FI TV
ব্রেকিং
অর্থনীতি

এলডিসি উত্তরণে খাতভিত্তিক কর্মকৌশল চান উদ্যোক্তারা

Rupam Tanchangya মিনিটের পড়া
শেয়ার:
এফবিসিসিআই

এলডিসি থেকে টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণের জন্য এসএমই, কৃষি, ওষুধসহ অন্যান্য শিল্পের জন্য খাতভিত্তিক সুনির্দিষ্ট কর্মকৌশল গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন শিল্পোদ্যোক্তারা। তাদের মতে, শুধু কর্মকৌশল গ্রহণ করলেই হবে না, তার সঠিক বাস্তবায়ন এবং নিয়মিত মনিটরিং নিশ্চিত করতে হবে। 

গতকাল সোমবার এফবিসিসিআইর উদ্যোগে আয়োজিত এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য সংস্কার কার্যক্রমে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধিকল্পে কর্মকৌশল নির্ধারণ-সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় তারা এমন পরামর্শ দেন। এফবিসিসিআই এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। 

রাজধানীর মতিঝিলে সংগঠনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন এফবিসিসিআইর প্রশাসক মো. ফজলুল হক। সভার শুরুতে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার ওপর একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন এফবিসিসিআইর মহাসচিব মো. আলমগীর। 

প্রতিবেদনে জানানো হয়, এলডিসি উত্তরণের ফলে অন্যতম রপ্তানি বাজার ইউরোপে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা হারাবে বাংলাদেশ। কড়াকড়ি আসবে ওষুধ শিল্পসহ বিভিন্ন শিল্পের মেধাস্বত্ব বিধিবিধানে। সভার মুক্ত আলোচনায় ঢাকা চেম্বারের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রাজিব এইচ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের দর কষাকষির সক্ষমতা নেই। এখানে সক্ষমতা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডোকে সম্পূর্ণ কার্যকর করতে হবে।

বাংলাদেশ প্লাস্টিক পণ্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি শামীম আহমেদ জানান, দেশের প্লাস্টিক শিল্পের বড় অংশই কপি পণ্য তৈরি করে। এলডিসি উত্তরণের পর ওষুধের মতো এই খাতের জন্যও মেধাস্বত্ব ইস্যু বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। এমন পরিস্থিতিতে প্লাস্টিক, হালকা প্রকৌশলসহ কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের সুরক্ষায় সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে দ্রুত অ্যাকশন প্ল্যান গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

টেকসই এলডিসি উত্তরণের জন্য গৃহীত কর্মকৌশল যেন শুধু ঢাকা কেন্দ্রিক শিল্পের জন্য না হয় সে বিষয়ে এফবিসিসিআইকে সজাগ থাকার পরামর্শ দিয়েছেন পটুয়াখালী উইমেন চেম্বারের সভাপতি ইসমাত জেরিন খান। বাংলাদেশ অ্যাগ্রো কেমিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কে এস এম মোস্তাফিজুর রহমান প্যাটেন্টের আওতাভুক্ত পণ্যের নিবন্ধন সম্পন্ন করতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ রিজিওনাল কানেক্টিভিটি প্রজেক্টে-১ এর বিশেষজ্ঞ মো. মুনির চৌধুরী বলেন, বেসরকারি খাতকে চ্যালেঞ্জগুলো সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করতে হবে। সেগুলো সমাধানের জন্য সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে কাউন্সিল গঠন এবং ফলাফলভিত্তিক কর্মকৌশল গ্রহণের পরামর্শ দেন তিনি।

এফবিসিসিআইর প্রশাসক ফজলুল হক বলেন, এলডিসি উত্তরণে তিন বছর বাড়তি  সময় সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে। বেসরকারি খাতের সক্ষমতা বাড়ানো গেলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে। 

শেয়ার: