথায় সংরক্ষণ করা হচ্ছে? যুক্তরাষ্ট্রের ওপর কয়েক দশকের আস্থায় ভাটা পড়ছে কেন? বাংলাদেশের মজুতকৃত স্বর্ণ কত এবং কোথায় আছে?

কয়েকটি দেশ তাদের মজুত সরিয়ে নিলেও নিউইয়র্ক ফেডের ভল্টে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন হয়নি। আমেরিকান অর্থনীতি ও রাজনৈতিক তথ্যভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ডেভ ম্যানুয়েলের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত ভল্টে বিদেশি স্বর্ণ মজুতের পরিমাণ প্রায় ৬ হাজার ২০০ টন। এগুলোর মালিক ৩৬টির বেশি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠান। 

অন্য দেশের স্বর্ণ যুক্তরাষ্ট্রে কেন গেল?
আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে স্বর্ণ এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে, সংকটকালীন পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য অধিকাংশ দেশ এই পণ্য মজুত করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও পরবর্তী সময়েও এটি দেখা গেছে। তখন বহু দেশ স্বর্ণ মজুতের জন্য নিরাপদ স্থান খুঁজতে শুরু করে। বিশ্ব অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনতে একটি মুদ্রা ব্যবস্থাপনা কাঠামোও তৈরি করা হয়। যেটি ব্রেটন উডস ব্যবস্থা নামে পরিচিত। 


যুক্তরাজ্যে মূল্যবান ধাতু বা বুলিয়ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ওয়েসেক্স মিন্টের তথ্য অনুযায়ী, এই ব্যবস্থার অধীনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুদ্রার মূল্য মার্কিন ডলারের সঙ্গে নির্ধারিত ছিল। প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩৫ ডলার। ওই নির্দিষ্ট হারের বিনিময়ে ডলারকে স্বর্ণে রূপান্তর করা যেত।

এই ব্যবস্থার ফলে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব অর্থব্যবস্থার প্রধান কেন্দ্রে পরিণত হয়। কিন্তু ১৯৭১ সালে এটি ভেঙে যাওয়ার পর স্বর্ণকে ডলারে রূপান্তরও বন্ধ হয়ে যায়। তারপরও অর্থব্যবস্থার প্রধান কেন্দ্রে পরিণত হওয়ায় নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের ভল্টে স্বর্ণ মজুত অব্যাহত থাকে। 

প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ডলারের বিপরীতে স্বর্ণ বিনিময়ের ব্যবস্থা স্থগিত হলে ১৯৭৩ সালে তাদের মজুত সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। তখন এর পরিমাণ ১২ হাজার টনে দাঁড়িয়েছিল। এরপর থেকে জমা ও উত্তোলনের কার্যক্রম কমে যায়। কিন্তু এখনো ব্যাংকটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্বর্ণ ভান্ডার হিসেবে পরিচিত। 

২০২৪ সালের হিসাব অনুযায়ী, ভল্টটিতে প্রায় ৫ লাখ ৭ হাজার বার ছিল। সেগুলোর মোট ওজন ছিল ৬ হাজার ৩৩১ মেট্রিক টন। ম্যানহাটনে বিশেষ নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় ভল্টটি মাটির ৮০ ফুট নিচে রাখা হয়েছে।

নিউইয়র্কের এই ভল্টে স্বর্ণ মজুতের আরেকটি কারণ হলো ফি। জমা, উত্তোলন বা মালিকানা পরিবর্তনের সময়ই কেবল হ্যান্ডলিং ফি নেওয়া হয়। সংরক্ষণের জন্য আলাদাভাবে কোনো ফি দেওয়া লাগে না।

স্বর্ণের নতুন ঠিকানা
চলতি বছর দ্বিতীয় দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা থেকে স্বর্ণ স্থানান্তর করেছে নেদারল্যান্ডস। এর পরিমাণ ৮৬ টন। যার একাংশ কেনাবেচার মাধ্যমে ও বাকি অংশ সরাসরি লন্ডনের ব্যাংক অব ইংল্যান্ডে নেওয়া হয়েছে। 


গত জানুয়ারিতে ফ্রান্সও এমন তথ্য জানায়। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারির মধ্যে নিউইয়র্ক ফেডে রাখা ১২৯ টন স্বর্ণ বিক্রি করেছে। বিক্রির অর্থ দিয়ে তারা ইউরোপের বাজার থেকে সমপরিমাণ স্বর্ণ কিনে নিজ দেশে মজুত করেছে। ফ্রান্সের মোট স্বর্ণ মজুতের পরিমাণ প্রায় ২ হাজার ৪৩৭ টন।

স্পেনেও স্বর্ণ স্থানান্তরের আলাপ উঠেছে। মঙ্গলবার দেশটির গণমাধ্যম এল পাইস জানিয়েছে, গোপনীয়তার স্বার্থে স্প্যানিশ কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখনো মজুতের পরিমাণ নিয়ে তথ্য প্রকাশ করছে না। কতটুকু সরিয়ে নেওয়া হবে সেটিও জানাচ্ছে না।

মার্কিন গণমাধ্যম নিউজউইক ৩ সেপ্টেম্বরের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বর্ণ স্থানান্তরের এই প্রবণতা নতুন নয়। ২০১৭ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে জার্মানি ৩০০ টন সোনা নিজ দেশে সরিয়ে নেয়। গত বছর বাণিজ্যিক উত্তেজনা দেখা দিলে ইতালিতেও স্বর্ণ স্থানান্তরের রাজনৈতিক চাপ বাড়ে। কিন্তু মেলোনি প্রশাসন সে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে। 

গত জুন মাসে ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল প্রকাশিত জরিপের ফলাফল অনুযায়ী, ৫৭ শতাংশ উত্তরদাতা স্বর্ণ সংরক্ষণে পছন্দের স্থান হিসেবে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডকে বেছে নিয়েছেন। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো মজুতের স্থানে বৈচিত্র্য আনতে চাইছে। ৪৯ শতাংশ উত্তরদাতা নিজ দেশে রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন।

সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রতি আগ্রহও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। জরিপে নিউইয়র্ক ফেড সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এখন কেন স্বর্ণ সরানো হচ্ছে?
শুধু যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কিছু দেশ স্বর্ণ সরিয়ে নিচ্ছে বিষয়টা তেমন নয়। নিউইয়র্কের পর অন্যতম বড় ভল্ট আছে লন্ডনের ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের। সেখান থেকেও কয়েকটি দেশের সরকার নিজেদের রাজধানীতে স্বর্ণ স্থানান্তর করেছে। এই প্রবণতায় যে কারণটি বেশি সামনে আসছে সেটি হলো- ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক উদ্বেগ। 


নিউইয়র্ক ফেড থেকে সবশেষ স্বর্ণ সরানো নেদারল্যান্ডসও বিষয়টিকে যুক্তি হিসেবে তুলে ধরেছে। তারা কানাডার অন্যতম বাণিজ্য অংশীদার। যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে কানাডার সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধে লিপ্ত। মঙ্গলবার থেকে অটোয়ার ব্যবসায়ীরা ‘ডলার-ফর-ডলার’ শুল্কের আওতায় কার্যক্রম শুরু করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা ২ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের পণ্যে এই শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। 

অটোয়ার এই নীতি চালু হওয়ার আগে ওয়াশিংটনও ২ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের কানাডীয় পণ্যে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয়। এই অস্থিরতা আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কায় নেদারল্যান্ডস আগেই দেশ দুটি থেকে নিজেদের স্বর্ণের মজুত সরিয়ে নিয়েছে। 

ফ্রান্সের ক্ষেত্রেও একই বিষয়। ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে পারস্পরিক শুল্ক আরোপ ও গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা দাবি করেন। তখন থেকেই সতর্ক অবস্থান নেয় প্যারিস। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ওপর আরোপ করা ডিজিটাল সেবা কর। 

এএফপির গত জুন মাসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্রান্সের ভেতর মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো যে আয় করে সেটির ওপর ৩ শতাংশ কর নেওয়া হয়। এই নীতি চালু হয় ২০১৯ সালে। যার আওতায় আছে মেটা, অ্যামাজন, অ্যাপল ও অ্যালফাবেটের মতো কোম্পানি। ওই কর বাতিল না করলে ফ্রান্সের ওয়াইন ও শ্যাম্পেনের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দেন ট্রাম্প। 

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য উত্তেজনার মুখে পড়েছে স্পেনও। গত ফেব্রুয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই মাদ্রিদ-ওয়াশিংটনের উত্তেজনা বাড়ে। ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য স্পেনের সামরিক ঘাঁটি চেয়েছিল হোয়াইট হাউস। সেটি করতে না দেওয়ায় দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য পুরোপুরি বন্ধের হুমকি দেন ট্রাম্প। 

অস্ট্রেলিয়া ইনস্টিটিউটের আন্তর্জাতিক ও নিরাপত্তাবিষয়ক পরিচালক এমা শর্টিস এবিসি নিউজকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রশাসন আন্তর্জাতিক রাজনীতির প্রতিষ্ঠিত রীতি ও নিয়মগুলো সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করছে। ফলে সেখানে রিজার্ভ মজুত রাখা একটি ঝুঁকি। 

শুধু মজুত নয়, রাখার স্থানও গুরুত্বপূর্ণ
প্রয়োজনের সময় মজুতকৃত স্বর্ণ ব্যবহার করা যাবে কি না- সেটিও নির্ধারণ করে দেয় ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি। যেমন, ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা কর্মসূচি চালু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ফলে বিদেশে থাকা রুশ সম্পদ জব্দ হয়ে যায়।  


রাশিয়ার অন্যতম মিত্র দেশ ভেনেজুয়েলা ১৯৮০ সাল থেকে যুক্তরাজ্যের ব্যাংক অব ইংল্যান্ডে স্বর্ণ মজুত করে। কিন্তু নিকোলাস মাদুরো ক্ষমতায় বসার পর দেশটির মুদ্রা কর্তৃপক্ষের ওপর থেকে স্বীকৃতি তুলে নেয় লন্ডন। এরপর থেকে তাদের স্বর্ণ ব্যাংক অব ইংল্যান্ডে জব্দ হয়ে আছে। 

গত জুলাইয়ের ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে কারাকাসের বর্তমান প্রশাসন স্বর্ণ ফিরিয়ে নিতে চেয়েছিল। কিন্তু পারেনি। কারণ, তাদের বর্তমান মুদ্রা কর্তৃপক্ষকে লন্ডন এখনো স্বীকৃতি দেয়নি। রাশিয়ার অন্যতম বাণিজ্য অংশীদার ভারতও ২০২৪ সালে নিজেদের বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ব্যাংক অব ইংল্যান্ড থেকে দেশে ফিরিয়ে আনে। 

বৈশ্বিক বাণিজ্য অস্থিরতা ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকায় নিজেদের স্বর্ণের মজুত দিয়ে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলার কৌশল নিচ্ছে বিভিন্ন দেশ। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক রিজার্ভ কোথায় মজুত রাখা হবে, সেটি নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

স্বর্ণের কোনো সরকার নেই
আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে ডলার প্রধান মুদ্রা হলেও নীতি নির্ধারণ করে যুক্তরাষ্ট্র। অপরদিকে ইউরো ইউরোপীয় ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু বৈশ্বিক লেনদেনে স্বর্ণের মান কোনো দেশের মুদ্রানীতির ওপর নির্ভর করে না। এ কারণে অনিশ্চয়তার সময় স্বর্ণকে অনেক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বীমার মতো সম্পদ হিসেবে দেখে।

এ কারণে ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা শুরুর পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর স্বর্ণ কেনার গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত ১৬ জুন প্রকাশিত এক জরিপের ফলাফলে ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল জানায়, সবশেষ চার বছরে বিভিন্ন দেশ গড়ে প্রতি বছর ১ হাজার টন করে স্বর্ণ কিনেছে। আগের এক দশকে এই গড় ছিল ৫০০ টন। 

কাউন্সিল তাদের জরিপটি চালায় গত ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯ মে পর্যন্ত সময়ে। ইরান যুদ্ধ শুরুর পর জরিপে উত্তরদাতার সংখ্যাও বাড়ে। রেকর্ড ৪৫ শতাংশ উত্তরদাতা আশা করছেন, তাদের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে স্বর্ণের মজুত ভবিষ্যতে আরও বাড়বে।

গোল্ড কাউন্সিলের আগস্ট মাসের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সবচেয়ে বেশি স্বর্ণ মজুতকারী দেশ যুক্তরাষ্ট্র- ৮ হাজার ১৩৩ টন। এরপর আছে যথাক্রমে জার্মানি (৩,৩৫০), ফ্রান্স (২,৪৩৭), ইতালি (২,৪৫২) ও নেদারল্যান্ডস (৬১২)।

বাংলাদেশের মজুত ও অবস্থান
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিজার্ভে প্রায় ১৪ হাজার ২৭৮ কেজি স্বর্ণ আছে। বড় অংশ সংরক্ষণ করা হয়েছে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডে। বাকিটা আছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্ট ও কয়েকটি আন্তর্জাতিক ব্যাংকে।

এদিকে স্বর্ণের বৈধ আমদানি বাড়াতে সরকার জাতীয় স্বর্ণ নীতিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। খসড়া নীতিমালায় আমদানি থেকে বিক্রি পর্যন্ত পুরো সরবরাহ ব্যবস্থাকে নজরদারির আওতায় আনা হবে।

শেয়ার: